ডাকসু নির্বাচন: শেষ হলো প্রচারণা, উৎসবমুখর ঢাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আসন্ন ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে প্রচারণার শেষ দিন কাটল উৎসবমুখর পরিবেশে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ নির্বাচন, যা ছয় বছর পর আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ কারণে পুরো ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে উচ্ছ্বাস ও উত্সবের আমেজ।

প্রচারণা শুরু হয়েছিল গত ২৬ আগস্ট থেকে। এর পর থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা মধুর ক্যান্টিন, টিএসসি, কার্জন হল, বিভিন্ন অনুষদ এবং আবাসিক হলে প্রচারণা চালান। আজ (রোববার) রাত ১১টা পর্যন্ত প্রার্থীদের প্রচার চালানোর সুযোগ ছিল।

সবচেয়ে চোখে পড়েছে লিফলেট ও হ্যান্ডবিলের ব্যবহার। প্রচারণার জন্য হাতে হাতে বিলি করা এসব কাগজ মুহূর্তেই রাস্তায় পড়ে থেকে টিএসসি, কার্জন হল ও বিজনেস স্টাডিজ ফ্যাকাল্টির সামনের রাস্তায় কাগজের স্তূপ তৈরি করেছে। এতে একদিকে যেমন প্রচারণার ব্যাপকতা বোঝা যাচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ দূষণ নিয়ে সমালোচনা উঠেছে শিক্ষার্থীদের মাঝে।

এবারের নির্বাচনে প্রার্থীরা ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নানান সৃজনশীল পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। কার্যকরী সদস্য পদে এক প্রার্থী এক হাজার টাকার নোটের আদলে লিফলেট ছাপিয়ে বিতরণ করেছেন, যা শিক্ষার্থীদের কৌতূহল জাগিয়েছে। আরেক প্রার্থী তৈরি করেছেন মার্কিন এক ডলারের আকৃতির প্রচারপত্র। কেউ আবার বিড়ালপ্রেমীদের জন্য বিড়ালের ছবি ব্যবহার করেছেন, আবার কেউ প্রচার চালিয়েছেন হাতপাখা ও খেলার ব্যাড-বল দিয়ে।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভোটারদের আকৃষ্ট করতে এসব অভিনব কৌশল প্রশংসা কুড়ালেও লিফলেটের আধিক্য পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে অনেকের।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এবারের প্রচারণা তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বড় কোনো সংঘর্ষ বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি, যা শিক্ষার্থীদের জন্য স্বস্তির বার্তা বয়ে এনেছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশাল নার্সিং কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, শিক্ষক অপসারণের দাবি

বরিশালের নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। প্রধান অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে তিন শিক্ষক—আলী আজগর, সাইদ হোসাইন রনি ও ফরিদা বেগম—আছেন, যাদের তারা অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে আজীবনের জন্য বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কলেজের অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন পরিচালনা করেন। তারা জানান, গত ৬ মে আন্দোলনের সময় বহিরাগতদের হামলার ঘটনা ঘটেছিল, এবং এর পেছনে ওই শিক্ষকদের মদদ থাকার অভিযোগ আছে। কিন্তু চার মাস অতিবাহিত হলেও কলেজ প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।

শিক্ষার্থীরা আরও দাবি করেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষকদের ক্লাস রুটিন থেকে অপসারণের পাশাপাশি অন্য তিন শিক্ষক—জাকির হোসেন, হাসিনা বেগম ও আনোয়ারা—রুটিনে থাকলেও বিকল্প শিক্ষক যুক্ত করা হোক।

শিক্ষার্থী শাকিল বলেন, শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নার্সিং কলেজের পুরাতন হোস্টেলের ছাদের অংশবিশেষ ভেঙে পড়ায় একজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হোস্টেলের দুরবস্থা ইতোপূর্বে প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এজন্য শিক্ষার্থীরা হোস্টেলের সার্বিক সংস্কার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্দোলনে নেমেছেন।

তাদের অন্যান্য দাবি অন্তর্ভুক্ত—

  • হোস্টেলের প্রধান গেটে সার্বক্ষণিক একজন দারোয়ান থাকা এবং রেজিস্টার খাতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যাওয়া-আসা নিয়ন্ত্রণ করা।
  • শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য ওয়েটিং রুমের ব্যবস্থা।
  • কলেজের সাতটি ইয়ারের জন্য ন্যূনতম ১৪টি রেফ্রিজারেটর।
  • হোস্টেলের বৈদ্যুতিক লাইনসহ সব বৈদ্যুতিক ত্রুটি দ্রুত মেরামত।
  • হোস্টেলের প্রতিটি রুমের দরজা, জানালা, লাইট ও ফ্যানের অব্যবস্থাপনা দ্রুত ঠিক করা।
  • বেসরকারি বাবুর্চিদের বেতন এবং মেসের প্রতি মাসের গ্যাস বিল কলেজ কর্তৃপক্ষ বহন করবে।
  • হোস্টেলে দ্রুত ক্যান্টিন ব্যবস্থা।
  • প্রতি মাসে হোস্টেলের পানির ট্যাঙ্কি পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানির জন্য ফিল্টার ব্যবস্থা।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দাবি মেনে না নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




জুস পান করিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙালেন ববি উপাচার্য

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জমি অধিগ্রহণ ও শতভাগ পরিবহন সুবিধাসহ তিন দফা দাবিতে টানা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙালেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপাচার্য নিজ হাতে শিক্ষার্থীদের জুস খাইয়ে তাদের আমরণ অনশন কর্মসূচি শেষ করান। এর আগে শিক্ষার্থীদের লিখিতভাবে দাবি পূরণের আশ্বাস দেন তিনি।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে সাতজন শিক্ষার্থী অনশন শুরু করলে উপাচার্য তাদের রাজি করানোর চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থীরা প্রথমে রাজি না হলে তিনি তাদের পাশে মশারি টানিয়ে রাত কাটান। পরে আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আশ্বাস পেয়ে অনশন ভাঙতে রাজি হন।

উপাচার্য লিখিত প্রতিশ্রুতিতে জানিয়েছেন—

  • উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক নিয়োগের পর ছয় মাসের মধ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করা হবে।
  • শিক্ষার্থীদের বাস সংকট নিরসনে রুটভিত্তিক সিট সংকট নির্ধারণ করে আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে নতুন বাস সংযোজন করা হবে।
  • বিশেষ বিবেচনায় দ্রুত একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্স কেনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
  • ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে জমির পুনঃঅ্যাসেসমেন্ট সম্পন্ন করা হবে।

অনশন ভাঙানোর সময় উপাচার্য বলেন, “আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, তবে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে আমি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াব। আশা করি, আপনারা আমার প্রতি আস্থা রাখবেন।”

শিক্ষার্থীরা জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে তারা আবারও আন্দোলনে নামবেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে এই আন্দোলন শুরু হয়। পরে বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি ও মহাসড়ক অবরোধের পরও দাবি পূরণ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশনে বসেছিলেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




পবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, ইউনিক পরিবহনের চালক-হেল্পার স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) এক অধ্যাপক ও কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ইউনিক পরিবহনের চালক ও হেল্পারকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।

ইউনিক পরিবহনের প্রশাসক এম এ মিন্টু স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে চাকরিচ্যুতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। অভিযুক্ত চালক জসিম উদ্দিন, বরগুনা জেলার আমতলী থানার দক্ষিণ তাঁরিকাটা গ্রামের বাসিন্দা এবং তার ছেলে শাকিল, যিনি একই বাসের হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন—তাদের দুজনকেই স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত ৪ আগস্ট, কুয়াকাটা থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাসে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান মিয়া মুন্না এবং তিনজন শিক্ষার্থীকে হেনস্থা, অশালীন আচরণ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা পরে একটি ইউনিক পরিবহনের বাস ক্যাম্পাসে নিয়ে এসে অবস্থান নেন।

পরবর্তীতে ৫ আগস্ট বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে প্রক্টরিয়াল বডি, শিক্ষার্থীরা এবং ইউনিক পরিবহনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্তদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়।

অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্টরা চাইলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবেন এবং এতে পরিবহন কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার বাধা প্রদান করবে না।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এরপর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবুল বাশার খান বলেন,
“আজকের এ সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, ভবিষ্যতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কেউ দুর্ব্যবহার করার সাহস দেখালে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।”

ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটি একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো থেকে অন্যদের বিরত রাখবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




অনশনরত শিক্ষার্থীদের পাশে রাত কাটালেন ববি উপাচার্য

অবকাঠামো উন্নয়নসহ তিন দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সাত শিক্ষার্থীর পাশে মশারি টাঙিয়ে রাত কাটিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত একটার দিকে অনশনকারীদের অনশন ভাঙাতে ব্যর্থ হয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে কর্মসূচিস্থলেই রাতযাপন করেন। এর আগে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে দাবি বাস্তবায়নের অগ্রগতি এক সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান হবে বলে আশ্বাস দেন। তবে শিক্ষার্থীরা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

অনশনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ৩৬ দিন ধরে আন্দোলন চললেও রাষ্ট্র বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাদের প্রধান দাবি—বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, ক্যাম্পাস সম্প্রসারণ এবং পরিবহন সংকট সমাধান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, “শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো যৌক্তিক। জমি অধিগ্রহণসহ উন্নয়ন কার্যক্রম এগোচ্ছে। আস্থার সংকটের কারণেই শিক্ষার্থীরা অনশনে বসেছে।”

অনশনে থাকা শিক্ষার্থীরা হলেন—ইংরেজি বিভাগের শারমিলা জামান সেঁজুতি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অমিয় মন্ডল, একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের তাজুল ইসলাম, রসায়ন বিভাগের মো. আবুবকর সিদ্দিক, দর্শন বিভাগের পিয়াল হাসান, লোকপ্রশাসন বিভাগের তামিম আহমেদ রিয়াজ এবং আইন বিভাগের শওকত ওসমান স্বাক্ষর।

শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ফেজ উন্নয়নের ফিজিবিলিটি টেস্ট ছয় মাসের মধ্যে শেষ করে একনেক অনুমোদন নিশ্চিত করা এবং সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করা।
  • বরাদ্দ ২০০ একরের মধ্যে বাকি ১৫০ একর জমি দ্রুত অধিগ্রহণ করে পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন জারি করা।
  • শতভাগ পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নিজস্ব পরিবহন না হওয়া পর্যন্ত বিআরটিসির বাস ব্যবহারের ব্যবস্থা করা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের অনশনের বিষয়টি ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ববি শিক্ষার্থীদের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আয়তন বৃদ্ধি, আবাসন সংকট ও পর্যাপ্ত পরিবহনের দাবিতে ফের মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা।

বুধবার বিকেল চারটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গেটসংলগ্ন বরিশাল–পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করে তারা বিক্ষোভ করেন। প্রায় এক ঘণ্টার এ অবরোধে ওই সড়কে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগ দেখা দেয়।

এর আগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা গত ৩১ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রতি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু সাড়া না মেলায় শিক্ষার্থীরা আবারও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মোশাররফ হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চললেও ইউজিসির টনক নড়ছে না। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”
আরেক শিক্ষার্থী অমিয় মন্ডল অভিযোগ করেন, “১৪ বছর পেরোলেও ববিতে শ্রেণিকক্ষ ও আবাসনের সংকট কাটেনি। ফিটনেসবিহীন গাড়িতে যাতায়াত করতে গিয়ে আমরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিচ্ছি। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুল বাজেট বরাদ্দ হলেও ববির ক্ষেত্রে তা অপ্রতুল।”

এ সময় যাত্রীদের দুর্ভোগও চরমে ওঠে। কুয়াকাটা গামী যাত্রী মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, “আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে ছিলাম। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি তুলুক, কিন্তু সড়ক আটকে মানুষকে কষ্ট দেওয়া উচিত নয়।”

বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীরা কিছু সময়ের জন্য সড়ক অবরোধ করেছিল। পরে তাদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পবিপ্রবিতে ১৪ কর্মকর্তার নিয়োগ অনিয়মে দুদকের তদন্ত শুরু

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) প্রশাসনের ১৪ কর্মকর্তার নিয়োগে বড় অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক তানভীর আহমেদ এই তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন। রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, প্রশাসনিক অনুমোদন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ছাড়পত্র, আবেদনকারীদের তালিকা ও বাছাই কমিটির নথি দাখিল করতে হবে।

অভিযোগ অনুসারে, গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রভাবশালী নেতা, সাংসদ, সচিব ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাদের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের নিয়োগে ৮ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছে:

  • ডেপুটি রেজিস্ট্রার তাজবির হোসেন সুমন: ২০ লাখ
  • সহকারী রেজিস্ট্রার অ্যানি চক্রবর্তী: ২০ লাখ
  • উপপরিচালক বেল্লাল হোসেন: ১২ লাখ
  • সহকারী পরিচালক রাশেদুল করিম: ৮ লাখ
  • সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তুহিন সিকদার: ১৮ লাখ
  • উপপরিচালক রাজিব মিয়া: ২০ লাখ
  • প্রকিউরমেন্ট কর্মকর্তা মশিউর রহমান: ১৭ লাখ
  • ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান ইলিয়াছ: ১৮ লাখ
  • ডেভেলপমেন্ট কর্মকর্তা মেহেদী হাসান: ২০ লাখ
  • সহকারী পরিচালক নাদিমুজ্জামান: ১২ লাখ
  • ডকুমেন্টেশন কর্মকর্তা আখিনুর বেগম: ১০ লাখ
  • সহকারী পরিচালক আবু সুয়েম: ১৮ লাখ
  • টেকনিক্যাল কর্মকর্তা মাধব চন্দ্র দাস: ২০ লাখ
  • উপপরিচালক (অডিট) মনিরুজ্জামান খান: রাজনৈতিক কোটা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন বলেন, “দুদকের অনুরোধ অনুযায়ী নথি প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে একসাথে অনেক তথ্য চাওয়ার কারণে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের নিয়োগ বাণিজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ মনে করেন, টাকা দিয়ে নিয়োগপ্রাপ্তরা কখনো যোগ্যতা ও নৈতিকতার প্রতীক হতে পারেন না। ফলে দক্ষ মানবসম্পদ বঞ্চিত হচ্ছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে।

নাগরিক সমাজ এবং শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অবিলম্বে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে হবে এবং ঘুষের সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। তারা সতর্ক করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা ছাড়া মেধা ও নৈতিকতার জায়গা হবে না, বরং দুর্নীতি ও অর্থশক্তিই নিয়ন্ত্রণ নেবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গণধর্ষণের হুমকির প্রতিবাদে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে রিটকারী এক নারী শিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে ‘গণধর্ষণের হুমকি’ এবং নারী শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে সাইবার বুলিংয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের নিচতলায় অবস্থান নেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একাডেমিক ভবনের নিচতলায় সমাবেশে মিলিত হয়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক মো. সিহাব, সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক জাহিদ সাকিন, সাবেক সদস্য মোশাররফ হোসেন, সংগঠক সোহানুর রহমান সিফাত, আজমাইন সাকিব, তাহমিদা রহমান রাকা, সৃষ্টি প্রমুখ।

শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা মোশাররফ হোসেন বলেন, “নারী নির্যাতন কেবল ব্যক্তিগত নয়, এটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অভিশাপ। প্রতিটি ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া আমাদের দায়িত্ব। নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনো উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। ছাত্রদল সবসময় অন্যায়ের প্রতিবাদ ও নারীর অধিকার রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।”

বক্তারা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতির প্রার্থিতার বিরুদ্ধে রিটকারী নারী শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেত্রীদের হেনস্তা এবং বিভিন্ন স্থানে নারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং চলছে।

তারা নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা ও চলমান সাইবার বুলিং প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম, দক্ষিণবঙ্গ অচলের হুঁশিয়ারি ববি শিক্ষার্থীদের

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীরা নতুন আলটিমেটাম দিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) প্রতিনিধি আলোচনায় না বসলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এ ঘোষণা দেন। দীর্ঘ ৩৪ দিন ধরে মানববন্ধন, গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, মহাসড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচি চালিয়ে এলেও এখনো ইউজিসির কোনো প্রতিনিধি তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম বলেন, “দ্বিতীয় পর্যায়ের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অনুমোদিত সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ৯ মাসের পরিবর্তে তিন মাসে শেষ করতে হবে। এরপর দ্রুত একনেকে অনুমোদনের উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় দক্ষিণবঙ্গ অচলের মতো কঠোর কর্মসূচি ছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প থাকবে না।”

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো—
১. বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আয়তন বাড়ানো ও ১৫০ একর জমি দ্রুত অধিগ্রহণ।
২. অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়ন।
৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সংকট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত বিআরটিসির মাধ্যমে শতভাগ পরিবহন নিশ্চিতকরণ।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শওকত ওসমান বলেন, “১৪ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয়টি এখনো পরিপূর্ণ হয়নি। ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে মাত্র চারটি হল, যেখানে দেড় হাজার শিক্ষার্থী জায়গা পান। বাকিদের বাইরে থাকতে হয়। শ্রেণিকক্ষ, আবাসন, শিক্ষক ও গ্রন্থাগারের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। ফলে শিক্ষার্থীরা বারবার সেশনজটে পড়ছেন।”

এদিকে গত ২৮ আগস্ট আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক বৈঠক হয়। বৈঠকে উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলম শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক বলে স্বীকার করেন। তিনি জানান, অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে ইউজিসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। জমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরিবহন সংকট মোকাবেলায় আরও কয়েকটি বিআরটিসি বাস ভাড়া করা হবে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন এবং দক্ষিণবঙ্গ অচল করে দেওয়ার মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পবিপ্রবি বরিশাল ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ‘শাটডাউন’ আন্দোলন

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বরিশাল বাবুগঞ্জ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। শনিবার (৩১ আগস্ট) রাতে একাডেমিক ভবন-১ এবং রোববার সকালে একাডেমিক ভবন-২ তালাবদ্ধ করে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।

অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি ও ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন। সকাল থেকে তারা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অংশ নিয়ে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেটেরিনারি সায়েন্স ও অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি একত্রে কম্বাইন্ড ডিগ্রি দেওয়া হয়। এতে চাকরির ক্ষেত্রে দুটি পদে আবেদন করার সুযোগ থাকে। কিন্তু পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে একক ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে, ফলে তারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন।

চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফি জানান, “আমাদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ১০ দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি, এমনকি একাডেমিক কাউন্সিলও গঠন করা হয়নি। তাই আমরা বাধ্য হয়ে শাটডাউনের ঘোষণা দিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “একাডেমিক কাউন্সিল গঠন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কর্মসূচি চলবে।”

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী আবুবকর সিদ্দিক, তাহসিন হোসাইন, মাহমুদুল হাসান তানভির, অর্জুন দাস ও সীমান্তসহ অনেকেই।

এ বিষয়ে জানতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আলী আজগরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভাইস চ্যান্সেলরের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। শিক্ষার্থীরা দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনের সুস্পষ্ট পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫