২০২৪-২৫ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল ও আয়কর পরিশোধে অনলাইনে নামমাত্র চার্জ

২০২৪-২৫ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল ও আয়কর পরিশোধে সহজ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনায় অনলাইন রিটার্ন দাখিল সিস্টেম (ই-রিটার্ন) ব্যবহারে ইন্টারনেট ব্যাংকিং, কার্ড পেমেন্ট, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) ওয়ালেটে আয়কর পরিশোধে সর্বোচ্চ নামমাত্র চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই চার্জের মধ্যে, বাংলাদেশে ইস্যুকৃত কার্ড বা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ২৫,০০০ টাকার পর্যন্ত লেনদেনে গ্রাহকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ২০ টাকা (ভ্যাটসহ) এবং ২৫,০০০ টাকার ঊর্ধ্বে লেনদেনে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা (ভ্যাটসহ) আদায় করা যাবে। এমএফএস বা পিএসপি ওয়ালেট ব্যবহার করলে লেনদেন প্রতি এক শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৩০ টাকা (ভ্যাটসহ) আদায় করা যাবে। এই লেনদেনের বিপরীতে কোনো চার্জব্যাক প্রযোজ্য হবে না।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২০২৪-২৫ করবর্ষে ই-রিটার্ন সিস্টেম চালু করে করদাতাদের জন্য আয়কর পরিশোধ প্রক্রিয়া আরও সহজ করেছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে এখন করদাতারা নির্ধারিত চার্জ দিয়ে অনলাইনে আয়কর পরিশোধ করতে পারবেন। এনবিআর করদাতাদের যেকোনো সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য কল সেন্টার এবং ইমেইল সেবা চালু করেছে। কল সেন্টারের নম্বর ০৯৬৪৩৭১৭১৭১, যেখানে করদাতারা তাৎক্ষণিক টেলিফোনিক সহায়তা পেতে পারেন। এছাড়া, www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটে করদাতারা ই-রিটার্ন সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে পারবেন।

এ-রিটার্ন সিস্টেমের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা ইতোমধ্যে ২.৫ লাখ ছাড়িয়েছে, যা কর পরিশোধের সঠিক পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশালে বাবার বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

বরিশাল নগরীর লুৎফর রহমান সড়কের একটি বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় রুপা আক্তার (১৮) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকালে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। রুপা সৌদি প্রবাসী লিমন শেখের স্ত্রী এবং দেলোয়ার ব্যাপারীর মেয়ে।

রুপা তার বাবা-মা ও ছোট ভাইয়ের সঙ্গে নগরীর লুৎফুর রহমান সড়কের জাহাঙ্গীর হোসেনের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

বরিশাল মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির শিকদার জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হয়েছে। তবে, বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ওসি জাকির শিকদার বলেন, বুধবার বিকালে একটার দিকে রুপার ছোট ভাই রামিন তার কোনো সাড়া না পেয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি দেয়। তখন রুপাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে রুমের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। এরপর দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




কেন টক্সিক সম্পর্ক ছেড়ে যায় না মানুষ?

টক্সিক সম্পর্ক ত্যাগ করা একটি জটিল এবং কঠিন প্রক্রিয়া। এটি শুধুমাত্র শারীরিকভাবে দূরে সরে যাওয়ার বিষয় নয়, বরং মানসিকভাবে দূরে সরে যাওয়া আরও বড় চ্যালেঞ্জ। মানুষের জন্য যেসব সম্পর্ক শারীরিক এবং মানসিকভাবে অত্যাচারী হতে পারে, সেখান থেকেও তারা কেন চলে যায় না? এই প্রশ্নের কিছু কারণ রয়েছে, চলুন সেগুলো দেখি।

১. আত্মসম্মান বোধের অভাব এবং অসহায়ত্ব:
যারা টক্সিক সম্পর্কের মধ্যে আছেন, তারা সাধারণত বা তো শুরু থেকেই কম আত্মসম্মান বোধ করেন, অথবা সম্পর্কের মধ্যে সঙ্গীর খারাপ ব্যবহার ও মানসিক অত্যাচারের কারণে তাদের আত্মসম্মান নষ্ট হয়ে যায়। এই আত্মসম্মানের অভাব তাদের স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অনুভূতি থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে, ফলে তারা সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না।

২. সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক চাপ:
অনেক সময়ে সামাজিক প্রত্যাশা, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সাংস্কৃতিক বিধিনিষেধের কারণে মানুষ টক্সিক সম্পর্ক ত্যাগ করতে চাইলেও পারদর্শী হয়ে উঠতে পারেন না। পরিবার বা সমাজের ভয় এবং লজ্জার কারণেও তারা এই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখে, বিশেষত যদি তাদের সন্তান থাকে।

৩. ট্রমা:
টক্সিক সম্পর্ক মানে কেবল খারাপ ব্যবহার নয়। অনেক সময় সঙ্গী কখনও অপমান করে, আবার পরক্ষণেই ক্ষমা চেয়ে নেয়। এই চক্রটি মনের মধ্যে ট্রমা তৈরি করে, যার ফলে ভিকটিমের পক্ষে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। এমন আচরণ সম্পর্কের মধ্যে মানসিক সংযোগকে আরও শক্তিশালী করে, যা মানুষকে সম্পর্ক ত্যাগ করতে বাধা দেয়।

৪. পরিবর্তনের আশা:
অনেক সময় মানুষের মধ্যে একটি আশা থাকে যে সঙ্গী পরিবর্তন হবে বা সম্পর্কের পরিস্থিতি উন্নত হবে। সঙ্গী যদি কখনো ক্ষমা চায় বা ভালো আচরণ করার প্রতিশ্রুতি দেয়, তখন তারা আশা করতে থাকে যে সম্পর্কের মধ্যে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু এই অপেক্ষা মাঝে মাঝে মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে একটানা অপব্যবহারের শিকার হতে থাকতে বাধ্য করে।

৫. প্রতিশোধের ভয়:
অনেক টক্সিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে, যদি ভিকটিম সম্পর্ক থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তারা প্রতিশোধের ভয় অনুভব করেন। অপব্যবহারকারী শিকারকে ভয় দেখিয়ে, তাদের এবং তাদের পরিবার বা পোষা প্রাণীদের ক্ষতি করতে পারে। এই হুমকি ভিকটিমের মনে এমন ধারণা সৃষ্টি করে যে সম্পর্ক ত্যাগ করার চেয়ে সম্পর্কের মধ্যে থাকা নিরাপদ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



জাতীয় দলে ফিরতে তামিম ইকবালকে যা করতে হবে

বাংলাদেশ ক্রিকেটে তামিম ইকবালের পদচারণা সবশেষ পড়েছে গেল বছর বিশ্বকাপের ঠিক আগে নিউজিল্যান্ড সিরিজে। এরপর থেকে নানা কারণে আর দলে ফেরা হয়নি তার। চোট কাটিয়ে তিনি এখন ফিট।

তাই তার দলে ফেরার আলোচনাও শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু এবার একটা শর্ত জুড়ে দিয়েছেন নির্বাচক হান্নান সরকার। তিনি জানিয়েছেন তামিমকে জাতীয় দলে ফিরতে হলে প্রক্রিয়া মেনেই ফিরতে হবে।

কী সে প্রক্রিয়া? পারফর্ম করতে হবে, এবং ফিটনেস টেস্টে উতরে যেতে হবে। হান্নান আজ মিরপুরে সংবাদ মাধ্যমকে জানান এ কথা। তিনি বলেন, তামিমকে নিশ্চয়ই ক্রাইটেরিয়ার মধ্যে দিয়ে আসতে হবে, ফিটনেস টেস্টে অংগ্রহণ করে। তামিমের কল আছে, এ ছাড়া বোর্ডের টপ ম্যানেজমেন্টের কল আছে।

সে টুর্নামেন্টে তামিমের খেলা সম্পর্কে হান্নান বলেন, এনসিএল টি-টোয়েন্টি খেলতে ইচ্ছা পোষণ করেছে সে (তামিম)। সেই জায়গাতে তার খেলাটা মোটামুটি কনফার্ম বলতে পারেন। কয়টা ম্যাচ খেলবে, কি করবে এটা এখনো সময় রয়েছে। তো সেটা আমরা আলোচনা করব।

তামিম আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় জাতীয় ক্রিকেট লিগের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট দিয়ে মাঠে ফিরতে চাইছেন। আগামী ১১ ডিসেম্বর শুরু হবে এই টুর্নামেন্ট। এরপর আগামী ২৩ ডিসেম্বর হবে ফাইনাল।




শীতের সকালের জন্য আরামদায়ক ও পুষ্টিকর ৪ পানীয়

শীতের আগমনে প্রকৃতি শীতল হতে শুরু করেছে। সেইসঙ্গে আমাদের শরীরেও আলস্যের প্রভাব পড়ছে। শীতের সকালে আরামদায়ক বিছানা ছেড়ে ওঠা যেন পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু কাজের তাগিদে আরামদায়ক বিছানাকে বিদায় জানানো ছাড়া উপায় নেই। তবে শীতের সকালে নিজেকে সতেজ রাখতে ও শরীরকে উষ্ণ রাখতে চুমুক দিতে পারেন কিছু উষ্ণ পানীয়তে। আসুন জেনে নিই, শীতের সকালের জন্য কোন কোন পানীয় হতে পারে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর।

১. আদা-লেবু চা

শীতের সকালে আদা-লেবু চা হতে পারে দারুণ উপকারী। আদার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে এবং পেশীকে প্রশমিত করে। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সর্দি-কাশির মতো মৌসুমী সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এই চা তৈরি করতে, গরম পানিতে কয়েক টুকরা আদা ফেলে দিন এবং অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে নিন। উষ্ণ এই পানীয় আপনাকে শীতের সকালে আরাম দেবে।

২. হলুদ দুধ (গোল্ডেন মিল্ক)

হলুদ দুধ, যা গোল্ডেন মিল্ক নামে পরিচিত, এটি প্রদাহ বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। হলুদে থাকা কারকিউমিন হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিসহ বিভিন্ন উপকার দেয়। এটি তৈরি করতে গরম দুধে এক চা চামচ হলুদের গুঁড়া মেশান, তার সঙ্গে যোগ করুন এক চিমটি কালো মরিচ, যা শরীরে কারকিউমিন শোষণ করতে সাহায্য করে। ইচ্ছা হলে মধু দিয়ে মিষ্টি করতে পারেন।

৩. দারুচিনি-মধুর পানি

দারুচিনি এবং মধুর মিশ্রণ শরীরের বিপাক ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। দারুচিনিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল করতে সহায়ক। শীতের সকালের জন্য এটি একটি চমৎকার পানীয়। এক কাপ গরম পানিতে একটি দারুচিনির টুকরা বা আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে দিন, এরপর এক চা চামচ মধু দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন। শীতের সকালে এটি আপনাকে উষ্ণ রাখবে এবং সতেজ অনুভূতি দেবে।

৪. ক্যামোমাইল-ল্যাভেন্ডার চা

ক্যামোমাইল ও ল্যাভেন্ডার চা তার শান্তিপূর্ণ প্রভাবের জন্য সুপরিচিত। এটি মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে এবং বিশেষ করে শীতের সকালে মানসিক প্রশান্তি দেয়। ক্যামোমাইল হালকা হওয়ায় এটি হজমে সহায়ক এবং ল্যাভেন্ডার প্রশান্তিদায়ক সুবাস যোগ করে। চা তৈরি করতে গরম পানিতে ক্যামোমাইল ও ল্যাভেন্ডার মিশিয়ে কয়েক মিনিট জ্বাল দিন। চা তৈরি হয়ে গেলে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

এই পানীয়গুলো শুধু শীতের সকালে আপনাকে উষ্ণ রাখবে না, বরং আপনার শরীরের জন্যও হবে উপকারী। তাই এই শীতে শুরু করুন আপনার দিনটি স্বাস্থ্যকর কোনো পানীয় দিয়ে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



চীনে গাড়ি চাপায় ৩৫ জন নিহত, আহত ৪৩

চীনে একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে গাড়ির ধাক্কায় কমপক্ষে ৩৫ জন নিহত এবং আরও ৪৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেক শিশু ও বৃদ্ধ রয়েছেন। এই দুর্ঘটনা ঘটেছে ১২ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, চীনের ঝুহাই শহরের একটি স্টেডিয়ামের বাইরে।

স্থানীয় সময়ে, যখন সেখানে বেশ কিছু লোক তাদের নিয়মিত ব্যায়াম করছিল, হঠাৎ করে এক ব্যক্তি একটি গাড়ি চাপিয়ে দেয় তাদের ওপর। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ ৩৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়, এবং আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেকেই গুরুতর অবস্থায় আছেন।

স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাড়ির চালক, ৬২ বছর বয়সী ফ্যান নামক একজন পুরুষ, দুর্ঘটনার পর পালানোর চেষ্টা করলেও, তাকে দ্রুত আটক করা হয়। তবে, বর্তমানে তিনি কোমায় আছেন এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না।

দুর্ঘটনার পর, ঘটনাস্থল থেকে অনেক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লেও, চীনা কর্তৃপক্ষ সেগুলো মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। তবে, কিছু ভিডিও এখনো অনলাইনে দেখা যাচ্ছে, যেখানে মাটিতে শুয়ে থাকা আহত বা নিহতদের দেখা যাচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, স্টেডিয়ামের বাইরে কমপক্ষে ছয়টি গ্রুপ তাদের নিয়মিত ব্যায়াম করছিল, যখন একটানা তীব্র গতিতে একটি গাড়ি এসে তাদের উপরে উঠে যায়।

এটি একটি অত্যন্ত শোকাবহ ঘটনা এবং পুরো বিশ্বে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে, এবং এ ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেষ্টা চলছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মেয়ে এত সুন্দর কেন! ডিএনএ পরীক্ষা করালেন বাবা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: মেয়ের বয়স যত বাড়ছে, ততই সে সুন্দর হচ্ছে। তবে বাবা, মায়ের সঙ্গে চেহারার কোনও মিল নেই। এমনকী পরিবারের কারও সঙ্গে মেয়ের চেহারার কোনও মিল খুঁজে পাননি বাবা। এর থেকেই শুরু সন্দেহ। স্ত্রীর সঙ্গে নিত্যদিন ঝামেলা। অবশেষে মেয়ের ডিএনএ পরীক্ষা করালেন বাবা। পরীক্ষার রিপোর্ট দেখেই রীতিমতো থ হয়ে যান তিনি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে ভিয়েতনামে। ল্যান নামের এক কিশোরী হ্যানয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে জানতে পারে, তার সহপাঠীর জন্মদিন একইদিনে। এমনকী এক শহরের এক হাসপাতালেই তারা জন্মেছিল। ল্যান ও তার বন্ধুর জন্মদিন একসঙ্গে পালন করা হত স্কুলে। সম্প্রতি জন্মদিনে বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিল ল্যান। তাকে সামনে দেখেই চমকে যান বন্ধুর মা। কারণ ল্যানের সঙ্গে বন্ধুর মায়ের চেহারার হুবহু মিল রয়েছে।

এরপরই ল্যানের মা হংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বন্ধুর মা। দুই বান্ধবীর চেহারা নিয়ে আলোচনাও করেন তাঁরা। অবশেষে দুইপক্ষ মেয়েদের ডিএনএ পরীক্ষা করায়। তাতেই ধরা পড়ে, হাসপাতালের ভুলে তাঁদের সন্তান বদলে যায়। দীর্ঘ কয়েক বছর পর ডিএনএ পরীক্ষার পর তা জানতে পারেন সকলে।

হং জানিয়েছেন, মেয়ের চেহারা নিয়ে স্বামীর সন্দেহ হয়েছিল শুরুতেই। তাঁর সন্দেহ ছিল, হং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। ল্যান যে তাঁর সন্তান নয়, এমনটাই সন্দেহ হত। এর জেরেই তুমুল ঝামেলা করতেন। অবশেষে বাড়ি ছেড়ে ল্যানকে নিয়ে হ্যানয়ে থাকতে শুরু করেন হং। সেখানে স্কুলে ভর্তি করার পরেই আসল সত্যি সামনে আসে।




দুমকি দলিল লেখক সমিতির সভাপতি জসীম, সম্পাদক খোকন নির্বাচিত

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এই নির্বাচনে মোঃ জসীম উদ্দিন সভাপতি এবং আবু সালেহ খোকন সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ নুরুজ্জামান নির্বাচিত হন।

রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দুমকি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে ২৭ জন ভোটারের মধ্যে ২৬ জনই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সমিতির উপদেষ্টা কমিটি ও নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মোঃ জসীম উদ্দিন (ছাতা প্রতীক) ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক পদে আবু সালেহ খোকন (হেলিকপ্টার প্রতীক) ১৭ ভোট এবং অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে মোঃ নুরুজ্জামান (কলম প্রতীক) ১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।

নির্বাচন পরবর্তী এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় মোঃ জসীম উদ্দিন বলেন, “সমিতির সকল সদস্যদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাকে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করায় আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতে আমরা একসঙ্গে কাজ করে সমিতির উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”

অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ খোকন জানান, “নির্বাচনের মাধ্যমে দলিল লেখকদের মধ্যে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। আমরা সবাই মিলে কল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবো।”

নির্বাচনের দিন সকালে সমিতির সদস্যরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ভিড় জমায়। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপস্থিত সদস্যরা জানান, ভোট প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সমিতির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও উন্নত করার লক্ষ্যে নবনির্বাচিত কমিটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

স্থানীয়রা আশা করছেন, নবনির্বাচিত এই কমিটি দলিল লেখকদের স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের কল্যাণে যথাযথ ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, দুমকি দলিল লেখক সমিতি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় দলিল লেখকদের জন্য বিভিন্ন সেবা প্রদান করে আসছে এবং সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



স্মার্টফোন বিস্ফোরণ প্রতিরোধে যে বিষয়গুলো জানতে হবে

বর্তমান যুগে প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতির ফলস্বরূপ স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে, এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার কখনও কখনও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। স্মার্টফোন বিস্ফোরণ একটি অন্যতম ভয়াবহ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা অনেক ব্যবহারকারীকে আতঙ্কিত করে তোলে। সঠিকভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করলে এটি দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এই লেখায় আমরা জানব, কী কী কারণে স্মার্টফোন বিস্ফোরিত হতে পারে এবং সেগুলো থেকে কিভাবে বাঁচা যাবে।

মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের কারণ:

1. দীর্ঘ সময় ধরে ভারী অ্যাপ ব্যবহার: স্মার্টফোনে ভিডিও স্ট্রিমিং বা গেমিংয়ের মতো ভারী অ্যাপ ব্যবহার করলে ফোনের প্রসেসর গরম হয়ে যায়, যা ব্যাটারির ওপর চাপ সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত উত্তাপে ব্যাটারি ফুলে গিয়ে বিস্ফোরণের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়।

2. ওভারচার্জিং: ফোনের চার্জ ১০০% পূর্ণ হওয়ার পরেও যদি সেটি প্লাগ-ইন অবস্থায় রেখে দেওয়া হয়, তবে ব্যাটারিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। একাধিকবার এই অবস্থায় থাকার ফলে ব্যাটারি ‘স্ট্রেস’ হয়ে বিস্ফোরিত হতে পারে।

3. উচ্চ তাপমাত্রা বা আর্দ্র পরিবেশ: ফোন যদি সূর্যের তাপ বা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে রাখা হয়, তবে এর ব্যাটারি তাপ সঞ্চয় করতে পারে, যা বিস্ফোরণের কারণ হতে পারে।

4. নকল বা নিম্নমানের চার্জার ব্যবহার: সস্তা বা অদক্ষ চার্জার ব্যবহারের কারণে ফোনের বিদ্যুৎ পরিবহন ঠিকভাবে না হওয়ায় অতিরিক্ত উত্তাপ সৃষ্টি হয়, যা আগুন ধরানোর ঝুঁকি বাড়ায়।

5. বাহ্যিক আঘাত: ফোনের ব্যাটারি যদি নিম্নমানের হয়, তবে ছোট আঘাতেও এটি শর্ট সার্কিট হয়ে বিপদজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

 

স্মার্টফোন বিস্ফোরণ থেকে বাঁচতে করণীয়:

1. চার্জ করার সময় ফোন ব্যবহার না করা: ফোন যখন চার্জে থাকে, তখন ব্যবহার না করাই উত্তম। গেমিং বা ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের সময় এটি চার্জে রাখা উচিত নয়।

2. আসল বা প্রত্যয়নকৃত সরঞ্জাম ব্যবহার করা: ফোনের ব্যাটারি, চার্জার এবং কেবল সবসময় মূল বা সার্টিফাইড ব্যবহার করা উচিত।

3. অতিরিক্ত চার্জ থেকে বিরত থাকা: ফোন পূর্ণ চার্জ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে চার্জার আনপ্লাগ করা উচিত। রাতে ফোন চার্জে রেখে ঘুমানো উচিত নয়।

4. উত্তপ্ত বা আর্দ্র পরিবেশ থেকে ফোন দূরে রাখা: ফোনকে কখনোই গরম গাড়ির মধ্যে বা সরাসরি সূর্যের আলোতে রেখে ব্যবহার করা উচিত নয়।

5. ফোনের ব্যাটারি খারাপ হলে তা বদলে ফেলা: যদি ব্যাটারি ফুলে গিয়ে আকার পরিবর্তন করে, তবে তা দ্রুত বদলে ফেলা উচিত।

6. রুটিনভাবে ফোন রিস্টার্ট করা: ফোনের সফ্টওয়্যার আপডেট করার পর রিস্টার্ট করা উচিত, যা ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়াতে সাহায্য করবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



কীভাবে ফোনের অপ্রয়োজনীয় ছবি ডিলিট করবেন?

আজকাল, মোবাইল ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে, যেখানে আমরা ছবি, ভিডিও, এবং অন্যান্য ডাটা জমিয়ে রাখি। তবে, অনেক সময় স্টোরেজ ফিল হয়ে গেলে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষত, যখন আপনি কোনও দর্শনীয় স্থান দেখতে বেরিয়ে ছবি তুলতে যাচ্ছেন এবং ফোনের স্টোরেজ পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে, তখন কী করবেন? চিন্তা করবেন না! আমরা আপনাকে জানাবো কীভাবে অপ্রয়োজনীয় ছবি এবং ভিডিওগুলো সাফ করে ফোনের পারফরম্যান্স বাড়ানো যাবে।

1. ফটো স্টোরেজ সফটওয়্যার ব্যবহার করুন

ফোনের স্টোরেজ বাঁচাতে আপনার মোবাইলে থাকা ছবি ক্লাউডে সংরক্ষণ করুন। আইফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপল ফোটোস বা আইক্লাউড ব্যবহার করতে পারেন, যেখানে ৫ জিবি পর্যন্ত বিনামূল্যে স্টোরেজ পাওয়া যায়। অন্যদিকে, অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল ফটো অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন, যা ১৫ জিবি ফ্রি স্টোরেজ দেয়। এসব অ্যাপ আপনার ছবিগুলো নিরাপদে রাখার পাশাপাশি, ছবিগুলো ইন্টারনেটে অ্যাক্সেসযোগ্য রাখে।

2. অপ্রয়োজনীয় ছবি ডিলিট করুন

ফোনে অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় ছবি ও ভিডিও জমা হয়ে যায়, বিশেষত সোশ্যাল মিডিয়া বা হোয়াটসঅ্যাপ থেকে। ফোনের ‘অটো-ডাউনলোড’ অপশন বন্ধ করে দিন, যেন এসব ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড না হয়। এরপর, যে ছবি বা ভিডিও প্রয়োজনীয় নয় তা মুছে ফেলুন। যদি মুছে ফেলতে ইচ্ছুক না হন, তাহলে সেই ছবি অন্য ডিভাইসে যেমন ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে সেভ করে রাখতে পারেন।

3. ছবি অ্যালবামে রাখুন

আপনার ছবি গুলো বিভিন্ন অ্যালবামে ভাগ করে রাখুন। ক্যামেরা রোল, ডাউনলোড এবং হোয়াটসঅ্যাপ ইমেজে ছড়ানো ছবিগুলো সাজিয়ে এক জায়গায় রাখুন। এটি ভবিষ্যতে ছবি খুঁজতে সহজ করে তুলবে এবং অপ্রয়োজনীয় ছবি সহজেই মুছে ফেলা যাবে।

4. ফেভারিট অপশন ব্যবহার করুন

গুগল ফটো বা অ্যাপল ফটোতে আপনার পছন্দের ছবিগুলোকে ফেভারিট হিসেবে মার্ক করুন। আপনি যদি কোন ছবি বিশেষভাবে ব্যবহার করেন, তাহলে তা ফেভারিট অপশনের মাধ্যমে আলাদা করে রাখতে পারবেন এবং প্রয়োজন শেষ হলে সহজেই ডিলিটও করতে পারবেন।

5. ছবি ডিলিট করার জন্য নির্দিষ্ট দিন নির্ধারণ করুন

আপনার ফোনের স্টোরেজ নিয়মিতভাবে পরিষ্কার রাখুন। প্রতি মাসে অন্তত একদিন সময় বের করে ফোনের জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় ছবি মুছে ফেলুন। এটি আপনার ফোনের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে এবং পারফরম্যান্সও উন্নত হবে।

এভাবে নিয়মিত ছবি মুছে বা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করে আপনি ফোনের স্টোরেজ এবং পারফরম্যান্স নিশ্চিত রাখতে পারেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম