উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ ও প্রতিকার: জানুন বিপদের ইঙ্গিত

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন একটি নীরব ঘাতক রোগ হিসেবে পরিচিত। এই সমস্যার কারণে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ চাপ। তবে, রক্তচাপ যদি ১৪০/৯০ মিলিমিটার পারদের বেশি হয়, তখন তা উচ্চ রক্তচাপ বলে বিবেচিত হয়।

উচ্চ রক্তচাপের কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ রয়েছে। এগুলো হলো:

দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া

বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হওয়া

শ্বাসকষ্ট বা নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

নাক দিয়ে রক্ত পড়া

মাথা ব্যথা বা মাথা ঘোরা

অনিদ্রা ও ক্লান্তি

প্রস্রাবে রক্ত যাওয়া

শরীরের কোনো অঙ্গ বিশেষ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া

অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের ক্ষেত্রে খিঁচুনি

চোখের সমস্যা ও উচ্চ রক্তচাপ

উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ অনেক সময় চোখে ফুটে ওঠে। এটি অবহেলা করলে বড় বিপদের কারণ হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ‘হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি’। এর ফলে চোখের রেটিনার রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই সমস্যায় আক্রান্তদের স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে বেশি।

চোখে রক্তনালিগুলো ফেটে গেলে চোখ লাল হয়ে যেতে পারে। এটি উচ্চ রক্তচাপের একটি গুরুতর লক্ষণ। অনেক সময় চোখ পরীক্ষা না করলে এই সমস্যাগুলো ধরা পড়ে না। তাই নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে। এর পেছনে মূল কারণ হলো রেটিনার রক্তনালিগুলোর ক্ষতি, যা চোখের রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।

করণীয়

উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরিমিত খাবার গ্রহণ, ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন, এবং পর্যাপ্ত ব্যায়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




১৭ লাখ ইমাম-মুয়াজ্জিন পাবেন সরকারি ভাতা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদের ১৭ লাখ ইমাম-মুয়াজ্জিনকে সম্মানী ভাতা দেবে অন্তর্বর্তী সরকার। তাঁদের পাশাপাশি মসজিদের খাদেমদেরও দেওয়া হবে এই ভাতা। তাঁরা নিয়মিত বেতন-ভাতার পাশাপাশি সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় এ ভাতা পাবেন।

দেশের মোট মসজিদের ১০ শতাংশ মসজিদে প্রথম দফায় এ কর্মসূচি চালু করা হবে।

পর্যায়ক্রমে বাকি মসজিদগুলোকেও এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে ইমাম পাঁচ হাজার, মুয়াজ্জিন চার হাজার এবং খাদেম তিন হাজার টাকা করে পারেন।
সারা দেশের মসজিদগুলোর তালিকা করতে গত মঙ্গলবার সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)। প্রতিষ্ঠানটির সচিব মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে।




স্মার্টফোন কোথায় রাখবেন? সঠিক অভ্যাসে সুরক্ষিত থাকুন

স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। ঘর থেকে বাইরে, পকেটে মোবাইল থাকা যেন স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু মোবাইল ফোন কোন পকেটে রাখছেন, তা নিয়ে অনেকেই ভাবেন না। অথচ এই ছোট বিষয়টি স্বাস্থ্যের ক্ষতি বা বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফোন রাখার সঠিক পদ্ধতি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

পেছনের পকেটে ফোন রাখার ঝুঁকি

১. ব্যাটারি বিস্ফোরণ:
পেছনের পকেটে ফোন রাখলে শরীরের চাপের কারণে ফোনের ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হতে পারে, যা বিস্ফোরণের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. ফোনের ক্ষতি:
বসার সময় ফোন ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া হাঁটার সময় ফোন পড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও বেশি।

৩. চুরির ঝুঁকি:
জনবহুল স্থানে পেছনের পকেট থেকে ফোন চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনা খুব সাধারণ।

সামনের পকেটে ফোন রাখার সুবিধা

সামনের পকেটে ফোন রাখলে ব্যাটারির ওপর চাপ কম পড়ে এবং চুরির ঝুঁকিও অনেক কমে। তবে দীর্ঘক্ষণ ফোন শরীরের সঙ্গে লেগে থাকলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

স্মার্টফোন রাখার সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা

ফোন রাখার সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হলো ব্যাগ। ব্যাগে ফোন রাখলে শরীর থেকে দূরে থাকে, ফলে বিকিরণের ক্ষতিকর প্রভাব কম হয়। একই সঙ্গে চুরির ঝুঁকিও অনেকটা কমে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতা:

ঘুমানোর সময় ফোন বিছানা থেকে দূরে রাখুন।

ফোন চার্জ দেওয়ার সময় অতিরিক্ত গরম হলে চার্জ বন্ধ করুন।

ফুলে ওঠা ব্যাটারি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

স্মার্টফোনের সঠিক ব্যবহার শুধু ডিভাইসের寿ায়ু বাড়ায় না, বরং আপনার স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। সঠিক অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং ঝুঁকি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দুমকিতে আবার চালু হলো ভোকেশনাল শাখা

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী উত্তর শ্রীরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল কারিগরি শাখা দীর্ঘ ৯ বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে। এটি স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।

২০০৪ সালে ইঞ্জিনিয়ার কামাল হোসেনের একক প্রচেষ্টায় শুরু হওয়া এই শাখাটি ২০১৫ সালে বন্ধ হয়ে যায়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে কামাল হোসেন রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় জড়িয়ে পড়েন। ফলে শাখাটি চালানোর মতো আর কেউ না থাকায় এটি বন্ধ হয়ে যায়।

শাখাটি চালুর পেছনে ইঞ্জিনিয়ার কামাল হোসেনের অবদান অনস্বীকার্য। নিজের পিতার জমি বিক্রি করে এবং প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তিনি এই শাখা চালু করেছিলেন। তার লক্ষ্য ছিল, স্থানীয় শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা। শুরুর ১২ বছরে এই শাখা থেকে আড়াইশতাধিক শিক্ষার্থী পাস করে বের হয়, যারা বর্তমানে বিভিন্ন পেশায় সফলতার সঙ্গে কাজ করছেন।

২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কামাল হোসেন আবার নতুন উদ্যমে শাখাটি চালু করার উদ্যোগ নেন। স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা বোর্ডের সহায়তায় অবশেষে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শাখাটি পুনরায় কার্যক্রম শুরু করে।

এতে স্থানীয়রা উচ্ছ্বসিত। এক অভিভাবক বলেন, “আমাদের সন্তানরা আবার কারিগরি শিক্ষা পাবে। এটি তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য বিশাল সুযোগ।” সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ বলেন, “এই শাখা আমার পেশাগত জীবনে এগিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”

ইঞ্জিনিয়ার কামাল হোসেন বলেন, “প্রতিষ্ঠানটি চালু রাখতে আমার অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব আমি কখনো এড়াতে চাইনি। শাখাটি এমপিওভুক্ত করতে পারলে তবেই এটি পূর্ণতা পাবে।”

উত্তর শ্রীরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল কারিগরি শাখার পুনরায় চালু হওয়া শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পুনর্জন্ম নয়, এটি একটি এলাকার উন্নয়নের প্রতীক। এটি প্রমাণ করে যে, অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং সঠিক প্রচেষ্টা দীর্ঘ প্রতিকূলতাকে জয় করতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পুরোনো ফোন বিক্রি করার আগে যেসব কাজ অবশ্যই করবেন

আজকাল ফোন ছাড়া চলা প্রায় অসম্ভব। নতুন ফোন কেনার পর পুরোনো ফোন বিক্রি করাটা স্বাভাবিক হলেও এতে অনেক সময় বড় বিপদ হতে পারে। আপনার ফোনে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য অন্যের হাতে পড়ে গেলে তা দিয়ে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হতে পারেন। তাই পুরোনো ফোন বিক্রি করার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

ফোন বিক্রির আগে করণীয়

১. ব্যক্তিগত তথ্য ব্যাকআপ ও মুছে ফেলুন:
ফোন বিক্রির আগে প্রথমেই ফোনের গুরুত্বপূর্ণ ডেটাগুলো, যেমন ছবি, ভিডিও, মেসেজ, এবং নথি ক্লাউড স্টোরেজ বা অন্য কোনো ডিভাইসে ব্যাকআপ করুন। গুগল ড্রাইভ বা অন্য প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এসব সংরক্ষণ করুন। এরপর ফোনের সব তথ্য মুছে ফেলুন।

২. ফ্যাক্টরি রিসেট করুন:
ব্যাকআপ নেওয়ার পর ফোনটি ফ্যাক্টরি রিসেট করুন, যা ফোনের সব ডেটা স্থায়ীভাবে মুছে ফেলবে।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে:

সেটিংস > সিস্টেম > রিসেট > ফ্যাক্টরি রিসেট।

আইফোনে:

সেটিংস > জেনারেল > রিসেট > ইরেজ অন কনটেন্ট অ্যান্ড সেটিংস।

 

৩. অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট করুন:
আপনার ফোনে লগইন করা সব অ্যাকাউন্ট, যেমন গুগল, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, বা পে-অ্যাপ থেকে সাইন আউট করুন। ফোনে থাকা অ্যাকাউন্টের সমস্ত লিংক মুছে ফেলুন।

৪. ফোন পরিষ্কার ও মেরামত করুন:
ফোন বিক্রির আগে এটি পরিষ্কার করুন। একটি মাইক্রোফাইবার কাপড় ও অ্যালকোহল-ভিত্তিক ক্লিনার দিয়ে স্ক্রিন ও বডি মুছে নিন। ফোনের চার্জিং পোর্ট, হেডফোন জ্যাক ইত্যাদি জায়গাগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। ফোনের অবস্থা ভালো থাকলে আপনি বেশি দাম পাবেন।

এই চারটি ধাপ নিশ্চিত করলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকবে এবং পুরোনো ফোন বিক্রিতে আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বরিশালের সন্তান ওসি আল আমিনের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলছেন পরিবারের সদস্যরা

শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমিনের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হলেও তার পরিবার একে হত্যাকাণ্ড হিসেবে দাবি করছে। তাদের মতে, আল আমিনের স্বাভাবিক মৃত্যু সম্ভব নয়, বরং তাকে হত্যা করে পরে আত্মহত্যার ঘটনা সাজানো হয়েছে। বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, জাজিরা থানার দ্বিতীয় তলার নিজের কক্ষে ওসি আল আমিনের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তার পরিবারের সদস্যরা এই মৃত্যুকে অস্বাভাবিক মনে করছেন এবং মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশের প্রতি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

আল আমিনের বড় বোন, সালমা আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বলেন, ‘‘আমার ভাই কখনও আত্মহত্যা করতে পারে না।’’ তিনি দাবি করেন যে, তার ভাই একজন ধার্মিক ও সৎ ব্যক্তি ছিলেন, যিনি ইসলামিক জীবনযাপন করতেন এবং আত্মহত্যার মতো পাপ কোনোভাবেই করতে পারেন না। মৃত্যুর আগে আল আমিনের মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা ছিল না বলেও জানান তিনি।

আল আমিনের ছোট ভাই আবুল কালাম, যিনি মধুমতি ব্যাংকের কর্মকর্তা, জানান যে, তিনি কখনও ঘুষ বা অনিয়মে জড়িত ছিলেন না। বরং খুব সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন এবং সংসার চালাতে কঠোর পরিশ্রম করতেন। তার মতে, ‘‘এটি আত্মহত্যা নয়, এটি একটি হত্যাকাণ্ড।’’

জাজিরা থানার ওসি হিসেবে যোগদানের পর থেকে তিনি সব সময় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন এবং কখনও কোনো অভিযোগের মুখোমুখি হননি। মৃত্যুর পর, শরীয়তপুর পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম দাবি করেন যে, আল আমিন আত্মহত্যা করেছেন, তবে তার পরিবার সেই দাবি মেনে নিতে প্রস্তুত নয়।

এদিকে, ফরেনসিক বিভাগের টিম ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে আল আমিনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। তার পরিবার, বিশেষ করে স্ত্রী ও দুই সন্তান, শোকে স্তব্ধ অবস্থায় আছেন এবং পুরো ঘটনা পরিষ্কারভাবে তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন।

শরীয়তপুর পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ‘‘অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।’’ তারা আশা করছেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরগুনার খেয়াঘাটে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব, যাত্রীসেবায় তেমন কোনো উদ্যোগ নেই

বরগুনার ১৫টি খেয়াঘাট থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হলেও, যাত্রীদের জন্য সঠিক সেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। জেলা পরিষদের ইজারা দেওয়া এসব ঘাটে অনেক ক্ষেত্রেই যাত্রীদের জন্য নেই আলাদা ঘাট বা নিরাপদ ওঠানামার ব্যবস্থা, ফলে যাত্রীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। এছাড়া, যাত্রীছাউনি দখল হয়ে যাওয়া ও ঘাটের জরুরি সংস্কারের অভাবে অনেক ঘাটের অবস্থাও বেহাল।

বরগুনা জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে বরগুনার ১৫টি খেয়াঘাট থেকে ইজারাদারদের কাছ থেকে মোট ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ রাজস্ব আসে পুরাকাটা-আমতলী খেয়াঘাট থেকে, যেখানে এক কোটি ৫৩ লাখ টাকা আদায় হয়েছে। কিন্তু, যাত্রীদের সুবিধার জন্য এখানে আলাদা ঘাটের ব্যবস্থা না থাকায় ফেরির পন্টুন থেকেই যাত্রীদের ওঠানামা করতে হয়। এতে অনেক সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ওঠানামার সময় এই দুর্ঘটনা আরও বেড়ে যায়।

এই অবস্থার মধ্যে যাত্রীদের জন্য নির্মিত যাত্রীছাউনিগুলিও পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। বহু ঘাটের যাত্রীছাউনির জায়গাগুলো দখল হয়ে গিয়ে, বা অন্য কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এমনকি, কিছু ঘাটের টয়লেটগুলিও ভেঙে পড়ে রয়েছে।

বিশেষত, পুরাকাটা এবং বড়ইতলা-বাইনচটকি খেয়াঘাটের যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, যে কারণে তাদের চলাচলে নিরাপত্তার অভাব দেখা দেয়। এসব ঘাটে নির্মিত যাত্রীছাউনিগুলো দূরে থাকার কারণে যাত্রীদের বসার জায়গা ও সেবা পাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। এর ফলে যাত্রীরা বৃষ্টির সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে বা চায়ের দোকানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। এমন অবস্থায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের, যা তাদের জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।

খেয়াঘাট পরিচালনাকারী বিভিন্ন ইজারাদাররা বলেছেন, তারা খেয়া পারাপারের জন্য ঘাটের উন্নয়ন ও যাত্রীদের সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার আবেদন জানিয়ে আসছেন। তারা চান, বর্ষাকালে যাত্রীদের জন্য নিরাপদ এবং সঠিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক, যাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো যায়।

এছাড়া, বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন, খেয়াঘাটগুলোর উন্নয়নের জন্য কাজ দ্রুত শুরু হবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর, সেসব ঘাটে যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য টেন্ডারের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। যেসব যাত্রীছাউনি বেদখল হয়েছে, সেগুলো উদ্ধারের জন্যও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে কেনাফ চাষে বাড়বে জমির উর্বরতা, কমবে লবণাক্ততা: কৃষকদের জন্য আশার আলো

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণের আধিক্য এবং জমির অনুর্বরতা একটি পুরোনো সমস্যা। তবে, এখন এই সমস্যার সমাধান হিসেবে সামনে এসেছে নতুন একটি ফসল, যার নাম **কেনাফ**। পাটজাতীয় এই ফসলের চাষ শুরু হওয়ায় জমির উর্বরতা বাড়ানোর পাশাপাশি লবণাক্ততা কমানোর আশাপ্রদ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

কেনাফ, যার বৈজ্ঞানিক নাম Hibiscus cannabinus, আফ্রিকা থেকে উদ্ভূত একটি উদ্ভিদ। এই ফসলটি কৃষকদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করছে, বিশেষত লবণাক্ত জমিতে এর চাষের মাধ্যমে। বরিশাল কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে লবণের পরিমাণ বেশি হওয়ায় কৃষকদের জন্য এই অঞ্চলে ফসল চাষ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তবে, কেনাফের চাষ জমির উর্বরতা বাড়াতে এবং লবণাক্ততা কমাতে সহায়ক হিসেবে কাজ করছে।

দেশের মোট চাষযোগ্য জমির ৩২ শতাংশই উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত, যার মধ্যে প্রায় ১ দশমিক ০৫ মিলিয়ন হেক্টর জমি লবণাক্ত। এই বিশাল পরিমাণ জমি খরিফ-১ মৌসুমে চাষের উপযোগী থাকে না। তবে, কেনাফ চাষের মাধ্যমে এই জমি গুলি আবাদযোগ্য হতে পারে। বিশেষত পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা ও পিরোজপুর জেলার অনেক এলাকায় ইতোমধ্যে কেনাফ চাষ শুরু হয়েছে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কৃষক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, তিনি ২০ শতাংশ লবণাক্ত জমিতে প্রথমবারের মতো কেনাফ চাষ করেছেন। তার মতে, ধানের চেয়ে কেনাফ চাষে লাভ বেশি। সেজন্য ভবিষ্যতে আরও বেশি জমিতে কেনাফ চাষ করবেন।

পটুয়াখালী পাট গবেষণা উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আফলাতুন কবির হিমেল জানিয়েছেন, এবছর প্রথমবারের মতো ১২ কৃষকের মধ্যে ৮ জনকে আঁশ উৎপাদনের জন্য এবং ৪ জনকে বীজ উৎপাদনের জন্য প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশের উপকূলীয় প্রায় ১০ লাখ হেক্টর অনাবাদি জমিতে কেনাফের চাষ সম্প্রসারণ করা সম্ভব।

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) উদ্ভাবিত কেনাফ জাতের পাতা উন্নতমানের গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহারযোগ্য এবং এর আঁশ রপ্তানিযোগ্য। এটি কৃষকদের অতিরিক্ত আয়ের সুযোগও সৃষ্টি করবে। ড. নার্গীস আক্তার, বিজেআরআইর মহাপরিচালক বলেন, কেনাফের আবাদ সম্প্রসারণের মাধ্যমে উপকূলীয় কৃষকদের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

কেনাফ চাষের মাধ্যমে শুধু লবণাক্ত জমি আবাদযোগ্য হবে না, বরং প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন জোয়ার আনবে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালের নতুন বছরেও আওয়ামী লীগ নেতাদের রাজপথে অনুপস্থিতি, নিস্তব্ধ সেরনিয়াবাত ভবন

নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে যখন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা রাজপথে ছিলেন, তখন বরিশালের শীর্ষ পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতারা আত্মগোপন এবং কারাগারে থাকায় তাদের উপস্থিতি ছিল না। যদিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয় ও সেরনিয়াবাত ভবন ছিল একেবারে নিস্তব্ধ।

বরিশাল নগরের সোহেল চত্বরস্থ নগর ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি একসময় ছিল একাধিক কর্মসূচি ও দলীয় মিটিংয়ের কেন্দ্রস্থল। দীর্ঘ এক যুগ ধরে এটি সরব ছিল দলীয় নেতাকর্মীদের পদচারণায় এবং স্লোগানে। তবে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে গত কয়েক বছর ধরে দলের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সেরনিয়াবাত ভবন থেকে পরিচালিত হতে থাকে। এরপর থেকেই ভবনটি ছিল বরিশালের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

তবে, সম্প্রতি, সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর চাচা আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সিটি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলে সোহেল চত্বরের কার্যক্রম কিছুটা ধীর হয়ে পড়ে। এর ফলে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয় এবং অনেক সিদ্ধান্ত নেয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে সাধারণ জনগণ বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে, এবং তাদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়।

২০২৫ সালের শুরুতে, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর বরিশালের রাজনীতি পরিস্থিতি অনেকটাই পাল্টে যায়। দলীয় নেতারা পালিয়ে গিয়ে নগরবাসী কিছুটা স্বস্তি পায়। বিশেষত, কালিবাড়ি রোডের ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, তাদের দীর্ঘ ৫-৬ বছরের ভোগান্তি শেষ হয়ে গেছে, কারণ সেরনিয়াবাত ভবন থেকে নেতাকর্মীদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে এবং এখন রাস্তায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এসেছে।

একই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বরিশালের বিবির পুকুরের দক্ষিণ প্রান্তেও, যেখানে সিটি করপোরেশনের অ্যানেক্স ভবনের নিচতলার পশ্চিম প্রান্তে আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি আগুনে পুড়ে ধ্বংস হয়ে গেছে। এই ঘটনায় পুরো অ্যানেক্স ভবনও ধ্বংস হয়ে যায়। তবে বর্তমানে, এখানে নেতা-কর্মীদের পদচারণা নেই এবং স্থানটি শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বলছেন, বরিশালের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের শিকার ছিল, যার ফলে তাদের মাঝে বিরক্তি ও ক্ষোভ জমা হয়ে গেছে। ৪ ও ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লব সেই ক্ষোভেরই ফলস্বরূপ ছিল, এবং এই ঘটনাগুলোর ফলে আওয়ামী লীগের নেতারা বর্তমানে রাজপথে অনুপস্থিত।

নগরবাসী এখন এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেয়ে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছেন, যদিও অনেক নেতাই এখনও দেশ ছেড়ে চলে গেছেন বা কারাগারে রয়েছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে গাছের সংখ্যা কম, চুরি বাড়ায় খেজুরের রস সংগ্রহ কমছে

বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে খেজুরের গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি, রস চুরির ঘটনা বাড়ছে, যার ফলে খেজুর রস সংগ্রহে দেখা দিয়েছে বিপত্তি। গাছ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ ইটভাটার জন্য খেজুর গাছ কাটা এবং খেজুরের রস সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত উপকরণের দাম বাড়ানো। এ অবস্থায়, ঐতিহ্য ধরে রাখতে কিছু গাছি বেঁচে থাকা গাছগুলো থেকে রস সংগ্রহ করছেন, কিন্তু চুরি ও অন্যান্য সমস্যার কারণে সংগ্রহের পরিমাণ দিন দিন কমছে।

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার আলী হাওলাদার (৫৫) জানিয়েছেন, তিন দশক ধরে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করছেন। তবে এখন গাছ কমে যাওয়ায় রস সংগ্রহের পরিমাণ অল্প। তিনি বলেন, একসময় এক বাড়ি থেকেই ২০-৩০ লিটার রস সংগ্রহ করা যেত, কিন্তু বর্তমানে পাঁচটি বাড়ি ঘুরলেও মাত্র ২০টি গাছ পাওয়া যায় না। গাছের মালিকদের সঙ্গে মজুরি নিয়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছে এবং ইটভাটার জন্য গাছ কাটার কারণে এই সমস্যা আরও বেড়েছে।

ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার আলমগীর হোসেন হাওলাদার জানান, তিনি গত ২০-২৫ বছর ধরে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে আসছেন, তবে বর্তমানে গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি রস চুরি এবং হাড়ির দাম বৃদ্ধির কারণে কাজ করতে আগ্রহী গাছিদের সংখ্যা কমে গেছে। তিনি আরও জানান, সড়কের পাশে গাছের রস হাঁড়িতে ঝোলানোর সাথে সাথে তা চুরি হয়ে যায়, যার ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন গাছিরা।

গাছিরা জানাচ্ছেন, রস সংগ্রহের সময় তাদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। গাছের নিচে কাটা দিয়ে রস সংগ্রহ করতে হয় এবং বাদুড় থেকে রক্ষা করার জন্য মশারির কাপড় বা নেট ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু এসব সতর্কতা গ্রহণের পরও অনেক সময় সঠিক পরিমাণে রস পাওয়া যাচ্ছে না, যার ফলে গাছিরা আগ্রহ হারাচ্ছেন।

একদিকে যেখানে খেজুরের রস সংগ্রহের পরিমাণ কমছে, সেখানে অন্যদিকে খেজুর রসের চাহিদাও বেড়ে গেছে। বরিশাল শহরতলীর বাসিন্দা সীমা বেগম বলেন, শীতকালে খেজুর রসের পিঠার ঐতিহ্য ছিল, তবে এখন তা কিনতে গিয়ে মনের মতো রস পাওয়া যায় না। তিনি জানান, গুড় বানানোর জন্য যে পরিমাণ রস দরকার, তা একদিনে বাজারে পাওয়া যায় না। এ কারণে খেজুর রসের পিঠা বানানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে খেজুর রসের দামও বেড়েছে, প্রতি লিটার রস বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। রসের সরবরাহ কম এবং চাহিদা বেশি হওয়ায় বাজারে এটি বিক্রি করার পর গাছিরাও লাভবান হতে পারছেন না।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম