সব ফোনে আর চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ

তবে এবার হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি। অসংখ্য ফোনে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা। কিছুদিন পর পরই আপডেট দেয় হোয়াটসঅ্যাপ। উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের ডেটা সুরক্ষিত রাখা। সঙ্গে বেশ কিছু নতুন ফিচার দেওয়া হয়।

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ৪.১ বা তার থেকেও পুরোনো ভার্সনে ২৪ অক্টোবরের পর আর চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ। স্যামসাং, সনি, মটোরোলা-এর অসংখ্য ফোন আছে এই তালিকায়। চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন ফোনগুলোতে আর ব্যবহার করতে পারবেন না হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ-।

স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব ১০.১, অ্যাকর আইকনিক ট্যাব এ৫০০৩, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস, এইচটিসি ডিজাইয়ার এইচডি, এলজি অপটিমাস ২এক্স, সনি এক্সপেরিয়া আর্ক৩, স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ২, এইচটিসি ওয়ান, সনি এক্সপেরিয়া জেড, এলজি অপটিমাস জি প্রো, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২, স্যামসাং গ্যালাক্সি, এইচটিসি সেনসেশন, মটোরোলা ড্রয়েড রেজার, সনি এক্সপেরিয়া এস২, মটোরোলা জুম।

এর আগে এ বছরে কয়েক দফায় পুরোনো অনেক ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাক্সেস বন্ধ করেছে সংস্থাটি। মূলত কিছু দিন পর পরই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপের মিনিমাস সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট আপডেট করে। যার ফলে কিছু কিছু স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ কাজ করে না।




নুরাইনপুরে পাখির অভয়ারন্ন

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: ডাবল ডেকার লঞ্চের হুইসল, বাস-ট্রাকের হর্ন, কাছের সড়কের মানুষের কোলাহল, মাইকের শব্দ ওদের আস্তানা ভাঙতে পারেনি।

প্রায় ৩৭ বছর ধরে এলাকার কয়েকটি গাছের মগডালে বসবাস করছে একদল সাদা বক। একসময় এখানে ছিল শুধুই বকের আনাগোনা আর ঘরবসতি। প্রায় সাত বছর ধরে তাদের পাশে থাকছে একঝাঁক পানকৌড়ি।

সাদা আর কালো দুই বিপরীত বর্ণের পাখিদের এক নয়নাভিরাম মেলা যেন বসেছে।

দুই ধরনের পাখির এই মিলিত আখড়া পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নুরাইনপুর বাজারে।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর আগে বাজারের লাগোয়া নুরাইনপুর মসজিদের পূর্ব পাশে পাটনিবাড়িতে আশ্রয় নেয় কিছু বক পাখি। তখন থেকে বর্ষা মৌসুম এলেই পাটনিবাড়ির গাছগুলো তাদের দখলে চলে যেত।

স্থানীয়রা জানায়, পাটনিবাড়িতে বিভিন্ন সময়ে কয়েক প্রজাতির বক দেখা গেছে। তবে বড় সাদা বকের সংখ্যাই বেশি। শুরুর দিকে বাজারের পূর্ব পাশে পাটনিবাড়ির গাছগুলোতেই বকদের বসতি ছিল। পরে একসময় পাটনিবাড়ির গাছ কেটে ফেলায় লাগোয়া মাওলানা মো. বশির খানের বাড়ির গাছে আস্তানা গেড়েছে বক আর পানকৌড়িগুলো।

ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি দেখে আর তাদের কলরবে মুগ্ধ হয় পথিক। দিনের বিভিন্ন সময়ে দেখা যায় ধবধবে সাদা বক ও মিশকালো পানকৌড়িদের ওড়াউড়ি। মৌসুম অনুযায়ী দেখা যায় তাদের বাসা বানানো বা ছানার মুখে খাবার তুলে দেওয়ার দৃশ্য। বশির মাওলানার বাড়ির আম, মান্দার, সুপারি, মেহগনি, চাম্বল, রেইন ট্রিসহ প্রায় ১৫টি গাছে বক আর পানকৌড়ির বাসা।

মো. বশির জানান, ছয় প্রজাতির বক থাকে তাঁর বাড়ির গাছগুলোতে। লতাপাতা আর ডালপালা দিয়ে বাসা বানায় তারা। বকেরা এই আবাসে থাকে বছরের প্রায় ৯ মাস। চৈত্র শেষে বৃষ্টিতে মাঠ, নালা, খালবিলে পানি জমতে শুরু করলে ওরা চলে আসে এই বাড়িতে। হেমন্তকালের দিকে পানি শুকিয়ে এলে অন্যত্র চলে যায়। মাঝে প্রজনন মৌসুমে জন্ম নেয় অনেক ছানা।

স্থানীয়রা জানায়, সংখ্যায় বেড়ে যাওয়ায় পাখিগুলো এখন ছড়িয়ে পড়েছে পাশের আরো কয়েকটি বাড়ির গাছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. ফুহাদ বিশ্বাস বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে আমরা দেখে আসছি বকগুলো ফাল্গুন-চৈত্র মাসে আসে। আবার অগ্রহায়ণ মাসের শেষের দিকে চলে যায়। প্রতি বছর তাদের সংখ্যা বাড়ছে। কয়েক বছর ধরে পানকৌড়ি এসে আরো আর্কষণ বাড়িয়ে দিয়েছে।’

পটুয়াখালী সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক ও পাখি পর্যবেক্ষক পীযুষ কান্তি হরি বলেন, ‘বক সাধারণত জলাশয়ের কাছাকাছি বড় গাছের ডালে কলোনি গড়ে তোলে। মানুষ উপদ্রব না করলে এ রকম দীর্ঘ সময় একই কলোনিতে থাকতে পারে তারা। বক ও পানকৌড়ি প্রায় একই স্বভাবের। উভয়েই একই ধরনের জলাশয় থেকে ছোট মাছ, ব্যাঙ ও কীটপতঙ্গ আহার করে। তাই কখনো কখনো পাশাপাশি এক জায়গায় দল বেঁধে বাস করে।’




মির্জাগঞ্জে চার কিলোমিটার রাস্তায় ১৫ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

 

 
মো:আল-আমিন,পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের খানজু মার্কেট থেকে চালিতাবুনিয়া হয়ে সুলতানাবাদ পর্যন্ত জন গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৪ কিমি. কাঁচা রাস্তা রয়েছে।

চালিতাবুনিয়া গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তা এটি। রাস্তাটি পাকা না হওয়ায় শিক্ষার্থীসহ ওই গ্রামের মানুষ ৫০ বছর ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিদিনই গ্রামবাসীকে ফেলতে হয় দীর্ঘশ্বাস। বিগত ১০ বছরে এই উপজেলায় রাস্তাঘাটের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটলেও চালিতাবুনিয়া গ্রামে তার ছোঁয়া লাগেনি। যে কারণে প্রতিদিন ১৫ হাজার গ্রামবাসীকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চালিতাবুনিয়া এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তা এটি। এই রাস্তা ব্যবহার করেই এখানকার আশেপাশের চার গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন কাজ করতে হয়। বর্ষাকালে একটু হালকা বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কাদামাটি ও পিচ্ছিলসহ বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়। তখন শিশু ও বয়স্কদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে এই কাঁচা রাস্তা। ফলে স্বাভাবিকভাবে চলাচলের আর উপায় থাকে না। বর্ষাকালে রাস্তাটিতে হাঁটুসমান কাদা হওয়ায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে অবর্নীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এই এলাকার চাষীরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারজাত নিয়েও পড়েন বিপাকে। জরুরি মুহূর্তে বয়স্ক মানুষ ও রোগীকে কাঁধ করে পাকা সড়কে নিয়ে যেতে হয়। চলাচলের জন্য আর কোনো রাস্তা না থাকায় এ রাস্তা দিয়ে হাটুসমান কাদা পাড়ি দিয়েই স্থানীয় হাট-বাজারে যেতে হয় এলাকাবাসীকে।

এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন চালিতাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুলতানাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভয়াং মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তুলাতলা মাদরাসা ও হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরাসহ পাঁচ গ্রামের প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার মানুষ চলাচল করে। এছাড়াও উপজেলা সদর, প্রাচীন মোগল আমলের শাহী মসজিদ, ভয়াং বাজার এবং সুলতানাবাদে ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যেতেও এই রাস্তাটি ব্যবহার করতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অতিদ্রুত রাস্তাটি পাকা করে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

চালিতাবুনিয়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা বাচ্চু হাওলাদার ও শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চরম অবহেলিত এলাকায় বসবাস করি, যার কারণে স্বাধীনতার ৫০ বছর হলেও গ্রামীণ এই অবহেলিত রাস্তাটিতে এখন পর্যন্ত আধুনিকতার কোনো ছোঁয়া লাগেনি। বর্ষাকালে রাস্তাটিতে হাটু সমান কাদা হয়ে যায়। তখন বৃদ্ধ ও শিশুদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।’

চালিতাবুনিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন,’ বর্ষাকালে ছেলেমেয়েরা ঠিক মতো স্কুলে যেতে পারেনা। আমাদেরও হাটবাজারে যাইতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এখানকার কোন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লে অথবা গর্ভবতী মহিলাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে হয়। আমরা চরম কষ্টে আছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি পাকা করে দিলে আমাদের এই দুর্ভোগ লাগব হতো।’

সংশ্লিষ্ট মজিদবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহীদুল্লাহ শানু মানুষের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘বৃষ্টি হলে কাঁচা রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। এই রাস্তাটি পাকা করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করে রাস্তাটি পাকা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

এ বিষয় মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. আলমগীর বাদশা বলেন, বর্তমানে মির্জাগঞ্জ উপজেলায় কোন প্রকল্প বরাদ্দ নেই। স্থানীয় জনসাধারণ লিখিত আবেদন করলে পরবর্তীতে প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সুপারিশপত্র পাঠানো হবে। ‘




নতুন মহামারির শঙ্কায় বিশ্ব, প্রাণ হারাতে পারে ৫ কোটি মানুষ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের একজন রোগ বিশেষজ্ঞ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘এক্স’ নামের একটি রোগের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী দেখা যেতে পারে আরেকটি মহামারি। যেটি পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দেওয়া করোনা মহামারির চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।



বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির পটুয়াখালীতে সংবাদ সম্মেলন

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: ” কৃত্য পেশা ভিত্তিক মন্ত্রণালয় চাই”-এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষা, পদোন্নতি, স্কেল আপগ্রেডেশন ও আন্তঃক্যাডার বৈষম্য,পদসৃজন, নিরসন সহ বিসিএস সাধারন শিক্ষা ক্যাডারের যুক্তিক দাবি সমূহ আদায়ে বিসিএস সাধারন শিক্ষা সমিতি পটুয়াখালী জেলা শাখা সংবাদ সম্মেলন করেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় পটুয়াখালী সরকারি কলেজের প্রফেসর লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলন আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সাধারন সম্পাদক পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল মালেক।

উক্ত সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ নুরুল আমিন, পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোদাচ্ছের বিল্লাহ, প্রফেসর মোঃ শহিদুল আলম খান, প্রফেসর মোঃ হাবিবুর রহমান, প্রফেসর মোঃ আখতারুজ্জামান খান সহ সমিতির বাকি সদস্যরা এবং বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।




কাউখালীতে নিজ অর্থে রাস্তা সংস্কার করলেন মহারাজ

 

বরিশাল অফিস: পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা সদরের সড়ক বিভাগের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কাউখালী বাস স্ট্যান্ড থেকে উপজেলা পরিষদের সমাজসেবা কার্যালয় পর্যন্ত দীর্ঘদিন যাবত সড়কটি সংস্কারের অভাবে খানাখন্দে ও বৃষ্টির সময় রাস্তার উপরে হাঁটু সমান পানি জমে থাকার কারণে যান চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি হতো। এই সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে শতশত পথচারী, স্কুল কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রী সহ হাজার হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে।

এলাকাবাসী জন প্রতিনিধি, বিভিন্ন অফিসে ধরনা দিয়েও রাস্তার সংস্কার কাজ করাতে পারেনি। জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় বহুবার সংবাদ প্রকাশ করার পরও কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি। কর্তৃপক্ষের কাছে আলাপ করে জানা যায়, সড়ক বিভাগের এই রাস্তাটি টেন্ডার হয়েছে যে কোন সময় শুরু হবে। কিন্তু মাসের পর মাস চলে যাচ্ছে কিন্তু রাস্তার কাজ শুরু হয়নি। পত্রিকার সহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলের জন দুর্ভোগের সংবাদ পেয়ে পিরোজপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রশাসক, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মহারাজ মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ব্যক্তিগত তহবিল থেকে রাস্তা সংস্কার কাজ শুরু করেন। এলাকাবাসী তার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।

রিক্সা চালক লিটন বলেন, আমাদের দুর্ভোগ মহিউদ্দিন মহারাজ ভাইয়ের মাধ্যমে সমাধান হতে যাচ্ছে। পথচারী শুকুর আলী ও কলেজছাত্রী তামান্না বলেন আমরা এ রাস্তা দিয়ে খুবই কষ্ট সহকারে যাতায়াত করি। চলাচলের সময় আমাদের জামাকাপড় প্রায় সময় ময়লায় নষ্ট হয়ে যায়।

তরুণ সমাজসেবক রাসেল জানান, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তিনি শুধু নামেই মহারাজ নয় কাজেও একজন মহারাজা। কাউখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে টেম্পুস্ট্যান্ড পর্যন্ত রাস্তাটি দৈর্ঘদিন যাবত চলাচলের অনুপযোগী ছিল। রাস্তাটি মেরামতে কেউ এগিয়ে আসেনি। কয়েকদিন পূর্বে রাস্তাটির বেহাল দশা তার দৃষ্টিগোচর হলে কাউখালী এসে তিনি সরেজমিন রাস্তাটি পরিদর্শন করেন এবং তার ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য আমরাজরি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেন।




আন্তর্জাতিক আদালতের প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায়

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট পিওতর হফমানস্কির নাম ওয়ান্টেড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে রাশিয়া। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক নোটিশে বলা হয়েছে, পোল্যান্ডের নাগরিক হফমানস্কি পিওতর জোজেফ রাশিয়ার ফৌজদারি আইনের আওতায় ওয়ান্টেড হিসেবে বিবেচিত হবেন। তবে পিওতরের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি মন্ত্রণালয়।

একই অভিযোগে রাশিয়ার শিশু অধিকারবিষয়ক প্রেসিডেন্সিয়াল কমিশনার মারিয়া লোভোভা-বেলোভার বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল আইসিসি। এমন উদ্যোগের জবাবে এর আগে আইসিসির কৌঁসুলি করিম খান ও কয়েক বিচারকের বিরুদ্ধে পাল্টা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল রাশিয়া। এবার আইসিসির প্রেসিডেন্টের নাম ওয়ান্টেড তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।

 

এ মাসে ইউক্রেনে মাঠপর্যায়ে কার্যালয় খুলেছে আইসিসি। মূলত পশ্চিমা-সমর্থিত দেশ ইউক্রেনে রাশিয়ার সর্বাত্মক হামলার জন্য রুশ বাহিনীকে জবাবদিহির আওতায় আনার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ কার্যালয় খোলা হয়েছে।

সূত্র: দ্য মস্কো টাইমস




ট্রেনে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে ফরিদপুরের জনসভায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: আগামী ১০ অক্টোবর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ঢাকা-ভাঙ্গা রেল পথের। এ উপলক্ষ্যে ঢাকা থেকে ট্রেনে করে পদ্মা রেল সেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা আসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভাঙ্গা উপজেলা সদরের কাজী আবু ইউসুফ স্টেডিয়াম মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি।



ভিসা নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পাবেন ‘দলীয় মনোনয়ন’

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র তিন মাস। নির্বাচনের সময় যখন ঘনিয়ে আসছে তখন বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রক্রিয়া শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাজনৈতিক নেতারাও পড়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটি।



অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে কোন খাবার খেলে সমস্যা হতে পারে?

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : অনিয়ম আর অযত্নে শরীরে বাসা বাঁধে নানা রোগবালাই। এর মধ্যে মানুষের প্রায়ই জ্বর, সর্দি-কাশি হয়ে থাকে। এজন্য অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হয়। আর এটি গ্রহণকালে বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো খেলে সমস্যা হতে পারে। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খেলে এই সব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো

দুগ্ধজাত খাবার: দুধ শরীরের জন্য উপকারী এবং স্বাস্থ্যকর। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেলে তার সঙ্গে দুধ এড়িয়ে চলাই ভালো। এতে ওষুধের কার্যক্ষমতা কমে যায়। একই সঙ্গে দুধের কোনও উপকারিতাও পাওয়া যায় না। দুধে থাকা ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিনের মতো উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে পায় না শরীর। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার সময়ে দুধ না খাওয়াই ভালো।

কিছু সবজি: যেকোনো শারীরিক অসুস্থতায় শাকসবজি খাওয়ার কথা বলে থাকেন চিকিৎসকরা। কিন্তু কিছু সবজি রয়েছে, যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার আগে পাতে না রাখাই ভালো। যেমন— ব্রকলি কিংবা ভিটামিন কে সমৃদ্ধ সবজি অ্যান্টিবায়োটিকের প্রভাব কমিয়ে দেয়। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার সময়ে খাওয়াদাওয়ার বিষয়টি চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া জরুরি।

অ্যালকোহলজাতীয় পানীয়: কোনো ওষুধ চললে সেই সময়ে অ্যালকোহল খেতে বারণ করে দেন চিকিৎসকরা। এটা শরীরের উপর খুবই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ওষুধ এবং অ্যালকোহল একসঙ্গে খেলে তার প্রভাব পড়ে লিভারের উপর। লিভারের বিভিন্ন সমস্যা জন্ম নেয় এর ফলে।