বরিশালে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা স্বামী গ্রেপ্তার

বরিশালের হিজলা উপজেলার একটি ঘটনায় স্বামী পারভেজ চৌকিদার (২৫) তার তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সুরভি বেগম (২০)কে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। পুলিশ ঘটনার পরপরই পারভেজকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার পারভেজ চৌকিদার ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ইউসুফ চৌকিদারের ছেলে, এবং নিহত সুরভি বেগম হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের মাঝেরচর আদর্শগ্রামের বাসিন্দা সবুজ বাঘার মেয়ে।

নিহতের স্বজনরা জানান, দুই বছর আগে সুরভি ও পারভেজের বিয়ে হয়। গত সপ্তাহে সুরভি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় স্বামী পারভেজকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

নিহতের মা শিউলি বেগম জানান, রোববার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়। এরই একপর্যায়ে পারভেজ তার স্ত্রীর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন। পরে, সুরভির মৃতদেহটি কম্বল দিয়ে পেঁচিয়ে রেখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান পারভেজ।

নিহতের বাবা সবুজ বাঘা জানান, পারিবারিক কলহের কারণে তার মেয়ে সুরভিকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর, বাড়ির সদস্যরা সুরভির নিথর মরদেহ দেখে চিৎকার শুরু করেন। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পারভেজকে খুঁজে বের করেন এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করেন।

হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, “পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী পারভেজ তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর হত্যা করেছে।” নিহত সুরভির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় পারভেজের বিরুদ্ধে সুরভি বেগমের বাবা হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।




বরিশালে জন্মের পর বাবা রবিউলের দেখা পায়নি মেয়ে তুবা

বরিশালের বাকেরগঞ্জের পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের শাকবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা তুবা নামের একটি নবজাতক মেয়েটি জন্মের মাত্র ২০ দিন আগে তার বাবাকে হারিয়েছে। তার বাবা রবিউল ইসলাম (২৮) জুলাই মাসে ঢাকার যাত্রাবাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। রবিউল মারা যাওয়ার আগে তিনি তুবার নাম রেখেছিলেন, কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, তার মেয়ে তুবা পৃথিবীতে আসলেও বাবা রবিউলকে দেখার সুযোগ পেল না।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে নিহত ৭৯ শহীদ পরিবারের সহায়তার চেক গ্রহণ করতে গিয়ে তুবার মা তানিয়া আক্তার তার দুর্দিনের কথা শেয়ার করেন। তিনি জানান, “১৫ জুলাই যাত্রাবাড়িতে ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী রবিউল পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এরপর এক মাস ২০ দিন পর তুবার জন্ম হয়। বাবা রবিউলের ঠিক করে দেওয়া নাম বহন করলেও তুবা তার বাবাকে কখনোই দেখতে পায়নি। একদিন তুবা হয়তো আমাকে প্রশ্ন করবে, ‘বাবা কোথায়?’ তখন আমি কী বলব?”

মা তানিয়া আক্তার আরও জানান, তিনি একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হারিয়ে চরম অর্থ সংকটে রয়েছেন। “আমি কীভাবে তুবাকে লালন-পালন করব, এটা নিয়ে প্রতিদিন শঙ্কার মধ্যে আছি। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই,” বলেন তিনি।

এদিকে, নিহতের পরিবারে আরেক শোকগাথা। সাবেক সেনা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম (৫৯) বলেন, তার একমাত্র ছেলে ইমরান হোসেন (৩৪) ১৯ জুলাই ঢাকার গুলশানে পুলিশের গুলিতে মারা যান। ইমরান বরিশালের গৌরনদী উপজেলার আগরপুর কলেজের ডিগ্রি ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং পড়াশোনার পাশাপাশি ঢাকার একটি হাউজিং কোম্পানিতে চাকরি করে পরিবারের খরচ বহন করতেন। তার মৃত্যুতে তার স্ত্রী শান্তা মিয়া ও সন্তান ইয়াজ খলিফা (২৩ মাস) সহ নজরুল এখন নিঃস্ব। “আমার একমাত্র ছেলে ইমরানকে হারিয়ে আমি আজ নিঃস্ব। আমি এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার চাই,” বলেন তিনি।

এছাড়া, জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত এমদাদুল হকের (২৭) বড় ভাই মো. হাসান বলেন, তার ছোট ভাই ঢাকায় ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার চালিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খরচ বহন করতেন। এমদাদুলও ওই ঘটনার সময়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। বর্তমানে, তিনি এবং তার পরিবার চরম অর্থ সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি জানান, স্থানীয়দের সহায়তা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থ সহায়তার মাধ্যমে কিছুটা হলেও সাহায্য পেয়েছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে চাই: সিইসি নাসির উদ্দীন

জাতিকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এস এম মো. নাসির উদ্দীন।

রোববার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে শপথ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, “সবার সহযোগিতায় জাতিকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রদান করতে কমিশন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। রাজনৈতিক দলগুলোর চাহিদা বাস্তবায়নে কাজ করবে নির্বাচন কমিশন।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সক্ষমতা আমাদের আছে। এর আগে তথ্য ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব থাকাকালে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি।”

আজ দুপুর ১:৩০ টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে নবনিযুক্ত সিইসি এ এস এম মো. নাসির উদ্দীন ছাড়াও চার নির্বাচন কমিশনার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন। শপথ পাঠ করান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

উল্লেখ্য, ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সাবেক সচিব এ এস এম মো. নাসির উদ্দীনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তার সঙ্গে চার নির্বাচন কমিশনারও ঘোষণা করা হয়। তারা হলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্ম সচিব তহমিদা আহ্‌মদ ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের নিয়োগ দেন, যা সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী করা হয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মেটা ২০ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে পিগ-বাচারিং স্ক্যাম প্রতিরোধে

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মেটা সম্প্রতি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের ২০ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে। ২১ নভেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য পিগ-বাচারিং স্ক্যাম প্রতিরোধ করা।

পিগ-বাচারিং স্ক্যাম কী?
এই স্ক্যামে অপরাধীরা অনলাইনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে প্রতারণা করে। ভুক্তভোগীদের মিথ্যা বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়ে তাদের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়। অপরাধীরা শুধুমাত্র অর্থ চুরি করেই থেমে থাকে না, অনেক সময় ব্ল্যাকমেইল করে কিংবা সাইবার হামলার মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্ট থেকে অর্থ চুরি করে।

মেটার পদক্ষেপ
মেটা অপরাধী সংগঠন ও স্ক্যাম প্রতিরোধে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
১. বিপজ্জনক সংস্থা ও নিরাপত্তা নীতি: অপরাধী চক্রগুলোকে চিহ্নিত করে তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে নিষিদ্ধ করা।
২. অ্যাকাউন্ট বন্ধ: নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অপরাধীদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা।
৩. সহযোগিতা: অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও দেশের সঙ্গে যৌথভাবে স্ক্যাম প্রতিরোধে কাজ করা।
৪. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা: বিশ্বব্যাপী আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য শেয়ার করে সাইবার অপরাধ দমন।

মেটা এই উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চায় এবং সকলকে অনলাইনে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ভাত খাওয়ার নিয়ম: ওজন নিয়ন্ত্রণের সহজ উপায়

বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, ভাত খেলে ওজন বেড়ে যায়। ফলে যারা ওজন কমাতে চান, তারা ডায়েট থেকে ভাত বাদ দেন। কিন্তু পুষ্টিবিদেরা বলছেন, পরিমাণমতো ভাত খেলে ওজন বাড়ার ভয় নেই। ভাতে রয়েছে আয়রন, ফাইবার, প্রোটিন এবং সামান্য ফ্যাট। এটি প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে এবং ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে।

ভাত হজমের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে অতিরিক্ত ভাত খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য ভাত খাওয়ার নিয়ম জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সঠিক নিয়মে ভাত খাওয়ার পদ্ধতি

১. কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য বজায় রাখুন:
ভারসাম্যপূর্ণ ডায়েটে ভাত বা রুটির মতো কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার রাখা উচিত। সকাল এবং দুপুরে ভাত খাওয়া যেতে পারে। তবে ওজন কমাতে চাইলে রাতে ভাত এড়িয়ে চলুন।

২. বয়সভিত্তিক পরিমাণ ঠিক করুন:

১৭-৩০ বছর বয়সে: আড়াই থেকে তিন কাপ ভাত পুষ্টির জন্য যথেষ্ট।

৩৬ বছরের বেশি হলে: সারাদিনে আড়াই কাপের বেশি ভাত না খাওয়াই ভালো।

৪২ বছরের পর: দিনে দুই কাপ ভাত খাওয়াই যথেষ্ট।

৩. প্রোটিনের সঙ্গে মিল রাখুন:
ভাতের সঙ্গে মাছ, মাংস, ডিম, সয়া, ডাল বা পনিরের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যোগ করুন। এতে পুষ্টি নিশ্চিত হবে।

4. ফাইবারযুক্ত শাক-সবজি খান:
ভাতের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ শাক-সবজি খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।

পুষ্টিবিদের পরামর্শ

পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন বলেন, “ভাত খাওয়ার অন্তত ২০ মিনিট পরে পানি পান করুন। এতে হজমশক্তি উন্নত হয়। খাবারের মাঝে প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত পানি পান করবেন না।”

ভাত সঠিক নিয়মে এবং পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



হোয়াটসঅ্যাপে ড্রাফট ও কাস্টম লিস্ট ফিচার

জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগের একটি অপরিহার্য মাধ্যম। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে হোয়াটসঅ্যাপ প্রতিনিয়ত নতুন ফিচার যোগ করে। এবার নতুন দুটি ফিচার যুক্ত করেছে হোয়াটসঅ্যাপ—ড্রাফট ফিচার ও কাস্টম লিস্ট ফিচার।

ড্রাফট ফিচার

নতুন ড্রাফট ফিচার ব্যবহারকারীদের অসমাপ্ত বার্তা সংরক্ষণে সহায়তা করবে। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট মেইক ইউজ অব জানিয়েছে, এই ফিচারের সাহায্যে টাইপ করা অসমাপ্ত মেসেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ড্রাফট হিসেবে সংরক্ষিত হবে। এটি ই-মেইলের ড্রাফটের মতোই কাজ করবে।

ড্রাফট মেসেজগুলো চ্যাট তালিকায় সবুজ রঙের লেবেলসহ দেখাবে। ফলে সহজেই ব্যবহারকারীরা অসমাপ্ত মেসেজ খুঁজে পেয়ে সম্পূর্ণ করে পাঠাতে পারবেন। এই ফিচার ব্যবহার করে মেসেজ টাইপ করতে কোনো বাড়তি চাপ থাকবে না। ধীরে ধীরে মেসেজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে।

কাস্টম লিস্ট ফিচার

কাস্টম লিস্ট ফিচারটি ব্যবহারকারীদের পরিবার, বন্ধু, অফিস সহকর্মীদের গ্রুপ আলাদা আলাদা লিস্টে সংগঠিত করতে সাহায্য করে। এটি চ্যাট পরিচালনা সহজ ও কার্যকর করে তুলবে।

কাস্টম লিস্ট তৈরির ধাপ

১. হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ চালু করুন।
২. চ্যাট লিস্টে যান এবং উপরে ডান দিকে থাকা ‘যোগ’ চিহ্নে ক্লিক করুন।
৩. একটি পপআপ দেখাবে—‘Organize Your Chat’। সেখানে ক্লিক করুন।
৪. প্রয়োজনীয় ক্যাটাগরি (পরিবার, বন্ধু, অফিস) নির্বাচন করুন।
৫. যে চ্যাটটি লিস্টে যুক্ত করতে চান সেটি ট্যাপ করে ‘Add to List’ নির্বাচন করুন।

কাস্টম লিস্ট পরিচালনার সুবিধা

নাম পরিবর্তন: লিস্টের নামের ওপর চাপ দিয়ে ‘Rename’ বেছে নিন।

লিস্ট ডিলিট: লিস্টের ওপর চেপে ধরে ‘Delete’ অপশন নির্বাচন করুন।

পুনরায় সাজানো: ফিল্টার বার ধরে লিস্টকে নিজের পছন্দ অনুযায়ী ওপর-নিচে স্থানান্তর করুন।

এই ফিচারের উপকারিতা

১. লিস্ট সংগঠিত করা: চ্যাট সুসংগঠিত করতে আলাদা আলাদা গ্রুপ রাখা যাবে।
২. দ্রুত অ্যাক্সেস: প্রয়োজনীয় সময়ে দ্রুত যোগাযোগ করা সহজ হবে।

নতুন এই ফিচারগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য চ্যাটিং আরও স্মার্ট ও সহজ করে তুলবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভেপিং: সিগারেট ছাড়ার সমাধান নাকি নতুন ঝুঁকি?

ধূমপানের আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে ভেপিং অনেকের জন্য কার্যকর মনে হলেও এটি কিশোর ও তরুণদের জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ভেপের কাজের প্রক্রিয়া

ভেপ বা ই-সিগারেটে তামাকের পরিবর্তে থাকে নিকোটিন সমৃদ্ধ তরল পদার্থ। এটি গরম হয়ে ধোঁয়া তৈরি করে, যা সিগারেটের মতো ক্ষতিকারক উপাদান থেকে মুক্ত বলে অনেকে মনে করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ভেপ সিগারেটের তুলনায় কম ক্ষতিকর, কারণ এতে কার্বন মনোক্সাইডের মতো উপাদান নেই।

স্বাস্থ্যঝুঁকি ও নিষেধাজ্ঞা

দীর্ঘমেয়াদে ভেপিংয়ের ক্ষতি নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না থাকলেও বিশেষজ্ঞরা এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তরুণদের মধ্যে এটি সিগারেট আসক্তির প্রবণতা বাড়াতে পারে। এ কারণে বিশ্বের প্রায় ৩০টি দেশ ভেপ নিষিদ্ধ করেছে।

ধূমপান ছাড়ার বিকল্প, কিন্তু সতর্কতা জরুরি

চেইন স্মোকারদের জন্য ভেপ ধূমপান ছাড়ার একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে। তবে তরুণ ও কিশোরদের এর প্রতি আসক্তি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সচেতনতা বাড়িয়ে তাদের এ অভ্যাস থেকে দূরে রাখা প্রয়োজন।

করণীয়

ভেপিং নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এর সীমিত ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। ধূমপান রোধে এটি উপকারী হতে পারে, তবে এর যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”



এলডিসি দেশগুলোকে ২০০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দে সমর্থন চাইলো বাংলাদেশ

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) ও সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। এই প্রস্তাবে সমর্থন জানাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কে আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত কপ২৯-এর চূড়ান্ত ফলাফলের আলোচনায় এলডিসি মন্ত্রীদের এবং ইইউ মন্ত্রীদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। বৈঠকে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (বায়ুমান ব্যবস্থাপনা) ও বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্য মো. জিয়াউল হক এই আহ্বান জানান।

বৈঠকে উভয় পক্ষই জলবায়ু সংকটের সমাধানে একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্বারোপ করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ এবং সমতাভিত্তিক চুক্তি অর্জনের দিকে মনোযোগ দেয়। বাংলাদেশের প্রতিনিধি বলেন, ‘‘অনেক সমস্যা এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। একযোগে কাজ করে কপ২৯-এ একটি অর্থবহ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।’’

এছাড়া, বৈঠকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মন্ত্রীরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করতে প্রয়োজনীয় আর্থিক এবং কারিগরি সহায়তার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। তারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন এবং তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলি তুলে আনেন।

ইইউ মন্ত্রীরা এলডিসি দেশগুলোর উদ্বেগের প্রতি সমর্থন জানান এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

এদিকে, জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, নির্গমন হ্রাস এবং গ্লোবাল স্টকটেক প্রক্রিয়া বিষয়ে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। কপ২৯-এর চূড়ান্ত আলোচনায় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই বৈঠক একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ১৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১৮ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে পদাধিকারবলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র এ কমিটির সদস্য থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

১৮ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন- মো. মাহিন সরকার, রশিদুল ইসলাম রিফাত, নুসরাত তাবাসসুম, লুৎফর রহমান, আহনাফ সাঈদ খান, তারেকুল ইসলাম (তারেক রেজা), তারিকুল ইসলাম, মো. মেহেরাব হোসেন সিফাত, আসাদুল্লাহ আল গালিব, মোহাম্মদ রাকিব, সিনথিয়া জাহিন আয়েশা, আসাদ বিন রনি, নাইম আবেদীন, মাহমুদা সুলতানা রিমি, ইব্রাহিম নিরব, রাসেল আহমেদ, রফিকুল ইসলাম আইনী, মুঈনুল ইসলাম হাসনাত।

এর আগে ২২ অক্টোবর সমন্বয়ক টিম বিলুপ্ত করে ৪ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

কমিটিতে হাসনাত আবদুল্লাহকে আহ্বায়ক, আরিফ সোহেলকে সদস্যসচিব, আবদুল হান্নান মাসউদকে মুখ্য সংগঠক ও উমামা ফাতেমাকে মুখপাত্র করা হয়। এই কমিটি দিয়েই এতদিন সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল।




প্রশাসনে ফ্যাসিবাদী ৬৯ জন কর্মকর্তার অপসারণে গড়িমসি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: প্রশাসনে ঘাপটি মেরে বসে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসর দলবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এখনো অপসারণ-অব্যাহতি প্রদান করা হয়নি। প্রায় ৪২০০ জন কর্মকর্তা ন্যায়বিচার ও বঞ্চনা নিরসনের আবেদন করেছে। কমিটি যাচাই-বাছাই করে ১৫৪৬ জনের আবেদনকে প্রাথমিকভাবে আমলে নিয়ে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে। এসব দুষ্ট ক্ষতগুলো সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সরকারকে বিব্রত ও বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। কেউ কেউ গোপনে বিগত স্বৈরাচারদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের ইন্ধন যোগাচ্ছে। এ কারণে শত চেষ্টা সত্ত্বেও সরকারের বিভিন্ন দফতরে কাজে গতিশীলতা আসছে না, জনমনে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে। মাঠ প্রশাসনে কর্মরত ৩৪ জন বিতর্কিত জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার, বিতর্কিত ১৬ জন কর্মকর্তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল এবং সাবেক ফ্যাসীবাদী সরকারের দোসর, ছাত্র-জনতা হত্যায় জড়িত সেচ্ছাচারী, দুর্নীতিবাজ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ কাজে লিপ্ত ১৯ জন কর্মকর্তাকে অবিলম্বে প্রত্যাহারপূর্বক আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। দলবাজ, অদক্ষ ও সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের অপসারণ-অব্যাহতি প্রদান গত ৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিনের বঞ্চিত কর্মরত যে সমস্ত কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়েও এখনো পদায়ন পাননি তাঁদেরকে দ্রুত উপযুক্ত পদে পদায়ন করতে হবে। জনপ্রশাসনকে দ্রুত সচল করতে ছাত্র-জনতার আকাক্সক্ষার সাথে সংগতিপূর্ণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদায়ন করতে হবে। মাঠ প্রশাসনে কর্মরত বিতর্কিত জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করে নিরপেক্ষ, সৎ, দক্ষ কর্মকর্তাকে পদায়ন করা এবং বৈষম্যের শিকার ও পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের ভূতপেক্ষ জ্যেষ্ঠতা ও আর্থিক সুবিধা প্রদানসহ পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে জারির দাবিতে গতকাল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের মাধ্যমে দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রধান উপদেষ্টাকে দেয়া হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরামের আহ্বায়ক এ বি এম আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্ব একটি প্রতিনিধি দল এ স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরামের দাবি জানিয়ে যে আবেদন করেছে তা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে আমরা সেটা বাস্তবায়ন করবো।