সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রল, নিজেকে সামলাবেন যেভাবে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল করা যেন একেবারে সাধারণ একটি ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছুটা বিনোদনের অংশ হিসেবে ট্রল করা হয়ে থাকলেও, যখন তা সীমা অতিক্রম করে, তখন অনেকেই সেটি সামলাতে পারেন না। ট্রল সাধারণত অন্যদের মনে কষ্ট দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয় এবং এটি একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দেওয়ার পর যদি কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করে, তা মুহূর্তেই হাজার হাজার মানুষের কাছে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে ব্যক্তি জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। বিশেষ করে ট্রলিংয়ের মূল উদ্দেশ্য থাকে বিরক্ত করা বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া। তাই এই পরিস্থিতি মোকাবেলার কিছু উপায় রয়েছে:

### ১. ইগনোর স্ট্র্যাটেজি
ট্রলিংয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো বিরক্ত করা। তাই অনেক সময় ইগনোর করা সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ হতে পারে। যদি আপনি প্রতিক্রিয়া না দেন, তাহলে ট্রলিং করা ব্যক্তি আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে।

### ২. আত্মবিশ্বাস বজায় রাখা
ট্রলিং বা নেতিবাচক মন্তব্য আপনার আত্মবিশ্বাসকে প্রভাবিত করতে পারে। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনার মূল্যবানতা অন্যের কথার ওপর নির্ভর করে না। নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসী থাকুন এবং নেতিবাচকতা থেকে দূরে থাকুন।

### ৩. নেতিবাচক মন্তব্য ডিলিট বা ব্লক করা
যদি কেউ বারবার বিরক্ত করে বা অযৌক্তিকভাবে ট্রল করে, তাহলে তাকে ব্লক বা রিপোর্ট করতে পারেন। অধিকাংশ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের অপশন রয়েছে, যা আপনাকে ট্রল থেকে রক্ষা করতে পারে।

### ৪. সমর্থন নেটওয়ার্কে বিশ্বাস রাখা
পরিবার, বন্ধুবান্ধব বা অনুরাগীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সমর্থন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তাদের কাছ থেকে পাওয়া উৎসাহ আপনার মানসিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে।

### ৫. পেশাদার সহায়তা নেওয়া
যদি ট্রলিং বেশি সিরিয়াস হয় বা মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে পেশাদার কাউন্সেলিং বা সাইকোলজিস্টের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। তারা মানসিক চাপ মোকাবেলায় আপনাকে গাইড করতে পারবে।

### ৬. হিউমার ব্যবহার করা
কখনও কখনও ট্রলের উত্তরে বুদ্ধিমত্তা ও হিউমার দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো ট্রলিংয়ের প্রভাব কমাতে পারে। তবে এটি খুব সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে যাতে তা অপমানজনক না হয়ে যায়।




দুমকীতে পায়রার ভাঙনে নিঃস্ব শত পরিবার, বাড়িঘর ছাড়ছে মানুষ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাহেরচর এলাকায় পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে শতশত পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। চলতি মৌসুমে প্রায় শতাধিক পরিবার তাদের বাড়িঘর ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পশ্চিম আঙ্গারিয়া বাহেরচর এলাকার প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন কবলিত পরিবারগুলো সরকারি রাস্তার পাশে, আত্মীয় স্বজনের গোয়াল ঘর ও পাঁকের ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করছে। স্থানীয়রা জানান, পায়রা নদীর ভাঙনে ইতিমধ্যে প্রায় আড়াই কিলোমিটার এলাকা নদী গর্ভে চলে গেছে, যার মধ্যে রয়েছে ঘরবাড়ি, মসজিদ, মন্দির ও রাস্তা।

স্থানীয় বাসিন্দা সুধান চন্দ্র মিস্ত্রী (৫০) এবং সুধারঞ্জন চন্দ্র মিস্ত্রী (৮০) জানান, “আমাদের বাড়ি আগে এখানে ২-৩ কিলোমিটার দূরে ছিল। পায়রা নদীর ভাঙনের কারণে তিনবার আমাদের বসতবাড়ি স্থানান্তর করতে হয়েছে। এখনও আমরা ঝুঁকিতে আছি।”

আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য শাহীন গাজী বলেন, “গতকাল এক ভয়ংকর ঘটনা ঘটেছে। খেয়াঘাট এলাকায় বিশাল ফাটল ধরে নদী গর্ভে চলে যায়। এতে তিনজনকে ট্রলারযোগে উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে একজন মহিলা গুরুতর অসুস্থ ছিলেন।”

এলাকার প্যানেল চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান সোহরাব বলেন, “বাহেরচর মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে পায়রা নদীর ভাঙনে আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। শতশত পরিবার নদী ভাঙনে সবকিছু হারিয়ে এখান থেকে চলে গেছে।”

ভাঙন কবলিত অসহায়দের পুনর্বাসন এবং নদী ভাঙন রোধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয়রা।

দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মাহমুদ জানিয়েছেন, “এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফ হোসেন জানিয়েছেন, “বাহেরচরের নদী ভাঙন রোধে নভেম্বর মাসে জিও ব্যাগ স্থাপন করা হবে এবং স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।”




সাগরে নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর আন্দামান সাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘণীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ভোর ৬টায় নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৮৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭০০ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮২০ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি আরও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘ডানা’।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আজ সারাদেশে তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও আগামীকাল তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি কমতে পারে।




পিআর নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা, তিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের ‘মিটিং’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হকোন অ্যারাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রেক্স মোলার ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাক্স উইক্সের সঙ্গে বৈঠক করেছে জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর গুলশানে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের বাসায় এই ব্রেকফাস্ট মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের পক্ষ থেকে মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত মিটিংটি চমৎকার ও সন্তোষজনক হয়েছে। বৈঠকে নরওয়ে, ডেনমার্ক ও সুইডেনের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আলোচনায় বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন পদ্ধতি স্থান পায়। বর্তমানে নরওয়ে, ডেনমার্ক ও সুইডেনে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি বিদ্যমান, এবং তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশে এই পদ্ধতি চালুর বিষয়ে পরামর্শ তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে নরওয়ের ডেপুটি হেড অব মিশন মিস মারিয়ান রাবে ন্যাভেলসরুড উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন।

**ট্যাগ:** জামায়াতে ইসলামী, রাষ্ট্রদূত, নির্বাচন পদ্ধতি, নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেন, গণতন্ত্র, ব্রেকফাস্ট মিটিং, রাজনীতি




১৫৭.৯০ টাকা দরে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল এবং দেড় লাখ মেট্রিক টন (এমটি) সার সংগ্রহের জন্য পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। গতকাল অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির (এসিসিজিপি) অষ্টম বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

রাষ্ট্র পরিচালিত ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রায় ৮৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা দিয়ে সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে স্থানীয় ওপেন টেন্ডার মেথড (ওটিএম) এর আওতায় ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল সংগ্রহ করবে। এক্ষেত্রে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ১৫৭.৯০ টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রদত্ত নথি অনুযায়ী, সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এসিসিজিপি সভায় মোট পাঁচটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তিনটি পৃথক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) প্রায় ৮৭২ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় চীন, মরক্কো ও সৌদি আরবের তিনটি কোম্পানি থেকে এক লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার সংগ্রহ করবে। কোম্পানি তিনটি হলো- চীনের বনিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং লিমিটেড, মরক্কোর ওসিপি এবং সৌদি আরবের মা’আদেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আরেকটি প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) চলতি অর্থবছর (অর্থবছর ২৪) সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির অধীনে ৪র্থ লটে প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন দানাদার ইউরিয়া সার সংগ্রহ করবে। যার ক্রয়মূল্য ১২৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এ সারের প্রতি টনের দাম পড়বে ৩৫৯.৩৩ মার্কিন ডলার।




কলাপাড়ায় ক্যানসারে আক্রান্ত শিশু জামিলা বাঁচতে চায়

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: ছোট্ট শিশু জামিলা, মাত্র ছয় বছর বয়সে অসহ্য যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। তার বাম চোখে ধরা পড়েছে দুরারোগ্য ক্যানসার। অপারেশনের মাধ্যমে চোখটি তুলে ফেললে সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে। কিন্তু অর্থাভাবে তার চিকিৎসা চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের হাসনাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জামিলার বাবা সোহেল হাওলাদার সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন। কয়েক মাস আগে জামিলার বাম চোখে প্রথমে সমস্যা দেখা দেয়, পরে ধীরে ধীরে তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। ডাক্তার জানায়, তার চোখে টিউমার হয়ে তা ক্যানসারে পরিণত হয়েছে, তবে এটি এখন পর্যন্ত চোখের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

জানা গেছে, অপারেশনের আগে জামিলাকে আটটি ক্যামোথেরাপি দেওয়া হবে, যার প্রতিটির খরচ প্রায় ২৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে চিকিৎসার জন্য কয়েক লাখ টাকার প্রয়োজন, যা সোহেলের জন্য সম্ভব নয়। তিনি ও তার পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে ফেলেছেন এবং এখন মানুষের সহযোগিতা একমাত্র ভরসা।

জামিলাকে সাহায্য করতে চাইলে যোগাযোগের ঠিকানা: ০১৭৩২-৩৪৩১৬৬ (বিকাশ/নগদ)। এছাড়া তার নানা মো. বাহাদুর হাওলাদারের সিটি ব্যাংকের নম্বর ২২০৩৬১২০২৮০০১ অ্যাকাউন্টে সাহায্য পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, শিশুটির চিকিৎসার জন্য সরকারিভাবে সহায়তা প্রদান করা হবে। তিনি সমাজের সকলকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

 




ভোলায় হলুদ মরিচে বিষাক্ত রং মিশানোর ভিডিও ভাইরাল, ভোক্তা অধিকার নীরব

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ভোলায় অবৈধভাবে হলুদ মরিচে বিষাক্ত রং মিশিয়ে বিক্রির একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। জানা যায়, স্থানীয় একটি দোকানে করাতকলের কাঠের মিহি গুঁড়ার সঙ্গে রং, মরিচ ও হলুদ মিশিয়ে মরিচ প্রস্তুত করা হচ্ছিল।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ভোলার খালপাড় সড়কের মাকসুদ হলুদ মরিচ দোকানে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এক সাংবাদিকের ক্যামেরায় ধরা পড়ার পর বিষয়টি ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরকে জানানো হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পরে দোকান মালিক মাকসুদ ও তার ছোট ভাই আত্মগোপন করেন।

দোকান মালিকের বড় ভাই মোহাম্মদ মামুন বলেছেন, ছোট ভাইয়ের অপরাধে তারা দুঃখিত, তবে তারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত নন। স্থানীয় ভোক্তারা জানান, এসব অসাধু ব্যবসায়ী প্রকাশ্যে করাতকলের কাঠের গুঁড়ার সঙ্গে রং মিশিয়ে তাদের খাওয়াচ্ছেন।

বাজারে ভেজাল হলুদ ও মরিচের দাম তুলনামূলক কম থাকায় সাধারণ ক্রেতারা এগুলো কিনতে উৎসাহী হচ্ছেন। ভোলার নাগরিক অধিকার ফোরামের সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শাহীন বলেন, এই ধরনের প্রতারণা অব্যাহত থাকায় তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ঢাকা পিজি হাসপাতালের চিকিৎসক সাদ্দাম হোসেন খান বলেন, রাসায়নিক দ্রব্য মানুষের শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে, যার মধ্যে ক্যান্সার, কিডনি ও লিভারের রোগ অন্তর্ভুক্ত।

এদিকে, ভোক্তা অধিকার ভোলার এডিসি জানান, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আত্মগোপনে থাকায় তারা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কাজ করছেন।

 




শাকিব খানের সঙ্গে যুক্ত হলেন সিয়াম আহমেদ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ঢাকাই সিনেমার দুই জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান এবং সিয়াম আহমেদ সম্প্রতি একসঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে দেখা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের হাস্যোজ্জ্বল ছবি ভাইরাল হওয়ার পর ভক্তদের মধ্যে নানা জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই ভাবছিলেন যে তারা হয়তো একসঙ্গে কোনো সিনেমায় কাজ করতে যাচ্ছেন।

তবে পরে জানা গেছে, তারা কোনো সিনেমার জন্য নয়, বরং কসমেটিকস, স্কিনকেয়ার, পার্সোনাল কেয়ার এবং হোম কেয়ার পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান **রিমার্ক-হারল্যানের** সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। শাকিব খান এই প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর হিসেবে আছেন এবং এবার সিয়াম আহমেদ এই প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।

শাকিব খান সিয়ামকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, রিমার্ক-হারল্যান একটি অথেনটিক ব্র্যান্ড এবং সিয়ামের মত প্রতিভাবান শিল্পী এর প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সিয়ামও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, তিনি এই ব্র্যান্ডের সাথে যুক্ত হয়ে দেশের মানুষকে নকল ও ভেজাল পণ্যের গ্রাস থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করবেন।




পুকুরে কোরাল চাষে সফল পটুয়াখালীর আনোয়ার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর লতাচাপলী ইউনিয়নের মৎস্য চাষি আনোয়ার প্রথমবারের মতো পুকুরে বাণিজ্যিকভাবে কোরাল চাষে সফল হয়েছেন। আনোয়ার তার ৩০ শতাংশ জমির মিঠা পানির পুকুরে কোরাল চাষ শুরু করেন প্রায় এক বছর আগে। গবেষকদের তৈরি সিউইড সমৃদ্ধ কৃত্রিম ফিড ব্যবহার করে মাত্র এক বছরের মধ্যেই কোরালের ওজন ৩ থেকে ৪ কেজিতে পৌঁছেছে। এ সাফল্যে আনোয়ারের দেখাদেখি অনেকেই কোরাল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগে কোরাল চাষের এ নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবিত হয়েছে। ড. আবদুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে গবেষক দল থাইল্যান্ড থেকে ৭ শতাধিক কোরালের পোনা এনে আনোয়ারকে সরবরাহ করেন। পোনা গুলোকে কৃত্রিম ফিড দিয়ে সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে কোরাল মাছগুলো দ্রুত বর্ধনশীল হয়েছে।

ড. আবদুর রাজ্জাক জানান, এই প্রযুক্তি কোরাল মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করে উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্য চাষিদের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের উৎপাদন বাড়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।




শিক্ষানবিশ পুলিশ সুপারদের সমাপনী কুচকাওয়াজ স্থগিত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদা, রাজশাহীতে অনুষ্ঠিতব্য শিক্ষানবিশ পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ স্থগিত করা হয়েছে। রোববার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় একাডেমিক প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪০তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের এ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

জানা গেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ এবং প্যারেড পরিদর্শন করার কথা ছিল। এছাড়া পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ময়নুল ইসলাম এবং র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) এ কে এম শহিদুর রহমানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রোববার সকালের কুচকাওয়াজে অংশ নেওয়ার জন্য শনিবার রাতে সারদা পুলিশ একাডেমিতে অবস্থান করছিলেন। তবে শনিবার রাতে জানানো হয়, অনিবার্য কারণবশত শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের সমাপনী কুচকাওয়াজ স্থগিত করা হয়েছে।

সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান স্থগিত করার এরকম ঘটনা প্রথমবারের মতো ঘটল। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। ইতোমধ্যে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের আমন্ত্রণপত্র বিতরণ করা হয়েছে।