শেবাচিম হাসপাতালে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিলেন প্রবাসীর স্ত্রী

 

বরিশাল অফিস: বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার সোনাউটা গ্রামের গৃহবধূ মুক্তা আক্তার পুতুল (২৪)। শনিবার (০৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২ টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিন ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম দেন । মুক্তা সোনাউটা গ্রামের বাসিন্দা ও বাহরাইনপ্রবাসী সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী।

চার নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে,আয়শা–,সালিম, আলিম ও সায়েম।

শেবাচিম হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এম আর তালুকদার মুজিব জানিয়েছেন, চারটি বাচ্চার মধ্যে একটির বেশি ওজন কম নিয়ে জন্ম নিয়েছে। সেই বাচ্চাসহ সব শিশুকেই অবজারবেশনে রাখা হয়েছে। এমনিতে বাহ্যিকভাবে দেখে শিশুদের সবকিছু স্বাভাবিক ও ভালো মনে হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো শিশু শঙ্কামুক্ত বলা যাবে নায় ।

তিনি বলেন, সবকয়টি বাচ্চাই ওজনে কম রয়েছে। অর্থাৎ ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় স্বাভাবিক একটি শিশুর যে ওজন থাকার কথা, তা কারোরই নেই। তাই চারটি শিশুকেই হাসপাতালের নিউনেটাল ওয়ার্ডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। কখন কী হয় এখনই বলা যাচ্ছে না। শিশুদের মা মুক্তা সুস্থ রয়েছেন ।

এদিকে ঘর আলো করে চার সন্তান জন্ম নেওয়ায় সিদ্দিক-মুক্তা দম্পতির পরিবার ও স্বজনেরা সবাই খুশি। চার সন্তানের জননী মুক্তার মা মায়া বেগম বলেন, একটা বাচ্চা কিংবা একলগে দুইটা বাচ্চা হওয়ার কথা শুনছি। কিন্তু এখন তো চারটা সন্তান হইলো একলগে। ওগো লইগ্যা আর আমার মাইয়ার লইগ্যা দোআ করবেন যাতে ওরা ভালো ও সুস্থ থাকে। তিনি জানান, ১০ বছর আগে মেয়ে মুক্তার বিয়ে হয় সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে। তাদের সংসারে ৬-৭ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।




বাঁশের সাঁকোতে ভোগান্তি ২১ গ্রামের মানুষের

বরিশাল অফিস: বরগুনার তালতলী উপজেলার পচাঁকোড়ালিয়া ইউনিয়নের কলারং ও চরকগাছিয়া গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের ওপর একমাত্র সাঁকোই ২১ গ্রামের মানুষের ভরসা। সাঁকোটি দিয়ে হেঁটে কোনো রকম পারাপার সম্ভব হলেও যানবাহন চলাচল নেই।

জানা যায়, বরগুনা জেলার আমতলী ও তালতলী উপজেলার পচাঁকোড়ালিয়া, আরপঙ্গাশিয়া, চান্দখালী, কলারং, ঘোপখালীসহ ওই এলাকার একুশটি গ্রামের মানুষের উপজেলা সদরসহ জেলার অন্যান্য স্থানের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম কলারং থেকে চরকগাছিয়া বাঁশের তৈরি সাঁকোটি। ওই খালে খেয়া নৌকা দিয়ে বহু বছর পারাপার হলেও প্রায় ২৪-২৫ বছর আগে তা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা উদ্যোগ নিয়ে ওই খালের ওপর দুই শত মিটার বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করেন। এরপর থেকেই স্থানীয় জনতা প্রতিবছরই এই সাঁকো মেরামত করে পারাপারের ব্যবস্থা করেন।

খালের দুই পাড়েই রয়েছে কয়েকটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে হয়। এই এলাকার উৎপাদিত খাদ্য শস্য, কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন কাঁচামাল বাজারজাতকরণ ও রোগীর জরুরি চিকিৎসার জন্য নড়বড়ে সাঁকোর ওপর দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। এতে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এসব এলাকার বাসিন্দাদের।

একটি ব্রীজের অভাবে শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছে এ অঞ্চলের ২১ গ্রামের মানুষ। এতে মারাত্মক ভোগান্তি পোহাতে হয় ওই এলাকার শিশু, নারী, বৃদ্ধ, রোগী ও গর্ভবতী নারীদের।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই খালের ওপর সেতু নির্মিত হলে পাল্টে যাবে দুই পাড়ের হাজার মানুষের জীবনযাত্রা। তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষ হলে তা আর বাস্তবায়ন না করায় এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে এ বাঁশের সাঁকো স্থাপন করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার পচাঁকোড়ালিয়া ইউনিয়নের কলারং থেকে চরকগাছিয়া গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এ সাঁকোূ দিয়ে গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করছে। এ সাঁকো পার হয়ে প্রতিদিন পূর্ব চরকগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরকগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাহলান বাড়ি কওমি মাদ্রাসা ও ড. মো. শহিদুল ইসলাম কলেজের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীকে যাতায়াত করতে হয়।

স্থানীয় শহিদুল ইসলাম বলেন, একটি সেতুর অভাবে আমাদের জমি থেকে উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করতে খুবই কষ্ট হয়। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প রাস্তা দিয়ে কৃষি পণ্য নিতে দ্বিগুণ খরচ। এতে আমরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হই। তিনি আরও বলেন, এখানে সেতুর জন্য জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগ নেননি তাই সেতু নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলিফ রায়হান জানান, বাঁশের সাঁকো পার হয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যেতে ভয় করে। তারপরও যেতে হয়। প্রধানমন্ত্রী আমাদের পড়ালেখার কথা চিন্তা করে এখানে যেন একটি সেতু নির্মান করে দেন।

পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল রাজ্জাক হাওলাদার বলেন, এখানে সেতু নির্মাণে আমাদের চেষ্টার কোনো কমতি নেই। এত গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি তারা গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে সেতু নির্মাণের সুপারিশ করা হবে।

বরগুনা তালতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইমতিয়াজ হোসাইন রাসেল বলেন, একশ মিটারের চেয়ে বড় আকারের সেতু নির্মাণের জন্য আলাদা প্রকল্প প্রয়োজন। এই খালের ওপর সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাব তৈরি করে সফট কপি ঢাকায় পাঠানো হবে। সেখান থেকে প্রক্রিয়া শেষে অনুমোদন হলে কার্যক্রম শুরু করা হবে।




রাঙ্গাবালীতে মাল্টা বাগানের অর্ধশতাধিক ফলন্ত গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): জেলার রাঙ্গাবালীতে রাতের আধারে ১টি মাল্টা বাগানের প্রায় অর্ধ-শতাধিক ফলন্ত গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সামুদাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বাগানটির মালিক ওই গ্রামের লিমা বেগম নামের এক নারী। সকালে তার জমির ফলন্ত মাল্টা গাছ কাটা অবস্থায় দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ভুক্তভোগী বাগান মালিক লিমা বেগম জানান, গত বছরের ৩০ জুন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্টের (এসএসিপি) সহযোগিতায় সদর ইউনিয়নের সামুদাবাদ গ্রামে তার উদ্যোগে বাবা হারুন মৃধার ৫০ শতক জমিতে এ মাল্টা বাগান করেন। ওইসময় বারি মাল্টা-১ জাতের ৬০টি মাল্টা গাছ রোপণ করা হয়। বর্তমানে গাছগুলোতে ফলও ধরেছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতের আঁধারে লিমা বেগমের বাগানটি কেটে সাবাড় করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এমন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দাবি করেন তিনি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, গাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা? মাল্টা গাছের কি দোষ ছিল?

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় দুমকিতে যুবককে কুপিয়ে আহত

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী):  জেলার দুমকী উপজেলায় এক গৃহবধূকে যৌন হয়রানি এর প্রতিবাদ করায় ফলে আ. কাইয়ুম হাওলাদার (৪০) নামে এক যুবককে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে রিপন হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার বাহেরচর গ্রামের লঞ্চ ঘাটে মতিউর রহমান গাজীর মুদি দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত রিপনকে (৪৫) আসামি করে বৃহস্পতিবার দুমকী থানায় মামলা দায়ের করেছেন আহতের স্ত্রী সালমা বেগম।

রিপন উপজেলার বাহেরচর এলাকার মৃত মো. কাদের হাওলাদারের ছেলে।

মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রাবেয়া জাহানারা মাদ্রাসা ও এতিমখানার এক ছাত্রের মায়ের মোবাইল ফোনে ভিডিও কল দিয়ে প্রায়ই যৌন হয়রানি করেন রিপন হাওলাদার। যৌন হয়রানির শিকার ওই ছাত্রের মা রিপনের দোকানে এসে ভবিষ্যতে তাকে আর বিরক্ত না করার জন্য বলেন। এতে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এ সময় স্থানীয় যুবক আ. কাইয়ুম হাওলাদার রিপনের স্বভাব-চরিত্র ভালো নয়– এমন মন্তব্য করেন। রিপন এ কথা শুনতে পেয়ে নিজের দোকানে থাকা রামদা দিয়ে কাইয়ুমকে কোপ দিলে হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে কাইয়ুমের চারটি আঙুল কেটে যায়। স্থানীয়রা কাইয়ুমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

যৌন হয়রানির শিকার ওই গৃহবধূ জানান, রিপনের মোবাইল নম্বর ব্লক করে দেওয়ার পরও তিনি ইমোতে ভিডিও কল দিয়ে তাঁকে বিরক্ত করেন। তিনি রিপনের কল না ধরায় ক্ষিপ্ত হয়ে রিপন গ্রামে তাঁর নামে কুরুচিপূর্ণ কথা ছড়ান। এসব কথাবার্তা তাঁর স্বামী জানার পর তাদের সংসারে অশান্তি নেমে আসে। তিনি রিপনের দোকানে গিয়ে ভবিষ্যতে কল না করার জন্য বলেন এবং স্থানীয় লোকজনের কাছে বিচার দেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মুদি দোকানি মতিউর রহমান গাজী, জিয়াউর রহমান, স্থানীয় বাসিন্দা কাওসার ও মো. আশিক জানান, রিপন দোকান থেকে রামদা বের করে কাইয়ুমকে তাদের সামনেই কুপিয়ে জখম করেন। তারা রিপনের বিচার দাবি করেন।

অভিযুক্ত রিপন হাওলাদার আত্মগোপনে থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান জানান, আসামিকে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে পুলিশ।




ওয়েস্টার্ন লুকে জয়া আহসান

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : সম্প্রতি কলকাতার স্বনামধন্য নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ‘দশম অবতার’ সিনেমায় কাজ করেছেন জয়া। যেখানে তার সঙ্গে আরও অভিনয় করছেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, যিশু সেনগুপ্ত, অনির্বাণ ভট্টাচার্যের মতো তারকারা।

সিনেমাটিকে ঘিরেই কলকাতায় ব্যস্ত সময় পার করছেন এই তারকা। সেখানেই বিভিন্ন ফটোশুটেও অংশ নিচ্ছেন তিনি। সেইসব ছবি ভক্তদের মাঝে শেয়ার করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

‘দশম অবতার’-এর এক ইভেন্টে ওয়েস্টার্ন লুকে হাজির হয়েছিলেন জয়া। কালো পোষাকের সঙ্গে অভিনেত্রীর ডার্ক রেড লিপস্টিক নজর কেড়েছে ভক্তদের। সকলেই তার রূপের প্রশংসা করেছেন।

কারো মন্তব্য, ‘স্বপ্নের ক্রাশ’। কেউ লিখেছেন, ‘ছোট থেকেই পছন্দ’। কেউ আবার বলছেন, ‘জয়ার বয়স যেন থমকে গেছে’।

এর আগে হলুদ রঙের এক পোশাকে খোলামেলা রূপে ধরা দেন জয়া। সেখানে অনেকেই প্রশ্ন করেন, অভিনেত্রীর ড্রেস সেন্স নিয়ে। কেউ জিজ্ঞেস করেন, জয়ার পরিহিত এই পোশাকের নাম কী?

সেই প্রশ্নের উত্তর না মিললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে কতটা ভেঙেছেন এই তারকা, তারই দেখা মেলে নিয়মিত জয়ার সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে।




ক্যানসারের সঙ্গে লড়েই মা হলেন সিঁথি

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন সংগীতশিল্পী সিঁথি সাহা। বেশ কিছুদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেই সুদূর নিউজিল্যান্ডে প্রথমবারের মতো সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সদ্য নবজাতকের সঙ্গে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের সঙ্গে সুখবরটি ভাগ করে নেন সিঁথি। এসময় নিজের কন্যা সন্তানের নামও জানিয়েছেন এই গায়িকা। মেয়ের নাম রেখেছেন সামারা জয়ী।

এ বিষয়ে সিঁথি জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সন্তানের মা হয়েছেন তিনি। বর্তমানে মেয়েকে নিয়ে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড সিটিতে অবস্থান করছেন।

এই গায়িকা বলেন, ‘গত বছর একটা খবর আমার জীবনকে ওলটপালট করে দেয়। আমি জানতে পারি, আমার শরীরে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে। ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হই। আমি তো প্রায় মারাই যাচ্ছিলাম। বারবার মনে হলো, ক্যানসারের কাছে হেরে যাওয়ার আগে আমার অস্তিত্ব রেখে যেতে চাই এই সুন্দরী পৃথিবীতে। আমি এখন অনেক খুশি।’

সন্তানকে নিয়ে আগামী নভেম্বরেই দেশে ফিরতে পারেন বলে জানিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। দেশে ফিরলে আবারও গানে নিয়মিত হওয়ার ইচ্ছেও প্রকাশ করেছেন তিনি।




কুয়াকাটায় ইলিশের জালে ১৬ কেজি ওজনের পাঙ্গাশ!

মো:আল-আমিন (পটুয়াখালী): কুয়াকাটায় আলী হায়দার নামে এক জেলের ইলিশের জালে ধরা পড়েছে ১৬ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের একটি পাঙ্গাশ মাছ।

বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মাছটি ধরা পড়ে।
ওই জেলে বেলা ১১টার দিকে কুয়াকাটা মেয়র মার্কেটের তামান্না ফিস আড়তে মাছটি নিয়ে আসেন।

এ সময় মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক মানুষ। পরে নিলামের মাধ্যমে এক হাজার একশত পঁচিশ টাকা কেজি দরে ১৮ হাজার টাকায় ফরাজী ফিসের মালিক শাহাবুদ্দিন মাছটি কিনে নিয়েছেন।

ফরাজী ফিসের স্বত্বাধিকারী শাহাবুদ্দিন বলেন, এই পাঙাশটা মূলত বঙ্গোপসাগরে খুঁটা জালের জেলে আলী হায়দারের ইলিশের জালে ধরা পরেছে। মাছটি ১ হাজার ১২৫ টাকা কেজি দরে আমি কিনেছি। মাছটি আমি ঢাকায় পাঠাব। আসা করছি ভালো লাভে বিক্রি করতে পারব।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময় মাছের প্রজনন বৃদ্ধিতে মৎস্য বিভাগ নদী ও সাগরে অভিযান পরিচালনা করেছে। যে কারণে ইলিশের পাশাপাশি এখন পাঙাশসহ সামুদ্রিক অনেক মাছের প্রজনন এবং বড় হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা আশা করছি জেলেদের জালে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির আরও বড় বড় মাছ ধরা পড়বে। এতে জেলেদের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।




বরিশালে ১০ হাজার মিটার চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

বরিশাল অফিস : বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের বিভিন্নখালে বৃহস্পতিবার সকালে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার মিটার চায়না দুয়ারী ও ভেসাল জাল জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তারা।

জব্দকৃত জাল ওইদিন দুপুরে মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে বসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু আব্দুল্লাহ খানের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এসময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল বাশার, ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু, থানার এসআই মোঃ শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।




দৈত্যাকার ‘বৃহস্পতি’রা ঘুরে বেড়াচ্ছে মহাকাশে, ৪০ জোড়া ‘জাম্বো’র সন্ধান নাসার টেলিস্কোপে

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: ওরিয়ন নেবুলা (নীহারিকা) পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে এই ‘জাম্বো’দের খোঁজ পেয়েছে নাসার টেলিস্কোপ। অন্তত ৪০ জোড়া ‘জাম্বো’ ঘুরে বেড়াচ্ছে ওই অংশে। আকার অনুযায়ী এগুলিকে নক্ষত্র বলা যায় না।

নাসার জেমস্‌ ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়ল বিশালাকৃতির কয়েকটি বস্তু। মহাকাশে কোনও বাঁধন ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছে সেগুলি। সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির মতো আকারের এই বস্তুগুলির সঙ্গে কোনও নক্ষত্রের যোগাযোগ নেই। নাসা এদের নাম দিয়েছে জুপিটার মাস বাইনারি অবজেক্টস্‌ বা ‘জাম্বো’।

নক্ষত্রও নয়, গ্রহও নয়। তা হলে এই ‘জাম্বো’রা আসলে কী? কোথা থেকে এদের উৎপত্তি? বিজ্ঞানীরা আপাতত সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি ‘জাম্বো’র দু’টি সম্ভাব্য উৎসের কথা বলেছে। এক, এই বিশালকার বস্তুগুলি নেবুলা অঞ্চলের বাইরে কোথাও বেড়ে উঠেছে, তবে সেখানে উপাদানের ঘনত্ব নক্ষত্র গঠনের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। দুই, এগুলি আসলে গ্রহ। কোনও না কোনও নক্ষত্রের বুক থেকেই এদের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কোনও কারণে এগুলি নক্ষত্রের আকর্ষণ বলের বাইরে ছিটকে বেরিয়ে গিয়েছে।

নক্ষত্রের সংসার থেকে গ্রহদের ছিটকে বেরিয়ে আসা অসম্ভব নয়। কিন্তু জোড়ায় জোড়ায় একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর কারণ বিজ্ঞানীদের কাছে এখনও পরিষ্কার নয়।

তবে মহাবিশ্বের নানা অমিমাংসিত বিষয়ের ন্যায় এটাও একটা রহস্য হয়েই না হয় থাকুক আরও কিছু দিন।




আজ দুদকে যাচ্ছেন ড. ইউনূস

চন্দ্রদীপ নিউজ : গ্রামীণ টেলিকমের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট ১৩ জনকে সশরীরে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অর্থপাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলবের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) যাচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় তিনি দুদকে হাজির হবেন বলে বুধবার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস দুদকে হাজির হবেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দিয়ে অর্থপাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৩ জনকে তলব করে দুদক।

তলবের নোটিশে বলা হয়েছে, গ্রামীণ টেলিকম কম্পানির পরিচালনা পর্ষদসহ ১৩ জন আসামির বিরুদ্ধে ২৫.২২ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আপনার বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। আগামী ৫ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টায় উপর্যুক্ত বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য দুদক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তদন্তকার্যে সহযোগিতা করতে আপনাকে অনুরোধ করা হলো।

চলতি বছরের ৩০ মে গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক