বরিশাল-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন

ব্যুরো চীফ, বরিশাল : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দলের দুর্দীনের নেতাকর্মীদের একমাত্র আশ্রয়স্থল ক্লিন ইমেজের নেতা ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহানকে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে দশটায় বরিশাল বিভাগের সবচেয়ে বেশি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা আগৈলঝাড়া উপজেলা সদরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচিতে নির্বাচনী এলাকার বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠনের বৃহত অংশের নেতাকর্মীসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের শত শত নারী ও পুরুষ অংশগ্রহন করেন।

মানববন্ধন চলাকালীন সময় বক্তারা বলেন, বিএনপির ঘোষিত খসরা তালিকায় যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তিনি বিগত ওয়ান ইলেভেনের সময় জিয়াউর রহমানের পরিবার ও দলকে নিয়ে চরম বিষোধগার করেছেন। এছাড়াও তিনি সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময় এ আসনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ওইসময় এ আসনের অসংখ্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষকে জীবন রক্ষা করতে রামশীলে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে। তাকে পূণরায় এ আসনে মনোনয়ন দেয়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ফের আতঙ্ক ছড়িয়ে পরেছে। পাশাপাশি বিগত পতিত সরকারের সময়ে তাকে রাজপথে কোন আন্দোলন সংগ্রামে পাওয়া যায়নি।

অপরদিকে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান দীর্ঘদিন থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে একাধিকবার হামলা, অসংখ্য মামলায় কারাভোগ করেছেন। এছাড়াও কারাভোগ করা দলীয় নেতাকর্মীদের নিজ অর্থে তিনি (সোবহান) জামিনে মুক্ত করিয়েছেন। দলের চরম দুর্দীনে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে এবং এ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়িয়ে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের একমাত্র আশ্রয়স্থল হিসেবে সবার কাছে আস্থা অর্জন করেছেন।

হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী ও পুরুষ নিশ্চিন্তে বাড়ি ঘরে থাকার জন্য অতিদ্রুত বরিশাল-১ আসনে যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তা বাতিল করে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহানকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি করেন।

মানববন্ধন চলাকালীন অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা নবীন সরকারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন-রবীন্দ্রনাথ গাইন, দীলিপ ঘটক, বিধান সরকার, হরিপদ বাড়ৈ, হাসি মধু, শিখা রাণী, প্রমিলা মধুসহ অন্যান্যরা।

এসময় আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির যুগ্ন সম্পাদক ডা. মাহবুবুল ইসলামসহ বিএনপি ও তার সকল সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করা হয়।

কর্মসূচিতে বরিশাল-১ আসনের বিএনপির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।




বিসিসির উচ্চবিলাসী প্রকল্প বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ব্যুরো চীফ, বরিশাল : নাগরিক সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহন না করে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) উচ্চ বিলাসী প্রকল্প বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলার সমন্বয়ক দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু অভিযোগ করে বলেন, বরিশাল সিটি করপোরেশন পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় রিসোর্ট তৈরির লক্ষ্যে ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭.৩২ শতক জমি ক্রয় করেছে।

ইতোমধ্যে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে বায়না দলিল সম্পন্ন করেছে। অথচ আমরা জানি বর্তমানে সিটি করপোরেশনের ৩৮৪ কোটি টাকা দেনা রয়েছে। এরমধ্যে ঠিকাদাররা পাবে তিনশ’ কোটি টাকা, বিদ্যুৎ বিভাগ পাবে ৬৪ কোটি টাকা আর ২০ কোটি টাকা পাবে চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত ও চাকরি হারানো নিন্ম বেতনভুক্ত কর্মচারীরা। বর্তমানে কর্মরতদের মাঝেও রয়েছে বেতন বৈষম্যের অসন্তোষ।

তিনি আরও বলেন-বরিশাল সিটি করপোরেশন নানা সমস্যায় নিমজ্জিত। যারমধ্যে অন্যতম নগরীর বর্জ-ব্যবস্থাপনা, নগর পরিবহনের ব্যবস্থার বেহাল দশা, ড্রেনেজ ও পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থার খারাপ অবস্থা। মশক নিধণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ ব্যবস্থার ভঙ্গুর দশা। বর্জ্য অপসারনে নিযুক্ত কর্মচারীরা সম্পূর্ন অনিরাপদ পরিবেশ পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের জন্য কোনো নিরাপত্তা সরঞ্জামের ব্যবস্থা নেই। যা তাদের ও পরিবারকে ভীষন স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে।

এছাড়াও নগরবাসীর সুপেয় পানির জন্য কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট দুটি এখনো চালু করা যায়নি। একইসাথে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডসহ আরো কিছু এলাকা এখনো সামান্য জোয়ারেই ডুবে যায়। এজন্য নেই কোন পরিকল্পনা। এহেন দশার মধ্যে সিটি করপোরেশনের কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে রিসোর্ট তৈরির মতো বিলাসবহুল প্রকল্প গ্রহণকে আমরা উদ্দেশ্য প্রনোদিত বলে মনে করছি।

দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু আরও বলেন-এ প্রকল্প বাতিলের জন্য মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হলে আদালত গত ১৭ নভেম্বর বিষয়টি আমলে নিয়ে সিটি করপোরেশনের এ প্রকল্পের জন্য জমি ক্রয়ের ওপর আগামি ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছে। তাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিসিসির এ উচ্চবিলাসী প্রকল্প বাতিলের জন্য তিনি জোর দাবি করেন।




সেই ভাইরাল নুপুরকে জেলহাজতে প্রেরণ

ব্যুরো চীফ, বরিশাল: সরকারি অফিসে প্রবেশ করে কৌশলে ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টার সময় আটক হয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া নুপুর আক্তার (৩৫)।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। শারিরিক প্রতিবন্ধী নুপুর আক্তার বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের বাসুদেবপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদ সরদারের মেয়ে।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিয়ে করার দাবি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিলো নুপুর আক্তার।

গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. অলিউল্লাহ জানিয়েছেন-নুপুর আক্তারের বিরুদ্ধে পূর্বে চুরি ও প্রতারনার অভিযোগে রাজধানীর গুলশান থানায় দুইটি এবং যাত্রাবাড়ি থানায় একটি মামলা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের অফিস সহকারি জিএম আব্দুর রব জানিয়েছেন, ১৯ নভেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে তিনি যোহরের নামাজ আদায় করার জন্য মসজিদে যান। এ সুযোগে এক নারী অফিস রুমে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছিলেন।

এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি বিষয়টি দেখে ডাকচিৎকার শুরু করেন। পরবর্তীতে অন্যান্য স্টাফরা এগিয়ে এসে রুমের দরজা ভেঙ্গে ওই নারীকে উদ্ধার করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে নুপুর আক্তার নামের ওই নারীকে থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয়।

গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন-এ ঘটনায় আটক নুপুর আক্তারের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।




ভারত যদি শেখ হাসিনাকে ফেরত না দেয় তাহলে তাদের মন্তব্য গুরুত্বহীন: সারজিস আলম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাতে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে আলোকাখোয়া রাশমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদেন  জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন-

শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ বহু অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। তার বক্তব্য, এসব অপরাধের তুলনায় প্রদত্ত শাস্তি সামান্য হলেও বাংলাদেশের আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির রায় ঘোষণা করা হয়েছে, যা এখন কার্যকরের অপেক্ষায়।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে না দিলে বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারতের মন্তব্য তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই এ রায় কার্যকর হবে।
তার ভাষ্যে, “একজন স্বৈরাচারের শাস্তি কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে এগিয়ে যাবে।”

সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের প্রশংসা করে সারজিস আলম বলেন, জুলাই ঘটনার বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায় ঘোষণা সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পূরণের সূচক। পাশাপাশি জুলাই সনদ, গণভোট ও নোট অব ডিসেন্ট—এসব ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে।

এনসিপির এই নেতা বলেন, এখন লক্ষ্য জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার এগিয়ে নেওয়া।

 

 




ছাত্রদলের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল শিশুদের সাপ্তাহিক স্কুল শুরু

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বাহাদুর শাহ (ভিক্টোরিয়া) পার্কে সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল শিশুদের শিক্ষালয় ‘সাপ্তাহিক স্কুল’ শুরু করেছে ছাত্রদল।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ শিক্ষালয় উদ্বোধন করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত।

জানা যায়, বাহাদুর শাহ পার্কে যেসব সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু থাকে, তাদের প্রাথমিক শিক্ষা এবং মৌলিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ। প্রতি সপ্তাহে শনিবার ও মঙ্গলবার সকাল ৯টায় শিশুদের ক্লাস নেওয়া হবে।

এ কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে দুজন স্থায়ী শিক্ষক রাখা হয়েছে। নতুন বই পেয়ে এই শিশুরা জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী এবং মানুষের মতো মানুষ হবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

নতুন বই পেয়ে, শিক্ষার আলোয় আলোকিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শিশুরা। তারাও মানুষের মতো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বাহাদুর শাহ (ভিক্টোরিয়া) পার্কে সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল শিশুদের শিক্ষালয় ‘সাপ্তাহিক স্কুল’ শুরু করেছে ছাত্রদল।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ শিক্ষালয় উদ্বোধন করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত।

জানা যায়, বাহাদুর শাহ পার্কে যেসব সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু থাকে, তাদের প্রাথমিক শিক্ষা এবং মৌলিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ। প্রতি সপ্তাহে শনিবার ও মঙ্গলবার সকাল ৯টায় শিশুদের ক্লাস নেওয়া হবে।

এ কারণে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে দুজন স্থায়ী শিক্ষক রাখা হয়েছে। নতুন বই পেয়ে এই শিশুরা জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী এবং মানুষের মতো মানুষ হবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

নতুন বই পেয়ে, শিক্ষার আলোয় আলোকিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শিশুরা। তারাও মানুষের মতো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখে।

পার্কে থাকা ১৪ বছর বয়সী সিহাব বলে, আমরা এখানে যারা থাকি, অনেকের বাবা-মা নেই। ছাত্রদলের এই উদ্যোগ আমাদের শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে। আমরা মানুষের মতো মানুষ হতে চাই। চাকরি করে সুন্দর জীবন গড়তে চাই।

শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. লিখন ইসলাম বলেন, ‘কোনো সুবিধাবঞ্চিত শিশু যাতে অপরাধে জড়াতে না পারে, সেই ভাবনা থেকেই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।’খে।

পার্কে থাকা ১৪ বছর বয়সী সিহাব বলে, আমরা এখানে যারা থাকি, অনেকের বাবা-মা নেই। ছাত্রদলের এই উদ্যোগ আমাদের শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে। আমরা মানুষের মতো মানুষ হতে চাই। চাকরি করে সুন্দর জীবন গড়তে চাই।

শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. লিখন ইসলাম বলেন, ‘কোনো সুবিধাবঞ্চিত শিশু যাতে অপরাধে জড়াতে না পারে, সেই ভাবনা থেকেই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।’




ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে লালমোহনে ছাত্র ও জনতার মানববন্ধন

ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দাবিতে ভোলার লালমোহনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে লালমোহন চৌরাস্তার মোড়ে এ মানববন্ধন আয়োজন করে এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী, স্বেচ্ছাসেবী ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা। মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সচেতন মানুষও অংশ নেয়।

ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে ভোলা-বরিশাল সেতুর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, ভোলা বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় একটি জেলা। কিন্তু সেতু না থাকায় ভোলার সঙ্গে বরিশাল ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সেতু নির্মাণ হলে ভোলার সঙ্গে বরিশালসহ ঢাকায় যাতায়াত অনেক সহজ হবে, সময় ও খরচ কমবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে।

কিন্তু ভোলাকে মূল ভূখন্ডের বাইরে রেখে যুগ যুগ ধরে বঞ্চিত করা হচ্ছে ভোলাবাসীকে। ভোলার সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাস, ধান, সুপারী, ইলিশ সারাদেশের চাহিদা মেটাতে অন্যতম ভূমিকা রাখছে। বক্তারা আরও বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু শুধু ভোলাবাসীর স্বপ্ন নয়—এটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। এই সেতু নির্মাণ হলে পর্যটন, শিল্পকারখানা, কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হবে। ভোলার অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, ভোলা-বরিশাল সেতুর অভাবে প্রতিদিন যাতায়াত ও জরুরি সেবায় সমস্যায় পড়তে হয়। একজন শিক্ষার্থী বলেন, “সেতুটি হলে আমরা খুব সহজে ঢাকা- বরিশালে যেতে পারব। পড়াশোনা, চাকরি ও চিকিৎসার জন্য আর অতিরিক্ত সময় ও খরচ লাগবে না।”

মানববন্ধনে আয়োজকরা সরকারের কাছে দ্রুত ভোলা-বরিশাল সেতুর প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য জোর দাবি জানান। একইসঙ্গে তারা এই আন্দোলন ভবিষ্যতেও চলমান রাখার ঘোষণা দেন।




১৩ লাখ রোহিঙ্গার ভার আর বহন করা সম্ভব নয়: জাতিসংঘে বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান ও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটি বুধবার (১৯ নভেম্বর) সর্বসম্মতিক্রমে মুসলিম ধর্মাবলম্বী রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর বিষয়ে এ প্রস্তাব গ্রহণ করে।

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) যৌথভাবে এ প্রস্তাব পেশ করেছে। আর ১০৫টি দেশ যৌথভাবে এ প্রস্তাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়,  ২০১৭ সাল থেকে গৃহীত এই বার্ষিক প্রস্তাবে রাখাইন রাজ্যে অব্যাহত মানবাধিকার লঙ্ঘন, রোহিঙ্গা মুসলিমদের লক্ষ্যবস্তু করা, মানবিক প্রবেশাধিকারের ওপর বিধিনিষেধ এবং বাংলাদেশ ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশে রোহিঙ্গাদের অব্যাহত অনুপ্রবেশের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ এবং টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য অব্যাহত আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানালেও গত আট বছরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনের কোনো বাস্তব অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে।

১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার ভার বাংলাদেশের পক্ষে আর বহন করা সম্ভব নয় বলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য জরুরি আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।




হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর বিচারকদের হত্যার হুমকি, গ্রেপ্তার ১

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের পর তিন বিচারক ও প্রসিকিউটরদের হত্যার হুমকির ঘটনায় চারজনকে শনাক্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ইতোমধ্যে মো. শরীফ (২০) নামে একজনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার শরীফ ভোলার লালমোহন থানার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাতআনি এলাকার মো. হারুনের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) প্রসিকিউটর তানভীর জোহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, সোমবার (১৭ নভেম্বর) জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা ও কামালকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির অপরাধ প্রমাণিত। দুটি অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একটি অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী) হওয়ায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।




মুশফিকের পর লিটনের সেঞ্চুরি

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন লিটন দাস। ক্যারিয়ারের ৫ম সেঞ্চুরি পেয়েছেন। ১৫৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার।

মিরপুরে গ্যাভিন হোয়েকে চার হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন লিটন। এর আগে দিনের দ্বিতীয় ওভারে ক্যারিয়ারের ২০তম ফিফটির দেখা পেয়েছিলেন। গতকাল শেষ বিকেলে ব্যাটিংয়ে নামেন তিনি। তার ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ আছে দারুণ অবস্থায়।

এর আগে সবশেষ ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন লিটন দাস। ওই ইনিংসের পর বেশ কয়েকবার সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত তিন অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।




তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল

বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় অবৈধ ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধ ঘোষণা করে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছেন দেশের সব্বোর্চ আদালত।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক এ রায় ঘোষণা করেন।

বেঞ্চের অপর ৬ বিচারপতি হলেন— বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

এ রায়ের মাধ্যমে সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অন্তর্বর্তী সরকারে অধীনে। চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের ৭ বিচারপতি সর্বসম্মতিক্রমে এ রায় দিয়েছেন।

এর আগে গত ১১ নভেম্বর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শেষ হয়। এ বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্য ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়।

টানা ১০ দিন শুনানি শেষে দেশের সর্ব্বোচ আদালত ঐতিহাসিক এ মামলার রায়ের দিন ঠিক করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া, বিএনপির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহামদ শিশির মনির। ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

গত ২১ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শুরু হয়। এর আগে গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়।

এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন- তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।

আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

পরে নওগাঁর রানীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছর একটি আবেদন করেন।