ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা, বরিশালে দুই শিক্ষক বহিষ্কার

বরিশালের উজিরপুরে এসএসসি পরীক্ষাকে ঘিরে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের নিয়মিতদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় কেন্দ্র সচিবসহ দুই শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশের পর শিক্ষা প্রশাসনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিষয়টি সামনে আসার পর তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

বহিষ্কৃতরা হলেন—উজিরপুর উপজেলার হাবিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক হোসেন এবং সহকারী শিক্ষক খগেন মণ্ডল। তারা ওই কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন।

উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা জানান, এসএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রে হাবিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাতজন অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা ২০২৬ সালের নিয়মিতদের প্রশ্নপত্রে নেওয়া হয়েছে। যা পরীক্ষার নীতিমালার পরিপন্থী।

তিনি বলেন, “প্রথমদিকে বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা গোপন রাখার চেষ্টা করেন। পরে অভিভাবকদের মাধ্যমে অভিযোগ পাওয়ার পর তা যাচাই করা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কেন্দ্র সচিবসহ দুই শিক্ষককে সব ধরনের পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।”

ইউএনও আরও জানান, ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডকেও জানানো হয়েছে।”

এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

“এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫”




প্রেমিকের ফ্ল্যাটে তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু, প্রেমিক নিখোঁজ

বরিশাল নগরে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রেমিকের ভাড়া বাসার একটি কক্ষ থেকে ওই তরুণীর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই প্রেমিক পলাতক থাকায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে নগরের বগুড়া সড়কের অক্সফোর্ড মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন রাফি মঞ্জিলের ষষ্ঠ তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।

মৃত তরুণীর নাম সানজিদা কবির অনিতা (২২)। তিনি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার তেগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা মহাসিন কবির শাহিনের মেয়ে। অনিতা একটি সরকারি নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বরিশাল নগরের অক্সফোর্ড মিশন রোড এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন।

অভিযোগের তীর উঠেছে তার প্রেমিক মাইনুল ইসলাম আকন হিমু (৩০)-এর দিকে, যিনি বর্তমানে পলাতক। তিনি ঝালকাঠি পৌর এলাকার কাটপট্টি রোডের বাসিন্দা এবং রাফি মঞ্জিলের ওই ফ্ল্যাটে মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন।

হিমুর মা ফাতেমা বেগম জানান, তার অনুপস্থিতির সুযোগে অনিতা বাসায় এসেছিলেন। তিনি বলেন, “আমি অসুস্থতার কারণে মেয়ের বাসায় ছিলাম। দুপুরের দিকে ফিরে এসে দরজায় তালা দেখতে পাই। পরে তালা খুলে ভেতরে ঢুকে দেখি বিছানায় অনিতার নিথর দেহ পড়ে আছে। এরপর হিমুকে ফোন দিলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।”

এদিকে, অনিতার পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় আড়াই বছর ধরে হিমুর সঙ্গে অনিতার সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি তারা জানতে পারেন, হিমুর অতীত নিয়ে কিছু গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়টি জানার পর অনিতা সম্পর্ক থেকে সরে আসার চেষ্টা করছিলেন।

অনিতার বোন জানান, “সকালে হোস্টেল থেকে মালামাল আনার কথা বলে বের হয়েছিল অনিতা। পরে অনেকক্ষণ খোঁজ না পেয়ে খুঁজতে বের হই। দুপুরের পর হিমুর বাসার নিচে পুলিশ দেখে উপরে উঠে বোনের মরদেহ পাই।”

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, “ঘটনার সঙ্গে প্রেমিক জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।”

তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের জন্য সিআইডিকে খবর দেওয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে এবং প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে।

“এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫”




তীব্র গরমে দাখিল পরীক্ষাকেন্দ্রে ৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ, একজন হাসপাতালে ভর্তি

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় দাখিল পরীক্ষাকেন্দ্রে অতিরিক্ত গরমে পাঁচজন পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) টগড়া দারুল ইসলাম কামিল মাদ্রাসা দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দ্রুত জিয়ানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আবার পরীক্ষায় অংশ নেয়।

অসুস্থ পরীক্ষার্থীরা হলেন— পত্তাশী এস দাখিল মাদ্রাসার লামিয়া আক্তার, বিথি আক্তার ও আজিমা, চন্ডিপুর বাগারহার আজিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার রাফিজা এবং কালাইয়া রাজিয়া রশিদ মহিলা দাখিল মাদ্রাসার মারিয়া আক্তার।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আরবি প্রথম পত্র পরীক্ষার এক ঘণ্টার মধ্যেই তারা পরীক্ষার হলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

চিকিৎসা শেষে বিথি আক্তার ছাড়া অন্য চারজন পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ননী গোপাল বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত গরম, শারীরিক দুর্বলতা এবং ক্লান্তির কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। একজন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে পরীক্ষায় ফিরে গেছে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে পরীক্ষা কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবা আরও জোরদার করা হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




জ্বালানি সংকটে ভোলা, তীব্র ভোগান্তি; সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

ভোলায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, এতে স্থবির হয়ে পড়েছে পরিবহন ও মাছ ধরার কার্যক্রম। ডিজেল না পেয়ে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক নৌকা ও যানবাহন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জেলার প্রায় তিন লাখ জেলে।

পেট্রোল পাম্পগুলোতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে জ্বালানি পাচ্ছেন না। সরকারি নির্ধারিত দামে ডিজেল ১১৫ টাকা হলেও বাজারে তা ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জেলেরা জানান, “সিন্ডিকেটের কারণে তেল পাচ্ছি না। যে তেল ১ টাকায় পাওয়া যেত, এখন ৫ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে।” এতে মাছ ধরা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা চরম লোকসানে পড়েছেন।

শুধু জেলে নয়, সড়ক ও নৌপথের পরিবহন ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক যানবাহন জ্বালানি না পেয়ে অচল হয়ে পড়েছে, এতে যাত্রী দুর্ভোগ ও পরিবহন ব্যয়ও বেড়ে গেছে।

ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, পাম্পে সরবরাহ থাকলেও খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। বেশি দামে কিনতে হওয়ায় বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে জ্বালানি সংকট ও সিন্ডিকেটের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভোলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছে। অবৈধ মজুদ, অতিরিক্ত দামে বিক্রি এবং অননুমোদিত জ্বালানি ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) জানিয়েছে, কিছু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াচ্ছেন। সংগঠনটি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছে।

ভোলা জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান বলেন, “অননুমোদিতভাবে কেউ জ্বালানি মজুদ করলে তা জব্দ করা হচ্ছে। পাশাপাশি অবৈধভাবে বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।”

বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট শুধু সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে না, বরং জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




সরকারি সিদ্ধান্তের আগেই বরিশাল–ঢাকা নৌপথে লঞ্চ ভাড়া বাড়াল মালিকরা

ঢাকা–বরিশাল নৌপথে লঞ্চ ভাড়া সরকারি সিদ্ধান্তের আগেই এক দফা বাড়িয়ে দিয়েছে লঞ্চ মালিকরা। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে ডেক ও কেবিন যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত সোমবার থেকে বরিশাল–ঢাকা রুটে চলাচলকারী লঞ্চগুলোতে ডেক যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা এবং কেবিন যাত্রীদের কাছ থেকে ২০০ টাকা বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এতে যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

লঞ্চ মালিকদের দাবি, আগে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে তারা কম ভাড়া নিতেন যাত্রীদের সুবিধার্থে। বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় তারা সরকার নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন ভাড়া নিচ্ছেন।

তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পর ৪২ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) চিঠি দিয়েছে। এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এর মধ্যেই লঞ্চে বর্ধিত ভাড়া কার্যকর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে ডেক যাত্রীদের ভাড়া ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫০ টাকা করা হয়েছে। সিঙ্গেল কেবিন ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা, ডাবল কেবিন ২ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা এবং বিভিন্ন ভিআইপি ও ফ্যামিলি কেবিনে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

যাত্রীদের অভিযোগ, সরকারি সিদ্ধান্ত ছাড়াই এমন ভাড়া বৃদ্ধি অযৌক্তিক এবং এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

বরিশাল থেকে ঢাকাগামী এক ডেক যাত্রী আবদুল কাদের ফকির বলেন, “আমরা কষ্ট করে টাকা রোজগার করি। ৫০ টাকা ভাড়া বাড়ানো মানে আমাদের এক বেলার খাবারের খরচ। কিন্তু আমাদের কথা কেউ ভাবে না।”

এক কেবিন যাত্রী বলেন, “তেলের দাম বাড়লে ভাড়া বাড়ে, কিন্তু কমলে আর কমে না। এটা এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে।”

লঞ্চ মালিক সমিতির সাবেক সহসভাপতি রেজিন উল কবির জানান, আগে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম নেওয়া হতো। বর্তমানে তেলের দাম বাড়ায় সরকার নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।

এদিকে লঞ্চ মালিকরা জানিয়েছেন, তারা ৪২ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছেন এবং সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পর আরও ভাড়া বাড়তে পারে।

যাত্রী অধিকার সংগঠনের নেতারা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম যতটা বেড়েছে, সেই অনুপাতে ভাড়া বৃদ্ধি যুক্তিসঙ্গত নয় এবং এতে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে।

সরকার সম্প্রতি ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রলের দাম প্রতি লিটারে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জ্বালানি মূল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




সাবেক ইউএনও রুমানা আফরোজের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, ক্ষোভে স্থানীয় সুশীল সমাজ

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সুশীল সমাজ, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ দাবি করেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর সততা ও কর্মদক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব পালনকালে রুমানা আফরোজ সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নেন। তিনি নিয়মিত প্রকল্প পরিদর্শন করে কাজের মান নিশ্চিত হওয়ার পরই বিল অনুমোদন দিতেন। এতে অনিয়মের মাধ্যমে সুবিধা নিতে না পেরে একটি অসাধু চক্র তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

বিশেষ করে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ২ শতাংশ কমিশন নেওয়ার যে অভিযোগ কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, এসব অভিযোগের কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

দায়িত্ব পালনকালে রুমানা আফরোজ সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব প্রশাসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর দপ্তরে সাধারণ মানুষ সহজেই প্রবেশ করে সমস্যা জানাতে পারতেন। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কেন্দ্রে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি নিয়মিত তদারকি করতেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা আরও জানান, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।

অভিযোগ উঠেছে, কিছু ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা না পেয়ে এই অপপ্রচারে জড়িত হয়েছে। এমনকি সংবাদ প্রকাশ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারের ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবির ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে সাবেক ইউএনও রুমানা আফরোজ বলেন, দায়িত্ব পালনকালে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারলে তিনি যে কোনো পরিণতি মেনে নিতে প্রস্তুত। তিনি আরও দাবি করেন, দায়িত্বে থাকাকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মাসিক সভা বা জনসমক্ষে কোনো অনিয়মের অভিযোগ ওঠেনি।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো সংবাদ প্রকাশ করা দুঃখজনক। তাদের মতে, একজন সৎ কর্মকর্তাকে সামাজিকভাবে হেয় করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই বিষয়টির সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




রিকশার হ্যান্ডেলে জীবন, হেলেনার অদম্য লড়াই

হেলেনা বেগম যে হাতে থাকার কথা ছিল চুড়ি, সেই হাতেই আজ শক্ত করে ধরা রিকশার হ্যান্ডেল। রিকশার প্রতিটি চাকার ঘূর্ণনে ফুটে ওঠে এক সংগ্রামী নারীর ঘাম, বেদনা আর সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখার নিরন্তর লড়াইয়ের গল্প।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের বরিশাল-ভোলা মহাসড়কে তার সঙ্গে দেখা মেলে। তপ্ত রোদে যাত্রী না থাকায় রাস্তার পাশে একটি গাছের নিচে ব্যাটারিচালিত রিকশা থামিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তিনি।

কথা বলতে এগিয়ে গেলে প্রথমেই জিজ্ঞেস করেন, “মামা কই যাবেন?” যাত্রী না শুনে তার মুখে নেমে আসে হতাশার ছাপ। পরে আলাপ জমলে নিজের জীবনের গল্প শোনাতে রাজি হন, তবে শর্ত ছিল—যাত্রী এলে কথা থামিয়ে চলে যেতে হবে।

দীর্ঘ আলাপে উঠে আসে তার কঠিন জীবনের বাস্তবতা। ছোটবেলা থেকেই দুঃখ-কষ্ট যেন তার নিত্যসঙ্গী। বরিশাল নগরীর ধান গবেষণা রোডের কমিশনারের খেয়াঘাট এলাকার বাসিন্দা হেলেনা বেগম মাত্র ১০ বছর বয়সে বিয়ে করেন এবং ১৬ বছর বয়সেই মা হন। তবে সেই সংসারের সুখ বেশিদিন টেকেনি।

তিন কন্যা সন্তান রেখে স্বামী নিখোঁজ হয়ে গেলে শুরু হয় টিকে থাকার কঠিন সংগ্রাম। জীবিকার তাগিদে বালুর হেল্পারি, ঢালাই শ্রমিক থেকে শুরু করে গার্মেন্টস কর্মী—এমন কোনো কাজ নেই যা তিনি করেননি।

বর্তমানে তার জীবিকার একমাত্র অবলম্বন ব্যাটারিচালিত রিকশা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা সড়ক থেকে লাহারহাট পর্যন্ত যাত্রী বহন করেন তিনি। দিনের শেষে ঘরে ফিরে আবার রান্নাসহ সংসারের সব দায়িত্বও পালন করতে হয় তাকে।

হেলেনা জানান, রিকশা চালানো শেখার সময় প্রায় এক মাস অসুস্থ ছিলেন। যিনি তাকে চালানো শিখিয়েছেন, তাকে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এখন প্রতিদিন তার আয় হয় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। এর মধ্যে ৩০০ টাকা রিকশার ভাড়া দিতে হয়। বাকি টাকায় কোনোমতে মেয়েদের নিয়ে খাবার ও বাসাভাড়া মেটান।

রিকশার মালিক আক্কাস বলেন, প্রায় তিন মাস আগে হেলেনা তার কাছে এসে রিকশা চালানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন। নারী হয়ে রিকশা চালানোর বিষয়টি প্রথমে অবাক করলেও পরে তার দৃঢ়তায় রাজি হন। গত তিন মাসে তিনি কখনো ভাড়া বাকি রাখেননি।

হেলেনার এই সংগ্রামী জীবন ইতোমধ্যে প্রশাসনের নজরেও এসেছে। বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ পারভেজ জানান, তাকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা এবং একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে পুনর্বাসনের পরিকল্পনাও করা হবে।

একজন মায়ের অদম্য সংগ্রাম, দুঃখ-কষ্ট আর সন্তানের জন্য লড়াই—হেলেনা বেগমের জীবন যেন সেই বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




প্রেমিককে পিটিয়ে তরুণীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, মেহেন্দিগঞ্জে তোলপাড়

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে ঘুরতে আসা এক প্রেমিক যুগলকে মারধর করে তরুণীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি বুধবার (২২ এপ্রিল) উপজেলার স্টিমারঘাট সংলগ্ন নির্মাণাধীন মিনি স্টেডিয়ামে ঘটে।

অভিযুক্ত যুবক পৌরসভার ৭ নম্বর বদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে ইয়াছিন হাওলাদার।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমিন উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রেমিককে মারধর করে প্রেমিকাকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনাটি রাতে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করায় অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ইয়াছিন আগে থেকেই ওই যুগলকে লক্ষ্য করছিলেন। একপর্যায়ে তাদের কাছে গিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকেন এবং হঠাৎ করেই প্রেমিক ও প্রেমিকাকে মারধর করেন। পরে প্রেমিকের মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ রেখে তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন।

প্রাণভয়ে প্রেমিক সেখান থেকে সরে গেলে অভিযুক্ত তরুণীকে জোর করে তুলে নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালান।

এ সময় তরুণীর চিৎকার শুনে আশপাশের পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করলেও পরে তিনি কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

ঘটনার পর ওই তরুণ-তরুণীকে নিরাপদে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা, উজিরপুরে দুই দায়িত্বশীলের অব্যাহতি

ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগে বরিশালের উজিরপুরে কেন্দ্র সচিবসহ দুইজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। হাবিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা সংশ্লিষ্টদের এসএসসি পরীক্ষার সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।

অব্যাহতি প্রাপ্তরা হলেন কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক হোসেন এবং সহকারী শিক্ষক খগেন মন্ডল।

অভিযোগে জানা যায়, অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র ব্যবহার না করে ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ অনিয়মের কারণে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেছে। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, একই উপজেলার শহীদ স্মরণিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে ওই কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক সুশেন মন্ডলকে পরীক্ষার প্রথম দিন (২১ এপ্রিল) দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা, উজিরপুরে দুই দায়িত্বশীল বরখাস্ত

বরিশাল অফিস : বরিশালের উজিরপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগে কেন্দ্র সচিবসহ দুইজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা জানান, হাবিবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক হোসেন ও সহকারী শিক্ষক খগেন মন্ডলকে এসএসসি পরীক্ষার সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে ২০২৬ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে পরীক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা ও জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশাসন জানায়, বিষয়টি তদন্ত করে নিশ্চিত হওয়ার পরই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এদিকে, একই উপজেলার শহীদ স্মরণিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে ওই কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক সুশেন মন্ডলকে পরীক্ষার প্রথম দিন (২১ এপ্রিল) দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসন এমন অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছে।