এমবিবিএস হলেন কুষ্টিয়ার মুফতি হাবিব

অনলাইন ডেস্ক : গণমানুষের সেবার স্বপ্ন থেকে এমবিবিএস হয়েছেন কুষ্টিয়ার মুফতি হাবিবুর রহমান। এখন উত্তম ব্যবহার, আন্তরিকতা ও সঠিক চিকিৎসা দিয়ে গণমানুষের চিকিৎসক হয়ে ওঠতে চান তিনি। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন থেকেই তিনি এই অঙ্গনে অগ্রসর হয়েছেন।

মুফতি হাবিব জানিয়েছেন, মাদরাসায় অধ্যয়নকালে তার উস্তাজ মুফতি হাফিজুর রহমান মেহেরপুরী থেকে চিকিৎসক হওয়ার প্রেরণা লাভ করেন। পরে হাটহাজারী মাদরাসার মুফতি কিফায়াতুল্লাহ এবং মারকাযুদ দাওয়ার মুফতি আব্দুল মালেকের পরামর্শে তিনি এই পথে পা বাড়ান। খেদমতে খালক তথা সৃষ্টির সেবার মানসে তিনি এই পথে যাত্রা শুরু করেন। এরপর দীর্ঘমেয়াদী কঠিন পড়াশোনার চাপ সামলানোর পর অবশেষে লক্ষ্যকে ছোঁয়ার দ্বার প্রান্তে পৌঁছেছেন তিনি।

এ অর্জনকে বাংলাদেশের প্রথম দৃষ্টান্ত দাবি করে তিনি বলেন, আমার জানা মতে বাংলাদেশে এটাই প্রথম দৃষ্টান্ত যে একই ব্যক্তি ভালো আলেম হওয়ার পাশাপাশি এমবিবিএস ডাক্তারও হয়েছেন।

তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন, যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে সৃষ্টির সেবায় নিজেকে নিয়োগ করতে পারেন।

উল্লেখ্য, মুফতি হাবিব রাজধানীর বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া দারুল উলূম ফরিদাবাদ থেকে তাকমিল সমাপন করেন। তিনি বোর্ড পরীক্ষায় মুমতাজ মার্ক পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এরপর তার প্রিয় উস্তাজ মুফতি হাফিজুর রহমান মেহেরপুরীর প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া মেহেরপুর থেকে ইসলামী আইনশাস্ত্রে উচ্চতর পড়াশোনা করে মুফতি হন।




৫ম দিনের মতো উত্তপ্ত পবিপ্রবি: রাসেলের বহিষ্কারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও উত্তাপ

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) বিতর্কিত কর্মকর্তা শামসুল হক রাসেলের বহিষ্কারের আন্দোলনে অনড় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তাঁর স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি মাঠের আন্দোলন ছাড়াও টানা চতুর্থ দিনের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছাড়িয়েছে উত্তাপ।

এরই ধারাবাহিকতায় পবিপ্রবির সকল সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দদের ফেসবুকের প্রোফাইল কালো রাখাসহ বিতর্কিত কর্মকর্তা রাসেলকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে দেখা যায়। এসময় তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বয়কট রাসেল, স্ট্যান্ড উইথ নজরুল স্যার, উই ওয়ান্ট জাস্টিস ইত্যাদি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে প্রতিবাদ করতে থাকেন।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি পবিপ্রবির কৃষিকুঞ্জের ডাইনিং এ পিএ টু প্রো-ভিসি শামসুল হক রাসেল কর্তৃক পোস্ট হারভেস্ট টেকনোলজি এন্ড মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে শারীরিক লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠে। এ সময় তাঁকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি।

এরই প্রতিবাদে গত তিনদিন যাবত সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি এক দফা দাবি আদায়ে কঠোর আন্দোলনে নেমেছেন।

আজ পঞ্চম দিনের মতো কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে শিক্ষকের সম্মান আদায়ের আন্দোলনের মুখপাত্র রাকিবুল ইসলাম বলেন, যতদিন পর্যন্ত আমাদের এক দফা দাবি মেনে নিয়ে রাসেলকে স্থায়ী বহিষ্কার না করা হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হবে।




শিক্ষককে লাঞ্ছনার প্রতিবাদে এখনও উত্তপ্ত পবিপ্রবি

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে শিক্ষকদের অবস্থান ধর্মঘট ও ক্লাস বর্জন কর্মসূচি চলছে। অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা না হলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এদিকে তদন্ত কমিটিকে বলা হচ্ছে তিন কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে।

পুষ্টি ও বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষক নজরুল ইসলামকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে রোববার সকাল থেকেই ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাথীরা। ভবনে তালা দিয়ে বিভিন্ন শ্লোগানে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তারা।

অন্যদিকে একই দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেন শিক্ষকরা। ঘটনার নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বিবৃতি দেন তারা।
এমন পরিস্থিতিতে দুপুর দেড়টায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সাথে বৈঠকে বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য।

পরে তিনি জানান, তদন্ত কমিটি গঠনসহ অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এরপরই আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। তবে কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া না হলে তিনদিন পর আবারো আন্দোলন শুরুর হঁশিয়ারি দেন তারা।

এর আগে শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা শামসুল হকের হাতে লাঞ্ছিত হন পুষ্টি ও বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষক নজরুল ইসলাম।




ভেলায় পরীক্ষা দিতে না পারায় ৩ ছাত্রীর মামলা

বরিশাল অফিস :: ভোলার লালমোহনে চলমান দাখিল পরীক্ষায় তিন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করতে না পারায় নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

শুক্রবার লালমোহন থানায় তিন পরীক্ষার্থীর পক্ষ থেকে এ মামলা করেছেন বাউরিয়া গ্রামের এক ছাত্রীর দাদা মোহাম্মদ আলী।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে পরীক্ষা দিতে আসে করিমগঞ্জ ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার তিন ছাত্রী। তারা হলো মুনতাহা, সোনিয়া আক্তার ও মোসা. সালমা আক্তার।

তারা জানায়, পরীক্ষা দিতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রুহুল আমিনের চাহিদামতো রেজিস্ট্রেশন, ফরম ফিলাপ ও প্রবেশপত্রের ফিসহ সর্বমোট ১২ হাজার টাকা করে দিলেও তাদের নামে রেজিস্ট্রেশন ও এডমিট কার্ড আসেনি। পরে ওই শিক্ষার্থীদের হাতে অন্য তিন শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র দিয়ে পরীক্ষায় বসতে কেন্দ্রে পাঠান অধ্যক্ষ। তারা পরীক্ষাকেন্দ্রে এসে অন্যের নামে পরীক্ষায় বসলে প্রক্সি হবে এবং ধরা পড়লে জেল-জরিমানা হবে, এমন শঙ্কায় কেন্দ্রে ঢুকেননি।

এমন ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রুহুল আমিন ওই শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেন। এই তিন ছাত্রীর হাতে যাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও এডমিট কার্ড দিয়ে পরীক্ষা দিতে পাঠানো হয়েছে, সেই প্রকৃত পরীক্ষার্থীদেরও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

তবে একদিন পর অধ্যক্ষ মাওলানা রুহুল আমিন ও অফিস সহকারী মো. ওবায়েদের বিরুদ্ধে শুক্রবার লালমোহন থানায় প্রতারণার মামলা করেন প্রতারণার শিকার ছাত্রী মুনতাহার দাদা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে করিমগঞ্জ ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. রুহুল আমিনের মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

লালমোহন থানার ওসি মাহবুব-উল-আলম জানান, করিমগঞ্জ ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

 

 মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চর আগস্তি বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

আজ রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ৭৬ শিক্ষার্থীর মধ্যে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এরমধ্যে রয়েছে- স্কুল ব্যাগ, ড্রেস, জুতা, খাতা, কলম, পেন্সিল, ইরেজার, পেন্সিলকাটার, বেঞ্চ এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

চর আগস্তি বসুন্ধরা-শুভসংঘ স্কুলের শিশু শ্রেণি শিক্ষার্থী এনায়েত ইসলামের মা শাহনাজ বেগম বলেন, ‘আমরা ট্যাহা পয়সা খরচ কইরা লেহাপড়া করাইতে পারি না। হেলিগ্যা খেতে কাম করাইতাম। আমাগো চরে শুভসংঘ স্কুল হইছে। বসুন্ধরার মালিক আমাগো পোলাপাইনগো লইগ্যা এতো কিছু করে-আল্লায় হেরে সুস্থ রাহুক।
আইজ বসুন্ধরার লইগ্যাই আমাগো পোলাপান পড়া লেহা করতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমার স্বামী নাই। তিন পোলা লইয়া অনেক কষ্ট করি। বড় পোলা আর আমি মাইষ্যের খেতে কাম কইরা যা পাই হেইয়া দিয়া সোংসার চলে।
বসুন্ধরা স্কুল না থাকলে আইজ আমার পোলাডারে পড়াইতে পারতাম না।’

শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ গলাচিপা উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মো. ফোরকান কবির।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন- বসুন্ধরা শুভসংঘ চর বিশ্বাস ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান, উপদেষ্টা মো. সায়েম গাজী, চিকিৎসক আবু হানিফ, সাইদুল ইসলাম সাকু, সহসভাপতি মো. জসিম হাওলাদার, ওসিম মণ্ডল, মেহেদী হাসান, গলাচিপা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান করিম তালাল, দপ্তর সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক বিধান চন্দ্র রায়, নারী বিষয়ক সম্পাদক শিরিনা আক্তার, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক নাইম আহসান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন, সহ দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রহমান, সহ প্রচার সম্পাদক জুয়েল মোল্লা, সদস্য আলতাফ খান, মকবুল প্যাদা, মাইনুদ্দিন হাওলাদার, রাহিমা বেগম, রায়হান, স্বর্ণালী, ইসা, ঝুমুর চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম, হাফিজুর, রাকিব প্রমুখ।




দশমিনায় সেই কেন্দ্রসচিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): চলতি বছর এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে পটুয়াখালীর দশমিনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত কেন্দ্রসচিব অধ্যক্ষ নুরে আলম সিদ্দিকীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাফিসা নাজ নীরা স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এর আগে গতকাল বেলা ১১টার দিকে পরীক্ষাকেন্দ্রে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে ওই কেন্দ্রসচিবকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াশিউজ্জামান চৌধুরী।

দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্র দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সচিব নিযুক্ত হন চরহোসনাবাদ ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরে আলম সিদ্দিকী। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ওই কেন্দ্রে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ছয়টি দাখিল মাদ্রাসার ছয়জন সুপার।

এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী ওই ছয়জন সুপারের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে ওই কেন্দ্রসচিবকে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে রাতে কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির জরুরি সভায় ওই কেন্দ্রসচিবকে অব্যাহতি দিয়ে লিখিত আদেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাফিসা নাজ নীরা।

ইউএনও স্বাক্ষরিত ওই লিখিত আদেশে একই সঙ্গে দশমিনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবুল বাশারকে কেন্দ্রটির সচিব নিযুক্ত করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাফিসা নাজ নীরা বলেন, সুষ্ঠু পরীক্ষার স্বার্থে কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সভায় দশমিনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবুল বাশারকে কেন্দ্রসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়।




গলাচিপায় পরীক্ষায় অনিয়মের কারণে  মাদ্রাসার তিন ছাত্র বহিস্কার 

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে বৃহস্পতিবার গলাচিপা কালিকাপুর নূরিয়া সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা পরীক্ষা  কেন্দ্রে (কোড -৫৬৭) দাখিল পরীক্ষায় প্রথম দিনে কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ (১০১) বিষয়ের পরীক্ষায় নকল ও সাথে মোবাইল পাওয়ায় ৩ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা  হয়েছে।

বহিস্কৃতরা হলো মানিক চাঁদ দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী মো. ইসমাইল হোসেন রোল নম্বর ২৪১৩৪৫, বড় চত্রা দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী শামীম হোসেন রোল নম্বর ২৪১১২৬ ও উত্তর পূর্ব গজালিয়া দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম।

গলাচিপা দাখিল মাদ্রাসার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ও একাডেমিক সুপারভাইজার আবুল কালাম সাঈদ তিন জনকে বহিষ্কারের কথা নিশ্চিত করেছেন।

এ ব্যাপারে গলাচিপা  কালিকাপুর নূরিয়া সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও উপধ্যাক্ষ মো: জসিম উদ্দিন জানান, এ কেন্দ্রে মোট  পরীক্ষার্থী ৬২০জন অনুপস্থিত ১৫জন আর তিনকে অসাধুপায়ে অবলম্বনের দায়ে বহি:স্কার করা হয়েছে।

এদিকে সকাল ১০ টা থেকে সারাদেশের ন্যায় একযোগে মোট ১০ টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর ১ টায় শেষ হয়। এবারের মোট পরীক্ষার্থী ৩৮২৬ জন। এর মধ্যে প্রথম দিন অনুপস্থিত ছিলো ৫২ জন।

কেন্দ্র পরিদর্শন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, শান্তিপূর্ণ ও নকল মুক্ত ভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সকলে ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।




পটুয়াখালীতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ২৫ হাজারেরও বেশি 

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): সারা দেশের ন্যায় পটুয়াখালীতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই পরীক্ষা কেন্দ্রেগুলোর সামনে অভিভাবকদের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। পরীক্ষার্থীদের তল্লাশি চালিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় জেলার ৬৮ টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা শুরু হয়। এবার জেলায় পরীক্ষার্থী ২৫ হাজার ৫শ ৮৩ জন ।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২৫ হাজার ৫শ ৮৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এসএসসি পরিক্ষার্থী ১৫,৬৪৬ জন, দাখিল পরীক্ষার্থী ৭,৪৭৫ জন ও এসএসসি ভোকেশনালের পরীক্ষার্থী ২,৪৬২ জন।

জেলার কলাপড়া উপজেলায় ৯টি কেন্দ্রে ২,৯৭৪ জন,
রাঙ্গবালী উপজেলায় ৪টি কেন্দ্রে ১,২৭১ জন,
গলাচিপায় ১০টি কেন্দ্রে ৩,৯৯৩ জন,
দশমিনায় ৫টি কেন্দ্রে ২,২১০ জন,
বাউফলে ১৪টি কেন্দ্রে ৫,৪৬৬ জন,
দুমকিতে ৬টি কেন্দ্রে ১,৮৭০ জন, মির্জাগঞ্জে ৫টি কেন্দ্রে ২,০৪৭ জন ও
সদর উপজেলায় ১৫টি কেন্দ্রে ৫২৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে।

সুষ্ঠু ও নকল মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্নের লক্ষে জেলার ৮টি উপজেলাকে ৫ ক্যাটাগরিতে ভাগ করে ৫টি ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রগুলোতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।

পটুয়াখালী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান জানান, মাঠে আমাদের ৫টি ভিজিলেন্স টিম কাজ করেছে। আশা করছি নকলমুক্ত সুষ্ঠু পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারবো।




নতুন শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই : শিক্ষামন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  দেশের নতুন শিক্ষা পদ্ধতিতে মেধাবী একটি জাতি তৈরি হবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, নতুন শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা নেই।  তবে নতুন পদ্ধতি আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করার বিষয়ে শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।



এসএসসি শুরু আজ, পরীক্ষার্থী ২০ লাখ

চন্দ্রদীপ নিউজ : সারা দেশে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসএসসির প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্র বা সহজ বাংলা প্রথম পত্র বিষয়ে পরীক্ষা দেবে শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসএসসি-২০২৪ ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

আজ সকাল ১১টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

কভিড মহামারির পর এ বছর আগের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা। এ ছাড়া পূর্ণ নম্বর, পূর্ণ সময় ও পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯৪ জন পরীক্ষার্থী।