পবিপ্রবি এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি শিক্ষার্থীদের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

প্রাণিসম্পদ খাতের সমতা ও কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বরিশাল ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। নিউ একাডেমিক ভবনের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে তারা প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধানের রোডম্যাপ ঘোষণার আল্টিমেটাম দেন।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলমান আন্দোলনের পরও আশানুরূপ পদক্ষেপ না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিক্ষোভ শেষে তারা ডিন অফিসের সামনে জড়ো হয়ে ঘোষণা দেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমাধানের রূপরেখা না পেলে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।

এ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি লেভেল ৪ সেমিস্টার ১-এর শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, “দীর্ঘদিন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাইনি। প্রশাসন যদি কার্যকরী পদক্ষেপে ব্যর্থ হয়, তবে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাবো।”

এ বিষয়ে এ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. খোন্দকার জাহাঙ্গীর আলম জানান, “আমি ইতোমধ্যে উপাচার্যের সাথে কথা বলেছি। আজ বিকেল তিনটায় দুই ডিসিপ্লিনের (এএইচ ও ডিভিএম) শিক্ষকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক হবে। আশা করি শিক্ষার্থীদের অনুকূলে একটি কার্যকরী সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।”


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



“ঢাবির হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বহাল : উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। শুক্রবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে নিজের বাসভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।

উপাচার্য জানান, গত বছরের ১৭ জুলাই হলে হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার যে নীতিমালা গৃহীত হয়েছিল, সেটিই বহাল থাকবে। হল প্রশাসন এ নীতিমালার আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাশাপাশি ছাত্রদলের ঘোষিত কমিটি প্রসঙ্গে সংগঠনটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনার কথাও তিনি জানান।

তবে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের এই ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে হলে যেকোনো ধরনের রাজনীতির সম্পূর্ণ অবসান দাবি করেন। তারা ছয় দফা দাবি পেশ করেন, যার মধ্যে রয়েছে—

  • কেন কমিটি দেওয়া হয়েছে, তার জবাব উপাচার্যকে দিতে হবে।
  • ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছাত্রদল, শিবির, বাগছাস, বামসহ সকল গুপ্ত কমিটি বিলুপ্ত করতে হবে।
  • বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ও একাডেমিক এলাকায় রাজনীতি নিষিদ্ধ করে পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিতে হবে।
  • সব হল কমিটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিলুপ্ত করতে হবে।
  • হল প্রভোস্টদের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে।
  • দ্রুত ডাকসু বাস্তবায়ন করতে হবে।

এর আগে শুক্রবার দুপুর থেকে ঢাবি শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন হল ইউনিটে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও হল পর্যায়ে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ, তবুও কমিটি ঘোষণার পর রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিকেল থেকে চলা এ বিক্ষোভ রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র হয় এবং রাত ১২টার পর সবগুলো হল থেকে শিক্ষার্থীরা টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হন। পরে তারা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। দীর্ঘ হট্টগোলের পর উপাচার্যের পক্ষ থেকে ঘোষণা আসে যে ২০২৪ সালের ১৭ জুলাইয়ের ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী প্রকাশ্য ও গুপ্ত— উভয় ধরনের হল রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকবে।




জুনিয়রের অধীনে দায়িত্ব পেয়ে পবিপ্রবির শিক্ষক সাইফুলের পদত্যাগ

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের ছাত্রবিষয়ক উপ-উপদেষ্টা এবং মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম আকস্মিকভাবে পদত্যাগ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বুধবার বিকেলে রেজিস্ট্রার বরাবর তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।

জানা গেছে, গত চার মাস ধরে তিনি নিজ দায়িত্বে ছাত্র বিষয়ক দপ্তরের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই তার অধীনস্থ এক জুনিয়র শিক্ষক, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সু জাহাঙ্গির কবির সরকারকে ওই দপ্তরের পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে নিজের সম্মানহানির আশঙ্কা থেকে ড. সাইফুল পদত্যাগ করেন।

পদত্যাগের বিষয়ে ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমি চার মাস ধরে দায়িত্ব পালন করেছি। অথচ প্রশাসন আমার নিচের পদে থাকা একজন শিক্ষককে আমার ওপর বসিয়ে দিল। এটা অত্যন্ত অসম্মানজনক ও বিব্রতকর। তাই আমি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছি।”

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। একইভাবে ড. জাহাঙ্গির কবির সরকারকেও ফোন দিলে তিনি কল রিসিভ না করে তা কেটে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. এস এম হেমায়েত জাহান এই ঘটনা সম্পর্কে বলেন, “ড. সাইফুল পদত্যাগ করেছেন, এটা ঠিক। তবে তিনি আগে ১০ বছর বরখাস্ত ছিলেন। ফলে তার সমসাময়িক শিক্ষকরা এখন পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়র হয়ে গেছেন। তিনি সংক্ষুব্ধ হয়ে যা বলছেন, তা একপেশে হতে পারে। পরিচালক পদটি জুনিয়র-সিনিয়র দেখে দেওয়া হয়নি, বরং প্রশাসনিক বিবেচনায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

এই ঘটনায় পবিপ্রবির শিক্ষক সমাজ ও প্রশাসনে চলছে নানা গুঞ্জন। শিক্ষক মহলের একাংশ বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব বণ্টনে স্বচ্ছতা ও সমতা না থাকলে ভবিষ্যতে এমন পদত্যাগ আরও বাড়তে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



পবিপ্রবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস” উদযাপন

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস”। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দিবসটি উদযাপন করে।

সকাল সাড়ে ৯টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবন থেকে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালির মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। র‌্যালিতে প্রো-ভিসি, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। র‌্যালিটি ক্যাম্পাস এবং দুমকি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয় টিএসসি ভবনের সামনে।

এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় টিএসসি কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয় “জুলাই ২৪ গণঅভ্যুত্থান ও অগ্রগতির পটভূমি” শীর্ষক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানটি।

আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভিসি ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান এবং কোষাধ্যক্ষ ড. মো. আবদুল লতিফ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন হোসেন খান ও ড. মো. মাসুদুর রহমান।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন, বেসিক সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদ, ড. মো. জামাল হোসেন, ড. মো. আবদুল মাসুদ, জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান সবুজ এবং উপ-রেজিস্ট্রার মো. আবু বকর সিদ্দিক।

দুপুর দেড়টায় কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত এবং বিকেল সাড়ে ৫টায় অডিটোরিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাট্য প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনের কার্যক্রম।


আল-আমিন

 




শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট; বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নামে কোনো রাজনীতি থাকবে না : সালাহউদ্দিন আহমেদ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নামে কোনো রাজনীতি থাকবে না। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিচার করতে হবে।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে ছাত্রদল আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থানের বাঁক বদলের দিন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৭১ সালের শহীদদের আত্মত্যাগের উদ্দেশ্যকে ভুলে গিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান চার বছরের মাথায় গণতন্ত্র বিলুপ্ত করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করেন। তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাকে ‘ডাবল ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, দেশে আর কোনোদিন ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রত্যাবর্তন দেখতে চায় না জনগণ।

সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, যারা আন্দোলনকারীদের রক্তদানকে কলঙ্কিত করতে চায় এবং বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে, তারা ফ্যাসিবাদেরই পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ঘটেছে, তা ১৭ বছরের আন্দোলনের ধারাবাহিকতার ফসল। তবে মাত্র ৩৬ দিনে একটি ফ্যাসিবাদী সরকারকে সরানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

‘জুলাই সনদ’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি নিয়ে কাজ চলছে তবে অগ্রগতি ধীর। বিএনপি ইতিমধ্যেই খসড়া সনদ সরকারের কাছে জমা দিয়েছে এবং সরকারের অনুরোধে রিফাইন্ড সংস্করণও প্রদান করেছে। তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্টের মধ্যে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ দিতে হবে।

আলোচনা সভায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগের অপকর্মের বিচার নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিষ্ক্রিয়। মিটফোর্ডে বিএনপির শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে কুৎসিত স্লোগান দেওয়া এবং মব তৈরি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্র মজলিস, ছাত্রফ্রন্টসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।




দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রম বর্জন করে কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছে। তাদের দাবি—এই কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি থেকে মুক্ত করে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, বরিশাল’ মডেলে পুনর্গঠন করতে হবে। দাবি মানা না হলে জাতীয় মহাসড়ক অবরোধসহ আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

সোমবার (৮ জুলাই) বরিশাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাসে ফিরবেন না। বরিশাল-ভোলা-চট্টগ্রাম এবং বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি বাস্তবায়নে তারা প্রস্তুত।

এ পরিস্থিতিতে একই দিন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ও অধিভুক্ত অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।

বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ জানান, কলেজের সমস্যা ও শিক্ষার্থীদের দাবি বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিবকে অবহিত করার কথাও জানিয়েছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের দ্রুত ক্লাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানান, তবে সমস্যা সমাধানে সকলেই ঐকমত্য পোষণ করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ১/১১ সরকারের সময় বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কলেজটি যাত্রা শুরু করে। তবে একাডেমিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হলেও প্রশাসনিকভাবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন হওয়ায় এই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে নানামুখী সংকট দেখা দিয়েছে।

শিক্ষকদের নিয়োগ, বিভাগ সম্প্রসারণ এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাবে বর্তমানে পুরো শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। ‘নেভাল আর্কিটেকচার’ বিভাগের কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নিলেও শিক্ষকের অভাব ও দপ্তরগুলোর সমন্বয়হীনতার কারণে তা থেমে গেছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো—গত প্রায় দুই মাস ধরে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সম্পূর্ণ বন্ধ (‘কমপ্লিট শাটডাউন’) অবস্থায় রয়েছে। ক্লাস-পরীক্ষা সব বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

 




বিআইটি কাঠামোর দাবিতে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

সরকারি প্রকৌশল কলেজগুলোর দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক ও একাডেমিক সংকট নিরসন এবং বিআইটি (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি) মডেলে রূপান্তরের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। রোববার (৫ জুলাই) সকাল ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনজন শিক্ষার্থী বক্তব্য রাখেন।

তারা বলেন, বর্তমান প্রকৌশল শিক্ষা ব্যবস্থার দ্বৈত কাঠামো শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিশাল প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একাডেমিক কার্যক্রম চলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে, অথচ প্রশাসনিক দায়িত্ব রয়েছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে—এই ভিন্ন ভিন্ন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা শিক্ষার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফলে সিলেবাস হালনাগাদ, শিক্ষক নিয়োগ, ল্যাব পরিচালনা কিংবা একাডেমিক পরিকল্পনায় দেখা দিচ্ছে দীর্ঘসূত্রতা ও দ্বিধা।

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, ইইই বিভাগে কোনো সহযোগী অধ্যাপক নেই, সিভিল বিভাগে আছেন মাত্র একজন প্রভাষক এবং নেভাল আর্কিটেকচার ভবন চালু না হওয়ায় সেখানে কার্যক্রম শুরুই হয়নি। এমনকি আধুনিক ল্যাব সরঞ্জাম থাকার পরও ইনস্ট্রাক্টরের অভাবে সেগুলোর কোনো ব্যবহার হচ্ছে না। এর ফলে শিক্ষার্থীরা যেমন মানসম্পন্ন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি সরকারের বিপুল অর্থ বিনিয়োগও অকার্যকর হয়ে পড়ছে।

তারা জানান, ২০ মে থেকে বরিশাল, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শান্তিপূর্ণভাবে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে একাডেমিক শাটডাউন চলছে। এরমধ্যে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক ও স্মারকলিপি প্রদান করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধুমাত্র ডিগ্রি দিচ্ছে, কিন্তু সিলেবাস আপডেট, শিক্ষা মানোন্নয়ন বা প্রশাসনিক জবাবদিহিতার কোনো দায় নিচ্ছে না।

তাদের দাবি, বর্তমান অব্যবস্থাপনা নিরসনে বিআইটি মডেলের একটি স্বাধীন, স্বায়ত্তশাসিত ও কার্যকর কমিশন গঠন করা হোক। কারণ শিক্ষা মৌলিক অধিকার হলেও, প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা আজ চরম বৈষম্যের শিকার। অবিলম্বে দাবি বাস্তবায়ন না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা এবং এর দায়ভার সরকারের ওপর বর্তাবে বলেও উল্লেখ করেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

 




‘মৃত প্রক্টর’ দিয়েই ২মাস যাবৎ চলছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই মাস ধরে প্রশাসনিক দায়িত্বে কার্যত নিষ্ক্রিয় থেকেও বহাল রয়েছেন বিতর্কিত প্রক্টর ড. সোনিয়া খান সনি। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থীদের তীব্র বিরোধিতা ও প্রতীকী ‘মৃত’ ঘোষণা সত্ত্বেও তাকে অপসারণ না করায় বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে দেখা দিয়েছে হতাশা ও ক্ষোভ।

গত ৩০ এপ্রিল উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা আয়োজন করেন প্রতীকী কফিন মিছিল ও গায়েবানা জানাজা। এ সময় তারা প্রক্টর ড. সোনিয়া খানকে ‘মৃত’ ঘোষণা করেন। এর মূল কারণ ছিল শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা ও জিডির প্রতিবাদ। পরে ১৩ মে বরখাস্ত করা হয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনকে এবং তার স্থানে দায়িত্ব গ্রহণ করেন অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম। তবে প্রশাসনিক পরিবর্তনের পরও বহাল থাকেন ড. সোনিয়া খান।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মোকাব্বেল শেখ বলেন, “আমরা নতুন উপাচার্যের কাছে বারবার দাবি জানিয়েছি যেন ফ্যাসিবাদকে আশ্রয় দেওয়া ব্যক্তিদের প্রশাসনিক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, বিশেষ করে ‘মৃত’ প্রক্টর সোনিয়া খানকে।” তিনি অভিযোগ করেন, “উপাচার্য আমাদের কথা গুরুত্ব দিচ্ছেন না। দেড় মাসেও কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়া শিক্ষার্থীদের অবমূল্যায়ন ও প্রশাসনিক ব্যর্থতারই প্রমাণ।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক মোস্তাকিম মিয়া বলেন, “পূর্ববর্তী উপাচার্যের সময়ে শিক্ষার্থীরা যখন ন্যায্য দাবিতে আন্দোলন করছিল, তখন প্রশাসনের নির্লিপ্ততা ছিল হতাশাজনক। বিশেষ করে প্রক্টরের ভূমিকায় অনেক প্রশ্ন রয়েছে। এমনকি সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা শতবার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি।” তিনি যোগ করেন, “নতুন উপাচার্যের আগমনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হলেও, ড. সোনিয়া খানের মতো প্রশ্নবিদ্ধ একজনকে বহাল রাখা হতাশার।”

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, “আমি সদ্য দায়িত্ব নিয়েছি। কার কেমন ভূমিকা ছিল তা জানতে সময় লাগছে। আমি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে একজন যোগ্য প্রক্টর নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, প্রশাসন অবিলম্বে তাদের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ছাত্রবান্ধব পরিবেশ গঠনে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

 




জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: পরীক্ষায় নকল করলে ৪ বছরের নিষেধাজ্ঞা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষায় যেকোনো ধরনের নকল বা অসদুপায় অবলম্বন করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে সেই পরীক্ষার ফল বাতিল করার পাশাপাশি পরবর্তী সর্বোচ্চ ৪ বছর পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।

শুক্রবার (৫ জুলাই) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে যেসব কার্যক্রমকে “পরীক্ষায় অসদুপায়” হিসেবে গণ্য করা হবে, তার মধ্যে রয়েছে:

  • পরীক্ষাকক্ষে অন্যের সঙ্গে কথা বলা বা যোগাযোগ
  • মোবাইল বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন বা ব্যবহার
  • অনুমোদনহীন কাগজপত্র সঙ্গে রাখা বা সেখান থেকে লেখা
  • শরীর, কাপড়, দেয়াল, বেঞ্চে লেখা থেকে উত্তর লেখা
  • উত্তরপত্রে টাকা রাখা, অশ্লীল/আপত্তিকর কথা লেখা
  • রোল নম্বর বদল বা ভুয়া পরিচয়ে পরীক্ষা দেওয়া
  • উত্তরপত্র ছিঁড়ে ফেলা বা বাইরে পাচার করা
  • পরীক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত কাউকে গালাগাল/হামলা করা
  • পরীক্ষাকক্ষে বিশৃঙ্খলা বা ভাঙচুর সৃষ্টি করা

পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটি অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় ১ থেকে ৪ বছর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবে। কোনো অপরাধ যদি পূর্বনির্ধারিত শাস্তির আওতায় না পড়ে, তবে কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে উপযুক্ত শাস্তির সুপারিশ করবে।

বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁস, নকলসহ সব ধরনের অসাধুতা ঠেকাতে কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নজরদারি থাকবে।


📌 পরামর্শ:
পরীক্ষার সুষ্ঠুতা রক্ষায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন পদক্ষেপ প্রশংসনীয়। শিক্ষার্থীদের উচিত নিয়ম মেনে প্রস্তুতি নেওয়া ও সততার সঙ্গে পরীক্ষা দেওয়া।

🔗 উৎস: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি, ৫ জুলাই ২০২৫




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই ৩৬ স্মৃতিফলক’ থমকে ভিত্তিপ্রস্তরেই, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া ‘জুলাই ৩৬ স্মৃতিফলক’ এখনো ভিত্তিপ্রস্তরেই থমকে আছে। গত ২৮ মে স্মৃতিফলকটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও এখনো শুরু হয়নি নির্মাণকাজ। নির্ধারিত স্থানে নেই কোনো নির্মাণ সামগ্রী, নেই প্রস্তুতির কোনো চিহ্ন। বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

২০২৪ সালের ১৭ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পর সারা দেশে ছাত্রদের মাঝে শুরু হয় ব্যাপক আন্দোলন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও ওই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং শহীদদের স্মরণে ক্যাম্পাসের ৩ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় একটি স্মৃতিফলক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে পরদিন দেশব্যাপী ১৪৪ ধারা জারি হওয়ায় নির্মাণকাজ স্থগিত হয়ে যায়।

পরে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর শিক্ষার্থীরা স্মৃতিফলক নির্মাণের দাবিতে নতুন করে আন্দোলন শুরু করলে দায়িত্বে থাকা তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিন প্রায় আট মাসেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি আনতে ব্যর্থ হন। আন্দোলনের মুখে তার পদত্যাগের পর অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম, যিনি ২৮ মে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

তবে স্মৃতিফলক নির্মাণ কমিটির আহ্বায়ক ড. আলমগীর মোল্লা জানান, পূর্বের উপাচার্য ইউজিসি থেকে বরাদ্দের আশ্বাস দিলেও প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট নিশ্চিত করতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। এমনকি ইউজিসিতে কোনো প্রতিবেদনও জমা দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নতুন উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর স্মৃতিফলকের প্রস্তাবিত ডিজাইন সংশোধনের নির্দেশ দেন এবং একজন পেশাদার স্থপতির মাধ্যমে সেটি পুনর্গঠনের পরামর্শ দেন। তবে পুরোনো বাজেট বর্তমানে অপ্রতুল হওয়ায় নতুন ইস্টিমেট তৈরি করে ইউজিসিতে আবেদন করার প্রয়োজন রয়েছে, যা এখনো করা হয়নি।

অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য ড. তৌফিক আলম বলেন, “নতুন ডিজাইন অনুযায়ী ইস্টিমেট তৈরি করে ইউজিসিতে আবেদন করবো। প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেলেই দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হবে।”

শিক্ষার্থীরা বলছেন, স্মৃতিফলকটি কেবল একটি স্থাপনা নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক সংগ্রামের প্রতীক। এটি নির্মাণে দেরি হলে আন্দোলনের চেতনাকেই অপমান করা হবে। তাই দ্রুত প্রশাসনিক অচলাবস্থা দূর করে কাজ শুরুর দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম