ববি’র ভিসির রুটিন দায়িত্ব পেলেন ড. বদরুজ্জামান

বরিশাল অফিস: ভাইস-চ্যান্সেলরের পদটি শুন্য হওয়ায় পরবর্তী নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়াকে বরিশাল বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব শতরূপা তালুকদার স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের পদটি শুন্য হওয়ায় পরবর্তী ভাইস-চ্যান্সেলর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে বরিশাল বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়াকে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে ভাইস-চ্যান্সেলরের রুটিন দায়িত্ব প্রদান করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া ২০২২ সালের ১৯ এপ্রিল ট্রেজারার হিসেবে বরিশাল বিশ^বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। এরআগে তিনি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এ- হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রাধ্যক্ষ এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া একজন জনপ্রিয় কলামিস্ট ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে সর্বমহলে ব্যাপক পরিচিত অর্জন করেছেন ।




 বরিশালে মাছ কেটে চলে শতাধিক সংসার

এস এল টি তুহিন,বরিশাল: বাজার থেকে মাছ কেনার পরে কাটা একটি ঝামেলা পূর্ণ কাজ ছিল। তবে এখন পেশাজীবীদের কারণে এখন সহজ হয়ে উঠেছে। মাছ কাটাকে পেশা হিসেবে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে বরিশালের নগরীর বিভিন্ন বাজারের শতাধিক নারী পুরুষ।

এই পেশা একদিকে যেমন অর্থনৈতিকভাবে তাদেরকে স্বাবলম্বী করছে অন্যদিকে গৃহস্থলীর কাজকে সহজ করে দিচ্ছে। এতে করে বাজারে মাছের বিক্রিও বেড়েছে অনেক। তাদের কাঁটা মাছের বিভিন্ন উচ্ছিষ্ট অংশ নানা ধরণের শিল্পে ব্যবহার হচ্ছে। এতে করে বাড়ছে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। এক সারিতে বসে বৃহদাকৃতির বটি দিয়ে ছোট বড় প্রায় সব ধরণের মাছ কাটতে দেখা গেছে এই পেশাজীবীদের।

বরিশাল পোর্ট রোর্ডে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করে সালাম সিকদার চন্দ্রদীপ নিউজকে বলেন, প্রতিটি গদিতে মাছ কাটার কাজে মোট তিনজন লোক কাজ করে। এদের মধ্যে এক জন বটি ওয়ালা, একজন আইশারি ও একজন করে কাস্টমার ডেকে আনার কাজ। সকাল ছয়টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত ক্রেতাদের ক্রয়কৃত মাছ তাদের চাহিদা অনুযায়ী কেটে থাকেন। প্রতিদিন বিভিন্ন জাতের মাছ কাটেন একজন গড়ে ১’শ থেকে ১৫০ কেজি করে । এখানে মাছ কাটার পেশার সাথে জড়িত রয়েছে কমপক্ষে ১’শ জন।

তিনি আরো বলেন, তাদের কাঁটা মোট মাছের মধ্যে ৬০ শতাংশ ছোট এবং ৪০ শতাংশ থাকে বড় আকৃতির হয়ে থাকে। ছোট মাছগুলো প্রতি কেজি ৪০ টাকা দরে কাটা হয়। আর বড় মাছের তুলনায় এর খরচ দ্বিগুন। তবে মাছের উচ্ছিষ্টাংশ বিভিন্ন বানিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়ে থাকে। মাছের নারীভূড়ি বিক্রি হয় জৈবসার তৈরিসহ পশুপাখির খাবার তৈরির কাজে। বিভিন্ন মাছের আইশ বিক্রি হয় মণ প্রতি দুই থেকে ৪ হাজার টাকায়। একই ধরণের মাছের আইশ আলাদা বিক্রি হয় তবে দর বেশি এবং মিশ্র বিক্রি হয় কিছুটা কম দামে।

তিনিদ বলেন, প্রতিদিন একেকটি গদি থেকে কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ কেজি উচ্ছিষ্ট বিক্রি হয়। নির্দিষ্ট সময়ে এগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে যায় এই শিল্পে জড়িতরা। মাছের আইশ থেকে তৈরি হয় চুমকি সহ বিভিন্ন ধরণের শো-পিস। পূর্বে শুধু বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরার মালিকরা এসে মাছ কাটিয়ে নিয়ে যেত। কিন্তু দিনে দিনে গৃহস্থলির ক্রেতাদেরও সংখ্যা বাড়ছে। মাছ কাটার ব্যবস্থা থাকায় প্রতিটি বাজারেই ক্রেতার সংখ্যা বাড়ছে। তুলনামূলক কম টাকা খরচে এই সুবিধা পেয়ে ক্রেতারাও বেশ খুশি।




বরিশালের সাইলোতে সংরক্ষণ করা যাবে ৪৮ হাজার মেট্রিক টন চাল

এস এল টি তুহিন,বরিশাল : চাল সংরক্ষণে বরিশাল নগরীতে সাইলো নির্মাণ কাজের মেয়াদ শেষ হলেও, লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) জটিলতায় এখনও বাকি ২০ ভাগ কাজ। ২১ বিঘা জমিতে এই নির্মাণ কাজ পুরোপুরি শেষ হলে, সংরক্ষণ করা যাবে ৪৮ হাজার মেট্রিক টন চাল। দক্ষিণাঞ্চলে যে কোনো দুর্যোগে খাদ্য সংকট মোকাবিলায় তা বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।

চাল সংরক্ষণের জন্য বরিশাল নগরীর ৩০ গোডাউন এলাকায় নির্মিত হচ্ছে সাইলো। ২০২২ সালের ২২ জুন শুরু হয় নির্মাণ কাজ। চলতি বছরের ২১ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, এলসি জটিলতায় আনুষঙ্গিত সরঞ্জাম আসতে দেরি হওয়ায়, মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আরও ছয় মাস ।

মাঠ পর্যায়ের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, এই সাইলো হবে বরিশালের জন্য আশীর্বাদ স্বরুপ। পরবর্তীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখান থেকে সহজেই সংরক্ষিত খাদ্য দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা যাবে। প্রকল্পকাজ করতে প্রথমে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় এবং পরে জেটি নির্মাণের সময় নদীর জোয়ার-ভাটার বিড়ম্বনায় কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে।

তাঁরা বলছেন, এখানে ৫০ কেজি থেকে শুরু করে দুই কেজি, এক কেজি চাল অটোমেটিক পদ্ধতিতে প্যাক করা যাবে।

বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় প্রায় ৯০ হাজার টন খাদ্য মজুতের ব্যবস্থা রয়েছে। এই সাইলোর অবশিষ্ট কাজ শেষ হলে খাদ্য মজুতের বড় সংরক্ষণাগার হবে এটি। ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস-কিংবা খরাসহ যে কোনো দুর্যোগের পর ফসল ওঠা পর্যন্ত খাদ্য নিরাপত্তায় সহায়ক হবে।

সাইলো প্রকল্পের মান নিয়ন্ত্রণ প্রকৌশলী এ জেড এম ইফতেখার জানিয়েছেন, ৪৮ হাজার মেট্রিক টন চাল সংরক্ষণ করা যাবে এই সাইলোতে। তিন বছর পর্যন্ত চালের গুণগত মান ঠিক রেখে সাইলোতে সম্পূর্ণ আটোমেটিক পদ্ধতিতে চাল সংরক্ষণ করা যাবে। বিশাল এ প্রকল্প পরিচালিত হবে সর্বোচ্চ ৫০ জন জনবল দিয়ে। এ কারণে এটি হবে ব্যয় সংকুচিত প্রকল্প। এর পরিচালনা ব্যয় হবে খুবই কম এবং খাদ্যমান নিশ্চিত হবে সম্পূর্ণটা।

প্রকল্প ম্যানেজার মো. আব্দুর রহিম  বলেন, সম্পূর্ণ অত্যাধুনিকভাবে মান নিয়ন্ত্রণ করে এখানে খাদ্যের সংরক্ষণ হবে। দুর্যোগকালে বরিশালের ছয় জেলায় দ্রুত তা সরবরাহ করা যাবে নৌ ও সড়কপথে। প্রায় দু লক্ষ শ্রমিক এই সাইলোর নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে পরিশ্রম করে চলেছেন।

সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে এই সাইলো তৈরিতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। বর্ধিত সময় অনুযায়ী কাজ শেষ হবে আগামী এপ্রিলে।




কুয়াকাটায় রাস মেলা ২৬ নভেম্বর, ২ লাখ লোক সমাগমের সম্ভাবনা

বরিশাল অফিস: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় আগামী ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে রাস মেলা। এই উৎসব ঘিরে দেশের অন্যতম এই পর্যটন কেন্দ্রে ২ লাখ লোক সমাগম হবে বলে আশা করছে রাস উদযাপন কমিটি।

সোমবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রাস মেলা ও রাস পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে কলাপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রস্তুতিমূলক সভা। উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় অন্যদের মধ্যে- উপজেলা চেয়ারম্যান রাকিবুল আহসান, কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিমল কৃষ্ণ, কলাপাড়া পৌর মেয়র বিপুল হাওলাদার, কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার, কুয়াকাটা শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থযাত্রী সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক নীহার রঞ্জনসহ সব ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় আগত ভক্তদের জন্য সুপেয় পানি ও পয়নিষ্কান ব্যবস্থাসহ আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়।

কুয়াকাটা শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থযাত্রী সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক নীহার রঞ্জন জানান, প্রায় ২০০ বছর ধরে কুয়াকাটায় রাসমেলা উদযাপন হয়ে আসছে। আমরা পূজা উদযাপনের জন্যে মন্দিরের আনুসঙ্গিক প্রস্তুতির কাজ করছি। আজ উপজেলা দরবার হলে সভা হয়েছে। সেখানে সবাই উপস্থিত ছিলেন। সভায় আমরা বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানের বিষয় আলোচনা করেছি। আগত ভক্তদের যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেজন্য আমরা গত বছরের চেয়ে এবছর সুপেয় পানি ও পয়নিষ্কানের জন্য আরও ভালো ব্যবস্থা করছি।

শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থযাত্রী সেবাশ্রমের সভাপতি ও কলাপাড়া পৌর মেয়র বিপুল হাওলাদার বলেন, প্রতিবছরই রাস মেলা উপলক্ষে কুয়াকাটায় লাখ লাখ লোকের সমাগম ঘটে। আমরা আশা করছি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে প্রায় ২ লাখ মানুষ রাস উৎসবে যোগ দিতে আসবেন। ইতোমধ্যে উৎসবে যোগ দিতে আসার জন্য অনেক ভক্ত আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন।

কলাপাড়ার ইউএনও জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, রাস মেলায় যাতে বিশৃঙ্খলা না হয় সেজন্য আমরা সভা করেছি। এবছর ট্যুরিজম পার্কের পূর্ব পাশে অস্থায়ী দোকানগুলো বসবে। বাস টার্মিনাল ও বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে গাড়ি পার্কিং থাকবে। এছাড়া, কুয়াকাটায় আগত ভক্তদের নিরাপত্তায় ২৬ নভেম্বর প্রচুর সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবে।




‘১৫ বছরে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার‘

এস এল টি তুহিস,বরিশাল :  বিগত ১৫ বছরে স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার বর্হিবিশ্বে বরিশালের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর করতে কাজ করে যাচ্ছে। তাই বর্তমান সরকারের দিক নির্দেশনায় ধাপে ধাপে দক্ষিণাঞ্চলের দুঃখী মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিরলস কাজ করেছে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগ।

বরিশাল জেলা গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার সুফল জনগণ পেতে শুরু করেছে মাত্র। বরিশাল অঞ্চলে চলছে পরিকল্পিত উন্নয়ন। বদলে যাচ্ছে বরিশারের অর্থনৈতিক চিত্র। বর্তমান সরকারের বেশ কয়েকটি অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে বরিশালে। এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বদলে যাবে গোটা বরিশাল অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র।

বরিশালে আইসিটি পার্ক, অর্থনৈতিক জোন, বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার, নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের অদূরে ও বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পাশে ২৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত হবে আইসিটি পার্ক । সড়ক ও জনপদ বিভাগের ৫ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে পার্ক নির্মাণের জন্য। গড়ে উঠবে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ধারনা করা হচ্ছে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রায় ২৩ হাজার বেকার যুবক-যুবতী কর্মসংস্থানে সুযোগ পাবে এখানে।

এছাড়া জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজও এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে ৩শ’ একর জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে এখানকার অর্থনৈতিক জোন বরিশালের অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। উৎপাদিত পণ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানিরও সম্ভাবনা রয়েছে প্রচুর।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো জানান, জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ চরআইচা মৌজায় ৪১২ কোটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার প্রকল্প স্থাপন করা হচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ও জিওবি-এর অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নকারী সংস্থা “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার” ঢাকা। পগণূর্ত অধিদপ্তরের কাজ বাস্তবায়নে রয়েছে বরিশাল বিভাগীয় অধিদপ্তর। তাই অচিরেই বরিশাল অঞ্চল হয়ে উঠবে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে। এরইমধ্যে, বরিশাল জেলা গণপূর্ত অধিদপ্তর উল্লেখ্যযোগ্য যে সব প্রকল্প শতভাগ সম্পন্ন করেছে তার মধ্যে রয়েছে।

যথাক্রমে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জননিরাপত্তা বিভাগের উদ্যোগে নগরীর রূপাতলী এলাকায় প্রায় ১৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে “বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স”, নগরীর বান্দরোড পানি উন্নয়ন বোর্ড সংলগ্ন প্রায় ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কার্যালয়, জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চামটা নিয়ামতি এলাকায় প্রায় ৩ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি, প্রায় ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে জেলা ও ব্যাটালিয়ন সদরের আনসার ও ভিডিপি’র ব্যারাক সমূহের ভৌত সুবিধাদি সম্প্রসারণ প্রকল্প, প্রায় ৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে জেলার মুলাদী উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেটেশন।

পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ও জিওবি-এর অর্থায়নে প্রায় ১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নদী বন্দর ১ম শ্রেণী আবহাওয়া পর্যাবেক্ষনাগার শক্তিশালী করন শীর্ষক জেলার হিজলা থানাধীন আবহাওয়া অফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্প সম্পন্ন করা হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণাল য়ের অধীনে উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মান শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় জেলায় ৯টি অফিস ভবন নির্মাণ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে জেলা কৃষি তথ্য সার্ভিস আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ শক্তিশালী করণ প্রকল্প ও প্রায় ৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষন কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে।

এছাড়াও সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধীনে প্রায় ১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে নগরীর রূপাতলী এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে বরিশাল জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্স ও প্রায় ৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে “নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ও প্রযুক্তিগত মনিটরিং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ৮৫টি সরকারী শিশু পরিবারের সুরক্ষা ও নিবিড় তত্ত্বাবধান” শীর্ষক প্রকল্প। এছাড়া রয়েছে, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ২৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবন।

অপরদিকে, সারাদেশে ন্যায় বরিশাল জেলায়ও সর্বমোট প্রায় ১১টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে ২টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাকি ৯টি মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে বরিশাল জেলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলম চন্দ্রদীপ নিউজকে  বলেন, বিগত বছরগুলোতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প জেলা গণপূর্ত বিভাগ বাস্তবায়ন করেছে। প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে “স্মার্ট বাংলাদেশ” গঠনের রূপকল্পে গণপূর্ত অধিদপ্তর বর্তমান সরকারের দিক-র্নিদেশনায় একাধিক কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, গণপূর্ত বিভাগ বাংলাদেশ নির্মাণ অঙ্গনে একটি পথিকৃত। স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প ২০৪১ কে সামনে রেখে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় উন্নয়নশীল দেশের সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা পূর্বক যুগোপযোগী অবকাঠামো নির্মাণসহ প্রাতিষ্ঠানিক ও আবাসিক সুবিধাদি সুনিশ্চিত করাই এ প্রতিষ্ঠানটির মূল ভিশন।

এ প্রসঙ্গে বরিশাল জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম’র সাথে আলাপকালে তিনি চন্দ্রদীপ নিউজকে জানান , বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান ও উন্নয়নে বদলে যাচ্ছে বরিশাল অঞ্চল। তারই ঐকান্তিকতায় বরিশাল আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। তারই হাত ধরে অবহেলিত বরিশাল আজ দেশের অন্যতম নান্দনিক ও সমৃদ্ধ শহর হতে চলেছে। শুধু শহর নয়, বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলে চলছে উন্নয়নের মহাযজ্ঞ।




আয়ের একমাত্র সম্বল অটোরিকশা হারিয়ে দিশেহারা চাঁন মিয়া

বরিশাল অফিস: ঝালকাঠির শহরে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন চাঁন মিয়া আকন (৫৯)। তার উপার্জনেই চলে পাঁচ সদস্যের সংসার।

শনিবার (৪ নভেম্বর) শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় মসজিদের সামনে অটোরিকশাটি রেখে মাগরিবের নামাজ পড়তে যান। নামাজ শেষে বের হয়ে দেখেন অটোরিকশা নেই। এতে অসহায় হয়ে পড়েছেন চাঁন মিয়া। বিভিন্ন জায়গায় চুরি যাওয়া অটোরিকশার খোঁজ করছেন। আয়ের একমাত্র আয়ের সম্বল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তিনি। অসহায় চাঁন মিয়া আকন শহরের কলাবাগান এলাকার মৃত শাহ আহম্মদ আকনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শহরে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

চাঁন মিয়া আকন বলেন, অটোরিকশা রেখে মাগরিবের নামাজ পড়তে যাই। নামাজ শেষে এসে দেখি আমার অটোরিকশা নেই। এটা দিয়েই আমার সংসার চলতো। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও পাইনি। বর্তমানে আমি গাড়িটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেলাম। এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি)করেছি।

অটোরিকশা চালক মো. বাবুল হাওলাদার বলেন, চান মিয়া আমাদের সঙ্গে গাড়ি চালাতেন। শনিবার সন্ধ্যায় চোর চক্র তার গাড়িটি নিয়ে যায়। বর্তমানে তার আয় বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা জানান, এই অটো রিকশাটিই ছিল তার আয়ের প্রধান উৎস। নামাজে এসে যে অটোরিকশা হারাতে হবে এটা মানা খুব কষ্টকর। বিত্তবানদের তার পাশে দাঁড়ানো উচিত।

ঝালকাঠি সদর থানার ডিউটি অফিসার এসআই দেবাশীষ বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় চুরি হয়ে থাকলে বিষয়টি আমাদের জানা নেই।




সিসি ক্যামেরার আওতাভূক্ত বামনা উপজেলা শহর

সকল প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বামনা উপজেলা শহরের প্রতিটি সড়ক ও গুরুত্বপূর্ন স্থানে বামনা সদর ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে ৩২ টি ক্যামেরার মাধ্যমে বামনা সদরের বাজারসহ বিভিন্ন সড়ক সার্বক্ষনিক মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে চুরি, ছিনতাইসহ সকল প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে মুক্তি পাবে বামনা সদরের জনগন। জানাগেছে, বামনা সদর ইউনিয়ন পরিষদের হাটবাজার উন্নয়ন ফান্ড থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যায়ে সিসি ক্যামেরা গুলো স্থাপন করা হয়েছে।

বামনা শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ন স্থান সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসায় সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুজ্জামান সগিরের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বামনা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক নাসির মোল্লা জানান, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সগির নিজ উদ্যোগে শহরটি সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে এসেছেন। এতে করে ছোট, বড় সকল ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধ পাবে।

বামনা উপজেলা সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি মনোতোষ হাওলাদার বলেন, বামনা শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা দেখে অনেকটা স্বত্বিবোধ করছি। বামনা শহরে দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনেক নারী শিক্ষার্থী ইভটিজিং এর শিকার হয়। এছাড়াও চুরি এবং মাঝে মধ্যে মারামারি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এসব ঘটনা এড়াতে ক্যামেরা স্থাপন করায় ইউনিয়ন পরিষদকে ধন্যবাদ জানাই।

বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাইনুল ইসলাম বলেন, বামনা সদর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে শহরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করায় সকল প্রকার আইনশৃংখলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করতে ও অপরাধী সনাক্ত করতে পুলিশের সহজ হবে। সদর ইউনিয়ন পরিষদের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

বামনা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড. চৌধূরী কামরুজ্জামান সগির বলেন, আমি প্রথম মেয়াদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার সময়ই ভেবেছি বামনা বাজারটি সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসবো। আমার দ্বিতীয় মেয়াদে একাজ সফল হয়েছে। এখন অনেকেই শহরের ভিতরে অপরাধ মূলক কাজ করতে সাহস পাবেনা। আর কোন অপরাধ ঘটলেও প্রশাসন সেটি সহজেই খুঁেজ বের করতে পারবেন।




বরিশালে ডেঙ্গু আক্রান্ত বৃদ্ধের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৩৬

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বজলুল করিম (৭০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৬ জন।

রোববার (৫ নভেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরিশালের উপ-পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল  এতথ্য নিশ্চিত করেন। মৃত বজলুল করিম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ নভেম্বর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৪ নভেম্বর) মারা যান।

ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বরিশালের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৩৩ হাজার ৭৬৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩২ হাজার ৯৫৯ জন। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৫৭ জনের। এরমধ্যে বরিশালের দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১২১ জন, ভোলা সদর হাসপাতালে ১০, বরগুনা সদর হাসপাতালে পাঁচ, পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ১২, পটুয়াখালীর দুই হাসপাতালে আট ও ঝালকাঠি হাসপাতালে একজন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশালে সর্বোচ্চ ৭৯, পটুয়াখালীতে ৩৫, পিরোজপুরে ৬৬, ভোলায় ১৫, বরগুনায় ৩৩ ও ঝালকাঠিতে আটজনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। শনিবার সকাল পর্যন্ত ছয় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬৫৩ জন।




আগৈলঝাড়ায় অতিথি পাখী বালি হাঁস বিক্রি: জরিমানা

বরিশাল অফিস: জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার শীতকালীন অতিথি পাখী বালি হাঁস বিক্রি করতে দেখা গেছে জহরলাল মন্ডল (৫২) নামে এক ব্যবসায়ীকে। উপজেলা নির্বহী অফিসার বিক্রিতাকে জরিমানা করে পাখী অবমুক্ত করেছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের বাকাল গ্রামের রশিদ মন্ডলের ছেলে জহরলাল মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে অতিথি পাখির ব্যবসা করে আসছিল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাখাওয়াত হোসেনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অতিথি পাখি ব্যবসায়ী জহরলাল মন্ডলের বাড়ি থেকে অতিথি পাখি (বালিয়া হাঁস) জব্দ করেন।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মো.সাইদুল হক বলেন, আমরার গোপন সংবাদের মাধ্যমে অতিথি পাখি বিক্রি করা জানতে পারি। জহরলাল মন্ডলের বাড়ি থেকে অতিথি পাখি (বালিয়া হাঁস) জব্দ করি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.সাখাওয়াত হোসেনে বলেন, অতিথি পাখী আটক বা বিক্রি আইগত অপরাধ। অতিথি পাখি বিক্রিতা তার নিজের অপরাধ স্বীকার করাতে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দকৃত পাখিগুলো অবমুক্ত করে দেয়া হয়েছে।




কাউখালীতে ইভটিজিং এর অভিযোগে ৬ মাসের কারাদণ্ড

বরিশাল অফিস : পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিড়ালজুরি গ্রামের স্কুল, মাদ্রাসায় পড়ুয়া একাধিক ছাত্রী, বিধবা নারী ও গৃহবধূকে ইভটিজিং ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৬০ বছর বয়সের এক অটোরিকশা চালককে ৬ মাসের সাজা প্রদান করে।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কাউখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বায়েজিদুর রহমান ও কাউখালী থানা পুলিশের এস আই মো: মশিউর রহমান (২৯ অক্টোবর) রোববার বিকেলে উপজেলার বিড়ালজুরি গ্রামে থেকে ইভটিজার অটোরিকশা চালক দুলাল হাওলাদার (৬০) কে আটক করে।

অভিযুক্ত দুলাল উপজেলার জয়কুল গ্রামের মৃত্যু মোবাশ্বের হাওলাদার এর ছেলে। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বায়জেদুর রহমান আদালতে অভিযুক্ত দুলাল তার অপরাধ শিকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে কিন্তু একাধিকবার তার নামে অভিযোগ পাওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক একাধিক ইভটিজিং এর অভিযোগে তাকে দন্ডবিধির ১৮৬০ এর ৫০৯ ধারায় ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বজল মোল্লা বলেন অভিযুক্ত দুলালের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত এলাকাবাসী কয়েক দফায় ইভটিজিং এর অভিযোগ করেন।