ফ্যাসিবাদ বিরোধী নতুন রাষ্ট্র গড়ার ডাক এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদের

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ইনসাফ ও মর্যাদাভিত্তিক একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার (৪ জুলাই) ঠাকুরগাঁও শহরের আর্টগ্যালারি মডেল মসজিদে জুমার নামাজ শেষে এক পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে জনসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি। এনসিপির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এ পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই-আগস্টে দেশে ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তা ছিল কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র ও জনতার সম্মিলিত আন্দোলন। সেই আন্দোলনের শহীদদের আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।”

তিনি দাবি করেন, “বর্তমানে দেশে পুরোনো ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা বহাল রয়েছে। সেই ব্যবস্থার বিলোপ ঘটিয়ে নতুন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে এনসিপি মাঠে রয়েছে। আমরা মৌলিক সংস্কার, গণহত্যার বিচার এবং নতুন সংবিধানের দাবি জানাচ্ছি। জুলাই-আগস্টের মধ্যেই এই দাবিগুলোর ভিত্তিতে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ করতে হবে।”

বিএসএফের সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন প্রসঙ্গে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, “এটা শেখ হাসিনার বাংলাদেশ নয়, এটা গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ছাত্র-জনতার বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশে চলবে জনগণের সিদ্ধান্তেই। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতেই হবে।”

উন্নয়ন প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, “উত্তরাঞ্চলসহ ঠাকুরগাঁওয়ের মতো অবহেলিত জেলাগুলোর প্রতি আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য আর চলবে না। উন্নয়ন হবে সার্বজনীন—not ঢাকা কেন্দ্রিক।”

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান, আবু সাঈদ লিওন এবং ঠাকুরগাঁও জেলা সমন্বয়ক গোলাম মুর্তজা সেলিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এনসিপি নেতারা তাদের কর্মসূচির মাধ্যমে বিকল্প নেতৃত্ব ও তরুণদের অগ্রভাগে রেখে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




তিস্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভারতকে সঙ্গে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে; পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো টালবাহানা চলছে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই অগ্রসর হচ্ছে এবং ইতিবাচক সমাধানের চেষ্টা করছে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি কুড়িগ্রামের ঘোষপাড়ায় আয়োজিত এক পথসভায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেন, তিস্তা প্রকল্প নিয়ে কোনো ধরনের টালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “টালবাহানার কিছু নেই। আমরা গত ১৫-২০ এমনকি ৩০ বছরেও ভারত থেকে খুব বেশি ইতিবাচক অগ্রগতি পাইনি। বহু বছর আগে একবার ইতিবাচক মতামত এসেছিল, তখন আমরা গ্রহণ করিনি। এখনো আলোচনা চলমান আছে।”

তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের বিষয় কেবল দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব। আমরা চেষ্টা করছি, কতটা সফল হতে পারি সেটা সময় বলবে।”

এ সময় মালয়েশিয়ায় গ্রেপ্তার ৩৬ বাংলাদেশির বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা জানান, এখনো তাদের ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসী শ্রমিকদের দুর্ভোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিশেষ করে ওমানে আমাদের উদ্যোগ ছিল শ্রমিকদের পাসপোর্ট হাতে দেওয়া, যেন তারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে কষ্ট না পায়। অন্য দূতাবাসগুলোকে এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “চিঠি দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে ফলোআপ করা হবে। এটিকে আক্ষেপ হিসেবে নয়, প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছি।”

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গত এক বছরে সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সংস্কার নিয়ে সন্তুষ্ট হওয়া উচিত নয়, কারণ তৃপ্ত হলে আর কিছু করার থাকে না। আমরা চেষ্টা করছি মন্ত্রণালয়টিকে যতটা সম্ভব জনবান্ধব করে তোলার।”




পুলিশ সংস্কারের দাবি জানালো এনসিপি ও ছাত্র সংগঠনগুলো

পুলিশ বাহিনীর ভেতরে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে পুলিশের সংস্কারের দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) সহ একাধিক সংগঠন।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর স্টেশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, পুলিশের বিভিন্ন অনিয়মের কারণে জনগণের মধ্যে আস্থা কমে যাচ্ছে। বক্তারা বলেন, অবিলম্বে একটি যুগোপযোগী ও কার্যকর পুলিশ সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু করা জরুরি।

সংগঠনগুলোর নেতারা অভিযোগ করেন, পটিয়া থানার একটি সাম্প্রতিক ঘটনায় দায়ী ওসিকে অপসারণ না করে কেবল রেঞ্জ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা তাদের মূল দাবির পরিপন্থি। তাদের মতে, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে পুলিশ বাহিনীতে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা যায়।

তারা আরও বলেন, পুলিশ বাহিনীর ভেতরে যদি এ ধরনের অনিয়মকে উপেক্ষা করা হয়, তাহলে তা বাহিনীর কার্যকারিতা ও জনসাধারণের নিরাপত্তার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, পুলিশ বাহিনীকে জনবান্ধব, জবাবদিহিমূলক ও নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে এখনই কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জোবাইরুল হাসান আরিফ, ইমন সৈয়দ, বাগছাসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক খান তালাত মাহমুদ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব নিজাম উদ্দিন।

উল্লেখ্য, ১ জুলাই পটিয়া থানায় রাঙ্গামাটি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি দীপঙ্কর দেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা না থাকায় গ্রেপ্তার করা হয়নি। এ নিয়ে থানা প্রাঙ্গণে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরদিন মহাসড়ক অবরোধসহ থানা ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচি পালন করা হয়। এর প্রেক্ষিতে ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূরকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।




কফি হাতে তাসকিন, চোখের পলকে ৫ উইকেট উধাও

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে বুধবার অদ্ভুত এক দৃশ্যের জন্ম দেয়। বাংলাদেশ ২৪৪ রানের সীমিত লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই যেন দমবন্ধ করা ঝড়ের মুখে পড়ে। ড্রেসিংরুমে কফির কাপ হাতে বসে থাকা পেসার তাসকিন আহমেদ চোখ তুলে দেখেন, স্কোরবোর্ডে একের পর এক নাম ঝরে গেছে—মাত্র কয়েক মিনিটে पाँच উইকেট! শেষ পর্যন্ত ৫ রানের মধ্যে ৭ উইকেট হারিয়ে রেকর্ড বইয়ে নাম ঢুকল টিম টাইগার্স, আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ইতিহাসে ১ উইকেট পড়ার পর থেকে ৮ উইকেট পড়া পর্যন্ত সবচেয়ে কম রান করা দুঃস্মৃতি শুধু ২০০৮‑এর জিম্বাবুয়ে (৩ রান) ছেঁটে রেখে দ্বিতীয় স্থানে। অথচ ম্যাচের প্রথমার্ধে সবই যেন ঠিক পথে ছিল। দারুণ ছন্দে থাকা বাংলাদেশের বোলাররা স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৪৫তম ওভারে ২৪৪ রানে গুটিয়ে দেয়; দলগত সাফল্যের সিংহভাগই তাসকিনের ঝুলি-ভর্তি চার উইকেট, খরচ মাত্র ৪৭ রান। কিন্তু ব্যাট হাতে নামতেই এলোমেলো কাহিনি—শুরুতে ভালো শুরু, এরপর ২৮/০ থেকে ৩৩/৫; মেন্ডিস‑নুয়ানডুদের স্পিন‑পেস মিশ্রণে টপ‑অর্ডার ছিন্নভিন্ন। হতাশা লুকোচাপা না করে ম্যাচের পর তাসকিন বলেন, ‘ক্রিকেট সব সময় অনিশ্চিত—কফি খেতে খেতেই দেখলাম পাঁচটা উইকেট নেই! প্রত্যেকে ভুল করে, এবার শিখে পরের ম্যাচে শক্তভাবে ফিরতে হবে।’ তার আশা, ব্যাটাররা ছন্দ খুঁজে পেলে সিরিজে ফেরাই শুধু নয়, নিজেদের আত্মবিশ্বাসও ফিরবে। তিন ম্যাচের সিরিজে ১‑০তে এগিয়ে গেল লঙ্কানরা। ৫ আগস্ট একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় ওয়ানডে; বাংলাদেশ হারলে সিরিজ হাতছাড়া, জিতলে Colombo showdown নিয়ে যাবে মিরাজদের ড্রেসিংরুমে স্বস্তির নিশ্বাস। তাতেই থেমে নেই ব্যক্তিগত লড়াই। পেস‑লিড বাংলাদেশ পেসার ত্রয়ীর অন্যতম ধারক তাসকিন নিজের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে মুখিয়ে আছেন; অন্যদিকে বোলার‑ব্যাটার মিলিয়ে শ্রীলঙ্কা চাইবে চেনা ছন্দের পুনরাবৃত্তি। দর্শকেরা তাই অপেক্ষায়—দ্বিতীয় ম্যাচে কফির কাপ না উল্টে কী টিম টাইগার্স ঘুরে দাঁড়াতে পারবে? সময়ই দেবে জবাব।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




এসএসসি ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানালেন শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ

এসএসসি ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানালেন শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে প্রকাশিত হতে পারে। এমন তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।

তিনি বলেন, ফলাফল তৈরির কাজ এখন শেষের পথে। শিগগিরই ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে এবং মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের শেষ পরীক্ষা ১৫ মে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্ত তারিখ এখনো ঠিক হয়নি।

প্রতিবছর সাধারণত লিখিত পরীক্ষার শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয় এবং এবারও সেই সময়সীমা মাথায় রেখে কাজ চলছে।

চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় মোট ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ এক হাজার ৫৩৮ এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৪ জন। পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই হাজার ২৯১টি কেন্দ্র এবং ১৮ হাজার ৮৪টি প্রতিষ্ঠানে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




রিজভীর প্রশ্ন: আমরা কি আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ফাইয়াজদের ভুলে যাব?

রংপুর, ৩ জুলাই—“আমরা কি আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ফাইয়াজদের ভুলে যাব? যাদের রক্তের বিনিময়ে আজকের এই বাংলাদেশ”—এমন প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বৃহস্পতিবার দেশের বৃহত্তর ঐক্যের আহ্বান জানান।

রংপুরে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) রংপুর শাখা আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান ও ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচির উদ্বোধনীতে এসব কথা বলেন তিনি। এটি বিএনপির জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ।

রিজভী বলেন, “জুলাই-আগস্টে ইতিহাস গড়া এক রক্তাক্ত আন্দোলনে অন্তত ১৪০০ জন জীবন দিয়েছেন। আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ফাইয়াজরা বুক চিতিয়ে রক্ত দিয়েছে। তারা ছিল গণতন্ত্রের জন্য জীবন দানকারী সাহসী তরুণ। আমরা কি তাদের আত্মত্যাগ ভুলে যেতে পারি?”

তিনি বলেন, “গত ১৬ বছর ছিল দুঃসহ এক ফ্যাসিবাদের সময়কাল। কোনো তরুণ রাতের ঘুমে নিশ্চিন্ত ছিল না, পরিবারের কেউ জানত না কখন কাকে গুম করা হবে, কার লাশ পাওয়া যাবে নদীর পাড়ে। শেখ হাসিনার দুঃশাসনে কেউ নিরাপদ ছিল না। বুড়িগঙ্গা, তিস্তা, পদ্মা—সব নদীর পাড়ে পড়ে ছিল নির্যাতিত মানুষের লাশ।”

রিজভীর ভাষায়, “রংপুরের গর্ব আবু সাঈদ বুক পেতে দিয়েছিল ঘাতকের সামনে। গণতন্ত্রের জন্য শিশু-কিশোররাও জীবন দিয়েছে। আর আমরা যদি তাদের ভুলে যাই, তবে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। না হলে আবার ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে, সেই ‘পতিত হাসিনা’ আবার ফিরে আসবে।”

রিজভী এ সময় সাম্প্রতিক গুম কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “ওই রিপোর্ট পড়লে গায়ের লোম খাড়া হয়ে যাবে। মানুষকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হাত-পায়ের নখ তুলে ফেলা হয়েছে। নারীদের তুলে নেওয়া হয়েছে মায়ের সামনে থেকে। এ রক্তপিপাসুদের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।”

প্রস্তাবিত পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতির নির্বাচন নিয়েও সমালোচনা করেন রিজভী। তিনি বলেন, “এই পদ্ধতিতে দল এমপি নির্বাচন করবে—এর মানে হলো আরও বেশি স্বৈরশাসক তৈরি হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মাহফুজ উন নবী ডন, স্বেচ্ছাসেবকদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. জাহিদুল কবির, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, যুবদলের রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক নুরুন্নবী চৌধুরী মিলন, রংপুর জেলা যুবদলের সভাপতি নাজমুল আলম নাজু, রংপুর মেডিকেল কলেজ ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হক সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. শরীফুল ইসলাম মন্ডলসহ নেতৃবৃন্দ।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




৩৬ জুলাই (৩ জুলাই, তিন পর্ব)

জুলাইয়ের প্রথম দিনেই আত্মপ্রকাশ করা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন ছিল তেসরা জুলাই।

এদিন ঢাকার বাইরে বিশেষ করে বরিশাল, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামে আন্দোলনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে।

৩ জুলাই মুক্তির মিছিলে নতুন করে যুক্ত হয় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বর থেকে একটি মিছিল বের করে এবং শাহবাগে বিক্ষোভ করে নগরীর অন্যতম ব্যস্ত এই মোড়টি দেড় ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে।

ঢাকা আরিচা মহাসড়ক ছাড়াও ৩ জুলাই ময়মনসিংহের কয়েকটি সড়ক ও রেললাইন অবরোধ করা হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি মহাসড়ক এবং বরিশাল কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে, সংশ্লিষ্ট এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তিনের ঘোষিত কর্মসূচির পক্ষে নিজেদের সমর্থন ব্যক্ত করে।

আর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়ে সড়ক অবরোধ করেন। বেলা তিনটা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।

যখন কোন মেধাবী প্রার্থী নিজের যোগ্যতা নিয়েও কাঙ্খিত চাকরি পাওয়ার আশা হারিয়ে ফেলেন তখন তার মধ্যে জন্ম নেয় গভীর হতাশা। এই হতাশা শুধু ব্যক্তিগত নয়। এর প্রভাব বিস্তৃত হয় সমাজের গভীরে। তারা যখন দেখেন তাদের মেধা ও পরিশ্রমের কোন মূল্যায়ন হচ্ছে না তখন তারা হয়ে পড়েন বিভ্রান্ত ও ক্ষুব্ধ। এই ক্ষোভ ও হতাশা ধীরে ধীরে পরিণত হয় সামাজিক অসন্তোষে।

বারবার শিক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন, বিদেশি মডেল কোন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই চাপিয়ে দেয়া, শিক্ষার্থীদের বইয়ের পরিবর্তে ডিভাইসে আসক্তি জাগানো কারিকুলাম দিয়ে প্রজন্মকে মেধাহীন করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা করা হয়েছে আওয়ামী লীগের পুরো শাসনামল জুড়ে। সর্বোপরি কোটা পদ্ধতি ও দলীয়করণে চাকুরীর অনিশ্চয়তায় থাকা শিক্ষার্থীদের মাঝে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে এই আন্দোলন।

এস এল টি তুহিন, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম।




কুড়িগ্রামে এনসিপির পথসভা ; কঠোর হুশিয়ারি হাসনাত আবদুল্লার

“নতুন বাংলাদেশে আর কোনো চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বা দখলবাজির জায়গা নেই” — কুড়িগ্রামে এক পথসভায় এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে কুড়িগ্রাম শহরের ঘোষপাড়ার মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি ফলকের সামনে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ বাহিনীর উদ্দেশে বক্তব্যে হাসনাত বলেন, “আওয়ামী লীগ পুলিশকে দলীয় বাহিনীতে রূপ দিতে চেয়েছিল, আর তার পরিণতি দেশবাসী দেখেছে। আমরা চাই পুলিশ গণতান্ত্রিক হোক, জনগণের পুলিশ হোক। এনসিপি কোনো রাজনৈতিক পুলিশ চায় না, আমাদের বিশ্বাস জনতাই আসল ক্ষমতা।”

তিনি আরও বলেন, “পটিয়ার ঘটনা যদি পুনরাবৃত্তি হয়, তাহলে ৫ আগস্টের পুনরাবৃত্তিও অনিবার্য। আমাদের স্বাধীনতা ছিল না, কিন্তু নতুন বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না। দুর্নীতিবাজদেরও কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।”

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের রাস্তায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, আলেমদের দাড়ি ধরে টেনে বের করে দেওয়া হয়েছে মসজিদের মিম্বর থেকে। আলেমদের কাছ থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া হয়েছে—এমন বাংলাদেশ আর হতে দেওয়া যাবে না।”

পথসভায় এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, “আমরা ঢাকাকেন্দ্রিক রাজনীতি করতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য সারাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় সংগঠন গড়ে তোলা। জনগণের সহযোগিতায় আমরা এই রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের দায়িত্ব নিয়েছি।”

সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা বলেন, “জেলার মানুষের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছুটতে হবে না—এমন ব্যবস্থা গড়তে হবে। রাজারহাটে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন, যাতে এখানকার শিক্ষার্থীরা নিজ জেলাতেই উচ্চশিক্ষা নিতে পারে।”

এ সময় দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, “যারা চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, ক্ষমতার অপব্যবহার, মামলা বাণিজ্য ও লুটপাটে জড়িত, তারা যেন আপনাদের নেতা না হয়। কুড়িগ্রামের সংগ্রামী মানুষের শক্তিই হবে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি।”

পথসভা শেষে এনসিপির নেতারা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর উদ্দেশে রওনা দেন, যেখানে কর্মসূচির পরবর্তী সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।




মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনে বিআরটিএ’র নতুন নির্দেশনা, জালিয়াতি ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা

মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও অনিয়ম রোধে কড়াকড়ি আরোপ করেছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিআরটিএ সদর দপ্তরের অনুমোদন ছাড়া কোনো আমদানি করা মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না।

গত ৩০ জুন বিআরটিএ’র পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শীতাংশু শেখ বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে দেশের সব সার্কেল অফিসকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সদর দপ্তরের অনুমোদন ব্যতীত রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, কিছু অসাধু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসকেডি (সেমি নকড ডাউন) ও সিকেডি (কমপ্লিটলি নকড ডাউন) কনফিগারেশনে মোটরসাইকেল এনে সিবিইউ (কমপ্লিটলি বিল্ড ইউনিট) হিসেবে দেখিয়ে রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নিচ্ছে। এমনকি ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন বাইককে ১৬৫ সিসির কম দেখিয়ে কাস্টমস ও বিআরটিএ থেকে ছাড় করানোর চেষ্টা করছে।

এ ধরনের প্রতারণা বন্ধে বিআরটিএ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী ৩১ জুলাইয়ের পর থেকে সিবিইউ/এসকেডি অবস্থায় আমদানি করা মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন শুধুমাত্র সদর দপ্তরের অনুমোদিত চেসিস ও ইঞ্জিন নম্বরের তালিকার ভিত্তিতে দেওয়া হবে। এ তালিকা বিআরটিএ আইএস (ইনফরমেশন সিস্টেম)-এ আপলোড করা হবে এবং সেখান থেকে যাচাই করে সার্কেল অফিসগুলো রেজিস্ট্রেশন প্রদান করবে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, এ নির্দেশনা অমান্য করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনার সঙ্গে বিআরটিএ চেয়ারম্যানের অনুমোদনও রয়েছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




আলেমদের হতে হবে ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক: ধর্ম উপদেষ্টা

ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, “আলেমদের শুধু ধর্মীয় শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে জাতির নেতৃত্ব দিতে হবে। হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে আন্তরিকতা ও ঐক্যের পথ বেছে নিতে হবে।”

বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজার জামিয়াতুল ইমাম মুসলিম (রহ.) ক্যাম্পাসে আয়োজিত ‘আরবি ভাষা ও ইসলামি সংস্কৃতি’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, “নিজেদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করলে ইসলামি কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন পিছিয়ে যাবে। কক্সবাজারে মসজিদভিত্তিক গণশিক্ষার পাশাপাশি ৭১টি মন্দিরে শিশু শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা ধর্মীয় সহাবস্থানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “আলেমদের কোরআন-হাদিসের পাশাপাশি যুগের ভাষা ও প্রযুক্তি আয়ত্তে নিতে হবে। শুধু আরবি নয়, বাংলা ও ইংরেজিতেও দক্ষ হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রকৃত মানবসেবা পুঁজি নয়, দরকার মন-মানসিকতা। সমাজ পরিবর্তনের জন্য শুধু বাণী নয়, দরকার কাজের মাধ্যমেই উম্মাহর উপকার সাধন।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামি স্কলার ও মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. যায়েদ বিন মুহাম্মদ, সৌদি প্রশিক্ষক ড. বরিক বিন মুহাম্মদ, ড. সাউদ বিন আবদুল আজিজ এবং ড. মনছুর বিন আবদুল আজিজ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জামিয়া প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সালাহুল ইসলাম এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন শায়খুল হাদিস আবদুল গফুর নদিম। সমাপনী বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জামিয়াতুন নূর আল আলামিয়ার পরিচালক আল্লামা ওবাইদুল্লাহ হামযা।

সপ্তাহব্যাপী এই কর্মশালাটি সৌদি দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। গত রবিবার সৌদি প্রতিনিধি দল জামিয়ার ক্যাম্পাসে পৌঁছালে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করা হয়।

এর আগে সকালে ধর্ম উপদেষ্টা কক্সবাজার সার্কিট হাউজে সরকারি যাকাত ফান্ড থেকে অর্থ বিতরণ করেন এবং বেলা ১২টার দিকে কৃষ্ণানন্দধাম মন্দিরে শিশু শিক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম