স্মার্টফোনের কনফিগারেশন ভালো না হলেও দুর্দান্ত ছবি তোলা সম্ভব, জেনে নিন কৌশল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি। এর ফলে বর্তমানে স্মার্টফোন হাতে হাতে, অনেকেই পছন্দ অনুযায়ী সাধ্যের বাইরে গিয়েও স্মার্টফোন কিনছেন। কনফিগারেশনের জন্য নয়, বরং কেউ ভিডিও গেমসের জন্য, আবার কেউ ভালো ছবি তোলার জন্য ক্যামেরার দিকে বেশি মনোযোগ দেন। তবে ক্যামেরা বা কনফিগারেশন ভালো হলেই যে ছবি ভালো হবে তা নয়। ছবি তোলা একটি শিল্প, যা শিল্পীর কল্পনা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার উপরে নির্ভর করে। তাই শখের জন্য বা পেশাগতভাবে ছবি তুলতে কিছু প্রাথমিক কৌশল জানা থাকলে ভালো ছবি তোলা সম্ভব।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে স্মার্টফোনগুলো অবিশ্বাস্যভাবে উন্নত হচ্ছে। বিভিন্ন কোম্পানি ব্যবহারকারীদের পছন্দ অনুযায়ী ক্যামেরার কনফিগারেশন নিয়ে স্মার্টফোন বাজারে এনেছে। ভালো ছবি তুলতে হলে কিছু প্রাথমিক কৌশল জানা দরকার। চলুন জেনে নেই সেই কৌশলগুলো:

1. ক্যামেরার লেন্স: ভালো ছবি তোলার জন্য স্মার্টফোনের ক্যামেরার লেন্স পরিষ্কার রাখা জরুরি। তা না হলে ছবি ঘোলা হবে। তাই লেন্সে ধুলাবালি না পড়ার দিকে নজর রাখতে হবে। শুতি কাপড় বা নরম টিস্যু দিয়ে নিয়মিত লেন্স পরিষ্কার করুন।

2. আলোর বিষয়ে নজর দেয়া: ফটোগ্রাফির জন্য আলোর প্রয়োজন। কোন আলোতে ছবি ভালো হবে, তা বুঝতে হবে। বেশি আলোতে ছবি ঝলসে যেতে পারে, তাই ক্যামেরার সেটিংস ঠিক করে আলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখুন।

3. বিষয়বস্তু: ভালো ছবি তোলার জন্য বিষয়বস্তু ও ফ্রেম গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়বস্তু ঠিক করে ফ্রেম এঙ্গেল ঠিক করা জরুরি। গ্রিড লাইনের সাহায্যে উপযুক্ত ফ্রেম নির্বাচন করুন।

4. ফোকাস এবং এক্সপোজার: বিষয়বস্তু ও ফ্রেম ঠিক থাকলে ফোকাস সঠিক রাখতে হবে। ফোকাস পয়েন্ট ঠিক করতে স্ক্রিনে আলতোভাবে চাপুন এবং এক্সপোজার সামঞ্জস্য করুন।

5. বিভিন্ন মোড সেটিংস: আধুনিক স্মার্টফোনে পোর্ট্রেট, নাইট, এবং প্রো মোডের মতো একাধিক মোড থাকে। বিষয়বস্তু অনুযায়ী মুড ব্যবহার করুন।

6. ইউনিক বিষয় চিন্তা করুন: ইউনিক বিষয় চিন্তা করে ফ্রেম ঠিক করুন। এতে ছবিটি অন্যদের সঙ্গে আলাদা হবে।

7. ছবি সম্পাদন: ছবি তোলার পর বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে ছবির রেজুলেশন ঠিক রেখে বাড়তি অংশ কেটে ফেলুন। কালার গ্রেডিং ব্যবহার করে ছবিটি আরও সুন্দর করে তুলুন, তবে এডিটিংয়ে অতিরিক্ত কালার গ্রেড ব্যবহার করবেন না।

 

এই কৌশলগুলো মেনে চললে, আপনার স্মার্টফোন দিয়ে দুর্দান্ত ছবি তোলা সম্ভব হবে।




প্রতিদিন ডিম খাওয়া কি হার্টের জন্য উপকারী?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ডিম, প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর খাবার, যুগ যুগ ধরে মানুষের খাদ্য তালিকার একটি অপরিহার্য অংশ। মুরগির ডিম সবচেয়ে পরিচিত হলেও, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ডিমের নানা জাত পাওয়া যায়। এটি সহজলভ্য এবং সস্তা হওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ।

অতীতে ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, পরিমিত ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যকর হতে পারে। ডিমে প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান রয়েছে যা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে রান্না করা ডিম স্বাস্থ্যকর হতে পারে এবং এটি শরীরের টিস্যু বজায় রাখতে সহায়তা করে।

ডিমের প্রোটিন পেশী তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণে কার্যকর। এতে ভিটামিন এ, বি ১২ এবং সেলেনিয়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও, ডিমের কোলিন হৃদরোগের জন্য ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

ডিমের উপকারিতা

ডিমে থাকা ভিটামিন ও খনিজগুলি মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমে সাহায্য করে, শক্তি বৃদ্ধি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লুটেইন ও জেক্সানথিন চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং মাখনের স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ডিমের প্রভাব

ডিম একটি কম-ক্যালোরি খাবার, তবে যারা হৃদরোগে ভুগছেন তাদের জন্য ডিম খাওয়া সীমিত করা উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাদ্য পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।

ঝুঁকির কারণ

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ডিম খাওয়া হৃদরোগ ও মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ডিমে থাকা উচ্চ কোলেস্টেরল এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট এসবের জন্য দায়ী। অধিক ডিম খাওয়া হজমের সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে, যেমন ফোলাভাব, গ্যাস এবং বদহজম।




গলাচিপায় ছাত্রদলের উদ্যােগে ন্যায্য মূল্যের দোকান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর গলাচিপায় ছাত্রদলের উদ্যোগে ন্যায্য মূল্যের দোকান বসেছে। এসময় দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ন্যায্য মূল্যের এই দোকান থেকে পণ্য কিনে খুশি ক্রেতারা।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) শহরের পৌর মঞ্চ চত্বরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। দোকানটি সকাল ১০টায় শুরু হয়। গলাচিপা উপজেলা ছাত্রদল, পৌর ছাত্রদল ও গলাচিপা সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এই দোকান পরিচালনা করেন।

জানা গেছে, ন্যায্য মূলের এ দোকানে ডিম প্রতি পিস ১১ টাকা, গাডা ৪০ টাকা কেজি, পটল ৪৫ টাকা কেজি, প্রতিপিস লাউ ৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০ টাকা, ভেন্ডি (ঢেড়স) ৪০ টাকা, ধনিয়া প্রতি আঁটি ২৫ টাকা, করলা ৫৫ টাকা, কুমার ৫৫ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, পাতাকপি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, ও প্রতি কেজি সিম ১৩০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। যা খুচরা বাজারের মূল্যের চেয়ে অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে এসব পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে।

দোকানে আসা ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, খুচরা বাজারের থেকে এখানে দাম কম শুনে তারা এসেছেন। যে বাজার ৪০০ টাকায় কিনতে হতো এখানে ২০০ টাকায় পাওয়া গেছে। এই দোকান চলমান রাখতে পারলে জনসাধারণ উপকৃত হবেন। এসময় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং করতে উপজেলা প্রশাসনকে পদক্ষেপ নিতেও অনুরোধ করেন তারা।

গলাচিপা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাব্বির আহমেদ প্রিতম বলেন, দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে আমাদের ন্যায্য মূল্যের দোকান। প্রতি সপ্তাহে একদিন এই দোকান পরিচালনা করা হবে। মানুষজন দোকান শুরুর সাথেই পণ্য ক্রয় করতে ভিড় করছে। অল্প সময়ের মধ্যে সব বিক্রি হয়ে যাবে।

উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় রুবেল বলেন, বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে আমরা পাইকারি মূল্যে পণ্য কিনে ওই দরেই বিক্রি করছি। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাঁচামাল ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে এই উদ্যােগ। আমরা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বাজার মনিটরিং করতে।




সময়ের অভাবে সকালে নাশতা বাদ দিচ্ছেন? জানুন কী ক্ষতি হতে পারে শরীরে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেই সকালের নাশতা এড়িয়ে চলেন। কেউ হয়তো ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য, আবার কেউ সময়ের অভাবে সকালে নাশতা করতে পারেন না। তবে এই অভ্যাস শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পুষ্টিবিদ চার্লি রিফকিনের মতে, সকালের নাশতা শরীরের বিপাকক্রিয়ায় সহায়ক হওয়ায় এটি শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী।

১. কর্মশক্তি হ্রাস:
সকালের নাশতা এড়িয়ে গেলে শরীরে শক্তি সঞ্চয় কম হয়, যা কর্মক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই সকালের খাবার গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সারাদিনের কাজের শক্তি যোগায়।

২. মুড সুইং ও মনোযোগের ঘাটতি:
সকালে খালি পেটে কাজ করলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় এবং মনোযোগ নষ্ট হয়। সকালের নাশতা মস্তিষ্কে সুখী হরমোন সেরোটোনিন নিঃসরণে সহায়তা করে, যা মনকে শান্ত রাখে।

৩. ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা:
সকালে সঠিকভাবে নাশতা করলে সারাদিন ক্ষুধা কম অনুভূত হয়। অন্যথায়, ক্ষুধার কারণে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।

৪. হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা:
নাশতা এড়ালে শরীরের স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যায়, যা মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। প্রোটিনসমৃদ্ধ নাশতা কর্টিসলের নিঃসরণ কমায় এবং শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করে।

৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
সকালের নাশতা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে শরীরের কোষগুলি সক্রিয় থাকে এবং জীবাণুর সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যায়। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে নিয়মিত সকালের নাশতা গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যস্ততার মধ্যে থাকলেও সকালের নাশতা বাদ দেওয়া ঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলুন, যা সারাদিন আপনার শরীরকে সজীব রাখবে।




বাংলাদেশে চলতি বছরে ইমো বন্ধ করেছে ৬ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ইমো কমিউনিটি গাইডলাইন না মানায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে ৬ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে। ইমো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের প্রথম ৯ মাসে বাংলাদেশে মোট ৬ লাখ ২৮ হাজার অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস উপলক্ষে অক্টোবরে তারা এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

ইমো আরও জানিয়েছে, কমিউনিটিতে ক্ষতিকর কনটেন্ট চিহ্নিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। বছরের প্রথম প্রান্তিকে এ ধরনের ক্ষতিকর পোস্টের ভিত্তিতে ব্যবহারকারীদের রিপোর্টের মাধ্যমে ৯০ হাজারের বেশি ঘটনা চিহ্নিত করা হয়।

ইমো বলছে, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে তাদের নিজস্ব কমিউনিটি গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে, যা সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।




বরিশাল নদী বন্দর: লাভ-ক্ষতি নিয়ে কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের নোটিশ-আবেদন

বরিশাল অফিস :: ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের অবশিষ্ট ইজারা মূল্য পরিশোধের জন্য ‘মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজ’ নামক প্রতিষ্ঠানকে বরিশাল নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ অফিসিয়াভাবে নোটিশ পূর্বক তাগিদ করেছে। বিপরীতে ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আর্থিক ক্ষতি পোষানোর লক্ষ্যে পূর্বের ইজারার টাকায় ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরেও ইজারা কার্যক্রম অব্যহত রাখার জন্য বরিশাল নদী বন্দর এর উপ-পরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন। চলমান বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে বরিশাল নদী বন্দরের নিয়ন্ত্রনাধীণ “কাঁচাবাজার (পাতাপট্টি) ঘাট লেঃ হ্যাঃ নৌ-যানের বার্দিং সহ শাকসবজি, তরিতরকারী ও সাধারণ মালামাল উঠা নামার লেবার হ্যান্ডলিং পয়েন্ট” নিয়ে ‘বন্দর কর্মকর্তা ও ঠিকাদার’ এর মধ্যে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

২২ সেপ্টেম্বর বরিশাল নদী বন্দর উপ-পরিচালক (বওপ) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর স্বাক্ষরিত প্রেরিত এক তাগিদ পত্রে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জন্য গত ২৭/০৫/২০২৪ইং তারিখে অনুষ্ঠিত ১ম দফা দরপত্রে ৩২ লাখ ২০ হাজার টাকায় ওই ঘাট/পয়েন্ট ‘মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজ’ নামক প্রতিষ্ঠানকে ইজারা প্রদান করা হয়। দরপত্রের সাথে জমাকৃত ৫০% এবং বাকি ৫০% টাকা দুই দফায় সমানভাবে সরকারী ব্যাংক এর (সোনালী ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি ও জনতা ব্যাংক পিএলসি) পে অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট এর মাধ্যমে বিআইডব্লিউটিএ বরিশাল দপ্তরের অনুকূলে দেয়ার কথা থাকলেও ৪৫ দিন অতিবাহিত হবার পরও পরিশোধ করেনি। যা ইজারা প্রদান পদ্ধতির অনুচ্ছেদ-২৭ ও ২৮ এর পরিপন্থী।

পত্র প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে কর্তৃপক্ষের সাথে ৩০০ টাকা মূল্যের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা সম্পাদন পূর্বক বকেয়া ইজারামূল্য বাবদ অবশিষ্ট ১৬ লাখ ১০ হাজার টাকা ওই সরকারী ব্যাংকে পে অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট এর মাধ্যমে পরিশোধ পূর্বক ঘাট/পয়েন্টটি পরিচালনার জন্য কার্যাদেশ দেয়া হল। ব্যর্থ হলে ইজারা নীতিমালা অনুযায়ী ঘাট/পয়েন্টটি বাতিল করা হবে। সদয় অবগতির জন্য যার অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে বিআইডব্লিউটিএ’র ঢাকা-বরিশালের গুরুত্বপূর্ণ ৮ স্থানে।

বিপরীতে ‘মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজ’ এর প্রোঃ মোঃ আলাউদ্দিন আলো চলমান মাসের ১৪ অক্টোবর বরিশাল নদী বন্দর উপ-পরিচালক (বওপ) বরাবর লিখিত এক আবেদনে জানিয়েছেন, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের ইজারা/ লাইসেন্স সম্মতিপত্রের ধারাবাহিকতায় আর্থিক ক্ষতি পোষানোর লক্ষ্যে পূর্বের ইজারা মূল্যে ও টাকায় ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জন্য ইজারা কার্যক্রম অব্যহত রাখার অনুমতি প্রদান প্রসঙ্গে।

লিখিত আবেদনে উল্লেখ করেছে, তিনি ২৪ লাখ টাকার উপরে জমা প্রদান করেছেন। পরবর্তীতে জুলাই-২৪ মাস হইতে শুরু হওয়া বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন ও ৫ আগষ্ট-২৪ এর পরবর্তী প্রেক্ষাপট এবং বিআইডব্লিউটিএ’র- জেটি কাজের জন্য নদী রক্ষাবাদ পাইলিং ওয়াকওয়ে, বালি পাথর বিভিন্ন মালামাল ও স্পিড বোর্ড রাখায় ইজারা দেওয়ার সীমানা সম্পূর্ণ জেটি নির্মাণের কাজ চলিতেছে। যে কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে দিশেহারা হন তিনি। ৫ আগষ্টের পর ব্যবসা-বাণিজ্য মন্দাভাব থাকায় লাখ লাখ টাকা লোকসানের শিকার হন।

আর্থিক ক্ষতি পোষানোর লক্ষ্যে বরিশাল নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন কাঁচাবাজার (পাতাপট্রি) ঘাট হ্যাঃ নৌ-যানের বার্দিং সহ শাকসবজি, তরিতরকারী ও সাধারণ মালামাল উঠা নামার লেবার হ্যান্ডিলিং পয়েন্ট-এর ২০২৪- ২০২৫ অর্থ বছরের ইজারা/ লাইসেন্স সম্মতিপত্রের ধারাবাহিকতায় আমার আর্থিক ক্ষতি পোষাইবার লক্ষ্যে পূর্বেও ইজারা মূল্যে ও টাকায় ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জন্য ইজারা ইজারা কার্যক্রম অব্যহত রাখার অনুমতি প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আবেদন করেন। সদয় অবগতির জন্য যার অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে বিআইডব্লিউটিএ’র ঢাকা-বরিশালের গুরুত্বপূর্ণ ৬ স্থানে।




গেম খেলার প্রলোভনে তথ্য চুরি করছে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: গেম খেলার প্রলোভন দেখিয়ে ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করছে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকার দল ‘লাজারাস’। তারা একটি ভুয়া গেমের ওয়েবসাইট তৈরি করেছে, যেখানে গেম ডাউনলোডের প্রলোভন দেখানো হচ্ছে।

যদি ব্যবহারকারীরা এই ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন, তাহলে গোপনে তাদের ইন্টারনেট ব্যবহার ইতিহাস এবং সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে নেয় হ্যাকাররা। পরে এই তথ্যগুলো নানা অপরাধে ব্যবহার করা হয় বলে জানিয়েছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি।

ক্যাসপারস্কির রিপোর্ট অনুযায়ী, ক্রোম ব্রাউজারের পুরোনো সংস্করণে একটি নিরাপত্তা ত্রুটি রয়েছে। এই ত্রুটির কারণে ব্যবহারকারীরা যদি হ্যাকারদের তৈরি ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন, তাহলে তাদের যন্ত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষতিকর কোড প্রবেশ করে এবং তথ্য চুরি করতে থাকে। গুগল গত মে মাসে ক্রোম ব্রাউজারের নতুন সংস্করণ উন্মুক্ত করেছে, তবে অনেক ব্যবহারকারী তা আপডেট করেননি। ফলে তারা সাইবার হামলার ঝুঁকিতে আছেন। নিরাপদ থাকতে ব্যবহারকারীদের নতুন সংস্করণ ১২৫.০.৬৪২২.৬০/.৬১ ব্যবহার করতে হবে।

হ্যাকাররা গেমারদের আকৃষ্ট করতে ‘ডিট্যাংকজোন’ নামের একটি গেম তৈরি করেছে, যা জনপ্রিয় ‘ডেফিট্যাংক ল্যান্ড’ গেমের আদলে তৈরি। এই কারণে অনেকেই হ্যাকারদের ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছেন, ফলে ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরি সহজ হয়ে যাচ্ছে।




জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে ‘ফোক ফেস্ট’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় লোকসংগীতের উৎসব ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্ট’ আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০১৯ সালে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এ উৎসবের পঞ্চম আসর। দীর্ঘ চার বছর বিরতির পর জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে এর ৬ষ্ঠ আসর।

সান কমিউনিকেশনসের এক্সিকিউটিভ ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর তানভীর হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, “গত পাঁচ বছর ধরে দর্শকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি। তাঁরা জানতে চেয়েছেন কেন ফোক ফেস্ট হচ্ছে না। অবশেষে জানাচ্ছি, আগামী জানুয়ারিতে আর্মি স্টেডিয়ামে বসছে ফোক ফেস্টের ৬ষ্ঠ আসর।”

তিনি আরও জানান, “আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম কিন্তু আর্মি স্টেডিয়ামের অনুমতি না পাওয়ার কারণে এতদিন বিষয়টি ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি অনুমতি পাওয়ার পর আমরা তারিখ ঘোষণা করছি। জানুয়ারির ২৩, ২৪ ও ২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে ফোক ফেস্ট।”

এবারের আসরে দেশ-বিদেশের কতকগুলি কিংবদন্তি শিল্পী অংশগ্রহণ করবেন, সেটিও প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। তবে সবকিছু চূড়ান্ত হলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

লোকগানের সুর ও সংস্কৃতি বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়ার সবচেয়ে বড় লোকসংগীতের এই অনুষ্ঠান।




মোবাইলে একটানা কথা বলার নিরাপত্তা: কত সময় সঠিক?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: মোবাইল ফোনের ব্যবহারে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন। মোবাইল রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ওয়েভের মাধ্যমে কাজ করে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিজ্ঞানীরা পরামর্শ দিয়েছেন, বিকিরণ থেকে বাঁচতে ফোনটি মাথার থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখা উচিত। কারণ, ফোনের কাছে থাকা কোষগুলি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এবং ফোনের দূরত্ব বাড়ালে কোষের ক্ষতি কমে।

একটানা মোবাইলে কথা বললে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। জরুরি প্রয়োজনে যদি দীর্ঘ সময় কথা বলতে হয়, তাহলে কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলেন, মোবাইলে টানা ৩ থেকে ৪ মিনিট কথা বলা মোটামুটি নিরাপদ। তবে ১০ মিনিটের বেশি কথা বলার পর মোবাইল ফোন গরম হয়ে যায় এবং মাথাব্যথা বা শোনার সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

মোবাইলে কথা বলার সময় মাসল ক্লান্ত হয়ে যায়, এবং একই কানে কথা বলার ফলে শুনতে সমস্যা হতে পারে। দীর্ঘসময় ফোন ব্যবহার করলে কানের ‘হেয়ার সেল’ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই, একটানা ১০ মিনিট কথা বলার পর থেকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়, যার ফলে ঘুমের সমস্যা ও মাথাব্যথা বৃদ্ধি পেতে পারে।

তবে, লাউড স্পিকার অন করে মোবাইলকে দূরে রেখে কথা বললে ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।




এআই উপস্থাপক নিয়োগ: সাংবাদিকদের প্রতি নতুন চ্যালেঞ্জ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) উপস্থাপক নিয়োগের মাধ্যমে পোল্যান্ডের একটি রেডিও স্টেশন নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ক্রাকোভের ওএফএফ রেডিও ক্রাকোভ এআইয়ের মাধ্যমে তাদের সম্প্রচার পরিচালনা করার উদ্যোগ নিয়েছে, যা দেশটির মিডিয়া ক্ষেত্রে একটি প্রথম।

এই রেডিও স্টেশনটি সাংবাদিকদের পরিবর্তে এআই-নির্মিত ভার্চুয়াল চরিত্র ব্যবহার করে অনুষ্ঠান সঞ্চালনার পরিকল্পনা করছে। তারা আশা করছে যে, তরুণ শ্রোতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করবে। স্টেশনটির প্রধান মার্সিন পুলিত জানিয়েছেন, “মিডিয়া ও সাংবাদিকতার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্ভাবনা নাকি হুমকি—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজবো আমরা।”

এদিকে, সাবেক সাংবাদিক মাতেউশ ডেমস্কি এক খোলা চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, এআইয়ের মাধ্যমে মানব কর্মীদের প্রতিস্থাপন একটি বিপজ্জনক নজির সৃষ্টি করছে। তিনি বলেছেন, “এটি সংবাদমাধ্যম ও সৃজনশীল শিল্পের অভিজ্ঞ কর্মীদের চাকরি হারানোর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।” তার খোলা চিঠিতে বুধবার সকাল পর্যন্ত ১৫,০০০-এরও বেশি স্বাক্ষর জমা পড়েছে, এবং তরুণদের মধ্যে এ ধরনের পরীক্ষার বিরুদ্ধে বিরোধিতা দেখা যাচ্ছে।

পুলিত জানিয়েছেন, এআইয়ের জন্য কাউকে চাকরি থেকে সরানো হয়নি, বরং শ্রোতাদের সংখ্যা কম থাকায় সাংবাদিকদের ছাঁটাই করা হয়েছে। অপরদিকে, দেশটির ডিজিটাল বিষয়ক মন্ত্রী ক্রিশ্টোফ গাওকভস্কি এআইয়ের ব্যবহার বিষয়ে আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।