সীমান্তে ড্রোন হামলা, ফিরে যাচ্ছেন রোহিঙ্গারা

চন্দ্রদ্বীপ আন্তর্জাতিক :: ড্রোন হামলার শিকার হয়ে বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে মিয়ানমারে ফিরে যাচ্ছেন রোহিঙ্গারা। নিপীড়নের শিকার হয়ে তারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। তবে ড্রোন হামলায় তারা আবার নিজেদের বাড়িতে ফিরে যান। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

গতকাল শনিবার মিয়ানমার সীমান্তে ড্রোন হামলায় অন্তত ২০০ রোহিঙ্গা মারা যায় বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। নিহতদের মধ্যে গর্ভবতী নারী ও তার ২ বছরের মেয়েও রয়েছে বলে জানা গেছে।

এত হতাহতের ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে নিজেদের বাড়ি ফিরে গেছে রোহিঙ্গা। সীমান্তগুলোর নিয়ন্ত্রণে এখন বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো রয়েছে। বাংলাদেশে পালিয়ে আসার চেষ্টা করলে রোহিঙ্গাদের বাধা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংস্থা।

ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশন নামে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকারসংস্থার সহ প্রতিষ্ঠাতা নায় সেন লুইন বলেন, মংডুর রোহিঙ্গারা এখনো বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের কাছে আর কোনো বিকল্প নেই।’

সশস্ত্র বিদ্রোহীদের তুমুল প্রতিরোধের মুখে পিছু হটছে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তিন বছরের ক্ষমতায় এই মুহূর্তে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি পার করছে তারা। গত অক্টোবরে জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে সামরিক টহল চৌকি, অস্ত্রাগার ও বেশ কিছু শহরের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে বিদ্রোহীদের হাতে।

২০১৭ সালে মিয়ানমারে নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর বছরের পর বছর চলে আসা রোহিঙ্গা নিপীড়ন জোরাল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। হত্যা ও ধর্ষণ থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। তারা বাংলাদেশের একাধিক শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে।




দ্রব্যমূল্য কমানোর আল্টিমেটাম দিলেন শিক্ষার্থীরা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দ্রব্যমূল্য জনসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তরকে আল্টিমেটাম দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এই সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে এসব দপ্তরের কর্মকর্তাদের পদত্যাগ করার আহ্বান জানানো হয়।

আজ রবিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ আল্টিমেটাম দেন তারা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, ‘যারা চাটুকার, দালালি এবং ভিন দেশি এজেন্ডা বাস্তবায়ন নিয়ে দেশে ছিল। আমরা মনে করি সেই জায়গাগুলোতে তাদের থাকার কোনো অধিকার নেই। আমরা বলব যে আপনারা চলে যান। আপনারা যদি চলে না যান, অবশ্যই আমরা প্রত্যাশা রাখি এবং আমরাই এটি করব।’

বিন ইয়ামিন মোল্লা জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থা ব্যর্থ হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের কষ্ট ও ক্ষোভ বেড়েছে। যা সবাইকে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করেছে। এমন পরিস্থিতিতে সাত দিনের মধ্যে পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনার দাবি জানানো হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন,‘তোমরা ট্রাফিক কন্ট্রোল করছ। তোমরা কয়দিন ধরে বাজার মনিটরিং করছো। তাই আমার মনে হয়েছে তোমাদের সঙ্গে বসা দরকার। তোমাদের সঙ্গে আলোচনা করে মতামত নিয়ে একটি গাইডলাইন তৈরি করে দেব। আমি অনেকগুলো বিষয় নিয়ে কাজ করেছি। মাংস, ডিম, ডায়াবেটিস স্ট্রিপ, শিশুখাদ্য নিয়ে কাজ করেছি। অনেক কথা বলেছি, অনেক নথি আছে। সেই নথি আমি তোমাদের হাতে তুলে দেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পেছন দিকে তাকালে হবে না, আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি দপ্তরগুলোকে অনেক সমালোচনার মুখে পড়তে হবে এবং সেটি স্বীকার করার সৎ সাহস রাখতে হবে। তোমাদের হাত এত শক্তিশালী হয়েছে, তোমরা যেখানে হাত দেবে, সেখানেই সোনা ফলবে। আমরা আসলেই ব্যর্থ হয়েছি। এখন তোমাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখি।’

এদিকে, দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাজার মনিটরিং করছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ সকালে কুমিল্লা নিউমার্কেট এলাকায় বাজার মনিটরিংয়ে গিয়ে তারা বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আইনি ব্যবস্থা নিতে না পারায় ভোক্তা অধিকার তাদের সহযোগিতা করবে। শিক্ষার্থীদের মাধ্যমেই জনসাধারণের সচেতনতা বাড়বে।




পটুয়াখালীতে ৮ দফা দাবিতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ৫ আগষ্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রী দেশ তাদের পরেই সারাদেশে বিজয় মিছিল করা হয়। এরপর পরপরই সারাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা, লুট চালায় দুষ্কৃতিকারীরা। এ হামলা ও লুট এর প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে মানববন্ধন করেছে সনাতনী ধর্মাবলম্বীরা।

সনাতনী নাগরিক ও ছাত্র জনতার ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। রোববার (১১ আগষ্ট) সকাল ১২ টায় পটুয়াখালীর সার্কিট হাউজ সংলগ্ন ঝাউতলায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। ৮ দফা দাবি জানিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তারা।

এসময় বক্তারা বলেন সারাদেশে হিন্দুদের উপর ব্যাপক নির্যাতন চালনো হয়েছে এর প্রতিবাদে আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। হিন্দুদের উপর এসব নির্যাতনের যদি দ্রুত বিচার করা না হয় আমরা এ নিয়ে কঠোর আন্দোলন করবো। এ সময় হামলা ও লুটপাটের দ্রুত বিচারের দাবি জানায় তারা।




আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে যুক্তরাষ্ট্র: শেখ হাসিনা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: নিজের ক্ষমতাচ্যুতের পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার দাবি, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে না দেওয়ায় তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে যাওয়ার পর একাধিকবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে দেখা হয়েছে শেখ হাসিনার। ভারতীয় নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক কর্তাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে তার।

আজ রবিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয় , আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি দায়ী করেছেন।

দেশত্যাগ করার আগে যে বক্তব্য তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে দিতে চেয়েছিলেন, তাতেও এর উল্লেখ ছিল বলে জানিয়েছে ইকোনমিক টাইমস। শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কথামতো বঙ্গোপসাগরে একক আধিপত্যর জন্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ তাদের ছেড়ে না দেওয়ার মাসুল এই ক্ষমতাচ্যুত করা। তিনি বাংলাদেশিদের সতর্ক করেছেন, তাদের ওপর যেন মৌলবাদীরা ভর না করে।

 




আন্দোলনে ৪২ পুলিশ সদস্য নিহত: আইজিপি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ছাত্র-গণ আন্দোলনে ৪২ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম। আহত হয়েছেন শত শত পুলিশ সদস্য বলে জানান তিনি।

রোববার (১১ আগস্ট) রাজধানীর পল্টনে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে চিকিৎসাধীন পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেওয়া শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিহত ও আহত পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন দমন করতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার ৪২ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন র‌্যাব সদস্য রয়েছে। এছাড়া বহু আহত রয়েছে। তাদের মধ্যে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালেই ৫০৭ জন চিকিৎসা নিয়েছে।

এছাড়া হামলায় গুরুতর আহত ২৭ জন পুলিশ সদস্য ভর্তি রয়েছেন। যার মধ্যে একজন আইসিইউতে আছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। পাশাপাশি আহতদের পরিবারকে মানসিকভাবে সাপোর্ট ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছেন বলে জানান তিনি।

আইজিপি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সঙ্গে পুলিশকে কাজে ফেরানো নিয়ে আমরা দীর্ঘ আলোচনা করেছি। প্রাথমিকভাবে ভিআইপি সড়কে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা কাজ শুরু করেছে। ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে শুরু করে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত আমাদের ট্রাফিক সদস্যরা কাজ শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, জনবলের কোনো সমস্যা নেই। তবে যে সমস্যা রয়েছে তা হলো- একটি ভীতি কাজ করছে। এটি কাটিয়ে উঠতে ছাত্রদের অনেকেই কাজ করছে। ভিআইপি রোডে বেশি করে ট্রাফিক পুলিশ দিয়েছি। তাদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা রয়েছে, স্কাউট ও বিএনসিসি রয়েছে

এছাড়াও কোনো ভুল বোঝাবুঝি যেনো না হয় এজন্য আমরা ছাত্রদের সমন্বয়কদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছি।

 




ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতন : যেভাবে পালালো ৯০ মন্ত্রী-এমপি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তার মন্ত্রী-এমপি ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের দেশ ছেড়ে পালানোর হিড়িক পড়েছে। কেউ দেশ ছাড়ছেন একা, কেউ আবার সপরিবারে।

সংবাদ মাধ্যম যুগান্তর আজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে,  অনেকে ভয়ে দেশের অভ্যন্তরে আত্মগোপনে চলে গেছেন। শুধু মন্ত্রী-এমপি বা প্রভাবশালীই নয়, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারাও ভয়ে আত্মগোপনে গেছেন।

এই তালিকায় আছেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলার সময় গত ১৪ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত ২৭ দিনে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ৯০ জন সাবেক মন্ত্রী-এমপি ও রাজনৈতিক নেতা। এছাড়া বিমানবন্দরে আটক করা হয়েছে অন্তত ১০ জন মন্ত্রী-এমপি ও প্রভাবশালীদের।

বিমানবন্দরে এসেও পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ফিরে গেছেন কমপক্ষে ২৫ জন মন্ত্রী-এমপি, রাজনৈতিক নেতা ও দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা। শাহজালাল বিমানবন্দরসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে সরকার পতনের একদিন পর থেকে ৬ আগস্ট শাহজালালসহ দেশের সবগুলো বিমানবন্দরে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সব ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্ট একাধিক তালিকা পাঠানো হয়। এই তালিকায় হাসিনা সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, মহানগর ও জেলা কমিটির নেতাদের নামও রয়েছে।

এছাড়া হাসিনা সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, জাতীয় সংসদের এমপি, সংসদীয় কমিটিগুলোর সভাপতি এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা দলবাজ কর্মকর্তাদের নামও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে।

হাসিনা সরকারের পতনের পর ৬ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালানোর সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক হন সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। কিন্তু ওইদিন দেশ ছাড়েন সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। ইমিগ্রেশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পদত্যাগ করে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান সোমবার দুপুরে। তার আগেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষ নেতা, আইনপ্রণেতা ও মন্ত্রী।

রোববার রাতেই সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দেশ ছাড়েন বলে জানা গেছে। তিনি সদ্য সাবেক সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। রোববার সকালে বিমানের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন শেখ হাসিনার আত্মীয় ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

আন্দোলনের শুরু থেকেই নানা তৎপরতায় ব্যস্ত ছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সোমবার সকাল থেকে তাকে দেখা যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ। তিনিও দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন বলে জানা গেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ধানমন্ডির বাসভবন সোমবার ভাঙচুর করা হয়। তবে তিনি ঠিক কোথায় আছেন জানা যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ।

সোমবার সারাদিন রাজধানীর বনানীর বাসায় অবস্থান করলেও শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এদিন রাতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন বলে জানা গেছে। তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাতের ফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে। তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৪ জুলাই ভোর ৬টা ৫০ মিনিটে টার্কিশ এয়ারলাইন্সে দেশ ছাড়েন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু।

ওইদিন বেলা ২টায় থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২২ ফ্লাইটে ব্যাংকক যান কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুল আরেফিন। একই বিমানে ব্যাংকক যান সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান জাহিদ আহমেদ মালেক।

পরের দিন ১৫ জুলাই রাত ১২টা ১৭ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের এসকিউ-৪৪৭ ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। একই ফ্লাইটে আরও পালান দিনাজপুর-৬ আসনের শিবলী সাদিক, টাঙ্গাইল-৫ আসনের মো. সানোয়ার হোসাইন ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল।

এদিন সকাল ৭টা ৩৯ মিনিটে বিমান বাংলাদেশের বিজি-৩৯১ ফ্লাইটে কলকাতা পাড়ি জমান ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মশিউর রহমান মোল্লা সজল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৪ জুলাই ভোর ৬টা ৫০ মিনিটে টার্কিশ এয়ারলাইন্সে দেশ ছাড়েন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু।

ওইদিন বেলা ২টায় থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২২ ফ্লাইটে ব্যাংকক যান কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুল আরেফিন। একই বিমানে ব্যাংকক যান সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান জাহিদ আহমেদ মালেক।

পরের দিন ১৫ জুলাই রাত ১২টা ১৭ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের এসকিউ-৪৪৭ ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। একই ফ্লাইটে আরও পালান দিনাজপুর-৬ আসনের শিবলী সাদিক, টাঙ্গাইল-৫ আসনের মো. সানোয়ার হোসাইন ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল।

এদিন সকাল ৭টা ৩৯ মিনিটে বিমান বাংলাদেশের বিজি-৩৯১ ফ্লাইটে কলকাতা পাড়ি জমান ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মশিউর রহমান মোল্লা সজল।

এছাড়া ১৬ জুলাই বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে এমিরেটাস এয়ারলাইন্সে (ইকে-৫৮৩) দুবাই চলে যান সাবেক রেলমন্ত্রী ও কুমিল্লা-১১ আসনের এমপি মুজিবুল হক। ওইদিন বেলা ১২টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমান বিজি-৩০৮ ফ্লাইটে ম্যানচেস্টারের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা।

বেলা ১১টা ২৬ মিনিটে বিমানের বিজি-৩১৫ ফ্লাইটে মালয়েশিয়া যান সাবেক গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী। ওইদিন দুপুর আড়াইটায় দেশ ছাড়েন নোয়াখালী-২ আসনের এমপি মোরশেদ আলম, ১৭ জুলাই রাত আড়াইটায় ক্যাথে প্যাসেফিক এয়ারলাইন্সে (সিএক্স-৬৬২) হংকং যান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফায়জুর রহমান।

একই তারিখ রাত ১১টা ৫০ মিনিটে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সে (সিজেড-৩৯১) চীনের গুয়াংজুর উদ্দেশে দেশ ছাড়েন কুমিল্লা-৮ আসনের আবু জাফর মোহাম্মদ শফিউদ্দিন। রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সে (এসকিউ-৪৪৭) সিঙ্গাপুর পালান ময়মনসিংহ-৮ আসনের মাহমুদুল হাসান সুমন।

১৮ জুলাই সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৪ ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরে যান সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এএফএম রুহুল হক।

বিসিবির প্রেসিডেন্ট, ক্রীড়ামন্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের এমপি নাজমুল হাসান পাপন গত ২০ জুলাই বেলা ১২টা ৫৫ মিনিটে শ্রীলংকান এয়ারলাইন্সে (ইএল-১৯০) দেশ ছাড়েন।

২১ আগস্ট রাত ১১টা ৪০ মিনিটে দেশ ছাড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের এমপি সৈয়দ একেএম একরামুজ্জামন, ২২ আগস্ট বিজি ৫৮৪ যোগে সিঙ্গাপুর যান নোয়াখালী-২ আসনের এমপি মোরশেদ আলম, ২৫ জুলাই বেলা ১২টা ১০ মিনিটে ব্যাংককের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন কুমিল্লা-৫ আসনের এমপি এ এম তাহের। ওইদিন দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে ব্যাংককে যান ময়মনসিংহ-৭ আসনের এবিএম আনিসুজ্জামান। বিকাল ৬টা ১০ মিনিটে এমিরেটাস এয়ারলাইন্সে করে কানাডার উদ্দেশে দেশ ছাড়েন সংরক্ষিত নারী আসনের নীলুফার আনজুম।

সন্ধ্যা ৭টা ৪৮ মিনিটে এমিরেটাস এয়ারলাইন্সে করে কানাডা পালান অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়েশা খান। ২৬ জুলাই ভোর ৫টা ২০ মিনিটে কাতার এয়ারলাইন্সে (কিউআর-৬৪৩) গ্রিসে পালান কুমিল্লা-৪ আসনের আবুল কালাম আজাদ।

সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ২৭ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এমিরেটাস এয়ারলাইন্সে ইকে-৫৮৭ ফ্লাইটে দুবাইয়ের উদ্দেশে দেশত্যাগ করেন। ৩ আগস্ট দেশ ছাড়েন ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা।

৪ আগস্ট এমিরেটাস এয়ারলাইন্স ইকে ৫৮৫ যোগে দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে সাবেক এমপি নুর ই হাসনা চৌধুরী লিলির পরিবারের একজন সদস্য দুবাই যান। একইদিন সাবেক এমপি মোহাম্মদ হাবিব হাসানের মেয়ে বিজি ৫৮৪ যোগে দেশ ছাড়েন।

৫ আগস্ট দেশ ছাড়েন সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর স্ত্রী, সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামের মেয়ে ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ।

আলোচিত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ চৌধুরী ২৮ জুলাই ২টায় এমিরেটাস এয়ারে (ইকে-৫৮৫) নেদারল্যান্ডসে যান। তিনি আবার ৩ আগস্ট ফেরত আসেন। ৬ আগস্ট হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে দেশত্যাগের সময় তাকে আটক করা হয় বলে কোনো কোনো সংবাদমাধ্যমে খবর আসে। ২৮ জুলাই রাত সাড়ে ১০টায় ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৭ ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর যান কুমিল্লা-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম।

২৯ জুলাই বেলা ১১টা ১০ মিনিটে এমিরেটাসে (ইকে-৫৮৩) তেহরান যান সাবেক বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। ওইদিন বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে নভোএয়ারে কলকাতা যান যশোর-৩ আসনের কাজী নাবিল আহমেদ। একইদিন বিকাল ৫টা ৫০ মিনিটে বিমানের বিজি-৩৩৭ ফ্লাইটে মদিনা যান বরগুনা-৫ আসনের মো. মজিবুর রহমান মজনু।

৩০ জুলাই ২টা ৪০ মিনিটে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সে (এমএইচ-১৯৭) ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে দেশত্যাগ করেন পটুয়াখালী-৩ আসনের এসএম শাহাজাদা। ৩১ জুলাই বেলা ২টায় এমিরেটাস এয়ারলাইন্সে (ইকে-৫৮৫) নিউইয়র্ক যান ঢাকা-১৮ আসনের খসরু চৌধুরী।

এদিন দুপুর ১টা ১৬ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩৯৭ ফ্লাইটে দিল্লি পাড়ি দেন শরীয়তপুর-৩ আসনের নাহিম রাজ্জাক। একইদিন রাত ১১টা ২০ মিনিটে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সে (সিএস-৩৯২) চীনের গুয়াংজু যান কুমিল্লা-৮ আসনের আবু জাফর মো. শফিউদ্দিন।

২ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে টার্কিশ এয়ারের টিকে-৭১৩ ফ্লাইটে ইস্তাম্বুল যান ঝিনাইদহ-২ আসনের নাসের শাহরিয়ার জাহিদী। এদিন রাত ১০টা ৫০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে (বিএস-৩০৭ ফ্লাইটে) সিঙ্গাপুর যান সংরক্ষিত মহিলা আসনের পারুল আক্তার।

একইদিনে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানে (বিজি-৫৮৪) সিঙ্গাপুর যান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। ৪ আগস্ট বেলা ১২টায় বাংলাদেশ বিমানে (বিজি-৩৯৭) ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক সচিব নেত্রকোনা-৪ আসনের সাজ্জাদুল হাসান।

৫ আগস্ট রাত ১২টায় সিঙ্গাপুর এয়ারে (এসকিউ-৪৪৭) সিঙ্গাপুর গেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। একইদিন রাত ২টা ৩৫ মিনিটে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সে (এমএইচ-১৯৭) মালয়েশিয়া যান সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। এদের মধ্যে কয়েকজন দেশে ফিরে আসার কথা থাকলেও জানা গেছে সরকার পতনের পর তাদের অনেকে আর ফিরে আসেননি।

এছাড়া দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। এছাড়া আওয়ামী লীগের প্রায় সব কেন্দ্রীয় নেতা ও এমপি-মন্ত্রীদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। কোনোভাবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, এদের অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য দেশ ত্যাগ করেছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে দেশ ছেড়েছেন বলেও জানা গেছে।

৬ আগস্ট বিকালে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত ও ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদকে শাহজালাল বিমানবন্দরে আটক করা হয়।

দেশ ছেড়ে পালানোর পাশাপাশি আত্মগোপনে চলে গেছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের বেশির ভাগ প্রভাবশালী নেতা এবং এমপি-মন্ত্রীরা। অনেকেই চেষ্টাও করছেন দেশ ত্যাগের। দলের সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও গা-ঢাকা দিয়েছেন। সারা দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ অব্যাহত রয়েছে। হামলা-মামলার ভয়ে আত্মীয়স্বজনের কাছে আশ্রয় নিয়েছেন অনেকে।

সর্বশেষ ৪ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকাসহ সারা দেশেই মাঠে ছিল আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দেশে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টাও করেছিলেন তারা। সোমবার সকাল থেকে পালটে যায় দৃশ্যপট। ক্ষমতা থেকে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দিন সকাল থেকে দলটির নেতাকর্মীরা আত্মগোপনে চলে যান।

শুধু তাই নয়, দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়, তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলার কার্যালয় ও ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবনে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলেও দলের কাউকে তা প্রতিরোধ করতে দেখা যায়নি।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শনিবার পর্যন্ত শতাধিক মন্ত্রী, এমপি ও নেতা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তারা ভারত, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, চীন ও দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান। অনেকেই নিজে যেতে না পারলেও পাঠিয়ে দিয়েছেন পরিবারের সদস্যদের।

সূত্রে জানা গেছে, এখনো দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছেন আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-মন্ত্রী। চট্টগ্রাম-৩ সন্দ্বীপ আসনের সাবেক এমপি মাহফুজুর রহমান মিতা সপরিবারে দেশ ছেড়ে অস্ট্রেলিয়া পালানোর জন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়েও ছাত্র-জনতার দৌড়ানি খেয়ে ফিরে আসেন। দ্বিতীয় দফা কলকাতা যাওয়া চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন।

এদিকে দলীয় প্রধান, দলের শীর্ষ নেতা এবং এমপি-মন্ত্রীদের দেশ ছাড়া ও আত্মগোপনের বিষয়টি ভালোভাবে নিচ্ছে না আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।




‘শেখ হাসিনাকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে’

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে ফেরার পর শেখ হাসিনাকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।বিশেষ করে শেখ হাসিনার সময়ের হত্যাকাণ্ডের জন্য।

শুক্রবার রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাহিদ বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) কেন বাংলাদেশ থেকে পালালেন তা জানতে আমি কিউরিয়াস। শেখ হাসিনার সময়ে যেসব হত্যাকাণ্ড হয়েছে, আমরা সেসবের বিচার চাইব। এটা আমাদের অন্যতম দাবি। যদি তিনি ফিরে না আসেন, তাহলে আমরা সে ব্যাপারে কাজ করব।’

অন্তর্বর্তী সরকারে অংশ নেওয়া নাহিদ বলেন, ‘আমরা তাকে গ্রেপ্তার করতে চাই। তার বিচারের ইস্যুতে আলোচনা চলছে। ’

নাহিদ আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অগ্রধিকার হলো একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করা। কারণ আগের নির্বাচন বিরোধীদলগুলো বয়কট করেছিল। তাছাড়া আগের সরকারের দুর্নীতির বিচারের কথাও বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, ছাত্রজনতার বিক্ষোভের মুখে গত সোমবার শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে যান। সেখান থেকে তার লন্ডনে যাওয়ার কথা থাকলেও তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।




প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভালো থাকলে, আমরাও ভালো থাকব: মমতা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: বাংলাদেশের নবগঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শুক্রবার ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ শুভেচ্ছা জানান তিনি।

পোস্টে তিনি বলেন, ‘শান্তি ফিরে আসুক তোমার-আমার এই ভালোবাসার ভুবনে। আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভালো থাকলে, আমরাও ভালো থাকব।’

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে শুভেচ্ছা বার্তায় মমতা ব্যানার্জি বলেন, ‘অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বাংলাদেশে যারা কার্যভার গ্রহণ করেছেন, তাদের প্রতি আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল। আশা করি, তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরো উন্নত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নতি, শান্তি, প্রগতি ও সর্বস্তরের মানুষের আরো ভালো হোক, এ কামনা করি। ওখানকার ছাত্র, যুব, শ্রমিক, কৃষক, মহিলা থেকে শুরু করে সকলের প্রতি আমার অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো।’

এছাড়া খুব শিগগিরই সংকট কেটে শান্তি ফিরে আসবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি।




প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টারা যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর নতুন করে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়াও দায়িত্ব নিয়েছেন উপদেষ্টারা। গত বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্য আরও ১৩ উপদেষ্টা শপথ নেন। এরইমধ্যে সরকারের দফতরও বণ্টন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী এই সরকারের প্রধানসহ বাকি উপদেষ্টারা কে কী সুবিধা পাবেন তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যমান সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টাদের বেতন ও সুযোগ সুবিধার বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলা নেই। তবে প্রধান উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর সমান পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করবেন। একইভাবে মন্ত্রীর সমান মর্যাদায় দায়িত্ব পালন করবেন উপদেষ্টারা। সেই হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সমমর্যাদার সুযোগ সুবিধা পাবেন প্রধান উপদেষ্টা এবং মন্ত্রীদের মতো সুবিধা পাবেন উপদেষ্টারা।

সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিরা গাড়ি, বাড়ি, চিকিৎসা খরচসহ অন্তত ১৩ ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। জেনে নেয়া যাক সেসব সুবিধার বিস্তারিত।

প্রধান উপদেষ্টার বেতন ও সুযোগ সুবিধা

দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স (রেমুনারেশেন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বেতন মাসে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া তিনি মাসিক বাড়ি ভাড়া পান ১ লাখ টাকা, দৈনিক ভাতা পান ৩ হাজার টাকা। যাতায়াত খরচ, বাড়ির ভাড়া, ডেইলি অ্যালাউন্স, ইনস্যুরেন্স সুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট, নিজের দফতরের এবং অন্য টেলিফোন ব্যয়, চিকিৎসা সেবাসহ আরও অনেক সুবিধা পেয়ে থাকেন। বর্তমান প্রধান উপদেষ্টাও একই সুবিধা পাবেন এবং এসব খরচ পুরোটাই দেবে রাষ্ট্র।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একটি সরকারি বাসভবন পান। তবে কেউ চাইলে নিজের বাড়িতে অথবা অন্য কোথাও বাড়িভাড়া নিয়েও থাকতে পারবেন। সেক্ষেত্রে সেই বাড়িও সরকারি টাকায় অত্যাধুনিক বিলাসবহুল করে সাজিয়ে দেয়া হবে। তার বাড়ির নিরাপত্তায় থাকেন স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা। বর্তমান প্রধান উপদেষ্টাও একই সুবিধা পাবেন।

উপদেষ্টাদের বেতন ::

একজন পূর্ণ মন্ত্রীর মাসিক বেতন ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। সে হিসেবে উপদেষ্টারাও একই বেতন পাবেন।

বাড়িভাড়া ::

দায়িত্বে আসার পর সব মন্ত্রীই সরকারি ব্যয়ে একটি সুসজ্জিত বাসভবন পান বিনা ভাড়ায়। তবে মন্ত্রী সরকারি বাড়িতে না থেকে যদি নিজ বাড়ি বা ভাড়া বাড়িতে থাকেন, সেক্ষেত্রে আলাদা বাসাভাড়া দেয়া হয়। সরকার থেকে পূর্ণ মন্ত্রীদের বাসাভাড়া হিসেবে দেয়া হয় ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া নিজ বাড়ি বা ভাড়া বাড়িতে থাকলে সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও তিন মাসের বাড়িভাড়ার সমান টাকা পাবেন। সরকারি বাড়ি সাজসজ্জার জন্য প্রতিবছর ৫ লাখ টাকা পান একজন মন্ত্রী। সে হিসেবে উপদেষ্টারাও একই সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আপ্যায়ন ভাতা ::

মন্ত্রীদের দফতরে দেশি-বিদেশি অনেকেই আসেন সাক্ষাৎ করতে। তাদের আপ্যায়নের জন্য মাসে ১০ হাজার টাকা করে পান মন্ত্রী। এখন উপদেষ্টারাও একই সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

চিকিৎসা খরচ ::

মন্ত্রিত্ব থাকা অবস্থায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা অসুস্থ হলে তার পুরো ব্যয়ভার সরকার বহন করে। এক্ষেত্রে বলা আছে, চিকিৎসা খরচ সীমাহীন। তবে খরচের ভাউচার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিতে হবে। এখন উপদেষ্টারাও একই সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

সরকারি গাড়ি ::

মন্ত্রী সরকারি খরচে একটি গাড়ি পেয়ে থাকেন। গাড়িটি পরিবহন পুল সরবরাহ করে। জ্বালানি বাবদ দৈনিক ১৮ লিটার জ্বালানি তেলের সমপরিমাণ অর্থ দেয়া হয়। মন্ত্রী দেশের ভেতরে কোথাও ভ্রমণে গেলে দৈনিক ভাতা পান দুই হাজার করে। এখন উপদেষ্টারাও একই সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

১০ সহায়ক ::

নিজের পছন্দ অনুযায়ী উপসচিব পদমর্যাদার একজনকে একান্ত সচিব হিসেবে পান মন্ত্রী। পূর্ণ মন্ত্রী একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং সরকারি কর্মকর্তার বাইরে নিজের পছন্দের একজন সহকারী একান্ত সচিব পেয়ে থাকেন। এছাড়া দুজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, একজন জমাদার, একজন আরদালি, দুজন অফিস সহায়ক ও একজন পাচক পেয়ে থাকেন। এছাড়া মন্ত্রী একটি করে মোবাইল ফোন পাবেন। এখন উপদেষ্টারাও একই সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এদিকে শপথ নেওয়ার একদিন পর শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব বণ্টন করে দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ড. ইউনূসের হাতে থাকছে যেসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব:

১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

২. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

৩. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ

৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়

৫. সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়

৬. খাদ্য মন্ত্রণালয়

৭. গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

৮. ভূমি মন্ত্রণালয়

৯. বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

১০. কৃষি মন্ত্রণালয়

১১. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

১২. রেলপথ মন্ত্রণালয়

১৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

১৪. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

১৫. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়

১৬. পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

১৭. মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১৮. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

১৯. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়

২০. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

২১. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

২২. শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

২৩. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়

২৪. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়

২৫. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

২৬. পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

২৭. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

এছাড়া সালেহ উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম শাখাওয়াত হোসেন; ড. আসিফ নজরুল পেয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; আদিলুর রহমান খান পেয়েছেন শিল্প মন্ত্রণালয়; হাসান আরিফ পেয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; তৌহিদ হোসেন পেয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; মিজু শারমীন এস মুরশিদ পেয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন পেয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; ফরিদা আখতার পেয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; নুরজাহান বেগম পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়; নাহিদ ইসলাম পেয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া পেয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।




শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের পদত্যাগ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন।

আজ শনিবার বিকেলে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছি। আজকে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।’

ফরিদ উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলের প্রভোস্ট, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা পদত্যাগ করেছেন। বাকি যারা আছেন, সবাই পদত্যাগ করবেন।’

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৩০ জুন শাবিপ্রবির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। পরে ২১ আগস্ট উপাচার্য হিসাবে যোগদান করেন তিনি।