হিজলায় অসহায় ও দুঃস্থ্যদের মাঝে গরু বিরতণ

 

বরিশাল অফিস : বরিশালের হিজলায় রহমান এ- নেছা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও অসহায় ও দুঃস্থ্য ৫০টি পরিবারের মধ্যে গরু বিতরণ করেছেন ফাউন্ডেশনের জেনারেল সেক্রটারী বিশিষ্ট শিল্পপতি আবদুল কাদের ফারুকীর ছোট ভাই বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর লিস্টেট সিনিয়র আইজীবি ব্যারিস্টার এ এম মাছুম।

উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের ধুলখোলা বন্দরে ২৯সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ধুলখোলা ইউনিয়নের গরীব ও দুঃস্থ্য পরিবারের মধ্যে এ গরু বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক এম.এ মানিক, ধুলখোলা ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ¦ ইকবাল হোসেন মাতুব্বর, কাসেমূল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ্য মাওলানা সালাউদ্দিন আহম্মেদ,হরিনাথপুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওঃ আবদুর রাজ্জাক, বড়জালিয়া ফয়জুল উলুম রশিদিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ্যসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক মন্ডলী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।বক্তারা বলেন ১৯৯০ সালে থেকে এ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হিজলা, কাজিরহাট ও মেহেন্দিগঞ্জের গরীব অসহায় মানুষকে এভাবে সহযোগিতা করে আসছেন। ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকবেন। রহমান এ- নেছা ফাউন্ডেশন এই তিন থানার প্রতিটি ইউনিয়নে বাসস্থান নেই এমন ৫০টি পরিবারকে বাসস্থান অর্থাৎ ঘর তৈরীর কাজ হাতে নিয়েছেন।

যাচাই বাছাই কাজ সম্পন্ন করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবেন। তাছাড়া বছর জুরেই রহমান এ- নেছা ফাউন্ডেশন হত দরিদ্রদের মাঝে কাপড় বিতরণ ও বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করে আসছেন।

বিভিন্ন মাদ্রাসা ও মসজিদে ব্যাপক অনুদান দিয়ে আসছে ফাউন্ডেশনের জেনারেল সেক্রটারী বিশিষ্ট শিল্পপতি আবদুল কাদের ফারুকীর ছোট ভাই বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর লিস্টেট সিনিয়র আইজীবি ব্যারিস্টার এ এম মাছুম। ব্যারিস্টার এ এম মাছুম তার প্রায়ত মায়ের জন্য এবং বৃদ্ধ বাবার জন্য সকলের কাছে দোয়া চান।




দশ বছর পর রাঙ্গাবালী যুবলীগের সম্মেলন আজ

 

মো:আল-আমিন,পটুয়াখালী: তিন বছর মেয়াদের কমিটি দিয়ে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা যুবলীগ নয় বছর পার করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে কমিটি না হওয়ায় নেতাকর্মী ও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে ছিল হতাশা।

অবশেষে দশ বছর পর আজ শুক্রবার পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা যুবলীগের সম্মেলন  হচ্ছে। এই সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
নেতাকর্মীদের দাবি, কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসুক। এতে নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন বাড়বে।

আর পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে অনেকেই বলছেন, সামনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তাই নতুন নেতৃত্বে করা হোক ত্যাগী ও পরীক্ষিতদের মূল্যায়ন। যোগ্যদের হাতে আসুক সংগঠনের দায়িত্বভার। তাহলেই সংগঠন হবে চাঙ্গা। নেতাকর্মীরা থাকবে উৎফুল্ল।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন বছর মেয়াদের জন্য করা বর্তমান কমিটি নয় বছর পার করেছেন। তাই ঝিমিয়ে পড়েছিল সংগঠনটি। কিন্তু দীর্ঘদিন পর সম্মেলন হওয়ার আমেজে আবারও উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ৩৯ জন নেতাকর্মী জীবন-বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। এরমধ্যে সক্রিয়ভাবে ৭-৮ জন পদ-পদবী পেতে দৌড়ঝাঁপ করছেন।

দেখা গেছে, উপজেলা পরিষদ থেকে বন গবেষণা ইনস্টিটিউট হয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয় পর্যন্ত ব্যানার, পোষ্টার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড লাগিয়ে পদপ্রত্যাশীরা নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছেন। সম্মেলনকে ঘিরে মাঠে পদপ্রত্যাশীদের সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনাও দেখা গেছে। সম্মেলন উপলক্ষে হাজার হাজার নেতাকর্মীর সমাগম ঘটেছে।

রাঙ্গাবালী থানার ওসি নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ‘সম্মেলনকে কেন্দ্র করে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সদস্যরা প্রস্তুত আছে। আমরা সকলে প্রস্তুতি রয়েছি।’

যুবলীগের নেতাকর্মীরা জানান, আজ শুক্রবার সকাল ১০ টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় মাঠে যুবলীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন হচ্ছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের সংসদ সদস্য মহিব্বুর রহমান মহিব। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত রয়েছে যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি মুরসালিন আহম্মেদ ও সহ-সম্পাদক মাসুদুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় যুবলীগের আরও নেতৃবৃন্দ। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ এবং প্রধান বক্তা সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মো. সোহেল।

জানা গেছে, ২০১৩ সালে উপজেলা যুবলীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সম্মেলনে স্থানীয় ভাবে একটি মৌখিক কমিটি ঘোষণা করা হলেও তা স্থগিত করে পরে ২০১৪ সালের ১০ জুন হুমায়ুন কবির তালুকদারকে সভাপতি ও মিলন খলিফাকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করে জেলা যুবলীগ। তিন বছরের জন্য অনুমোদিত ওই কমিটিই টানা ৯ বছর দায়িত্ব পালন করে আসছিল। মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও নতুন করে আর কমিটি গঠন হয়নি। এরমাঝেই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে মিলন খলিফার সাধারণ সম্পাদকের পদের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পেয়েছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ হাওলাদার।
অবশেষে দীর্ঘদিন পর সম্মেলন হচ্ছে।




তদন্ত কর্মকর্তার সামনে পিস্তল বের করে হুমকি বিএনপি নেতার, জমি নিয়ে বিরোধ

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): জেলার মির্জাগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রকাশ্যে পিস্তল বের করে একটি পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গত ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর হালিম হাওলাদারের ভাগিনা ওয়াদুদ সিকদার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-এমপি ২১৬/২০২২)।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তদন্তের জন্য উপজেলা কৃষি সপ্রসারণ কর্মকর্তা নাহিদ হাসানকে নির্দেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা নাহিদ হাসান গত ২৬ সেপ্টেম্বর তদন্তের দিন ধার্য করেন ও বিকাল ৪টায় লেমুয়া এলাকার চন্দ্রকান্দা সিনিয়র মাদ্রাসা মাঠে তদন্তের জন্য সব কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন ।

তদন্ত কর্মকর্তা কাগজ পত্র পর্যালোচনা করার সময় মামলার বাদীর মামা বিএনপি নেতা হালিম হাওলাদার অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করেন এবং তার লাইসেন্সকৃত অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে মেরে ফেলার হুমকি দেন।

ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর খলিফা জানান, জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমার পরিবারের লোকজনকে মেরে ফেলতে পিস্তল বের করে হুমকি দেন এবং পায়ে গুলি করার কথা বলেন হালিম হাওলাদার। এ ঘটনার পর আমাদের পরিবারসহ এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। আমরা এর বিচার চাই। আমাদের গ্রামের মানুষ কেউ এর থেকে নিরাপদ না। তাই প্রশাসনের কাছে জীবনের নিরাপত্তা চাচ্ছি।

অভিযুক্ত হালিম হাওলাদারের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে, তিনি ফোন রিসিভ করে কথা না বলে লাইন কেটে দেন।

দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান খান বলেন, প্রকাশ্যে অস্ত্র বের করে হুমকি দিয়ে সে আইন লঙ্ঘন করেছে। হালিম হাওলাদারের অস্ত্র জব্দ করে দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনার এনে বিচার এর দাবি জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে তদন্তকারি কৃষি স¤প্রসারণ কর্মকর্তা নাহিদ হাসান বলেন, তদন্ত চলাকালীন দুই পক্ষের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বাদী পক্ষের মামা হালিম হাওলাদার পিস্তল দেখিয়ে প্রকাশ্যে হুমকি দেন।

মির্জাগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে জিডি হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




বাউফলে এক পরিবার থেকেই কোরআনের হাফেজ ৬৬ জন

আল-আমিন (পটুয়াখালী): জেলার বাউফল উপজেলায় এক পরিবার থেকেই ৬৬ জন পবিত্র কোরআন শরিফের হাফেজ হয়েছেন । ইতিমধ্যে এই বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে জেলায় সুনাম কুড়িয়েছেন উপজেলার বাঁশবাড়িয়া এর বাসিন্দা শাহজাহান হাওলাদার।

মৃত হাজী নূর মোহাম্মদ হাওলাদারের ছোট ছেলে শাহজাহান হাওলাদার। বাউফল সরকারি কলেজ থেকে ১৯৭১ সালে এইচএসসি পাস করেন। নিজের পৈতৃক সম্পত্তি ও মামা বাড়ির তিন একর সম্পত্তি বিক্রি করে তিনি নির্মাণ করেছেন ১২ টি মাদরাসা এবং ৩ টি মসজিদ। তার ৬ ছেলে এবং ৪ মেয়ে কোরআনের হাফেজ। তার বংশধররাও এখন হাফেজ হয়ে সংখ্যাটি বাড়িয়ে চলেছেন। ২ বছর আগে তাদের পরিবারে হাফেজ ছিলেন ৫৭ জন আর এখন ৬৬ জন।

শাহজাহান হাওলাদারের বড় ছেলে হাফেজ মাওলানা মজিবর রহমানের ৩ ছেলে ও ৪ মেয়েসহ মোট ৮ জন হাফেজ। দ্বিতীয় ছেলে হাফেজ মাওলানা নূর হোসেন। তার ৩ ছেলে ৩ মেয়ে ও মেয়ে জামাইসহ পরিবারে মোট ৮জন হাফেজ। তৃতীয় ছেলে হাফেজ মাওলানা আবু বকর। এই পরিবারে ২ ছেলে ও ৩ মেয়ের মধ্য ৩ জন হাফেজ। মেয়ে জামাইসহ মোট হাফেজের সংখ্যা ৬ জন। চতুর্থ ছেলে হাফেজ ইব্রাহীম। ১ মেয়ে ৪ ছেলে ও মেয়ে জামাইসহ হাফেজ সংখ্যা ৬ জন। পঞ্চম ছেলে হাফেজ জোবায়ের। তাদের পরিবারের ২ ছেলে ও ২ মেয়ে তারা সবাই হাফেজ। এই পরিবারে মোট হাফেজ সংখ্যা ৬ জন। ছোট ছেলে হাফেজ হুজাইফা। ২ ছেলে ও ১ মেয়ের মধ্যে ১ জন হাফেজ। তাদের পরিবারে মোট হাফেজের সংখ্যা ২ জন।
শাহজাহান হাওলাদারের ৪ মেয়ে। প্রথম মেয়ে হাফেজা খাদিজা। তার পরিবারে ছেলে মেয়ে, ছেলের বউ এবং মেয়ে জামাইসহ হাফেজ ১১জন। দ্বিতীয় মেয়ে হাফেজা আসমা। তাদের সংসারে ছেলে-মেয়ে ও মেয়ে জামাইসহ হাফেজের সংখ্যা ১০ জন। ৩য় মেয়ে হাফেজা খানসা। তাদের সংসারে ছেলে-মেয়ে ও মেয়ে জামাইসহ মোট হাফেজের সংখ্যা ৬ জন। সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে হাফেজা আম্মারা। তাদের সংসারে ২ ছেলে ১ মেয়েসহ মোট হাফেজের সংখ্যা ৩ জন।

শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে হাফেজ জোবায়ের হাওলাদার বলেন, বাবার পাঁচ নম্বর ছেলে আমি। আমরা ৬ ভাই ৪ বোন। বড় ভাই সে সৌদি আরবে জেদ্দায় থাকেন সেখানে মসজিদের ইমাম। তার ৬ সন্তান হাফেজ। আমাদের অন্যান্য ভাইয়েরা ও বোনেরা তাদের সন্তানরা হাফেজ হয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাদ্রাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। আমি এই মাদ্রাসার পরিচালনা করতেছি এখানের প্রধান শিক্ষক আমার স্ত্রী তার। হাতে এখানের শত শত মেয়েরা হাফেজ হয়ে এইসব অঞ্চলে শিক্ষকতা করছেন।

শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ‘আমার পরিবারের ছেলে মেয়ে নাতি বউসহ ৬৬ জন হাফেজ, হাফেজা রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ জনই আন্তর্জাতিক হাফেজ, আমি সাতখানা কিতাব লিখেছি। সবার কাছে আমার অনুরোধ রইল আপনারা আপনাদের ছেলে মেয়েদেরকে হাফেজ হাফেজা বানাবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলে ও ছেলের বউয়েরা বিভিন্ন মাদ্রাসায় এখন হাফেজ বানানোর শিক্ষা দিচ্ছে। আমি কোন দান বা সহযোগিতা এখন পর্যন্ত পাইনি, আমি আমার পৈতৃক সম্পত্তি ও মামাবাড়ির সম্পত্তি থেকে তিন একর জমি বিক্রি করে মাদ্রাসা ও মসজিদ করেছি।’

শাহজাহান হাওলাদার আরো বলেন, ‘আমার বাবা হাফেজদের খুব ভালবাসতেন। ছোটবেলা থেকেই কেমন যেন হাফেজদের প্রতি আমার ভালোবাসা ও সম্মান বেশি ছিল। বাবা-মা ছোটবেলায় মারা যাওয়ায় আমি হাফেজ হতে পারিনি। এজন্য আমি চিন্তা করেছি আমার ছেলে সন্তানদের সবাইকে হাফেজ বানাবো। তারা ইসলাম প্রচার করবে। আল্লাহ কবুল করেছেন। তাই আজ পরিবারে এতো হাফেজ হয়েছে।’

বাউফল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শাজাহান হাওলাদার একজন ভদ্র মানুষ ও তার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ জানাই। তার পরিবারের ৬৬ জন আল্লাহর কালাম পবিত্র কেরআন শরিফের হাফেজ হতে  পেরেছেন। এটা নিতান্তই গর্বের বিষয় আমাদের বাউফল ইউনিয়নের জন্য।




কাউখালীতে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর মতবিনিময়

 

বরিশাল অফিস: পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বুধবার রাতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-২ (কাউখালী-ভান্ডারিয়া-নেছারাবাদ) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পিরোজপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রশাসক মহিউদ্দিন মহারাজ কাউখালীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবদুস শহীদ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান তালুকদার পল্টন।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাবু সুনীল কুন্ডু ও সাংগঠনিক সম্পাদক সম্পাদক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মৃদুল আহমেদ সুমন। মনোনয়ন প্রত্যাশী মহিউদ্দিন মহারাজ বলেন, আমি বিশ্বাস করি আগামী নির্বাচনে এই আসনে কোন জোট না আওয়ামী লীগ থেকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন এ অঞ্চলের মাটি ও মানুষের সাথে কাজ করেছি তাই আমি আশাবাদী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে নৌকা মার্কায় মনোনয়ন দিবেন।  জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় পিরোজপুর জেলায় এমন কোন ওয়ার্ড বাদ নেই যেখানে আমি প্রকল্প দেই নাই। আপনারা প্রতিটি ওয়ার্ডে গেলে দেখবেন সে প্রকল্পগুলো দৃশ্যমান বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 




কালাপড়া উপজেলা যুবলীগের সম্মেলন ঘিরে নেতা-কর্মীরা চাঙ্গা

পটুয়াখালী অফিস: জেলার কলাপাড়া উপজেলায় যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে পুরো শহর ছেয়ে গেছে রঙিন ব্যানার, প্ল্যাকার্ডে, ফেষ্টুন বিলবোর্ড এ । দীর্ঘ ১০ বছর পর যুবলীগের সম্মেলন উপলক্ষে চাঙ্গা হয়ে উঠতে শুরু করেছে নেতা কর্মীরা।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক মূল দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পদ লাভের পর দীর্ঘ দিনেও নতুন নেতৃত্ব আসেনি সংগঠনটিতে। এতে অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে সংগঠনটি।

অবশেষে দীর্ঘ বছর পর চলতি বছরের ২৮ জুলাই সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা করা হলেও তা স্থগিত হয়ে যায়। এরপর সম্মেলনের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ নির্ধারন করা হলেও পরে তা পিছিয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে যানা যায়, গত ১০ বছরেও যুবলীগের উপজেলা কিংবা তৃণমূলের কমিটি না হওয়ায় অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে সংগঠনটি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলে কেন্দ্রিয় নির্দেশনায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়ায় চাঙ্গা হয়ে উঠতে শুরু করেছে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। সভাপতি, সম্পাদক পদ লাভে জেলা থেকে কেন্দ্রে দৌড় ঝাঁপ শুরু করেছে পদ প্রত্যাশীরা। শহর ছেয়ে গেছে পদ প্রত্যাশীদের রঙিন ব্যানার, ফেষ্টুন, বিলবোর্ড, প্ল্যাকার্ডে। তবে তৃণমূলের দাবী, দূর্দিনের পরিশ্রমী, দক্ষ,ত্যাগী নেতা-কর্মীকে পদ দেয়া হোক। কোন হাইব্রিড যেনো স্থান না পায়।

আরও জানা যায়, যুবলীগের সভাপতি পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন মো: হুমায়ুন কবির, মো: শহিদুল ইসলাম, মো: জিয়াউর রহমান, মোঃ মাহমুদুল হাসান সুজন মোল্লা, মো: নাসির উদ্দিন সোহাগ, সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু, মোঃ জাকি হোসেন জুকু, সৈয়দ জাকির হোসেন প্রমূখ।

উপজেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক এ্যাড. সাইদুর রহমান বলেন, আমরা যুবলীগের এ সন্মেলনটি সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি এবং সুন্দর ভাবেই সম্পন্ন হবে। এ কমিটিতে দক্ষ ও ত্যাগিরাই স্হান পাবে।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো: শফিকুল আলম বাবুল বলেন, ‘উপজেলা যুবলীগ নিষ্ক্রিয় বলে যারা মন্তব্য করে তারা হাইব্রীড।

পটুয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি এ্যাড, মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, ’আমরা উপজেলা সম্মেলনের পর কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তরে পদ প্রত্যাশীদের জীবন বৃত্তান্ত জমা দেব। বাংলাদেশ যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সম্পাদক মহোদয়ের সমন্বয়ে যাচাই বাছাই শেষে উপজেলা কমিটি অনুমোদন দেয়া হবে।




দশমিনায় মাছের দাম “৪০” বছরের রেকর্ড ভঙ্গ!

 

বরিশাল অফিস: পটুয়াখালীর দশমিনায় ৪ দশকের রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়েছে মাছের দাম। ১৯৮৩ সালে উপজেলা গঠনের পর চলিত মাসে সর্বোচ্চ দামে মাছ বিক্রি হয়েছে।

নদীবেষ্টিত উপকূলীয় এ উপজেলায় মাছের এমন চড়া দাম ভাবিয়ে তুলেছে নিম্ন আয় থেকে শুরু উচ্চ আয়ের ক্রেতাদেরও।
বেশি চিন্তিত বরিশালে বিভাগের সবচেয়ে দরিদ্র এ উপজেলার দেড় লাখ প্রায় জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিম্ন আয়ের ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ।

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগাম হীন দামের মাঝে মাছের চড়া দামে নাভিশ্বাস উঠছে তাদের। মাছ-ভাতের উপকূলের বাসিন্দাদের এখন নুন-ভাতে যেন দিন কাটাচ্ছেন। মাছ-ভাত যেন দিন দিন আকাশ কুসুম চিন্তা।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজার তদারকি ও দালাল সিন্ডিকেটের কারণে পাইকারির চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয় মাছ।

জানা যায়, উপকূলীয় এ উপজেলায় সরকারি হিসেবে ১০ হাজারের বেশি জেলে রয়েছে। যা বাস্তবে আরও বেশি। স্থানীয় বাসিন্দাদের চাহিদা অনুযায়ী মাছ শিকার হলেও রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ। জেলেদের থেকে কম দামে মাছ কিনে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ী, দালাল এবং আড়তদাররা।

বাজার ঘুরে দেখা যায় চিংড়ি হাজার, একটু বড় সাইজের ইলিশ প্রায় দুই হাজার, পোয়া প্রায় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া বাজারে ৫শ টাকার নিচে কোনো মাছ মেলে না।

যে উপজেলা থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাছ রপ্তানি হয়, সেখানে মাছের এমন চড়া দামে হতাশ সবাই।

বেল্লাল হোসেন নামে এক ক্রেতা যানান, নদী ও জেলে নির্ভর এলাকার বাজারে মাছের এমন দাম তার ৫৫ বছর বয়সে কখনো দেখে নি । মাছের দাম বেশি ও সামর্থ্য না থাকায় বর্তমানে মাছ কিনতে পারেন না তিনি । সামনের দিনে আর মাছ খেতে পারবেন কি না- এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, দশমিনা মাছ বাজারে দালাল সিন্ডিকেটের কারণে মাছের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই দালালরা দ্বিগুণ দামে মাছ বিক্রি করে লাখ লাখ টাকার মালিক হচ্ছেন।

মোহাম্মদ নামে এক জেলে জানান, সরাসরি বাজারে মাছ বিক্রির সুযোগ না থাকা ও জেলেরা দাদনের খাতায় বন্দি থাকার কারণে মাছের দাম বেড়ে যাচ্ছে। অথচ জেলেরা তার ন্যায্য দাম পান না।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব আলম তালুকদার বলেন, জেলেরা দাদন নিলেও বা কেউ দিলেও সেটা স্বীকার করেন না। মাছের দাম বেশি হলে ধরে খাওয়া ছাড়া উপায় কি! সিন্ডিকেটের বিষয়টি প্রশাসনের দেখা উচিত বা তারা দেখবে।




‘বিদেশে গ্রেপ্তারকৃত ৯০ শতাংশ ভিক্ষুক পাকিস্তানি’

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বিদেশে আটক হওয়া ৯০ শতাংশ ভিক্ষুকই পাকিস্তানি। পাশাপাশি সৌদি আরবের হারাম শরিফের মতো পবিত্র স্থানগুলোতে আটক হওয়া অধিকাংশ পকেটমারই পাকিস্তানের বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব জুলফিকার হায়দার। খবর ডনের।

প্রবাসি পাকিস্তানি বিষয়ক সিনেটের স্থায়ী কমিটি বুধবার বলেছে, পাকিস্তান থেকে ক্রমবর্ধমান সংখ্যক ভিক্ষুক বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে যার কারণে মানব পাচার বেড়ে যাচ্ছে। দেশটির দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিক দেশ ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সিনেট প্যানেলে আলোচনায় এ তথ্য জানান জুলফিকার হায়দার।

হায়দার কমিটিকে বলেছেন, বিদেশে গ্রেপ্তারকৃত ৯০ শতাংশ ভিক্ষুকই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত। অনেক ভিক্ষুক সৌদি আরব, ইরান এবং ইরাক ভ্রমণের জন্য হজযাত্রীদের ভিসাকে কাজে লাগিয়েছে। এমনকি হারামের মতো পবিত্র জায়গাগুলোতে আটক হওয়া উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পকেটমারও পাকিস্তানি নাগরিক।

আলোচনাকালে হায়দার আরও উল্লেখ করেন, এই ধরনের ব্যক্তিদের জন্য বর্তমানে নতুন গন্তব্য হচ্ছে জাপান।

হাসান আরও বলেন, পাকিস্তানে প্রায় ৫০ হাজার প্রকৌশলী বেকার ছিলেন। এদিকে ভারত চাঁদে যায় আর আমরা প্রতিদিন হোঁচট খাই। আমাদের লোকেরা এখন নেপাল ও ভারতের শ্রমিকদের তুলনায় কম মজুরিতেও কাজ করতে রাজি।’

বিদেশি নিয়োগকর্তাদের দৃষ্টিতে পাকিস্তানি কর্মীদের দক্ষতা এবং বিশ্বস্ততার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে হায়দার স্বীকার করেছেন যে বাংলাদেশ ও ভারত এই দিক থেকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে।




বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুয়াকাটায় পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: বর্ণাঢ্য আয়োজনে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। বুধবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও কুয়াকাটা পৌরসভার আয়োজনে পৌরসভা চত্ত্বর থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে শহরের গুরত্ব পূর্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে সৈকতের ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন এলাকায় পর্যটন মেলা ও আলোচনা সভা স্থলে একত্রিত হয়।

এসময় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পায়রা ও বেলুন উড়িয়ি তিনদিন ব্যাপী পর্যটন মেলা ও কনসার্টের উদ্বোধন করেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন।

পরে আলোচনা সভায় কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার,পর্যটন জোনের ম্যাজিষ্টেড মোঃ রবিউল ইসলাস, মহিপুর থানার ওসি তদন্ত মোঃ আসলাম মিয়া,কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ জোনের ওসি হাসনাইন পারভেজ, কুয়াকাটা টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরাম সভাপতি মো: আনোয়ার হোসেন আনু, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব সভাপতি নাসির বিপ্লব, হোটেল-মোটেল ঔনার এসোসিয়েশনের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সাইদ মিয়াসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন। রেলীতে পর্যটক সহ সকল শ্রেনীর পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন। আগামী তিনদিন সৈকতের ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন এলাকায় মেলা ও কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে।




পিরোজপুরে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

 

এস এম পারভেজ, পিরোজপুর:“পর্যটনে পরিবেশ বান্ধব বিনিয়োগ”- শীর্ষক আজ সারা দেশের মত পিরোজপুরেও বিশ্ব পর্যটন দিবল পালিত হযেছে। এ উপলক্ষ্যে বুধবার সকালে জেলা সার্কিট হাউজ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এসে শেষ হয়।

পরে জেলা প্রশাসক মোঃ জাহেদুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন-অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাধবী রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত আল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা গৌতম রায় চৌধুরিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন।