শীতে বাইক ভালো রাখতে এখনই করণীয়

নভেম্বর মাসের শেষ দিকে এসে রাতের ঠান্ডা জানান দিচ্ছে, শীত একেবারেই দরজায় কড়া নাড়ছে। শীতে বাইক চালকদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়, বিশেষ করে সকালে বাইক স্টার্ট নিতে গড়িমসি করে। এ কারণে আগে থেকেই বাইকের সঠিক যত্ন ও সার্ভিসিং করিয়ে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক যত্ন নিলে বাইকের কর্মক্ষমতা যেমন বাড়বে, তেমনই এর স্থায়িত্বও দীর্ঘ হবে।

বাইকের সঠিক প্রস্তুতির জন্য কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। চলুন, দেখে নেওয়া যাক শীতের আগে বাইকের কী কী যত্ন নেওয়া উচিত—

১. বাইকের তেল পরিবর্তন করুন:
ইঞ্জিনের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে নিয়মিত অয়েল পরিবর্তন করতে হবে। শীতকালে তেল ঘন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা ইঞ্জিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। বাইকের ম্যানুয়াল অনুযায়ী তেল পরিবর্তন করুন। এটি ইঞ্জিনের দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।

২. ব্যাটারি পরীক্ষা করুন:
শীতে ব্যাটারি কম শক্তি উৎপন্ন করে। বিশেষ করে পুরনো ব্যাটারি থাকলে এটি দ্রুত কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। তাই ব্যাটারি চার্জিং পরীক্ষা করা এবং সংযোগ ঠিক আছে কিনা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রয়োজনে নতুন ব্যাটারি ব্যবহার করুন।

৩. টায়ার চেক করুন:
শীতকালে সড়কপথে কুয়াশা, পানি বা বরফের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। টায়ারের চাপ সঠিক আছে কি না এবং এর গভীরতা পর্যাপ্ত কিনা তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে শীতকালীন টায়ার ব্যবহার করতে পারেন।

৪. ব্রেক সিস্টেম পরীক্ষা করুন:
ব্রেকের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা শীতকালে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রেক প্যাড এবং ব্রেক তেলের অবস্থা যাচাই করুন। ব্রেক টেস্ট করে নিশ্চিত করুন যে এটি যথাযথভাবে কাজ করছে। কোনো সমস্যা থাকলে দ্রুত মেরামত করুন।

৫. ফিল্টার পরিষ্কার করুন:
এয়ার ফিল্টার ও ফুয়েল ফিল্টার পরিষ্কার রাখুন। শীতে ধুলাবালির পরিমাণ কম থাকলেও বিভিন্ন সময়ে ময়লা জমে ফিল্টার নষ্ট হতে পারে। প্রয়োজনে ফিল্টার পরিবর্তন করুন।

৬. লাইট পরীক্ষা করুন:
শীতকালে সন্ধ্যা দ্রুত নামায় হেডলাইট ও টার্ন সিগন্যাল লাইটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা জরুরি। কোনো লাইট কাজ না করলে দ্রুত তা প্রতিস্থাপন করুন।

৭. চেইন ও কেবল পরিষ্কার করুন:
চেইন এবং কেবলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করুন। নিয়মিত চেইনে তেল প্রয়োগ করলে তা মসৃণভাবে কাজ করবে এবং দীর্ঘস্থায়ী হবে।

৮. ফেন্ডার ও ওয়াশার পরিষ্কার রাখুন:
ফেন্ডার ও ওয়াশার পরিষ্কার রাখলে বাইকের বিভিন্ন অংশ পানি ও বরফ থেকে সুরক্ষিত থাকে। এতে বাইক ভালো অবস্থায় থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদে মেরামতের প্রয়োজন কমে।

শীতকালের প্রতিকূল পরিবেশেও সঠিক যত্নে বাইক রাখুন কর্মক্ষম ও সুরক্ষিত। এখনই বাইক সার্ভিসিং করিয়ে নিন এবং নিশ্চিন্তে শীতের দিন উপভোগ করুন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



শাকিব খানের টাইলক্স অনুষ্ঠানে মৌসুমী মৌকে সিনেমার প্রস্তাব

বিশ্ব টয়লেট দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেশের জনপ্রিয় তারকারা অংশগ্রহণ করেন। টাইলক্সের ‘টাইলক্স হাইজিনিক আবাস’ ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধনে এই অনুষ্ঠানে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান এবং জনপ্রিয় সঞ্চালিকা-অভিনেত্রী মৌসুমী মৌ একসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। তবে, এই অনুষ্ঠানে ঘটে গেল একটি বিশেষ ঘটনা।

অন্তরঙ্গ পরিবেশে শাকিব খান মৌসুমী মৌকে সিনেমায় কাজ করার প্রস্তাব দেন। শাকিব খান বলেন, “মৌ অনেক ভালো উপস্থাপনা করে। তার সিনেমা করা উচিত, আমি তাকে বলবো তুমি সিনেমাতে আসো, তুমি অনেক ভালো করবে।”

এ সময় মৌসুমী মৌ খানিকটা অপ্রস্তুত হলেও, স্মরণ করেন ২০১৮ সালে শাকিব খান তাকে একই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সে সময়, মৌসুমী মৌ নতুন ছিলেন এবং চলচ্চিত্রের ব্যাপারে তেমন অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে বর্তমানে মৌসুমী মৌ জানান, তিনি চলচ্চিত্রের বিষয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি জানাশোনা অর্জন করেছেন। যদি সুযোগ আসে, তিনি শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

মৌসুমী মৌ শোবিজে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন এক দশক আগে। ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনে যোগদান করেন এবং সেখান থেকে সঞ্চালনায় অভ্যস্ত হন। এখন তিনি নাটক এবং সঞ্চালনায় সমানভাবে পরিচিত।

এখনকার সময়েও তিনি নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত এবং আরও ভালো কাজ করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শীতে হিটার ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল কমানোর সহজ উপায়

শীতকালে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে ঘরে হিটার ব্যবহার একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু আরাম পেলেও হিটার ব্যবহারে বিদ্যুৎ খরচ অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে, এই খরচ অনেকটা কমানো সম্ভব। আসুন জেনে নেই হিটার ব্যবহারে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কিছু কার্যকর উপায়:

সঠিক তাপমাত্রায় হিটার ব্যবহার করুন
হিটার চালানোর সময় তাপমাত্রা ২০-২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন। এভাবে ঘরটি যথেষ্ট উষ্ণ থাকবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হবে না। তাপমাত্রা খুব বেশি না বাড়িয়ে রাখলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব।

টাইমার ব্যবহার করুন
হিটার চালিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রাখার পরিবর্তে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য টাইমার সেট করুন। রাতে ঘুমানোর সময় বা যখন ঘরে কেউ নেই, তখন হিটার বন্ধ রাখতে পারেন। এতে বিদ্যুৎ বিল কমবে এবং ঘরটিও তাপ ধরে রাখতে পারবে।

ঘরের তাপ রক্ষা করুন
জানালা, দরজার ফাঁকফোকরগুলো সঠিকভাবে বন্ধ রাখুন। এতে বাইরের ঠান্ডা বাতাস ঢুকতে পারবে না। ঘরের দেয়ালে ফেনসিড বা ফ্ল্যাপ টেপ ব্যবহার করুন, যা তাপ ধরে রাখতে সাহায্য করবে। কম্বলের ব্যবহারও বাড়িয়ে দিতে পারেন।

শক্তি সাশ্রয়ী হিটার বেছে নিন
বাজারে বিভিন্ন ধরনের হিটার পাওয়া যায়। ইনফ্রারেড হিটার তুলনামূলকভাবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, কারণ এটি সরাসরি নির্দিষ্ট স্থানে তাপ সরবরাহ করে। ফলে পুরো ঘর গরম করতে হয় না, যা বিদ্যুৎ খরচ কমায়।

শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ঘরে হিটার ব্যবহার করুন
একাধিক ঘরে একসাথে হিটার ব্যবহার না করে কেবল প্রয়োজনীয় ঘরেই হিটার চালু রাখুন। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে এবং গরমও ভালোভাবে অনুভব করবেন।

ইনসুলেশন ব্যবহার করুন
কাচের জানালা বা দেয়াল দিয়ে তাপ বেরিয়ে যেতে পারে, তাই বিশেষ তাপ নিরোধক কাচ বা ইনসুলেশন উপকরণ ব্যবহার করুন। এটি ঘরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে সহায়ক হবে।

ফ্যান বা ভেন্টিলেটর ব্যবহার করুন
হিটারের কাছাকাছি একটি ফ্যান চালু করলে তাপ দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে এবং ঘরটি তাড়াতাড়ি গরম হবে। এতে হিটারের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমবে।

নিয়মিত হিটার পরিষ্কার রাখুন
হিটার বা যেকোনো তাপ উৎপাদক ডিভাইস পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। ময়লা জমে থাকলে হিটারের কার্যকারিতা কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত হিটার পরিষ্কার করুন।

শীতকালে হিটার ব্যবহারে কিছু কৌশল মেনে চললে বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও যত্ন নেওয়া হলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে এবং আরামদায়ক উষ্ণতা পাওয়া যাবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




চোখ ঘষা থেকে বিরত থাকুন: চোখের সুস্থতা রক্ষার ৩ কারণ

অনেক সময় আমরা অজান্তেই চোখ ঘষি, যা চোখের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। চোখের চুলকানি, শুষ্কতা বা ক্লান্তি অনুভব করলে এই অভ্যাসটি স্বাভাবিক মনে হলেও এটি দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দেয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক কেন চোখ ঘষা থেকে দূরে থাকা উচিত।

১. জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি

আমাদের হাত সারাদিনে বিভিন্ন ধরনের বস্তুর সংস্পর্শে আসে, ফলে জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া সংগ্রহ করে। চোখ ঘষলে এই জীবাণুগুলো সহজেই চোখে প্রবেশ করতে পারে। ইউটা ইউনিভার্সিটি থেকে জানা যায়, হাত না ধুয়ে চোখ স্পর্শ করার ফলে কনজেক্টিভাইটিস বা ‘পিংক আই’ এর মতো সংক্রমণ হতে পারে, যা চোখে লালভাব, জ্বালা এবং পানি পড়ার কারণ হতে পারে। চোখে হাত দেওয়ার আগে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

২. অ্যালার্জি ও চোখের জ্বালা বৃদ্ধি

চোখ ঘষার ফলে চোখের চারপাশের নরম টিস্যুতে চাপ পড়ে, যা অ্যালার্জি এবং শুষ্কতার লক্ষণগুলোকে বাড়িয়ে দেয়। হিস্টামাইন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়, যা চোখকে চুলকানি ও লাল করে তোলে। বিশেষ করে যাদের মৌসুমী অ্যালার্জি বা চোখের শুষ্কতা রয়েছে, তাদের জন্য এটি আরও সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। অ্যালার্জির সমস্যা কমাতে চোখে শীতল, ভেজা কাপড় ব্যবহার করতে পারেন, অথবা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চোখের ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন।

৩. কেরাটোকোনাস হওয়ার ঝুঁকি

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ অফথালমোলজির একটি গবেষণা অনুসারে, অতিরিক্ত চোখ ঘষার অভ্যাস কর্নিয়ার গঠন পরিবর্তন করতে পারে, যা কেরাটোকোনাস রোগের দিকে নিয়ে যেতে পারে। কর্নিয়া দুর্বল ও পাতলা হয়ে যায়, ফলে আকারে বিকৃত হয়। এর ফলে চোখে ঝাপসা দেখা, আলোর সংবেদনশীলতা এবং এমনকি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। তাই চোখের কোনো অস্বস্তি অনুভব করলে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মো: আল-আমিন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস: কেন ত্যাগ করবেন এখনই?

দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। যদিও এটি সাধারণ একটি কাজ বলে মনে হতে পারে, কিন্তু এর রয়েছে নানা ক্ষতিকর দিক। বিশেষজ্ঞদের মতে, দাঁত দিয়ে নখ কাটার ফলে শুধু নখের ক্ষতি হয় না, পাশাপাশি দাঁতের স্বাস্থ্যেরও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। আসুন জেনে নেই দাঁত দিয়ে নখ কাটার কিছু বড় ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব।

দাঁত দিয়ে নখ কাটার ক্ষতিকর দিকসমূহ

১. নখের গঠন দুর্বল হওয়া: দাঁত দিয়ে নখ কাটার ফলে নখের স্বাভাবিক গঠন দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে নখ সহজেই ভেঙে যেতে পারে। এর পাশাপাশি নখের শেপ বা আকৃতিও বিকৃত হতে পারে, যার কারণে নখের স্বাভাবিক বৃদ্ধিও ব্যাহত হয়।

২. কিউটিকেল ও আশপাশের চামড়ার ক্ষতি: দাঁত দিয়ে নখ কাটার সময় কিউটিকেল বা নখের আশপাশের নরম চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে নখের চারপাশে সংক্রমণ ও ক্ষতের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৩. দাঁতের ক্ষতি: শুধুমাত্র নখই নয়, দাঁত দিয়েও ক্ষতি হতে পারে। দাঁত দিয়ে নখ কাটার সময় দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে দাঁতে ব্যথা ও দাঁতের মাড়িতে আঘাত লাগতে পারে।

৪. বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি: নখের মধ্যে লুকিয়ে থাকা নোংরা ও ব্যাকটেরিয়া দাঁত দিয়ে কেটে মুখে প্রবেশ করে। এর ফলে পেটের সমস্যা ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৫. ফাঙ্গাল ইনফেকশন: যারা দীর্ঘদিন ধরে দাঁত দিয়ে নখ কাটেন, তাদের নখে ফাঙ্গাল ইনফেকশনের ঝুঁকি বেশি থাকে। এই সংক্রমণ নখের সঠিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করে।

৬. ঠোঁট ও মুখের আঘাত: দাঁত দিয়ে নখ কাটার ফলে নখের আঘাতে ঠোঁট, চোয়াল বা মুখের ভেতরের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে মুখের ভিতরের নরম টিস্যুতে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

৭. দাঁতের আশপাশের টিস্যুর ক্ষতি: দাঁত দিয়ে নখ কাটার সময় শুধু দাঁতেরই নয়, নখের আশপাশের নরম টিস্যুও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে মুখের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

কিভাবে এই অভ্যাস ত্যাগ করবেন?

এই বদভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে আপনি কয়েকটি সহজ ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। যেমন- নিয়মিত নখ কেটে রাখা, তেতো নেলপলিশ ব্যবহার করা, নখ কাটার সময় হাতে ব্যস্ত রাখা ইত্যাদি। এতে ধীরে ধীরে এই অভ্যাস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার বিরুদ্ধে ৮৪ কোটি ডলারের জরিমানা

ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাকে ৭৯ কোটি ৭৭ লাখ ২০ হাজার ইউরো (৮৪ কোটি ডলার) জরিমানা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। মেটার বিরুদ্ধে অভিযোগ, কোম্পানিটি ফেসবুকের মার্কেটপ্লেসে শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন পরিষেবায় ব্যবহারকারীদের স্বয়ংক্রিয় প্রবেশাধিকার দেয়ার মাধ্যমে একচেটিয়া ব্যবসা-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করেছে।

ইউরোপীয় কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মেটা তার অনলাইন শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন পরিষেবা ফেসবুক মার্কেটপ্লেসকে ফেসবুকের সাথে যুক্ত করেছে এবং একই সাথে অন্য অনলাইন শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন পরিষেবা প্রদানকারীদের উপর অন্যায্য শর্ত আরোপ করেছে। এটি বিশ্বাস-বিরোধী আইন (অ্যান্টি ট্রাস্ট রুল) লঙ্ঘন। এই অপব্যবহারের কারণে মেটার বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা চাইলে বা না চাইলে তাদের কাছে ফেসবুকের মার্কেটপ্লেস নিয়মিত প্রদর্শিত হয়, যা ফেসবুককে অতিরিক্ত সুবিধা দেয়, কিন্তু অন্যান্য বিজ্ঞাপন পরিষেবা প্রদানকারীদের জন্য তা সম্ভব নয়। এর ফলে অন্যান্য অনলাইন শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন পরিষেবা ক্ষতির মুখে পড়ছে।

এই জরিমানার প্রসঙ্গে, ইউরোপীয় কমিশনের প্রতিযোগিতা নীতির দায়িত্বে থাকা এগজিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট মার্গ্রেথ ভেস্টেগার বলেছেন, “মেটার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রাধান্য এবং বিজ্ঞাপনী সুবিধা গ্রহণের জন্য এই জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



গোপনে ব্রেইনের ক্ষতি করে যে অভ্যাস

আমরা প্রায়ই শারীরিক সুস্থতার দিকে মনোযোগী থাকলেও, কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যকে গোপনে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে। ফোনে অতিরিক্ত সময় কাটানো, প্রয়োজনীয় পুষ্টি না নেওয়া, এবং কিছু সহজ অভ্যাস যা স্বাভাবিক মনে হয়, তা আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা এবং সুস্থতার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। কিছু অভ্যাস যেগুলো ব্রেইনের স্বাস্থ্যকে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত করে, আসুন জেনে নিই সেগুলো সম্পর্কে।

ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার
আমাদের দিনকে ফোন ছাড়া কল্পনা করাও যেন অসম্ভব। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ ফোন ব্যবহার আমাদের মস্তিষ্কে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এটি মনোযোগের মাত্রা কমিয়ে দেয়, মানসিক চাপ বৃদ্ধি করে এবং ঘুমের গুণগত মানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষত ঘুমানোর আগে ফোন ব্যবহার করার ফলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা এবং মানসিক স্বচ্ছতা কমে যায়। সময়-সুযোগে ফোন-মুক্ত সময় কাটানো এবং স্ক্রীন থেকে বিরতি নেওয়া মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া
ভাজা খাবার, চিনি এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি আকর্ষণ মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে। এ ধরনের খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা ব্রেইনের কার্যক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। সঠিক পুষ্টি গ্রহণের মাধ্যমে ব্রেইনকে সুস্থ রাখা সম্ভব। সবুজ শাক-সবজি, বাদাম, ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছসহ সঠিক খাবারের মাধ্যমে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখা যায়।

নতুন কিছু না শেখা
মস্তিষ্ক সব সময় নতুন কিছু শেখার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ পায় এবং এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। যখন আমরা নতুন কিছু শেখা বন্ধ করে দিই, তখন মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যায়। মস্তিষ্কের সংযোগ শক্তিশালী রাখতে পড়াশোনা, নতুন ভাষা শেখা কিংবা মস্তিষ্কের গেমস খেলা প্রয়োজন। এটি মস্তিষ্কের ধার্মিকতা এবং তীক্ষ্ণতা বজায় রাখে।

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা
শারীরিক কার্যকলাপ কেবল শরীরের জন্য নয়, এটি মস্তিষ্কের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, যা স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগের জন্য উপকারী। দীর্ঘ সময় বসে থাকার অভ্যাস মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। তাই কিছুক্ষণ পরপর দাঁড়িয়ে হাঁটাহাঁটি বা ডেস্ক এক্সারসাইজ করা উচিত।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ঢাকায় স্ত্রীকে নিয়ে রিকশা চালালেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: স্ত্রীকে রিকশায় বসিয়ে প্যাডেল টানছেন ঢাকার পাকিস্তানি হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ! স্ত্রীর কাছে জানতে চাইলেন, রিকশায় চড়ে কোথায় যাবে বেগম? শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সামাজিকমাধ্যমে এমন এক ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি।

মুহূর্তেই ভিডিওটি নেটিজেনদের দৃষ্টি কেড়েছে। গত বছরের শেষ দিকে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে জায়গা করে নেয় ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র। ঢাকার রিকশা যে কোনো বিদেশি পর্যটকের কাছে আকর্ষণীয় বিষয়।

মূলত ঢাকার শহরের দৃশ্যপটকে চিহ্নিত করতে হোটেল লে মেরেডিয়ানের লবিতে রাখা রিকশা দেখে তর সইতে পারেননি পাকিস্তান হাইকমিশনার। শেষ পর্যন্ত চালিয়ে দেখেছেনও। শুধু তাই নয়, রিকশা চালকদের প্রতি এই কঠিন কাজের জন্য শ্রদ্ধাও জানিয়েছেন তিনি।




খুব সহজেই জানুন আপনার ভুলে যাওয়া ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড, জেনে নিন ফোন থেকেই!

প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এখন ওয়াই-ফাই ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু অনেকেই পাসওয়ার্ড ভুলে যান, যা নতুন ডিভাইস সংযোগ করা বা অতিথিদের দিতে সমস্যার সৃষ্টি করে। তবে চিন্তার কিছু নেই, আপনার মোবাইল থেকেই সহজেই পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। নিচে বিভিন্ন ফোনের জন্য ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো।

গুগল পিক্সেল ফোন

আপনার যদি গুগল পিক্সেল ফোন থাকে, তাহলে:

1. Settings অপশনে যান।

2. এরপর Network & Internet সিলেক্ট করুন।

3. এবার আপনার সংযুক্ত Wi-Fi নেটওয়ার্ক-এর পাশে থাকা গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন।

4. সেখানে Share অপশনে ট্যাপ করুন।

5. নিজের আইডেন্টিটি কনফার্ম করলে একটি QR কোড দেখা যাবে।

6. QR কোড স্ক্যান করে লগইন ডিটেইলস পেয়ে যাবেন, যার মধ্যে Wi-Fi পাসওয়ার্ডও থাকবে।

 

স্যামসাং গ্যালাক্সি

স্যামসাং গ্যালাক্সি ব্যবহারকারীদের জন্য ধাপগুলো একটু ভিন্ন:

1. Settings-এ যান।

2. এরপর Connections সিলেক্ট করুন।

3. Wi-Fi অপশনে যান এবং আপনার সংযুক্ত নেটওয়ার্কের গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন।

4. তারপর i আইকন-এ ট্যাপ করুন।

5. নিজের আইডেন্টিটি ভেরিফাই করলে Wi-Fi পাসওয়ার্ড পেয়ে যাবেন।

 

অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড ফোন

অন্য অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রেও একই ধাপ অনুসরণ করতে পারেন। Settings থেকে Wi-Fi অপশন সিলেক্ট করুন, এরপর সংযুক্ত নেটওয়ার্কের গিয়ার আইকন ক্লিক করে পাসওয়ার্ড দেখুন।

আইফোন

আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য প্রক্রিয়া আরও সহজ:

1. Main Settings-এ যান।

2. এরপর Wi-Fi সিলেক্ট করুন।

3. সংযুক্ত Wi-Fi নেটওয়ার্কে ট্যাপ করে Password-এ ক্লিক করুন।

4. কেবল iPhone Passcode বা Face ID দিয়ে পাসওয়ার্ড দেখতে পারবেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



গভীর রাতে আহতদে নিটোরে চার উপদেষ্টা: হাসপাতালে ফিরলেন আহতরা

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : বুধবার দিবাগত গভীর রাতে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক মো. সায়েদুর রহমান পঙ্গু হাসপাতালের সামনে আসেন। তাদের দাবি পূরণের আশ্বাসে সড়ক থেকে হাসপাতালে ফিরতে রাজি হয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

এ সময় উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় সচিবালয়ে আহতদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বৈঠক হবে। কীভাবে তাদের পাশে সরকার থাকতে পারে, সে বিষয়ে সেখানে আলোচনা করা হবে।

বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমাদের ব্যর্থতা আছে, ভুল আছে। আপনাদের প্রতি আমাদের অনেক অনেক অনেক বেশি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল। আমরা চেষ্টা করেছি। চেষ্টার কোনো ঘাটতি ছিল না। কিন্তু আমরা করতে পারিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রধান উপদেষ্টার কাছে গিয়েছি। তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে বলেছিলেন যে সবার চিকিৎসাসহ যা কিছু দরকার, তা উনি করবেন। আমাদের অবশ্যই ঘাটতি ছিল। আপনাদের এভাবে বসে থাকা আমাদের ভালো লাগছে না। এটি আমাদের জন্যও হৃদয়বিদারক ঘটনা।

এদিন রাত ১২টার দিকে দ্বিতীয় দফায় সেখানে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীরা যে চারজন উপদেষ্টাকে এখানে আসার দাবি জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে দুজন ঢাকার বাইরে, একজন বিদেশে ও আরেকজন ক্যানসারের রোগী। তারা চাইলে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এখানে আসতে পারেন। আর তা না হলে বৃহস্পতিবার বেলা ২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া যায়, তখন উপদেষ্টাদের সঙ্গে বসা যাবে। উপদেষ্টাদের কাছ থেকে আহত ব্যক্তিদের দাবির বিষয়ে লিখিত নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

এ সময় আহত আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে একজন বলেন, ‘আমরা হাসনাত ভাইয়ের সঙ্গে একমত। কালকে চার উপদেষ্টা আসা পর্যন্ত আমরা এখানে অবস্থান করব।’ হাসপাতাল থেকে বিছানাপত্র নিয়ে এসে সবাই সড়কে অবস্থান করবেন বলে ঘোষণা দেন তিনি। এরপর থেকে ক্ষুব্ধ আহতরা বিছানাপত্র নিয়ে এসে পঙ্গু হাসপাতালের সামনের সড়কে অবস্থান নেন।

ঘটনার শুরু বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুককে সঙ্গে নিয়ে পঙ্গু হাসপাতাল পরিদর্শনে যাওয়ার পর। তারা চতুর্থ তলার পুরুষ ওয়ার্ড প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। এক পর্যায়ে তারা চলে যেতে চাইলে তিন তলার ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীনদের দেখতে না যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন গণআন্দোলনে আহতরা। পরে নিচে এসে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন কয়েকজন।

হাত, পা, চোখে ব্যান্ডেজ বাঁধা এই রোগীরা হুইলচেয়ারে করে হাসপাতালের সামনের সড়ক অবরোধ করেন। তারা বলেন, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সবার সঙ্গে দেখা না করা পর্যন্ত রাস্তা ছাড়বেন না। এ ছাড়া ঘোষণার পর এখনও আহত ব্যক্তিদের ১ লাখ করে টাকা না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। এর পর অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও ব্রিটিশ হাইকমিশনার অন্য গাড়িতে করে স্থান ত্যাগ করেন।