পটুয়াখালীর তামান্নার মেডিকেল ভর্তি নিয়ে সঙ্কট, সাহায্যের প্রয়োজন

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের বড় গাবুয়া গ্রামের মেয়ে ফারজানা আক্তার তামান্নার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সুযোগ পাওয়ার পরও অর্থনৈতিক সমস্যায় দিন কাটছে। তামান্না, যিনি ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় ৭৮ নম্বর টেস্ট স্কোর এবং ১৭৪.২ নম্বর মেরিট স্কোর পেয়ে মেধাতালিকায় ৪৭২৮তম স্থান অর্জন করেছেন, এখন মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে পারছেন না আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে।
তামান্নার বাবা আলাউদ্দিন মুদি ব্যবসা করতেন। তবে দুই মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালাতে গিয়ে তিনি নানা এনজিও থেকে ঋণ নেন এবং শেষপর্যন্ত ঋণগ্রস্ত হয়ে বছরখানেক আগে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। তার এই অনুপস্থিতির ফলে তামান্নার পড়ালেখা প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে বসেছিল। তবে, এই কঠিন পরিস্থিতিতেও তামান্না অদম্য ইচ্ছাশক্তি দিয়ে এগিয়ে চলেছেন।
তামান্নার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়েছিল হরিদেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ২০১৫ সালে পিএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে তিনি উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে জেএসসি এবং ২০২১ সালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেন। এরপর বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজে ভর্তি হয়ে ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় ৪.৯২ জিপিএ পান।
তামান্নার জীবনে মেডিকেল কলেজে ভর্তির স্বপ্ন পূরণের পথে এখনও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনৈতিক সংকট। তার এই সাফল্য দারিদ্র্য ও পারিবারিক সমস্যার মধ্যেও অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন তাকে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সহায়তার প্রয়োজন।
কেউ যদি তামান্নার জন্য সাহায্য পাঠাতে চান, তাহলে তার মায়ের নম্বরে (০১৭৮৭৫৯২২৪৬) যোগাযোগ করতে পারেন।
মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম









