শীতে ত্বক ও চুলের যত্নের সহজ টিপস

শীত ঋতুতে ত্বক ও চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে, হারায় প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা। এ সময় সঠিক যত্ন নিয়ে ত্বক ও চুলকে সুস্থ রাখা সম্ভব। এই বিষয়ে কথা বলেছেন মডেল মৌ রহমান। তার পরামর্শগুলো শীতকালীন যত্নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

মৌ রহমান জানান, শীতে ত্বক ও চুল ভালো রাখতে প্রথমেই ময়েশ্চার ধরে রাখার প্রতি মনোযোগ দেন। তিনি বলেন, “ত্বক ও চুলের সুস্থতার জন্য আমি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করি। শীতের শাক-সবজি খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করি।”

ত্বকের যত্নে মৌ রহমানের পরামর্শ:

১. প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক ব্যবহার: টক দই, চাউলের গুঁড়া, বেসন ও মধু মিশিয়ে তৈরি মিশ্রণ ত্বকে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এটি ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করবে।
২. ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার: ওয়াটার বেজড বা জেলজাতীয় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এটি সকালে মুখ ধোয়ার পর, গোসলের পর, এবং রাতে ঘুমানোর আগে মাখতে হবে।
৩. অ্যালোভেরা জেল: ত্বকে মাঝে মাঝে অ্যালোভেরা জেল লাগান। এটি শুষ্কতা দূর করে ত্বককে আর্দ্র রাখে।
৪. পুষ্টিকর খাবার: শীতের শাক-সবজি খেলে ত্বক প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
৫. অলিভ অয়েল: পুরো শরীরের ময়েশ্চার ধরে রাখতে অলিভ অয়েল নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন।

চুলের যত্নে মৌ রহমানের টিপস:

১. হট অয়েল ম্যাসাজ: চুলের ঝলমলে ভাব ধরে রাখতে হট অয়েল ম্যাসাজ অত্যন্ত কার্যকর।
২. প্রাকৃতিক যত্ন: শীতকালে চুলের শুষ্কতা এড়াতে নারকেল তেল, অলিভ অয়েল ইত্যাদি প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার করতে পারেন।
৩. পর্যাপ্ত পানি পান: শরীরে আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।

শীতকালে এই যত্নগুলো নিয়মিত মেনে চললে ত্বক ও চুল উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যবান থাকবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সবার সঙ্গে বৈঠক করে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেবেন ড. ইউনূস

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশের নানা ইস্যুতে সব রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর, বুধ ও বৃহস্পতিবার দেশের সব ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখান থেকে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেবেন তিনি।




নাম্বার সেভ ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ পাঠানোর সহজ উপায়

বর্তমানে যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ। তবে অনেক সময় কোনো নাম্বার সেভ না করেও মেসেজ পাঠানোর প্রয়োজন হতে পারে। এ সমস্যার সহজ সমাধান নিয়ে হাজির হোয়াটসঅ্যাপ। এখানে উল্লেখ করা হলো নাম্বার সেভ না করেই মেসেজ পাঠানোর ৫টি কার্যকর পদ্ধতি:

১. হোয়াটসঅ্যাপের বিল্ট-ইন ফিচার ব্যবহার করুন
প্রথমে যাকে মেসেজ পাঠাবেন তার নম্বর কপি করুন। এরপর হোয়াটসঅ্যাপ খুলে New Chat অপশনে যান। কপি করা নাম্বার পেস্ট করে সেখান থেকে চ্যাট শুরু করুন।

২. হোয়াটসঅ্যাপ লিংক ব্যবহার করুন
নাম্বার সেভ না করে https://api.whatsapp.com/send?phone=xxxxxxxxxx লিংকটি ব্রাউজারে লিখুন। এখানে xxxxxxxxxx এর স্থানে দেশের কোডসহ (যেমন, +৮৮ বাংলাদেশ) ফোন নম্বর যোগ করুন। এরপর Continue to Chat ক্লিক করুন। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চ্যাট শুরু করবে।

৩. ট্রুকলার অ্যাপের সাহায্যে
ট্রুকলার অ্যাপ ওপেন করে প্রয়োজনীয় নম্বরটি সার্চ করুন। স্ক্রল করে হোয়াটসঅ্যাপ বাটনে ট্যাপ করলে সরাসরি চ্যাট উইন্ডোতে চলে যাবে।

৪. গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করুন
গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু করে বলুন, “Send a WhatsApp Message to [নম্বর]।” এরপর আপনার মেসেজটি বলুন। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট সেটি মেসেজ হিসেবে পাঠিয়ে দেবে।

৫. সিরি শর্টকাট (আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য)
আইফোনে Siri Shortcut অ্যাপ চালু করে Allow Untrusted Shortcut অপশন চালু করুন। WhatsApp to Non-Contact শর্টকাট ডাউনলোড করুন। এরপর ফোন নম্বর এন্টার করে চ্যাট শুরু করুন।

এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করে সহজেই নাম্বার সেভ না করেও যেকোনো হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছুটি ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ১৫ আগস্টকে ‘জাতীয় শোক দিবসের’ ছুটি ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

গতকাল (রোববার) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আজ অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঘোষিত ১৫ আগস্টের সাধারণ ছুটি বাতিল করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ছুটি বাতিলের ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।




পাঠ্যবইয়ে বড় পরিবর্তন: যা বাদ পড়ছে, যা যুক্ত হচ্ছে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: বদলে যাচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের সব পাঠ্যবই। মাধ্যমিকের প্রতি শ্রেণির বাংলা বইয়ে যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে লেখা, কবিতা অথবা কার্টুন। প্রতিটি বইয়ের পেছনের কভারে থাকছে গ্রাফিতি। এর বাইরে ইতিহাসনির্ভর অনেক বিষয়েও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সেই সঙ্গে পাঠ্যবই থেকে বাদ যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ‘অতিরঞ্জিত’ চিত্র। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নতুন শিক্ষাক্রম বাতিল করে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমে ফিরে যাওয়ার কথা জানানো হয়। এ কারণে চলতি বছরের চেয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক স্তরের বইয়ের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। বাতিল করা নতুন শিক্ষাক্রমে মাধ্যমিক স্তরে একেকটি শ্রেণির জন্য ১০টি বিষয় ছিল। পুরোনো শিক্ষাক্রমে বিষয় আরও বেশি। যেমন পুরোনো শিক্ষাক্রমে মাধ্যমিকে বইয়ের সংখ্যা ২৩ (সব কটি সবার জন্য নয়)। ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমে ফিরে যাওয়ায় আবার ছাপা হচ্ছে আরবি, সংস্কৃত, পালি ভাষা শিক্ষা বই।

পাঠ্যপুস্তকে নানা পরিবর্তনের কথা নিশ্চিত করে এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, ‘ইতিহাসে যাঁর যাঁর যে স্থান বা ভূমিকা, সেটাই আমরা নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। এ জন্য পরিমার্জনের সঙ্গে জড়িত লেখক, গবেষক ও বুদ্ধিজীবীদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে।’

বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণির বইয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ জন্য মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ইতিহাসনির্ভর বিষয়েও কিছু কাটছাঁট করা হয়েছে। এনসিটিবি সূত্র বলছে, পাঠ্যবইয়ে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে মেজর জিয়াউর রহমানের নাম যুক্ত করা হয়েছে। আর বাদ যাচ্ছে বইয়ের শেষ কভারে লেখা শেখ হাসিনার ছবিসংবলিত বাণী। একই সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে লেখাও বাদ যাচ্ছে পাঠ্যবই থেকে।




সমুদ্রের নিচে ৪০ হাজার কিলোমিটার ক্যাবল বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে মেটা

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এসেছে মেটা। জনপ্রিয় এই তিনটি সোশ্যাল মিডিয়ার মূল সংস্থা মেটা তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য উন্নত সেবা দিতে সমুদ্রের নিচে ৪০ হাজার কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ক্যাবল বসানোর পরিকল্পনা করেছে। এই প্রকল্পে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান মেটা তাদের ডেটা ট্রাফিক শক্তিশালী করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদা মেটাতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। মেটার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তাদের প্ল্যাটফর্মগুলো সব ইন্টারনেট ট্রাফিকের ১০ শতাংশ এবং মোবাইল ইন্টারনেটের ২২ শতাংশ ব্যবহার করে।

মেটার এই ক্যাবল আমেরিকার পূর্ব উপকূল থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, এবং অস্ট্রেলিয়া হয়ে আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে পৌঁছাবে। ডব্লিউ আকৃতির এই সাব-সি ক্যাবল বিশ্বের ডেটা নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তন আনবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মেটার ডেডিকেটেড ডেটা ট্রাফিক রুট হিসেবে কাজ করবে এবং প্রযুক্তিগত উন্নতির মাইলফলক হিসেবে প্রমাণিত হবে।

তবে প্রকল্পটি সম্পন্ন করতে মেটার সামনে রয়েছে কিছু বড় চ্যালেঞ্জ। সাব-সি ক্যাবল বিছানোর জন্য প্রয়োজনীয় জাহাজের সংখ্যা সীমিত এবং এই ক্যাবল তৈরির চাহিদা অনেক বেশি। মেটা প্রাথমিকভাবে ২ বিলিয়ন ডলারে প্রকল্প শুরু করতে চাইলেও, এর মোট ব্যয় ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

মেটা জানিয়েছে, প্রকল্পটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং ২০২৫ সালের শুরুর দিকে এর বিস্তারিত ঘোষণা দেওয়া হবে। এতে ক্যাবল স্থাপনের রুট, ধারণক্ষমতা, এবং বাজেট সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হবে।

বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহার আরও সহজ এবং দ্রুত করতে মেটার এই উদ্যোগ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে নেই ঢাকার সিনেমা

আগামী ৪ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া ৩০তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে (কেআইএফএফ) বাংলাদেশের কোনো সিনেমা থাকছে না। ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন, যেখানে ১৮০টি সিনেমা প্রদর্শিত হবে।

উৎসবের চেয়ারম্যান গৌতম ঘোষ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভিসা জটিলতার কারণে বাংলাদেশের কোনো সিনেমা এ বছর তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। তাই এবার বাংলাদেশের কোনো সিনেমা থাকছে না।”

এর আগে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে নিয়মিত অংশ নিতো বাংলাদেশ। ২০২২ সালে মুহাম্মদ কাইউমের ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’ যৌথভাবে সেরা সিনেমার স্বীকৃতি পেয়েছিল। এছাড়া, ২৬তম আসরে রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের ‘নোনা জলের কাব্য’ এশিয়ান সিলেক্ট (নেটপ্যাক) পুরস্কার অর্জন করে। সর্বশেষ গত বছর উৎসবে বাংলাদেশের তিনটি সিনেমা দেখানো হয়েছিল।

এবার শুধু সিনেমাই নয়, উৎসবের বিভিন্ন কর্মশালা ও প্যানেল আলোচনায়ও বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি থাকছে না। এমনকি বাংলাদেশের সিনেমাপ্রেমীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার এ আয়োজন থেকে তাদের অংশগ্রহণ অনুপস্থিত।

এদিকে, উৎসবের এবারের মূলমন্ত্র হলো “বাংলার মাটিতে বিশ্বের ছবি”। ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজকদের আশা, এবারের উৎসব হবে আরও জাঁকজমকপূর্ণ। উদ্বোধনী দিনে তপন সিনহার ক্লাসিক ‘গল্প হলেও সত্যি’ প্রদর্শিত হবে। থিম সং রচনা ও পরিবেশনা করেছেন নচিকেতা চক্রবর্তী।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



খোলা আকাশের নিচে পরীক্ষা: গলাচিপার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বিপত্তি

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ২নং গোলখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ বলইবুনিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করছেন এবং বার্ষিক পরীক্ষা দিচ্ছেন। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য পুরানো ভবন অপসারণ করায় শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছেন। খোলা আকাশের নিচে রোদের তাপ ও প্রতিকূল পরিবেশে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য নানা সমস্যা সৃষ্টি করছে।

মাদ্রাসার সুপার, মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করে পাশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিচতলা ব্যবহার করার অনুমতি চান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওই আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করে অনুমতি দেন, কিন্তু দক্ষিণ বলইবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বাবুল হোসেন অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান।

এ কারণে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা গত ২৪ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত খোলা আকাশের নিচে পরীক্ষার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এ ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং দাবি জানিয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা যেন নিরাপদ ও সুবিধাজনক পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে।

বলইবুনিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বর্তমানে ৩৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। মাদ্রাসা সুপার মোহাম্মদ আব্দুল মালেক জানান, ইউএনওর অনুমতিপত্র নিয়ে তারা প্রধান শিক্ষক মো. বাবুল হোসেনের কাছে যান, কিন্তু তিনি তাদেরকে ভবনের নিচতলা ব্যবহার করতে দেননি।

এ বিষয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বাবুল হোসেন জানিয়েছেন, তিনি অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না, এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার থেকে অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত তার কিছু করার নেই।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, “আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিচতলা ব্যবহারের জন্য লিখিত অনুমতি দিয়েছি এবং প্রধান শিক্ষককে ফোনে না পেয়ে সহকারী শিক্ষককে মৌখিকভাবে জানিয়েছি। কেন এটি বাস্তবায়িত হয়নি, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



মেসেঞ্জারে নতুন ফিচার: যোগাযোগে নতুন যুগের সূচনা

ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের জন্য মেটা নিয়ে এসেছে উন্নত ফিচারের এক ঝাঁক। এবার ব্যবহারকারীরা পাবেন এইচডি ভিডিও কল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাকগ্রাউন্ড এবং আরও অনেক নতুন সুবিধা।

মেসেঞ্জারের নতুন ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে:

এইচডি ভিডিও কল: এবার থেকে ভিডিও কলের গুণমান হবে আরও উন্নত। কল চলাকালীন শব্দ দূরীকরণ প্রযুক্তি এবং স্পষ্ট ভিডিও কল ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাকে করবে আরও উন্নত।

অডিও ও ভিডিও বার্তা পাঠানোর সুবিধা: মেসেঞ্জারে এখন আপনি অডিও বা ভিডিও বার্তা রেকর্ড করে পাঠাতে পারবেন, যা কলের উত্তর না পেলেও বার্তা পৌঁছে দেবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাকগ্রাউন্ড: ভিডিও কলিংয়ে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন আকর্ষণীয় ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করতে পারবেন, যা কলিং অভিজ্ঞতায় যোগ করবে নতুন মাত্রা।

সিরি সহায়তা: আইওএস ব্যবহারকারীরা মেসেঞ্জারে কল করা বা বার্তা পাঠানোর জন্য সিরি-র সাহায্য নিতে পারবেন।

ফেসবুক মেসেঞ্জারের এই পরিবর্তনের গুরুত্ব
নতুন ফিচারগুলো শুধুমাত্র ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাকে উন্নত করবে না, বরং মেসেঞ্জারকে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে। যোগাযোগ হবে আরও সহজ, দ্রুত এবং উপভোগ্য।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কলকাতায় বাংলাদেশের পতাকার অবমাননা, ঢাকার তীব্র নিন্দা উদ্বেগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের বাইরে সংঘবদ্ধ ও সহিংস বিক্ষোভের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকালে বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ নামে একটি স্থানীয় সংগঠন এই বিক্ষোভ আয়োজন করে।

সেখানেই বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

এসব ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ঢাকা। একইসঙ্গে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন ও ভারতে বাংলাদেশের অন্যান্য কূটনৈতিক মিশনের পাশাপাশি কূটনৈতিক এবং অকূটনৈতিক সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে উল্লেখ করছে যে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের বাইরে গতকাল বিকালে কলকাতার একটি হিন্দু সংগঠন ‘বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ’ দ্বারা সহিংস বিক্ষোভ হয়েছে। সে সময় বিক্ষোভকারীদের একটি বড় দল আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ থেকে সহিংস হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা পুলিশ ব্যারিকেড ভেঙে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সীমানায় পৌঁছায়। তারা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় আগুন দেয় এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কুশপুত্তলিকা দাহ করে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মনে হলেও ডেপুটি হাইকমিশনের সব সদস্যের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং প্রধান উপদেষ্টার কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর জঘন্য কাজের তীব্র নিন্দা জানায়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় বাংলাদেশ সরকার।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ, বাংলাদেশ সরকার যেকোনো ধরনের সহিংস কার্যকলাপের নিন্দা জানায়। একইসঙ্গে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন এবং ভারতে বাংলাদেশের অন্যান্য কূটনৈতিক মিশনের পাশাপাশি কূটনৈতিক এবং অ-কূটনৈতিক সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়।