কার্যালয়ে ঢুকে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নঈম উদ্দীন সেন্টুকে (৭০) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফিলিপনগর ইউপি কার্যালয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুবুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তিনি নিয়মিত পরিষদে যেতেন। আজ সকালেও অন্যদিনের মতো বাড়ি থেকে সামান্য দূরে অবস্থিত ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদে যান চেয়ারম্যান নঈম উদ্দিন সেন্টু। পরে তিনি নিজ কার্যালয়ে বসে দাপ্তরিক কাজকর্ম করছিলেন। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন গ্রাম পুলিশ এবং দুইজন ইউপি সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এদিকে চেয়ারম্যানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা এলাকায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িতে লুটপাট ও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এসময় গণমাধ্যমকর্মীরা তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে গেলে তাদের ওপরও চড়া হয় উত্তেজিত জনতা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা যায়, নঈমুদ্দিন সেন্টু এক সময় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ সময় তাকে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে চলাফেরা করতে দেখা যায়। এর আগেও তিনি এই ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী গ্রাম পুলিশ সদস্য নাসির উদ্দিন জানান, তিনি চেয়ারম্যান কার্যালয়ের বাইরে বসে ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের পেছনের জানালা দিয়ে চার পাঁচ রাউন্ড গুলি চালায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। গুলির শব্দ শুনে তিনি প্রাণভয়ে পরিষদের একটি কক্ষে গিয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর তিনি ওই কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে গিয়ে দেখেন চেয়ারম্যান সেন্টুর গুলিবিদ্ধ নিথর দেহ ফ্লোরে পড়ে আছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এলাকাবাসী জানান, হত্যাকাণ্ড শেষে দুর্বৃত্তরা পদ্মা নদী দিয়ে ট্রলার যোগে পালিয়ে গেছে।

নিহত চেয়ারম্যানের জামাই হাসিবুর রহমান বিজয় বলেন, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে তার শ্বশুরকে এলাকার একটি গোষ্ঠী হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল। তারাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে।

নিহতের ছেলের বউ শামীমা আক্তার বলেন, বাবার সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে বের করার জন্য পুলিশের প্রতি অনুরোধ করছি।

দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা বলেন, ‘ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নইমুদ্দিন সেন্টুকে (৬০) পূর্বে বিএনপির রাজনীতি করতেন বর্তমান তিনি রাজনীতি থেকে নিস্ক্রিয় ছিলেন।’

এ ব্যাপারে ওই ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘চেয়ারম্যান সাহেব ইউনিয়ন পরিষদের নিজ অফিস কক্ষে বসে কাজ করছিলেন। এমন সময় আনুমানিক দুপুর সাড়ে ১১টা থেকে প্রথমে জানালা দিয়ে চেয়ারম্যানকে পেছন থেকে গুলি করা হয়। এরপর চেয়ারম্যানের কক্ষে ঢুকে আবারও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।’

ওসি মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার আগে পেছনে একাধিক গুলি করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 




৩৫ মানার আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার, মঙ্গলবার বৈঠক

বরিশাল অফিস ::সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণের দাবি মানার আশ্বাস দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে যমুনা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সমন্বয়ক রাসেল। এর আগে বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটের যমুনায় প্রবেশ করেন পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

সমন্বয়ক রাসেল বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস দীর্ঘ জার্নি করে এসেছেন। এজন্য উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘ এক ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে আমাদের। আলোচনার সময় চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর সুপারিশ কমিটির প্রধান সাবেক সচিব ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইলে আমাদের কথা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) জনপ্রশাসন সচিবের সঙ্গে আমাদের টিম আলোচনা করবে। এই দিন মূলত দাবি বাস্তবায়নের জন্য আলোচনা হবে।

দাবি বাস্তবায়ন আলোচনার প্রতিবেদন ৭ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে বলেও উল্লেখ করেন সমন্বয়ক রাসেল।

এই সমন্বয়ক আরও বলেন, এখনই আমাদের আন্দোলন স্থগিত নয়। এখান থেকে আমরা সরে এখন শাহবাগে যাবো সেখানে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেব পরবর্তী আন্দোলন কী হবে।




সার্কুলার ইকোনমি এন্টপ্রেনরশিপ প্রোগ্রামে ১ম পবিপ্রবি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: দ্য আর্থ আয়োজিত ইএমকে সেন্টারের অর্থায়নে সার্কুলার ইকোনমি এন্টপ্রেনরশিপ প্রোগ্রামে প্রথম হয়েছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) টিম।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বেলা ১১টা থেকে গ্রিন হরিজন নামক কুয়াকাটা বেজ যুব ক্ষমতায়ন স্টেকহোল্ডার পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক যাদব সরকার, পটুয়াখালী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসনাত মোহরনমাদ আরাফিন, দ্য আর্থ-এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মামুন মিয়াসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের শিক্ষার্থী তানজিদ হাসান জিসানের নেতৃত্বে পবিপ্রবি টিম প্রথম স্থান অর্জন করে। বিজয়ী টিম ‘প্লাস্টিকমুক্ত সাগরজল, কুয়াকাটা হবে নির্মল’ স্লোগ্রান সামনে রেখে দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায় কাজ করছে।

বিজয়ী টিমের নেতা তানজিদ হাসান জিসান বলেন, পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা থেকে প্রতিদিন প্রায় ২৫ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়। আমাদের মূল উদ্দেশ্য প্লাস্টিক দূষণ রোধ করে কুয়াকাটাকে পরিবেশবান্ধব পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। নির্মল মূলত প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি শক্তিশালী সাপ্লাই চেইন নেটওয়ার্ক তৈরি করবে। এই প্লাস্টিক বর্জ্য বিক্রির মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের অংশ অ্যাপের মাধ্যমেই হোটেল ম্যানেজার, প্লাস্টিক ব্যবসায়ী ও স্বেচ্ছাসেবীর কাছে পৌঁছে যাবে। আমাদের এ উদ্যোগ পুরোপুরিভাবে বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।




পটুয়াখালীতে ডিএফএর সভাপতি মামু‌নের পদত‌্যা‌গের দাবি‌তে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আ.ন.ম আমিনুল হক মামুনসহ জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ) এর সকল কর্মকর্তাদের অবিলম্ভে পদত্যাগ এবং যোগ্য কর্মকর্তাদের নিয়ে নতুন ডিএফএ কমিটি গঠন করে ফুটবল ও ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধূলায় ক্রীড়াঙ্গন উজ্জিবিত করার দাবীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে স্থানীয় বিভিন্ন ইভেন্ট’র ক্রীড়া সংগঠন ও খেলোয়াররা।

সোমবার বেলা ১১ টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও সমাবেশে উক্ত দাবীতে বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারন সম্পাদক জেলা জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের পৃষ্ঠপোষক বক‌তিয়ার উদ্দিন মুরাদ, জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের সংগঠক ফুটবলার আবুল হাওলাদার, ক্রীড়া সংগঠক নুবীন মোস্তাফি সুমন, এ্যাডভোকেট এনামুল হক রাসেল।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনালী অতিত ক্লাবের সভাপতি শেখ মেহেদী মাসুম, কারাতে প্রশিক্ষক রিয়াজ আহমেদ, ক্রীড়া সংগঠক মোতাহার হাওলাদার, জুয়েল মৃধাসহ শতাধিক সংগঠক খেলোয়ারবৃন্দ।

বক্তারা অবিলম্বে জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের দুর্নীতিবাজ সভাপতি আনম আমিনুল হক মামুনসহ ডিএফএ এর সকল কর্মাকর্তাকে অপসারন করে সৎ ও যোগ্য ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করে খেলাধূলায় প্রান ফিরিয়ে আনার জন্য জেলা প্রশাসকের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোরদাবী জানান।




মাকে গাছে ঝুলিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারল দুই ছেলে!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ভারতের ত্রিপুরায় ৬২ বছর বয়সী এক নারীকে গাছে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে তারই দুই ছেলের বিরুদ্ধে। গত পুলিশ শনিবার রাতে চম্পকনগর থানা এলাকার খামারবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই দুই ছেলেকে আটক করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। প্রায় দেড় বছর আগে স্বামীকে হারানোর পর ওই নারী তার দুই ছেলেকে নিয়ে থাকতেন। তার আরেক ছেলে আগরতলায় থাকেন।

জিরানিয়ার সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার কমল কৃষ্ণ বার্তা সংস্থা পিটিআইকে বলেন, একজন নারীকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, এমন খবর পাওয়ার পর সেখানে পুলিশের একটি দল গিয়ে দেখে, একটা পোড়া মরদেহ গাছের সঙ্গে বাঁধা। এরপর মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কমল কৃষ্ণ আরও বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আমরা তার দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের আজ সোমবার আদালতে হাজির করা হবে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হবে। ঘটনার পেছনে পারিবারিক কলহের কারণ হতে পারে।




কবরস্থানে ঘর তুলে যুবলীগ নেতার মাদকের কারবার – গুঁড়িয়ে দিল জনতা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি কবরস্থানের জমি দখল করে গড়ে তোলা স্থানীয় যুবলীগ নেতার মাদকের আখড়া গুঁড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় ছাত্র-জানতা।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের সরকারি কবরস্থান এলাকায় মাদকের আখড়া হিসেবে পরিচিত ওই ঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে সরকারি কবরস্থানের জমি দখল করে টিনশেড দোতলা ঘর তোলেন কালাইয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান মোল্লা। ওই আখড়ায় মাদক কেনা-বেচা, সেবন ও জুয়ার আসর বসত। ঘরটি যুবলীগ নেতা মিজান মোল্লার মাদকের আখড়া হিসেবেই পরিচিত।

মিজান মোল্লা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় স্থানীয়রা প্রতিবাদ করতে সাহস পাননি। মিজান মোল্লার প্রধান সহযোগী রেজাউল সরকার ওরফে রেজু মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। পুলিশের একাধিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হলেও রেজাউলকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

অবশেষে আজ রোববার দুপুরে বন্দরের বড় পুকুর পাড় এলাকা থেকে একটি মাদকবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল বের করেন স্থানীয় ছাত্র- জনতা। মিছিল নিয়ে ওই মাদকের আখড়া ভেঙে ফেলেন তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ হোসেন বলেন, যুবলীগ নেতা মিজান মোল্লা কবরস্থানের মধ্যে অবৈধভাবে ঘর তুলে মাদক ব্যবসা, সেবন ও জুয়ার আসর বসাতেন। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও প্রতিবাদ করার পরিবেশ ছিল না। প্রতিবাদ করে অনেকে লাঞ্ছনার শিকারও হয়েছেন। মুসলমানের ধর্মীয় পবিত্র স্থানে এমন মাদকের আখড়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হয় না। তাই এলাকার সচেতন ছাত্র-জনতা মাদকের আখড়াটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেনের বলেন, এমন কোনো বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলছে। অভিযান আরও জোরদার করা হবে।




শহীদ হৃদয় চন্দ্রের পরিবারের খোঁজখবর নিলেন পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চট্টগ্রামে নিহত পটুয়াখালীর প্রথম শহীদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র হৃদয় চন্দ্রের পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম।

এ সময় তার সঙ্গে ছাত্র প্রতিনিধি, ডিন, প্রক্টর, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা, রেজিস্ট্রারসহ একাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টায় পটুয়াখালীতে পৌছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা ও বর্তমানে পটুয়াখালী সদরের বাসায় শহীদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী শহীদ হৃদয় চন্দ্রের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছেন।

এ সময় তাঁর সঙ্গে আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর মোঃ আব্দুল লতিফ, বিএ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ সুজাহাঙ্গীর কবির সরকার, প্রক্টর প্রফেসর আবুল বাশার খান, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোঃ জিল্লুর রহমান, রেজিস্ট্রার (অ.দা.) প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান, প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন, প্রফেসর ড. মামুনুর রশীদ, ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মোঃ আমিনুল ইসলাম, ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ এমরান হোসেন, ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ আবু বকর সিদ্দিক, প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক মোঃ আরিফুর রহমান নোমানসহ ছাত্র প্রতিনিধি, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শহীদ হৃদয় চন্দ্রের আত্মার শান্তি কামনা করে বলেন, “শহীদ হৃদয়, শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মীর মুগ্ধসহ সহস্রাধিক শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। আমরা আপনাদের সন্তানকে ফিরিয়ে দিতে পারবো না; তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আপনারা যাতে সম্মানের সাথে জীবপ-যাপন করতে পারেন সে বিষয়ে আমার ক্ষুদ্র পরিসর হতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী-ফ্যাসিবাদ সরকার পতনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় চট্টগ্রামে শহীদ হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র হৃদয় চন্দ্র। তিনি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার রতন তরুরা ও অর্চনা রানী দম্পতির একমাত্র পুত্র সন্তান।




লঞ্চে ঘুরতে গিয়ে নিজেই লঞ্চ বানালো বরিশালের স্কুলছাত্র হাসান

বরিশাল অফিস :: লঞ্চে ঘুরতে গিয়ে নিজেই একটি রিমোট কন্ট্রোল লঞ্চ তৈরি করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বরিশালের স্কুলছাত্র মো. হাসান (১৫)। ৫ ফুট দৈর্ঘ্যের লঞ্চটি এরইমধ্যে পানিতেও ভাসিয়েছে সে। ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী প্রিন্স আওলাদ-১০ এর আদলে লঞ্চটি তৈরি করেছে হাসান।

হাসান বরিশাল নগরীর সিঅ্যান্ডবি রোডের দক্ষিণ আলেকান্দা কাজিপাড়ার এলাকার চা বিক্রেতা সিদ্দিকের ছেলে। সে বরিশাল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র।

হাসান জানায়, ককশিট, প্লাস্টিকের পাইপ, কাগজ, মোটর, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক তার, রিমোট কন্ট্রোলার ও পাখা দিয়ে লঞ্চটি তৈরি করতে তার সময় লেগেছে প্রায় দুই মাস। খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকার বেশি। লঞ্চটি তৈরি করে এরইমধ্যে পুকুরের পানিতেও ভাসিয়েছে সে।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রিন্স আওলাদ-১০ এর আদলে হাসানের বানানো লঞ্চটি রিমোট কন্ট্রোলড। লঞ্চে লাগানো হয়েছে একটি মোটর। মোটর দুটি চালু রাখতে পাওয়ার হিসেবে ১২ ভোল্টের একটি ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। মোটরটির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে দুটি পাখা, যা ঘুরিয়ে সামনে-পেছনে নিয়ে যায় লঞ্চটি।

তিনতলায় মাস্টার ব্রিজ থাকা এ লঞ্চটির বিভিন্ন তলায় বাহারি রঙের আলোকবাতি লাগানো হয়েছে। নিচতলায় ডেক ও সামনে দোতলায় ওঠার সিঁড়ি, দোতলা-তিনতলায় কেবিন এবং তিনতলার ওপরে পেছনের অংশে সাইলেন্সারের ধোঁয়া বের হওয়ার জায়গা। সামনে হেড লাইট রয়েছে, যা দেখতে হুবহু প্রিন্স আওলাদ-১০ লঞ্চের মতো।

কথা হয় লঞ্চ বানানো স্কুলছাত্র হাসানের সঙ্গে। সে বলে, ‘আমি সবসময় ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। সেজন্য লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি হাতে সময় পেলে কিছু বানানোর চেষ্টা করি। ছোটবেলা থেকেই কোনো কিছু দেখলেই সেটা বানানোর চেষ্টা করতাম। সম্প্রতি পরিবারের সহযোগিতা ও বড় ভাইয়ের আর্থিক সহায়তায় ২০ হাজার টাকারও বেশি খরচ করে লঞ্চটি তৈরি করেছি।’

লঞ্চটি দেখতে হুবহু প্রিন্স আওলাদ-১০ এর মতো। এর কারণ প্রসঙ্গে হাসান বলে, ‘বাবা-মায়ের সঙ্গে প্রিন্স আওলাদ-১০ লঞ্চে ঢাকা যাই। পরে বাড়ি ফিরে লঞ্চটি বানানো শুরু করি। প্রায় দুই মাসের চেষ্টায় সফল হয়েছি।’

লঞ্চটি নির্দিষ্ট দূরত্ব পর্যন্ত রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে পানিতে চলতে পারে বলেও জানায় স্কুলছাত্র হাসান।

হাসানের স্কুলশিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘ও ছোট থেকেই মেধাবী। তার এ কর্মকাণ্ডে আমরা শিক্ষক হিসেবে গর্বিত। তার মেধার যদি মূল্যায়ন করা হয় এবং অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করা হয়, তাহলে সে নতুন নতুন আবিষ্কার দেখাতে পারবে।’

বাবা সিদ্দিক বলেন, ‘আমার ছেলে পড়ালেখার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই এসব কাজ করে যাচ্ছে। এসব কাজের জন্য তাকে পরিবার থেকে সবসময় আর্থিক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা দেওয়া হয়। তার স্বপ্ন পড়াশোনা করে সে ইঞ্জিনিয়ার হবে। তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে আমি সবধরনের চেষ্টা করে যাবো। আমার বিশ্বাস সে একদিন ইঞ্জিনিয়ার হবে।




পটুয়াখালীতে ভাইরাল বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাইনবোর্ড

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীতে ‌‘বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন ২০২৪ এর অন্যতম সহযোদ্ধার বাসভবনে’র পোস্টর সম্বলিত একটি সাইনবোর্ডের ছবি সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আন্দোলনের নাম দিয়ে এমন সাইনবোর্ড টাঙানো নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে ছবিটি। এরপর শহরের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ছবিটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেন।

জুনায়েদ ইসলাম নামে এক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ফেসবুকে উপহাস করে ফেসবুকে লেখেন, ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কোনো সহযোদ্ধার বাসভবন এটা পটুয়াখালীবাসী জানতে চায়?’

মাকসুদুর রহমান নামে এক সংবাদকর্মী লেখেন, ‘আমাদের এলাকায় এ রকম একজন বিখ্যাত ব্যক্তির বাসভবন, তা না জানায় আমার অপরাধ কি জাতি মেনে নেবে?’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পটুয়াখালীর কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইলিয়াস হোসেন নামে এক ব্যক্তি তার বাসার সামনে গেটে সাইনবোর্ডটি লাগিয়েছেন। তার মেয়ে নুসরাত জাহান স্বপ্না পটুয়াখালী থেকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং গত ৩ ও ৪ ও ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবির আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। নুসরাত জাহান স্বপ্না পটুয়াখালী মহিলা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক (বিজ্ঞান বিভাগ) ২য় বর্ষের ছাত্রী। মেয়ের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণেই প্রায় এক মাস আগে বাসার গেটের সামনে সাইনবোর্ডটি টাঙান তিনি।

সরেজমিনে শনিবার রাতে শহরের কাজীপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পটুয়াখালী চক্ষু হাসপাতালের সামনে ইলিয়াস হোসেনের বাড়ি (হোল্ডিং নং-০৮০০৪-০০৯৭-০০)। বাসার সামনে গেটে লাগানো রয়েছে একটি সাইনবোর্ড, তাতে লেখা রয়েছে, ‘বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের-২০২৪ এর অন্যতম সহযোদ্ধার বাসভবন।’ নিচে ঠিকানা লেখা রয়েছে কাজী পাড়া, পটুয়াখালী।

ইলিয়াস হোসেনের স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমার স্বামী এবং মেয়ে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করছিল। তিনি কোনো কিছু পাওয়ার জন্য এই সাইনবোর্ড টাঙাননি। আমি আগেই তাকে মানা করছিলাম যে এমন সাইনবোর্ড না টাঙাইতে, মানুষে হাসাহাসি করবে। কিন্তু তিনি তার ভালো লাগার জায়গা থেকেই এই কাজটা করেন।’

এ বিষয়ে ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘আমি ও আমার মেয়ে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আন্দোলনের সফলতার পর ভালো লাগা থেকেই বাসার সামনে সাইনবোর্ডটি টাঙিয়েছিলাম। গত ৫ আগস্টের পর এটি টাঙাই। আজ দেখি ছবিটি ভাইরাল হয়ে গেছে।’




ড. ইউনূসের ভাষণ নিয়ে যা বলল জাতিসংঘ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। গতকাল শুক্রবার সংস্থাটির নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এই অবস্থানের কথা জানান মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক।

ব্রিফিংয়ে দুজারিককে প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস কিছুক্ষণ পূর্বে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি ভাষণে বাংলাদেশের জটিল পরিস্থিতি, গাজাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার চলমান যুদ্ধ এবং গাজা ও ইউক্রেনের মানবিক সংকটের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে জাতিসংঘের অংশীদার হিসাবে অবদান রেখে চলেছেন। তার আজকের এই ভাষণকে কীভাবে দেখছেন? আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে, প্রফেসর ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের মধ্যকার বৈঠক নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী জানাবেন?

জবাবে দুজারিক বলেন, অধিবেশনে দেওয়া প্রতিটি ভাষণ নিয়ে আমাদের মন্তব্য করার সুযোগ নেই। কোনো দেশ যখন তাদের সবচাইতে সম্মানিত কোনো প্রতিনিধিকে জাতিসংঘে পাঠায় তা আমাদের অবশ্যই সন্তুষ্ট করে।

প্রধান উপদেষ্টা গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেন। তিনি চারদিনের সফরকালে খুবই কর্মব্যস্ত সময় পার করেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইডলাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। সফরকালে প্রধান উপদেষ্টার ব্যাপক কর্ম-তৎপরতা বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিশ্বের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং অংশীদারিত্ব এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।