বরিশালে ‘ফ্রি’ পার্কে টিকিট, ভাসমান দোকান থেকেও অর্থ আদায় করলো বিসিসি

উদ্বোধনের প্রায় নয় বছর পর বরিশালের গ্রিন সিটি পার্কে প্রবেশ এবং রাইড ব্যবহারে শুরু হয়েছে ‘সেবামূল্যের’ নামে টিকিট সংগ্রহ। একইসঙ্গে বেলস পার্ক সংলগ্ন ফুটপাত ও সড়ক দখল করে থাকা ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকেও অর্থ আদায় করছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।

২০১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি তৎকালীন মেয়র আহসান হাবিব কামালের হাত ধরে গ্রিন সিটি পার্কটি উদ্বোধন হয়। শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে নির্মিত এক একর আয়তনের এ পার্কে রয়েছে ১৪টি রাইড, ১০টি বসার বেঞ্চ, দুটি খাবার ঘর এবং একটি বিশ্রামাগার। সেসময় পার্কে প্রবেশ কিংবা রাইড ব্যবহারে কোনও ফি নির্ধারণ করা হয়নি।

তবে ২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরের দিন (৩১ মার্চ) থেকে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে পার্কে জনপ্রতি ১০ টাকা করে প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি গার্ড বসিয়ে দেওয়া হয় টিকিট ব্যবস্থা। একই সময় থেকে বেলস পার্ক এলাকার ফুটপাত ও সড়ক দখল করে বসা প্রায় দেড় শতাধিক ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকেও প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার টাকা আদায় করছে বিসিসি। দোকানের ধরন অনুযায়ী ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

এ নিয়ে অভিভাবক ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, সামান্য টাকার বিনিময়ে পার্কের পরিবেশ আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। তবে দরিদ্র শিশুরা এতে বঞ্চিত হচ্ছে। আবার কেউ কেউ বলছেন, পূর্বে যে সুবিধাগুলো বিনামূল্যে ছিল, সেটি হঠাৎ অর্থের বিনিময়ে দেওয়াটা গ্রহণযোগ্য নয়।

এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী জানান, পার্কে কর্মরত ১৫ জন নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং অন্যান্য ব্যয় মেটাতে এই অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বরাদ্দ না থাকায় বাধ্য হয়েই এই ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।

অন্যদিকে, অবৈধ ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে অর্থ আদায়কে ‘অবৈধতা কে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল জেলার সদস্যসচিব রফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘‘সিটি করপোরেশন অবৈধ দোকান থেকে টাকা তুলে তাদের আরও উৎসাহিত করছে। এতে জনভোগান্তি বাড়বে, ফুটপাত ও সড়ক দখল আরও বাড়বে।’’

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, এসব উদ্যোগ শহর ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবকে স্পষ্ট করছে। নগরবাসীর স্বস্তির চেয়ে অসন্তোষ বাড়ছে বলেও মত তাদের।

“মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




দেশের মেধাবীদের জন্য সুযোগের অভাব: আশিক চৌধুরীর গল্প

বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে কখনও মেধা বা দেশপ্রেমের অভাব ছিল না। তাদের মধ্যে রয়েছে অগণিত আশিক, যারা দেশের জন্য কিছু করতে চান, কিন্তু তাদের জন্য সুযোগ কোথাও নেই।

এমনই একজন ছিলেন আশিক চৌধুরী, যিনি সিঙ্গাপুরে দামী চাকরি ছেড়ে দিয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন। তার জীবনের মোড় ঘুরে যায় ৫৯ সেকেন্ডের একটি ফোন কলের মাধ্যমে। ড. ইউনূস নিজে ফোন করে তাকে দেশের কাজে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেন। আশিক সাহেব, যিনি বিদেশে বসে দেশকে নিয়ে ভাবতেন, সেই এক ফোন কলেই সিদ্ধান্ত নেন দেশের জন্য কাজ করার।

এছাড়া, ২০২২ সালে আমেরিকার একটি শীর্ষস্থানীয় ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করা এক গবেষক, দেশের জন্য ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেও পদ পাননি। কারণ, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এসব পদ টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়।

এমন গল্পের অভাব বাংলাদেশে নয়, বরং সমস্যাটা হচ্ছে—অবসরপ্রাপ্ত বা যোগ্য মানুষদের কাছে যথাযথ সুযোগ না দেওয়া। মেধাবীদের সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেওয়া রাষ্ট্রের কাজ। যে কাজটি মালয়েশিয়ার মাহথির মোহাম্মদ যেমন করে করেছিলেন, তেমনি ড. ইউনূসও করেছেন—একটি ফোন কল দিয়ে দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ দিয়ে।

এটাই দেশের মানুষের প্রকৃত চিত্র। তারা নিজেদের জান দিয়ে দেশকে ভালোবাসতে প্রস্তুত, কিন্তু তাদের শুধু একটি সুযোগ দরকার।


 




২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ, সরকার নিয়েছে কঠোর ব্যবস্থা

আজ বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫, শুরু হচ্ছে ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন।

পরীক্ষার তত্ত্বীয় অংশ ১৩ মে পর্যন্ত চলবে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ মে থেকে ২২ মে পর্যন্ত। এ বছর পরীক্ষার সুষ্ঠু আয়োজনের জন্য বিভিন্ন সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বিশেষত, প্রশ্ন ফাঁসের গুজব প্রতিরোধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে ফটোকপি মেশিন বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা শুরুর দিন থেকে ১৩ মে পর্যন্ত দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীরা যেন পরীক্ষার হলে কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে উপস্থিত হন, সেজন্য গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।

এছাড়া, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো বা নকল করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ জন, যার মধ্যে ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে, ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবং ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন।

সরকারের উদ্যোগে, এই পরীক্ষা যাতে নকলমুক্ত এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটি সর্বদা তৎপর থাকবে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




গৌরনদীতে প্রথম উপজেলা পর্যায়ের শিশু পার্ক ও হাইজিন কর্নার উদ্বোধন

বরিশালের গৌরনদীতে উপজেলা পর্যায়ে প্রথমবারের মতো শিশুদের জন্য উন্মুক্ত শিশু পার্ক, ছাত্রীদের জন্য হাইজিন কর্নার এবং অভিভাবকদের জন্য ছাউনি উদ্বোধন করা হয়েছে। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে শিশুদের বিনোদন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবারবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন।

বুধবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গৌরনদী উপজেলা পরিষদ চত্বরের ডাকবাংলোর সামনে জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে এবং কেক কেটে ‘গৌরনদী শিশু পার্ক’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

শিশু পার্কটি বাস্তবায়ন করেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. আবু আবদুল্লাহ খান, পৌরসভার অর্থায়নে। পার্কে স্থাপন করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন বিভিন্ন রাইড ও খেলার সরঞ্জাম, যা শিশুদের আনন্দের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠেছে।

উদ্বোধনের দিন থেকেই শত শত শিশু অভিভাবকদের সঙ্গে পার্কে ছুটে আসেন। দীর্ঘদিন বিনোদন থেকে বঞ্চিত গৌরনদীবাসী এ পার্ককে ঘিরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। শিশু পার্ক নির্মাণের প্রধান উদ্যোক্তা ইউএনও আবু আবদুল্লাহ খান ও তার সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট ফাতিমা আক্তার অভিভূত হয়ে বলেন, “এই আনন্দ শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আমাদের সব শ্রম সার্থক করেছে।”

একই দিন বিকেলে জেলা প্রশাসক আরও উদ্বোধন করেন গৌরনদীর বাটাজোর অশ্বিনী কুমার ইনস্টিটিউট ও মাহিলাড়া এএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হাইজিন কর্নার এবং গৌরনদী সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক ছাউনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাহানারা পারভীন, উপজেলা প্রকৌশলী অহিদুর রহমান, প্রেসক্লাবের কো-আহ্বায়ক জহুরুল ইসলাম জহির, খোন্দকার মনিরুজ্জামান, ইসাবেলা ইয়াসমিন ও বিএডিসির উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাহেদ আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।

এই উদ্যোগ শুধু শিশুদের হাসিমুখই নয়, একটি মানবিক ও উন্নয়নমুখী উপজেলা প্রশাসনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে নারী মাদককারবারীকে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে ডিবি এএসআই বরখাস্ত

বরিশালে ডিবি পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বাইরে অভিযান চালিয়ে নারী মাদক ব্যবসায়ীকে মাদকসহ আটকের পর অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তা আউয়াল হোসেন বর্তমানে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রয়েছেন।

বুধবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নগর গোয়েন্দা শাখার এএসআই আউয়াল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ আউয়াল হোসেন অনুমতি ছাড়াই গৌরনদী উপজেলার একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে নারী মাদক ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের স্ত্রীকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও ৭৪ হাজার টাকাসহ আটক করেন। পরে ইয়াবা ও টাকা রেখে তাকে ছেড়ে দেন।

ঘটনার পর মিজানুর রহমান স্বয়ং নগর পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা শাখার ইনস্পেক্টর ছগির হোসেনও আউয়ালের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে অভিযান চালানোর অভিযোগ আনেন।

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার রিয়াজ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর এএসআই আউয়ালকে বরখাস্ত করা হয়।

সূত্রমতে, আউয়াল হোসেন কনস্টেবল হিসেবে চাকরি শুরু করলেও পদোন্নতির পর এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বরিশালে কর্মরত ছিলেন। একই স্থানে দীর্ঘদিন থেকে তিনি নবগ্রাম রোডে কোটি টাকা মূল্যের দুটি প্লট, একাধিক জমি ও বিপুল ব্যাংক সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার স্ত্রীর নামেও রয়েছে সম্পদ।

এএসআই আউয়ালের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিয়মিত মাদকের চালান আটক করে মামলা না দিয়ে মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে আসামিদের ছেড়ে দিতেন এবং উদ্ধার হওয়া মাদক গোপনে বিক্রি করতেন।

ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয় শুনেই আউয়াল হোসেন তার মোবাইল ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং পরবর্তীতে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অন্নপূর্ণা জয়: বাবরের শিখরে পা রাখার গল্প

বাবর আলী, চট্টগ্রামের একজন সাহসী চিকিৎসক, লেখক, এবং অভিযাত্রী, ৭ এপ্রিল প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ অন্নপূর্ণা-১ এর শিখরে পা রেখেছেন। তাঁর এই অসাধারণ অর্জন বাংলাদেশের পর্বতারোহণের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করেছে।

বাবর আলী—পর্বতের মানুষ

চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ৫১তম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে পড়াশোনা শুরু করা বাবর আলী, তবে তার জীবনের লক্ষ্য ছিল অনেক বড়—পর্বত জয়। ২০২৪ সালে তিনি প্রথম এভারেস্ট এবং লোৎসে শৃঙ্গে উঠেন, ২০২২ সালে প্রথম বাঙালি হিসেবে আমা দাবলাম পর্বত জয় করেন। এছাড়া, তিনি বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা পায়ে হেঁটে ঘুরেছেন এবং কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত সাইকেল চালিয়ে পার হয়েছেন।

অন্নপূর্ণার পথে

২০২৪ সালের ২৪ মার্চ বাবর নেপাল যান এবং ২৮ মার্চ পৌঁছান অন্নপূর্ণা বেসক্যাম্পে। এরপর শুরু হয় তার ধৈর্য ও সংকল্পের পরীক্ষা। অন্নপূর্ণা শৃঙ্গে উঠার পথে অনেক ঝুঁকি এবং প্রাকৃতিক বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন তিনি। ৫ এপ্রিল জানা যায়, তিনি সফলভাবে ক্যাম্প-৩ এ পৌঁছেছেন, এবং ৬ এপ্রিল রাত ১২টায় তিনি চূড়ার পথে যাত্রা শুরু করেন। পরদিন ভোরে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়েছিল অন্নপূর্ণা-১ এর শিখরে।

এক অর্জন, অনেক প্রশ্ন

বাবরের এই অর্জন নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক, তবে তার পথ ছিল সহজ নয়। তিনি সাফল্য অর্জন করেছেন, তবে তাঁর উদ্দেশ্য ছিল আরও তিনটি আট হাজার মিটার উচ্চতার পর্বত জয় করা, কিন্তু পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তিনি প্রথম শৃঙ্গেই থেমে গেছেন। তাঁর অভিযানের ব্যবস্থাপক ফরহান জামান জানিয়েছেন, “বাবরের কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যবসায় এই সাফল্যের ভিত্তি। আমরা আশা করি, তার এই অর্জন পরবর্তীতে পৃষ্ঠপোষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।” বাবরের লক্ষ্য ছিল ১৪টি আটহাজারী শৃঙ্গে বাংলাদেশি পতাকা উড়ানো।

অন্নপূর্ণা: এক দেবী শিখর

অন্নপূর্ণা শুধুমাত্র একটি পর্বত নয়, এটি হিমালয়ের দেবী, যার শিখরে ওঠার চেষ্টা এতটাই বিপজ্জনক যে মৃত্যুহার ৩২ শতাংশ পর্যন্ত ছিল। এখন পর্যন্ত মাত্র ৫১৪ জন মানুষ সফলভাবে এই শৃঙ্গে পৌঁছাতে পেরেছেন, যার মধ্যে বাবর আলী যুক্ত হয়েছেন।

বর্তমানে বাবর ক্যাম্প-২ এ অবস্থান করছেন এবং তার পরবর্তী পদক্ষেপ হবে বেসক্যাম্পে ফিরে আসা। তবে, তার এই অর্জন শুধু একটি শিখর জয় নয়, এটি একটি প্রেরণার গল্প। বাবরের মতো মানুষ প্রমাণ করেছেন, দেশের প্রতিনিধিত্ব শুধু কূটনীতির মাধ্যমে হয় না, কখনও কখনও তা হয় বরফে ঢাকা একটি নির্জন শিখরে, যেখানে পতাকার নড়াচড়া বলেই দেয়, “বাংলাদেশ এখানে ছিল।”

এস এল টি “স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম




বিশ্বের শীর্ষ ধনী শহরের তালিকায় দুবাই

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ব্রিটেনভিত্তিক বিনিয়োগ ও আবাসন বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মঙ্গলবার ‘ওয়ার্ল্ড ওয়েলদিয়েস্ট সিটিস রিপোর্ট ২০২৪’ নামে একটি প্রতিবেদেন প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের ধনীতম ২০ শহরের মধ্যে দুবাইয়ের অবস্থান ১৮তম।



প্রতিদিন দুপুরে খাবারের পর দই খেলে যা হয়

দই খাওয়ার প্রচলন আমাদের দেশের সংস্কৃতিতে বহু পুরনো। বিশেষ করে ভারী খাবারের পর দই খাওয়ার অভ্যেস রয়েছে, কারণ এটি হজমে সাহায্য করে। দইয়ে প্রোবায়োটিক, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ থাকে। তবে, প্রতিদিন দুপুরে খাবারের পর দই খাওয়ার উপকারিতা ও কিছু সতর্কতা রয়েছে। ভারতীয় পুষ্টিবিদ কণিকা মালহোত্রা গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

১. অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটার উন্নতি

দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান, বিশেষ করে ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং বিফিডোব্যাকটেরিয়াম স্ট্রেন অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াগুলোর বৃদ্ধি কমায়। এটি অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটাকে শক্তিশালী করে, যা হজমে সহায়ক।

২. প্রদাহ কমানো

দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রে প্রভাব ফেলে এবং শরীরের প্রদাহ কমায়। এর ফলে শর্ট চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, যা কোলন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান, যেমন ল্যাকটোব্যাসিলাস গ্যাসেরি এবং বিফিডোব্যাকটেরিয়াম ল্যাকটিস, হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এই উপাদানগুলো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়ক।

৪. পেটের স্বস্তি ও শীতল অনুভূতি

দই খাওয়ার ফলে পেটের স্বস্তি অনুভূত হয় এবং এতে থাকা পরিমিত পরিমাণ পানি শীতল অনুভূতি দেয়। তবে, দই সরাসরি শরীরের তাপমাত্রা কমানোর জন্য কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

৫. পুষ্টির শোষণ উন্নত করা

দইয়ের প্রোবায়োটিকস অন্ত্রে ভালো প্রভাব ফেলে এবং পুষ্টি উপাদান শোষণের ক্ষেত্রে সাহায্য করে। এটি ফোলাভাব কমাতে পারে এবং অন্ত্রে রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমায়। তবে, এর প্রভাব ব্যক্তির খাদ্যাভ্যাস ও বেসলাইন মাইক্রোবায়োটার উপর নির্ভর করে।

সতর্কতা:

দই অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর হলেও, সবার জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে। যারা ল্যাকটোজে সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য দই খাওয়াটা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, যেমন পেট ফাঁপা বা ডায়রিয়া হতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত দই খাওয়া হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এবং শরীরের ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে দই খাওয়া উচিত।




এসএসসি পরীক্ষায় মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ১০ এপ্রিল শুরু হবে। এ বছর মোট ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে, যার মধ্যে ৯টি সাধারণ ধারার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন।

এ বছর সুষ্ঠু, সুন্দর এবং নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। নিচে এসএসসি পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত নির্দেশনাগুলি দেয়া হলো:

১. পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ

পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

২. নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা

প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

৩. পরীক্ষার ধরণ

প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

৪. প্রবেশপত্র সংগ্রহ

পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট থেকে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন পূর্বে সংগ্রহ করবে।

৫. ধারাবাহিক মূল্যায়ন

শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান, খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলো এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে।

৬. OMR ফরম পূরণ

পরীক্ষার্থীরা তাদের উত্তরপত্রের OMR ফরমে পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। উত্তরপত্র কোনো অবস্থাতেই ভাঁজ করা যাবে না।

৭. পাসের শর্ত

প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি এবং ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

৮. পরীক্ষার বিষয়

প্রতিটি পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে না।

৯. স্থানান্তরিত পরীক্ষা কেন্দ্র

কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিজ বিদ্যালয়ে/প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না। পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।

১০. ক্যালকুলেটর ব্যবহার

পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।

১১. মোবাইল ফোন ব্যবহার

কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মুঠোফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন না।

১২. উপস্থিতি পত্র

সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে।

১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা

ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্র বা ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

১৪. পুনঃনিরীক্ষা

পরীক্ষার ফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

এছাড়া, এসএসসি পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ঈদ যাত্রায় প্রতিদিন গড়ে ২১ জনের মৃত্যু

পবিত্র ঈদুল ফিতরের সময় দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল মারাত্মক। ঈদ যাত্রার ১৫ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত এবং ৮২৬ জন আহত হয়েছেন। একই সময় রেলপথে ২১টি দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত এবং নৌপথে ৪টি দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত হয়েছে। সর্বমোট সড়ক, রেল ও নৌপথে ৩৪০টি দুর্ঘটনায় ৩৫২ জন নিহত এবং ৮৩৫ জন আহত হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঈদযাত্রা শুরুর দিন ২৪ মার্চ থেকে ঈদ শেষে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত এবং ৮২৬ জন আহত হয়েছেন। এতে গড়ে প্রতিদিন ২১ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এ বছরের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম। ২০২৪ সালের ঈদুল ফিতরে ৩৯৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০৭ জন নিহত এবং ১৩৯৮ জন আহত হয়েছিল। এবারের দুর্ঘটনা, প্রাণহানি এবং আহতের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় যথাক্রমে ২১.০৫%, ২০.৮৮% এবং ৪০.৪১% কমেছে।


এ বিষয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, “ঈদযাত্রা এবার কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে, কারণ দীর্ঘ ছুটির কারণে ধাপে ধাপে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। তাতে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কিছুটা কমেছে।”

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এবার মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি ছিল। মোট ১৩৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫১ জন নিহত এবং ১৫৫ জন আহত হয়েছেন। মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৪২.৮৫%, নিহতের ৪৬.৮৯% এবং আহতের ১৮.৭৬% মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ঘটেছে।


দুর্ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং অটোরিকশার মতো যানবাহন অবাধে চলাচল করছিল। এছাড়াও সড়কে অনেক রোড সাইন, সড়কবাতি এবং ডিভাইডার ছিল না, যা দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি দুর্ঘটনা কমাতে কয়েকটি সুপারিশও করেছে, যার মধ্যে রয়েছে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিকশা আমদানি বন্ধ করা, সড়কগুলোর আলোকসজ্জা বাড়ানো, এবং আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম