ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত পটুয়াখালীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ

 প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী পৌরসভা নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ১৫ হাজার মুসুল্লির ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায়ের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। প্যান্ডেল নির্মাণ ও সাজসজ্জাসহ ইতিমধ্যে প্রায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পৌরসভা। মেয়র ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা দফায় দফায় সকল কাজ তদারকি করছেন।

পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ জানান, ঈদের দিন বৈরি আবহাওয়া থাকলেও মুসুল্লিরা যাতে নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন সেজন্য ঈদগাহের প্যান্ডেলের উপরে এবং চারপাশে ত্রিপল দেয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত আলো, বাতাসের ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে। মুসুল্লিদের নিরাপত্তায় ঈদগাহের ভিতরে ও বাইরে বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমে ভিজিএফ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। এবারে ঈদগাহে যাতে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন সেজন্য ঈদগাহের বাইরেও প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। মানুষ যাতে ঈদের দিনে যানজট মুক্ত ভাবে চলাচল করতে পারে সেজন্য বিভিন্ন রাস্তাকে ওয়ান ওয়ে করে দেয়া হচ্ছে। আনন্দ বিনোদনের জন্য বিভিন্ন ব্যাবস্থা গ্রহণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। সর্বপরি পটুয়াখালী পৌর শহরের মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারবে।

এদিকে শহরের চরপাড়ায় জেলা প্রশাসক ঈদগাহ এবং মির্জাগঞ্জ ইয়ার উদ্দিন খলিফার মাজার সংলগ্ন ঈদগাহে আরো দুটি বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জেলার বিভিন্ন ঈদগাহে ৫১১টি এবং বিভিন্ন মসজিদে ১৭৪১টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।




বিএনপির নিবন্ধন বাতিল চায় দেশের জনগণ: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বিএনপি এখন আর প্যালেষ্টাইনের পক্ষে নেই। জঙ্গি বিএনপি, জামায়াত মুসলমানদের পক্ষে কথা বলছেনা। একমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার প্যালেষ্টাইনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মুসলমানদের পক্ষে কথা বলছে। তাই দেশের জনগণ স্বাধীনতা বিরোধী দল বিএনপির নিবন্ধন বাতিল চায় বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মো. মহিববুর রহমান এমপি।

আজ মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) বেলা ১১টায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে মহিপুর, লতাচাপলী, ডালবুগঞ্জ, ধূলাসার ও কুয়াকাটা পৌরসভার সহস্রাধিক দুস্থ মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ঈদ উপহার বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ।

আরো বলুন : পটুয়াখালীতে পচা নাড়ার ঘরে বসবাস বৃদ্ধা আয়েশা বিবির

মহিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আ: মালেক আকনের সভাপতিত্বে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম, কুয়াকাটার পৌর মেয়র আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, মহিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদ নুরুল ইসলাম হাওলাদার, সহ-সভাপতি ডাক্তার খলিলুর রহমান, কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অনন্ত মূখার্জী, মহিপুর থানা যুবলীগের আহ্বায়ক এএম মিজানুর রহমান বুলেট।

বিতরণকৃত ঈদ উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি, ১০০ গ্রাম মরিচের গুঁড়া, ২০০ গ্রাম হলুদের গুঁড়া, ১০০ গ্রাম ধনে গুঁড়া এবং ১ লিটার সয়াবিন তেল।




পটুয়াখালীতে পচা নাড়ার ঘরে বসবাস বৃদ্ধা আয়েশা বিবির

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পচনধরা নাড়া উপরে পলিথিনি মোড়ানো দোচালা কাচা ঘর। ঘরটির সামনের অংশে কোনো রকম কাঠের বেড়া থাকলেও পেছন অংশে সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে সাঁটানো। বৃষ্টি কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেলেই ঘরটি ভেঙে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ঘরেই বসবাস করছেন বৃদ্ধা আয়শাবিবি (৭০)।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের হরিদ্রাখালী গ্রামের বাসিন্দা তিনি। আয়েশা বিবির সংসারের কর্তা মারা গেছেন প্রায় ২০ বছর হয়ে গেল। এরপর থেকেই শুরু হয় সংসারে টানাপোড়ন। দুই মেয়ে আর এক ছেলে থাকলেও কেউ খোঁজ নেন না। পাশের বাড়িতে গৃহস্থলি কাজে সহায়তা করে ডাল-ভাত খেয়ে কোনো রকম জীবন যাপন করছেন তিনি। এত টানাপোড়নের পড়েও নিরুপায় হয়ে একটি ঘরের জন্য ঘুরেছেন জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে। সবাই শুনেছেন জীবনের করুণ চিত্র। কিন্তু দু’হাত ভরে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়নি কেউ। অথচ এ উপজেলায় সরকারের দেয়া বিনামূল্যের ঘর পেয়েছেন প্রায় দুই হাজার অসচ্ছ্বল মানুষ। সে সময়েও বৃদ্ধা আয়েশা নজরে পড়েনি কারো।

আরো পড়ুন : বাউফলে ৭শতাধিক পরিবারের ঈদের আনন্দ কেড়ে নিয়েছে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়

আক্ষেপ নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের জানান, সরকারি ঘরের জন্য টাকা চেয়েছিল। আমি দিতে পারিনি। তাই ভাগ্য অনুকূলে আসেনি।

সরেজমিনে কথা হয় আয়শা বিবির প্রতিবেশীদের সাথে। তারাও একই কথার সাথে সুর মিলিয়ে বললেন, যারা টাকা দিয়েছে তারা সরকারি ঘর পেয়েছে। অথচ বয়স্ক এই মানুষ ঘর, কাপড় ও খাবারের জন্য প্রতিনিয়ত কষ্ট করে থাকে। আমরা প্রতিবেশীরা যখন যা পারি তাকে দিয়ে টেনে রাখি। কিন্তু তিনি লোকলজ্জার ভয়ে অনেক সময় না খেয়েই দিনপার করেন। ছেলে-মেয়ে থাকলেও তারা খোঁজ নেন না। স্বামীর যে ভিটে রয়েছে সেখানে ছাপড়া দিয়েই বসবাস করছে। তার এমন কষ্ট আমাদেরও ব্যথিত করে। বৃদ্ধার পাশে খুঁটি হয়ে সহায়তা নিয়ে কেউ একজন আসুক এমনটি প্রত্যাশা তাদের।

অশ্রুঝরা নয়নে বৃদ্ধা আয়শা বলেন, ‘কেমনে ঘর তুলব বাবা? মানুষের বাড়ি কাজ করে খাই। বৃষ্টি নামলে ঘরে থাকা যায় না। ঘরের আসবাবপত্র অন্যের বাড়িতে রাখছি। অনেক সময় মানুষের বাড়িতে ঘুমাই। ঘরের জন্য নাম নেছে। দুইবার কইরা কাগজপত্র সব জমা দিছি ইউনিয়ন পরিষদে। কিন্তু ঘর পাই নাই। টাকা চায় হেরা।
আমার জন্য একটা ঘর ব্যবস্থা কইরা দিলে ভালো হয়। মরার আগে ভালো একটা ঘরে ঘুমাইতে চাই।

আরো পড়ুন : ঈদের আনন্দ নেই পটুয়াখারীর জেলে পল্লীতে

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, আপাতত ঘর সংস্কারের জন্য টিন ও নগদ টাকা দিবো। এরপরে সরকারি ঘর এলে তাকে দেয়া হবে।




আমাদের ঈদ তাহলে বৃহস্পতিবার?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সৌদিতে আগামীকাল ঈদ। গতকাল দেশটিতে চাঁদ দেখা যায় নি। যার অর্থ, দেশটিতে ঈদুল ফিতর বুধবার হলে বাংলাদেশসহ ভারত ও পাকিস্তানে ঈদ হবে তার পরের দিন বৃহস্পতিবার।

সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ১৩ মিনিটে দেওয়া এক পোস্টে ইনসাইড দ্য হারামাইনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সৌদি আরবের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই আগামী বুধবার ঈদুল ফিতর হবে।’

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা সংস্থা আগেই জানিয়েছিল যে, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত মিসরসহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাবে আগামীকাল ৯ এপ্রিল। সেই হিসেবে ১০ এপ্রিল ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিমরা।

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দুই ঈদের মধ্যে প্রথমটির নাম ঈদুল ফিতর। আরবি চান্দ্র বর্ষপঞ্জির ৯ম মাস রমজানে ১ মাস উপবাস এবং ধর্মীয় আচার পালন শেষে এই ঈদের মধ্যে দিয়ে ফের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রবেশ করেন মুসলিমরা। দশম মাস শাওয়ালের প্রথম চাঁদ উদয়ের পর থেকেই প্রকৃত অর্থে শুরু হয়ে যায় ঈদুল ফিতর উদযাপন।




মুস্তাফিজুরের হাত ধরে জয় পেলো চেন্নাই

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার কাজ করতে আইপিএল ছেড়ে দেশে এসেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। যে কারণে হায়দরাবাদের বিপক্ষে ম্যাচ মিস করেন তিনি। কাজ শেষ করে চেন্নাই ক্যাম্পে যোগ দিয়েই একাদশে জায়গা করে নেন কাটার মাস্টার খ্যাত ফিজ। সোমবার চেন্নাইয়ের ঘরের মাঠ এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে কাটারের কারিশমাও দেখিয়েছেন তিনি।

নিজের ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। তার দল চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩৭ রান তুলেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স

চেন্নাইয়ের হয়ে নিজের প্রথম দুই ওভারে মাত্র ১২ রান দেন মুস্তাফিজ। ১৮তম ওভারে আক্রমণে এসে দেন ৯ রান। দারুণ সব স্লোয়ার-কাটারে বোকা বানান আন্দ্রে রাসেলকে। এরপর শেষ ওভারে আক্রমণে এসে মাত্র ১ রান দিয়ে তিনি তুলে নেন ২ উইকেট। শেষ ওভারে তার দেওয়া স্লোয়ার-কাটারের জবাব ছিল না স্টার্কদের কাছে।

চেন্নাইয়ের হয়ে এ ম্যাচে তুষার দেশপান্ডে ও রবীন্দ্র জাদেজা তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। দুই উইকেট নেওয়ায় আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৯ উইকেট মুস্তাফিজের নামের পাশে। যে কারণে পার্পল ক্যাপ ফিরে পেলেন তিনি।




স্বামীকে বাঁচাতে একাই লড়ছেন ৭০ বছরের বরগুনার পিয়ারা বেগম

বরিশাল অফিস:: এক বছর আগে মিনি স্ট্রোক করা পিয়ারা বেগমের সব থাকতেও যেন কিছুই নেই। বার্ধক্যজনিত নানা রোগে শয্যাশায়ী হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন স্বামী আব্দুল মালেক। তার চিকিৎসার খরচ যোগাতে একাই লড়ছেন ৭০ বছর বয়সী পিয়ারা বেগম।

বরগুনা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের শহীদ স্মৃতি সড়কের বরিয়ালপাড়া এলাকায় বসবাস করেন পিয়ারা বেগম। প্রায় ৩০ বছর আগে তার স্বামী আব্দুল মালেক পৌরসভার ঝাড়ুদার হিসেবে নিযুক্ত হন। স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে সংসারের অতিরিক্ত খরচ বহন করতে রাতে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার পাশাপাশি দিনের বেলায় বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি দেওয়ার কাজও করতেন তিনি। পরবর্তীতে সংসারের হাল ধরতে স্বামীর সঙ্গে পিয়ারা বেগমও যুক্ত হন কাজে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে তিনিও পৌরসভার রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার কাজ কাজ করছেন।

দীর্ঘ বছর কাজ করে মালেক এখন বয়সের ভারে অসুস্থ হয়ে ৬ মাস ধরে শয্যাশায়ী। আগের মতো আর চোখেও দেখেন না তিনি। পিয়ারা বেগমও একবার স্ট্রোক করে বেঁচে ফিরে চলছেন লাঠি ভর দিয়ে। ছেলে-মেয়েরা ব্যস্ত তাদের যে যার সংসার নিয়ে। এক টাকাও খরচ দেন না বাবা-মায়ের সংসারে। স্বামী ও নিজের চিকিৎসা খরচ এবং তিন বেলা খেয়ে-পরে বেঁচে থাকতে বাধ্য হয়ে রাতে ঝাড়ু হাতে লাঠি ভর দিয়ে রাস্তায় নামছেন পিয়ারা। তবে যে টাকা বেতন পান তা দিয়ে একজনের ওষুধ কিনতেই হিমশিম খেতে হয় তাকে। অনেক সময় টাকা না থাকায় ১৫ দিনেও ওষুধ জোটে না তাদের।

সরেজমিনে বরগুনা পৌর শহরের বাজার রোড এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রাস্তায় মানুষের ব্যস্তাতা কমার পরেই লাঠি ভর দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দিতে নেমে পড়েছেন পিয়ারা বেগম। ঠিকমতো চোখে না দেখায় চশমা পড়ে কাজ করছেন তিনি। এছাড়াও একটু কাজ করেই হাঁপিয়েও উঠছেন তিনি। শরীর না চাইলেও তিন বেলা খাবার জোটাতে, নিজের ও স্বামীর চিকিৎসার খরচ যোগাতে কাজ করে যাচ্ছেন পিয়ারা বেগম।

কাজের সুবাদে প্রতিদিন রাতে বাড়ি ফেরা সাইদুল শিকদার নামে এক এনজিও কর্মী বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই পিয়ারা খালাকে রাস্তা ঝাড়ু দিতে দেখি। তার যে অবস্থা তাতে এই বয়সে এখন তার পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব না। তার স্বামী সেও অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছে। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি এ কাজ করেন। অন্য কোনো কাজ করতে না পারায় শুধু ঝাড়ু দিয়ে পৌরসভা থেকে যে টাকা পান তা দিয়ে তাদের চলে না।

পৌরসভার বাজার রোড এলাকার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ী সুকুমার দত্ত বলেন, আমি ছোটবেলা থেকে তার স্বামী ও তাকে রাস্তা ঝাড়ু দিতে দেখি। তার স্বামী অসুস্থ তিনিও অসুস্থ, কেউই এখন ঠিকমতো চোখেও দেখেন না।

পিয়ারা বেগমের তিন ছেলের মধ্যে জাকির এখন বাবার পরিবর্তে যুক্ত হয়েছেন পৌরসভার রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার কাজে। এছাড়াও তিনি দিনের বেলায় শ্রমিকের কাজ করে মাসে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করেন। তার আয়ের এক টাকাও দিচ্ছেন না বৃদ্ধ মা-বাবাকে। ঈদের সময়ে মা-ছেলে দুজনে মিলে যে সব রাস্তা ঝাড়ু দিয়েছেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা খুশি হয়ে যে টাকা বকশিস দিয়েছেন তাও ভাগ করে নিয়েছেন সমান ভাগে। অপরদিকে অন্য দুই ছেলের মধ্যে বাদল কাজ করেন শ্রমিকের, আর জাফর নামে আরেক ছেলে কাজ করেন বালুর জাহাজে। তারাও যে যার সংসার নিয়ে ব্যস্ত।

বৃদ্ধ বাবা-মাকে কোনো খরচ না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ছেলেদের মধ্যে জাকির বলেন, পৌরসভায় কাজ করে যে বেতন পাই তা দিয়ে আমাদেরই খরচ হয় না। ছেলে-মেয়ে তারপরে মা-বাবার জন্য কীভাবে কী করব তা বুঝি না।

অসহায় পিয়ারা বেগম অসহায়ত্বের বর্ণনা দিয়ে বলেন, আমার এই বয়সে রাস্তায় ঝাড়ু দিয়ে খেতে হয়। আমার স্বামীকে কীভাবে খাওয়াব? তার ওষুধ কিনতে পারি না। মানুষের কাছে টাক চাইয়া যা পাই তা দিয়ে ওষুধ কিনে স্বামীকে খাওয়াই আবার আমি নিজেও খাই। কিন্তু সবাই তো আর সব সময় টাকা দেয় না। কেউ ১৫ দিন বা ১ মাস পরে কিছু টাকা দেয় তা দিয়ে কিছুই হয় না। কোনো কোনো দিন খাবার জোটাতে না পেরে না খেয়ে থাকতে হয়। নিয়মিত ওষুধ না খাওয়ায় আমার স্বামী ও আমি দুজনেই এখন আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছি। ছেলে-মেয়েরা যে টাকা আয় করে তা দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে না আমাদেরকে তারা টাকা দেবে কীভাবে। তিন বেলা খাবার জোটাতেই আমার কষ্ট হয়। ঈদের সময় যে একটু সেমাই রান্না করে স্বামীকে খাওয়াব তাও আমি পারি না।

বরগুনা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সাইদুর রহমান সজীব বলেন, পিয়ারা বেগমকে পৌরসভার বেতন ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করা হয়। পৌরসভার ভিজিএফসহ বরাদ্দকৃত চাল দিয়েও তাকে সহযোগিতা করা হয়। অসহায় পিয়ারা বেগমকে সহযোগিতা করতে পৌরসভার পাশাপাশি সমাজে যারা বিত্তশালী ও সামর্থ্যবান রয়েছেন তাদেরকেও তিনি এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামীম মিঞা বলেন, অসহায় অনেকেই আমাদের কাছে আসেন না। এ কারণে অনেকের তথ্য আমরা পাই না। পিয়ারা বেগমের সব তথ্য পেলে এবং তিনি যদি উপজেলা প্রশাসনের কোনো ধরনের সহযোগিতা ও বরাদ্দকৃত ভাতা না পেয়ে থাকেন তাহলে তাকে তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও যদি প্রয়োজন হয় আমাদের অপ্রত্যাশিত আয়ের মাধ্যমে পিয়ারা বেগমকে প্রতি মাসে কিছু পরিমাণ আর্থিক সহযোগিতা দেয়ার চেষ্টা করব।




বয়কটের জের : ২২৫ ইসরাইলি রেস্তোরাঁ ফের কিনছে ম্যাকডোনাল্ড’‌স

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বিখ্যাত মার্কিন ফাস্ট ফুড চেইনশপ ম্যাকডোনাল্ড’স ইসরাইলে থাকা তাদের সব রেস্তোরাঁ অ্যালোনিয়াল লিমিটেড থেকে ফের কিনে নিচ্ছে। ৩০ বছর ধরে অ্যালোনিয়ালই ইসরাইলে ম্যাকডোনাল্ড’সের রেস্তোরাঁগুলো পরিচালনা করে আসছিল।

গত ৭ অক্টোবর ইসরাইল–হামাস যুদ্ধ শুরুর পর ইসরাইলি যোদ্ধাদের জন্য বিনামূল্যে খাবার বিতরণের ঘোষণা করে ফাস্ট ফুডের জন্য বিখ্যাত ম্যাকডোনাল্ড’‌স। এতে বিভিন্ন দেশে ম্যাকডোনাল্ড’‌স বয়কট শুরু হয়। বিশেষ করে ম্যাকডোনাল্ড’স বয়কটের ডাক পড়ে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে। কুয়েত, মালয়েশিয়া, পাকিস্তানসহ বেশ কিছু দেশ ম্যাকডোনাল্ড’সের সাথে দূরত্বের কথা জানিয়ে বিবৃতিও দেয়।

এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ম্যাকডোনাল্ড’‌স জানায়, তারা ইসরাইলের ফ্র্যাঞ্চাইজি আলোনিয়ালের কাছ থেকে তাদের সব রেস্তোরাঁ কিনে নেবে। ফ্র্যাঞ্চাইজ কিনে নেয়ার জন্য ঠিক কী চুক্তি হয়েছে, তা জানায়নি ম্যাকডোনাল্ড’‌স। তবে কিছুদিন আগেই ম্যাকডোনাল্ড’‌স জানায়, আমেরিকার বাইরে তাদের ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি করেছে এই বয়কট।
সূত্র : জেরুসালেম পোস্ট, আজকাল




ঈদকে ঘিরে সাজছে সমুদ্রকণ্যা কুয়াকাটা, চলছে সড়ক উন্নয়ন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পদ্মাসেতুর দ্বার খুলে দেওয়ার পর থেকে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় পর্যটক বেড়েছে কয়েকগুণ। টানা ছুটির দিনগুলোতে কুয়াকাটায় এসে ভিড় জমান পর্যটকরা।
কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের হয়রানি রোধে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশসহ স্থানীয় প্রশাসন পৃথক সভা করেছে। পর্যটকের সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া হয়েছে নানামুখী পদক্ষেপ।

পর্যটকদের বরণে সাজসজ্জায় নতুনত্বের ছোঁয়া লেগেছে আবাসিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে। তবে ঈদে পর্যটকের বেশ সাড়া পাচ্ছেন প্রথম সারির হোটেল গুলো। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোতে এখনও কোনো বুকিংয়ের খোঁজ পাওয়া যায়নি। এতে হতাশা ব্যক্ত করলেও ঈদের টানা ছুটিতে রমযানের লোকসান কেটে ওঠার স্বপ্ন বুনছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

আরো পড়ুন : দুমকিতে অচেনা যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে। যার ধারাবাহিকতায় কুয়াকাটা পর্যটক কেন্দ্রকে ঘিরে পৌরসভা গঠন করা হয়েছে। দেশ তথা বিশ্বের অন্যতম নান্দনিক দৃশ্যের এক তীর্থস্থান কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। যেখানে একই স্থানে দাঁড়িয়ে দেখা যায় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বিরল দৃশ্য। কুয়াকাটা সৈকতে আগত পর্যটকদের আধুনিক সেবাদান এবং চিত্ত বিনোদনে চলছে সৈকত এলাকায় উন্নয়ন অবকাঠামো। পৌর এলাকায় পর্যটক চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোকে প্রশস্তকরণসহ বাকি থাকা কিছু কাচা রাস্তা পাকা করার কাজ চলমান রয়েছে। এর ফলে কুয়াকাটায় ভ্রমণে আগত পর্যটকের পৌর শহরের মূল কেন্দ্রে ভোগান্তি পোহাতে হবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিন দেখা গেছে, পর্যটক যাতায়াতের প্রধান সড়কে ভোগান্তি নিরসনে কুয়াকাটা রাখাইন মহিলা মার্কেট সংলগ্ন একটি পার্শ্ব রাস্তা নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে যা ঈদের আগেই সম্পন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপরদিকে পর্যটক চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রশস্তকরণসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হচ্ছে যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে ধারণাতীত উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ। সৈকতের মূল কেন্দ্র থেকে পূর্বে জাতীয় উদ্যান ফটক পর্যন্ত দৃষ্টিনন্দন লেক ও পার্কসহ বিনোদনের নানা মাত্রা যোগ করতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ পরিকল্পনা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

কুয়াকাটা পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, কোস্টাল টাউন প্রকল্পের আওতায় ২শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য প্রকল্প ব্যয়ে আরও ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে কুয়াকাটা পৌরসভা। এই প্রকল্পের আওতায় যে সকল পরিকল্পনা রয়েছে তা বাস্তবায়ন হলে কুয়াকাটা পাল্টে যাবে, হয়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের সমুদ্র সৈকত। এমনটাই জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার।

এদিকে পর্যটকের সেবা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসন। কুয়াকাটায় চলমান বছরে পর্যটন মৌসুম শুরুর আগেই প্রায় অর্ধশতাধিক আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট চালু হওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে করে বিশেষ দিনগুলোতে আগত পর্যটকের আর আবাসন সংকট দেখা দিবেনা। এছাড়াও নিরলস কাজ করছে আবাসিক হোটেল-মোটেল কর্তৃপক্ষ।

তারা বলছেন, কুয়াকাটায় পর্যটকদের সেবায় প্রস্তুত রয়েছে কুয়াকাটা।




বাস, ট্রেন ও লঞ্চে যাত্রীর ভিড়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : শুক্রবার সকাল থেকেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ করতে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে রাজধানীবাসী। বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে যাত্রীর চাপ দেখা গেছে। ব্যক্তিগত গাড়িতেও অনেকেই ঢাকা ছাড়ছে। বিভিন্ন সেতুর টোল প্লাজায়ও বেড়েছে ভীষণ।

পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সেতুর মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজায় সাতটি টোল বুথে প্রতি পাঁচ সেকেন্ডে একটি করে যানবাহনে টোল আদায় করা হচ্ছে। তবে মোটরসাইকেলের উপচে পড়া ভিড় থাকায় আলাদা দুটি লেন তৈরি করে টোল আদায় করা হচ্ছে। ঈদ যাত্রাকে কেন্দ্র করে আজ শনিবার সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২-এর (এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক) আওতায় নির্মিত পাঁচটি উড়ালসড়ক যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে।

শেষ বেলায় যাত্রী পাচ্ছে লঞ্চ

নৌপথে ঈদ যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে লঞ্চের কেবিনের চাহিদা বেশি। ডেকে তুলনামূলক যাত্রী কম। যাত্রী বাড়তে থাকায় লঞ্চের সংখ্যাও বাড়িয়েছেন লঞ্চ মালিকরা। তবে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়কে যানজটে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।




ইসরায়েলে অস্ত্র বিক্রি বন্ধে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস, পক্ষে ভোট বাংলাদেশের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ইসরায়েলে সব ধরনের অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সংঘটিত সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) হওয়া এ প্রস্তাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে বাংলাদেশসহ ২৮টি দেশ। খবর আল জাজিরার।

প্রস্তাবটির বিষয় ছিল, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় করা যুদ্ধাপরাধ ও মানবতা বিরোধী অপরাধে ইসরায়েলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা। এছাড়া এই প্রস্তাবে ইসরায়েলে সব ধরনের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। কারণ গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েলি সেনারা।

সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে থাকা বাংলাদেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে এবং ইসরায়েলের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে।

তবে এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে এবং ইসরায়েলের পক্ষে ভোট দিয়েছে ছয়টি দেশ এবং ভোটদানে বিরত ছিল ১৩টি দেশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (৫ এপ্রিল) মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই সংস্থায় ভোট হয়। মুসলিম বিশ্বের ৫৫ দেশের সংস্থা অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) পক্ষে পাকিস্তান এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছে।

ভোটাভুটিতে পরিষদের ৮৪টি সদস্য রাষ্ট্রের ২৮টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানিসহ ছয়টি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। এছাড়া ফ্রান্স, আলবেনিয়াসহ ১১টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ বলেছে, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন ঠেকাতে অন্যান্য পদক্ষেপের মধ্যে আজকের ভোট একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

এ ছাড়া গত জানুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের দেওয়া রায়ের ওপর জোর দিয়ে পরিষদ বলেছে, গাজা উপত্যকায় গণহত্যার সম্ভাব্য ঝুঁকি রয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধসহ গভীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

কাতারের হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মার্ক ওয়েন জোন্স আলজাজিরাকে বলেছেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের এই প্রস্তাব পাস প্রতীকীভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এই প্রথমবারের মতো এই সংঘাতের বিষয়ে মানবাধিকারের শীর্ষ সংস্থা অবস্থান নিল। এটি এই যুদ্ধের নজিরবিহীন প্রকৃতির বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে।

কানাডা, নেদারল্যান্ডস, জাপান, স্পেন ও বেলজিয়ামের মতো দেশ ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত করে দিয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা সত্ত্বেও পশ্চিমা অনেক দেশ এখানো ইসরায়েলে প্রাণঘাতী অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত রেখেছে। আর ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহে সব সময় এগিয়ে অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র।