ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজ ইস্যু: আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এটি আলোচনা মাধ্যমে সমাধান হওয়া সম্ভব। তিনি সকল পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন এবং এ ব্যাপারে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সৃষ্টির আশা প্রকাশ করেছেন।

সচিবালয়ে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, এই সংঘর্ষের ঘটনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের আওতায় আসে না। এটি শিক্ষাবিষয়ক সমস্যা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিক থেকে এটি সমাধান হওয়া উচিত। তবে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বিষয়টিতে যুক্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “ধৈর্য্য ধারণ করা উচিত সকল পক্ষের, কারণ অধৈর্য হয়ে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।” শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান, তারা যেন আলোচনা ও ধৈর্যের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানে এগিয়ে আসে।

এছাড়া, রাস্তা অবরোধের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মাঠ কিংবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রতিবাদ জানালে জনগণের জন্য সুবিধাজনক হবে। যদি দাবি থাকে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমাধান চাওয়া উচিত।”

এসময় তিনি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তারা দেশের জন্য কাজ করে, কখনোই দেশের জন্য ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কিছু করে না। যদিও কিছু ভুল হতে পারে, তাও সবসময় ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মধ্যরাত থেকে সারা দেশে বন্ধ হতে পারে ট্রেন চলাচল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মূল বেতনের সঙ্গে রানিং অ্যালাউন্স যোগ করে পেনশন প্রদান এবং আনুতোষিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে জটিলতা নিরসন না হওয়ায় কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন রেলওয়ের রানিং স্টাফরা। ফলে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ হতে পারে। এ কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতি।

বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কারভাবে কিছু জানায়নি রেলপথ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রানিং স্টাফদের দাবি নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

রেলওয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী একজন রানিং স্টাফ (চালক, সহকারী চালক, গার্ড, টিকিট চেকার) ট্রেনে দায়িত্ব পালন শেষে তার নিয়োগপ্রাপ্ত এলাকায় (হেডকোয়ার্টার) হলে ১২ ঘণ্টা এবং এলাকার বাইরে (আউটার স্টেশন) হলে ৮ ঘণ্টা বিশ্রামের সুযোগ পান। রেলওয়ের স্বার্থে কোনো রানিং স্টাফকে তার বিশ্রামের সময়ে কাজে যুক্ত করলে বাড়তি ভাতা-সুবিধা দেওয়া হয়। যা রেলওয়েতে ‘মাইলেজ’ সুবিধা হিসেবে পরিচিত।

২০২১ সালের ৩ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় মাইলেজ সুবিধা সীমিত করতে রেল মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়। ওই চিঠিতে আনলিমিটেড মাইলেজ সুবিধা বাদ দিয়ে তা সর্বোচ্চ ৩০ কর্মদিবসের সমপরিমাণ করার কথা জানানো হয়। এ ছাড়া বেসামরিক কর্মচারী হিসেবে রানিং স্টাফদের পেনশন ও আনুতোষিক ভাতায় মূল বেতনের সঙ্গে পাওয়া ভাতা যোগ করার বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়। এরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন রানিং স্টাফরা।

মাইলেজ সুবিধা পুনর্বহালের দাবিতে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করছেন রানিং স্টাফরা। কয়েক দফায় অতিরিক্ত কাজ থেকে বিরত থাকাসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। তবে বিভিন্ন সময়ে তৎকালীন রেলওয়ের মহাপরিচালক, রেলসচিব, রেলমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসে তারা আন্দোলন থেকে সরে আসেন।

এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকে আবারও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত জানতে চাইলে সর্বশেষ গত ২৩ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় রেলপথ মন্ত্রণালয়কে জানায়, ‘২০২২ সালের ২১ আগস্ট অর্থ বিভাগের ৯১নং স্মারকে জারি করা পত্রের (খ) অনুচ্ছেদটি অপরিবর্তিত রাখা হলো এবং (ক) অনুচ্ছেদটি নিম্নরূপে সংশোধন করা হলো।’

সংশোধনে বলা হয়, ‘রানিং স্টাফ হিসেবে চলন্ত ট্রেনে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ভ্রমণ ভাতা বা দৈনিক ভাতার পরিবর্তে রেলওয়ে এস্টাবিলিশমেন্ট কোডের বিধান অনুযায়ী রানিং অ্যালাউন্স প্রাপ্য হবেন। চলন্ত ট্রেনে দায়িত্ব পালনের জন্য রানিং অ্যালাউন্স ছাড়া অন্য কোনো ভাতা প্রাপ্য হবেন না এবং মাসিক রানিং অ্যালাউন্সের পরিমাণ প্রাপ্য মূল বেতনের চেয়ে বেশি হবে না।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ মত জানার পর আরও ফুঁসে ওঠেন রানিং স্টাফরা। তারা বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৮ ঘণ্টার বেশি আমরা কাজ করব। আমরা তো সবাই টাকার জন্যই কাজ করি। ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে যদি টাকাই না দেয়, তাহলে আমরা কাজ করব কেন?

বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতি জানিয়েছে, কর্মচারীদের অবসরোত্তর ৭৫ শতাংশ মাইলেজ মূল বেতনের সঙ্গে যোগ করে পেনশন নির্ধারণের বিধান প্রায় ১৬০ বছর ধরে চলমান ছিল। কিন্তু ২০২০ সালে রেলওয়ের কোডিফাইড রুল অমান্য করে রানিং স্টাফদের পার্ট অব পে হিসেবে গণ্য মাইলেজ, যা যুগ যুগ ধরে বেতন খাতের অংশ ছিল, সেখান থেকে সরিয়ে টিএ খাতে নেওয়ার ফলে জটিলতা তৈরি হয়। এরপর ২০২১ সালের ৩ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ রেলওয়ের রানিং স্টাফদের মাইলেজ যোগ করে পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানায়।

কর্মচারী সমিতি আরও জানিয়েছে, ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ১০ এপ্রিল রানিং স্টাফদের কর্মবিরতিতে সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে অর্থ মন্ত্রণালয় ১৩ এপ্রিল চিঠিটি প্রত্যাহার করে নেয়। পরে তৎকালীন রেলমন্ত্রী ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে এ সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। যার ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ১১ জুন তৎকালীন রেলওয়ের মহাপরিচালক স্পষ্ট করে রানিং স্টাফদের মাইলেজ যোগে পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু ওই বছর ১৮ জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আবারও আপত্তি জানায়। ফলে রানিং স্টাফদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

 




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ২০ জন আহত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গত রাত (২৬ জানুয়ারি) সংঘর্ষ অব্যাহত ছিল। রাত ২টা পর্যন্ত চলতে থাকা এই সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ শুরু হওয়ার সাড়ে তিন ঘণ্টা পরও উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে।

নীলক্ষেত মোড় এলাকায় রাত পৌনে ২টা পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা একে অপরকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। আহত শিক্ষার্থীদের সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও, উভয়পক্ষের শিক্ষার্থীরা ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সাউন্ড গ্রেনেড এবং টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করলেও, সংঘর্ষ থামানো সম্ভব হয়নি। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলার সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ সংঘর্ষস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে, তিনি উভয়পক্ষের তোপের মুখে পড়েন। হাসনাত আবদুল্লাহ নীলক্ষেত এলাকায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপস্থিত হলে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা তার সাথে কথা বলতে অস্বীকার করেন।

এর আগে, রাত ১১টার দিকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে পৌঁছান। সেসময়, স্যার এ এফ রহমান হলের শিক্ষার্থীরা হলের সামনে অবস্থান নেন এবং রাত সাড়ে ১১টার দিকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস থেকে ধাওয়া দিয়ে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের নীলক্ষেত পার করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে পুলিশ দুই রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




হঠাৎ বুক ধড়ফড় করলে কী করবেন?

বুক ধড়ফড় করা একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে গুরুতর অসুস্থতার কারণ। অনেকেই হঠাৎ বুক ধড়ফড়, অস্বস্তি, বা চিনচিনে ব্যথার অভিজ্ঞতা লাভ করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা যেমন কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া, ব্র্যাডিঅ্যারিদমিয়া, বা ট্যাকিঅ্যারিদমিয়ার লক্ষণ হতে পারে এটি। এই সমস্যাগুলোর কারণ এবং সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতি মিনিটে ৭২ বার হয়ে থাকে। তবে অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অতিরিক্ত কাজের চাপ, কিংবা অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণ হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক সঙ্কোচন-প্রসারণকে ব্যাহত করতে পারে।

কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়ার ধরন ও ঝুঁকি

কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া সাধারণত দুই ধরণের হতে পারে।

1. ব্র্যাডিঅ্যারিদমিয়া: এই অবস্থায় হৃদস্পন্দন ৬০-এর নিচে নেমে যায়। ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়ে হার্ট ব্লকের ঝুঁকি দেখা দেয়।

2. ট্যাকিঅ্যারিদমিয়া: এতে হৃদস্পন্দন ১০০-এর ওপরে উঠে যায়। এই অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০০ জনে ৫ জনের এমন সমস্যা দেখা যায়। বিশেষত, বয়স ৬০ পার হলে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা দিতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন?

সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

হঠাৎ বুক ধড়ফড় শুরু হওয়া।

সামান্য পরিশ্রমেই শ্বাসকষ্ট।

মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

অস্বাভাবিক ক্লান্তি।

যদি এ ধরনের সমস্যা বারবার ঘটে, দ্রুত একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ইসিজি, হল্টার মনিটরিং, লুপ রেকর্ডার ইত্যাদি পরীক্ষার মাধ্যমে এর কারণ নির্ণয় করা সম্ভব।

প্রতিকার ও করণীয়

ডিপ ব্রিদিং অনুশীলন করুন: বুক ধড়ফড় করলে শান্ত থাকুন এবং ধীরে ধীরে শ্বাস টেনে ছাড়ুন।

খোলা জায়গায় যান: বদ্ধ স্থানে থাকলে অসুবিধা আরও বাড়তে পারে।

সিগারেট এড়িয়ে চলুন: বুক ধড়ফড় শুরু হলে ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।

হালকা গরম পানিতে গোসল করুন: মাথার আগে হাত ও পা ভিজিয়ে গোসল করুন।

শরীরকে বিশ্রাম দিন: ভারী কাজ বা সিঁড়ি ভাঙা থেকে বিরত থাকুন।

চিকিৎসকের কাছে যান: শ্বাসকষ্ট বা অস্বাভাবিক কোনো সমস্যা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে অভ্যাস পরিবর্তন

সঠিক জীবনধারা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এ সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাংলাদেশিদের চিকিৎসার জন্য কুনমিংয়ে চীনের হাসপাতাল সুবিধা : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

চিকিৎসার জন্য ভারতীয় ভিসা পেতে সমস্যায় পড়া বাংলাদেশিদের জন্য একটি নতুন সমাধানের পথ উন্মুক্ত করেছে চীন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ঢাকার নিকটতম চীনা শহর কুনমিংয়ে বাংলাদেশিদের চিকিৎসার জন্য দুই থেকে তিনটি হাসপাতাল মনোনীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি চীন সফর শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “ভারতে ভিসা সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত রয়েছে। এ কারণে আমরা বিকল্প গন্তব্য খুঁজছিলাম। চীন থেকে প্রাপ্ত এই সমর্থন অত্যন্ত কার্যকর হবে।”

চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ইউনানের ডেপুটি গভর্নর সরাসরি বেইজিংয়ে এসে বাংলাদেশি রোগীদের জন্য হাসপাতাল মনোনীত করার বিষয়ে তাদের প্রস্তুতি জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, চীন বাংলাদেশি রোগীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে এবং ভিসা ফি কমানোর বিষয়ে আন্তরিক। পাশাপাশি, ঢাকার উপকণ্ঠ পূর্বাচলে সরকারি জমিতে একটি বৃহৎ সরকারি হাসপাতাল নির্মাণে চীন সম্মতি জানিয়েছে। এটি সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে আরও একটি আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও তৈরি হয়েছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গত ২০-২৪ জানুয়ারি চীন সফরে যান। বেইজিংয়ে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ছাড়াও সাংহাইয়ে চীনা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি জানান, “আমরা উন্নয়ন প্রকল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।”

ঢাকা চীনের কাছে ঋণের সুদের হার কমানোর এবং পরিশোধের সময়কাল ২০ বছর থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ করেছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

সফরে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর বাঁধ নির্মাণ এবং এর প্রভাব নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগও চীনের কাছে তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে চীনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে তাদের পদক্ষেপ বাংলাদেশের জলপ্রবাহে কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলবে না।

তিস্তা নদীর প্রকল্প নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও জানিয়েছেন উপদেষ্টা। তবে দ্বিপাক্ষিক জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা চুক্তি নবায়ন নিয়ে দুই দেশই সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, “বেইজিং এবং আমরা খসড়া নিয়ে কাজ করছি। এটি সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগবে।”

সফরের সময় ‘ইয়ালুজাংবু-যমুনা’ নদীর ওপর জলবিদ্যুৎ-সম্পর্কিত তথ্য বিনিময়ে একটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




রাঙ্গাবালীতে ‘বিডি ক্লিন’ এর সদস্য সম্মেলন: পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের স্বপ্ন

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বিডি ক্লিন’ এর সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল, ‘পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের স্বপ্ন’। সম্মেলনটি গত শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাঙ্গাবালী সরকারি কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনের সূচনা হয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সদস্যদের শপথবাক্য পাঠের মাধ্যমে। পরে, একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংগঠনের সদস্যরা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় তাদের উদ্যোগ তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, ‘বিডি ক্লিন’ রাঙ্গাবালীসহ সারাদেশে অপরিচ্ছন্নতা দূর করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সমাজ গঠনে নিরলসভাবে কাজ করছে। তাদের এই কার্যক্রম অন্যদের মধ্যে প্রেরণা সঞ্চারিত করছে।

সভায় বিডি ক্লিনের উপপ্রধান সমন্বয়ক মো. মাসুদুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার অনাদি কুমার বাহাদুর, রাঙ্গাবালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি কামরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক এম সোহেল, মৌডুবি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুজিত বিশ্বাস, বিডি ক্লিনের পটুয়াখালী জেলার অতিরিক্ত সমন্বয়ক মাহবুব মোর্শেদ জয়, পটুয়াখালী জেলার সমন্বয়ক আতিকুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন ‘বিডি ক্লিন’ এর রাঙ্গাবালী উপজেলা সমন্বয়ক মো. ইউসুফ আলী সিরাজুল।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা

খুলনায় এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের নাম অর্ণব কুমার সরকার (২৬), যিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ-এর ছাত্র ছিলেন।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে খুলনার কেডিএ অ্যাভিনিউ সড়কের তেঁতুলতলার মোড়ে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত পৌনে ৯টার দিকে অর্ণব তেঁতুলতলা মোড়ে একটি মোটরসাইকেলের উপর বসে চা খাচ্ছিলেন। ঠিক তখনই ১০-১২ জনের একদল সন্ত্রাসী সেখানে এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় অর্ণবকে উদ্ধার করে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা ও একটি রক্তমাখা স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান প্রফেসর শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, “নিহত অর্ণব ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন। তার রোল নম্বর ছিল ২৩০৩১৭। এই ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত।”

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আহসান হাবীব বলেন, “অর্ণবকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের শনাক্ত করতে আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে। তবে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।”

পুলিশ ধারণা করছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত চলমান রয়েছে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীর মাহফিলে আসুন, দেখা হবে, কথা হবে: আজহারী

পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি পটুয়াখালীবাসীকে মাহফিলে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

মিজানুর রহমান আজহারী এর ফেসবুক পোস্ট
মিজানুর রহমান আজহারী এর ফেসবুক পোস্ট

 

ড. আজহারী লিখেছেন, “বরিশাল বিভাগের বন্ধুরা, ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (শনিবার, ২৫ জানুয়ারি) থাকছি— পটুয়াখালীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ময়দানে, পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে। আসুন, দেখা হবে, কথা হবে।”

পটুয়াখালীতে তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে আসছেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী
পটুয়াখালীতে তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে আসছেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী

 

ড. মিজানুর রহমান আজহারী তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত বক্তব্য ও ইসলামি জ্ঞানের জন্য দেশব্যাপী জনপ্রিয়। তিনি এর আগেও দেশে এবং বিদেশে বেশ কয়েকটি তাফসির মাহফিলে উপস্থিত থেকে লাখো মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছেন।

গত অক্টোবর দেশে ফেরার পর থেকে তিনি বিভিন্ন মাহফিলে অংশ নিচ্ছেন, যা বিপুল মানুষের সমাগম ঘটাচ্ছে। পটুয়াখালীর এই মাহফিলেও একইরকম মানুষের ঢল নামবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বরিশাল অঞ্চলে লবণাক্ততার করাল গ্রাস, কৃষি উৎপাদনে বড় শঙ্কা

বরিশাল অঞ্চলের কৃষি জমি ব্যাপকভাবে লবণাক্ততার শিকার হয়ে উৎপাদন সংকটে পড়ছে। সম্প্রতি মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ও পরিবেশবাদী সংস্থাগুলোর গবেষণায় উঠে এসেছে, বরিশাল বিভাগের প্রায় ৫২% ফসলি জমি লবণাক্ততায় আক্রান্ত। এতে ফসল উৎপাদনের শঙ্কা তীব্রতর হচ্ছে।

লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণ::কেন্দ্রীয় গবেষণায় দেখা গেছে, বরিশালের নদী ও মাটিতে দিন দিন লবণাক্ততার মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। গত দশ বছরে যেখানে মাত্র ৪টি নদীতে লবণাক্ততা দেখা যেত, এখন এ সংখ্যা বেড়ে ২০টিতে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সেচের জন্য সহনীয় লবণাক্ততার সীমা (নদীর পানি: ০.৭ ডিএস/মিটার, মাটি: ২ ডিএস/মিটার) অনেক আগে ছাড়িয়ে গেছে। বরিশালের নদ-নদীর পানিতে এখন সর্বোচ্চ ১৫-২০ ডিএস/মিটার এবং মাটিতে ২৫ ডিএস/মিটার লবণাক্ততা রেকর্ড করা হয়েছে।

বরিশাল অঞ্চলের চাষযোগ্য জমির অবস্থা ::

বরিশাল বিভাগে বর্তমানে ৮,০২,০০০ হেক্টর চাষযোগ্য জমির মধ্যে ৪,১৫,০০০ হেক্টর জমি লবণাক্ততায় আক্রান্ত। জেলা অনুযায়ী আক্রান্ত জমির পরিমাণ:

  • পটুয়াখালী: ১,৫৫,১৮০ হেক্টর (৩৯%)
  • বরগুনা: ৯৫,৬২০ হেক্টর
  • ভোলা: ৯৪,৫৭০ হেক্টর
  • পিরোজপুর: ৩৫,৮৩০ হেক্টর
  • বরিশাল: ১২,৩৬০ হেক্টর
  • ঝালকাঠি: ৪,৬২০ হেক্টর

ফসল উৎপাদনের চ্যালেঞ্জ::

বিগত সময়ে বরিশালের নদ-নদী যেমন কীর্তনখোলা, মেঘনা, বলেশ্বর ও কারখানার পানিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সাধারণ ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে লবণাক্ততা সহনশীল ফসল চাষ ছাড়া এই অঞ্চলে আর কিছু উৎপাদন করা যাবে না।

বরিশাল মৃত্তিকাসম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা একীম মামুন জানিয়েছেন, লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পুরো বরিশাল অঞ্চল চাষের জন্য অযোগ্য হয়ে পড়তে পারে। তিনি বলেন, “নদীতে সাগরের লবণ পানি প্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তবে এটি একটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং কাজ।”

পরিবেশবিদদের মতে, বরিশালে দাবদাহ ও অসম বৃষ্টিপাত পরিস্থিতি আরও খারাপ করছে। সামনের শুষ্ক মৌসুমে বৃষ্টিপাত না হলে মাটি ও পানির গুণমান আরও কমে যেতে পারে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় বিএনপির কমিটি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন

বরিশাল বিভাগের ৬ জেলা ও মহানগরসহ উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করেছে। এ দায়িত্ব পালন করবেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ৭ জন সদস্য।

দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা

  • বরিশাল মহানগর: জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন আহ্বায়ক।
  • বরিশাল জেলা দক্ষিণ: হায়দার আলী লেলিন।
  • বরিশাল জেলা উত্তর: মো. দুলাল হোসেন।
  • ভোলা জেলা: আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ।
  • পিরোজপুর ও বরগুনা জেলা: কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু।
  • ঝালকাঠি জেলা: হায়দার আলী লেলিন।

কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের তথ্য

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) আকন কুদ্দুসুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। বুধবার রাতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

পুনর্গঠনের মূল লক্ষ্য

দলীয় সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে এবং আসন্ন কার্যক্রম শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পুনর্গঠনের মাধ্যমে বরিশাল বিভাগের সব স্তরের নেতৃত্ব আরও কার্যকর ও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন নেতারা।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম