ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৪৭ কিমি সড়কে ঝুঁকি চরমে!

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে ৪৭ কিলোমিটারজুড়ে ভয়াবহ গর্তের কারণে তৈরি হয়েছে প্রাণঘাতী ঝুঁকি। ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে মাদারীপুরের ভুরঘাটা পর্যন্ত সড়কজুড়ে কোথাও উঠে গেছে পিচ, কোথাও আবার তৈরি হয়েছে একাধিক বড় গর্ত। এসব গর্তে পড়ে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা—এতে যাত্রী, চালক ও পথচারীদের দুর্ভোগের অন্ত নেই।

প্রতিদিন এই মহাসড়ক দিয়ে প্রায় ২০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। সরেজমিনে দেখা গেছে, যানবাহনগুলো হেলেদুলে চলতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। সম্প্রতি বরইতলা এলাকায় একটি বাস খাদে পড়ে একজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন।

স্থানীয়রা জানান, বছরের পর বছর ধরে সড়কটি সংস্কারের কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মাঝে মাঝে বালু, ইট ও সুরকি দিয়ে গর্ত ভরাট করা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, নিম্নমানের সামগ্রী ও দুর্বল তদারকির কারণেই প্রতিনিয়ত এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

এক বাসযাত্রী জানান, “গর্তে গর্তে গাড়ির ঝাঁকুনিতে অসুস্থ হয়ে পড়ছি। যাত্রা আর আরামদায়ক নয়, এখন যেন আতঙ্কের নাম মহাসড়ক।”
এক পরিবহন চালক বলেন, “প্রতিদিন গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। সময় ও অর্থ দুইই নষ্ট হচ্ছে।”

মাদারীপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, আপাতত নিজেদের অর্থায়নে কিছু অংশে জরুরি সংস্কার চলছে। পাশাপাশি বড় বাজেটের একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, অনুমোদন মিললে শুরু হবে টেকসই উন্নয়ন। মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

পদ্মা সেতু চালুর পর যান চলাচল অনেকগুণ বেড়েছে, অথচ সড়কের উন্নয়ন হয়নি। এজন্য স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ও টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে প্রতিদিনের যাত্রা আর না হয় জীবনের ঝুঁকি।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




মাঝের চরে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে বরগুনার তিন হাজার চরবাসী!

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বিষখালি নদীর তীরে জেগে ওঠা মাঝের চরে টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্টি হয়েছে চরম জলাবদ্ধতা। ফলে পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন প্রায় তিন হাজার চরবাসী।

নদীঘেরা চরটিতে চতুর্দিকে বেরিবাঁধ থাকলেও নেই সঠিক পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা। ফলে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে শত শত বাড়িঘর, ফসলি জমি, মাছের ঘের ও চলাচলের রাস্তাঘাট। রান্নাঘর, চুলা, টয়লেটসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো পানির নিচে ডুবে যাওয়ায় পরিবারগুলো পড়েছে চরম দুর্ভোগে।

স্থানীয়দের আর্তি

চরের বাসিন্দারা বলেন, “আমাদের ঘরবাড়ি, বাথরুম, রান্নাঘর—সবকিছু পানির নিচে। কয়েকদিন ধরে ঠিকমতো খেতেও পারছি না। ছোট ছোট শিশুরাও পানিবন্দি হয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে।”

তারা আরও জানান, প্রতি বছর একই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন তারা। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিয়ে শুধু আশ্বাসই মেলে, বাস্তবে মিলছে না কোনো স্থায়ী সমাধান।

প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “আমি আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

চরবাসীর অভিযোগ, বারবার প্রশাসনের নজরে আনা হলেও এখনও কার্যকর কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা হয়নি, যা চরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের একটি স্থায়ী সমাধান এনে দিতে পারে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫





দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ভোলার ১০ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক
সমুদ্র ও নদীবন্দরে জারি করা সতর্কতা সংকেতের কারণে ভোলার অভ্যন্তরীণ ১০টি রুটে লঞ্চ চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এতে বিপাকে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।

বুধবার (৩০ জুলাই ২০২৫) সকাল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়, যা বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) পর্যন্ত বলবৎ রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভোলা নৌবন্দরের সহকারী পরিচালক রিয়াদ হোসেন।

সতর্ক সংকেত ও ঝুঁকি মোকাবেলায় সিদ্ধান্ত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ এবং অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে দেশের ৪টি সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর এবং নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে ভোলার নিচের রুটগুলোতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়:

 ভোলা-লক্ষীপুর
 দৌলতখান-আলেকজান্ডার
 মির্জাকালু-আলোকজেন্ডার
 বেতুয়া-ঢাকা
 তজুমদ্দিন-মনপুরা
 বেতুয়া-মনপুরা
 হাতিয়া-ঢাকা
 তজুমদ্দিন-চর জহিরউদ্দিন
 হাকিমুদ্দিন-মনপুরা-চর জহিরউদ্দিন
 দৌলতখান-চরফ্যাশন

তবে ভোলা-ঢাকাভোলা-বরিশাল রুটে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

যাত্রীদের দুর্ভোগ, ফেরিঘাটে পানি

লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। অনেক যাত্রী ঘাটে এসে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। অন্যদিকে ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়ে ওঠানামায় ব্যাঘাত ঘটছে। তবুও অনেক যাত্রী ফেরির মাধ্যমেই ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন।

কর্তৃপক্ষ যা বলছে

ভোলা নৌবন্দরের সহকারী পরিচালক রিয়াদ হোসেন বলেন,

“সমুদ্র ও নদীবন্দরে সতর্কতা সংকেত জারি থাকায় অভ্যন্তরীণ নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।”

তিনি আরও জানান, মূল রুটগুলোতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় সেখানে লঞ্চ চলাচলে কোনো বাধা নেই।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫





দুদক সমাজের বাইরের কিছু নয়, দুর্নীতি আছে এখানেও: আবদুল মোমেন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো প্রতিষ্ঠান নয়, বরং সমাজেরই অংশ—এমন মন্তব্য করেছেন দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, “দুদকেও দুর্নীতি রয়েছে। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আমি চেষ্টা করছি সেটা কমিয়ে আনার। সরকারকে দুর্নীতির ছোবল থেকে রক্ষা করতে হলে আগে নিজ প্রতিষ্ঠানকে শুদ্ধ করতে হবে।”

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৫) সকালে বরিশাল নগরীর সি অ্যান্ড বি রোডে দুদকের বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের ছয়তলা নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, ভবন নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ২৩ কোটি টাকা।

“দুর্নীতি কমলে দেশ ভালো থাকবে, সরকারও স্বস্তিতে থাকবে”

দুদক চেয়ারম্যান বলেন,

“সরকারের অধঃপতনের মূল কারণ দুর্নীতি। আমরা চাইলেই দুর্নীতিকে পুরোপুরি নির্মূল করতে পারবো না, তবে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবো। তবেই রাষ্ট্র এগিয়ে যাবে।”

দুদকের করা মামলায় আসামিরা খালাস পাচ্ছে—এ বিষয়ে তিনি জানান,

“দুদক কাউকে ছাড় দেয় না। যারা খালাস পাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত আপিল করে যাচ্ছি। দুর্নীতি রোধে আদালত, গণমাধ্যম ও জনগণের সম্মিলিত ভূমিকা অপরিহার্য।”

দুর্নীতিমুক্ত সেবায় সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে

পরে বরিশাল সার্কিট হাউসে এক বিশেষ সভায় অংশ নেন ড. আবদুল মোমেন।
“দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত নাগরিকসেবা এবং সেবার মান উন্নয়নে করণীয়” শীর্ষক এ সভায় বরিশাল বিভাগের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. রায়হান কাওছার

তিনি বলেন,

“দুর্নীতিকে দমন করতে হলে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, নৈতিক দায়বদ্ধতাও গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের আস্থা ফেরাতে হলে প্রশাসনকে সেবামূলক ও দায়বদ্ধ হতে হবে।”

সভায় জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ৩০ জুলাই ২০২৫





বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের রায়: ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পক্ষে ৮৬ শতাংশ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরাসরি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পক্ষে স্পষ্ট মত দিয়েছেন। গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের আয়োজনে চার দিনব্যাপী আয়োজিত গণভোটে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৮৬ শতাংশ ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পক্ষে রায় দিয়েছেন, যেখানে মাত্র ১১.৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ছিলেন বিপক্ষে।

গণভোটে মোট ১,১৪৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ২.৫ শতাংশ (২৬টি ভোট) বাতিল হয়।
ফলাফল ঘোষণা করা হয় গতকাল বুধবার (৩০ জুলাই ২০২৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে।

গণতন্ত্রের বার্তা শিক্ষার্থীদের মুখে

ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ভূমিকা সরকার এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মৃত্যুঞ্জয় রায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান বলেন— “এই গণরায় শুধু বরিশাল নয়, দেশের সব গণতন্ত্রকামী শিক্ষার্থীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। এখনই সময় বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংস্কার করে ছাত্র ও হল সংসদের নির্বাচনের রূপরেখা তৈরি করার।”

তিনি আরও বলেন, “ছাত্র সংসদ না থাকলে ক্যাম্পাসে গোপন রাজনীতি ও দুর্বৃত্তায়ন বাড়ে। শিক্ষার্থীদের মতামত কোনো সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয় না, ফলে সংকট বাড়তে থাকে।”

শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও দাবি

সভাপতির বক্তব্যে ভূমিকা সরকার বলেন, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও নেই পর্যাপ্ত পাঠদান কক্ষ, নেই আবাসন সুবিধা, পরিবহনসংকটও ভয়াবহ। গণগ্রন্থাগারে নেই পর্যাপ্ত বই ও গবেষণার পরিবেশ। ছাত্র সংসদ না থাকায় এসব সংকটের কোনো সুরাহা হয়নি।”

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানান—“অবিলম্বে আইন সংস্কার করে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পদক্ষেপ নেওয়া হোক।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক আবদুর রহমান, সুদীপ্ত হালদার, শওকাত ওসমান স্বাক্ষর প্রমুখ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ৩০ জুলাই ২০২৫





দুদকের ভেতরেও দুর্নীতি রয়েছে: স্বীকার করলেন দুদক চেয়ারম্যান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নিজেই দুর্নীতিমুক্ত নয়—এমন স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। বরিশালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “দুদক সমাজ থেকে আলাদা কোনো প্রতিষ্ঠান নয়, বরং সমাজেরই অংশ। স্বাভাবিকভাবেই এখানেও দুর্নীতির অস্তিত্ব রয়েছে।”

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকালে বরিশালের সিএন্ডবি রোডে দুদকের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দুদকের ভেতরে দুর্নীতি কমানোর চেষ্টা করছি। এই কাজটা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।”

দুদকের মামলায় আসামিদের খালাস পাওয়া প্রসঙ্গে
চেয়ারম্যান ড. মোমেন বলেন, “দুদকের কোনো আসামিকে আমরা ছেড়ে দিই না। যাদের খালাস দেওয়া হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও নিয়মিত আপিল করা হচ্ছে। এখানে কেবল দুদক নয়—আদালত, সাংবাদিক, প্রশাসন, এমনকি সাধারণ মানুষেরও ভূমিকা রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “যদি আমরা সবাই একসঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সঠিকভাবে কাজ করি, তাহলে এই ব্যাধিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। দুর্নীতি কমানো গেলে জনগণ উপকৃত হবে, এবং সরকারও স্বস্তিতে থাকবে। কারণ, দুর্নীতি যেকোনো সরকারের পতনের একটি প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।”

মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে দুদক চেয়ারম্যান বরিশাল সার্কিট হাউসে আয়োজিত “দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত নাগরিকসেবা এবং সেবার মান উন্নয়নে করণীয়” শীর্ষক বিভাগীয় মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভার মূল বার্তা ছিল—সেবাপ্রদান প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫





বরিশালে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে সংঘর্ষ ও গ্রেফতার

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেস্ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অংশ হিসেবে ৩১ জুলাই ২০২৫, বরিশালে পালিত হয় ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি। কেন্দ্রীয় ৯ দফা দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নেন। এতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং অন্তত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

বরিশাল নগরীর ডিসিঘাট, সদর রোড ও ফজলুল হক এভিনিউ এলাকায় দিনভর চলা এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। আন্দোলনকারীরা জানান, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘটিত সহিংসতা, মামলা ও পুলিশি হয়রানির বিরুদ্ধে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিএম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের বরিশাল শাখার অন্যতম সমন্বয়ক হুজাইফা রহমান জানান, “৮ ও ৯ জুলাই আন্দোলনের সূচনা থেকে ছাত্রসমাজ একত্রিত হয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে মাঠে নামে। ৩১ জুলাই ছিল তারই একটি বড় অংশ।” তিনি বলেন, “সেদিন পুলিশ আমাদের ওপর লাঠিচার্জ চালায়, গ্রেফতার করে ১২ জন শিক্ষার্থী ও এক প্রতিবন্ধী পথচারীকে।”

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন:
হুজাইফা রহমান, নাঈম খান, অর্পিতা নন্দী বহ্নি, রাশেদুল হাসান, মো. আরাফাত, লামিয়া সাইমন (সকলেই বিএম কলেজ), রাকিবুল ইসলাম শিহাব ও জান্নাতুল ফেরদৌস তানমিম (মানিক মিয়া কলেজ), মো. হাসিববিল্লাহ (বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়), আব্দুল্লাহ মামুন (পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট)। বাকি ৩ জনের নাম জানা যায়নি। এ সময় সাংবাদিকসহ অন্তত ১৪ জন আহত হন।

বরিশাল জেলা বার সমিতির প্রবীণ আইনজীবী ও কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক জেলা সভাপতি এ.কে. আজাদ বলেন, “শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিতে পুলিশ যেভাবে দমন চালিয়েছে, তা অনৈতিক। আমি নিজে আইন সহায়তা দিতে থানায় ছুটে গেছি।”

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক উম্মেস রায়ও থানায় গিয়ে গ্রেফতারকৃত শিক্ষার্থীদের বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলা চালিয়ে ছাত্রদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি বিবেকের দায়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি।”

অন্যদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে আন্দোলনকারীরা গ্রেফতার ও লাঠিচার্জের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫





ছাত্র উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে; সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান নাহিদ ইসলামের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই ছাত্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

বুধবার সন্ধ্যায় নরসিংদী পৌরসভা মোড়ে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ শেষে এক পথসভায় বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “এই দুইজন ছাত্র উপদেষ্টা আমাদের দলের কেউ নন, কিন্তু তারা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিনিধিত্ব করছেন। গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য তারা অন্তর্বর্তী সরকারে রয়েছেন। অথচ এখন তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে পদত্যাগে বাধ্য করার চেষ্টা চলছে। এসব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।”

নাহিদ ইসলাম জানান, বিচার সংস্কার ও নতুন সংবিধানের দাবিতে আগামী ৩ আগস্ট শহীদ মিনারে গণসমাবেশ করবে এনসিপি। সেখান থেকেই ‘নতুন বাংলাদেশের’ ইস্তেহার ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালের ১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে কোটা বাতিলের দাবিতে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও বাধার মধ্যেও আমরা পিছিয়ে যাইনি। আমাদের দাবি এখনো অটুট রয়েছে। আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং জনগণের দাবি আদায় করে ছাড়বো।”

তিনি বলেন, “নরসিংদীতে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। আজও সন্ত্রাস-চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশের লক্ষ্যে রাজপথে থাকতে হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের মানুষ ৩ আগস্ট শহীদ মিনার ভরে দেবে।”

নরসিংদীর উন্নয়নে কাজ করার ঘোষণা দিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, “এখানে ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ রয়েছে। আমরা তাদের বিতাড়িত করবো।”

পথসভার আগে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে নরসিংদী জেলখানা মোড় থেকে পদযাত্রা শুরু করেন নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলমসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। পদযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌরসভা মোড়ে এসে শেষ হয়।

এর আগে দুপুরে নরসিংদী ক্লাবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা শহীদ পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

পথসভা ও পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক সায়োরা তুষার ও ইয়াসমিন মিতু, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।




বরিশাল এইচএসসি কেন্দ্রে আচরণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ, মানববন্ধনের ঘোষণা

বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের কিছু কক্ষ পরিদর্শকের আচরণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের একদল এইচএসসি পরীক্ষার্থী অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কেন্দ্রটিতে পরীক্ষার শুরু থেকেই তাদের সঙ্গে মানসিক নিপীড়ন, বহিষ্কারের হুমকি এবং অশালীন বা অশিক্ষকসুলভ মন্তব্য করা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, পরিস্থিতির প্রতিবাদে শিগগিরই মানববন্ধনসহ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

পরীক্ষার্থীদের দাবি, মডেল কলেজের স্কুল শাখার কিছু সহকারী শিক্ষক, খণ্ডকালীন শিক্ষক এবং বাইরে থেকে আসা নতুন বা অপ্রশিক্ষিত শিক্ষককে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে বোর্ডের নির্দেশনা মানায় ব্যত্যয় ঘটছে—এমন অভিযোগও তারা তুলেছে। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে কথা বলা কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, ইংরেজি ২য় পত্র, রসায়ন ১ম পত্র, হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র, পদার্থ ২য় পত্র, অর্থনীতি ২য় পত্র ও জীববিজ্ঞান ১ম পত্রসহ একাধিক পরীক্ষায় নির্ধারিত নীতিমালা উপেক্ষার উদাহরণ রয়েছে বলে তাদের ধারণা। তাদের ভাষ্য, কিছু কক্ষ পরিদর্শক “রাজপথে আন্দোলনের” প্রসঙ্গ টেনে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন, যা পরীক্ষার পরিবেশে অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করে।

অভিভাবকদের একাংশও সন্তানের ফলাফল ও নিরাপত্তার কথা ভেবে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একজন অভিভাবক অভিযোগ করেন, পরীক্ষা শুরুর আগেই অকারণে অপমান এবং বহিষ্কারের হুমকির ঘটনা ঘটে। তার দাবি, কেন্দ্রটিতে দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা দরকার।

এ বিষয়ে বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কয়েকজন শিক্ষক–কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। তারা বলেন, ২০২৪ সালের “জুলাই আন্দোলনে” হাতেম আলী কলেজের ভূমিকার কারণে একটি অংশ বিশেষ প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণ করছে—এমন ধারণা তাদের রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি; সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত ছাড়া অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত নয়।

সংক্রান্ত বক্তব্য জানতে বরিশাল মডেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু মামুন, হল সুপার (অর্থনীতি) মো. মাসুম বিল্লাহ এবং প্রভাষক শাহজালালের মোবাইলে বারবার কল করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি—এমনটি জানান অভিযোগকারীরা।

সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. হারুন অর রশীদ হাওলাদার বলেন, কেন্দ্রের পরিস্থিতি “দুঃখজনক” শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন। অন্যদিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস আলী সিদ্দিকী জানান, পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে অনুপযুক্ত আচরণের অভিযোগ আগে থেকেও শুনেছেন; কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সতর্ক করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে কেন্দ্র হিসেবে এ প্রতিষ্ঠানের উপযোগিতা পুনর্বিবেচনার কথাও ভাবা হচ্ছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, দ্রুতই কেন্দ্রের বর্তমান ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের দাবি তুলে মানববন্ধন করবে এবং বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি দেবে। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে তারা প্রশাসন ও বোর্ডের স্বচ্ছ তদন্ত এবং ন্যায়সংগত ব্যবস্থা কামনা করেছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালে কুকুরকে গাছে ঝুলিয়ে হত্যা, যুবককে জরিমানা

বরিশালের বাকেরগঞ্জে নির্মমভাবে একটি পথকুকুরকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে গাছে ঝুলিয়ে হত্যা করেছে কয়েকজন যুবক। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিবাদ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়। পরে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে একজনকে জরিমানা এবং বাকিদের মুচলেকা নেওয়া হয়।

সোমবার (২৮ জুলাই) বিকেলে বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, স্থানীয় কিছু বখাটে মিলে একটি নিরীহ কুকুরকে গাছের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। এই নৃশংস ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন স্থানীয় মোজাম্মেল হোসেন মোহন নামের এক ব্যক্তি। ভিডিওটি ভাইরাল হলে জনমনে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পর স্থানীয়রা বিষয়টি জানায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), থানা পুলিশ ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের।

এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘‘ভিডিওর সূত্র ধরে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে খোকন হাওলাদার নামের একজনকে তাৎক্ষণিক পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাকি তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।’’

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ মানুষ। অনেকেই পশুর প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা বাড়ানোর দাবি জানান।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫