দেশে দারিদ্র্য সীমার নিচে ১৯.২ শতাংশ মানুষ: বিবিএস

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, দেশের ১৯.২ শতাংশ মানুষ বর্তমানে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করছে। এই প্রতিবেদনে শহরে দারিদ্র্য হার সাড়ে ১৬ শতাংশ হলেও গ্রামে এটি ২০ শতাংশেরও বেশি বলে জানানো হয়েছে।

আজ (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর বিআইসিসি সম্মেলন কক্ষে বিবিএসের পোভার্টি অ্যান্ড লাইভলিহুড স্ট্যাটিসটিকস সেল-এর তৈরি করা প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা ও বিবিএসের যৌথ গবেষণায় উঠে আসা এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্যের হার রয়েছে বরিশাল বিভাগে, যেখানে ২৬.৬ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করছে। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম দারিদ্র্যের হার চট্টগ্রাম বিভাগে, যেখানে এটি ১৫.২ শতাংশ।

ঢাকা বিভাগের দারিদ্র্যের হার ১.৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৬ শতাংশে, তবে রাজশাহী এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র্যের হার কমেছে। মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ৬৩.২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করছে, যা বিশেষভাবে উদ্বেগজনক বলে জানানো হয়।

এ প্রতিবেদন দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ চলছে না: শামসুজ্জামান দুদু

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু মন্তব্য করেছেন যে, দেশের উন্নয়ন এবং পরিস্থিতি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী এগুচ্ছে না। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশ এক ষড়যন্ত্রের জালে আটকে গেছে, এবং সেই জাল ছিঁড়ে ফেলার জন্য একটি জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন।

আজ (৩০ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চালক দলের উদ্যোগে আয়োজিত নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার দাবিতে এক প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে শামসুজ্জামান দুদু এ মন্তব্য করেন।

দুদু বলেন, “বাংলাদেশ হাসিনামুক্ত হওয়ার পর মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, নির্বিঘ্নে বসবাস করা, লুটেরাদের হাত থেকে দেশ রক্ষা পাওয়া, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসন মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু গত ছয় মাসে বাংলাদেশ যেভাবে চলেছে, ক্রমেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।”

তিনি আরও বলেন, “এখনো বাজারে সিন্ডিকেটের হাতে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, যেটি শেখ হাসিনার শাসনামলেও ছিল, আর এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ছে। আমি সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করুন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাপন সহজ করুন।”

দুদু অভিযোগ করেন যে, বাংলাদেশ বর্তমানে ষড়যন্ত্রের জালে আটকে গেছে এবং এই জাল ছিঁড়ে ফেলার জন্য কঠোর রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রয়োজন। তিনি বলেন, “এটি একটি কঠিন কাজ, কিন্তু একমাত্র জনগণের সমর্থিত সরকারই এটি করতে পারবে। আর সেই সরকার প্রতিষ্ঠা করতে জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। জনগণ যদি তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, তবে কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “সরকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সমর্থন করেছে, তবে তারা যথাযথ ফল না পাওয়ার কারণে এখনো এই সরকারের সমর্থন বহাল রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি বারবার হতাশাজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, তাহলে এই সমর্থন বজায় রাখা কঠিন হবে।”

অবশেষে, তিনি নির্বাচন এবং সংস্কারের বিষয়ে মন্তব্য করেন এবং বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচন এবং সংস্কারের মধ্যে কোনো সংঘাত নেই, কিন্তু সরকার যেভাবে ধারণা দিতে চাচ্ছে, তাতে সংস্কার না হলে নির্বাচন হবে না, আর সংস্কার হলে নির্বাচনে দেরি হবে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জি কে শামীম ও তার মায়ের দুর্নীতি মামলার রায় পেছাল

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আলোচিত ঠিকাদার জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় রায়ের তারিখ পিছিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) এই মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন তারিখ ধার্য করেছেন। ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর দুদকের পক্ষ থেকে জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন এই মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করা হয়। ২০১৯ সালে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের সময় ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয় থেকে গ্রেফতার হন জি কে শামীম। তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তিনটি মামলা হয়।

একসময় নিজেকে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন শামীম। কখনও যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, আবার কখনও নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিতেন। তবে যুবলীগ তার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে। জি কে শামীম সাতজন সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরার জন্য পরিচিত ছিলেন। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বড় বড় ঠিকাদারি কাজ নিজের প্রতিষ্ঠানের দখলে রাখতেন।

২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম অস্ত্র মামলায় জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। সাজাপ্রাপ্ত দেহরক্ষীরা হলেন— মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

এছাড়া অর্থপাচারের মামলায়ও জি কে শামীম ১০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শেভরনের প্রস্তাব নাকচ করল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সরকার বহুজাতিক জ্বালানি কোম্পানি শেভরনের নতুন প্রস্তাব নাকচ করেছে। অফশোর পিএসসির (উৎপাদন ও বণ্টন চুক্তি) শর্তে অনশোরে চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিল শেভরন, যা পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। শেভরন সুনামগঞ্জ, শেরপুর ও ময়মনসিংহ এলাকা নিয়ে গঠিত ব্লক-১১ এবং হবিগঞ্জের ব্লক-১২ এর বর্ধিত এলাকায় চুক্তির প্রস্তাব করেছিল।

শেভরন বাংলাদেশ নতুন করে অফশোর মডেল পিএসসি-২০২৩ অনুযায়ী চুক্তির প্রস্তাব দেয়। তবে পেট্রোবাংলার মতে, গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের ব্যয় ও ঝুঁকি বেশি হওয়ায় সেখানে গ্যাসের দর বেশি নির্ধারিত হয়। স্থলভাগে সেই একই দর অনুযায়ী চুক্তি করা সম্ভব নয়।

পেট্রোবাংলা জানায়, ২০১৯ সালের মডেল পিএসসি সংশোধন করে ২০২৩ সালের নতুন মডেল পিএসসি চালু করা হয়। এতে গ্যাসের দর নির্দিষ্ট না রেখে ব্রেন্ট ক্রুডের আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা হয়। নতুন চুক্তিতে প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম ব্রেন্ট ক্রুডের ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের চুক্তির তুলনায় পরিবর্তিত।

পেট্রোবাংলার একাধিক কর্মকর্তা জানান, শেভরনের নতুন প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়। আগের চুক্তিগুলোর তুলনায় পিএসসি-২০২৩ এ সরকারের শেয়ার কমানো হয়েছে এবং শর্ত কঠোর করা হয়েছে। এছাড়া, ১১ নম্বর ব্লকের একটি অংশে ইতোমধ্যেই বাপেক্স জরিপ চালিয়েছে এবং সেখানে ২.৪৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত পাওয়া গেছে।

বর্তমানে শেভরন বাংলাদেশ তিনটি গ্যাসক্ষেত্র (বিবিয়ানা, জালালাবাদ ও মৌলভীবাজার) থেকে দৈনিক ১১২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করছে, যা দেশের মোট উৎপাদিত গ্যাসের একটি বড় অংশ। তবে ব্লক-১২ চুক্তির মেয়াদ ২০৩৪ সালে শেষ হচ্ছে, এবং শেভরনের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানোর প্রস্তাবও নাকচ করা হয়েছে। পেট্রোবাংলার মতে, এই বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

শেভরন বাংলাদেশ সম্প্রতি গ্যাস বিল পরিশোধের জন্য তাগাদা দিয়েছে। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রেসিডেন্ট এরিক এম ওয়াকার জানুয়ারিতে একটি চিঠির মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে ৭৫ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের অনুরোধ করেছেন। বর্তমানে শেভরনের গ্যাস বিলের বকেয়া পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭০ মিলিয়ন ডলারে।

শেভরন বাংলাদেশের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার শেখ জাহিদুর রহমান জানান, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও জ্বালানি খাতে অবদান রাখতে আগ্রহী। তবে নতুন চুক্তির বিষয়ে শেভরন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




৬ মাসে এই সরকারের অর্জন অভূতপূর্ব: প্রেস সচিব

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, গত ৬ মাসে এই সরকারের অর্জন অভূতপূর্ব। স্টক মার্কেটে প্রতিটি কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করছে। গত ৬ মাসে কোম্পানিগুলো কেমন পারফর্ম করেছে দেখেন, সেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সংবাদ সম্মেলনে সিপিডি’র প্রতিবেদন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা রফতানির তথ্য ম্যানুপুলেট করি না। গত চার মাসে রফতানি গড়ে ১৫ শতাংশের ওপরে বেড়েছে। আগে এমন কখন হয়েছে, আমি তো অর্থনীতি বিষয়ে সাংবাদিকতা করেছি। চট্টগ্রামে বন্দরের কার্যক্রম দেখেন সাড়ে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০০০ সালের পরে কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এ বছর। বিশ্বের চারটি বড় কোম্পানি যারা বন্দর হ্যান্ডেলিং করে, তারা একসঙ্গে জানিয়েছে যে, চট্টগ্রাম পোর্ট, মাতারবাড়ি, লালদিয়া টার্মিনাল তারা ম্যানেজ করতে চায়। তারা চায় কারণ তাদের কাছে পরিসংখ্যান আছে। তারা তো দেখছে যে, বাংলাদেশের রফতানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কারখানা বন্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়, প্রতিবছর কিছু জন্ম হয়। কিছু কিছু বড় হয়। ফলে অসমর্থ্য কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এটা অর্থনীতির একটি চক্র। আমরা দেখছি যে, আমাদের যথেষ্ট ভালো রফতানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা আশা করছি, আরও কিছু পদক্ষেপ যদি আমরা নিতে পারি, চট্টগ্রাম বন্দের সক্ষমতা যদি ফেরে— আপনি নিশ্চিত থাকেন এফডিআই প্রচুর আসবে। আগের সরকার ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে জমি দখল করে বসে আছে, কোনও বিনিয়োগকারী আসে না। কোরিয়ান ইপিজেডের ঝামেলা ২০ বছর ধরে জিইয়ে রেখেছে, তাহলে বিদেশিদের কাছে কী বার্তা যায়।

১৪০ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে ভুল তথ্য আছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে প্রতিবেদন পুরোটা পড়েছি। ১৪০ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কিন্তু কোন কর্তৃপক্ষ মামলা দেয়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘অথরিটিস’ , কিন্তু আমার মনে হয়— হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এখানে জানার ভুল আছে। এটা অথরিটিস না , যারা ভিক্টিম তাদের পরিবার মামলাগুলো করেছে। বাংলাদেশের সরকার করেনি, পুলিশ করেনি। সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা আমরা করিনি।

এখন একজন ভিক্টিমের ফ্যামিলি যার ছেলে মারা গেছে, যার ভাই মারা গেছে, উনি যদি এসে কারও বিরুদ্ধে মামলা করেন, সেখানে আমরা তো এটার জন্য দায়ী না। সেক্ষেত্রে আমার কী করার আছে। সেই জায়গায় মনে হয়— ওনাদের ভুল আছে, আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবো, বলবো যে, প্রতিবেদন সংশোধন করতে হবে। কারণ মামলা তো আমরা করিনি। একজন ভিক্টিমের পরিবার মামলা করলে আমরা তো তাদের বলতে পারি না যে, মামলা না করতে। কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয় এবং এই মামলাগুলো থেকে যাতে দ্রুত রেহাই পাওয়া যায়, সেজন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের ৮ সদস্যের কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। ওনারা খুব দ্রুত এই মামলাগুলো দেখবেন।

তিনি আরও বলেন, এই জায়গায় আমরা স্বচ্ছতার মধ্যে আছি। এখন পর্যন্ত কিন্তু ৪ জন সাংবাদিক গ্রেফতার হয়েছে, আর কেউ হয়নি। আমরা চাচ্ছি যে, এই মামলাগুলোর মাধ্যমে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়।




পটুয়াখালী আদালত চত্বরে আসামিদের ওপর হামলা, আহত ২

পটুয়াখালী জেলা জজ আদালত চত্বরে হাজিরা দিতে এসে হামলার শিকার হয়েছেন মামলার আসামিরা। বাদীপক্ষের লোকজন তাদের ওপর চড়াও হয়ে ইট ও লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করে। এতে দুইজন গুরুতর আহত হন। বুধবার (স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা) জেলা আইনজীবী সমিতির প্রধান ফটকের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহতরা হলেন মো. সোহাগ মিয়া ও মো. জামাল। এদের মধ্যে গুরুতর আহত সোহাগ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মরহুম মাহবুবুর রহমান তালুকদারের ভাতিজা এবং কলাপাড়া নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল মিয়ার ছোট ভাই।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলায় অংশ নেওয়া সবাই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী। হামলাকারীরা ঘটনাস্থলে থাকা লোকজনের মোবাইল ফোন চেক করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলতে বাধ্য করে।

আহত সোহাগ মিয়ার বড় ভাই মো. আল-আমিন জানান, ২০১২ সালে ছাত্রদল নেতা মো. জিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে আদালতে হাজিরা দিতে এসেছিলেন। এ সময় বাদীপক্ষ ও তাদের সমর্থকরা তাদের ওপর চড়াও হয় এবং ইট ও লাঠি দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় সোহাগ মিয়ার হাঁটু থেতলে দেওয়া হয় এবং জামালসহ আরও কয়েকজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়।

নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া বলেন,
“আদালত চত্বরে এমন ন্যক্কারজনক হামলা দুঃখজনক। আহতদের চিকিৎসা পর্যন্ত নিতে দেওয়া হয়নি। হামলার পর তাদের চোখ বেঁধে বসাকবাজার এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা আরও ঘটতে পারে।”

পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরওয়ার কালাম বলেন,
“আদালত চত্বরে এমন হামলা খুবই নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। আদালত এলাকায় মানুষের নিরাপত্তা থাকা উচিত।”

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান,
“আমরা হামলার খবর পেয়েই পুলিশ পাঠিয়েছি। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। আহতরা কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে শুনেছি।”

এই ঘটনায় আদালত চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বরিশালে বাস শ্রমিকদের ধর্মঘটের ডাক

বরিশাল প্রতিনিধি :: দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টার সড়ক অবরোধের পর বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হলেও নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। রূপাতলী বাস শ্রমিক ইউনিয়ন আজ (বুধবার) থেকে বরিশাল-কুয়াকাটা এবং বরিশাল-পিরোজপুর রুটে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, বাসের সুপারভাইজার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের পাশাপাশি তার সঙ্গে অসদাচরণ করেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা রূপাতলী গোল চত্বরে সড়ক অবরোধ শুরু করেন। সেখানে টায়ার জ্বালিয়ে তারা যান চলাচল বন্ধ করে দেন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন জানান, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এবং বাস মালিক সমিতির নেতাদের মধ্যে এক বৈঠকে ৮ দফা দাবিতে সমঝোতা হয়। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিগুলোর মধ্যে হাফ ভাড়ার নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকরের আশ্বাস পান। এরপর রাত সাড়ে ৯টার দিকে সড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।

অবরোধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাতে বাস শ্রমিক ইউনিয়ন তাদের বাস ভাঙচুর এবং শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ তোলে। তারা নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় বরিশাল-কুয়াকাটা ও বরিশাল-পিরোজপুর রুটে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে।

রূপাতলী বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থীরা কয়েকটি বাস ভাঙচুর করেছে এবং শ্রমিকদের উপর হামলা চালিয়েছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদে মালিক-শ্রমিকরা নিজদের জান-মাল রক্ষায় রুটে বাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাস চলাচলের সময় যাত্রীদের সঙ্গে আচরণ এবং নির্ধারিত ভাড়ার বিষয়ে পরিষ্কার নিয়ম চালু করতে হবে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হাসান রাজু বলেন,আমরা চাই, কোনো বোন আর হেনস্থার শিকার না হোক। আলোচনা ফলপ্রসূ হলেও এর সঠিক বাস্তবায়ন জরুরি।

এদিকে, আন্দোলনের ফলে বরিশাল-ভোলা, বরিশাল-কুয়াকাটা, বরিশাল-বরগুনা এবং বরিশাল-ঝালকাঠি মহাসড়কে যানবাহন চলাচল তিন ঘণ্টা স্থগিত ছিল, যা পরে রাতের মধ্যে পুনরায় চালু হয়। তবে রূপাতলী শ্রমিক ইউনিয়নের ঘোষিত ধর্মঘট নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।




বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল, বাসে আগুন

বরিশালের ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের এক ছাত্রী বাসে হাফভাড়া চাওয়ার ঘটনায় অপমানিত হলে উত্তাল হয়ে ওঠে রূপাতলী বাস টার্মিনাল।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও বাস শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বেশ কয়েকটি বাস ভাঙচুর করে।

বিএম কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এক ছাত্রী বাসে হাফভাড়া চাইলে হেলপার তা অস্বীকৃতি জানায়। কথাকাটাকাটির সময় ছাত্রীটিকে অপমানজনক কথাবার্তা বললে খবরটি দ্রুত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার দিকে শিক্ষার্থীরা রূপাতলী বাস টার্মিনালে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ শুরু করে।

সংঘর্ষ ও উত্তেজনা: শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করার সময় বাস শ্রমিকরা লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে তিন শিক্ষার্থী আহত হন। এর জেরে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালায়। বাসে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি বাস ভাঙচুর করা হয়।

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। বরিশাল ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক বিদ্যুৎ চন্দ্র দে জানান, দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী একসঙ্গে কাজ করেছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি: শিক্ষার্থীরা হাফভাড়া নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়ী শ্রমিকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তারা জানায়, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো পূরণ না করা হলে আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

ঘটনার প্রতিবাদে বাস মালিক সমিতি বরিশাল বিভাগের সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে। বাস মালিক সমিতির সভাপতি জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, শিক্ষার্থীদের উচিত ছিল বাস মালিক এবং শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা। এই ঘটনার ফলে নগরীর যানবাহন চলাচলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে।

বিভিন্ন সংগঠন শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তবে সাধারণ যাত্রীরা এই পরিস্থিতিতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর তৎপরতায় পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




জনগণের বিপক্ষে কাজ করলে ৫ আগস্টের মতো পরিণতি হবে: তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “জনগণের বিপক্ষে কাজ করলে ৫ আগস্টের মতোই পরিণতি হবে।” তিনি বলেন, জনগণের বিপক্ষে কাজ করলেই যে পরিণতি আসবে, তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ ৫ আগস্ট ঘটেছিল। সেই সময়েই জনগণের ক্ষোভ ছিল স্পষ্ট, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় একটি পাঠ হিসেবে রয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) খুলনায় বিএনপির এক কর্মশালায় দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এ মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রাখতে চায়। কেউ এই আস্থা নষ্ট করার চেষ্টা করলে তাকে দলের পক্ষ থেকে বহিষ্কার করা হবে।”

এছাড়া, দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান আরও বলেন, “আমাদের স্বার্থপর হতে হবে, এবং এটা মনে রাখতে হবে যে, আমরা অনেক ত্যাগের মধ্য দিয়ে এখানে এসেছি।”

তিনি বলেন, “বিএনপি যদি আবার সরকারে আসতে পারে, তবে যে কোনো নেতাকর্মী যদি দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে বা চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপকর্মে জড়িত থাকে, তাকে শুধুমাত্র বহিষ্কার করা হবে না, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অন্যায় হলে একটুও প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।”

এসময় তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে জনগণের মধ্যে ৩১ দফা তুলে ধরার আহ্বান জানান এবং তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “জনগণই আমাদের শক্তি, তাই জনগণের বিপক্ষে কাজ করা যাবে না।”

কর্মশালায় বিএনপির বিভিন্ন শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, যেমন সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব, কাজী আলাউদ্দীন, ডা. শহিদুল আলম, এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




 মার্চ থেকে টাঙ্গাইলের শালবন উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের শালবন পুনরুদ্ধার কার্যক্রম আগামী মার্চ থেকে শুরু হবে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বন ভবনে ‘সহ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মধুপুর গড়ের শালবন পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, “হারিয়ে যাওয়া বনভূমি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ প্রকৃতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শালবন উদ্ধারে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বন নির্ভর জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন অনুযায়ী একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে। এ কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজনে হালনাগাদ করা হবে।”

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, মার্চের মধ্যেই গেজেট প্রকাশ করে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে, যা শালবন পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করবে। স্থানীয়দের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া এ কার্যক্রম সফল হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, “ভিলেজ ফরেস্ট রুল প্রণয়ন করা হবে, যা বন নির্ভর জনগোষ্ঠীর অধিকার এবং বন বিভাগের দায়িত্ব নির্ধারণ করবে। এ রুলের মাধ্যমে বন সংক্রান্ত হয়রানিমূলক মামলাগুলো দ্রুত মীমাংসার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কর্মশালায় প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষকরা মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, পরিবেশবিদ, গণমাধ্যমকর্মী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম