১০০ বছর পর পাওয়া গেল এভারেস্ট পর্বতারোহীর দেহাবশেষ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয়ের বরফের স্তূপ ধীরে ধীরে গলতে শুরু করেছে, যার ফলে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত চূড়ায় নিখোঁজ হওয়া পর্বতারোহীদের মৃতদেহ উন্মোচিত হচ্ছে। সম্প্রতি, ১০০ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া এক পর্বতারোহী অ্যান্ড্রু আরভিনের দেহাবশেষ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১১ অক্টোবর) ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তথ্যচিত্র নির্মাতাদের একটি দল মাউন্ট এভারেস্টের সেন্ট্রাল রংবুক হিমবাহ থেকে আরভিনের দেহাবশেষ আবিষ্কার করেছে। ১৯২৪ সালে আরভিন ও তার সঙ্গী জর্জ ম্যালরি এভারেস্টের চূড়ায় ওঠার চেষ্টাকালে নিখোঁজ হন। তাদের মিশন সফল হলে তারা হতেন প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী।

১৯৯৯ সালে ম্যালরির দেহাবশেষ পাওয়া গেলেও, আরভিনের কোনো খোঁজ মেলেনি। তবে এবার একটি বুট ও আরভিনের পায়ের অবশিষ্টাংশ আবিষ্কারের মাধ্যমে তার ভাগ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।




চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন পটুয়াখালীর রিক্সাচালক আনসার প্যাদা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত রিক্সাচালক আনসার প্যাদা (৩৫) চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহরমপুর গ্রামের বাসিন্দা আনসার ঢাকায় রিক্সা চালিয়ে সংসার চালাতেন। কিন্তু চার মাস আগে অসুস্থ হয়ে গ্রামে ফিরে আসার পর থেকে তার চিকিৎসার খরচ যোগাতে কষ্ট হচ্ছে।

স্বামীর অসুস্থতায় পরিবারে নেমে এসেছে সংকট। আনসারের স্ত্রী আমেনা বেগম জানান, স্বামীর আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তিনি মানুষের কাছে হাত পাতছেন, তবে সেই সামান্য আয় দিয়েও সন্তানের খাবার জোগানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বর্তমানে তিন সন্তান— নবম শ্রেণির ছাত্রী মোসা. আমান্তু, প্রথম শ্রেণির ছাত্রী মোসা. তুলি ও তিন বছরের ছেলে মারুফ—সহ বিপাকে পড়েছেন।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে আনসারের শরীরে লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে। এ খবর শোনার পর আমেনার মনে আকাশ ভেঙে পড়ে। দীর্ঘ চার মাস ধরে প্রাপ্ত সাহায্যে চলছে আনসারের চিকিৎসা, কিন্তু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তাকে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। আমেনার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে কারণ স্বামীকে যথাযথ চিকিৎসা করাতে না পারছেন তিনি।

আমেনা বলেন, “আমি চারপাশে অন্ধকার দেখছি। কোনো উপায় না পেয়ে সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি। যদি কেউ সাহায্য করেন, আমি মহান আল্লাহর কাছে দু’আ করবো।”

আমাদের সমাজের সাহায্যপ্রার্থী আনসার প্যাদার পরিবারকে সহযোগিতা করতে পারলে তারা নতুন জীবন ফিরে পেতে পারে।

**সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:** বিকাশ ০১৭৭৮৩৩৫১৮৭।




যে সুরা পাঠে আল্লাহর রহমত মেলে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:: পবিত্র কোরআনে প্রতিটি অক্ষর, আয়াত ও সুরা বিশেষ ফজিলত বহন করে। মহান আল্লাহ কিছু সুরা ও আয়াতকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন, যার মাধ্যমে বান্দা সওয়াব ও ফজিলত অর্জন করতে পারে, বিপদ থেকে নিরাপত্তা এবং রোগব্যাধি থেকে আরোগ্য লাভ করতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ‘সুরা ইখলাস’।

সুরা ইখলাস, পবিত্র কোরআনের ১১২তম সুরা, একমাত্র মহান আল্লাহর একত্ববাদের শিক্ষা দেয় এবং শিরক থেকে মুক্তির পথ দেখায়। হাদিস শরিফে উল্লেখ রয়েছে যে, এই সুরা তিলাওয়াতের মাধ্যমে পুরো কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াতের সওয়াব পাওয়া যায়।

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত একটি ঘটনা আছে যেখানে একজন সাহাবি বারবার ‘কুল হুআল্লাহু আহাদ’ (সুরা ইখলাস) পড়ছিলেন। এক ব্যক্তি সকালে রাসুল (সা.)-এর কাছে গিয়ে এই বিষয়টি পেশ করলেন, কারণ তিনি ভাবছিলেন, এত ছোট সুরা বারবার পড়ার সওয়াব কী হবে। তখন রাসুল (সা.) বললেন, “ওই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ! সুরা ইখলাস কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।” (বুখারি, হাদিস : ৫০১৩)

নবীজি (সা.) সাহাবায়ে কিরামকে সুরা ইখলাস পড়ার জন্য বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করতেন, বিশেষ করে রাতের ইবাদতে। আবুদ দারদা (রা.) বলেন, নবীজি একদিন বললেন, “তোমাদের প্রত্যেকেই কি প্রতি রাতে কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করতে পারে না?” সাহাবিরা বললেন, “আমরা দুর্বল, প্রতি রাতে এত বেশি পরিমাণ তিলাওয়াত করা আমাদের সাধ্যের বাইরে।” তখন রাসুল (সা.) বললেন, “আল্লাহ তাআলা পুরো কোরআনকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন এবং সুরা ইখলাসকে তিন ভাগের এক ভাগ গণ্য করেছেন।” (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২৭৪৯৮)

এক সাহাবির ইন্তেকালের ঘটনা সুরা ইখলাসের ফজিলতকে আরও স্পষ্ট করে। নিয়মিত সুরা ইখলাস তিলাওয়াতকারী এক সাহাবি ইন্তেকাল করলে, মহান আল্লাহ জিবরাইল (আ.)-এর নেতৃত্বে ৭০ হাজার ফেরেশতাকে তার জানাজায় অংশ নিতে পাঠান। মুয়াবিয়া ইবনে মুয়াবিয়া আলমুযানি (রা.)-এর জানাজায় নবীজি (সা.) এবং ফেরেশতাগণ উপস্থিত হন। জানাজা শেষে নবীজি (সা.) জিবরাইল (আ.)-কে জিজ্ঞেস করেন, “কোন আমলের মাধ্যমে মুয়াবিয়া এই উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হলো?” জিবরাইল (আ.) বলেন, “এটি ঘটেছে কারণ, সে দাঁড়িয়ে, বসে, হেঁটে এবং সওয়ারিতে তথা সর্বাবস্থায় সুরা ইখলাস তিলাওয়াত করত।” (মুজামে কাবির : ৮/১১৬, হাদিস ৭৫৩৭; মুজামে আওসাত, তবারানি)

অতএব, সুরা ইখলাসের তিলাওয়াতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বরকত অর্জন করা সম্ভব। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরা, যা আমাদের শিরক থেকে মুক্তি দেয় এবং আল্লাহর একত্ববাদের শিক্ষা দেয়।




‘গণহত্যার বিচার অচিরেই শুরু করব, তখন অনেক প্রশ্ন দূর হবে’

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যার প্রচুর আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাই–আগস্ট মাসের পৈশাচিক গণহত্যার বিচার অচিরেই শুরু করব, তখন দেখবেন, আমাদের অনেক দ্বিধা, অনেক প্রশ্ন দূর হয়ে যাবে।’

শুক্রবার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের শ্রী শ্রী মহাপ্রভুর আখড়া পূজামণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বর্তমান সরকার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সপ্তাহখানেকের মধ্যেই ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গঠিত হয়ে যাবে। এর কাজ কিন্তু ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। আমাদের প্রসিকিউশন টিম গঠিত হয়েছে প্রায় এক মাস হয়ে গেছে। আমাদের ইনভেস্টিগেশন টিম গঠিত হয়েছে দুই সপ্তাহ হয়ে গেছে।’

আসিফ নজরুল বলেন, ‘এই দেশে আমরা কেউ সংখ্যালঘু নই, কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠ নই। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। আমরা সবাই বাংলাদেশে সমান মর্যাদা, সমান অধিকার ভোগ করে থাকব। সবাই সবার ধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করব। সবাই শান্তি ও সুখে থাকব।’

এসময় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) তোফাজ্জল হোসেন, পুলিশ সুপার (এসপি) ফারুক হোসেন, সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাহিদ হোসেন, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অমর কৃষ্ণ দাস উপস্থিত ছিলেন।




আবার মালয়েশিয়া চলে যাচ্ছেন মিজানুর রহমান আজহারী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক ::দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর মালয়েশিয়া থেকে গত ২ অক্টোবর দেশে ফেরেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী। আজ শুক্রবার (১১ অক্টোবর) আবার মালয়েশিয়া চলে যাচ্ছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।

তিনি লেখেন, দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সংক্ষিপ্ত সফরে দেশে এসেছিলাম। বেশির ভাগ সময় পরিবারের সাথেই কাটিয়েছি। এরই মাঝে বিভিন্ন ঘরানার আলিম-ওলামা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে একটি ক্লোজ মিট-আপ প্রোগ্রাম করেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, সত্যিই সে-দিনটি বেশ উপভোগ্য ছিল। তবে শর্ট নোটিশে প্রোগ্রামটি আয়োজনের কারণে অনেক প্রিয় ভাই আসতে পারেননি। আবার কিছুটা তাড়াহুড়ো করে দাওয়াত দেয়ার কারণে, বেখেয়ালবশত অনেকে বাদ পড়েছেন। আশাকরি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। পরবর্তীতে সবার সাথে সাক্ষাতের প্রত্যাশা রইলো।

আজহারী আরও লেখেন, আজ মালয়েশিয়া চলে যাচ্ছি। মাস খানেক পর আবারও দেশে ফিরবো ইনশাআল্লাহ। তখন আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা, প্রটোকল, লোকেশন সিলেকশন, শ্রোতা ধারণ ক্ষমতা, অর্গানাইজিং ক্যাপাসিটিসহ সবকিছু অনুকূল হলে, দেশজুড়ে বিভাগীয় পর্যায়ে হয়ত কয়েকটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারি। তবে সব কিছুই নির্ভর করবে উপযুক্ত পরিবেশ ও পরিস্থিতির উপর।

ওয়াজ-মাহফিল নিয়ে তিনি লেখেন, আমি এ-জমিনে কোরআনের আলো ছড়িয়ে দিতে চাই পরিকল্পিতভাবে। তাই আগের মতো জেলায় জেলায় গণহারে তাফসির প্রোগ্রাম করতে চাচ্ছি না। আউটডোর প্রোগ্রাম সীমিত করে, কিছু ইনডোর প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে চাই। পাবলিক ইভেন্ট ছাড়াও অ্যাকাডেমিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাজে যুক্ত হতে চাই। এসব স্বপ্ন বাস্তবায়নে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। শিগগিরই এসব প্রকল্পের ঘোষণা আসবে ইনশাআল্লাহ। দোয়ায় রাখবেন।




পূজামণ্ডপে গান পরিবেশন নিয়ে বিতর্কের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ২

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : চট্টগ্রামের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপে গান পরিবেশন নিয়ে বিতর্কের ঘটনায় মামলা হয়েছে। চট্টগ্রাম কোতয়ালি থানায় একটি মামলাটি করা হয়। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের নাম জানা যায়নি।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) কাজী তারেক আজিজ বলেন, পূজামণ্ডপের অনুষ্ঠান মঞ্চে ইসলামি সংগীত পরিবেশনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১১টায় নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইনসে নগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

কাজী তারেক আজিজ আরও বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার আসামিদের বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হবে।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মণ্ডপে অনুষ্ঠানের মঞ্চে ইসলামি সংগীত পরিবেশন করেন একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম রাতেই পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। তিনি ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের আশ্বাস দেন।

জানা গেছে, পূজা উদ্‌যাপন কমিটির এক নেতার আমন্ত্রণে সংগঠনটি পূজামণ্ডপে গান করতে যায়। সংগঠনটির সদস্যরা শাহ আবদুল করিমের বিখ্যাত গান ‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’ এবং ‘শুধু মুসলমানের লাগি আসেনিকো ইসলাম, বিশ্ব মানুষের কল্যাণে স্রষ্টার এই বিধান’ গান দুটি পরিবেশন করে। এর মধ্যে ‘শুধু মুসলমানের লাগি আসেনিকো ইসলাম’ গানটির ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল জানান, সংগঠনটির সদস্যরা যুগ্ম সম্পাদক সজল দত্তের আমন্ত্রণে গান পরিবেশন করেছেন। তারা আমাদের অনুমতি নিয়ে এসেছেন।

অন্যদিকে সংগঠনের সভাপতি সেলিম জামান দাবি করেন, তারা কোনো জোরপূর্বক কাজ করেননি, বরং দাওয়াত পেয়ে গান করতে গিয়েছিলেন।




নবজাতককে মেনিনজাইটিস থেকে বাঁচাতে সতর্কতা: কী করবেন, কী করবেন না

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: মেনিনজাইটিস একটি ভয়াবহ রোগ, যা মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডের চারপাশের পর্দায় প্রদাহ সৃষ্টি করে। নবজাতকরা মেনিনজাইটিসের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ তাদের ইমিউন সিস্টেম এখনও পুরোপুরি বিকশিত হয় না। এ ধরনের সংক্রমণ শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে, তাই শুরু থেকেই সঠিক সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি।

মেনিনজাইটিসের কারণ:

মেনিনজাইটিস সাধারণত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা প্যারাসাইটের সংক্রমণের মাধ্যমে হয়। নবজাতকরা সাধারণত ব্যাকটেরিয়াজনিত মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়, যা সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে মারাত্মক হতে পারে।

লক্ষণ:

নবজাতকদের ক্ষেত্রে মেনিনজাইটিসের কিছু লক্ষণ রয়েছে, যা অভিভাবকদের জানা উচিত। এর মধ্যে রয়েছে:
– বারবার কান্না করা
– খাবার গ্রহণে অস্বীকৃতি
– জ্বর বা শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া
– খিচুনি বা অনিয়ন্ত্রিত চলাফেরা
– শরীরের অংশগুলোতে খিচুনির উপস্থিতি
– শ্বাসকষ্ট বা অসুস্থ দেখানো

প্রতিরোধের উপায়:

১. **স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা**: নবজাতককে নিয়ে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। শিশুর আশপাশে থাকা ব্যক্তিদের হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

২. **টিকা গ্রহণ**: নবজাতককে নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় টিকা দিতে হবে, যা মেনিনজাইটিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

৩. **সংক্রমণ থেকে দূরে রাখা**: নবজাতককে যে কোনও প্রকার সংক্রমণ থেকে দূরে রাখা উচিত। বাচ্চার সংস্পর্শে আসা লোকজনের শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থাকলে সতর্ক থাকতে হবে।

কী করবেন না:

– নবজাতককে ভিড় বা দূষিত জায়গায় নিয়ে যাবেন না।
– শিশুর আশপাশে ধূমপান বা দূষণমূলক কিছু করবেন না।
– অসুস্থ লোকদের কাছ থেকে শিশুকে দূরে রাখুন।

চিকিৎসা:

মেনিনজাইটিসের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। মেনিনজাইটিস প্রতিরোধে প্রাথমিক সতর্কতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসা নবজাতকের জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

নবজাতকের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের সুরক্ষার জন্য মেনিনজাইটিস সম্পর্কে সচেতনতা ও সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।




তৃতীয় বিয়ে করবেন শাকিব! দুই ছেলেকে নিয়ে কী পরিকল্পনা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান চলতি মাসেই মুম্বাইয়ে ‘বরবাদ’-এর শুটিং শুরু করবেন। আগামী বছর সঠিক সময় দেখে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। তবে অনন্য মামুনের ‘দরদ’ সিনেমা মুক্তি নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত নায়ক। কাজের ভিড়ে সবসময় ব্যক্তিগত জীবন সামনে চলে আসে ঢাকাই সুপারস্টারের। কাজ, তৃতীয় বিয়ে এবং সন্তানদের নিয়ে তিনি কথা বলেছেন আনন্দবাজার অনলাইনের সঙ্গে।

শাকিবের আরেক নাম ‘কিং খান’, ভারতে শাহরুখ খানকেও এই নামে ডাকা হয়। আপনিকি তার সঙ্গে নিজের কোনও মিল খুঁজে পান?

এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শাহরুখ খান একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মহাতারকা। এশিয়া মহাদেশের তারকাদের কাছে উনি অনুপ্রেরণার আরেক নাম। আমি মনে করি, শুধু ভারত নয়, সমগ্র মহাদেশের গর্ব তিনি। তার সঙ্গে তুলনার প্রশ্নই ওঠে না, আমি চিন্তাও করিনি কখনও এমন। তবে মানুষ একটু হলেও তার মতো করে আমাকে ভালবাসেন; বোধহয় এই মিলটুকু খুঁজে পাই। এটাই ভাল লাগার জায়গা।’

আসন্ন ছবি ‘দরদ’-এ সোনাল চৌহানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি জানালেন, ‘সোনাল ভীষণ সহযোগিতা পরায়ণ। চেষ্টা করেছেন ভেঙে চুরে নতুন ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করার। শুটিংয়ের সময় ওর যে মনোযোগ দেখেছি, আমার খুব ভাল লেগেছে। আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশ এবং ভারত বিশ্বের যেখানে ‘দরদ’ ছবিটি দেখানো হবে, দর্শকের ওর কাজ ভাল লাগবে।

দেশের বড় একটা পালাবদল অর্থনীতির ওপর প্রভাব পড়েছে, সিনেমা হলে ভাঙচুর হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে শাকিব খান বলেন, এমন একটা ঘটনার পর সব কিছু স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে সময় লাগে। আমাদের এখানকার একজন শিল্পীর ছবি যখন পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেল, তখনই ওখানাকার একটি আন্দোলনের ফলে মুখ থুবড়ে পড়ল সেটা। সবখানে কমবেশি ওলট-পালট থাকে। দেশের সঙ্কটে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করবে, আন্দোলন করবে এটাই স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষই অনেক কিছু ভাঙে। আবার তারাই গড়ে! নতুন কিছু এলে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়। তাই সব কিছু আবার যে ভাবে গড়ে উঠছে, আমি আশা করছি সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে কাজে মনোযোগী হয়েছেন। আমি আশা করছি, আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি আগের চেয়ে আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে।

দুই ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে অভিনেতা জানিয়েছেন, ওরা এখনো অনেক ছোট। বুঝতে শেখেনি। ওরা স্কুলে যাচ্ছে, লেখাপড়া করছে। বাবা হিসেবে আমি ওদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ চাই। আমি চাই ওরা আমার চেয়েও অনেক বড় হোক। ওদের সুন্দর ভবিষ্যৎ দেয়ার জন্য যা যা করতে হয় বাবা হিসেবে আমি করে যাবো।

বিয়ে নিয়ে নানা কাটাছেঁড়া হয়েছে, মানুষ শাকিবকে কতটা আঘাত দেয়? এই প্রশ্নে শাকিব খান বলেন, আঘাত তো দিয়েছেই। কোনও ভাঙনই তো সুখের নয়। যতটুকু হয়েছে, হয়তো সেটুকুই হওয়ার ছিল। ‘লাইফ ইজ আ জার্নি’। এই যাত্রায় অনেকের সঙ্গে দেখা হয়, পরিচয় হয়। আমার জীবনে দু’জন (অপু-বুবলী) অতীত, এটা আগেও বলেছি। অতীত হিসেবে তারা থাকুক। এ সব নিয়ে আমার আক্ষেপ-ভ্রূক্ষেপ কিছুই নেই। যা হয়েছে হয়তো ভালর জন্য হয়েছে। আমার দুই সন্তান, বাবা-মা, বোন ও তার পরিবার, কিছু কাছের আপন মানুষ, আমার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং দেশ বিদেশের কোটি কোটি ভালবাসার মানুষ রয়েছে, যারা আমাকে অঢেল ভালবাসা দেন; তাদের সবাইকে নিয়ে আমি খুব ভাল আছি।

তৃতীয় বিয়ে নিয়ে শাকিব জানান, মানুষ একা থাকতে পারে না। পরিবার এবং সমাজ নিয়ে বেঁচে থাকে। দেখা যাক, কোনও তাড়াহুড়ো নেই যে নির্দিষ্ট কোনও বছরের মধ্যে বিয়ে করতে হবে। যদি তেমন কিছু হয় পারিবারিক ভাবে হবে এবং সেটা বিয়ের পর্যায়ে যাবে। আমার বাবা-মার যেহেতু বয়স হয়েছে সন্তান হিসেবে তারা আমাকে সংসারী দেখতে চান।




কাঁঠালিয়ায় নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার

বরিশাল অফিস :: ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় সালমা আক্তার (২৫) নামের এক নারীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের সাতানি বাজার সংলগ্ন খাল থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার হয়। উদ্ধারকৃত সালমা আক্তার আওরাবুনিয়ার চোদ্দ বালিয়া গ্রামের মৃত ইউসুফ সিকদারের মেয়ে।

উল্লেখ্য, বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের সাতানি বাজারে মা বিলকিস বেগমের সাথে বাজার করতে যায় সালমা আক্তার। বাজার শেষে বাড়ির ফেরার পথে ব্রীজ পারাপারের সময় দুটি ইজিবাইক ব্রীজে উঠলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় ব্রীজের পাশের রেলিং উঠার চেষ্টা করে সালমা।

এসময় পা পিছলে খালে পড়ে নিখোঁজ হন তিনি। পরে গতকাল থেকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অনেক খোঁজাখুজি করেও উদ্ধার করতে পারেনি।

পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ব্রিজ সংলগ্ন খালে তার লাশ ভেসে ওঠে।




“রাষ্ট্র সংস্কারে জামাতে ইসলামী: শরিয়াহ আইন থেকে অর্থনৈতিক নীতি”

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: জামাতে ইসলামী বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবগুলো মূলত তাদের আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে গঠিত। তারা মনে করে, বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামো ইসলামী আদর্শের পরিপূর্ণ প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম নয়, তাই এটিকে সংস্কার করা প্রয়োজন। তাদের প্রস্তাবের বিস্তারিত নিম্নরূপ:

১. **শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা**:
জামাতে ইসলামী রাষ্ট্রের আইনি কাঠামোকে ইসলামের শরিয়াহ ভিত্তিতে ঢেলে সাজানোর পক্ষে। তাদের মতে, সমাজে নৈতিক অবক্ষয়, দুর্নীতি ও অপরাধ প্রতিরোধ করতে শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। শরিয়াহ অনুযায়ী শাস্তি ও পুরস্কার দেওয়ার পাশাপাশি, ইসলামিক আইনব্যবস্থা কার্যকর করার জন্য বিচার বিভাগকে পুনর্গঠনের প্রস্তাব তাদের অন্যতম প্রধান দাবি।

২. **ইসলামী অর্থনীতির প্রসার**:
জামাতের অর্থনৈতিক সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে মূলত ইসলামিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সুদমুক্ত ব্যাংকিং সিস্টেম, যাকাতের বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা, ধনী-গরিবের মধ্যে সম্পদের সুষম বণ্টন এবং অনৈতিক অর্থনৈতিক কার্যকলাপের অবসান। তাদের মতে, ইসলামী অর্থনীতি গ্রহণ করলে দারিদ্র্য হ্রাস পাবে এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়বে।

৩. **শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার**:
তাদের মতে, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা পাশ্চাত্যের অনুকরণে গড়ে উঠেছে এবং এতে ইসলামী শিক্ষা ও মূল্যবোধের অভাব রয়েছে। তারা প্রস্তাব দেয়, পাঠ্যক্রমে কুরআন, হাদিস, ইসলামী ইতিহাস এবং নৈতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। পাশাপাশি, ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষার মধ্যে ভারসাম্য আনয়ন করতে হবে। ইসলামী মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে দূরে সরে যাওয়ার লক্ষ্য তাদের।

৪. **পরিবার ও সামাজিক জীবন**:
জামাতের প্রস্তাবে ইসলামী পরিবার ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি জোর দেওয়া হয়। তারা চায়, পরিবার কাঠামোকে ইসলামী নিয়মে পরিচালিত করতে হবে, যেখানে নারীদের অধিকার রক্ষিত থাকবে কিন্তু পুরুষের সুরক্ষাকারী ভূমিকা স্বীকৃত হবে। বাল্যবিবাহ, তালাক এবং পলিগ্যামির ক্ষেত্রে ইসলামী শরিয়াহের নির্দেশনা মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৫. **রাজনৈতিক সংস্কার**:
তাদের মতে, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের জন্য একটি নৈতিক ও আধ্যাত্মিক ভিত্তিতে গড়া রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। জামাতে ইসলামী মনে করে, বর্তমান গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ইসলামের সঠিক প্রতিনিধিত্ব করে না। তাদের দৃষ্টিতে, একটি ইসলামী শূরা (পরামর্শমূলক) ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেখানে ইসলামী বিশেষজ্ঞরা রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

৬. **সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া সংস্কার**:
তারা মনে করে, বর্তমান সাংস্কৃতিক এবং মিডিয়া ব্যবস্থা ইসলাম বিরোধী চিন্তা ছড়াচ্ছে। তাই, মিডিয়াকে ইসলামী মূল্যবোধ প্রচারে ব্যবহার করতে হবে এবং সব ধরনের অবাধ ও অনৈতিক বিনোদন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। জামাতের মতে, সংস্কৃতি এমন হতে হবে, যা সমাজকে ইসলামের দিকে পরিচালিত করে।

৭. **আন্তর্জাতিক সম্পর্ক**:
জামাত একটি ইসলামী বিশ্বব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে কাজ করে, যেখানে মুসলিম দেশগুলো একে অপরের সঙ্গে কূটনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকবে। পশ্চিমা বিশ্ব এবং ইসলামবিরোধী শক্তির প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে একটি ইসলামী আদর্শে ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার দাবি তাদের অন্যতম।

জামাতে ইসলামীর এই প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য তারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংগ্রামের পথে রয়েছে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতায় এসে এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নের ইচ্ছা প্রকাশ করে। তবে তাদের এই প্রস্তাবগুলো নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে, বিশেষ করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থার অধীনে ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা নিয়ে সমালোচনা হয়।