বরিশালে আইএইচটিতে সিনিয়রদের হামলায় আহত জুনিয়ররা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: কথা কাটাকাটির সূত্র ধরে বরিশালের ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির (আইএইচটি) দ্বিতীয় বর্ষের ডজন খানেক শিক্ষার্থী হামলার শিকার হয়েছেন।

শুক্রবার (০৮ নভেম্বর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা অবধি পর্যায়ক্রমে হামলার শিকার হয়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইন্সটিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও হলের নিবাসী জহিরুল, সোহেল, বিশ্বজিৎ, আরাফাতসহ ১১ জন। হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহপাঠীরা।

আহতদের সূত্রে জানা গেছে, ৬ দফা দাবি আদায়ে ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) বরিশালের শিক্ষার্থীরা কিছুদিন ধরে কর্মসূচি পালন করে আসছে। তবে সম্প্রতি সিনিয়র ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী কর্মসূচিতে যাওয়া-না যাওয়া নিয়ে নানান কথা বলা শুরু করেন। কিন্তু যারা এগুলো করছিলেন তাদের শুরু থেকে কর্মসূচির সঙ্গে দেখা যায়নি।

এ নিয়ে জুনিয়র শিক্ষার্থীরা আলোচনা করায় শুক্রবার জুমার নামাজের পর দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালায় তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা। এরপর পর্যায়ক্রমে হলের ভেতরে থাকা জুনিয়র শিক্ষার্থীদের খুঁজে খুঁজে মারধর করে নাবিলসহ তৃতীয় বর্ষের ৮-১০ জন শিক্ষার্থী। যদিও এ বিষয়ে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাবিল শনিবার (০৯ নভেম্বর) দুপুরে জানিয়েছেন, এ ধরনের কোনো বিষয় তার জানা নেই।

জানতে চাইলে বৈষম্যবিরোধী মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বরিশাল আইএইচটি শাখার আহ্বায়ক সুলতান আবিদ হাসানকে কল করা হলে তিনি শুক্রবার ক্যাম্পাসে একটি ঝামেলা হয়েছে বলে জানান।

কয়েকজন হাসপাতালেও আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে আমাদের কর্মসূচির কোনো বিষয় জড়িত নেই। এটি কথা কাটাকাটির সূত্র ধরে সিনিয়র-জুনিয়র গ্রুপের কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যকার ঘটনা। খবর পেয়ে কলেজ অধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে এসেছিলেন। তিনি পরবর্তী কর্মদিবসে বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছেন।

আর সদস্য সচিব মো. জিদান জানিয়েছেন, দুই গ্রুপ শিক্ষার্থীর মধ্যে ঝামেলা হওয়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন, তবে বিস্তারিত জানেন না। আর এটি ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে সবাই বসে সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানান তিনি।

এদিকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে থানা পুলিশ। তবে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেউ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। যদিও তারা জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।




এক মঞ্চে নব্বইয়ের ৪ কালজয়ী ব্যান্ড

নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চারটি কালজয়ী ব্যান্ড নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ঢাকা রেট্রো’ কনসার্ট। ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ভেন্যু সমস্যা কারণে কনসার্টটি স্থগিত হয়ে যায়। তবে, এখন এটি ১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘ব্লু ব্রিক কমিউনিকেশন’ জানায়, কনসার্টটি রাজধানীর সেনা প্রাঙ্গণ হলে অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেবেন নগরবাউল জেমস, আর্ক, মাইলস ও দলছুট। এসব ব্যান্ডের সাথে আরও একটি চমক রয়েছে, আয়োজকরা সাবেক ওয়ারফেজ সদস্য গিটারিস্ট অনি হাসানকেও কনসার্টে যুক্ত করেছেন।

এই কনসার্ট নিয়ে শ্রোতা-দর্শকের মাঝে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যেই ৮০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। টিকিটের দুটি ক্যাটাগরি রয়েছে, ভিআইপি ২,৪০০ টাকা এবং সাধারণ ১,৪০০ টাকা। টিকিটের জন্য দর্শকরা ‘গেট সেট রক’-এর ওয়েবসাইটে গিয়ে এখনও টিকিট কিনতে পারেন।

আগামী ১৫ নভেম্বর কনসার্টটি শুরু হবে বিকেল ৫টায়। দর্শকদের জন্য গেট খুলে দেওয়া হবে বিকেল ৩টায় এবং সন্ধ্যা ৭টায় গেট বন্ধ হয়ে যাবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



শ্রীলঙ্কান যুবক প্রেমের টানে পটুয়াখালীতে এসে বিয়ে

পটুয়াখালীর দশমিনায় প্রেমের টানে ছুটে এসে বাংলাদেশি তরুণী সুবর্ণা আক্তারকে বিয়ে করেছেন শ্রীলঙ্কার যুবক দিলশান মাদুরাঙ্গা। গত বুধবার (৬ নভেম্বর) তিনি পটুয়াখালীর দশমিনায় পৌঁছান এবং বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি মেনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

জানা গেছে, দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্য গছানী গ্রামের নিজাম উদ্দিন সিকদারের মেয়ে সুবর্ণা পাঁচ বছর আগে কাজের সন্ধানে জর্ডানে যান। সেখানে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় পরিচয় হয় দিলশান মাদুরাঙ্গার সঙ্গে, যিনি সেই কারখানায় সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতেন। পরিচয় থেকে শুরু হওয়া সম্পর্কটি পাঁচ বছরের দীর্ঘ প্রেমে রূপ নেয়।

সুবর্ণা এক মাস আগে দেশে ফিরে পরিবারের সঙ্গে বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করেন। পরিবারের সম্মতিতে দিলশানকে বাংলাদেশে আসতে বলেন। দিলশান পটুয়াখালী আসার পর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে দিলশান ইসলাম নাম নেন। পরের দিন, পটুয়াখালী নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। একই দিনে সুবর্ণার গ্রামের বাড়িতে ইসলামি শরিয়া অনুযায়ী বিয়ের আয়োজন করা হয়।

এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হলে নব দম্পতিকে এক নজর দেখতে স্থানীয়রা সুবর্ণার বাড়িতে ভিড় জমান। সুবর্ণার বাবা নিজাম উদ্দিন সিকদার বলেন, “আমার মেয়ের সুখেই আমার সুখ। আমি ওদের জন্য দোয়া করি।”

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল আলীম জানান, “শ্রীলঙ্কার এক নাগরিক প্রেমের টানে দশমিনায় এসেছেন বলে শুনেছি, তবে বিস্তারিত তথ্য জানা নেই।”

অন্যদিকে, ইউএনও ইরতিজা হাসান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। তবে আইনে কোনো বাধা না থাকলে সমস্যা নেই।”

 




স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী রাখবেন

আজকের প্রযুক্তির উন্নতিতে স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের জীবন অনেক সহজ হয়ে গেছে। তবে স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়, যার ফলে তার আয়ু কমে যেতে পারে। কিন্তু কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করে স্মার্টফোনের ব্যাটারি অনেক সময় ভালো রাখা যায়। চলুন, জেনে নেওয়া যাক কীভাবে স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব:

১. স্ক্রীন ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন
স্ক্রীনের উজ্জ্বলতা বাড়ানো ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার একটি প্রধান কারণ। যদি স্ক্রীনের উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখা যায়, তবে ব্যাটারি অনেক সময় পর্যন্ত চলতে পারে।

২. শতভাগ চার্জ না করুন
স্মার্টফোনের ব্যাটারি লিথিয়াম আয়ন দিয়ে তৈরি হওয়ায়, অতিরিক্ত চার্জ বা পুরোপুরি চার্জ করলে ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সর্বোত্তম চার্জিং লেভেল হলো ৩০ থেকে ৮০ শতাংশ। তাই, ফোনের ব্যাটারি কখনো শতভাগ চার্জ না করাই ভালো।

৩. ফোনের ভাইব্রেশন বন্ধ রাখুন
ভাইব্রেশন রিংটোনের তুলনায় বেশি শক্তি খরচ করে। তাই, যতটা সম্ভব ফোনের ভাইব্রেশন বন্ধ রেখে রিংটোন ব্যবহার করুন।

৪. বালিশের নিচে ফোন চার্জ করবেন না
বালিশের নিচে ফোন চার্জ করলে ফোন গরম হয়ে যায়, যা ব্যাটারির ক্ষতির কারণ হতে পারে। খোলামেলা জায়গায় ফোন চার্জ দেওয়া উচিত।

৫. ব্রাইটনেস অটোমেটিক রাখুন
আধুনিক স্মার্টফোনে অ্যাম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সর থাকে, যা আশপাশের আলো অনুযায়ী স্ক্রীনের উজ্জ্বলতা সামঞ্জস্য করে। এটি ব্যাটারির ব্যবহার কমিয়ে রাখে।

৬. পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করুন
পাওয়ার সেভিং মোড স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপস বন্ধ করে, স্ক্রীনের উজ্জ্বলতা কমিয়ে এবং সিপিইউ কর্মক্ষমতা হ্রাস করে ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধি করে।

৭. ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ রাখুন
অনেক অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করে এবং বেশিরভাগ ব্যাটারি খরচ করে। এই অ্যাপগুলো বন্ধ রাখুন, যা ব্যাটারি সাশ্রয়ী করতে সাহায্য করবে।

৮. ডার্ক মোড ব্যবহার করুন
ডার্ক মোড ব্যাটারি অপচয় কমিয়ে দেয়, কারণ এতে স্ক্রীনে কম শক্তি লাগে। তাই, ডার্ক মোডে ফোন ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সম্পর্ক ভাঙার পরে সামলে ওঠার ৫ কার্যকরী উপায়

প্রত্যেকেই চায় একটি সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখতে, তবে বাস্তবতার চাপে অনেক সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরও জীবন এগিয়ে চলে, এবং এটি সামলানোর জন্য কিছু করণীয় আছে যা নতুন করে শুরু করতে সহায়তা করতে পারে। সম্পর্ক ভাঙার পর নিজেকে সামলে নেওয়ার জন্য অনুসরণ করতে পারেন এই উপায়গুলো:

১. বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান
সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে বন্ধু ও পরিবারের কাছ থেকে মানসিক সমর্থন নিন। তারা আপনাকে সাহস জোগাবে, খুশি রাখবে এবং আপনাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। এই সময় বন্ধু ও পরিবার আপনার সবচেয়ে বড় সমর্থন হতে পারে।

২. অন্য সম্পর্কে তাড়াহুড়ো নয়
ব্রেকআপের পর তাড়াহুড়ো করে অন্য সম্পর্কে না গিয়ে কিছু সময় বিরতি নিন। নিজের অনুভূতিগুলো বুঝে এবং কী ভুল হয়েছে তা অনুধাবন করার জন্য নিজেকে সময় দিন। এটি আপনাকে নিরাময় প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।

৩. সময় নিন
সম্পর্ক শেষ হলে অবশ্যই নিজেকে নিরাময় করার জন্য সময় দিন। দ্রুত নতুন সম্পর্কে না গিয়ে ব্যর্থ সম্পর্কের কষ্ট থেকে বের হয়ে আসার জন্য সময় ও স্পেস নিন।

৪. নিজের দিকে মনোযোগ দিন
সম্পর্ক ভাঙার পর শূন্যতা অনুভব করতে পারেন। এই সময় শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার প্রতি মনোযোগ দিন এবং নিজেকে ভালোবাসার সুযোগ দিন। নতুন শখ শুরু করা, দক্ষতা বাড়ানো ইত্যাদি নিজের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ হতে পারে।

৫. ইতিবাচক মানুষের সঙ্গে সময় কাটান
ব্রেকআপের মানসিক চাপ সামলাতে ইতিবাচক মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান। নেতিবাচক আবেগের পরিবর্তে ইতিবাচক মানসিকতা ও আনন্দ খুঁজে পেতে তাদের সঙ্গে সময় কাটান।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গ্যাস্ট্রিক দূর করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে

প্রায় সবাই কম-বেশি গ্যাস্ট্রিক বা বদহজমের সমস্যায় ভোগেন। খাবারের অনিয়মের কারণে এ সমস্যা দেখা দেয়, এবং অনেকে প্রাথমিক অবস্থায় ওষুধের ওপর নির্ভর করেন। তবে গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে ঘরোয়া উপায়ে কিছু পদ্ধতি মানলে দ্রুত আরাম পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নিই কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান সম্ভব:

১. দারুচিনি: গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমাধানে দারুচিনি অত্যন্ত কার্যকর। এটি অ্যাসিডিটি, পেটে ব্যথা এবং গ্যাসের সমস্যা সমাধান করতে সহায়তা করে। কফি, ওটমিল বা গরম দুধে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়। তবে দুধে সমস্যা হলে দারুচিনি গুঁড়া পানিতে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

২. বেকিং সোডা: বেকিং সোডা পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে বিশেষভাবে কার্যকর। এটি গ্যাস দূর করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা উপশম করতে সহায়তা করে।

৩. আদা: গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা উপশমে আদা বেশ উপকারী। আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ কমিয়ে দেয়। দুই কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ আদা কুচি দিয়ে ফুটিয়ে ১-২ চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে উপকার পাওয়া যায়।

ঘরোয়া এই পদ্ধতিগুলো গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর করতে বেশ কার্যকর। তবে নিয়মিত সঠিক খাবার গ্রহণ এবং পরিমাণে খাওয়ার বিষয়টি মেনে চললে দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পেটের চর্বি কমাতে ৫টি কার্যকরী উপায়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: পেটের চর্বি জমা শরীরের জন্য বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। পেটে অতিরিক্ত চর্বি জমে গেলে লিভার ও অন্ত্রের কার্যক্রম বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং পেশি ও জয়েন্টে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি রিজিওনাল অ্যানেস্থেসিয়া এবং পেইন মেডিসিনে পেটের চর্বির ক্ষতিকর দিক নিয়ে গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি উঠে এসেছে। তবে, পেটের চর্বি কমাতে কিছু কার্যকরী পদ্ধতি রয়েছে:

১. জীবনধারা পরিবর্তন:
দৈনন্দিন জীবনের কাজ যেমন হাঁটা, সাঁতার, সাইকেল চালানোর মাধ্যমে শরীর সক্রিয় রাখতে পারেন, যা অতিরিক্ত ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে।

২. সুষম খাবার:
চর্বিযুক্ত ও চিনিযুক্ত খাবার পরিহার করে আস্ত ফল, শাকসবজি এবং শস্যজাত খাবার খেতে চেষ্টা করুন।

৩. মানসিক স্থিতি:
মানসিক চাপ কমাতে যোগব্যায়াম ও ধ্যানের মাধ্যমে মনকে শান্ত রাখুন, যা কর্টিসল হরমোনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

৪. পর্যাপ্ত ঘুম:
প্রতিদিন ৭-৯ ঘণ্টা ঘুম শরীরের মেটাবলিজম ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত চর্বি জমার ঝুঁকি কমায়।

৫. পর্যাপ্ত পানি পান:
শরীরের হজম ও মেটাবলিজম ভালো রাখতে এবং চর্বি কমাতে পর্যাপ্ত পানি পান খুবই কার্যকর।

এই ছোটখাট পরিবর্তনগুলি আপনাকে পেটের চর্বি কমাতে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে।

তথ্যসূত্র: নিউজ১৮




ল্যাপটপ বিস্ফোরণের ঝুঁকি এড়াতে করণীয়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ল্যাপটপ বর্তমানে আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ। পড়াশোনা থেকে শুরু করে অফিসের কাজ, ল্যাপটপ সব জায়গায় ব্যবহৃত হয়। তবে এর সঠিক ব্যবহার এবং যত্ন না নিলে বিপদ হতে পারে, এমনকি বিস্ফোরণও ঘটতে পারে। তাই কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে ল্যাপটপকে ঠান্ডা রাখা যায় এবং বিস্ফোরণের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

১. কুলিং ফ্যান রক্ষণাবেক্ষণ:
ল্যাপটপের কুলিং ফ্যান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা অতিরিক্ত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। বিশেষ করে পুরোনো ল্যাপটপগুলোতে গরম হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। যদি ফ্যানটি সঠিকভাবে কাজ না করে তবে ল্যাপটপের বাইরে তাপ প্রবাহ কম অনুভূত হয়। এ অবস্থায় ফ্যান মেরামত করানো উচিত। এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে এবং বিস্ফোরণের ঝুঁকি কমাবে।

২. বায়ুচলাচল বজায় রাখা:
ল্যাপটপের নিচে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের অভাবে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই ল্যাপটপটি এমন স্থানে রাখা উচিত যেখানে বায়ুপ্রবাহ ভালোভাবে চলাচল করতে পারে। এছাড়াও, ল্যাপটপ কুলিং ম্যাট ব্যবহার করলেও অতিরিক্ত গরমের সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

৩. ল্যাপ ডেস্কের ব্যবহার:
অনেকেই কোলে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করেন, যা অত্যন্ত ক্ষতিকর। কোলে রেখে কাজ করার পরিবর্তে ল্যাপ ডেস্ক ব্যবহার করলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ল্যাপ ডেস্কে বায়ুপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকে, ফলে ল্যাপটপের তাপমাত্রা কম থাকে এবং দীর্ঘ সময় ব্যবহারে নিরাপদ থাকে।

৪. সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে রাখা:
ল্যাপটপ সরাসরি সূর্যের আলোতে ব্যবহার করা উচিত নয়। সূর্যের আলোর তাপে ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে। বাইরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে, ল্যাপটপকে ঠান্ডা স্থানে রাখতে হবে যাতে এর তাপমাত্রা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ল্যাপটপের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কুলিং সিস্টেমে যত্ন নেওয়া হলে বিস্ফোরণসহ অন্যান্য ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। তাই সঠিকভাবে ল্যাপটপ ব্যবহারের দিকে মনোযোগী হওয়া উচিত।




বাউফলে এইচটিভি টিকা গ্রহণের পর তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালীর বাউফলে এইচটিভি টিকা গ্রহণের পর বগা ইউনিয়নের বামনিকাঠি কেচি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকালে ওই শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে এই টিকা প্রদান করা হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, সকাল থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ১০৫ জন শিক্ষার্থীর টিকা গ্রহণের পরিকল্পনা ছিল। তবে দুপুর ১২ টার দিকে তিনজন শিক্ষার্থী টিকা নেয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে বাকি ২০ জন শিক্ষার্থী আর টিকা গ্রহণ করেননি। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন, “টিকার কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হননি। মূলত তারা আতঙ্কে অসুস্থ হয়েছেন। তাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।”




অনলাইনে নিরাপদ থাকার কার্যকর উপায়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: অনলাইনে নিরাপদ থাকা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কিছু কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো, যা আপনার ডিজিটাল নিরাপত্তা বাড়াতে সাহায্য করবে।

পাসওয়ার্ড:
অনুগ্রহ করে সাধারণ পাসওয়ার্ড যেমন “abcd123” ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। এই ধরনের পাসওয়ার্ড খুবই সহজে ভাঙা যায়। একটি জটিল পাসওয়ার্ড তৈরি করুন, যা আপনি সহজে মনে রাখতে পারবেন, কিন্তু অন্যরা বের করতে পারবে না। উদাহরণস্বরূপ, আপনার প্রিয় গান “আমি তো মরেই যাবো চলেই যাবো” থেকে শব্দগুলোর প্রথম অক্ষর নিয়ে পাসওয়ার্ড বানাতে পারেন, এবং মাঝে কিছু ক্যাপিটাল লেটার ও সংখ্যা যোগ করতে পারেন। পাসওয়ার্ড কাগজে লিখে রাখা থেকে বিরত থাকুন; এটি মনে রাখার চেষ্টা করুন।

ই-মেইল/ফিশিং:
ই-মেইলে পাঠানো কোনো লিংকে সহজে ক্লিক করবেন না এবং অ্যাটাচমেন্ট খুলতে আগে ভাইরাস স্ক্যানিং করুন। বন্ধু যদি কোনো লিংক পাঠায়, তবে সেগুলোও সতর্কতার সাথে দেখুন। সাইটে পাসওয়ার্ড দেওয়ার আগে নিশ্চিত করুন যে এটি আসল সাইট।

ফেসবুকের টোপ:
অনেক “ভদ্র” ব্যক্তি ফেসবুকে লোভে পড়ে কোনো রগরগে লিংকে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট হারিয়েছেন। লোভ সামলান; আপনার বন্ধু যদি চমকপ্রদ কোনো খবর পোস্ট করে, সেখানে ক্লিক করার আগে ভাবুন।

থাম্ব ড্রাইভ/ফ্ল্যাশ ড্রাইভ:
ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ভাইরাস ছড়ানোর অন্যতম মাধ্যম। অটোপ্লে/অটো-রান ডিজেবল করে রাখুন এবং অপরিচিত ফ্ল্যাশ ড্রাইভ কম্পিউটারে ঢোকানোর আগে স্ক্যান করুন।

সিস্টেম আপডেট:
নিয়মিতভাবে আপনার অ্যান্টিভাইরাস এবং অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করুন। এই প্যাচগুলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ।

মোবাইল ফোন:
মোবাইল ফোনে পিন লক চালু করুন। প্রায় ৪০% মানুষ এটি করে না, ফলে ছিনতাই হলে আপনার সব তথ্য হাতের নাগালে চলে যাবে।

লগ-আউট:
পাবলিক মেশিনে বসে কোনও অ্যাকাউন্টে লগ ইন না করাই উত্তম। যদি লগ ইন করতে হয়, তবে কাজ শেষে লগ আউট করতে ভুলবেন না।

সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং:
কখনও কাউকে ব্যাংক বা অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা দাবি করে পাসওয়ার্ড জানতে চাইলে বিশ্বাস করবেন না। নিজের পরিচিত নম্বরে কল ব্যাক করে সত্যতা যাচাই করুন।

অনলাইন নিরাপত্তার জন্য সতর্কতার শেষ নেই, তবে এই পয়েন্টগুলো অনুসরণ করলে নিরাপদ থাকা সম্ভব।