বরিশালে নির্মিত শিশু হাসপাতাল চালু হয়নি এক বছরেও

বরিশালের আমানতগঞ্জ এলাকায় নির্মিত ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতালটি এক বছর আগে নির্মাণ শেষ হলেও এখনও চালু হয়নি। জনবল নিয়োগ না হওয়া এবং বিদ্যুতের আলাদা সাব-স্টেশন নির্মাণ না হওয়ায় হাসপাতালটি উদ্বোধনের অপেক্ষায় পড়ে রয়েছে।

হাসপাতালটির ভবন নির্মাণ শেষ হয়েছে গত বছরের মার্চ মাসে। কিন্তু এসব অবকাঠামোগত সমস্যা এবং জনবল সংকটের কারণে এটি এখনও সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবায় ব্যবহৃত হচ্ছে না।

হাসপাতালটি চালু হলে এর পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ। বরিশাল মেডিকেলের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি চালাতে কমপক্ষে ৩৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রয়োজন, কিন্তু এখন পর্যন্ত একজনেরও নিয়োগ হয়নি।

এদিকে হাসপাতালের আলাদা সাব-স্টেশন নির্মাণ না হওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগও নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। সহকারী পরিচালক রেজওয়ানুর আলম জানান, হাসপাতাল চালু না হওয়ায় বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে অতিরিক্ত চাপ পড়ছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অভিযোগ করেছে, ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা বুঝে নিচ্ছে না। ফলে অবহেলায় পড়ে থাকা ভবন থেকে বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়ে যাচ্ছে।

গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আহমেদ বলেন, প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় এখনো কিছু কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে এবং বরাদ্দ পেলে দ্রুত কাজ শেষ করার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

প্রকল্পটি ২০১৭ সালে শুরু হয়ে ২০১৯ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেছে। এখন হাসপাতালটি চালুর অপেক্ষায় সময় গুণছে বরিশালের মানুষ।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




শেবাচিমে সিমুলেশন ল্যাব উদ্বোধন: হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ পাবেন শিক্ষার্থীরা

বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে (শেবাচিম) মেডিকেল শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের জন্য আধুনিক সিমুলেশন ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. ফয়জুল বাশার আনুষ্ঠানিকভাবে ল্যাবটির উদ্বোধন করেন।

আটটি কক্ষ নিয়ে গঠিত এই ল্যাবে রয়েছে কৃত্রিম মানবদেহ ও বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সিপিআর, স্বাভাবিক প্রসব, বেসিক ও অ্যাডভান্স লাইফ সাপোর্ট সহ নানা চিকিৎসা পদ্ধতিতে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো— শিক্ষার্থীদের করা কাটাছেড়া কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যাবে, ফলে বারবার প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শেবাচিমের উপাধ্যক্ষ ডা. রেফায়েতুল হায়দার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা. কামরুদ্দোজা হাফিজুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক ডা. সিহাব উদ্দিনসহ ল্যাব পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা।

শিক্ষার্থী আবদুর রহমান বলেন, “কৃত্রিম মানবদেহে বারবার প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকায় দক্ষতা অর্জন সহজ হবে। উন্নত বিশ্বের মতো শিক্ষা পদ্ধতি পেয়ে আমরা উচ্ছ্বসিত।”

অধ্যক্ষ ডা. ফয়জুল বাশার জানান, এই ল্যাবের মাধ্যমে অল্প সময়ে কার্যকর প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি হাসপাতালে রোগীদের ওপর চাপও কমবে।

“মো. তুহিন হোসেন”
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বরিশাল

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




কাউখালীতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণে দুর্নীতি, ১৭ বছর পর দুদকের মামলা

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভবন নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগে ১৭ বছর পর মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২১ এপ্রিল) এই মামলাটি পিরোজপুর আদালতে দায়ের করা হয়।

মামলার বাদী হলেন পিরোজপুর দুদক কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন সম্রাট। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপ-পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন ::
১. মো. বজলুর রহমান খান, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, পিরোজপুর
২. দুলাল চন্দ্র সরকার, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী, বরিশাল স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর
৩. শৈলেন্দ্র নাথ মন্ডল, সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী, পিরোজপুর
৪. মো. নাসির উদ্দিন লিটু, স্বত্বাধিকারী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নূরী এন্টারপ্রাইজ

স্থানীয় সূত্র ও মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন তিনতলা ভবন নির্মাণের জন্য প্রায় ৬ কোটি টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নূরী এন্টারপ্রাইজ এই কাজের দায়িত্ব পেলেও নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত বিল উত্তোলনের চেষ্টা চালায়। যেমন— ৮ ফুট গভীর ফাউন্ডেশনের পরিবর্তে ৪ ফুট খনন, ২০ মিমি রডের পরিবর্তে ১৬ মিমি ও ১২ মিমি রড ব্যবহার ইত্যাদি অনিয়ম করে। তদুপরি, ৬৩ লাখ টাকার কাজ করেও প্রায় ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকার বিল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করার চেষ্টা করে প্রতিষ্ঠানটি।

এই ভবন নির্মাণ অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় বর্তমানে তা ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে আছে। ফলে কাউখালী এলাকার লক্ষাধিক মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকারি অর্থের অপচয় হওয়া সত্ত্বেও এতদিন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী তানজিলা ফেরদৌস বলেন, “আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি, মামলার বিষয়ে এখনো কিছু জানি না।”

দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন সম্রাট জানান, রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতিসাধন ও আত্মসাতের অপচেষ্টার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৫১১/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




‘রোদ বৃষ্টির গল্প’ দিয়ে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে মনোনীত সুব্রত সঞ্জীব

দেশের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার মেরিল-প্রথম আলো অ্যাওয়ার্ড ২০২৪-এ সীমিতদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র ক্যাটাগরিতে সেরা চিত্রনাট্যকার হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জনপ্রিয় নাট্যকার সুব্রত সঞ্জীব। প্রশংসিত কাজ ‘রোদ বৃষ্টির গল্প’-এর জন্য এই স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি।

পুরস্কার আয়োজক কর্তৃপক্ষ ‘প্রথম আলো’ থেকে পাঠানো আনুষ্ঠানিক অভিনন্দনপত্রে বলা হয়েছে।“আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার ২০২৪-এ সীমিতদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র ক্যাটাগরির সেরা চিত্রনাট্যকার বিভাগে ‘রোদ বৃষ্টির গল্প’-এর জন্য আপনি চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন। অভিনন্দন আপনাকে।”

এছাড়া একই কাজের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন খায়রুল বাসার (সেরা অভিনেতা) এবং সাদিয়া ফাতেমা তাসনিম আইমান (সেরা অভিনেত্রী)।

আগামী ২৩ মে ২০২৫, শুক্রবার সন্ধ্যায় পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

মনোনয়ন পাওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়ায় সুব্রত সঞ্জীব বলেন,“কৃতজ্ঞতা আমার সৃষ্টি কর্তার প্রতি। কৃতজ্ঞতা আমার মা-বাবা, পরিবার ও সব শুভাকাঙ্ক্ষীদের। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই আমার গুরু মিন্টু বসুকে। ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা আমার প্রোডাকশন হাউস এবং ‘রোদ বৃষ্টির গল্প’ টিমের প্রতি।”

তিনি আরও বলেন,“এইমোন মোজাফফর ও দেবাশীষ চক্রবর্তী দাদার প্রতি আলাদা কৃতজ্ঞতা। তারা না থাকলে গল্পটি সম্ভব হতো না। ধন্যবাদ মেরিল-প্রথম আলো অ্যাওয়ার্ডকে।

সুব্রত সঞ্জীব নাটকের জয় কামনা করে বলেন, বাংলা নাটকের জয় হোক। ভালোবাসা ও শুভকামনা নিরন্তর।

উল্লেখ্য, নাটকটির শুটিং হয়েছিল বরিশালে

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আগৈলঝাড়ায় র‍্যাবের সঙ্গে সংঘর্ষে যুবক নিহত, দুই মামলা

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় র‍্যাব-৮ এর মাদকবিরোধী অভিযানে সংঘর্ষের ঘটনায় সিয়াম মোল্লা (১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন, যার মধ্যে দুজন র‍্যাব সদস্য এবং একজন মাদক সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন রয়েছে।

সোমবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ মোল্লাপাড়া গ্রামের জোড়া ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সিয়াম মোল্লা উজিরপুর উপজেলার বাহেরঘাট গ্রামের বাসিন্দা এবং কারফা আইডিয়াল কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

আহত রাকিব মোল্লা চলতি এসএসসি পরীক্ষার্থী। র‍্যাব দাবি করেছে, সিয়াম ও রাকিব মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল।

ঘটনার পর র‍্যাব-৮ এর ডিএডি শেখ রিয়াজুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে আগৈলঝাড়া থানায় দুটি মামলা দায়ের করেন—একটি সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এবং অন্যটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে। মামলায় নাম উল্লেখ করে ২ জন ও অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

র‍্যাব-৮ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের একটি সাদা পোশাকের টিম মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে সিয়াম ও রাকিবের নেতৃত্বে একটি দল র‍্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে আহত হন র‍্যাব সদস্য ওপেল মাহামুদ রাজিব ও আরিফুল ইসলাম সাকিব। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাব পাল্টা গুলি চালালে সিয়াম ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং রাকিব গুরুতর আহত হন।

ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় এবং নিহতদের বাড়িতে পুরুষ সদস্যদের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নারী সদস্যদের মুখেও আতঙ্কের ছাপ ছিল।

নিহত সিয়ামের চাচাতো বোন মীম আক্তার জানান, “সিয়াম ঘটনার দিন বিকেল পর্যন্ত বাসাতেই ছিল।”

রাকিবের সহপাঠী আলী হোসেন বলেন, “আমরা একসঙ্গে পরীক্ষা দিয়েছি। সন্ধ্যায় শুনি রাকিব গুলিবিদ্ধ হয়েছে।”

এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউল ইসলাম জানান,
“র‍্যাবের দায়ের করা মামলার আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।”

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মেহেন্দীগঞ্জে নদীতে যৌথ অভিযান: ১৬ মন জাটকা জব্দ, ৯৭ হাজার মিটার জাল ধ্বংস

বরিশালের হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে জব্দ করা হয়েছে প্রায় ১৬ মন জাটকা মাছ ও একটি মাছ ধরার ট্রলার। পাশাপাশি অভিযানকালে নদী থেকে জব্দ করা হয় প্রায় ৯৭ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, যা পরে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

রবিবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে সোমবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১১টা পর্যন্ত টানা এ অভিযান পরিচালনা করে মৎস্য অধিদপ্তর হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ, কোস্ট গার্ড হিজলা এবং নৌ পুলিশ হিজলার সমন্বিত টিম।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন হিজলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম, কোস্ট গার্ড হিজলার কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. হুসনুর জামান সালামী এবং নৌ পুলিশ হিজলার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান।

মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম জানান,”অভিযান চলাকালে অবৈধভাবে মাছ ধরার দায়ে একটি ট্রলার আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত জাটকা মাছ স্থানীয় পাঁচটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন,”জাটকা রক্ষায় সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে নিয়মিতভাবে এমন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আমরা মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছি।”

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে, বউভাতে ধরা যুবক

পটুয়াখালীর গলাচিপায় স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করায় বউভাত অনুষ্ঠানে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন বিধান কর্মকার নামের এক যুবক। সোমবার (২১ এপ্রিল) গলাচিপা পৌর শহরের কালীবাড়ি সড়কে আয়োজিত বউভাত অনুষ্ঠানে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে।

গ্রেপ্তার হওয়া যুবক গলাচিপা উপজেলার প্রয়াত জুয়েলারি ব্যবসায়ী বিমল কর্মকারের ছেলে বিধান কর্মকার (২৪)। স্থানীয়দের মধ্যে এই ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা যায়, ২০১৯ সালে বিধান কর্মকার তমা রানি কর্মকারকে বিয়ে করেন। বিয়ের আগে তাদের চার বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ দম্পতির পাঁচ বছর বয়সী একটি সন্তানও রয়েছে। তবে গত ৯ মাস ধরে বিধান ঢাকার সাভার এলাকার শিবু দাসের মেয়ে বর্ষা রানীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করেন তমা রানি।

তমা রানি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের সংসার ও সন্তানের কথা ভুলে গিয়ে বিধান দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। বিষয়টি প্রথমে গোপন রাখা হলেও বিয়ের পর বউভাতের আয়োজন করলে সেটি জানাজানি হয়ে যায়। এরপর তিনি গলাচিপা থানায় যৌতুক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

তিনি বলেন, “আমি এই ঘটনার বিচার চাই। শুধু বিয়েই নয়, দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে আমার শাশুড়ি নুপুর রানি কর্মকার এবং মামাশ্বশুর স্বজল কর্মকার আমাকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

এ বিষয়ে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে বিধান কর্মকারের বিরুদ্ধে একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে বউভাত অনুষ্ঠান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, পারিবারিক দায়-দায়িত্ব এড়িয়ে গোপনে পরকীয়া ও দ্বিতীয় বিয়ের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের পরিচায়ক।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



আগৈলঝাড়ায় র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধ’: নিহত ১, আহত ৪

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাহেবের হাট সংলগ্ন ওরাভাশবাড়ী বাজার এলাকায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৮) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুলিবিদ্ধসহ মোট চারজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুইজন র‍্যাব সদস্য রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম।

নিহত যুবকের মো. সিয়াম মোল্লা (২২)। তিনি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বাহেরঘাট গ্রামের বাসিন্দা এবং রিপন মোল্লার ছেলে। আহত গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি হলেন রাকিব মোল্লা (২৭), একই এলাকার খালেক মোল্লার ছেলে। তারা দুজনেই পুলিশ সূত্রে ‘চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী’ হিসেবে পরিচিত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, র‍্যাব-৮ এর একটি সিভিল টিম গোপনে মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা র‍্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে সিয়াম ও রাকিব গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া সংঘর্ষে দুই র‍্যাব সদস্যও আহত হয়েছেন। আহতদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় মোহনকাঠী গ্রামের মোটরসাইকেল চালক হাসান মৃধা জানান, একটি ইজিবাইক থেকে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ সিয়ামকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য তার মোটরসাইকেল ব্যবহার করে। পরে গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালে পৌঁছালে চিকিৎসক সিয়ামকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক জাকিয়া রহমান জানান, তার বুকে গুলির চিহ্ন ছিল এবং হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর র‍্যাব, পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা এলাকা ঘিরে ফেলে। এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বরিশাল আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে র‍্যাব সদস্যরা হামলার শিকার হন। গুলিবিনিময়ের সময় একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হন। ঘটনার তদন্ত চলছে।

বরিশাল গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অন্যদিকে, র‍্যাব-৮ এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। তবে একটি নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ সিয়াম ও রাকিব নিজের দলের গুলিতেই আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।




ম্যাজিক চায়ের মোহে মাতোয়ারা দুমকির পায়রা পয়েন্ট

পটুয়াখালীর লেবুখালী পায়রা সেতুর পাশে গড়ে উঠেছে এক ব্যতিক্রমধর্মী পর্যটন কেন্দ্র—‘পায়রা পয়েন্ট মার্কেট’। এখানে শুধু নদী কিংবা সেতুর নয়, এক কাপ চায়ের স্বাদ নিতে ভিড় করছেন দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা। প্রকৃতির নয়নাভিরাম সৌন্দর্য আর বিশেষভাবে তৈরি এক কাপ ‘ম্যাজিক চা’ পর্যটকদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা।

দিন হোক কিংবা রাত, ‘ম্যাজিক চা’ উপভোগ করতে এখানে দর্শনার্থীদের ঢল লেগেই থাকে। নানা মশলার সমন্বয়ে তৈরি চা, যার স্বাদে থাকে ঘন দুধের মালাই, সুগন্ধি মশলা আর মনকাড়া পরিবেশনা—সব মিলিয়ে এটি যেন এক কাপ চায়ে এক নতুন জীবন।

চায়ের দোকানের উদ্যোক্তা কাজী দুলাল জানান, “আমরা শুধু চা বিক্রি করছি না, মানুষের ভালো লাগাকেও বিক্রি করছি। আমাদের চা খেয়ে যারা প্রশান্তি খুঁজে পান, তাদের মুখের হাসিই আমাদের প্রেরণা।” ঢাকা, খুলনা, বরিশালসহ দেশের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকরা এসে এই চায়ের স্বাদ নিচ্ছেন। চা এখন আর শুধুই পানীয় নয়, এটি একটি ব্র্যান্ডে রূপ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিন ধরনের চা পাওয়া যায় এখানে—স্পেশাল মালাই চা (৫০ টাকা), রেগুলার চা (২০ টাকা) এবং মিনি চা (২০ টাকা)। সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে জনপ্রিয় দুই ধরনের পান—‘পাহাড়ি পান’ (৩০ টাকা) ও ‘আগুন পান’ (১০০ টাকা)। বিশেষ মশলায় তৈরি ‘আগুন পান’ মুখে দিলেই জিভে ছড়িয়ে পড়ে রোমাঞ্চকর ঝাঁজ, যার অভিজ্ঞতা পর্যটকরা ভুলতে পারেন না।

ঢাকা থেকে আসা শিক্ষার্থী তানজিলা হোসেন বলেন, “এই চা খেয়ে আমি সত্যিই মুগ্ধ। স্বাদ, পরিবেশনা, দোকানের সৌন্দর্য—সব কিছুতেই ছিল এক ভিন্নতা। মনে হলো, এটা শুধু চা নয়, এক রকম অভিজ্ঞতা।”

পায়রা পয়েন্ট মার্কেট এখন কেবল চায়ের গন্তব্য নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। নদী আর সেতুর সংযোগস্থলে বসে এক কাপ চায়ের চুমুকে মিলছে প্রশান্তি, যা পর্যটকদের ক্লান্তি মুহূর্তেই মুছে দেয়।

এ চায়ের স্পটটি শুধু পর্যটকদের হৃদয় জয় করেনি, বরং স্থানীয় অর্থনীতিতেও এনেছে চাঙা ভাব। তৈরি হয়েছে কর্মসংস্থান, বেড়েছে স্থানীয়দের আয়, ঘুরে দাঁড়িয়েছে এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দা শামীম আহমেদ বলেন, “এমন উদ্যোক্তারা পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। পায়রা পয়েন্ট এখন শুধু জায়গা নয়, একটি অনুভবের নাম।”

চা কেন্দ্রিক এই পর্যটন স্পটে ধীরে ধীরে যুক্ত হচ্ছে আরও নানা আয়োজন। থাকছে স্থানীয় হস্তশিল্পের প্রদর্শনী, কুয়াকাটার ফটোগ্যালারি, শিশুদের জন্য খেলাধুলার ব্যবস্থা, এমনকি লাইভ মিউজিকও। উদ্যোক্তারা বলছেন, পর্যটকদের সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

পায়রা পয়েন্টের ‘ম্যাজিক চা’ যেন জীবন্ত প্রমাণ, এক কাপ চাও মানুষের মনে সৃষ্টি করতে পারে গভীর আনন্দ ও স্মৃতিময় মুহূর্ত। তাই যারা পায়রা সেতু দেখতে যাচ্ছেন, তারা যেন কখনো ভুলেও ‘ম্যাজিক চা’-এর স্বাদ না মিস করেন। কারণ এই এক কাপ চা হয়তো হতে পারে আপনার ভ্রমণের সবচেয়ে সুন্দর অংশ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশালে ১৭ কাউন্সিলরের পদ শূন্যের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ, আদালতে মামলা

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১৭ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পদ শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনকে অবৈধ দাবি করে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বরিশাল সিটির ১ থেকে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত পুরুষ কাউন্সিলররা যৌথভাবে এ মামলা দায়ের করেন। তারা হলেন মো. দেলোয়ার হোসেন (ওয়ার্ড-১), মো. কামরুল ইসলাম (ওয়ার্ড-২), মো. মিজানুর রহমান (ওয়ার্ড-৩), মো. সেলিম হোসেন (ওয়ার্ড-৪), মো. শাহিনুর রহমান (ওয়ার্ড-৫), মো. রফিকুল ইসলাম (ওয়ার্ড-৬), মো. জহিরুল ইসলাম (ওয়ার্ড-৭), মো. হাসান আলী (ওয়ার্ড-৮), মো. মজিবর রহমান (ওয়ার্ড-৯), মো. নাজমুল হক (ওয়ার্ড-১০), মো. মেহেদী হাসান (ওয়ার্ড-১১), মো. সাইফুল ইসলাম (ওয়ার্ড-১২), মো. জিল্লুর রহমান (ওয়ার্ড-১৩), মো. আলাউদ্দিন (ওয়ার্ড-১৪), মো. সোহেল রানা (ওয়ার্ড-১৫), মো. রবিউল ইসলাম (ওয়ার্ড-১৬) এবং মো. শাহিনুর রহমান (ওয়ার্ড-১৭)।

তাদের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করছেন অ্যাডভোকেট মো. মাহাবুবুল হক টুকু, অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ সানু এবং অ্যাডভোকেট সুজন হালদার।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কাউন্সিলরদের কার্যক্রম বন্ধ করে তাদের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। এতে কাউন্সিলরদের কোনো নোটিশ বা কারণ দর্শানোর সুযোগ না দিয়ে পদচ্যুত করা হয় বলে মামলার আবেদনে দাবি করা হয়েছে।

বাদীপক্ষ বলছে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের পদ বাতিল করে জনগণের রায় ও সাংবিধানিক অধিকার উপেক্ষা করা হয়েছে। তারা আদালতের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন: প্রজ্ঞাপন বাতিল, কাউন্সিলরদের বহাল রাখা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া।

মামলার প্রধান আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল হক টুকু বলেন, “এটি এক নজিরবিহীন ঘটনা। এটি সংবিধান এবং স্থানীয় সরকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।”

সিটি কর্পোরেশনের একটি অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, তারা বিষয়টি আইনি দিক থেকে পর্যালোচনা করছে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

এই মামলার রায় বরিশাল সিটির প্রশাসনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। একইসঙ্গে এটি দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনগুলোর জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম