অস্তিত্ব সংকটে বরগুনার তালতলীর শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত

বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনিয়ার চর এলাকায় সুন্দরী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মিলনমেলা “শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত” আজ অস্তিত্ব সংকটে। ঝিরঝিরে বাতাসে দোল খাওয়া সবুজ ঝাউবন এবং দীর্ঘ বালুময় সৈকত এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলেও, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে সৈকতের সৌন্দর্য ধ্বংসের পথে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় আইলা, আম্পান, ইয়াস এবং জাওয়াদের কারণে সৈকতের পাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঝাউবন রক্ষার চেষ্টা করা হলেও বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ২৫ হাজার গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; শুধুমাত্র আম্পানে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩ হাজার গাছের।

টেংরাগিরি ম্যানগ্রোভ বনভূমির অংশ এই ঝাউবনের প্রস্থ প্রায় ৫০ ফুট এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ কিলোমিটার। একসময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা সৈকত ও ঝাউবন দেখতে আসতেন। জোছনার রাতে আয়োজিত হতো উপমহাদেশের বৃহত্তম জোছনা উৎসব, যা লাখো মানুষের পদচারণায় মুখরিত হতো।

স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ জানান, “সৈকতের মূল সৌন্দর্য ছিল ঝাউবন। এখন অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পাড় ভেঙে যাচ্ছে এবং ঝাউবন হারিয়ে যাচ্ছে চোখের সামনে।” এছাড়া সৈকতের পাশে নির্মাণাধীন ৩৬০ মেগাওয়াটের তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বালু উত্তোলনও পাড় ভাঙনের একটি বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান খান বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।”

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ঝাউবন ও ম্যানগ্রোভ বন উপকূলীয় এলাকার জীবন ও সম্পদ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বন ও সৈকতের ধ্বংস হলে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রভাব অনেক বেশি বেড়ে যাবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




আমতলীতে ইউএনও’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারে রাজনৈতিক দলের মানববন্ধন

বরগুনার আমতলী উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. রোকনুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ মানববন্ধন করেছেন। মানববন্ধনটি বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আমতলী উপজেলা চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি একটি মহলের সহযোগিতায় ইউএনও’র বিরুদ্ধে “আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন” শিরোনামের সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইউএনও কখনো আমতলীতে আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। তারা দাবি করেন, কুচক্রি মহল ইউএনও’র যোগদানের এক সপ্তাহ পূর্বের ছবি ব্যবহার করে ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেছে।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ইউএনও ৬ এপ্রিল তার মাকে ঢাকার পথে পাঠানোর সময় একটি হোটেলে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে চায়ের জন্য বসেছিলেন। সেখানে স্থানীয় একজন ব্যক্তি কুশল বিনিময় করতে আসেন এবং ছবি তোলা হয়। পরে স্বার্থান্বেষী মহল এটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে। এ ছাড়াও ঝালকাঠিতে কর্মরত একজন সরকারি কর্মকর্তার পারিবারিক ছবিও বিকৃতভাবে ব্যবহার করে বিতর্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন:

  • শহিদুল ইসলাম মিরাজ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, আমতলী উপজেলা শাখা সদস্য সচিব ও আহবায়ক
  • জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি
  • ফিরোজ খান তাপস, যুবদল নেতা ও আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
  • ইসা সাইদি, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের যুব আন্দোলন, আমতলী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক
  • শামসুল হক, উপজেলা যুবদল যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক কাউন্সিলার
  • জালাল আহম্মেদ খান, পৌর বিএনপি সদস্য সচিব
  • তুহিন মৃধা, উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব

ইউএনও মো. রোকনুজ্জামান খান জানান, “কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পারিবারিক ভ্রমনের সময় একটি সরকারি কর্মকর্তার পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলাম। সংবাদে যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমতলী উপজেলা প্রশাসনকে বিব্রত করার উদ্দেশ্য প্রণোদিত এই সংবাদ প্রচার হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, তিনি ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিকে চেনেন না এবং কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সাক্ষাৎ করেননি। তিনি এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




৪০ বছরেও আধুনিক শিক্ষার ছোঁয়া পায়নি নলবুনিয়া মহব্বত আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ

ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে এসেও আধুনিক শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নলবুনিয়া মহব্বত আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি চার দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কিংবা উন্নত অবকাঠামোর ছোঁয়া পায়নি।

নলছিটি উপজেলা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের প্রত্যন্ত গ্রামে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হলেও অবকাঠামোগত সংকট ও প্রযুক্তিগত পশ্চাদপদতার কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে কলেজে রূপান্তরের জন্য আবেদন করে এবং ২০১৫ সালে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনুমতি পায়। এরপর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির নাম হয় “নলবুনিয়া মহব্বত আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ”। কিন্তু এরপরও শিক্ষার পরিবেশে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা এখনো জরাজীর্ণ টিনশেড কক্ষে পাঠ নিচ্ছে। বিদ্যালয়ে নেই কোনো পাকা ভবন, নেই উপযুক্ত টয়লেট বা আধুনিক ল্যাবরেটরি। বৃষ্টির দিনে টিনশেড ছিদ্র দিয়ে পানি পড়ায় শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ভিজে যায়, ফলে ক্লাস কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সারিকা আক্তার বলেন, “ভালো ভবন নেই, রাস্তাও খারাপ। যাতায়াতে কষ্ট হয়। পাকা টয়লেটের অভাবেও আমরা ভোগান্তিতে আছি।”
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিফাত জানায়, “আমাদের যদি একটি ডিজিটাল ল্যাব থাকত, তাহলে কম্পিউটার শেখা সম্ভব হতো। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আমরা অনেক পিছিয়ে।”

অধ্যক্ষ শাহনাজ পারভীন বলেন, “বিদ্যালয়ের স্কুল শাখা এমপিওভুক্ত হলেও কলেজ শাখা এখনো হয়নি। এতে শিক্ষকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আমাদের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও ২৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী আছে। ভবন ও ডিজিটাল ল্যাব না থাকায় শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।”

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানিয়েছেন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় তারা সন্তানদের অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাচ্ছেন। ফলে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটি আজ ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরগুনায় যৌথবাহিনীর তল্লাশি অভিযান, ৪২ হাজার টাকা জরিমানা

বরগুনার আমতলী পৌরসভায় যৌথবাহিনী সড়ক নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় বিভিন্ন যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১১টি মামলায় মোট ৪২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আমতলী উপজেলার সৈকত ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন পটুয়াখালী–কুয়াকাটা মহাসড়কে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন লেফটেন্যান্ট হোসেন মোহাম্মদ বিল্লাল। তার নেতৃত্বে ১০ সদস্যের সেনা দলের পাশাপাশি আমতলী থানা পুলিশের পাঁচ সদস্যের একটি টিম অংশ নেয়।

চেকপোস্ট চলাকালীন সময়ে বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, সিএনজি, মাহিন্দ্রা, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের হেলমেট, কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করা হয়। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হয় এবং নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতন করা হয়।

অভিযানে মোট ৯০টি মোটরসাইকেল, ২৩টি বাস, ১০টি প্রাইভেটকার, ১২টি ট্রাক, ১০টি মাইক্রোবাস, ১৫টি সিএনজি এবং নয়টি মাহিন্দ্রা যাচাই করা হয়।
এর মধ্যে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ১১টি মামলায় জরিমানা করা হয় এবং দুটি মোটরসাইকেল, একটি সিএনজি ও একটি মাহিন্দ্রা জব্দ করা হয়।

লেফটেন্যান্ট হোসেন মোহাম্মদ বিল্লাল বলেন, “চালকদের মধ্যে সড়ক আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও অপরাধ দমনই আমাদের মূল লক্ষ্য। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




চরফ্যাশনে প্রধান সড়ক হকার ও যানবাহনের দখলে, চরম ভোগান্তিতে জনতা

ভোলার চরফ্যাশন পৌর শহরের প্রধান সড়কটি বর্তমানে হকার ও যানবাহনের দখলে পরিণত হয়েছে। সড়কের দুই পাশে অস্থায়ী দোকান, যত্রতত্র পার্কিং ও অনিয়ন্ত্রিত যান চলাচলের কারণে দিনভর তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ, রোগী ও সাধারণ জনগণ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর ২০২৫) সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা পরিষদ মার্কেট থেকে আধুনিক হাসপাতাল পর্যন্ত রাস্তাজুড়ে অবৈধভাবে পার্ক করা হয়েছে অটোরিকশা ও সিএনজি। ফুটপাত তো বটেই, রাস্তায়ও বসানো হয়েছে অস্থায়ী দোকানপাট। কেউ ফল বিক্রি করছে, কেউ চা বা খাবারের দোকান বসিয়েছে। ফলে যানবাহনের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

হকাররা জানান, তারা নিম্ন আয়ের মানুষ। নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় জীবিকার তাগিদে তারা বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে ব্যবসা করছেন। তাদের দাবি, পৌরসভা যেন একটি নির্দিষ্ট হকার জোন তৈরি করে দেয়, যাতে তারা সড়কের জায়গা দখল না করে ব্যবসা চালাতে পারেন।

অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, যানজটের কারণে প্রতিদিন কর্মজীবী মানুষ সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারেন না, শিক্ষার্থীরাও স্কুলে দেরি করে পৌঁছায়। সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছে রোগীরা। হাসপাতালগামী অ্যাম্বুলেন্স বা প্রাইভেট গাড়ি দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকায় অনেক সময় রোগীর অবস্থা গুরুতর হয়ে যায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আবু সিদ্দিক বলেন, “হকারদের কারণে দোকানের সামনের জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে। এতে ক্রেতারা দোকানে ঢুকতে পারে না, ব্যবসায় ক্ষতি হচ্ছে।”

অটোরিকশা চালক ইব্রাহিম জানান, “আমাদের জন্য নির্ধারিত পার্কিং স্পট থাকলেও যাত্রী না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে বাজারের মধ্যে গাড়ি পার্ক করি।”

পৌর কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসন ইতোপূর্বে যানজট নিরসনে অভিযান পরিচালনা করলেও বর্তমানে তা থেমে গেছে। নির্ধারিত স্থানে যানবাহন পার্ক না করা এবং হকারদের পুনরায় সড়ক দখল করায় পরিস্থিতি আবারও সংকটজনক হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক রাসনা শারমিন মিথি বলেন, “প্রধান সড়কের দুই পাশ হকার ও যানবাহনের দখলে রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। যানজট নিরসনে আবারও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, হকার ও যানবাহনের জন্য নির্ধারিত স্থানে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে শহরের যানজট অনেকাংশে কমে যাবে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ভোলায় ৯০ বছরের মায়ের আশ্রয় এখন গোয়াল ঘরে

ভোলার চরফ্যাশনের এক বৃদ্ধা মায়ের জীবন এখন দুঃখের প্রতীক। বয়স ৯০ বছর, নাম ফজলেতুন নেসা। এক সময় ছিলেন সংসারের আলো, এখন আশ্রয় নিয়েছেন গরু রাখার গোয়াল ঘরে। তিন ছেলে ও দুই মেয়ে থাকা সত্ত্বেও জীবনের শেষ প্রান্তে এসে সন্তানদের ঘরে তার ঠাঁই হয়নি।

ঘটনাটি ঘটেছে চরফ্যাশন উপজেলার শশিভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসতলা গ্রামে। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে স্বামী খলিল মোকাম্মেলের মৃত্যুর পর নিজের নামে থাকা প্রায় তিন শতাংশ জমি তিন ছেলের নামে দলিল করে দেন ফজলেতুন নেসা। কিন্তু সেই দলিলের পর থেকেই শুরু হয় তার দুর্ভোগের জীবন। একে একে ছেলেদের ঘর থেকে বিতাড়িত হয়ে শেষ পর্যন্ত আশ্রয় নিয়েছেন একটি গোয়াল ঘরে।

প্রতিবেশীরা জানান, এখন ফজলেতুন নেসা হাঁটাচলাও করতে পারেন না। দিনের বেলায় রোদে পুড়েন, রাতে ঠাণ্ডায় কাঁপেন। অথচ পাশের ঘরেই তার তিন ছেলে ও দুই মেয়ে আরাম-আয়েশে জীবন কাটাচ্ছেন। গ্রামের যুবক আরিফ বলেন, “আমরা বারবার ছেলেদের বলেছি মাকে অন্তত একটু জায়গা দিতে, কিন্তু কেউই রাজি হয়নি। এখন গ্রামের মানুষই তাকে মাঝে মাঝে খাবার দিয়ে সাহায্য করে।”

এওয়াজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু ফয়েজ জানান,“এভাবে কোনো মা যদি নিজের সন্তানদের ঘরে ঠাঁই না পান, তাহলে সমাজে মানবিকতা কোথায় টিকবে? আমরা বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি, প্রয়োজনে সমাজসেবা অফিসেও জানানো হবে।”

বর্তমানে গোয়াল ঘরের এক কোণে পুরোনো কাপড় দিয়ে ঘেরা জায়গায় দিন কাটছে ফজলেতুন নেসার। মাথার ওপর ফুটো টিন, নিচে ভেজা মাটি। জীবনের এই কঠিন সময়েও তিনি কারও প্রতি অভিযোগ না করে চুপচাপ সহ্য করছেন সব কিছু।

স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, যেন এই অসহায় মায়ের জন্য একটি মানবিক আশ্রয় ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৮৩ পদে নিয়োগ

সরকারি চাকরির প্রত্যাশীদের জন্য সুখবর। বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও এর অধীন উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের কার্যালয়সহ বরিশাল সার্কিট হাউসে ৮৩টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। সব পদই ২০তম গ্রেডভুক্ত। আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ৩০ অক্টোবর এবং চলবে ২৯ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।

প্রার্থীদের শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করতে হবে। ডাকযোগে বা সরাসরি জমা দেওয়া আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পদ ও যোগ্যতা:
১️⃣ অফিস সহায়ক: পদসংখ্যা ৩৩টি।
👉 যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস।

২️⃣ নিরাপত্তা প্রহরী: পদসংখ্যা ২৬টি।
👉 যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস এবং শারীরিকভাবে সুস্থ।

৩️⃣ পরিচ্ছন্নতা কর্মী: পদসংখ্যা ১৬টি।
👉 যোগ্যতা: জেএসসি বা সমমান পাস। এই পদের ৮০% কোটা জাত হরিজন প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

৪️⃣ মালি: পদসংখ্যা ১টি।
👉 যোগ্যতা: জেএসসি বা সমমান পাস।

৫️⃣ বেয়ারা (সার্কিট হাউস): পদসংখ্যা ৩টি।
👉 যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস।

৬️⃣ বাবুর্চি (সার্কিট হাউস): পদসংখ্যা ১টি।
👉 যোগ্যতা: জেএসসি বা সমমান পাস এবং রান্নায় অন্তত ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

৭️⃣ নিরাপত্তা প্রহরী (সার্কিট হাউস): পদসংখ্যা ৩টি।
👉 যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে।

বয়সসীমা:
১৮ থেকে ৩২ বছর পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

বেতনস্কেল:
সকল পদে বেতন ৮,২৫০–২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)।

আবেদনের নিয়ম:
আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন। আবেদন ফি ৫০ টাকা এবং টেলিটক সার্ভিস চার্জসহ মোট ৫৬ টাকা আবেদন জমার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

সময়সীমা:
🟢 আবেদন শুরু: ৩০ অক্টোবর ২০২৫ সকাল ১০টা
🔴 আবেদন শেষ: ২৯ নভেম্বর ২০২৫ বিকেল ৫টা

এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বরিশাল অঞ্চলের তরুণদের জন্য সরকারি চাকরির একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালের ঐতিহ্যবাহী বিবির পুকুর ঘিরে বিতর্ক

বরিশাল নগরীর হৃদয়ে অবস্থিত শতবর্ষী ঐতিহ্যের জলাশয় ‘বিবির পুকুর’। একসময় শহরের প্রাণবায়ু হিসেবে পরিচিত এই পুকুরটি এখন নানা কারণে হারিয়েছে আগের সৌন্দর্য। নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে পুকুরে ফোয়ারা স্থাপনের কাজ চলছে। তবে এর দক্ষিণ পাশে লোহার গ্রিল ও নেট বসানোয় শহরজুড়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর ২০২৫) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বিবির পুকুরের চারপাশে নেট দিয়ে ঘেরার প্রস্তুতি চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই গ্রিল-নেট স্থাপন পুকুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও খোলা আকাশের দৃশ্যকে বন্দি করে ফেলবে। শহরের নাগরিকরা আশঙ্কা করছেন, এটি বরিশালের ঐতিহ্যের ওপর এক নতুন আঘাত।

তাদের দাবি, আগেও বেলস পার্ক লেক ঘিরে দেওয়ার উদ্যোগের বিরোধিতা করে নাগরিকরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ করেছিলেন। সংবাদ প্রকাশের পর সেই কাজ স্থগিত হয়েছিল। এবার বিবির পুকুর ঘিরে যেন আবারও সেই পুরোনো বিতর্ক ফিরে এসেছে।

ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই পুকুরটি ১৯০৮ সালে জিন্নাত বিবি নামে এক মুসলিম নারী খনন করেছিলেন, যাকে খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক উইলিয়াম কেরি পর্তুগিজ দস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার করেছিলেন। মানুষের কল্যাণে নিজের জমিতে পুকুর খনন করে তিনি শহরবাসীর পানির চাহিদা মেটাতেন। তার নামেই জলাশয়টির নামকরণ হয় ‘বিবির পুকুর’।

প্রায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৮৫০ ফুট প্রস্থের এই জলাশয়টি একসময় কীর্তনখোলা নদীর সঙ্গে খালযোগে সংযুক্ত ছিল। সময়ের সঙ্গে সেই খাল হারিয়ে গেছে, এখন পুকুরটি বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় কবি ও ইতিহাসবিদ হেনরি স্বপন বলেন,“বিবির পুকুর একসময় শহরের গর্ব ছিল। এখন এটি অবহেলা আর দখলের শিকার। যে শহর নিজের জলাশয়কে রক্ষা করতে পারে না, সে তার ঐতিহ্যও টিকিয়ে রাখতে পারে না।”

বরিশাল সিটি করপোরেশনের বাজার কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন,“কিছু ব্যক্তি অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে ভাড়া তুলছিলেন, তাই উচ্ছেদ করা হয়েছে। বৈধ ব্যবসায়ীদের জন্য প্রতিদিন ৫০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী জানান,“ফোয়ারার কাজ প্রায় শেষ। এটি চালু হলে বিবির পুকুর তার পুরনো সৌন্দর্য ফিরে পাবে। পুকুরে ময়লা না পড়তে পারে, এজন্যই গ্রিল ও নেট বসানো হচ্ছে।”

স্থানীয়দের দাবি, ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রাখার পদক্ষেপ নেওয়াই এখন সময়ের দাবি।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালের লাল শাপলার বিল: প্রকৃতির নয়নাভিরাম সৌন্দর্য

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়ন ও আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জলাভূমি এখন পর্যটকদের কাছে এক নয়নাভিরাম গন্তব্যস্থল হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়রা যাকে ‘লাল শাপলার বিল’ নামে চেনেন, সেখানে প্রতিবছর জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত হাজার হাজার লাল শাপলা ফুল ফুটে দর্শনার্থীদের মন মোহিত করে।

প্রায় ১০ হাজার একর বিস্তীর্ণ এই জলাভূমি দূর থেকে যেন সবুজ পাতার উপর লাল-গোলাপি রঙের চাদরের ভাসমান সমারোহ। ছোট ছোট নৌকা নিয়ে পর্যটকরা বিলের মাঝ দিয়ে ঘুরে বেড়ান, ছবি ও সেলফিতে মুহূর্তগুলো ধরে রাখেন। ভোরের আলোতে বিলের সৌন্দর্য আরও উজ্জ্বল হয়, আর বিভিন্ন পাখির কূজন পরিবেশকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত।

সাতলার বিলে পর্যটকদের পদচারণা প্রায় এক দশক ধরে চলছে। বিলের জলে ভাসতে থাকা শাপলা দেখতে বিশেষ করে ভোর এবং সূর্যোদয়ের সময় পর্যটকেরা ভিড় করেন। এই বিল ঘিরে স্থানীয়রা নৌকা ও আবাসনের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি করেছেন।

তবে পর্যটকরা নৌকা ভাড়ার অতিরিক্ত মূল্য নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। আগে ২০০-৩০০ টাকায় নৌকা ভাড়া নেওয়া হতো, এখন ৫০০ থেকে হাজার টাকার মধ্যে। অন্যদিকে নৌকা চালকেরা বলছেন, এটি তাদের জীবিকার অন্যতম উৎস, বিশেষ করে ক্ষেত-খামারে কাজ না থাকায়।

উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো আলী সুজা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শাপলার বিলের সৌন্দর্য ধরে রাখতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্রামাগার এবং ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। বরিশালের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনও জানিয়েছেন, বিলের নিরাপদ ও সহজ প্রবেশসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

লাল শাপলার বিল শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই নয়, বরং স্থানীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পর্যটকদের নিরাপদ ও সুন্দর অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পদক্ষেপ ও স্থানীয় সচেতনতা দুটির সমন্বয় প্রয়োজন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২5




গৌরনদী-আগৈলঝাড়ার মানুষের জন্য স্বপনের অমলীন নেতৃত্ব

গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার মানুষের নেতৃত্ব ও স্বপ্নের প্রতীক এম জহির উদ্দিন স্বপন দীর্ঘদিন ধরে তার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক দায়িত্বের মাধ্যমে এলাকার মানুষকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তিনি বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের আহবায়ক।

সদর উপজেলার শরিকল গ্রামে জন্মগ্রহণ করা স্বপন ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে বরিশাল-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পুনরায় একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপির মিডিয়া সেল, কমিউনিকেশন সেল এবং বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনআরসি)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে থাকা স্বপন দলের নির্দেশনা অনুসারে তার নির্বাচনী এলাকা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার নেতা কর্মীদের সুসংগঠিত রাখতে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

স্বপন বলেন, “ঐতিহাসিক ৫ আগস্টের ঘটনাসহ স্বাধীন বাংলাদেশে কোন ফ্যাসিবাদী কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য হবে না। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে হামলা চালিয়ে যারা সাধারণ মানুষ ও আন্দোলনকারীদের হত্যা করেছে, তাদের সর্বোচ্চ বিচারের আওতায় আনা হবে।” তিনি আরও জানান, “জাতির মুক্তির জন্য প্রয়োজন পলাতক হাসিনা ও সকল হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মাধ্যমে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।”

এছাড়া তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশের সংস্কারের ৩১ দফা দাবির কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য দলের সকল নেতা-কর্মীদের সতর্ক ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫