সংরক্ষিত নারী আসনে ১০ জন নির্বাচিত হবেন স্বতন্ত্রদের ভোটে

চন্দ্রদীপ নিউজ : দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনী তফসিল চলতি মাসেই ঘোষণা করা হবে। সংসদের প্রথম অধিবেশনে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম সর্বোচ্চসংখ্যক ১০ জন সংরক্ষিত নারী এমপি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে স্বতন্ত্র জোটের মনোনয়ন পেতেও জোর তদবিরে নেমেছেন আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের পদধারী, ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী, আইনজীবী, উদ্যোক্তা, উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা, শিক্ষক, অভিনেত্রীসহ বিভিন্ন মাধ্যমের তারকারা।

দলীয় ও স্বতন্ত্র জোটের মনোনয়ন নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। এ ক্ষেত্রে সদ্যঃসমাপ্ত সংসদের নারী এমপিদের অনেককে বাদ দিয়ে আনা হতে পারে নতুন মুখ। বর্তমান নারী এমপিদের আমলনামা এখন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার হাতে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নারী নেত্রীরা গণভবনে যাওয়া-আসা বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৭১ জন এমপিকে দলীয় মনোনয়ন না দিয়ে যে সংস্কার শুরু হয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ১১টি আসনে বিজয়ী জাপার দুটি সংরক্ষিত আসনে দলের দুই কো-চেয়ারম্যান শেরীফা কাদের ও সালমা ইসলামের মনোনয়ন অনেকটা নিশ্চিত। এর বাইরে ৪৮ জনের মনোনয়ন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর নির্ভর করছে। তাই আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিদের পাশাপাশি অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টায় আছেন।

সাধারণ নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনেও বেশ কিছু নতুন মুখ আসবে বলে জানা গেছে।



শীতকালে মহানবী সা. যে ‍যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছেন

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : মুসলমানদের অব্যাহত উন্নতি ও ইসলামের ক্রমবর্ধমান প্রসার দেখে বদর যুদ্ধে পরাজিত ও ওহুদ যুদ্ধে বিপর্যস্ত মুশরিক ও অন্যান্য অমুসলিম সম্প্রদায় দিশেহারা হয়ে পড়েছিল।

মুসলামানদের বিরুদ্ধে মুশরিক, ইহুদি ও খৃস্টানদের একটি সম্মিলিত শক্তি জোট গড়ে তুললো। তারা সবাই মিলে মদিনায় আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিল। একইসঙ্গে বিশাল সৈন্য বাহিনী নিয়ে পৃথিবীর বুক থেকে ইসলাম ও মুসলমানদের অস্তিত্ব মুছে ফেলার সংকল্প নিয়ে মদিনার চারদিক অবরোধ করে বসলো।

খন্দক যুদ্ধ

কোরআনে এ যুদ্ধকে গযওয়ায়ে আহযাব অর্থাৎ সম্মিলিত বাহিনীর যুদ্ধ এবং ইতিহাসে গযওয়ায়ে খন্দক নামে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুদ্ধের সিদ্ধান্তের কথা জেনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবিদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে স্থির করেছিলেন যে, শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত করতে মদিনার বাইরে পরিখা খনন করা হবে। যাতে তারা পরিখা ডিঙিয়ে মদিনায় প্রবেশ করে হামলা চালাতে না পারে।

মুসলমানদের প্রস্তুতি

বায়হাকী, আবু নাঈম ও ইবনে খুযায়মার রেওয়ায়েতে বলা হয়েছে, প্রতি চল্লিশ হাত পরিখা খননের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দশজন করে সাহাবির ওপর। পরিকল্পনা ছিল- কয়েক মাইল লম্বা যথেষ্ট গভীর ও প্রশস্ত পরিখা খনন করতে হবে, যা শত্রু সৈন্যরা সহজেই পার হতে না পারে। পরিখা খননের কাজ কাজ খুব দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন ছিল।

সাহাবিরা নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করতে লাগলেন। পানাহার, ইস্তিঞ্জার মতো প্রয়োজনগুলোতেও কাজ বন্ধ রাখা সম্ভব হচ্ছিল না। প্রচণ্ড ক্ষুধা নিয়ে কাজ করেছিলেন তারা। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও এই কাজে একজন সাধারণ সৈনিকের মতো অংশ নিয়েছিলেন। এভাবে সবাই সম্মিলিতভাবে খনন কাজ শেষ করলেন।




চন্দ্রদীপ নিউজে সংবাদ প্রকাশের পড়ে বরিশালে ৫ শতাধিক কম্বল পেল সুবিধা বঞ্চিত ছিন্নমূল মানুষ

বরিশাল অফিস :: খুব শীত করতেছিলো গায়ে দেওয়ার মতন কিছু ছিলনা শেখ হাসিনা আমাগো কম্বল দিছে হেইয়া ডিসি স্যার আমাগো দিয়া গেছে আল্লার কাছে দোয়া করি এমনি ভাবে কথা গুলো বলছিলেন বয়স ষাটোর্ধ্ব বরিশাল অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন ঢাকা বরিশাল টার্মিনালে বসবাস করেন সুবিধা বঞ্চিত ও ছিন্নমূল কালাম মিয়া।

শনিবার ( ১৩ জানুয়ারি) রাত ১১ টার দিকে, বরিশালের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫ শতাধিক দুস্থ আসহায় সুবিধা বঞ্চিত শীতার্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিল থেকে পাওয়া কম্বল বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক বরিশাল শহিদুল ইসলাম। এ সময় নিজের কম্বল পেয়ে এমনি আক্ষেপের কথা বলছিলেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,বরিশাল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনদীপ ঘরাই, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বৃন্দ। বরিশাল জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম নিজেই শীতার্তদের গায়ে শীতবস্ত্র কম্বল জরিয়ে দেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম জানান, আমি বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ চন্দ্রদীপ নিউজে প্রকাশিত সাংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি লঞ্চ ঘাটের সুবিধা বঞ্চিতও ছিন্নমূল মানুষগুলো শীতে খুব কষ্ট করে তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিল থেকে পাওয়া কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।উল্লেখ্য, হাড়কাঁপানো শীতে বরিশালে অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষ এই শিরোনামে ( ১৩ জানুয়ারি) বিকালে চন্দ্রদীপ নিউজে একটি নিউজ প্রকাশিত হয়। সেই নিউজ জেলা প্রশাসকের দৃষ্টিগোচর হয় যার পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণের উদ্যোগ নেন জেলা প্রশাসক




বরিশালে হাড়কাঁপা শীতে অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষ

এস এল টি তুহিন, বরিশাল ::বরিশাল জেলায় গত ৩ দিনে শীতে কাবু হয়ে পড়েছে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছে নগরের নিম্ন আয়ের মানুষ। তিন দিনের শীতে তারা বিপর্যস্থ হয়ে

পড়েছে। অন্যদিকে বেচে থাকা ও সংসারের নিত্য প্রয়োজনীয় অর্থের তাগেদায় নিম্ন শেণির মানুষ শীত উপেক্ষা করে সকাল বেলায় যে যার মত করে কাজে নেমেছে। এ অবস্থা আরো ৪/৫ থাকার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বরিশাল আবহাওয়া অফিস। তাদের দেয়া তথ্যে শৈত্য প্রবাহের শংকাও রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক মাসুদ রানা রুবেল জানান ৮ /১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বলে। ৬/৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মাঝারী ও ৬ ডিগ্রির হলে তীব্র শৈত্য প্রবাহ বলা হয়। বরিশালে এখনো শৈত্য প্রবাহ হয়নি। শীত অনুভূত হওয়ার বেশি কারণ হলো আকাশ মেঘলা ও উত্তর দিক থেকে ধেয়ে আসা হিমেল হাওয়ায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। এখন শৈত্য প্রবাহ না থাকলেও আশংকা রয়েছে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, আজ শনিবার এ মৌসুমে বরিশালে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন১০ ডিগ্রি ৭ সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শীতের এ তীব্রতা আরো ৪/৫ দিন থকার সম্ভবনা রয়েছে তবে মাঝে মধ্যে এর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে তারপরে শীতের তীব্রতা থাকার পর এ অঞ্চলে বজ্র বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

এছাড়া শুক্রবার সকাল থেকে তাপমাত্রা ছিলো ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুর ২টার পর রোদের দেখা মেলে। তাই তাপমাত্রা বেড়ে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়। কিন্তু সূর্য ডোবার সাথে সাথে আবারো শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকে।

আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১২টা সময় অতিক্রম হওয়ার পরও মেঘলা আবহাওয়া ও কুয়াশার চাঁদরে শহরকে ঘিড়ে রেখেছে।
শীতের প্রকোপের মধ্যে আজ শনিবার সাধারনত ব্যবসা বাণিজ্য খোলা থাকার পরও নগরীতে সাধারন মানুষের চলাচল তেমন নেই। বেলা ১২টার দিকেও নগরীর প্রধান প্রধান সড়কে সাধারন মানুষের চলাচল বেশি নেই। যারা শহরে বেড় হয়েছে অধিকাংশ মানুষ তাদের গরম জ্যাকেট চাদর পেছিয়ে চলাচল করছে।

অন্যদিকে শনিবার বেলা ১২ টার দিকে বরিশাল নদী বন্দর এলাকায় ঘুড়ে দেখা যায় একেকটি ভ্যানের উপর নিম্ন শ্রেণির শ্রমিকরা গরম বস্ত্র পেছিয়ে শুয়ে যা দুর থেকে দেখলে মনে হয় ভ্যান গাড়ির উপর কোন মালামালের বস্তা পড়ে রয়েছে।

বরিশাল নগরীর ডিসি ঘাট পাইকারী কাঁচা বাজার এলাকার চায়ের দোকানী মো. সোলায়মান জানিয়েছেন, বাজারে পাইকাররা তেমন আসেনি। তাই সবজি কম দামে বিক্রি হয়েছে।

চায়ের দোকানেও তেমন কোন বেচা বিক্রি হয়নি। রিকশাচালক জলিল বলেন, এমনিতে শীতে কাবু হয়ে আছি। তার পর রাস্তায় যাত্রী তেমন নেই। কোন আয় নেই। মালিককে ভাড়া দিয়ে কিভাবে বাজার করবেন সেই চিন্তা রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

অপরদিকে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষরা আগুন জ্বালিয়ে শীত থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন অনেকে। তাদেরই একজন বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে কাগজ কুড়িয়ে এনে আগুন জ্বালিয়েছি। খাইতেই কষ্ট হয়, শীতের কাপুড় কেনার টাকা পামু কই।

আবহাওয়া বিভাগ থেকে আগামী কয়েক দিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পারদ হ্রাস পাবার কথাও বলা হয়েছে। সাথে গত কয়েকদিন ধরে রাতের শেষ প্রহর থেকে মেঘনা অববাহিকা সহ বরিশাল অঞ্চল মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশার চাঁদরে ঢেকে থাকছে অনেক বেলা পর্যন্ত। এমনকি গত মঙ্গলবার রাতের প্রথম প্রহরে দুটি যাত্রিবাহী বেসরকারী নৌযানের সংঘর্ষে মেঘনার হাইমচরে ‘এমভি সুরভী-৮’এর ব্যাপক ক্ষতি ছাড়াও নৌযানটির এক যাত্রী নিহত হয়েছেন।


এ বিরুপ আবহাওয়ায় শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের ঠান্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হবার প্রবনতাও বাড়ছে। বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জেনারেল হাসপাতাল সহ বরিশাল অঞ্চলের সব হাসপাতালেই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এ সময়ে শিশু ও বয়স্কদের ঠান্ডা এড়িয়ে চলার পাশাপাশি হালকা গরম পানিতে গোসল করারও পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি সব বয়সী মানুষকেই যতটা সম্ভব গায়ে রোদ লাগানোরও পরামর্শ দিয়েছেন।




লেজ গজিয়েছে বুধ গ্রহের!

চন্দ্রদীপ ডেস্ক: সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ। সূর্য থেকে বুধ গ্রহের সর্বনিম্ন দূরত্ব ৪৭ মিলিয়ন কিলোমিটার। অন্যদিকে পৃথিবী থেকে সূর্যের সর্বনিম্ন দূরত্ব ১৪৭ মিলিয়ন কিলোমিটার। অর্থাৎ পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের এক তৃতীয়াংশেরও কম দূরত্বে বুধ গ্রহের অবস্থান।

অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থানের ফলে সূর্যের উত্তাপে বুধ গ্রহের তাপমাত্রা দিনের বেলায় ৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। অথচ রাতের বেলায় তাপমাত্রা নেমে আসে মাইনাস ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। প্রচণ্ড তাপমাত্রার প্রভাবে বুধ গ্রহের স্থায়ী কোন বায়ুমণ্ডল নেই। কিন্তু বুধ গ্রহের উর্ধাকাশে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম পরমাণুর একটি হালকা গ্যাসীয় আবরণ রয়েছে।

মজার ব্যাপার হলো, বুধ গ্রহ যখন সূর্যের কাছাকাছি চলে আসে তখন প্রবল সৌরবায়ুর প্রভাবে এই হালকা গ্যাসীয় আবরণটি থেকে সোডিয়াম গ্যাসের একটি দীর্ঘ লেজের সৃষ্টি হয়। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধ গ্রহের সময় লাগে ৮৮ দিন। এর মধ্যে ১৬ দিন বুধ গ্রহ সূর্যের কাছাকাছি অবস্থান করে। সৌর পরিক্রমায় কক্ষপথে কোন গ্রহ যখন সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে চলে আসে, তখন তাকে বলে পেরিহেলিয়ন বা অণুসূর।

এই সময় বুধ গ্রহের লেজের দৈর্ঘ্যটি হয় সবচেয়ে বেশি। তখন এই লেজের দৈর্ঘ্য হয় প্রায় ২৪ মিলিয়ন কিলোমিটার।
কিন্তু দীর্ঘ এই লেজটি খালি চোখে দেখা যায় না। বুধ গ্রহের লেজের ছবি তুলতে হলে ক্যামেরায় ন্যানো ব্যান্ডের ফিল্টার ব্যবহার করতে হয়। অ্যাস্ট্রো ফটোগ্রাফাররা এজন্য তাদের ক্যামেরায় ৫৮৯ এনএম ব্যান্ডের বিশেষ ধরনের ফিল্টার ব্যবহার করেন।

এই ফিল্টারে হালকা সোডিয়াম গ্যাসের আলো ধরা পড়ে। এই পদ্ধতিতে ছবি তুললে বুধ গ্রহকে একটি ধুমকেতুর মত দেখায়।
১৯৮০ সালে বিজ্ঞানীরা সর্বপ্রথম বুধ গ্রহের লেজের বিষয়টির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালে বুধ গ্রহের লেজের ছবি তোলা সম্ভব হয়েছিলো। বর্তমান সময়ে ক্যামেরা প্রযুক্তির উন্নতির ফলে বিশ্বব্যাপী অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফাররা বুধ গ্রহের লেজের ছবি তোলার ব্যাপারে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিচ্ছেন।




বরিশাল সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১,আহত ২

বরিশাল অফিস :: বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকার ২৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো: আইয়ুব আলী হাওলাদারের ছেলে মো: রহমতুল্লাহ রাকিব (২৫) ঝালকাঠিতে মোটর বাইক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। একই ঘটনায় মো: শান্ত নামের আরেক যুবক মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছে। শনিবার( ১৩ই জানুয়ারী) সকালে ৮ ঘটিকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে তাদের পরিবার।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,ঝালকাঠি-খুলনা মহাসড়কের গাবখান সেতু টোল প্লাজার একটু আগে বিটিসিএল পানির ট্যাংকি সংলগ্ন এলাকায় মটরসাইকেল দূর্ঘটনায় ২জন গুরুতর আহত হয়।

উদ্ধারকারীরা আরও বলেন,আমরা আহতদের উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা তাদের বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরবর্তীতে শেবাচিমে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো: রহমতুল্লাহ রাকিবকে মৃত ঘোষণা করে এবং চালক মো: শান্তকে অর্থপেডিক ইউনিটে ভর্তি করার নির্দেশ
প্রদান করেন।

এ বিষয় মৃত রহমতুল্লাহ রাকিব এর প্রতিবেশী ২৪ নং ওয়ার্ডের হামিদ খান সড়কের বাসিন্দা মো: বাবু জানান, মো: শান্ত এবং রহমতুল্লাহ রাকিব দুজনে বরিশাল থেকে খুলনা রওনা করেছিল। কিন্তু পথিমধ্যে ঝালকাঠির গাবখান সেতু এলাকায় দূর্ঘটনার শিকার হয়। স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দুজনকে প্রথমে ঝালকাঠি এবং পরবর্তীতে বরিশাল শেরে-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে শেবাচিম কর্তৃপক্ষ মো:
রহমতুল্লাহ রাকিবকে মৃত ঘোষণা করেছে এবং শান্তকে ভর্তি করেছে।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার ডিউটি অফিসার এসআই মো: আসাদুজ্জামান বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়টি মৌখিক ভাবে শুনেছি লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




খেজুর রসে লাভ কম, তবুও ঐতিহ্য ধরে রাখছে পটুয়াখালীর গাছিরা

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় পৌষ-মাঘ মাসে (ডিসেম্বর-জানুয়ারি) থেকেই গাছ কাটছে গাছিরা। পরিশ্রমের তুলনায় লাভ কম ও শুধু নাতীদের জন্য ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন বলে জানান গাছি আবদুর রাজ্জাক।

উপজেলার বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাক বলেন, এক সময়ে গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে জীবন জীবিকা পরিচালনা করলেও এখন শুধু নাতীদের জন্যই গাছ কাটি। পরিশ্রমের তুলনায় লাভ খুব কম তবুও ঐতিহ্য ধরে রেখেছি।
তিনি আরো বলেন, গাছের মাথার অংশকে ভালো করে পরিষ্কার করা হয়। নভেম্বর মাসের মাঝামাঝিতে গাছ পরিষ্কার করতে হয়। গাছ পরিষ্কার করার পর ১৫-২০ দিন পর গাছ ছাটতে হয়। ছাটা যে অংশে রস নিঃসরণ হয় সে অংশে চিকন ৭-৮ ইঞ্চি লম্বা বাঁশের কঞ্চি আধা ইঞ্চি ঢুকিয়ে দিতে হয়। কাঠির মধ্যে দিয়ে ফোটায় ফোটায় নির্গত রস গাছে ঝুলানো ছোট বড় হাড়িতে সংগ্রহ করা হয়। গাছ একবার ছাঁটলে ৩-৪ দিন রস সংগ্রহ করা যায় এবং পরবর্তীতে ৩ দিন শুকাতে হয়। এরপর আবার হালকা ছেটে পুনরায় রস সংগ্রহ করা যায়।

ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের গাছি ইদ্রিস মৃধা এই বছর ৭০টির বেশি খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করছেন।

ইদ্রিস বলেন, বছরে ৮০-৯০ হাজার টাকার রস সংগ্রহ করবেন তিনি তবে পরিশ্রমের তুলনায় লাভ খুব কম। এই সময়ে সবচেয়ে বেশি রস পাওয়া যায় সাধারণত ঠান্ডা আবহাওয়া, কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে পর্যাপ্ত রস পাওয়া যায় এবং এর স্বাদও ভালো হয়। তাপমাত্রা বাড়লে খেজুর গাছ হতে নির্গত রসের পরিমাণ কম হয় এবং এর সুস্বাধু স্বাদও হারিয়ে যায়।

এদিকে কলাপাড়া উপজেলা মেডিকেল কর্মকর্তা জেইস খান লেলিন বলেন, কাঁচা  খেজুরের রস খাওয়ার মাধ্যমে নিপাহ ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে খেজুরের রস খাওয়ার ক্ষেত্রে নিপাহ ভাইরাসে সংক্রমণের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তাই এ রস খাওয়ার ক্ষেত্রে সর্তক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।




বরিশালে তীব্র শীতে জমে উঠেছে পিঠা বিক্রি

পারভেজ ,বরিশাল :: বরিশালে তীব্র শীতে জমে উঠেছে শীতের পিঠা বিক্রি। তীব্র শীত আর কনকনে ঠান্ডা বাতাসের মাঝে ভাসমান ভ্যান গাড়িতে করে এই পিঠা বিক্রি করছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। শীতের শুরু থেকে এই ভাপা পিঠা বিক্রি শুরু হলেও শীতের প্রকোপ দুদিন ধরে কিছুটা বেশি হওয়ার কারণে এই চাহিদা দিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথায় বিগত বছরের দিনগুলোর চেয়ে এই বছর শীতের পিঠা বেঁচা-বিক্রি বেড়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছর তীব্র শীতের কারণে সন্ধ্যার পরপরই শহরের প্রাণকেন্দ্র সদর রোড,নতুন বাজার,নথুল্লাবাদ,রুপাতলী বাস টার্মিনাল,লঞঘাট ও তার আশেপাশে এলাকায় অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকানগুলোতে ভিড় বেড়েছে।

বাঙ্গালিয়ানা ঐতিহ্যের সাথে নবান্ন ও শীতকাল ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যদিও বর্তমানে শীতকালে সে পিঠা ও পায়েসের আমেজ দিন-দিন হারিয়ে যাচ্ছে। তবে ভাপা পিঠা ছাড়া শীতকাল কল্পনা করা অসম্ভব। বাড়িতে শীতকালে পিঠা তৈরির ধুম কমলেও ব্যবসায়িক ভাবে বেড়েছে এর উৎপাদন। মৌসুমী বিক্রেতার পাশাপাশি নারীরাও এই পেশায় যুক্ত হয়েছেন।

পিঠা ব্যবসায়ী হানিফ ও তার সহযোগী সবুর প্রতি পিছ ভাপা পিঠা ১৫ টাকা দরে বিক্রি করেন। দিনে ৩০০-৪০০ টি পিঠা বিক্রি করে তাদের দৈনিক মুনাফা থাকে ৮০০-১০০০ টাকা।এছাড়া চৌমাথা বাজারের সামনে নারী পিঠা বিক্রেতা হাজেরা বেগম বলেন,কাচিখোচা পিঠা,পাটিসাপটা পিঠা প্রতিদিন বিকাল থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত বিক্রি করি বর্তমান দুদিন ধরে ক্রেতার চাহিদা বেড়েছে।

ব্যবসার অভিজ্ঞতার আলোকে তাঁরা জানান, পূর্বে লাভ বেশি হতো কিন্তু বর্তমানে বাজারমূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে আগের মতো আর লাভের দেখা মিলছে না। তবুও শীতকালীন এই ব্যবসা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

এদিকে, সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ দাম বাড়ালেও পিঠার মান ও আকার কোনটাই বাড়েনি। কিন্তু বাড়িতে পিঠা তৈরির বাড়তি ঝামেলা এড়াতে তারা বাধ্য হয়েই পিঠা ক্রয় করছেন।

দাম ও মানের আলাপ-আলোচনা থাকলেও শীতকালে খেজুরের গুড়ের ভাপা ও অন্যান্য পিঠা আবহমান কাল ধরেই বাঙ্গালির শুধু রুচিই নয় বরং তা ঐতিহ্য।




পানি সংকটে দুমকিতে বোরো’র আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর দুমকিতে সেচের পানির অভাবে বোরো’র চাষাবাদ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন কৃষকরা।

উপজেলার চারিদিকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেরিবাঁধে স্লুইজ গেট অকেজো ও আবদ্ধ থাকায় অভ্যন্তরীণ বেশীর ভাগ খাল, নালা ভরাট হয়ে সেচের পানি শূন্যতায় বোরো’র চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকরা।

এলাকাবাসী জানায়, ওয়াপদা বেষ্টিত উপজেলার অভ্যন্তরীণ নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় ভরাট হওয়া খাল-বিল, পুকুর ডোবায় মারাত্মক পানি শূন্যতা দেখা দিয়েছে। সেচের পানির অভাবে চাষীদের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বোরোর আবাদ করতে পারছে না। পানির অভাবে শত শত হেক্টর ফসলি জমি অনাবাদি পড়ে থাকার আশঙ্কা করছেন তারা। প্রত্যন্ত এলাকার মাঠ, ঘাট ফসলি জমি শুকিয়ে গেছে। মুরাদিয়ার মরা নদীর তীরবর্তি এলাকাগুলোতে সামান্য সেচের পানি পাওয়া গেলেও পর্যাপ্ত সেচ-যন্ত্রপাতির পাম্প, পাওয়ার টিলার সংকটের কারণে কৃষকরা বোরোর আবাদ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে।

শ্রীরামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: সবুজ মৃধা বোরো’র আবাদ প্রসঙ্গে বলেন, পানির অভাবে বোরোর আবাদ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। সেচের পানির অভাব থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বোরোর আবাদ সম্ভব হচ্ছে না। নদীর তীরবর্তি এলাকার জমি আছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে ওই কৃষক জানান, শুষ্ক মৌসুমে মুরাদিয়া নদী শুকিয়ে যাওয়ায় সেচের পানি মেলানো কষ্টকর। পাম্প সরবরাহ না পাওয়া গেলে নদীর তলা থেকে সেচের পানি ওঠানো অত্যন্ত দুরহ। সে কারণেই এ অঞ্চলের কৃষকরা বোরোর আবাদ নিয়ে মহা সংকটের মুখে পড়েছে। অনেকে বোরো আবাদ করতে না পারায় বিকল্প হিসেবে বেশী বেশী মুগ, মশুরীসহ অন্যান্য রবি ফসল চাষাবাদে ঝুঁকে পড়েছেন।

এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো: ইমরান হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক পানির উৎস না থাকায় বোরোর আবাদ মারাত্মক ভাবে ব্যহত হচ্ছে। তবে নদীর তীরবর্তি ও আলগি, চরগরবদি, লেবুখালীর চরাঞ্চলের কৃষকরা নিজস্ব উদ্যোগে ব্যক্তিগত পর্যায়ে কিছু কিছু জমিতে বোরোর আবাদের প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। ওই সব চরাঞ্চলে অনেকে বীজতলায় বপনকৃত বীজ ইতোমধ্যে রোপণ যোগ্য হয়েছে বলেও জানিয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে শতাধিক হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের টার্গেট নেয়া হয়েছে।




না ফেরার দেশে পটুয়াখালীর বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা টিটু

বরিশাল অফিস :: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গলাচিপা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, পটুয়াখালী জেলা পরিষদ এর সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান, পানপট্টি ইউনিয়ন এর সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা টিটু এর জানাযায় সর্বস্তরের জনসাধারণের শ্রদ্ধাঞ্জলি। শুক্রবার ১২ জানুয়ারী তার গ্রামের বাড়ি পানপট্টি ইউনিয়নে সকল দশটায় প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুর বারোটার সময়ে গলাচিপা উপজেলা আও’লীগ কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে তার দ্বীতৃয় জানাযায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তি বর্গরা শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।

এসময়ে, পটুয়াখালী ৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এস এম শাহাজাদা ( এমপি) উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি পটুয়াখালী জেলার শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, উপজেলা আও’লীগের সভাপতি সন্তোষ কুমার দে, সহ- হাজী মুজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সর্দার শাহ আলম সহ যুবলীগ, কৃষক লীগ, ছাত্র- লীগ এবং অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

বর্ষিয়ান এ নেতা ১৯৫৩ সালের ২১ জানুয়ারী তার নিজগ্রাম পানপট্টিতে জন্মগ্রহ করেন। পরে ছাত্রজীবন থেকে রাজনিতির সাথে জড়িত হয়ে ১৯৭১ সালে মুক্তি যূুদ্ধে অংশ গ্রহন করে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসে সম্মান অর্জন করেন। পর্যায়ক্রমে গলাচিপা- উপজেলা আও’লীগ শাখার প্রায় ২৯ বচর সাধারণ সম্পাদক পদে দ্বায়ীত্ব পালন করেন। তার জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী ৭০ বছর ১১ মাস ২০ দিন এহ জীবন পার করে না ফেরার দেশে পারিজমান।

উল্লেখ্য শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারনে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সন্ধায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে এক স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।

গলাচিপা উপজেলার জৈনপুরী খানকায়ে মসজি প্রাঙ্গণে দুপুর দুইটায় ত্রিশ মিনিটের সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা টিটু কে গার্ড অব অর্নার করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আল হেলাল ও গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তৃতীয় জানাযা শেষে পরে পানপট্টি নিজগ্রামের মা -বাবা’র পাশেঁ দাফন কাজ সম্পূর্ণ করে এ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে চির বিদায় দেয়া হয়।