সুশাসন জাতির অগ্রগতির মূলভিত্তি, বিলাসিতা নয়: মাসুদ সাঈদী

পিরোজপুর-১ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী ও সাবেক ইন্দুরকানী (জিয়ানগর) উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেছেন, স্বাধীনতার পর থেকে দেশের শাসন ব্যবস্থা সৎ ও যোগ্যভাবে পরিচালিত হয়নি। তিনি বলেন, গত ৫৬ বছরে যারা ক্ষমতায় ছিলেন, তারা শাসনের নামে অপশাসন, উন্নয়নের নামে দুর্নীতি এবং গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছেন।

রবিবার সকালে নাজিরপুর উপজেলার ২নং মালিখালি ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন ফকিরের সভাপতিত্বে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “সুশাসন কোনো বিলাসিতা নয়; এটি জাতির অগ্রগতির মূলভিত্তি। দেশের মানুষের জন্য ন্যায়, জবাবদিহিতা ও সততা নিশ্চিত করতে হলে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন।”

মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, “ক্ষমতার লোভে নয়, বরং দেশের কল্যাণে কাজ করার নেতৃত্ব স্থাপন করতে হবে। এমন নেতৃত্বই জনগণের সুখ-দুঃখের অংশীদার হবে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়বিচারমুখী ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নির্বাচন।”

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর পিরোজপুর জেলা সেক্রেটারী মোঃ জহিরুল হক। এছাড়া নাজিরপুর উপজেলা ও মালিখালি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জামায়াত ও ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পিরোজপুরে কিশোর গ্যাং ও ইভ টিজিং নির্মূলে ছাত্রদলের অভিযান

পিরোজপুর জেলা ছাত্রদল কিশোর গ্যাং নির্মূল ও কিশোরদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। রবিবার সকালে শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযান চলাকালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ের বাইরে আড্ডায় থাকা শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে দেন এবং কিশোর গ্যাংয়ে জড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য পরামর্শ দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন সহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তারা বিদ্যালয় পরিদর্শন করে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা করেন।

সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার বলেন, “কিশোর গ্যাং দেশের জন্য বড় সমস্যা। আজকের কিশোররাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের যদি সঠিক পথে রাখা না যায়, দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা আমাদের সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে এই অভিযান চালাচ্ছি এবং এটি চলমান থাকবে। কেউ যদি শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষার আগে রাজনৈতিক কার্যক্রমে জড়াতে উৎসাহ দেয়, তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।”

পিরোজপুরের পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ আবু নাসের ছাত্রদলের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, “কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে জেলা ছাত্রদলের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে সমন্বিতভাবে অভিযান চালাচ্ছি এবং তা আরও জোরদার করা হবে।”

এদিকে জেলা ছাত্রদলের এই উদ্যোগে স্থানীয় শিক্ষক, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, “এ ধরনের সামাজিক দায়িত্বশীল উদ্যোগ কিশোর সমাজকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করবে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরগুনার তিন নদীর ভাঙনে লাখাধিক মানুষ বিপর্যস্ত

বরগুনার পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদী তীরের ভয়াবহ ভাঙনের কারণে উপকূলজুড়ে নীরব বিপর্যয় নেমে এসেছে। প্রতিদিন নদীর ঢেউয়ে বিলীন হচ্ছে ঘর-বাড়ি, স্কুল, বাজার, কৃষিজমি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। নদীভাঙনের আতঙ্কে লক্ষাধিক মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

গত কয়েক বছরে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বাঁধ নির্মাণ করলেও নদীর তীব্র স্রোত ও ভৌগোলিক পরিবর্তনের কারণে বাঁধগুলো টেকসই হচ্ছে না। বাঁধের লাইন তিনবার পরিবর্তন হলেও নদীর আগ্রাসী ভাঙন থামানো সম্ভব হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাঙনের প্রধান কারণ হলো বর্ষাকালে পানি চাপ বৃদ্ধি, অবৈধ দখল, বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি, ইটভাটা ও চর দখল, জলবায়ু পরিবর্তন, সাগরপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ঘূর্ণিঝড়ের ঘনঘন প্রভাব।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হলো পায়রা ও বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী বরগুনা সদরের বালিয়াতলী, তেঁতুলবাড়িয়া, বুড়িরচর, গোলবুনিয়া, রায়ের তবক, নলটোনা, আজগরকাঠি, ডালভাঙ্গা, নদী বন্দর, পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা, জিনতলা, রুহিতা, কাকচিড়া, বামনা উপজেলার রামনা, বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ি, কালিকাবাড়ী, হোসনাবাদ, মোকামিয়া, আমতলী উপজেলার বালিয়াতলী, গুলিশাখালী, পচাকোড়ালিয়া, আরপাঙ্গাশিয়া, যোপখালী, তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া, চরপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা।

বরগুনা সদর উপজেলার ১০নং নলটোনা ইউনিয়নের নলটোনা গ্রাম ইতোমধ্যেই বিষখালী নদীর আগ্রাসনে বিপর্যস্ত। ফসলি জমি, বসতবাড়ি, বিদ্যালয় এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকে বসতভিটা হারিয়ে এলাকা ত্যাগ করেছেন।

স্থানীয় চাষি ও বাসিন্দারা জানিয়েছেন, নদী ভাঙন প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সেলিম শাহনেওয়াজ বলেন, “পাউবো বরাবর হাতজোড় করে অনুরোধ করেছি, কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা নেই।” তালতলীর মিশনবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল জব্বার হাওলাদার বলেন, “গত বছর বীজ রোপণ করেছি, আজ সেখানে নদীর ঢেউ খেলছে। গৃহহীন হাজারো মানুষ, কৃষিজমি নদীতে বিলীন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস।”

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৮৫০ কিলোমিটার বাঁধের মধ্যে ৫০০ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত, সংস্কার হচ্ছে মাত্র ৩০০ কিলোমিটারে। বাকি ২০০ কিলোমিটার ঝুঁকির মুখে। অমাবস্যা-পূর্ণিমার সময় জোয়ারের পানি প্রবেশ করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে কাজ চলছে এবং স্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দের অপেক্ষায় আছি। তবে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, “কাগজে প্রকল্প আছে, বাস্তবে কার্যকর ব্যবস্থা নেই।”

স্থানীয়দের দাবি, উপকূল রক্ষায় টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন, দখলমুক্ত নদী প্রবাহ এবং কার্যকর বাঁধ নির্মাণ অত্যাবশ্যক। যদি এখনই পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, বরগুনার বহু জনপদ ভবিষ্যতে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরগুনায় পানের ভালো ফলন, কিন্তু দাম কমে হতাশ চাষিরা

চলতি মৌসুমে ভালো ফলন হলেও বরগুনার পান চাষিরা ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশার মুখে পড়েছেন। উৎপাদন খরচের তুলনায় বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ চরমভাবে কম হওয়ায় চাষিরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বরগুনার ছয় উপজেলায় ৪১১ হেক্টর জমিতে পানের চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে ফলনও বাম্পার হয়েছে। তবে বাজারে অস্বাভাবিকভাবে কম দাম এবং সার, কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধির কারণে চাষিরা লোকসানে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

গত বছর ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ১৮৪ হেক্টর বরজ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। এতে ৭৩৬ টন পান উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। চাষিরা অভিযোগ করেছেন, ধারদেনা করে আবাদ করা হলেও এখন তাদের ঋণকভার করা কঠিন হয়ে গেছে। অনেক চাষি আশঙ্কা করছেন, যদি দাম না বাড়ে, আগামী মৌসুমে অনেকে পান চাষ ত্যাগ করতে বাধ্য হবেন।

বরগুনা সদরের হেউলিবুনিয়া গ্রামের চাষিরা জানান, বরজে পাটকাঠির সাথে ঝুলে থাকা চিরসবুজ পানও এখন তাদের আনন্দের কারণ নয়। কম দাম এবং বেড়ে যাওয়া কৃষি খরচে শ্রমিক নিয়োগও সম্ভব হচ্ছে না। হরেন সাধু নামের ষাটোর্ধ্ব এক চাষি বলেন, “এই ব্যবসা আমাদের পরিবারে বহু প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। কিন্তু ন্যায্য দাম না থাকায় এখন ঋণ নিয়ে বাঁচছি।”

কুমড়াখালী এলাকার চাষি মেহেদী হাসান বলেন, “আমরা আধুনিকভাবে পানের চাষ করছি, কিন্তু উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম মিলছে না। কৃষি অধিদপ্তর জানিয়েছে মানসম্মত পান উৎপাদন হলে বিদেশে রপ্তানি সম্ভব, সেই প্রস্তুতি আমরা শুরু করেছি।”

বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রথীন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, এ বছর বরগুনায় ৩,৬০৪টি বরজে পানের আবাদ হয়েছে। চাষিদের আধুনিক পদ্ধতিতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং উৎপাদিত পান যাতে দেশের বাজারে ন্যায্য মূল্য পায় এবং বিদেশে রপ্তানি করা যায়, সেদিকেও কাজ চলছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রিতে তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুদ ও বিক্রির দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রবিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমি রানী মিত্রের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে দেখা যায়, লায়বা ফার্মেসিমনি মেডিকেল হল নামের দুটি ওষুধের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুদ রাখা হয়েছে এবং বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির দেওয়া ফ্রি স্যাম্পল ওষুধ অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এ কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী দুটি প্রতিষ্ঠানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া একই বাজারে তাহিয়া কসমেটিকস নামের এক দোকানে অনুমোদনহীন ভারতীয় প্রসাধনী, বিশেষ করে “ডিউল” নামের নাইট ক্রিমসহ অবৈধ পণ্য বিক্রির দায়ে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরবর্তীতে অবৈধ প্রসাধনীগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

অভিযানে সহযোগিতা করেন উজিরপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এস. এম. ইলিয়াস উদ্দিন আহমেদ এবং উজিরপুর মডেল থানার এএসআই অন্তর আহমেদ

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরগুনায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধীর ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ

বরগুনার আমতলী উপজেলায় এক প্রতিবন্ধীর সরকারি ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক নারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সদস্যের নাম তামান্না বেগম, তিনি গুলিশাখালী ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের সদস্য। অভিযোগ রয়েছে, গত তিন বছর ধরে তিনি ও তার ভাই মিলে প্রতিবন্ধী ভাতা আত্মসাৎ করে আসছেন।

ভুক্তভোগী দুলাল মিয়া, গুলিশাখালী ইউনিয়নের খেকুয়ানী এলাকার মৃত পবন গাজীর ছেলে। তিনি একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। দুলাল মিয়ার প্রতিবন্ধী কার্ড নম্বর ২৪১১৭৬৪৩১৫-৪০৬, এবং তার নিবন্ধিত ভাতা গ্রহণের মোবাইল নম্বর ০১৭৩১৮৭৭৮৪৩

গত ২৯ অক্টোবর (শনিবার) দুলাল মিয়া আমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নম্বর–১২৪৬) করেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, সমাজসেবা কার্যালয় থেকে তিন বছর আগে প্রতিবন্ধী ভাতার পরিচয়পত্র পাওয়ার পরও তার মোবাইল নম্বরে কখনো ভাতার টাকা আসেনি। পরে তিনি জানতে পারেন, তার নামে বরাদ্দ টাকা উত্তোলন হচ্ছে অন্য একটি মোবাইল নম্বর (০১৭৩৫০১৯০৬৯) থেকে।

দুলাল মিয়ার শ্বশুর জালাল ফরাজি বলেন, “তিন বছর আগে আমার জামাই প্রতিবন্ধী কার্ড পায়। কিন্তু পরে জানতে পারি, তার নামের ভাতা তামান্না বেগমের ভাই কামালের মোবাইলে যেত। তিন বছরে তারা প্রায় ২৬ হাজার ৪০০ টাকা তুলেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “মেম্বারকে জিজ্ঞেস করলে তামান্না বলেন, ‘টাকা আইলে পাবা, আমি তোদের টাকা মেরে খাই না।’ এরপর অসুস্থ হয়ে পড়ায় বিষয়টি আর এগোয়নি।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার তামান্না বেগমের মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে অন্য একজন ফোন ধরলেও সাংবাদিক পরিচয় জানার পর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

জিডিতে উল্লেখিত নম্বরে ফোন করলে ট্রুকলারে দেখা যায়, নম্বরটি শাহাবুল নামে নিবন্ধিত, যার বাবার নাম রুস্তম হাওলাদার এবং ঠিকানা নাজিরহাট, বাউফল। তিনি নিজেকে শ্রমিক বলে পরিচয় দেন, তবে কথাবার্তায় জড়তা দেখা যায় এবং কিছুক্ষণ পর ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

আমতলী উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মঞ্জুরুল কাওসার বলেন, “বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রোকুনুজ্জামান খান বলেন, “অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ভোলার তারুয়া সমুদ্রসৈকত

বঙ্গোপসাগরের বুকে বিস্তৃত ঢালচর ইউনিয়নের তারুয়া সমুদ্রসৈকত এখন ভোলার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঝাউবন, ম্যানগ্রোভ বন, লাল কাঁকড়া ও পরিযায়ী পাখির কলকাকলিতে মুখর এই সৈকত প্রতি বছর শীত মৌসুমে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

চরফ্যাশন উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ঢালচরে অবস্থিত তারুয়া সৈকতে নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের আনাগোনা থাকে সবচেয়ে বেশি। ঈদ কিংবা ছুটির মৌসুমে সাগরের ঢেউয়ের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে হাজারো মানুষ ছুটে আসেন এখানে।

ঢালচরের মাঝের চর বাজারের ব্যবসায়ী মো. শাহে আলম ফরাজী জানান, “প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক তারুয়া সৈকতে আসেন। লাল কাঁকড়া, ঝাউবন আর সাগরের ঢেউ পর্যটকদের বিমোহিত করে। এই সময়টাতেই হোটেল-রেস্টুরেন্টে বিক্রি সবচেয়ে বেশি হয়।”

পর্যটকদের জন্য স্থানীয়ভাবে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট ও ট্রলারে ঘোরার ব্যবস্থা রয়েছে। ঢালচরের সেভেন স্টার হোটেল ও রেস্টুরেন্টে থাকা-খাওয়ার জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা আছে। হোটেলটির মালিক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মাতাব্বর বলেন, “শীত মৌসুম সামনে রেখে হোটেলটি নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। পর্যটকদের জন্য আমরা সিঙ্গেল ও ডাবল রুম ছাড়াও তাঁবু টানিয়ে থাকার ব্যবস্থা রেখেছি।”

মোটরসাইকেল চালক নুরউদ্দিন ও সেলিম জানান, “শীত মৌসুমে পর্যটক বাড়লে আমাদের আয়ও বেড়ে যায় ২০–২৫ গুণ পর্যন্ত। তবে ঢালচরের সড়ক সংস্কার প্রয়োজন, না হলে চলাচলে কিছুটা কষ্ট হয়।”

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসনা শারমিন মিথি বলেন, “তারুয়া সৈকত ভোলার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। সৈকতের সৌন্দর্য রক্ষায় ৫০ হাজার ঝাউ গাছ লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি পর্যটকদের বসার জন্য ২১টি বেঞ্চ স্থাপন করা হয়েছে। আরও কিছু উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে।”

সমুদ্রসৈকতে যা দেখবেন:

  • নীল ঢেউয়ের নাচ, হিমেল বাতাস ও সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য
  • ঝাউবন, ম্যানগ্রোভ বন ও পোড়া বনের রহস্যময় সৌন্দর্য
  • অসংখ্য লাল কাঁকড়া, হরিণ ও পরিযায়ী পাখির সমারোহ
  • জেলেদের ইলিশ ধরার দৃশ্য

যেভাবে যাবেন:
ঢাকার সদরঘাট থেকে ভোলার ইলিশা বা চরফ্যাশনের বেতুয়া লঞ্চে পৌঁছাতে হবে। ইলিশা থেকে সিএনজিতে ভোলা বাসস্ট্যান্ড, সেখান থেকে লোকাল বাস বা সিএনজিতে চরফ্যাশন। চরফ্যাশন থেকে দক্ষিণ আইচা বাজারে গিয়ে অটোরিকশা বা মোটরসাইকেলে চর কচ্ছপিয়া ঘাট। এরপর ট্রলার, স্পিডবোট বা লঞ্চে ঢালচর পৌঁছে মোটরসাইকেলে মাত্র ৪০ টাকায় তারুয়া সৈকতে যাওয়া যায়।

থাকা-খাওয়া:
সেভেন স্টার হোটেলে সিঙ্গেল রুম ৫০০ টাকা, ডাবল রুম ১,০০০ টাকা। সিঙ্গেল তাঁবু ৫০০ টাকা ও পারিবারিক তাঁবু ১,০০০ টাকা। আনন্দ বাজার ও মাঝের চর বাজারের রেস্টুরেন্টগুলোয় তাজা মাছসহ নানা খাবার পাওয়া যায়।

তারুয়া সৈকত তার স্বচ্ছ নীল জলরাশি, সাদা বালুকাবেলা ও প্রকৃতির নিসর্গে হারিয়ে যাওয়ার এক অনন্য স্থান—যা প্রতিটি ভ্রমণপিপাসুর মনে ছুঁয়ে যায়।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




আধুনিক রূপে ভোলার গজনবী স্টেডিয়াম, ক্রীড়াপ্রেমীদের মুখে হাসি

দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপজেলা ভোলার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন ইতিহাস লিখছে গজনবী স্টেডিয়াম। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যে সজ্জিত হয়ে এটি এখন ভোলার ক্রীড়াপ্রেমীদের প্রাণের ঠিকানা হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় এই স্টেডিয়াম যেন নতুন রূপে ফিরে এসেছে।

১৯৬২ সালে প্রস্তাবিত এবং ১৯৯২-৯৩ সালে নির্মিত এই স্টেডিয়ামটির নামকরণ করা হয় ভোলার প্রখ্যাত ফুটবলার এস. এম. গজনবীর নামে। বহুদিন ধরে ভোলার ক্রীড়া সংস্কৃতির প্রতীক এই মাঠে একসময় নিয়মিত অনুষ্ঠিত হতো কাবাডি, ভলিবল, হ্যান্ডবলসহ নানা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজ।

সরকারি ‘ভোলা গজনবী স্টেডিয়ামের আধুনিকীকরণ, ইনডোর স্টেডিয়াম ও সুইমিং পুল নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুনভাবে নির্মিত হয়েছে এই অবকাঠামো। ১৬ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন গ্যালারি, ৩০০ জনের ভিআইপি আসন, আধুনিক অফিস কক্ষ, ড্রেসিং রুম, খেলোয়াড়দের আবাসন, ডাইনিং ও কনফারেন্স রুমসহ এতে যুক্ত হয়েছে সর্বাধুনিক সুবিধা।

এছাড়াও নির্মিত হয়েছে নেট প্র্যাকটিস এরিয়া, বাস্কেটবল কোর্ট, ইনডোর স্টেডিয়াম ও ১২টি প্রশস্ত গেট। চারপাশের সৌন্দর্যবর্ধন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে এটি এখন ভোলাবাসীর গর্বের প্রতীক।

স্টেডিয়ামের আধুনিক রূপে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় খেলোয়াড়রা। নিয়মিত অনুশীলনরত ক্রিকেটার সিয়াম, সাদী ও তালহা বলেন, “এখন আমাদের প্র্যাকটিসের জন্য উন্নত সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষকরাও এখানে অনায়াসে কোচিং দিতে পারবেন।”

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইয়ারুল আলম লিটন বলেন, “স্টেডিয়ামটির আধুনিকায়নের ফলে দক্ষিণাঞ্চলের খেলোয়াড়রা এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে জাতীয় লিগ আয়োজন করতে পারবেন। ভোলার ক্রীড়াঙ্গন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।”

ভোলা জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে মাঠের অভাবে ফুটবল খেলাগুলো বন্ধ ছিল। এখন সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে আবারও ফুটবলে প্রাণ ফিরবে।”

ভোলা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. সাফায়েত হোসাইন জানান, “এই আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এর মাধ্যমে ভোলার ক্রীড়াঙ্গন আবারও প্রাণ ফিরে পাবে, যা তরুণ প্রজন্মের বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে।”

গজনবী স্টেডিয়াম এখন শুধু ভোলার নয়—বরং দক্ষিণাঞ্চলের ক্রীড়াঙ্গনের এক নতুন আলোকবর্তিকা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২5




“এই বয়সে চাকরি কই পাব?”বরিশালে অপসো স্যালাইন কারখানা বন্ধে শ্রমিকদের কান্না

বরিশালের বগুড়া রোডে অবস্থিত অপসো স্যালাইন ফার্মাসিউটিক্যালস হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন শত শত শ্রমিক। শনিবার বিকেল থেকে রোববার রাত পর্যন্ত শ্রমিকরা কারখানার ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার ও পুনরায় কারখানা চালুর দাবি জানান।

প্রায় ৫৮০ জন শ্রমিক কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই ছাঁটাইয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ শ্রমিকদের। তাদের একজন, হেনরি বিশ্বাস (৪৭)—তিন সন্তানের জনক এবং প্রায় দেড় যুগ ধরে এই কারখানায় কাজ করছিলেন। তিনি বলেন, “কোনো দোষ ছাড়া চাকরি কইরা দিল। একসাথে এত মানুষ বেকার হইয়া গেল। এই বয়সে নতুন চাকরি কই পাব? বাচ্চাগো খাওয়ামু কেমনে?”

শ্রমিকদের দাবি, গত ২৭ অক্টোবর তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়, কিন্তু ছুটি শেষে ডাকযোগে তাদের হাতে পৌঁছে যায় ছাঁটাইপত্র। এরপর থেকেই তারা কর্মস্থলে প্রবেশ করতে পারছেন না।

কারখানার ফটকের সামনে বিক্ষোভে শ্রমিকরা বলেন, এই ছাঁটাইয়ের পেছনে কারণ হলো ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের উদ্যোগ। তারা অভিযোগ করেন, ইউনিয়নের কথাই বলায় মালিকপক্ষ অসন্তুষ্ট হয়ে হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শ্রমিক রাবেয়া খাতুন, চোখে অশ্রু নিয়ে বলেন, “আমরা তো দোষ করি নাই। শুধু ইউনিয়ন চাইছিলাম, যাতে আমাদের অধিকার থাকে। এখন পেটে ভাত নাই, মনে ভয়।”

একজন কারখানা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়েছে ঢাকার হেড অফিস। তবে হেড অফিস থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

পরে কারখানার মানবসম্পদ কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম দীপু বলেন, “আন্দোলনের কারণে কারখানাটি সাময়িকভাবে লে-আউট ঘোষণা করা হয়েছে। শ্রমিকদের পাওনা যথাসময়ে পরিশোধ করা হবে।”

চল্লিশ বছরের পুরনো এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি বরিশালের অন্যতম বৃহৎ নিয়োগদাতা। হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এলাকার অর্থনৈতিক চক্রেও প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২5




বরিশালে বিএনপির লিফলেট বিতরণে তৃণমূলে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি

আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত “রাষ্ট্র পুনর্গঠনের ৩১ দফা” প্রচারে বরিশাল জেলায় লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বিকেলে বরিশাল সদর উপজেলার সাহেবের হাট এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক হুইপ ও সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার। তিনি বলেন,“তারেক রহমানের ৩১ দফা শুধু রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়, এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রূপরেখা।”

এসময় নেতাকর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের হাতে লিফলেট পৌঁছে দেন এবং আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ নুরুল আমিন, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন, সদস্য সচিব আব্বাস উদ্দিন, এবং বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

নেতারা বলেন, এই প্রচারণার লক্ষ্য হলো—দলীয় নীতি, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তৃণমূল পর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫