বরিশালের পাগলিটা মা হবে, বাবার অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যাচ্ছে না

বরিশাল অফিস :: বরিশালের গৌরনদীতে মানসিক ভারসাম্যহীন সন্তান সম্ভাবা এক নারীকে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। হাসপাতালের ডেলিভারি ওয়ার্ডে সন্তান প্রসবের জন্য ওই নারীকে পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন অফিসার মো. বিপুল হোসেন জানান, বুধবার দুপুরে উপজেলার বাটাজোর-শৌলকর রাস্তায় মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীর প্রসব বেদনা শুরু হয়। এসময় তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. আবু আবদুল্লাহ খান জানান, বিষয়টি নজরে আসার পর তাৎক্ষনিকভাবে ওই নারীর নিরাপদ সন্তান প্রসবের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মনিরুজ্জামান জানান, সন্তান প্রসবের জন্য মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ডেলিভারি ওয়ার্ডে নার্সদের পর্যবেক্ষনে রয়েছে।

 




পটুয়াখালীতে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে চালের দাম

বরিশাল অফিস ::  পটুয়াখালীতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন। চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সরেজমিনে উপজেলা শহরের খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কেজি মোটা চাল ৫৭ টাকা, পাইজাম ৫৩ টাকা, স্বর্ণা ৪৮ টাকা, মিনিকেট ৭০ টাকা ও ২৮-বালাম ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তারা দাবি করেন, খুচরা ব্যবসায়ীরা না, চালের দাম বাড়িয়েছেন মিলাররা।

পটুয়াখালী নিউমার্কেট এলাকায় চাল কিনতে আসা মাসুদ মিয়া বলেন, গত সপ্তাহে মিনিকেট চাল কিনেছি ৬৫ টাকা কেজি দরে। এই সপ্তাহে ৫ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা কেজিতে কিনতে হয়েছে। এ যেন মগের মুল্লুক হয়ে গেছে।

কলাপাড়ার মাছ বাজার এলাকায় চাল কিনতে আসা মোসলেম মিয়া বলেন, গত সপ্তাহে মোটা চাল কিনেছি ৫২ টাকা কেজি। আজ কিনলাম ৫৭ টাকায়। সরকারের প্রতি আবেদন, চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে যেন কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

খুচরা চাল বিক্রেতা মিলন মিয়া বলেন, আমরা তো দাম বাড়ানোর কেউ না। বেশি দামে কিনতে হয়েছে, তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। মূলত মিলাররা মজুদ করে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় বেশি দামে চাল বিক্রি করছে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা ইতিমধ্যে বাজার মনিটরিং শুরু করেছি। যদি কেউ বেশি দামে চাল বিক্রি করে তার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

 




পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা

বরিশাল অফিস :: পটুয়াখালী জেলার সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত রাঙ্গাবালী উপজেলা। প্রকৃতি যেন সাজিয়ে রেখেছে এর উপকূল। সাগর, নদী, বালুচর, পাখপাখালি ও বন্যপ্রাণী একসাথে দেখতে পাওয়া যায় এখানে। সব মিলে উপভোগ করার মতো একটি স্থান রাঙ্গাবালী।

পর্যটকরা মনে করেন, সংশ্লিষ্টদের যথাযথ উদ্যোগে এই স্থানটি হতে পারে পর্যটনের কেন্দ্রবিন্দু। রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রতিনিধি মো: রফিকুল ইসলামের পাঠানো তথ্যে, নয়া দিগন্ত পত্রিকায় থাকছে আজকের বিশেষ দর্শনীয় স্থান ও রাঙ্গাবালীর কিছু তথ্য।

রাঙ্গাবালীর অবস্থান : পটুয়াখালী জেলার সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল উত্তরে চালিতাবুনিয়া নদী, আগুনমুখা নদী ও চর বিশ্বাস, পশ্চিমে রামনাবাদ চ্যানেল ও কলাপাড়া উপজেলা এবং পূর্বে চরফ্যাসন উপজেলার চর কুকরী-মুকরী এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।

উপজেলার নামকরণ : রাঙ্গাবালী উপজেলার নামকরণের সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি। তবে কথিত আছে যে, সাগরবক্ষে নতুন বালুচর সৃষ্টি হয়। এই বালুচরের বালু ছিল লাল। এই ‘লাল’ শব্দটি আঞ্চলিক ভাষায় রাঙ্গা নামে পরিচিত। এ থেকে রাঙ্গাবালী নামের উৎপত্তি। ইতিহাসবিদদের মতে, ১৭৮৪ সালে কতিপয় রাখাইন জনগোষ্ঠী আরাকান রাজ্য থেকে পালিয়ে এসে এ অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে। তখন থেকে এ অঞ্চলে জনবসতি শুরু হয়। উপজেলার উৎপত্তি : ২০১১ সালের ৭ জুন ন্যাশনাল ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি ফর অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিফর্ম- নিকারের ১০৫তম সভায় রাঙ্গাবালী উপজেলার প্রশাসনিক অনুমোদন হয়। ওই বছরের ১৩ জুন রাঙ্গাবালীকে উপজেলা ঘোষণা দিয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়।

সোনারচর দ্বীপ ও সমুদ্র সৈকত : পটুয়াখালীর সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের কোলে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিয়ে জেগে আছে সোনারচর। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব এবং পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা থেকে ৪০ কিলোমিটার পূর্বে বুড়াগৌরাঙ্গ নদের মোহনায় বঙ্গোপসাগরে সোনারচর দ্বীপটির অবস্থান। সোনারচর পূর্ব-পশ্চিমে চার কিলোমিটার এবং উত্তর-দক্ষিণে আড়াই কিলোমিটার। মোট আয়তন ১০ বর্গকিলোমিটার। গোটা দ্বীপটি যেন সাজানো-গোছানো এক বনভূমি। রয়েছে কেওড়া, সুন্দরী, গড়ান, হেঁতাল, গোলপাতাসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। নিভৃত সোনারচরে শুধু নানান ধরনের বৃক্ষের সমাহারই নয়, রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রাণীও। হরিণ, শিয়াল, মহিষ, বন্য শুয়োর, বানর এ বনের বাসিন্দা। সেই সাথে রয়েছে চার কিলোমিটার সমুদ্রসৈকত। নগরের কর্মচাঞ্চল্য থেকে বহুদূরে এই সৈকতের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য এখনো অনেকের কাছে অজানা। একই স্থানে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়, যা বিশ্বে বিরল। এ অঞ্চলের ম্যানগ্রোভ বন মৌচাষিদের মধু আহরণের অভয়ারণ্য।

চর হেয়ার দ্বীপ ও সমুদ্র সৈকত : সোনারচর সংলগ্ন মাত্র দুই কিলোমিটার পশ্চিমে রয়েছে চর হেয়ার সমুদ্র সৈকত ও সংরক্ষিত বনাঞ্চল। প্রায় চার দশমিক ছয় বর্গকিলোমিটারের দ্বীপের তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এ সমুদ্র সৈকত একেবারেই দক্ষিণের বঙ্গোপসাগরমুখী। ছোট বড় অসংখ্য লাল কাঁকড়ার অভয়ারণ্যের এই দ্বীপের অন্যতম বিশেষ দিক হলো একই স্থানে দাঁড়িয়ে সুর্যাস্ত ও সুর্যোদয় দেখা যায়।

জাহাজমারা সমুদ্র সৈকত : উপজেলা সদর থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে জাহাজমারা সৈকত। রাস্তার দুই পাশে সারি সারি সবুজ বন। জাহাজমারা সৈকতে সারি সারি ঝাউবন আর পাখ-পাখালির কলরবে মুখরিত পরিবেশ। চিকচিকে বালুতে লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি আর সাদা ঝিনুকের সমারোহ। দেখা মিলবে পাতি তিসাবাজ, সাদা কলার্ড মাছরাঙা, পানকৌড়ি, সাদা বক, খেকশিয়ালসহ নানা ধরনের পাখ-পাখালি আর বন্যপ্রাণী।

চর তুফানিয়া : জাহাজ মারা সমুদ্র সৈকতের সামান্য দক্ষিণেই রয়েছে চর তুফানিয়া দ্বীপ। চার দিকে নদী ও সাগর আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা সবুজ বনাঞ্চলে সৃষ্ট এই দ্বীপ। প্রায় চার কিলোমিটার সমুদ্রতট ঘিরে রয়েছে বিশাল ঝাউবাগান। সেখানেও প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকত। দেখা মিলবে পাতি তিসাবাজ, সাদা কলার্ড, মাছরাঙা, পানকৌড়ি, সাদা বক, খেকশিয়ালসহ নানা ধরনের পাখপাখালি আর বন্যপ্রাণী। সাগর ও নদীর তীরে অবস্থিত সহজ সরল মানুষের বসবাস। যারা বেশ অতিথিপরায়ন। রাঙ্গাবালী সদরে স্বল্প খরচে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

যাতায়াত ব্যবস্থা : ঢাকা থেকে রাঙ্গাবালী আসার জন্য দোতলা লঞ্চ আছে। যা প্রতিদিন ঢাকার সদরঘাট থেকে ছাড়বে সন্ধ্যা পৌনে ৭টায়। আর আছে সরাসরি গাড়ি, যা গলাচিপার হরিদেবপুর পর্যন্ত আসে। তারপরে লঞ্চে করে রাঙ্গাবালী আসতে হবে অথবা আসা যাবে মোটরসাইকেলেও। সরাসরি গাড়িতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বা সড়ক পথ না থাকায় রাঙ্গাবালী উপজেলা কিছুটা পিছিয়ে আছে। তবে নৌপথে যাতায়াতের ব্যবস্থা আছে।




পটুয়াখালীতে ট্রাক জব্দ, উদ্ধার ৬ গরু হস্তান্তর

বরিশাল অফিস :: পটুয়াখালীর দুমকীতে ট্রাকসহ ৬টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছেন থানা পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার চরগরবদী ফেরিঘাট থেকে ৬টি গরুবোঝাই ট্রাক আটক করা হয়। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) গরুসহ ট্রাকটিকে পটুয়াখালী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় এলাকার পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় পুলিশের অভিযান চলাকালীন একটি গরুবোঝাই ট্রাককে পুলিশের সন্দেহ হলে থামাতে বলেন। পুলিশ দেখে দ্রুত ট্রাক নিয়ে উল্টো পথে পালানোর চেষ্টা করেন চালক।এক পর্যায়ে পগলার মোড় হয়ে ট্রাকটি দুমকী বাউফল মহাসড়কে ঢুকে যান। পুলিশ ট্রাকটিকে ধাওয়া করলে পথিমধ্যে চরগরবদী ফেরীঘাট এলাকায় গরুসহ ট্রাক ফেলে রেখে চালক ও চোর চক্র পালিয়ে যান। পরে পুলিশ ট্রাকসহ ৬টি চোরাই গরু উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, ট্রাকটি মূলত পটুয়াখালীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। পুলিশ দেখে দুমকীর রাস্তায় ট্রাক গরু ফেলে রেখে চালকসহ চোর চক্র পালিয়ে যান। গরুসহ ট্রাকটিকে পটুয়াখালী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




পটুয়াখালীতে স্ত্রীর স্বীকৃতি চেয়ে বিষের বোতল হাতে তরুণীর অনশন

বরিশাল অফিস :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে বিষের বোতল হাতে নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন কলেজ পড়ুয়া এক তরুণী।

মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের মহল্লাপাড়া গ্রামের ২ নম্বর আবাসনে প্রেমিক রাব্বির বাসার সামনে অবস্থান নেন তিনি। বিষয়টি জানাজানি হলে রাব্বির বাড়ির সামনে ভীড় জমায় উৎসুক জনতা। তরুণী কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গামরবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

অনশনকারী তরুণী জানান, তিনি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রায় তিন বছর আগে তার সঙ্গে একই কলেজের অনার্স পড়ুয়া লালুয়া ইউনিয়নের মহল্লাপাড়া গ্রামের রাব্বির সঙ্গে কলাপাড়া পরিচয় হয়। পরে মোবাইল ফোনে প্রেম বিনিময় ঘটে। প্রেম গভীর হলে তারা দুজনেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন এবং গোপনে বিয়ে করে একসঙ্গে বসবাস করতে থাকেন।

এমনকি পটুয়াখালী শান্তিবাগ এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে ৯ মাস একসঙ্গে থাকেন তারা। কিন্তু বিয়ের বিষয়টি রাব্বির পরিবার জানলেও কোনো কিছু না বলেই ভাড়া বাসা ছেড়ে রাব্বি লাপাত্তা হয়ে যায়।

ওই তরুণী বলেন, রাব্বী আমাকে কোনো দিনই তার বাড়িতে নিয়ে যায়নি। আমিও অনেক যোগাযোগের চেষ্টা করে রাব্বিকে না পেয়ে ব্যর্থ হয়ে যাই। কয়েকদিন পর ফের রাব্বি আমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে। পরে গত ২১ ডিসেম্বর কুয়াকাটার একটি হোটেলে কাজী ডেকে নিয়ে সেখানে আবারও কাবিন হয় আমাদের। শেষে কোনো উপায় না পেয়ে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে বিষের বোতল হাতে অনেশন শুরু করি। মঙ্গলবার সকালে রাব্বির বাড়িতে যাওয়ার পর রাব্বির মা তাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই তরুণী।

এ ঘটনায় ওই বাড়িতে গিয়ে রাব্বিকে খুজে পাওয়া না গেলেও তার বাবা শাহিন প্যাদা বলেন, আমার ছেলেকে কয়েকজন ব্যক্তি ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে কুয়াকাটায় নিয়ে বিয়ে করেছে ওই খারাপ মেয়েটা। আমরা মামলা করেছি। এছাড়া ওই মেয়ের বেশকিছু আপত্তিকর ভিডিও রয়েছে আমার কাছে। আমার ছেলে ওই মেয়ের সঙ্গে কোনোদিনই ভাড়া বাসা নিয়ে থাকেনি। সব মিথ্যা এবং বানোয়াট।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমেই জানলাম। খোঁজ খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের ১০ বছর পূর্তি উৎসব উদযাপিত

বরিশাল অফিস :: নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের ১০ বছর পূর্তি উৎসব উদযাপিত হয়েছে।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গনে পতাকা উত্তোলন ও কেক কাটা দিনটির শুভ সূচনা করা হয়। পরে কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে  বর্নাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে র‌্যালীটি একই স্থানে এসে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার মনিরুজ্জামান শাহীন, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক  দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা,বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন  (বিএমএ) পটুয়াখালী জেলার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র ডাঃ শফিকুল ইসলাম, ডাক্তার ওয়াহিদুজ্জামান শামীমসহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করেন।




বরিশালে গাঁজাসহ আটক ১

বরিশাল অফিস :: বরিশাল নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি গাঁজাসহ মোনতাজ উদ্দিন মোশারফ (৪৭) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর। মঙ্গলবার রাতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটক মোশারফ কুমিল্লা জেলার দাউকান্দি থানার কলাসোনা গ্রামের বাসিন্দা।

বরিশাল মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এনায়েত হোসেন জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি গাঁজা সহ মোশারফকে আটক করে তাদের একটি বিশেষ দল।

এ ঘটনায় কোতয়ালী থানায় দায়ের হওয়া মামলায় মোশারফকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।




বরিশালে বিপুল পরিমানে কারেন্ট জাল ও মাছ সহ আটক

বরিশালে অঞ্চলের নৌপুলিশের “বিশেষ কম্বিং অপারেশন ২০২৪” উপলক্ষে পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমানে কারেন্ট জাল ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সহ ২১ জনকে আটক করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল অঞ্চলের নৌপুলিশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির।

গত মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বরিশালের কীর্তনখোলা ,কালা বদর,আড়িয়াল খাঁ,মেঘনা ও তেতুলিয়া সহ বিভিন্ন নদীত অভিযান পরিচালনা হয়।

এসময় বরিশাল অঞ্চলে নৌ-পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট পৃথক অভিযান চালিয়ে নদীতে পাতানো অবস্থায় ১২ লক্ষ ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ১২৬০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সহ ২১ জনকে আটক করা হয়েছে।এছাড়া ২টি মোবাইল কোর্ট ও ১টি নৌযান আটক করা হয় বলে জানাযায়।

বরিশাল অঞ্চলের পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিন এর নির্দেশনায় নৌ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।

বরিশাল অঞ্চলের নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিন জানান, বরিশালের কীর্তনখোলা,কালা বদর, আড়িয়াল খাঁ, মেঘনা ও তেতুলিয়া সহ বিভিন্ন নদীতে নৌপুলিশ পৃথক অভিযান চালায়। এসময় বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল ও মাছ সহ মোট ২১ জনকে আটক করা হয়।এসময় চারটি নিয়মিত মামলা সহ একটি নৌযান আটক এবং দুটি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ইউএনও এবং মৎস্য কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে অবৈধ কারেন্ট জাল গুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি আরো বলেন,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের এই “বিশেষ কম্বিং অপারেশন ২০২৪” অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।




বরিশাল নগরীর সাতটি মরা খালে যৌবন ফেরানোর চেষ্টা

বরিশাল অফিস :: কীর্তনখোলা নদী থেকে বরিশাল নগরীতে প্রবেশ করা ২৪টি খাল দখল ও দুষনে যখন হারিয়ে যেতে বসেছে, ঠিক তখনই সাতটি খালের যৌবণ ফেরাতে খনন কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এবং সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের প্রাণপন প্রচেষ্টায় মরা খালগুলো পুনরায় নতুন করে প্রান ফিরে পাঁচ্ছে। দখল ও দুষনে হারিয়ে যেতে বসা নগরীর মধ্যকার সাতটি খালে পানির প্রবাহ ফেরাতে গত কয়েকদিন থেকে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ফলে নগরীর কোলঘেঁষে বয়ে যাওয়া আমানতগঞ্জ, জেলখাল, রূপাতলী খাল, পলাশপুর খাল, সাগরদী খাল, চাঁদমারী খাল এবং ভাটারখাল দীর্ঘদিন পরে হলেও অস্তিত্ব ফিরে পেতে যাচ্ছে।

একই সাথে ম্যাপ অনুযায়ী উদ্ধার হচ্ছে দখলকৃত খালের পাড়। খনন কাজ শেষ হলে নগরীর প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ বাসিন্দা জলাবদ্ধতা থেকে স্থায়ী মুক্তি লাভ করবে বলে জানিয়েছেন সচেতন নগরবাসী।

সূত্রমতে, পর্যায়ক্রমে নগরীর মধ্যে থাকা ১১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ছোট-বড় খালগুলোকেও সংস্কারের আওতায় আনা হবে বলে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্বাধীনতার পূর্বে বরিশালে ৪৬টি খালের অস্তিত্ব ছিলো। তবে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৪ টিতে। বর্তমানে বড়-ছোট মিলিয়ে টিকে থাকা ২৪টি খাল অস্তিত্ব সংকটে পরেছে। আর হারিয়ে গেছে ২২টি খাল। দখল-দূষণ আর অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে অস্তিত্ব সংকটে পরা মরাখালে পানি প্রবাহ না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।

সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে নগরীর মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ সাতটি প্রধান খালের খনন কাজ শুরু করা হয়েছে। যেকারণে আনন্দে ভাসছে ওইসব এলাকার বাসিন্দারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, নগরীর সাতটি খাল খননে ছয় কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে। এরমধ্যে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকায় পলাশপুর খালের এককিলো সাতশ’ মিটার, এক কোটি নয় লাখ টাকায় আমানতগঞ্জ খালের দুইকিলো ৫০ মিটার, দুই কোটি ৬৭ লাখ টাকায় সাগরদী খালের নয় কিলোমিটার, ২৮ লাখ টাকায় রূপাতলী খালের এক কিলোমিটার, ৩২ লাখ টাকায় চাঁদমারি খালের এককিলো ৪২১ মিটার, চার লাখ টাকায় ভাটার খালের ১৬০ মিটার এবং ২৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকায় জেল খালের দুই কিলোমিটারের খনন কাজ শুরু করা হয়েছে। সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে নগরীর জলাবদ্ধতা ঠেকাতে সাতটি খালের ১৯ কিলোমিটার অংশে পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে খাল খননের কাজ শুরু করা হয়েছে।

নগরীর বাসিন্দা নাজমুল সানি বলেন, বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি কিংবা স্বাভাবিক জোয়ারে খাল উপচে সড়কে হাঁটু পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন থেকে খালগুলো সংস্কারের দাবি উঠলেও বিগত দুইজন সিটি মেয়র জলাবদ্ধতা দূর করতে কোন ধরনের পদক্ষেপই গ্রহণ করেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান মেয়র দায়িত্বগ্রহণের পর পরই স্থানীয় সংসদ সদস্যর হাতে পরিকল্পনা করে খাল খননের কাজ শুরু করেছেন। এসব খাল সঠিকভাবে খনন করা হলে জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে নগরবাসী।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন ওলিদ বলেন, চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে প্রথমধাপের খাল খননের কাজ শেষ করা হবে। এরমাধ্যমে আগামী বৃষ্টি মৌসুমে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মিলবে নগরবাসীর। উল্লেখ্য, নগরীর মধ্যকার সাতটি খাল খননের জন্য ২০২২ সালে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করতে গিয়ে তৎকালিন সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের বাঁধার মুখে পরেন। এখন সেই বাঁধা কেটে গেছে নবনির্বচিত মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত দায়িত্ব গ্রহণ করার পর। তাই নানা বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড সাতটি খালের খনন কাজ শুরু করেছে। জনগুরুত্বপূর্ণ সাতটি খালের খনন কাজ শুরু করায় স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ ফারুক শামীম এবং সিটি মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতকে ধন্যবাদ জানিয়ে নগরীর বাসিন্দা তানভির আহম্মেদ অভি বলেন, জাহিদণ্ডখোকন ভাই বরিশাল নগরীর উন্নয়নে এখন আর কোন বাঁধা নাই।

নগরী এখন ‘ইমার্জেন্সী রোগী’ ॥ বরিশাল নগরীর দায়িত্ব গ্রহণের পর একসাথে সব কাজে হাত দিতে হচ্ছে। একটা বাদ দিয়ে আরেকটা ধরার কোন সুযোগ নেই। বরিশাল এখন ইমার্জেন্সী রোগী। তাই দ্রুত চিকিৎসার জন্য আমি যথাসাধ্য কাজ করছি। কথাগুলো বলেছেন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। সিটি মেয়র বলেন, গত ১০ বছরে চরম অবহেলিত অবস্থায় ছিলো প্রাচ্যের ভেনিস বরিশাল নগরী। নানারোগে নগরীর রন্ধ্রে রন্ধ্রে রোগ বাসা বেঁধেছে। তাই বরিশালকে পুনরায় সুস্থ করে তুলতে হবে। যেকারণে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ হাতে নেওয়া হয়েছে।

মেয়র আরও বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা দূর করতে ইতোমধ্যে সাতটি খালের খনন কাজ শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি খালে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করা হচ্ছে। খালের দুইপাড়ে সৌন্দর্য্য বর্ধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অতিসম্প্রতি সাগরদী খালের দুইপাড়ের এক কিলোমিটারের অধিক ওয়াক ওয়ে ও সাইকেলিং ওয়ে নির্মাণ কাজের উদ্বোধণ করা হয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর থাকবে সাধারণ মানুষের বিশ্রামের বেঞ্চ।

আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মানুষ যেন খালের তীরে বসে অবসর সময় কাটাতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে। মেয়র খোকন সেরনিয়াবাত বলেন, আমি একটি ড্রেন পরিস্কার করতে লোক পাঠিয়েছিলাম। তারা ফেইল করেছে। ড্রেইনটির ম্যানহোল নেই। আর ময়লা জমে ভেতরে পাথরের মতো শক্ত হয়ে গেছে। এখন সেটা ভাঙতেও কষ্ট হচ্ছে। ড্রেনগুলো নিয়মিত মেইনটেন্যান্স না করলে জলাবদ্ধতা তো হবেই। আর বরিশাল নগরীতে সেটাই হয়েছে। খালগুলোকে মশা তৈরির কারখানা বানানো হয়েছে। বিগত ১০ বছরে নগরীতে পরিকল্পিতভাবে কোনো কাজই হয়নি।

বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরিশালের উন্নয়নে ব্যাপক আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন প্রাচ্যের ভেনিসের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে। তাই সিটি মেয়রসহ নগরবীদদের পরামর্শ নিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী বরিশাল নগরীকে বসবাসের উপযোগী শহরে রূপান্তরের পাশাপাশি প্রাচ্যের ভেনিসের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা হবে।




বরগুনা চেম্বার অব কমার্সের শীতবস্ত্র বিতরণ

বরিশাল অফিস :: বরগুনা চেম্বার অফ কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজ এর পক্ষ থেকে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও গরিব, অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে বালিকা বিদ্যালয় সড়কে ৫ শতাধিক শীতার্তদের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। বরগুনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ জাহাঙ্গীর কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহা: রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সারা দেশে শৈত্য প্রবাহের কারণে শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। সেই মুহূর্তে শীতার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বরগুনা চেম্বার অফ কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজ।শীতবস্ত্র পেয়ে আনন্দিত এ সকল মানুষ।