পটুয়াখালীতে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা মিলছে না

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা মিলছে না। ছোট আকারের হাতেগোনা যে ইলিশ নিয়ে জেলেরা ঘাটে ভিড়ছেন, তারও দাম আকাশছোঁয়া। এতে বিপাকে পড়েছেন জেলে ও ব্যবসায়ীরা। দফায় দফায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না বলে জানালেন জেলেরা।

মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, জুলাই থেকে অক্টোবর ইলিশের ভরা মৌসুম। প্রতি বছর এই সময়ে নদী ও সাগরে ধরা পড়ে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। কিন্তু এ বছরের চিত্র অনেকটা ভিন্ন। ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে ২৩ জুলাই জেলেরা সাগরে নামলেও জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্ক্ষিত বড় ইলিশ। এরই মধ্যে দফায় দফায় বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে খালি হাতে ঘাটে ফিরতে হচ্ছে জেলেদের। ফলে চলতি মৌসুমে তেমন ইলিশ ধরতে পারেনি জেলেরা‌। এতে লোকসানে পড়তে হবে বলে জানালেন তারা।

সর্বশেষ রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকালে আলীপুর মৎস্যবন্দর ঘাটে ট্রলার নোঙর করে অনুকূল আবহাওয়ার অপেক্ষায় আছেন জেলেরা। যারা সমুদ্রে যাচ্ছেন তাদের অনেকে খালি হাতে ফিরছেন। কেউ বড় ইলিশের পরিবর্তে অল্প পরিমাণ জাটকা নিয়ে ফিরছেন। বড় ইলিশ কম পাওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন তারা।

জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা মৌসুমি বায়ু ও নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উপকূলের জেলেরা ঘাটে বসে অলস সময় পার করেছেন। গত সোমবার শেষ বিকাল থেকে মঙ্গলবার বিকালের মধ্যে হাজার হাজার মাছধরা ট্রলার গভীর সমুদ্রে ইলিশের সন্ধানে যায়। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় হঠাৎ ঝোড়ো বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয়। তখন মাঝিরা ঘাটের উদ্দেশে ট্রলার নিয়ে রওনা হন। কিন্তু ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বাতাস কমে গেলেও মাছ কম থাকায় তারা ঘাটে ফিরে এসেছেন। এর মধ্যে শনিবার ও রবিবার অনেকে সমুদ্রে গিয়ে খালি হাতে ফিরেছেন। বৈরী আবহাওয়া কেটে গেলে আবারও সমুদ্রে যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন তারা।

তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দুই দিন উপকূলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য গভীর সমুদ্রে যেতে জেলেদের নিষেধ করা হয়েছে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন জেলেরা।

জেলেরা জানিয়েছেন, আগামী ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। এবার মৌসুমের শুরুতেই সামুদ্রিক মাছ আহরণের ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা ছিল। এরপর দফায় দফায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে আশানুরূপ ইলিশের দেখা পাননি এখানকার জেলেরা। সব মিলিয়ে হতাশ হাজার হাজার জেলে। কেউ কেউ পেশা পরিবর্তনের কথা ভাবছেন। আবার অনেকে দাদন নিয়ে বাধ্য হয়ে এই পেশাই পড়ে আছেন।

মাছ না পাওয়ার কথা জানিয়ে আলীপুরের জেলে জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘এবার যখনই সমুদ্রে নামি তখনই আবহাওয়া খারাপ। মাঝে দুদিন ছিলাম সমুদ্রে। মাছ তেমন পাই নাই। বড় ইলিশের দেখা নেই, ছোট কয়টা জাটকা পেয়েছি। বিক্রি করলে তাতে বাজার খরচ হয় না। মালিকের কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়েছি। যদি সমুদ্রে মাছ পেতাম, তাহলে ধারদেনা শোধ করে সংসার চালাতে পারতাম। কিন্তু এবার মাছই পাচ্ছি না।’

বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে খালি হাতে ঘাটে ফিরতে হচ্ছে জেলেদের
মাছ না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়ে কলাপাড়া উপজেলার আলীপুর মৎস্যবন্দরের ব্যবসায়ী আবুল হোসেন কাজী বলেন, ‘৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সমুদ্রে শুরু হয়েছে দফায় দফায় নিম্নচাপ। যার ফলে ট্রলার নিয়ে বারবার সমুদ্রে গিয়ে খালি হাতে ঘাটে ফিরে আসছেন জেলেরা। ফিরে আসা ট্রলারগুলোর প্রত্যেকটিকে কয়েক লাখ টাকার বাজার করে সমুদ্রে পাঠাতে হয়। কিন্তু কখনও নিম্নচাপ কখনও লঘুচাপ; সব মিলিয়ে ইলিশ না পেয়ে খালি হাতে ফিরলে বড় রকমের ক্ষতির মধ্যে হচ্ছে আমাদের। এতে ট্রলার মালিকদের পাশাপাশি জেলেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এবার তেমন মাছ পাওয়া যায়নি।’

আলীপুরের এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের মাঝি ইউসুফ আলী বলেন, ‘এবার নিষেধাজ্ঞার পর এখন পর্যন্ত লাভের মুখ দেখিনি‌। বাজার সদাই করে যখনই সমুদ্রে নামি, এক-দুদিন মাছ ধরার পরই আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। কোনও উপায় না পেয়ে ঘাটে ফিরে আসি। এভাবে চলতে থাকলে এই পেশা ছাড়তে হবে।’

মহিপুর আড়তদার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন দাস বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শেষে এবার শুরু হয়েছিল সাগরে মাছ ধরা। মাঝে ২০-২২ দিন মাছ ধরার সুযোগ পেলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাননি জেলেরা। মাছঘাটগুলো ফাঁকা পড়ে আছে। যা কিছু ইলিশ নিয়ে জেলেরা ঘাটে ভিড়ছেন, তার দাম আকাশছোঁয়া। এবার মূলত ইলিশ কম থাকায় এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিপাকে পড়েছি আমরা।’

একই হতাশার কথা জানালেন আলীপুর মৎস্য আড়তদার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল জলিল ঘরামী।
তিনি বলেন, ‘গত চার বছরে আমরা লাভের মুখ দেখিনি। তবু লাভের আশায় লাখ লাখ টাকা দাদন দিয়ে জেলেদের সমুদ্রে পাঠাচ্ছি। কিন্তু ঘুরেফিরে হতাশ। এভাবে চলতে থাকলে পেশা টিকিয়ে রাখা যাবে না।’

সমুদ্রে ইলিশ না পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্র বার বার খারাপ আবহাওয়ার কবলে পড়ছে। ফলে গত কয়েক বছর আমরা দেখেছি, গভীর সমুদ্রে লম্বা জালে কিছু মাছের দেখা মিললেও ভাসান জাল, কালো কট বা লাল জালের অধিকাংশ জেলেরা তেমন ইলিশ পাচ্ছেন না। সমুদ্রের মোহনা খনন এবং সমুদ্রের ভেতরে ১২-১৪ কিলোমিটারে যে পলি বা চর পড়ে গেছে, তা খনন করতে হবে। সেই সঙ্গে মানুষের যে দূষণ, উপকূলবর্তী দূষণ, পলি ও রাসায়নিক দূষণরোধ করতে হবে। তবেই কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি। চেষ্টা করতেছি ইলিশের এই সংকট অবস্থা দূর করতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়। সে বিষয়ে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেবে বলেছে সরকার। আশা করছি, পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে গভীর সমুদ্রের সবখানে ইলিশ পাওয়া যাবে।




কলাপাড়ায় বাতিলকৃত নিয়োগ পুনঃবহালের পায়তারার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলার দৌলতপুর ছালেহিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে বাতিলকৃত নিয়োগ পুনঃবহালের পায়তারার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছে দৌলতপুর আদর্শ গ্রাম বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মো. অহিদুজ্জামান।

রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ইঞ্জি: মো. তৌহিদুর রহমান (সি আই পি) মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বলেন, এককালে অত্র মাদ্রাসার দায়িত্ব পালন করেছিলেন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মরহুম আবদুর রউফ। তার মৃত্যুতে অধ্যক্ষ, নৈশ প্রহরি পদ এবং নতুন সৃষ্ট সহ মোট ৭টি পদ শূন্য হয়। ঐ ৭ টি পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য নানা সময়ে নানা জনে সভাপতি হওয়ার জন্য দৌড় ঝাপ শুরু করেন। নিয়ামানুযায়ী মূল কমিটি গঠনের জন্য এডহক কমিটি গঠিত হয়। ঐ কমিটি তৎকালীন প্রভাবশালীদের ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মহোদয়ের মনঃপুত না হওয়ায় তাদের ইচ্ছানুযায়ী এলাকাবাসীর তোয়াক্কা না করে পুনরায় এডহক কমিটি গঠন করে দায়িত্ব দেওয়া হয় বর্তমান অধ্যক্ষ( ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমানের পছন্দ অনুযায়ী কলাপাড়া পৌরসভার কাউন্সিলর হুমায়ুন কবিরকে। শুরু হয় ঐ ৭ টি পদে নিয়োগের জন্য দুর্নীতি ও ঘুষ বানিজ্যের পরিকল্পনা। এসময় লিখিত বক্তব্যে দুর্নীতির ও ঘুষের দেন দরবারের বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করেন।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তিনি আরও বলেন, ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় ডিজি মহোদয় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মহোদয়কে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশনা প্রদান করে। তারই প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের জানুয়ারির ৩০ তারিখে কমিটি, শিক্ষক এবং দাতা ও এলাকাবাসির সম্মতিক্রমে মাদ্রাসা অফিস কক্ষে মিটিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অবৈধ ঘোষণা করে একটি রেজুলেশন করা হয়। ঐ রেজুলেশনে নিরাপত্তা প্রহরী আল আমিনের বাবা হাফেজ সিদ্দিকুর রহমান স্বাক্ষর প্রদান করেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ি ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে স্ব-স্ব পদ থেকে চাকরি প্রাপ্তিরা তাদের পদত্যাগ পত্র দাখিল করেন। যা ম্যানেজিং কমিটির সভায় সর্বসম্মতি ক্রমে গ্রহীত হয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ বাতিল সম্পন্ন হয়েছে বলে মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন। বর্তমানে পদত্যাগ করা প্রার্থীরা ঐ ঘুষ ও দুর্নীতিগ্রস্থ নিয়োগ পুন:বহাল করার জন্য মাদ্রাসা অধিদপ্তরে একটি আবেদন দাখিল করেন। যার কারনে এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঘুষ বানিজ্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানোর জন্য এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন।

সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন, সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক ফারুকি, দৌলতপুর মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য মো. তৌয়বুর রহমান, গোলাম মাওলা,দৌলতপুর আদর্শ গ্রাম বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফারুক খান, কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শামসুল আলম, মেজবাহ উদ্দিন মান্নু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু, অমল মুখার্জি প্রমুখ।




সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালি) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান তালুকদার মারা গেছেন।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় ঢাকায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর ৯ মাস। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী এস.এম নুরুল্লাহ ইমন।

তিনি জানান, গত শুক্রবারে তাকে ঠাণ্ডাজনিত অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর নিউমোনিয়া ধরা পরে। এরপর থেকেই চিকিৎসা চলছিল তার। পরে রোববার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তবে তাকে কখন কোথায় নিয়ে আসা হবে, কিংবা কোথায় তাকে দাফন করা হবে সেই সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।

মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার ১৯৭২-৭৩ সালে থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭৩-৭৪ সাল পর্যন্ত তিনি কলাপাড়া থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৮৮ সালে তিনি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০২ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০০৩ সাল থেকে তিনি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাদের-চুন্নু এবং জালাল-জাহাঙ্গীর পরিষদের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

নবম এবং দশম সংসদে সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন মাহবুবুর রহমান। তবে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তিনি একাদশ সংসদে দলীয় মনোনয়ন পাননি। আর দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে লড়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে।




পাঠ্যপুস্তক সংশোধন কমিটিতে আলেম অন্তর্ভুক্তি চায় হেফাজত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপিত জাতীয় পাঠ্যপুস্তক সংশোধন ও পরিমার্জন কমিটিতে কোনো আলেম না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করে এই কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এই কমিটিতে আলেম প্রতিনিধি রাখার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রাজধানীতে হেফাজত আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে সংগঠনের খাস কমিটির এক বৈঠকে এই দাবি জানানো হয়।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন হেফাজত মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান, নায়েবে আমির আব্দুল হামীদ পীর সাহেব মধুপুর, আল্লামা জসিম উদ্দীন, আল্লামা সালাহ উদ্দীন নানুপুরী, আল্লামা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী, ড. আহমাদ আব্দুল কাদের, মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মুফতী হারুন ইজহার, মাওলানা মীর ইদরিস, মুফতী

সহকারী মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী বশিরুল্লাহ, অর্থ সম্পাদক মুফতী মুনির হুসাইন কাসেমী, দফতর সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ প্রমুখ।

বৈঠকে বলা হয় যে, সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জাতীয় পাঠ্যপুস্তক সংশোধন ও পরিমার্জন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে কোনো বিজ্ঞ আলেমের উপস্থিতি না দেখে আমরা যারপরনাই বিস্মিত হয়েছি। কারণ, স্বৈর-ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় পাঠ্যপুস্তকের অসঙ্গতি ও বিতর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে ওলামায়ে কেরাম ব্যাপকভাবে সোচ্চার ছিলেন। অথচ আজ এই নতুন বাংলাদেশে পাঠ্যপুস্তক সংশোধন কমিটি থেকে আলেমসমাজকে বঞ্চিত করে আবারও বিতর্কের পথ বেছে নেওয়া হলো। আলেমবিহীন এই বৈষম্যমূলক কমিটি আমরা জোরালভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।




কলাপাড়ায় নবজাতককে রেখে পালিয়েছেন মা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক নবজাতককে হাসপাতালে রেখে তার মা পালিয়ে গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে কলাপাড়া ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

বর্তমানে ওই নবজাতক হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. জে এইচ খান লেলিনের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, শেষ বিকেলে নবজাতকের মা তার সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে এসে শিশু ওয়ার্ডের ৮ নম্বর বেডে বসেন। রাত ৮টার দিকে ওই নবজাতককে ঘুম পাড়িয়ে চলে যান তিনি। পরে গভীর রাত পর্যন্ত তিন ফিরে না এলে সেবিকারা ওই নবজাতককে ডা. লেলিনের হেফাজতে রাখেন।

ডা. লেলিন বলেন, ‘ মা ফিরে না আসায় আপাতত আমরা দেখভাল করছি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি।’

শিশুটি শারীরিকভাবে সুস্থ আছে বলেও জানান তিনি।




জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় দেশী-বিদেশী উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়ে রাঙ্গাবালীতে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ‘জীবাশ্ম জ্বালানি মুক্ত ভবিষ্যতের জন্য লড়াই’ স্লোগানে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় দেশী-বিদেশী উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করা হয়েছে।

গ্লোবাল ডে অফ ক্লাইমেট এ্যাকশন উপলক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার আগুনমুখা নদীর তীরে এ কর্মসূচি করা হয়। এতে নদী ভাঙন কবলিত এলাকার শতাধিক নারী-পরুষ ও শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

এ সময় গ্রীন হাউস গ্যাস নিঃসরন কমানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানী গ্রহণ, জ্বালানী নীতিতে নারীদের অবস্থান সুদৃঢ় করা, ন্যায্যতার এবং ঐতিহাসিক দায়ের ভিত্তিতে জলবায়ু তহবিল বৃদ্ধি ও তাতে ভুক্তোভোগী দেশগুলোর অভিগম্যতা সহজীকরণসহ নানা দাবি তুলে ধরেন বক্তারা। সেই সঙ্গে জলবায়ু ন্যায্যতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে অতিসত্বর জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহবান জানানো হয়।

সুইডেন দূতাবাসের অর্থায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বেসরকারী সংস্থা ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) এর আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন, ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার ভার্কের উপজেলা প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ মোহসীন তালুকদার, রাঙ্গাবালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি কামরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক এম সোহেল, ক্লাইমেট এ্যাকশন গ্রুপের সদস্য সাব্বির হোসাইন, প্রকল্প কর্মকর্তা কানিজ সুলতানা প্রমুখ।




কলাপাড়া থেকে অপহরণ হওয়া শিশু বেনাপোল থেকে উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর কলাপাড়া থেকে অপহরণ হওয়া চারিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো. কামরুজ্জামান (৯) বেনাপোল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বলিপাড়া গ্রামের সাইফুল ঘরামির ছেলে মো. কামরুজ্জামান।

ঘটনা সূত্রে জনাগেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে কামরুজ্জামান তার স্কুল মাঠে খেলতে গিয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। উদ্ধারের পরে তার কাছ থেকে জানা যায় অপহরণকারীরা তাকে জোর করে ধরে অটোরিক্সায় নিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। পরে সে আর কিছু বলতে পারেনা। শুক্রবার সকাল ৯টার পরে বেনাপোল বন্দরের একজন স্থানীয় শিশুটিকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসা করলে সে তার ঠিকানা বলে। এসময় উদ্ধারকারী ব্যক্তি শিশুটিকে বেনাপোল বন্দর থানায় দিয়ে যায়। পরবর্তীতে শিশুটির পিতা কামরুজ্জামানের নাম্বারে ভিডিও কলে কথা বলে সিওর হয়। পরে পরিবারের লোকজন বেনাপোল বন্দর থানা থেকে শিশুটিকে নিয়ে নিজ গ্রামের বাড়ি কলাপাড়ার শনিবার ভোরে এসে পৌঁছায়।

চারিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম আর্শ্বেদ জানান, মো. কামরুজ্জামান আমাদের বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী খেলতে গিয়ে অপহরণ হয়। পরে তাকে বেনাপোল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।




পটুয়াখালীতে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবে সংঘটিত গণহত্যার বিচার, দুর্নীতিবাজদের গ্রেফতার ও অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তাদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা এবং সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে গণসমাবেশ করেছে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পটুয়াখালী চৌরাস্তায় একটি খোলা মাঠে এ গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামি সমাজভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

পটুয়াখালী সদর উপজেলা ও পৌর ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহবুবুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা সভাপতি মুফতি মো. হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহা. নজরুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি মাওলানা মুহা. কাজী গোলাম সরোয়ার প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা দুর্নীতিবাজদের গ্রেফতার ও অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্তের দাবির পাশাপাশি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব করেন। তারা দেশের উন্নয়ন এবং মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তির জন্য একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।




পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের অর্ধ-বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ১৯৬১ সালের প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকদের সংগঠন পটুয়াখালী প্রেসক্লাব এর অর্ধ বার্ষিক সাধারন সভা আনন্দঘন পরিবেশে ও শান্তিপুর্নভাবে অনুষ্ঠিত।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাব ভবনের ড. আতহার উদ্দিন মিলনায়তনে ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সোহরাব হোসেন এর সভাপতিত্বে সভার শুরুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাংবাদিকসহ নিহত সকল বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অর্ধ বার্ষিক সাধারন সভায় সম্পাদকের রিপোর্ট পেশ করেন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক জাকারিয়া হৃদয়, আয়- ব্যয়ের হিসেব উপস্থাপন করেন ক্লাবের ট্রেজারার মো. আতিকুর রহমান।

সভায় সম্পাদক ও ট্রেজারের পেশকৃত প্রতিবেধনের উপর আলোচনা করেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অতুল চন্দ্র দাস, সাবেক সভাপতি নির্মল কুমার রক্ষিত, সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সাবেক সভাপতি মো. জাকির হোসেন, সাবেক সভাপতি কাজী শামসুর রহমান ইকবাল, সাবেক সাধারন সম্পাদক মুফতী সালাউদ্দিন, সাবেক সাধারন সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স, সদস্য বিলাস দাস, সদস্য সৈয়দ হুমায়ুন কবির, সদস্য আব্দুল কাইউম, প্রাথমিক সদস্য কামরুজ্জামান হেলাল প্রমুখ।




পটুয়াখালীতে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় সাইফুল ইসলাম রাঢ়ী (২৮) নামের এক যুবদল নেতাকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। তাঁর মাথা, দুই হাত মুখ ও পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে।

উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের সুবিদখালী বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে শুক্রবার সন্ধ্যার পরে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সাইফুল ইসলাম রাঢ়ীর বাড়ি দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে নুরুল হক রাঢ়ীর ছেলে ও উপজেলার যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই আহত যুবদল নেতার পিতা হারুন রাঢ়ী কিশোর গ্যং সদস্য সিয়াম মুন্সী ও আলোচিত আতাউল্লাহ হাতটা চেষ্টা মামলার চার্জশিট ভুক্ত প্রদান আসামি কিশোর গ্যং নেতা তাওহীদকে অভিযুক্ত করে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার মুন্সি বাড়ি জামে মসজিদে মিলাদুন্নবীর খাবার মাটিতে পড়া নিয়ে হাসান রাড়ী ও জুয়েল খানের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বিকেলে চরখালী সমবায় বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে সিয়াম মুন্সী (২১) সাথে মাসুমের কথার কাটাকাটি হয়। স্থানীয় লোকজনের হস্তক্ষেপে তা মীমাংসা হয়ে যায়।

এর কিছুক্ষণ পরে সন্ধ্যা পাঁচটার দিকে সিয়াম মুন্সির পিতা তারেক মুন্সি যুবদল নেতা সাইফুল ইসলামের মুঠোফোনে কল করে ওই ঘটনার সম্পর্কে জানতে চায় এবং ঘটনা স্থলে আসতে বলেন। সাইফুল ইসলাম ঘটনা স্থলে আসার সাথে সাথেই আগে থেকে পেতে থাকা সিয়াম মুন্সি ও তার পিতা তারেক মুন্সীর নেতৃত্বে অন্যান্য অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরতর জখম করে করে। পরের স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসেন অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শেরে বাংলা হাসপাতালে পাঠান।

মির্জাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।