বরিশালে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বরিশাল অফিস :: ‘বরিশাল সদর উপজেলায় নগরীর ৫ নং পলাশপুরে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ১ যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।’পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়’।

সোমবার ( ১৫ জানুয়ারী) দুপুরে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. হুমায়ুন কবির।

হুমায়ুন বলেন,’২০১৩ সালের ২৩ অগাস্ট ১৩ বছর বয়সি শিশুটি ঘরে একা ছিল। এ সুযোগে প্রতিবেশী রাসেল শিশুটিকে প্রথমে ধর্ষণ করেন।’পরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আরেক শিশুর সহযোগিতায় ঘরের পেছনে আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন।’

‘ঘটনার কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা ঘরে এলে রাসেল ও তার সহযোগীকে পালিয়ে যেতে দেখেন বলে জানান তিনি।’ঘটনার পরদিন ২৪ অগাস্ট শিশুটির বাবা বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় মামলা করেন’।

হুমায়ুন আরও জানান,’২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি তৎকালীন কাউনিয়া থানার এসআই কামাল হোসেন দুইজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন’।

দণ্ডিত আসামী রাসেল (৩২) নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ড পলাশপুরের ৮ নম্বর গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা।




স্মার্টফোনে আসছে নিউক্লিয়ার ব্যাটারি চার্জ থাকবে ৫০ বছর

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : চীনের বেটাভোল্ট নামের একটি কম্পানি পারমাণবিক শক্তি সংবলিত ব্যাটারি তৈরি করেছে। কয়েনের চেয়ে ছোট ক্ষুদ্রাকার নিউক্লিয়ার ব্যাটারিটি অবিশ্বাস্য রকমের শক্তিশালী হবে। বেইজিংভিত্তিক কম্পানিটির দাবি, এই ব্যাটারি সংবলিত ফোন চার্জ করা ছাড়াই ৫০ বছর সচল রাখা যাবে। এর ফলে চার্জার ও পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহারের প্রয়োজন পড়বে না।

তীব্র গরমেও ব্যাটারিতে বিস্ফোরণ ঘটবে না। ব্যাটারিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিভি১০০’। এর আকার ১৫ বাই ১৫ বাই ৫ মিলিমিটার। শক্তি উৎপাদনের জন্য ব্যাটারিটি নিকেল আইসোটোপ (নিকেল-৬৩) ব্যবহার করবে এবং ১০০ মাইক্রোওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে।

আপাতত ব্যাটারিটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। বড় পরিসরে উৎপাদন শুরু হলে ফোন, ড্রোন, রোবট, স্যাটেলাইট ও মহাকাশযানে এটি ব্যবহার করা যাবে। ফলস্বরূপ বিরামহীনভাবে উড়বে ড্রোন, বহুগুণ বাড়বে ইলেকট্রিক গাড়ির রেঞ্জ। বেটাভোল্ট জানিয়েছে, নিউক্লিয়ার ব্যাটারি হলেও এটি থেকে রেডিয়েশন ছড়ানোর ভয় নেই।

মানবদেহের ভেতরে বসানোর উপযোগী মেডিক্যাল ডিভাইস, যেমন—পেসমেকার ও কক্লিয়ার ইমপ্লান্টসেও ব্যাটারিটি ব্যবহার করা যাবে। ২০২৫ সালেই ১ ওয়াট শক্তি সংবলিত ব্যাটারি নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে বেটাভল্ট। উল্লেখ্য, মারস রোভারে নিউক্লিয়ার ব্যাটারির ব্যবহার এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তবে এসব ব্যাটারি আকারে বড় এবং ওজনে ভারী। প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন করে। দামও বেশি।

সূত্র : টম’স গাইড




বাউফলে চোর সন্দেহে লঞ্চ থেকে তুলে নিয়ে যুবককে নির্যাতন

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): জেলার বাউফল উপজেলায় চোর সন্দেহে লঞ্চ থেকে এক যুবককে উঠিয়ে স্পিডবোটে করে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর নির্জন জায়গায় নিয়ে চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য রাতভর চলে নির্যাতন।

আহত ওই যুবককে উদ্ধার করে রোববার সন্ধ্যার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বাউফল উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নের ধূলিয়া লঞ্চঘাট থেকে ওই যুবককে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

আহত ব্যক্তির নাম মো. সোহাগ মুন্সি (২৭)। সোহাগ চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরওয়াডেল গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী মুন্সির ছেলে। তিনি পেশায় একজন জেলে।

আহত যুবকের স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বাবা ওমর আলীর সঙ্গে রাগারাগি হয় সোহাগের। এর জেরে শনিবার বিকেলে কালাইয়া লঞ্চঘাট থেকে এমভি ইগল লঞ্চে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন সোহাগ। সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে লঞ্চটি ধূলিয়া ঘাটে পৌঁছায়। ওই সময় সোহাগের প্রতিবেশী মো. লোকমান খানের (৩০) নেতৃত্বে ছয়-সাতজনের একটি দল স্পিডবোটে করে সেই ঘাটে আসে। তাঁরা লঞ্চে উঠে সোহাগকে জোর করে স্পিডবোটে তুলে নিয়ে যান।

স্বজনেরা আরও বলেন, গত বুধবার রাতে লোকমান খানের দুটি ও আলী আহম্মেদ খানের চারটি গরু চুরি হয়। ওই ছয়টি গরু চুরির সন্দেহে তাঁরা সোহাগকে ধরে নিয়ে যান। তাঁরা প্রথমে সোহাগকে চর রায়সাহেব এলাকায় নদীর পাড়ে নিয়ে মারধর করেন। পরে মোটরসাইকেলে করে একটি মাছের ঘেরের কাছে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন করেন। এরপর আকবর আলীর ঘরে নিয়ে আটকে আবার নির্যাতন করা হয়। সেখান থেকে রোববার বেলা ১১টার দিকে চরওয়াডেল খানকা এলাকায় নিয়ে মারধর করা হয়। গরু চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য সোহাগের হাত ও পায়ের আঙুলে সুই ফোটানো হয়। পরে স্থানীয় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বিষয়টি জানেন। তাঁর হস্তক্ষেপে সোহাগকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক বলেন, গরু চুরির অভিযোগে ওই যুবককে মারধর করা হয়েছে। যেহেতু চুরির কোনো প্রমাণ নেই, তাই তাঁকে (সোহাগ) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন তিনি।

সোহাগের বাবা ওমর মুন্সি বলেন, তাঁর ছেলে যদি অপরাধী হন, তাহলে পুলিশের হাতে না দিয়ে আটকে রেখে নির্যাতন করা কোন আইনে আছে? তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য লোকমানের মুঠোফোনে কল করলে বন্ধ পাওয়া যায়। তাঁর বড় ভাই মো. ফোরকান বলেন, গরু চুরির বিচারের খবর পেয়ে সোহাগ পালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ কারণে তাঁকে ধরে আনার পর কয়েকটি চড়থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে। নির্যাতনের অভিযোগ সত্য নয়। তবে সোহাগকে আটকে রাখা হয়।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শোনিত কুমার গায়েন বলেন, এ বিষয়ে তাঁকে কেউ জানাননি। তবে কাউকে চুরির অভিযোগে আটক করে মারধর করার সুযোগ নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




বরিশালে মিলিছে রোদের দেখা, জনমনে স্বস্তি

বরিশাল অফিস :: দক্ষিণাঞ্চলে গত তিন-চার দিন ধরে হিমেল হাওয়া,প্রচন্ড শীত ও কুয়াশা অব্যাহত থাকার পড়ে আজ সোমবার (১৫ জানুয়ারী) মেঘলা আকাশে কিছুটা রোদের দেখা মিলেছে। তবে সে রোদের তাপমাত্রা বেশি নয়। শীতের হিমেল হাওয়া অব্যাহত রয়েছে এখনো।

তারপরও বরিশালের জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিতে শুরু করেছে সকালে থেকে বরিশালে বিভিন্ন সড়কে আগের কয়েকদিনের চেয়ে লোকজনের ও গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি দেখা গেছে। এতে করে সাধারণ নিম্ন আয়ের মানুষের তাদের মাঝে এক ধরণের চাঞ্চল্যতা দেখা গেছে কাজের সন্ধানে বের হচ্ছে তারা, খুলতে শুরু হয়েছে বিভিন্ন অফিসও দোকান।

বরিশাল আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক মাসুদ রানা রুবেল জানান, বরিশালের আকাশ মেঘলা হলেও সকাল থেকে কিছুটা রোদের দেখা মিলেছে ও উত্তর দিক থেকে ধেয়ে আসা হিমেল হাওয়ায় এখনো শীত অনুভূত হচ্ছে। মাঝে-মধ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

এ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সোমবার ভোরে থেকে তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে সকাল ৯ টার রোদের দেখা মেলে। তাই তাপমাত্রা বেড়ে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়। কিন্তু সূর্য ডোবার সাথে সাথে আবারো শীতের প্রকোপ বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।




বাউফলে মৃত্যুর ১২ বছর পর জীবিত দেখিয়ে আবেদন!

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): যশোদা দেবনাথ নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন প্রায় ১২ বছর আগে। অথচ তাকে জীবিত দেখিয়ে পল্লী বিদ্যুতের মিটার পরিবর্তনের আবেদন করা হয়েছে। আবেদন যাছাই বাছাই না করেই কর্তৃপক্ষ তার নামে নেওয়া মিটারটি পরিবর্তন করে শান্তি রঞ্জন দেবনাথ নামের অন্য এক ব্যক্তির নামে দিয়েছেন। শান্তি রঞ্জন দেবনাথ মৃত যশোদা দেবনাথের বাসার ভাড়াটে।

অভিযোগ রয়েছে, যশোদার বাড়িটি দখলে নেওয়ার জন্যই অবৈধভাবে ভাড়াটে শান্তি রঞ্জন তার নামে ওই মিটার সংযোগ নিয়েছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের আওতাধীন বাউফল আদর্শ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সড়ক এলাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে ভূক্তভোগী পরিপারের পক্ষ থেকে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলেও রহস্যজনক কারণে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

জানা গেছে, বাউফল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সড়ক এলাকায় যশোদা দেবনাথের পাকা টিনসেড ঘর রয়েছে। প্রায় ৪০ বছর পূর্ব থেকে ওই ঘরে তাঁর নামে বিদ্যুতের মিটার (হিসাব নম্বর-২৪৫/১৪২০) ছিল। তিনি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারিতে মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে ওই ঘর ভাড়া দিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা পাশের দশমিনা উপজেলার গোপালদি গ্রামে থাকেন। সেই সুযোগে শান্তি রঞ্জন দেবনাথ নামে তাঁর এক আত্মীয় মৃত যশোদা দেবনাথকে জীবিত দেখিয়ে তাঁর নামের মিটারটি হস্তান্তরের জন্য পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কাছে আবেদন করেন এবং একই স্থানে ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর শান্তি রঞ্জন দেবনাথের নামে একটি নতুন মিটারের (যার হিসেব নম্বর ২৪৫/১৪৪৫) সংযোগ দেন এবং ওই ঘরটি তিনি দখল করে নেন।

যশোদা দেবনাথের ছেলে কানাই চন্দ্র দেবনাথ অভিযোগ করেছেন, পৌরসভার হোল্ডিং ট্যাক্স ও বিদ্যুৎ বিল নিয়মিত পরিশোধ করে আসছেন। কোনো বকেয়া নাই। এরপরেও তাঁর মৃত বাবাকে প্রায় ১২ বছর পর জীবিত দেখিয়ে তাঁর (যশোদা) নামে আবেদন করে মিটার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং একই স্থানে অন্য নামে নতুন মিটারের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানার পর পুনঃসংযোগ দেওয়ার জন্য পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) বরাবরে আবেদন করেন। এক বছর পর্যন্ত দেই, দিচ্ছি বলে ঘুরাতে থাকে পল্লী বিদ্যুত কর্তৃপক্ষ। নিরুপায় হয়ে তিনি পল্লী বিদ্যুতের প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

শান্তি রঞ্জন দেবনাথ বলেন, মৃত ব্যক্তির নামে কে বা কারা আবেদন করেছেন তা তিনি জানেন না।’ তবে তিনি যে তাঁর নামে মিটার নিয়েছেন, তা তাঁর ঘরেই স্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন।

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বাউফল জোনাল অফিসের উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছেন।’




বরিশালে শীতে কাঁপছে এতিমখানার শিশুরা

বরিশাল অফিস :: বরিশালে শীতে কাঁপছে মাদ্রাসার এতিম শিশুরা। বিশেষ করে কম্বল কিংবা গরম কাপড়ের অভাবে নগরীর পলাশপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৭ নম্বর সড়কের গুচ্ছগ্রামের মধ্য কালবার্ড সংলগ্ন রহমানিয়া কিরাতুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগে পড়েছে। গায়ের কাপড় ও একটি পাতলা খাতা চলমান সর্বনিম্ন তাপমাত্রার এই শীত সামলাতে পারে না শিশুরা।

অন্যদিকে একটি এতিমখানায় যে পরিমাণ এতিমসহ শিক্ষার্থী থাকে, সেই পরিমাণ কম্বল কেনা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসা কতৃপক্ষ। বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র উচ্চ পর্যবেক্ষক মাজহারুল ইসলাম জানান, রোববার সকাল ৯টায় বরিশালে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন ১০.৫ ডিগ্রি সেলিসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

একই সঙ্গে সকালে ২ নটিক্যাল মাইল বেগে বাতাস বয়ে গেছে। দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি বরিশালে। এতে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভ‚ত হয়েছে। এর আগে শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তিনি আরো বলেন শীতের এ তীব্রতা আরো ৪/৫ দিন থাকার সম্ভবনা রয়েছে তবে মাঝে মধ্যে এর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে তারপরে শীতের তীব্রতা থাকার পর এ অঞ্চলে বজ্র বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। কনকনে এই শীতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠির ভোগান্তি দেখা দিয়েছে মারাত্মকভাবে।

বিশেষ করে মাদ্রাসার এতিম শিশুরা চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নগরীর পলাশপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৭ নম্বর সড়কের গুচ্ছগ্রামের মধ্য কালবার্ড সংলগ্ন রহমানিয়া কিরাতুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এতিমসহ শতাধিক শিশু আবাসিকে থেকে পড়ালেখা করছে।

সেখানে মাত্র ১০টি কম্বল রয়েছে বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসা কতৃপক্ষ। মাদ্রাসা কতৃপক্ষ আরো বলেন, বর্তমানের মাদ্রাসার ছাত্র বেশি থাকায় তাদের তিন বেলা খাবার যোগার করতে খুব সমস্যা হয়ে দারিয়েছে। তার মধ্যে দেখা দিয়েছে শীতের তীব্রতা।

এখন এই শীতে ছোট ছোট এতিম শিশুদের নিয়ে কি করবো তা বুঝতে পারছিনা। কোন ব্যাক্তি যদি এই এতিম শিশুদের দিকে তাকিয়ে কিছু কম্বল অথবা শিশুদের পোষাক দিতেন তাহলে এই এতিম শিশুরা শীতের হাত থেকে একটু রক্ষা পেতেন। এই মাদ্রাসায় এতিমরা কম্বল ও গরম কাপড়ের কারণে প্রচন্ড শীতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে খাদ্য ও অর্থের সংকট রয়েছে। তাই বিত্তবান কিংবা প্রশাসন থেকে এতিম শিশুদের রক্ষায় গরম কাপড় নিয়ে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানিয়েছেন ওই মাদ্রাসা কতৃপক্ষ। অন্য দিকে মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইর কাজ শেষ হলেও এখনও বাকি রয়েছে ৪র্থ তলার নির্মাণসহ ভবনের বাকি কাজ।




বরিশালের স্কুলগুলোতে এখনও পৌঁছায়নি ৭ লাখ বই

বরিশাল অফিস :: বরিশাল জেলার স্কুলগুলোতে এখনও পৌঁছায়নি প্রায় ৭ লাখ নতুন বই। শিক্ষা বিভাগ থেকে দ্রুতই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হলেও তা আসেনি শিক্ষার্থীদের কাছে। সপ্তম,অষ্টম ও নবম শ্রেণির মোট ১১টি বই এখন পর্যন্ত পায়নি শিক্ষার্থীরা।

এদিকে সারা দেশের ন্যায় গত ১ জানুয়ারি বরিশালেও উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়। এর পর থেকেই শুরু হয় নতুন কারিকুলামে পাঠদান পদ্ধতি। তবে মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের ষষ্ঠ শ্রেণির সব বই বিতরণ সম্পন্ন হলেও সপ্তম শ্রেণির দুটি, অষ্টম শ্রেণির তিনটি ও নবম শ্রেণির ছয়টি বই এখনো পায়নি শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, নতুন বছরে বই পেলেও এখনও দুই-একটি বই পাইনি। এতে নতুন শিক্ষা কারিকুলামের মূল্যায়নে আমরা পিছিয়ে পড়ব। শুরুতে এসব বই হাতে পেলে আমরা উপকৃত হতাম।

বরিশাল জেলার ৪৬৯ মাধ্যমিক বিদ্যালয়,২৩৮টি দাখিল মাদ্রাসাসহ বেশ কিছু মাদ্রাসায় এ বছর বইয়ের চাহিদা ৩৭ লাখ ৯০ হাজার কপি। কিন্তু বই মিলেছে ৩১ লাখ ৯ হাজার কপি। এত বড় সংখ্যার বই সংকটে বিড়ম্বনায় শিক্ষকরাও।

হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম ফখরুজ্জামান বলেন, শিক্ষা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। দ্রুত এসব বই পৌঁছে যাবে। সব বই না পাওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বার বার শিক্ষকদের কাছে জানতে চাইছে। এতে কিছুটা বিড়ম্বনা হচ্ছে।

বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গির হোসাইন বলেন, অল্প কিছু বই এখনও আসেনি সেগুলো দ্রুত এসে পড়বে। আশা করি আগামী সপ্তাহের মধ্যেই বই পৌঁছে যাবে। শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে দ্রুত সংকট সমাধানের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।




ষষ্টবারের মতো এমপি নির্বাচিত রাশেদ খান মেনন

এস এল টি তুহিন, বরিশাল :: ষষ্টবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসন থেকে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে ১৯৯১ সালে তিনি (মেনন) এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এরপর তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ২২ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে ষষ্টবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি স্বতন্ত্র প্রার্থী শেরে বাংলার নাতী এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু পেয়েছেন ৩১ হাজার ৩৯৭ ভোট। তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাশেদ খান মেননের শতভাগ বিজয় নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছেন বরিশাল-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর জোটের ভাগাভাগির কারণে দলের সিদ্ধান্তে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস। শুরু থেকে তিনি (ইউনুস) দিন-রাত সমানতালে রাশেদ খান মেননকে সাথে নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়িয়েছেন। ফলে তার (মেনন) জয় পেতে অনেক সহজ হয়েছে।

বামপন্থী সংশোধনবাদী ধারার রাজনৈতিক নেতা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড রাশেদ খান মেনন ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এরপর ১৯৯১, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের জন্য গঠিত সর্বদলীয় মন্ত্রীসভায় তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপূর্বে ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ও পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পীকার বিচারপতি আবদুল জব্বার খানের ছেলে রাশেদ খান মেনন ১৯৬২ সালে শিক্ষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান সংগঠনে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশেদ খান মেনন অংশগ্রহণ করে বীরত্বের ভূমিকা পালন করেন। পাকিস্তান আমলে বাংলার কথা বলার জন্য তাকে সাত বছর সশ্রম কারাদ- ভোগ করতে হয়েছিল।

 




অস্তিত্ব সংকটে বরিশালের জাহাজ নির্মাণ শিল্প

এস এল টি তুহিন, বরিশাল :: কয়েক বছর আগেও ব্যাপক চাহিদাছিল বরিশালের জাহাজ নির্মাণ শিল্প। দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় প্রভাবক হয়ে উঠছিল এ খাত। কিন্তু বর্তমানে নানা প্রতিবন্ধকতায় শিল্পটি অস্তিত্ব সংকটের মুখে। কাজ না থাকায় সব ডকইয়ার্ডেই ঝুলছে তালা। এর পেছনে দায়ী করা হচ্ছে নৌ-রুটে যাত্রী সংকটকে। পাশাপাশি অনিশ্চিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও খাতসংশ্লিষ্টদের বিপদে ফেলেছে।

এ খাতের সঙ্গে জড়িতরা জানান, সম্পূর্ণ বেসরকারি অর্থায়নে বরিশালে গড়ে ওঠা জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিনিয়োগ ৩০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। প্রতি বছর অন্তত পাঁচ-ছয়টি জাহাজ নির্মাণ করা হতো এখানকার প্রত্যেকটি ডকইয়ার্ডে। কিন্তু এখন নির্মাণ শূন্যের কোটায় নেমে গেছে। এমনকি মেরামতের কাজেও ব্যবহার হচ্ছে না ডকইয়ার্ডগুলো।

জাহাজ ও লঞ্চ মালিকরা বলছেন, পদ্মা সেতু চালুর পর এ অঞ্চলে নৌপথে যাত্রী সংকট তীব্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে প্রতি মাসেই বড় ধরনের লোকসান গুনতে হচ্ছে। এমন বাস্তবতায় জেলায় জাহাজ নির্মাণে বিনিয়োগে আগ্রহ হারাচ্ছেন উদ্যোক্তারা।

সুরভী শিপিং লাইনসের পরিচালক রেজিন-উল কবির চন্দ্রদীপ নিউজকে বলেন, ‘বরিশালে এ ব্যবসার গোড়াপত্তন ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। তখন বরিশালে দক্ষ কারিগর পাওয়া যেত না। ঢাকা থেকে শ্রমিক এনে বরিশালে জাহাজ নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছিল। তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করে বরিশালের শ্রমিক ও কারিগররা এখন অনেক দক্ষ হয়েছেন। ফলে বাইরে থেকে আর শ্রমিক আনতে হয় না। দেশের যেকোনো স্থানের চেয়ে বরিশালে মজুরিও কম। এ কারণেই বরিশালে জাহাজ নির্মাণ করলে ৩০ শতাংশ ব্যয় সাশ্রয় হতো। কিন্তু বর্তমানে জ্বালানি তেল এবং এমএস প্লেটের মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি নৌরুটে চরম যাত্রী সংকট এ শিল্পের জন্য অশনিসংকেত বয়ে এনেছে।’ তার মালিকানাধীন ক্রিসেন্ট নেভিগেশন কোম্পানি এক বছর আগেই ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

১৯৬৪ সালে বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের নয়ানী এলাকায় সাহেবের হাট খালের পাশে ছোট পরিসরে একটি ডকইয়ার্ড তৈরি করেন এখানকার লঞ্চ ব্যবসায়ী ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান প্রয়াত গোলাম মাওলা। সেখানে চারটি কাঠের লঞ্চ নির্মাণের মধ্য দিয়ে নৌযান নির্মাণের যাত্রা শুরু। এরপর গত এক দশকে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে প্রায় ১০-১২টি ডকইয়ার্ড। এগুলোয় নির্মাণ করা হয় ছোট-বড় লঞ্চ, যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী জাহাজ। তবে এখন ডকইয়ার্ডগুলো নতুন করে কোনো নৌযান তৈরি হচ্ছে না। এর সঙ্গে জড়িত শ্রমিকদের বেশির ভাগই বেকার হয়ে পড়েছেন।

সুন্দরবন নেভিগেশনের স্বত্বাধিকারী সাইদুর রহমান রিন্টু চন্দ্রদীপ নিউজকে বলেন, ‘একটি শিপইয়ার্ডে অনেক শ্রমিক কাজ করে। প্রত্যেকটি চারতলা লঞ্চ ও কোস্টার নির্মাণ করতে এক থেকে দেড় বছরের বেশি সময় লেগে যায়। এ পুরোটা সময়ই শ্রমিক ও প্রকৌশলীদের বেতন-ভাতা বহন করতে হয়। কিন্তু এখন নানা সংকট চলছে। নৌ-রুটে যাত্রী কমেছে আশঙ্কাজনক হারে। তার ওপর সব ধরনের ব্যয় বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমরা ব্যবসা গুটিয়ে বাঁচার পথ খুঁজছি।’

বরিশাল-ঢাকা রুটে চলাচলকারী বেশির ভাগ বিলাসবহুল নৌযানই তৈরি হতো এসব ডকইয়ার্ডে। দেশী-বিদেশী প্রযুক্তির মিশ্রণে স্থানীয় শ্রমিকরাই নির্মাণ করতেন এসব জলযান। এখন বৃহদাকার লঞ্চগুলো মেরামতের জন্যও এ ইয়ার্ডগুলো ব্যবহার হচ্ছে না। লঞ্চ মালিকরা বাইরে থেকে শ্রমিক এনে লঞ্চেই সারছেন মেরামতের কাজ।

এখনো বরিশালের নৌযান নির্মাণ শিল্পে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলো বিনিয়োগে তেমন আগ্রহ দেখায়নি। উচ্চ সুদের হারের সঙ্গে ব্যাংক ঋণ পেতে দীর্ঘ কালক্ষেপণসহ অসামঞ্জস্যপূর্ণ শর্তের বেড়াজালের কথাও জানিয়েছেন এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত উদ্যোক্তারা।




বুর্জ খলিফাকে ছাড়িয়ে যাবে জেদ্দা টাওয়ার

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। বিশ্বের দীর্ঘতম ভবন হিসেবে স্বীকৃত। সব মিলিয়ে উচ্চতা ৮২৮ মিটার। একাধিক রেকর্ড তৈরি করেছে এই ভবন। সারা দুনিয়ায় বিখ্যাত হয়ে আছে এই ভবনটি। ২০০৪ সালে এই বিল্ডিংয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। এরপর ২০১০ সালে এটা খুলে দেয়া হয়।

তবে সেই সুনাম হয়তো আর থাকছে না। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুসারে জানা গেছে, সৌদি আরবে এমন ভবন তৈরি হচ্ছে যে সেটা ছাপিয়ে যেতে পারে বুর্জ খলিফাকেও।

ওই টাওয়ারের নাম জেদ্দা টাওয়ার। তার আরেক নামও রয়েছে কিংডম টাওয়ার। এই টাওয়ারটির উচ্চতা ১ কিমি ৩২৮১ ফুট। জেদ্দা ইকোনমিক কোম্পানি বিল্ডিংয়ে একদিকে যেমন বিলাসবহুল আবাসিক ভবন রয়েছে, অফিস স্পেস রয়েছে সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট, তেমনি রয়েছে নানা সুযোগ-সংবলিত একাধিক অংশ।

এমনকি এটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু অবসার্ভেটরি বলে গণ্য করা হচ্ছে। তবে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অবজার্ভেটরি রয়েছে সেটা কতটা উচ্চতায় সেটাও অবশ্য মাথায় রাখা হচ্ছে।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস