বাউফলে এক পরিবার থেকেই কোরআনের হাফেজ ৬৬ জন

আল-আমিন (পটুয়াখালী): জেলার বাউফল উপজেলায় এক পরিবার থেকেই ৬৬ জন পবিত্র কোরআন শরিফের হাফেজ হয়েছেন । ইতিমধ্যে এই বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে জেলায় সুনাম কুড়িয়েছেন উপজেলার বাঁশবাড়িয়া এর বাসিন্দা শাহজাহান হাওলাদার।

মৃত হাজী নূর মোহাম্মদ হাওলাদারের ছোট ছেলে শাহজাহান হাওলাদার। বাউফল সরকারি কলেজ থেকে ১৯৭১ সালে এইচএসসি পাস করেন। নিজের পৈতৃক সম্পত্তি ও মামা বাড়ির তিন একর সম্পত্তি বিক্রি করে তিনি নির্মাণ করেছেন ১২ টি মাদরাসা এবং ৩ টি মসজিদ। তার ৬ ছেলে এবং ৪ মেয়ে কোরআনের হাফেজ। তার বংশধররাও এখন হাফেজ হয়ে সংখ্যাটি বাড়িয়ে চলেছেন। ২ বছর আগে তাদের পরিবারে হাফেজ ছিলেন ৫৭ জন আর এখন ৬৬ জন।

শাহজাহান হাওলাদারের বড় ছেলে হাফেজ মাওলানা মজিবর রহমানের ৩ ছেলে ও ৪ মেয়েসহ মোট ৮ জন হাফেজ। দ্বিতীয় ছেলে হাফেজ মাওলানা নূর হোসেন। তার ৩ ছেলে ৩ মেয়ে ও মেয়ে জামাইসহ পরিবারে মোট ৮জন হাফেজ। তৃতীয় ছেলে হাফেজ মাওলানা আবু বকর। এই পরিবারে ২ ছেলে ও ৩ মেয়ের মধ্য ৩ জন হাফেজ। মেয়ে জামাইসহ মোট হাফেজের সংখ্যা ৬ জন। চতুর্থ ছেলে হাফেজ ইব্রাহীম। ১ মেয়ে ৪ ছেলে ও মেয়ে জামাইসহ হাফেজ সংখ্যা ৬ জন। পঞ্চম ছেলে হাফেজ জোবায়ের। তাদের পরিবারের ২ ছেলে ও ২ মেয়ে তারা সবাই হাফেজ। এই পরিবারে মোট হাফেজ সংখ্যা ৬ জন। ছোট ছেলে হাফেজ হুজাইফা। ২ ছেলে ও ১ মেয়ের মধ্যে ১ জন হাফেজ। তাদের পরিবারে মোট হাফেজের সংখ্যা ২ জন।
শাহজাহান হাওলাদারের ৪ মেয়ে। প্রথম মেয়ে হাফেজা খাদিজা। তার পরিবারে ছেলে মেয়ে, ছেলের বউ এবং মেয়ে জামাইসহ হাফেজ ১১জন। দ্বিতীয় মেয়ে হাফেজা আসমা। তাদের সংসারে ছেলে-মেয়ে ও মেয়ে জামাইসহ হাফেজের সংখ্যা ১০ জন। ৩য় মেয়ে হাফেজা খানসা। তাদের সংসারে ছেলে-মেয়ে ও মেয়ে জামাইসহ মোট হাফেজের সংখ্যা ৬ জন। সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে হাফেজা আম্মারা। তাদের সংসারে ২ ছেলে ১ মেয়েসহ মোট হাফেজের সংখ্যা ৩ জন।

শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে হাফেজ জোবায়ের হাওলাদার বলেন, বাবার পাঁচ নম্বর ছেলে আমি। আমরা ৬ ভাই ৪ বোন। বড় ভাই সে সৌদি আরবে জেদ্দায় থাকেন সেখানে মসজিদের ইমাম। তার ৬ সন্তান হাফেজ। আমাদের অন্যান্য ভাইয়েরা ও বোনেরা তাদের সন্তানরা হাফেজ হয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাদ্রাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। আমি এই মাদ্রাসার পরিচালনা করতেছি এখানের প্রধান শিক্ষক আমার স্ত্রী তার। হাতে এখানের শত শত মেয়েরা হাফেজ হয়ে এইসব অঞ্চলে শিক্ষকতা করছেন।

শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ‘আমার পরিবারের ছেলে মেয়ে নাতি বউসহ ৬৬ জন হাফেজ, হাফেজা রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ জনই আন্তর্জাতিক হাফেজ, আমি সাতখানা কিতাব লিখেছি। সবার কাছে আমার অনুরোধ রইল আপনারা আপনাদের ছেলে মেয়েদেরকে হাফেজ হাফেজা বানাবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলে ও ছেলের বউয়েরা বিভিন্ন মাদ্রাসায় এখন হাফেজ বানানোর শিক্ষা দিচ্ছে। আমি কোন দান বা সহযোগিতা এখন পর্যন্ত পাইনি, আমি আমার পৈতৃক সম্পত্তি ও মামাবাড়ির সম্পত্তি থেকে তিন একর জমি বিক্রি করে মাদ্রাসা ও মসজিদ করেছি।’

শাহজাহান হাওলাদার আরো বলেন, ‘আমার বাবা হাফেজদের খুব ভালবাসতেন। ছোটবেলা থেকেই কেমন যেন হাফেজদের প্রতি আমার ভালোবাসা ও সম্মান বেশি ছিল। বাবা-মা ছোটবেলায় মারা যাওয়ায় আমি হাফেজ হতে পারিনি। এজন্য আমি চিন্তা করেছি আমার ছেলে সন্তানদের সবাইকে হাফেজ বানাবো। তারা ইসলাম প্রচার করবে। আল্লাহ কবুল করেছেন। তাই আজ পরিবারে এতো হাফেজ হয়েছে।’

বাউফল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শাজাহান হাওলাদার একজন ভদ্র মানুষ ও তার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ জানাই। তার পরিবারের ৬৬ জন আল্লাহর কালাম পবিত্র কেরআন শরিফের হাফেজ হতে  পেরেছেন। এটা নিতান্তই গর্বের বিষয় আমাদের বাউফল ইউনিয়নের জন্য।




বাউফল উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন কচি

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: বাউফল উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন রাবেয়া খাতুন কচি। শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী কৃষিবিদ রাবেয়া খাতুন কচিকে উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা ঘোষনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুল ইসলাম, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার কর্মকর্তা (ইউআরসি) মো. মুমিন হোসেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশিষ ঘোষ, সুজন হালদার, মো. অলিউল ইসলাম ও রিয়াজুল ইসলাম নাসির।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাউফল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. কামারুজ্জামান খান ফিরোজ, বাউফল দাশপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা ইয়াসমিন লিপিসহ উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ।

কৃষিবিদ রাবেয়া খাতুন কচি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত হওয়ায় তার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকবৃন্দ ও পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।




দশমিনায় চতুর্থবার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন মোফাজ্জেল

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর দশমিনায় উপজেলা পর্যায়ে চতুর্থবার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন কে এম মোফাজ্জেল হোসেন।
তিনি উত্তর আদমপুর কালু মোল্লার হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কে এম মোফাজ্জেল হোসেন ১৯৯৯ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে পাতার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যোগদানের পর উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৩ সালে পূর্ব বেতাগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। এরপর একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমানে উত্তর আদমপুর কালু মোল্লার হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। তিনি ২০০৯, ২০১২, ২০১৫ ও ২০২৩ সালে উপজেলা পর্যয়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।




পটুয়াখালীর ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাঠাগারে বই উপহার

 

মো: আল-আমিন, পটুয়াখালী : প্রথম আলো ট্রাস্ট ও বিকাশের উদ্যোগে পটুয়াখালীতে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাঠাগারে বই উপহার দেওয়া হয়েছে। প্রেসক্লাবের ড. আতহার উদ্দিন মিলনায়তনে।

পটুয়াখালী জেলার ১০টি সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাঠাগারে প্রথম আলো ট্রাস্ট ও বিকাশের উদ্যোগে ৪ হাজার ৪০০ বই উপহার দেওয়া হয়েছে।

রোববার পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের ড. আতহার উদ্দিন মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সকাল সাড়ে ১০টায় বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী এ কে এম কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আ ন ম সাইফুদ্দিন। সাইফুদ্দিন বলেন, ‘বইয়ের চেয়ে ভালো বন্ধু আর হয় না। অথচ বর্তমানে তরুণ প্রজন্ম বই পড়ে না। তাদের বইমুখী করতে হবে। সেরা লেখকদের এসব বই এলাকার তরুণ প্রজন্ম ও পাঠকদের পাঠাভ্যাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিকাশ ও প্রথম আলো ট্রাস্টের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়।’বই পাওয়া পাঠাগারগুলো হলো রাঙ্গাবালীর চর মোন্তাজ ইউনিয়নের ভাসমান জেলে সম্প্রদায়ের শিশুদের জন্য গড়ে তোলা চর মোন্তাজ শিশু বাগান বোর্ড স্কুল পাঠাগার, পটুয়াখালী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুল পাঠাগার, আউলিয়াপুর মোল্লাস্টান্ড নুরানী হাফেজি মাদ্রাসা পাঠাগার, মির্জাগঞ্জ উপজেলার মনোহরখালী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পাঠাগার, বন্ধু গ্রন্থাগার, কলাপাড়া উপজেলায় নুর মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চাকামইয়া বেতমোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দুমকি উপজেলার তরুণ সংসদ, গলাচিপা উপজেলার উত্তর চরখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রথম আলো পাঠাগার।

বই বিতরণের আগে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন পটুয়াখালী এ কে এম কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক অশোক কুমার দাস, দুমকির মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক সোহরাব হোসেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া হৃদয় ও বন্ধুসভার উপদেষ্টা মিজানুর রহমান।




দুই ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর এডিসি হারুনকে রমনা থেকে প্রত্যাহার

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুন অর রশিদকে রমনা থেকে প্রত্যাহার করে পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ছাত্রলীগের দুই নেতাকে থানায় নিয়ে নির্মমভাবে মারধরের অভিযোগ পাওয়ার পরেই এই বদলির সিদ্ধান্ত এলো।

এদিকে, দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ডিএমপি কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানেন। এটি তদন্ত করা হবে, তদন্তে এডিসি দোষী হলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গতকাল শনিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে পুলিশ নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। আহত ব্যক্তিরা হলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ। তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ও তাদের সহপাঠীদের অভিযোগ, পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি হারুন অর রশিদ তাঁদের থানায় নিয়ে বেদমভাবে পিটিয়েছেন। ছাত্রলীগের নেতা পরিচয় দেওয়ার পরও হারুনের সঙ্গে ১০-১৫ পুলিশ সদস্য মিলে তাদের পেটান।

পুলিশ সূত্র জানায়, এডিসি হারুনের সঙ্গে শাহবাগের একটি হাসপাতালে পুলিশের এক নারী কর্মকর্তা আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেখানে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে ওই নারী কর্মকর্তার স্বামী হাজির হন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরবর্তীকালে এডিসি হারুন সেখান থেকে চলে যান। পরে পুলিশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের শাহবাগ থানায় ডেকে নিয়ে মারধর করে।




বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস আজ আট মাসে ৩৬১ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ক্রমান্বয়ে বাড়ছে আত্মহত্যার ঘটনা। পরিবারে অভিভাবক ও স্কুলের শিক্ষকদের ওপর অভিমান করে চলতি বছরের গত আট মাসে ৩৬১ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে; যেখানে স্কুল শিক্ষার্থী ১৬৯ জন, কলেজ শিক্ষার্থী ৯৬ জন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ৬৬ জন এবং মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ৩০ জন রয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আঁচল ফাউন্ডেশন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সমন্বয়ে এ তথ্য জানায়।

সংগঠনটির তথ্য বলছে, যে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নেয় তরুণ প্রজন্ম। ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার সংখ্যা ছিল ১০১ জন। ২০২২ সালে দেশে আত্মহত্যাকারী মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৩২। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর দেশের ১০৫টি জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টাল থেকে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার তথ্য সংগ্রহ শুরু করে। তাদের তৈরি সমীক্ষায় দেখা গেছে, চলতি বছর আত্মহত্যা করা ৩৬১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পুরুষ শিক্ষার্থী ছিল ১৪৭ জন এবং নারী শিক্ষার্থী ২১৪ জন। একই সময়ে ২০২২ সালে আত্মহত্যা করেছিল ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী। আত্মহত্যার শীর্ষে এবারও ঢাকা বিভাগ। আত্মহত্যার ক্ষেত্রে এগিয়ে নারী শিক্ষার্থীরা। আত্মহত্যাকারীদের বয়স বিবেচনায় দেখা যায়, বেশি আত্মহত্যা করেছে ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সি শিক্ষার্থীরা। গতকাল শনিবার সকালে ‘শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার হার ক্রমবর্ধমান :কোন পথে সমাধান?’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় আঁচল ফাউন্ডেশন।

দেশের এমন পরিস্থিতিতে আজ ১০ সেপ্টেম্বর দেশে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস-২০২৩’। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হবে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে—‘কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করো’।




শিক্ষার্থীদের তাণ্ডব চবিতে অর্ধশত বাস-মিনিবাস ভাঙচুর, ক্ষতি আনুমানিক ৩০ কোটি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ডেক্স:  শাটল ট্রেনে শিক্ষার্থী আহতের ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫০টি বাস ও মিনিবাস ভাঙচুর করেছেন বিক্ষুব্ধরা। বাসগুলো শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যাতায়াতে ব্যবহার করা হতো।

শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পরিবহন দপ্তরের সামনে দাঁড়ানো সবগুলো বাসই ভাঙা। কোনো বাসের গ্লাস নেই। আবার কোনোটির সিট নেই। বাসের ভেতর সব ইটের টুকরা পড়ে আছে। ভাঙা হয়েছে মিনিবাসগুলোও।

পরিবহন দপ্তরের তথ্যমতে, অন্তত ৫০টি বাস ও মিনিবাস ভাঙচুর করা হয়েছে। পরিবহন দপ্তরের দায়িত্বে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মচারী জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি দপ্তরের ভেতরে বসা ছিলাম। হঠাৎ করে এক থেকে দেড়শ স্টুডেন্ট স্লোগান দিতে দিতে এইদিকে আসতে থাকে। তাদের প্রত্যেকের হাতে লোহার রড, পাইপ ছিল। প্রথমে ভেবেছিলাম তারা হয়তো এক দুটি বাস ভাঙবে, তারপর চলে যাবে। কিন্তু এখানে এসেই তারা ইট মারতে শুরু করে। আমরা দপ্তরের ভেতরের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেই। কিন্তু তারা গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে ২০টির মতো মিনিবাস রাখা ছিল। সেগুলো ভেঙে ফেলে তারা।’

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে শাটল ট্রেনের ছাদে চড়ে ক্যাম্পাসে ফেরার সময় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে আটজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় ফুঁসে ওঠেন চবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের মূল ফটক আটকে বিক্ষোভ করেন তারা। একপর্যায়ে হঠাৎ করেই একজন শিক্ষার্থী মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তারা প্রথমে জিরো পয়েন্টে থাকা পুলিশ বক্সে হামলা চালান। এসময় পুলিশ বক্স পুরোটা ভেঙে ফেলা হয়। ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিল জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। এরপর উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনে হামলা চালান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরের প্রধান প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হিসাব করা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে বলা যাবে। তবে আনুমানিক ৩০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি পরিবহন দপ্তরে হয়েছে।’

প্রক্টর ড. নূরুল আজিম সিকদার বলেন, ‘উপাচার্যের বাসভবন ভাঙা হয়েছে। পুলিশ বক্স মারাত্মকভাবে ভাঙচুর করা হয়েছে। রেলের বগিতে আগুন দেওয়া হয়েছে। অনেকগুলো বাস ভাঙা হয়েছে। এগুলো সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাজ হতে পারে না।’




শাটল ট্রেন থেকে পড়ে ১৫ শিক্ষার্থী আহত মধ্যরাতে উত্তাল চবি, উপাচার্যের বাসভবন ভাঙচুর

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) যাওয়ার পথে শাটল ট্রেনে গাছের ধাক্কায় ছাদে থাকা অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী আহতের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে মধ্যরাতে উত্তাল হয়েছে চবি ক্যাম্পাস। এ ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবন ভাঙচুর করেছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে ভাঙচুর ও আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেন।

এর আগে, রাত সাড়ে ৮টার শাটল ট্রেন ক্যাম্পাসে এসে পৌঁছালেই শিক্ষার্থীরা নেমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে দেন। এ সময় তারা আগুন জ্বালিয়ে প্রশাসনের নিকট শিক্ষার্থী আহতের জবাব ও শাটল ট্রেনের বগি বাড়ানোর দাবি জানান। এছাড়াও জিরো পয়েন্টে অবস্থিত পুলিশ বক্সে ভাঙচুর চালান শিক্ষার্থীরা।

রাতের শাটল ট্রেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়ী করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

এদিকে আহতদের কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলেও জানা গেছে।

এর আগে, নগরীর বটতলী স্টেশন থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে আসা শাটল ট্রেন চৌধুরীহাট এলাকায় আসলে শাটল ট্রেনের ছাদে গাছের ধাক্কায় অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন।

তবে এসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. নূরুল আজিম শিকদারকে কল দিলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ হাজার শিক্ষার্থীর একমাত্র বাহন শাটল ট্রেন৷ তবে দীর্ঘদিন ধরে শাটল ট্রেনে বগি সংকট ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষার্থীদের তুলনায় শাটল অপর্যাপ্ত হওয়ায় বাধ্য হয়ে ছাদে উঠতে হয় শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে শাটলের বগি বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসলেও মিলছে না কোন সুফল। যার ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।




২০ বছর পর বাবুগঞ্জ উপজেলা ও তিন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

 

আল-আমিন,বাবুগঞ্জঃ অনেক জল্পনা কল্পনা ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগসহ তিনটি কলেজে ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগ। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন সেরনিয়াবাত সুমন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০ বছরের মাথায় ঘোষিত ৫১ সদস্যের বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে ফায়জুল হককে। এছাড়া কমিটিতে প্রসেনজিৎ দাস অপু, সৈয়দ জহিরুল ইসলাম মুরাদ, ওবায়দুল হক জুয়েল, রাজু খন্দকার, নিয়াজ আহমেদ আবির মৃধাকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। সাধারন সদস্যরা হচ্ছেন, মোঃ মুজিবুর রহমান(নয়ন), মোঃ সাগর হোসেন খাদেম, তাপস ভদ্র, মোঃ মহিজুর রহমান(সিহাব), মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, মোঃ সিরাজুল ইসলাম(সুমন ঢালী), রেজাউল করিম সোহাগ, মোঃ শিমুল শরীফ, মোঃ আল-আমীন, আবু ছালেহ মেহেদী(মুমিন), রাজীব দাস, তৌকির আলম(তুষার), বেল্লাল হোসেন, মোঃ রহমাতুল্লাহ, মোঃ তানভির হোসেন, মোঃ মিরন হাওলাদার(মিলন), মোঃ মেহেদী হাসান, নাজমুল হাচান, মোঃ ইয়াছিন হোসেন, জালিস মাহামুদ(অপু হাওলাদার), মোঃ মাসুম, আহনাফ মোর্শেদ মুবিন, প্রমিথ রায়, সাইফুল ইসলাম, মোঃ ফারুক হোসেন, নাসিম, মোঃ সাফায়েত জামিল, শেরফুর আলম(অনিক সিকদার), মোঃ নাফিজ, ফারুক হোসেন, মোঃ ফয়সাল আহমেদ(শুভ), আবু সাইদ সৌরভ, মোঃ সফিকুল ইসলাম সিফাত, মোঃ মাসুদ রানা(রেজবী), মোঃ সজল মাহমুদ, মোঃ এনামুল হক রানা, মোঃ রবিউল খান, মোঃ শিবলু খান, মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ রাফি, মোঃ আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ, মোঃ রানা, মোঃ উজ্জল, মোঃ রাফিন তালুকদার, মোঃ শাওন খলিফা এবং আজবির আহমেদ জয়। এছাড়া ঘোষিত বাবুগঞ্জ উপজেলার তিনটি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটির মধ্যে- আগরপুর ডিগ্রী কলেজে ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে মোঃ সাগরকে আহŸায়ক এবং হাফিজুর রহমান ও অলিউল ইসলামকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। বাকীদের সদস্য করা হয়েছে। সরকারি আবুল কালাম কলেজে ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে নাঈম সিকদারকে আহ্বায়ক এবং আবিদ আল সাকিব ও নাহিয়াল মোল্লাকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। বাকীদের সদস্য করা হয়েছে। এছাড়াও বাবুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে তরিকুল ইসলাম নাঈমকে আহ্বায়ক এবং আসাদুজ্জামান, সাদেকুর রহমান, শাওন হাওলাদার ও মোঃ রবিউল ইসলাম তুহিনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। বাকীদের সদস্য করা হয়েছে। স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে বলা হয় চারটি শাখা কমিটিই তিনমাসের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য ২০০৩ সালের ৬ ফেব্রæয়ারি সম্মেলনের মাধ্যমে আক্তার উজ জামান মিলনকে সভাপতি ও মনির হোসেন রুমনকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠন করা হয় বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি।




দশমিনায় বাবার মৃতদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী মেয়ে

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর দশমিনায় মধ্যরাতে মারা যান মো. লিয়ার সরদার (৫০)। শোকে বিহ্বল স্বজনেরা নিচ্ছেন মরদেহ দাফনের প্রস্ততি। এমন অবস্থায় বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে শারীরিক প্রতিবন্ধী মোছা. রিপা বেগম নামের এক মেধাবী শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার সদর ইউনিয়নের দিগন্ত সড়ক এলাকার লিয়ার সরদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মোছা. রিপা বেগম ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের বাণিজ্য বিভাগ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তার পরীক্ষার কেন্দ্র পড়েছে দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

আজ সকাল ১০টার আগে চোখ মুছতে মুছতে পরীক্ষার কেন্দ্রে যেতে দেখা যায় রিপাকে। সহপাঠী ও কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সহযোগিতায় উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়।

ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো.করিম হোসেন বলেন, রিপা এই কলেজের বাণিজ্য বিভাগের মেধাবী ছাত্রী। পড়াশোনায়ও ভীষণ মনযোগী।

পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব মো. মাহমুদুল্লাহ বলেন, বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে কষ্ট চেপে রেখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে রিপা। আমি তার প্রতি সমবেদনা জানাই। আল্লাহ তাকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দিক। রিপা অনেক বড় হোক এই কামনা করি।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মো. লিয়ার সরদার দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্ট রোগে ভুগছিলেন। বুধবার মধ্যরাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হয়ে ‍তিনি মারা যান। তার পর থেকে বাড়িজুড়ে শোকের আবহ, সকাল থেকে শুরু হয়েছে মরদেহ দাফনের প্রস্ততি। বাবার মৃত্যুতে শারীরিক প্রতিবন্ধী মেয়ে মোসা. রিপা বেগম ভেঙে পড়লেও স্বজনদের কথায় বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে যায়।