৫ গুণে কর্মক্ষেত্রে হয়ে উঠতে পারেন সেরা কর্মী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: কর্মক্ষেত্রে সেরা কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করা বর্তমান সময়ে বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। প্রতিটি ক্ষেত্রে আধুনিকতার ছোঁয়া বাড়ছে এবং প্রতিযোগিতাও বেড়ে চলেছে। তাই কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকার জন্য নির্দিষ্ট কিছু গুণাবলী থাকা প্রয়োজন। চলুন জেনে নিই, সেই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ যা আপনাকে কর্মক্ষেত্রে সেরা কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

১. মানিয়ে নেয়ার ক্ষমতা: বর্তমান যুগে প্রযুক্তি ও কর্মপরিবেশে দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন রিমোট বা হোম অফিস সিস্টেম চালু করেছে। কাজের ধরন ও পরিবেশে পরিবর্তন এলে তা সহজে মানিয়ে নেয়া একজন কর্মীর বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়। এ মানসিকতা থাকলে কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আপনাকে কোম্পানির ভবিষ্যৎ ভাবনায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

২. প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা: আধুনিক কর্মক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠছে। প্রতিদিনই নতুন প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। কর্মক্ষেত্রে প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা রাখা ও সেগুলো শিখে দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দক্ষতা না থাকলে চাকরির বাজারে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

৩. নতুন দক্ষতা অর্জন: শুধু একটি কাজে দক্ষ হওয়া কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকার জন্য যথেষ্ট নয়। প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের নীতি ও ধরনে নিয়মিত পরিবর্তন আনে। তাই কর্মীদেরও নতুন দক্ষতা অর্জনের প্রয়োজন হয়। নতুন দক্ষতা কর্মীর পেশাগত উন্নতির সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানেও গঠনমূলক অবদান রাখতে সহায়ক হয়।

৪. সৃজনশীলতা: প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে সৃজনশীলতার ভূমিকা অপরিসীম। ব্যতিক্রমী চিন্তা ও নতুন আইডিয়া প্রতিষ্ঠানে আপনাকে বিশেষ কর্মী হিসেবে তুলে ধরতে পারে। সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে আপনি কর্মক্ষেত্রে নিজেকে আলাদা করতে পারেন এবং এটি কর্মক্ষেত্রে আপনার পরিচিতি বৃদ্ধি করবে।

৫. বিশ্লেষণ ক্ষমতা: কোনো পরিকল্পনার সাফল্য নির্ভর করে তার বিশ্লেষণের উপর। সঠিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত গ্রহণ একজন কর্মীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গুণ। কর্মক্ষেত্রে দূরদর্শিতা ও নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা আপনাকে অনন্য কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।

এই পাঁচটি গুণ কর্মক্ষেত্রে নিজের মূল্য বৃদ্ধি করে এবং সেরা কর্মী হওয়ার পথে সহায়ক হয়।




স্মার্টফোনে ধীর ইন্টারনেট? গতি বাড়ানোর সহজ কৌশলগুলো জানুন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: স্মার্টফোনে ধীর ইন্টারনেট অনেকেরই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যা ভিডিও স্ট্রিমিং, সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং, এবং চলার পথে কাজের ক্ষেত্রে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে। তবে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো সম্ভব। দেখে নিন কয়েকটি কার্যকরী উপায়।

সফটওয়্যার আপডেট: পুরনো সফটওয়্যার অনেক সময় নেটওয়ার্ক পারফরম্যান্সে সমস্যা করে। সর্বোচ্চ ইন্টারনেট গতি পেতে নিয়মিত সফটওয়্যার ও অ্যাপ আপডেট নিশ্চিত করুন।

ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপস বন্ধ করুন: ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অ্যাপগুলো অতিরিক্ত ডেটা ব্যবহার করে ইন্টারনেটকে ধীর করে। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো বন্ধ করুন।

ভিপিএন ব্যবহার: কিছু ভিপিএন সেবার মাধ্যমে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো সম্ভব। এটি ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে দ্রুত ও স্থিতিশীল সংযোগ দিতে পারে।

অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করুন: পপ-আপ বিজ্ঞাপনগুলো ডেটা খরচ বাড়ায়। একটি অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করলে ইন্টারনেটের গতি বাড়তে পারে।

ক্যাশে ও কুকিজ পরিষ্কার করুন: অ্যাপে জমে থাকা ক্যাশে ও কুকিজ মুছে ফেললে ইন্টারনেটের গতি উন্নত হয়।

নেটওয়ার্ক সেটিংস রিসেট করুন: কোনো টিপস কাজ না করলে নেটওয়ার্ক সেটিংস রিসেট করতে পারেন।

ম্যাক্সিমাম লোডিং ডেটা অপশন: অ্যান্ড্রয়েড ফোনে Wireless এবং Network সেটিংসে GPRS to Data Prefer চালু করুন, যা ইন্টারনেট গতি বাড়াতে সহায়ক।




২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবছেন না মেসি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: লিওনেল মেসি কি ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলবেন? শেষ এক-দেড় বছর ধরে এই প্রশ্নটা নিয়মিতই শুনতে হচ্ছে আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে। কেনই বা শুনবেন না? বয়স ৩৭ ছুঁয়ে ফেলেছে, বিশ্বকাপের সময় তার বয়স হবে ৩৯; ওই বয়সে বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে খেলার ধকল তার শরীর নিতে পারবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

তবে এই প্রশ্নের জবাব কখনও মেসি পরিষ্কার দেননি। তার জবাব সবসময়ই থাকে, ‘প্রতিটা দিন ধরে ধরে এগোতে চাই’। এবার ফ্যাব্রিজিও রোমানোকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারেও একই প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন তিনি। এবারও একটা বডি ডজেই তা এড়ালেন। ধোঁয়াশায় রাখলেন ভক্তদের।

সে বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির ভাষ্য, ‘আমি জানি না (২০২৬ বিশ্বকাপে খেলব কি না)। অনেক প্রশ্ন হয় এ নিয়ে, বিশেষ করে আর্জেন্টিনায়। আমি এ বছর ভালোভাবে শেষ করতে চাই, এরপর পরের বছরের প্রাক্‌–মৌসুম ভালোভাবে শুরু করতে চাই, প্রচুর ভ্রমণের জন্য যেটা গত বছর পারিনি।’

মেসি আভাস দিলেন এই বিষয়টা পরিষ্কার হতে পারে আগামী বছর মৌসুম শুরুর পর। তিনি বলেন, ‘(প্রাক্‌–মৌসুম ভালোভাবে শুরুর পর) আমি কেমন করছি, কেমন অনুভব করছি, সেটা বোঝার চেষ্টা করব। (২০২৬ বিশ্বকাপের) আমরা যেমন কাছাকাছি রয়েছি, তেমনি সময়ও হাতে আছে অনেক এবং ফুটবলে যেকোনো কিছুই হতে পারে। প্রতিটি দিন ধরে ধরে এগোচ্ছি, এর বাইরে ভাবছি না।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে উইঙ্গার ছিলেন মেসি। এরপর পেপ গার্দিওলার অধীনে বার্সেলোনার মূল গোলদাতার ভূমিকায় চলে আসেন তিনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার ভূমিকা বদলালেও বার্সেলোনায় শেষ পর্যন্ত তার কাজটা মূলত ছিল গোল করাই। পিএসজিতে গিয়ে তা বদলেছিল খানিকটা।

এখন খেলছেন মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে। সেখানেও আবার বদলেছে তার কাজের ধরন আরও খানিকটা বদলেছে। তবে এরপরও মেসি এবার ১৯ ম্যাচে করেছেন ২০ গোল, সঙ্গে গোল করিয়েছেন ১৬টি।

তিনি বলেন, ‘নিজের বয়স ও পরিস্থিতি বিবেচনা করেই আমি খেলার স্টাইল পাল্টেছি। ধীরে ধীরে সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছি। নিজেকে পাল্টে লিগের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শুরু করেছি, যেটা আমার জন্য নতুন। শুরু থেকেই স্বচ্ছন্দে ছিলাম।




মাইন্ডি: মন খারাপের কথা শোনার একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ‘মাইন্ডি’ নামটি অনেকের কাছে অপরিচিত হতে পারে, তবে এটি হাজারো তরুণের জন্য আশার আলো হতে পারে। এই প্ল্যাটফর্মটি শুধু তরুণদের জন্য নয়; যে কোনো বয়সের কেউ নাম পরিচয় গোপন রেখে এখানে সেবা নিতে পারেন।

২০২১ সালে যাত্রা শুরু করা এই প্ল্যাটফর্মটি এখন পর্যন্ত প্রায় ২,০০০-এরও বেশি মানুষকে সেবা প্রদান করেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যবহারকারী ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সী। মাইন্ডি ইমোশোনাল সাপোর্টের মাধ্যমে কাজ করে, তবে মূলত তারা মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রাথমিক চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেয়।

প্ল্যাটফর্মটির প্রতিষ্ঠাতা রেহানুজ জামান, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সফটওয়্যার প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী, ঢাকা পোস্টকে জানান, বাংলাদেশে মানসিক সমস্যা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা এখনো একটি চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায়ই মাইন্ডির যাত্রা শুরু হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দেশে সাইকোলজিস্টের সংখ্যা খুবই সীমিত, এবং এটি দ্রুত বাড়ানো সম্ভব নয়। তাই তাদের মনে হয়েছে, মনের প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে কাজ করার প্রয়োজন।

মাইন্ডিতে বর্তমানে ৩০ জনেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক কর্মরত রয়েছেন। তারা দুই ভাগে বিভক্ত: এক দল প্ল্যাটফর্মটির উন্নয়ন এবং অপর দলটির সদস্যরা ‘লিসেনারস’ নামে পরিচিত, যাদের মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীদের কথা শোনা। ব্যবহারকারীরা গোপন পরিচয়ে অন্যদের সঙ্গে যুক্ত হতে, বন্ধু বানাতে এবং কমিউনিটি গড়ে তুলতে পারেন। এখানে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন রিসোর্সও রয়েছে।

এক লিসেনার ইসরাত জানান, মাইন্ডিতে শ্রোতা হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাকে মানুষের আবেগ বুঝতে এবং তাদের মানসিক কষ্টে সহানুভূতিশীল হতে সাহায্য করেছে। তার মতে, মানুষ যখন একজন মনোযোগী শ্রোতা পায়, তখন তারা তাদের মনের কথা বলতে সাহস পায়।

রেহানুজ জামান আরো বলেন, শুরুতে তারা নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যবহারকারীদের সেবা দিচ্ছিলেন, তবে এ বছর তারা আরো বৃহৎ পরিসরে সেবা দিতে কাজ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে তাদের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু হয়েছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি ডাউনলোড করে অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সুবিধা নিতে পারেন।

 




গুণী অভিনেতা মাসুদ আলী খান আর নেই

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: একুশে পদকপ্রাপ্ত শক্তিমান অভিনেতা মাসুদ আলী খান আর আমাদের মাঝে নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে রাজধানীর কলাবাগানের নিজ বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।

তাকে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা রবিন মণ্ডল গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে মাসুদ আলী খানের দাফন কোথায় ও কখন হবে, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। বয়সের ভারে তিনি হুইলচেয়ারে নির্ভরশীল ছিলেন এবং বেশিরভাগ সময় ঘরের ভেতরেই কাটাতেন।

মাসুদ আলী খানের জন্ম ১৯২৯ সালের ৬ অক্টোবর মানিকগঞ্জের পারিল নওধা গ্রামে। ১৯৫২ সালে উচ্চমাধ্যমিক এবং ১৯৫৪ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। মঞ্চে অভিনয় দিয়ে শুরু করলেও ১৯৬৪ সালে টেলিভিশনে তার অভিষেক ঘটে নূরুল মোমেনের নাটক ‘ভাই ভাই সবাই’ দিয়ে। পরে সাদেক খানের ‘নদী ও নারী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। পাঁচ দশকের অভিনয় জীবনে প্রায় ৫০০ নাটকে বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন।

ব্যক্তিজীবনে মাসুদ আলী খান ১৯৫৫ সালে তাহমিনা খানকে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন সরকারি দফতরে কাজ করেছেন এবং ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সচিব হিসেবে অবসর নেন।

 




প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সাক্ষাৎ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকার তেজগাঁও কার্যালয়ে তাদের এই সাক্ষাৎ হয়।

এসময় একজন শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে লাফেভের দায়িত্ব পালন ও সেবার প্রশংসা করেন প্রধান উপদেষ্টা। একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তার আন্তরিক প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি।

জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে হেলেন লাফেভ বলেন, আমি ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে খুব গর্বিত।

এসময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের একটি চিঠি অধ্যাপক ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করেছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ ক্যাম্প থেকে উত্তর আমেরিকার দেশে পুনর্বাসন ত্বরান্বিত করছে।

আলোচনায় বিচারিক সংস্কার, দক্ষিণ এশীয় বিদ্যুৎ সংযোগ, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, স্বৈরচারী সরকার আমলে বাংলাদেশ থেকে চুরি হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা, বেসামরিক আমলাতন্ত্রের সংস্কার এবং শ্রম সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে।

লাফেভ জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই বাংলাদেশকে পরামর্শ ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে অর্থ উদ্ধার এবং বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে। ‘চুরি করা টাকা ফেরত দেওয়া কঠিন, কিন্তু এটা অসম্ভব নয়,’ বলেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা অবশ্যই এটি করব।

অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাপক শ্রম সংস্কার করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার প্রয়াসে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফর করবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ।




মির্জাগঞ্জে কৃষকের ৫টি গরু চুরি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় এক কৃষকের পাঁচটি গরু চুরি হয়েছে। এসব গরুর আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামে এই চুরির ঘটনা ঘটে।

গরুর মালিক মো. রুস্তম হাওলাদার বলেন, “আমি পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমার বলদ ও গাভিসহ পাঁচটি গরুকে ঘরের পাশে গোয়াল ঘরে বেঁধে রেখে আসি। আজ বুধবার সকালে গরুগুলো গোয়ালঘর থেকে নামাতে গিয়ে দেখি একটি গরুও গোয়াল ঘরে নেই। পাঁচটি গরুই দুর্বৃত্তরা রাতে চুরি করে নিয়ে গেছে।”

এ বিষয়ে দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. মোশারেফ হোসেনও চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম আহমেদ বলেন, “মঙ্গলবার রাতে রুস্তম হাওলাদার নামের এক কৃষকের পাঁচটি গরু চুরি হয়েছে। বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে এবং আমরা এ বিষয়ে তদন্ত করছি।”




বানারীপাড়ায় শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাবের ১৩ টি ল্যাপটপ চুরি

বরিশাল অফিস :: বরিশালের বানারীপাড়ায় ঐতিহ্যবাহী খলিশাকোটা হাই স্কুলের শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাবে রহস্যজনক চুরি সংঘটিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে এ চুরি সংঘটিত হয়। এসময় দুর্বৃত্তরা ১৩টি ল্যাপটপ চুরি করে নিয়ে যায়।

জানা গেছে,মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার খলিশাকোটা হাই স্কুলের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার দুটি কলাপসিবল গেট ও ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাবের কক্ষের মোট তিনটি তালা ভেঙে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা প্রবেশ করে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ১৩টি আধুনিক ল্যাপটপ নিয়ে যায়। স্কুলের দ্বিতীয় তলায় কম্পিউটার ল্যাবের পাশের কক্ষে বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী তাইজুল ইসলাম ঘুমানো ছিলেন।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে  তিনি বের হতে চাইলে কক্ষের বাহির থেকে দরজার আটকানো দেখতে পান। এসময় তিনি জানালা থেকে পাশের প্রাইমারী স্কুলের নৈশপ্রহরী কামালকে ডেকে তার মাধ্যমে দরজা খুলে বের হয়ে মুঠোফোনে চুরির বিষয়টি প্রধান শিক্ষককে জানান। খবর পেয়ে খলিশাকোটা হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডা. অন্তরা হালদার,থানার ওসি মো. মোস্তফা,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সহিদ চৌধুরী,কমিটির অভিভাবক সদস্য লতিফ মীর প্রমুখ ঘটনাস্থলে যান।

এসময় ইউএনও ডা. অন্তরা হালদার নৈশপ্রহরীকে শোকজ ও চুরির বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সহিদ চৌধুরী জানান,বুধবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে তিনি এ ব্যপারে বানারীপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ওই ল্যাবের ১৭ টি ল্যাপটপের মধ্যে চারটি অফিসিয়াল কাজে শিক্ষকদের রুমে থাকায় ১৩ টি চুরি হয়েছে।

এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোস্তফা বলেন,পাশের কক্ষে নৈশপ্রহরী ঘুমিয়ে থাকবে আর ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাবে চুরি সংঘটিত হবে তিনি টের পাবেন না এটা সন্দেহজনক। তাকে জিঙ্গাসাবাদ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও খলিশাকোটা হাই স্কুলের সভাপতি ডা. অন্তরা হালদার জানান, নৈশপ্রহরীকে শোকজ ও থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।’




বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডে জনবল নিয়োগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) (নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড ও সিএমসির যৌথ উদ্যোগের প্রতিষ্ঠান) জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানে তিন ক্যাটাগরির পদে চুক্তিভিত্তিতে ১৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (মেকানিক্যাল)

পদসংখ্যা: ৫

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি থাকতে হবে। জিপিএ-৫-এর স্কেলে ৩.৫০ ও সিজিপিএ-৪-এর স্কেল ৩.০০ থাকতে হবে। ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে এবং কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়স: ২০২৪ সালের ২৪ অক্টোবর সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

কর্মস্থল: পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক

বেতন: মূল বেতন ৫৪,৬০০ টাকা।

সুযোগ-সুবিধা: বাসাভাড়া, পাওয়ার হাউস ভাতা, স্বাস্থ্য সুবিধা, উৎসব বোনাস, ফ্রিঞ্জ বেনিফিট, গ্র্যাচুইটিসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে।

২. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (মেকানিক্যাল)

পদসংখ্যা: ৭

যোগ্যতা: স্বীকৃত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে মেকানিক্যাল/পাওয়ার/রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং/অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা থাকতে হবে। জিপিএ-৫-এর স্কেলে ৩.৫০ ও সিজিপিএ-৪-এর স্কেল ৩.০০ থাকতে হবে। ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে এবং কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়স: ২০২৪ সালের ২৪ অক্টোবর সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

কর্মস্থল: পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক

বেতন: মূল বেতন ৪২,০০০ টাকা।

সুযোগ-সুবিধা: বাসাভাড়া, পাওয়ার হাউস ভাতা, স্বাস্থ্য সুবিধা, উৎসব বোনাস, ফ্রিঞ্জ বেনিফিট, গ্র্যাচুইটিসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে।

৩. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল)

পদসংখ্যা: ৩

যোগ্যতা: স্বীকৃত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ইলেকট্রিক্যাল/ইলেকট্রনিক্স/ইনস্ট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড প্রসেস কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা থাকতে হবে। জিপিএ-৫-এর স্কেলে ৩.৫০ ও সিজিপিএ-৪-এর স্কেল ৩.০০ থাকতে হবে। ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে এবং কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়স: ২০২৪ সালের ২৪ অক্টোবর সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

কর্মস্থল: পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, কলাপাড়া, পটুয়াখালী।

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক

বেতন: মূল বেতন ৪২,০০০ টাকা।

সুযোগ-সুবিধা: বাসাভাড়া, পাওয়ার হাউস ভাতা, স্বাস্থ্য সুবিধা, উৎসব বোনাস, ফ্রিঞ্জ বেনিফিট, গ্র্যাচুইটিসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে।

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের বিসিপিসিএলের চাকরি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের এই লিংক থেকে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে সংশ্লিষ্ট পদে Apply বাটনে ক্লিক করে আবেদন করতে হবে।

আবেদন ফি

আবেদন ফি বাবদ ১ নম্বর পদের জন্য ৬০০ টাকা এবং ২ ও ৩ নম্বর পদের জন্য ৫০০ টাকা বিসিপিসিএলের চাকরিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়

১৪ নভেম্বর ২০২৪, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

 




১০ বছর পর্যন্ত সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর সুবিধা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে সহায়তা করতে সরকারের পক্ষ থেকে নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ১০ বছর পর্যন্ত আয়কর অব্যাহতির সুবিধা দেয়া হয়েছে। এই সুবিধাটি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে উৎপাদনে আসা কোম্পানিগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আয়কর আইন-২০২৩ এর ধারা ৭৬ এর উপধারা (১) অনুযায়ী, বেসরকারি খাতে পাওয়ার জেনারেশন পলিসি অব বাংলাদেশ-এর আওতায় বিওও ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর জন্য শর্ত সাপেক্ষে কর অব্যাহতি সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।

এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে যেসব কোম্পানি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে তাদের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করবে, তারা এই কর অব্যাহতির সুবিধা পাবেন। শুরুতে কোম্পানিগুলো বাণিজ্যিক উৎপাদন আরম্ভের পর প্রথম ৫ বছরের জন্য (প্রথম থেকে পঞ্চম বছর) শতভাগ কর অব্যাহতি সুবিধা পাবেন। এরপরের ৩ বছর (ষষ্ঠ হতে অষ্টম) ৫০ শতাংশ কর অব্যাহতি এবং পরবর্তী ২ বছর (নবম ও দশম) ২৫ শতাংশ কর অব্যাহতি সুবিধা পাবে।

কর অব্যাহতির এই সুবিধা গ্রহণের জন্য কিছু শর্তও নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিগুলোকে আয়কর আইনের সকল বিধান মেনে চলতে হবে এবং বাংলাদেশে প্রাইভেট সেক্টর পাওয়ার জেনারেশন পলিসির আওতায় নির্ধারিত সকল শর্ত পূরণ করতে হবে। পাশাপাশি, তাদের পরিচালনা পলিসিতে বর্ণিত ব্যবস্থা অনুসারে করতে হবে।

সরকারের এই উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে দেশের পরিবেশের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি, অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগও আকর্ষণ করবে।