পবিপ্রবিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি)  মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে স্বাধীনতা চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত।

দিবসটি পালন উপলক্ষে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত ও ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়বাংলা পাদদেশে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রভোস্ট কাউন্সিল, শিক্ষক সমিতি, পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি, পবিপ্রবি ছাত্রলীগ, অফিসার্স এসোসিয়েশন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু কর্মকর্তা পরিষদ,  কর্মচারী পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদ সহ বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

আরো পড়ুন :আইসক্রিম চুরির অপবাদে ৩ শিশুকে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

পুষ্পস্তবক অর্পণ পরবর্তী সকাল ৯টায় পবিপ্রবির কেন্দ্রীয় মাঠে পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত।

সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে উপাচার্যের নেতৃত্বে স্বাধীনতা দিবসের র‍্যালী বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একাডেমিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

সকাল ১০টায় পবিপ্রবি পরিচালিত সৃজনী
বিদ্যানিকেতনে শিশু কিশোরদের মাঝে বিভিন্ন বিষয়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

একই সময়ে কৃষি অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী এবং এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উদযাপন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক এ.বি.এম মাহবুব মোর্শেদ খানের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শহীদদের আত্মত্যাগ ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। স্বাধীনতা শব্দটি আমাদেরকে উপলব্ধি করতে হবে, হৃদয়ে ধারণ করতে হবে, দেশকে ভালবাসতে হবে, দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষকে মূল্যায়ণ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সেই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে আমাদের সবাইকে সামগ্রিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে হবে।

এছাড়াও  কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাদ যোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত এবং দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




ভারতের উত্তর প্রদেশে মাদরাসা শিক্ষা নিষিদ্ধ করে আদালতের রায়

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে মাদরাসা শিক্ষা নিষিদ্ধ করে আদেশ দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাজ্যের এলাহাবাদ হাইকোর্ট এ রায় দেয়।

রায়ে উত্তর প্রদেশের মাদরাসা পরিচালনাকারী আইন-২০০৪ বাতিল করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়, ‘এই আইন ভারতের সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার পরিপন্থী’। রায়ে মাদরাসায় লেখাপড়া করা শিক্ষার্থীদের প্রচলিত স্কুলগুলোতে শিক্ষাগ্রহণের জন্য পাঠানোর কথাও বলা হয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এই রায়ের ফলে আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন হিন্দু-জাতীয়বাদী সরকারের সঙ্গে দেশটির মুসলিমদের দূরত্ব তৈরি হতে পারে।

এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই রায় ২৭ লাখ শিক্ষার্থী এবং ২৫ হাজার মাদরাসার প্রায় এক লাখ শিক্ষকের জীবনে গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্যের মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ইফতিখার আহমেদ জাভেদ।

রায়ে বিচারপতি সুভাষ বিদ্যার্থী এবং বিবেক চৌধুরী বলেন, ‘রাজ্য সরকার এটাও নিশ্চিত করবে যে, রাজ্যের ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী কোনো শিশু যেন যথাযথভাবে স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ থেকে বাদ পড়ে না যায়।’

অংশুমান সিং রাঠোর নামে একজন আইনজীবীর আবেদনের ভিত্তিতে এলাহাবাদ হাইকোর্ট মাদরাসা নিষিদ্ধের এই রায় দেয়।

রাজ্য সরকার মাদরাসা শিক্ষার বিরুদ্ধে নয়, বরং তারা মুসলমান শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে উদ্বিগ্ন জানিয়ে উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় থাকা বিজেপির মুখপাত্র রাকেশ ত্রিপাঠী বলেন, ‘আমরা কোনো মাদরাসার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু আমরা ভেদাভেদের যে অনুশীলন চলে তার বিরুদ্ধে। আমরা অবৈধ অর্থায়নের বিরুদ্ধে এবং আদালতের নির্দেশ অনুসরণ করে রাজ্য সরকার এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। ’

আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে ভারতে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে। দেশটির মোট জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশ মুসলমান। নির্বাচনী প্রচারের ডামাডোলের মধ্যে ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে মাদরাসা নিষিদ্ধ করা হলো।




জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট বেকার থাকছেন!

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : দেশের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ পড়াশোনা করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোতে। তবে এখান থেকে পড়াশোনা শেষ করা ২৮ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট তিন বছর পরও বেকার থাকছেন বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। এসব কলেজ থেকে পাস করা ৪২ দশমিক ২৯ শতাংশ শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট বেতনে চাকরি করছেন। এছাড়া ১৬ দশমিক ২০ শতাংশ আত্মকর্মসংস্থানে আছেন এবং ১৩ দশমিক ২২ শতাংশের বেশি খণ্ডকালীন কাজ করছেন।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান বিআইডিএস এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিআইডিএস কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে গবেষণার তথ্য তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা ফেলো বদরুন নেসা আহমেদ। তিনি জানান, বিআইডিএস সম্প্রতি (২০২৩ সাল) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের ওপর একটি গবেষণা পরিচালনা করেছে। ওই গবেষণায় তিন বছর আগে পাস করা শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তাদের বক্তব্যও নেওয়া হয়েছে। তাতে দেখা যায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করার তিন বছর পরও প্রায় ২৮ দশমিক ২৪ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট চাকরি পাচ্ছেন না।

যে ২৮ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী বেকার, তারা কোন কোন বিষয়ে পড়েছেন, তাও দেখা হয়েছে গবেষণায়। এতে দেখা যায়, যারা বেকার থাকছেন, তাদের মধ্যে বেশির ভাগই বিএ (পাস) ডিগ্রিধারী। এছাড়া রাষ্ট্রবিজ্ঞান, লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা, বাংলা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেকারের হার তুলনামূলক বেশি। বিপুলসংখ্যক নারীও বেকার থাকছেন।

দেশের উচ্চশিক্ষায় যত শিক্ষার্থী আছেন, তাদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় অংশ কেন এখনো চাকরির বাজারে প্রবেশ করতে পারছে না, সেটাও খোঁজা হয়েছিল গবেষণায়।

এ প্রসঙ্গে গবেষণা ফেলো বদরুন নেসা আহমেদ জানান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে যেটি জানা গেছে তার মধ্যে একটি হলো, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমে সমসাময়িক জ্ঞান ও দক্ষতার অভাব রয়েছে। যার কারণে পাস করেও অনেকেই চাকরি পাচ্ছেন না। ইংরেজি ভাষার ক্ষেত্রেও ঘাটতি আছে। বাংলাদেশের অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যেসব সুবিধা পায়, তা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ঘাটতি আছে। সেসব সুবিধা দেওয়া গেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেকারত্বের হার কমে আসবে।

‘বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকার’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রবন্ধে বদরুন নেসা আহমেদ আরও বলেন, সার্বিক বেকারত্বের হার কমিয়ে আনা গেছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেকারত্বের হার এখনো বেশ উচ্চ হারে রয়ে গেছে। যারা বেকার রয়ে গেছেন, তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা যদি দেখা হয় তাহলে দেখা যাবে, ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা পেয়েছেন। কিন্তু তারা বেকার রয়ে গেছেন। তার মানে, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেও তারা চাকরির বাজারে নিজেদের সক্ষম করে গড়ে তুলতে পারেননি। যুবকদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৮ শতাংশ, যা জাতীয় বেকারত্ব হারের প্রায় দ্বিগুণ।

এই গবেষক বলেন, গত দুই দশকে (২০০৬-২৩) শিক্ষার কলেবর বেড়েছে এবং ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সাক্ষরতার হার ৪৫ থেকে বেড়ে ৭৬ শতাংশ হয়েছে। বেকারত্বের হারও কমেছে। ঝরে পড়ার হার ৪৯ থেকে কমে ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে। কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের সংখ্যাও ছিল ৯। সেখান থেকে সরকার সারা দেশে ১৬৬টি কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র করেছে।

বিআইডিএসের মহাপরিচালক অর্থনীতিবিদ বিনায়ক সেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

 




এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : চলতি বছরের অনুষ্ঠিতব্য উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। যদিও এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষা কবে শুরু হবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে কেন্দ্র অনুযায়ী কলেজের তালিকা দেয়া হয়েছে। ৩০ জুন এই পরীক্ষা শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় বলা হয়, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষার অনলাইনে ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী ১৬ এপ্রিল ও জরিমানা ছাড়া ফরম পূরণ চলবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। বিলম্ব ফিসহ ২৯ এপ্রিল শুরু হয়ে চলবে ২ মে পর্যন্ত। আর পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ৩০ জুন।

ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান শাখার পরীক্ষার্থীদের জন্য ২ হাজার ৬৮০ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ২ হাজার ১২০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাধারণত এপ্রিলে দেশে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হলেও কোভিড মহামারির ধাক্কায় শিক্ষা সূচি এলোমেলো হওয়ায় এবারও পরীক্ষা পিছিয়ে নেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে, চলবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত।




মেঘনা গ্রুপে নিয়োগ, ২৯ মার্চ পর্যন্ত আবেদন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির অ্যাকাউন্টস (সিমেন্ট প্ল্যান্ট) বিভাগ সিনিয়র ম্যানেজার/ ম্যানেজার পদে একাধিক লোকবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গত ২১ মার্চ থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।



প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সাময়িক পরীক্ষা থাকবে না

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে ১ম শ্রেণি থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িকের মতো পরীক্ষা থাকবে না। তবে ধারাবাহিক মূল্যায়ন চলবে। মূলায়ন নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি উচ্চ পর্যায়ে কমিটি করেছে। সেই কমিটির সুপারিশ ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত এভাবে প্রাথমিক স্কুলের মূল্যায়ন কার্যক্রম চলবে।



বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, প্রথম তামিম, দ্বিতীয় হাবিবুল্লাহ

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৩ হাজার ৬৮৯ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশের নোটিশ প্রকাশ করা হয়। এতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও অপেক্ষমান শিক্ষার্থীদের তালিকা দেওয়া হয়েছে এবং মেধাতালিকা ও পছন্দক্রম অনুযায়ী বিভাগ বণ্টন করা হয়েছে। এর মধ্যে মেধাক্রম মেনে মোট ১ হাজার ৩০৯টি আসনে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন।

ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থী আদনান আহমেদ তামিম, তার ভর্তি পরীক্ষার রোল ছিল ৫২৭০৭। দ্বিতীয় হয়েছেন হাবিবুল্লাহ খান, তিনিও নটরডেমের ছাত্র, রোল ৫২৮৮০। অন্যদিকে তৃতীয় হয়েছেন পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্র সুদীপ্ত পোদ্দার, রোল ৫০৯৬৩।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা তিন ধাপে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। প্রথম ধাপে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফর্মে তথ্য পূরণ করবেন। দ্বিতীয় ধাপে ভর্তির ফি প্রদান করবেন। এ বছর প্রকৌশল বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ভর্তি ফি ৭ হাজার ১৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া স্থাপত্য বিভাগের ভর্তি ফি ৭ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তৃতীয় ধাপে মূল সনদ, স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট এবং ভর্তি ফি-এর রশিদ জমা প্রদান সাপেক্ষে ভর্তি নিশ্চিত করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আগামী ২৭ মার্চ স্থাপত্য বিভাগে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা সনদ ও  দলিলাদি যাছাই এবং জমাদান, স্বাস্থ্য পরীক্ষার ছাড়পত্র গ্রহণ এবং ভর্তি ফি প্রদান সাপেক্ষে ভর্তি নিশ্চিত করবেন। এছাড়া প্রকৌশল বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ২৭ ও ২৮ মার্চ একই প্রক্রিয়ায় ভর্তি নিশ্চিত করবেন।

এদিকে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কমিটিসমূহের সভাপতি অধ্যাপক ড. জীবন পোদ্দার বলেছেন, আগামী মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে নতুন বর্ষের শ্রেণি কার্যক্রম চালু হবে।




অবন্তিকার হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ

বরিশাল অফিস :: জগ্ননাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবন্তিকার কাঠামোগত হত্যা” র সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে

সোমবার( ১৮ মার্চ) সকাল ১১ টায় অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বরিশাল মহানগর শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বরিশাল মহানগর শাখার সভাপতি বিজন সিকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ বরিশাল জেলা শাখার সমন্বয়ক ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন খোকন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বরিশাল মহানগর শাখার অর্থ সম্পাদক ফারজানা আক্তার, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ফারহান, সদস্য রেজওয়ান হোসেন সিয়াম, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সরকারি বরিশাল কলেজ শাখার সদস্য ঐশী হালদার, এ কে স্কুল শাখার সংগঠক সোহান শরীফ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবন্তিকা গতবছর নভেম্বর মাস থেকে তার সহপাঠী ছাত্রলীগ নেতা আম্মান সিদ্দীকী কর্তৃক নানাবিধ উত্যক্তকরণ ও নিপীড়নের শিকার হয়ে প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোন বিচার পায়নি বরং সহকারী প্রক্টর দীন ইসলাম অভিযোগ করার জন্য তাকে অফিসে ডেকে হয়রানি করেছেন যা সে আত্মহত্যার পূর্বে তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছে।

বক্তারা বলেন, বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি ও স্বৈরাচারী রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতার ফলে ছাত্রলীগ নেতা আম্মান সিদ্দিকী দীর্ঘদিন ধরে অবন্তিকাকে উত্যক্ত করার সাহস পেয়েছে। ক্যাম্পাসগুলিতে শুধু সন্ত্রাস-দখলদারিত্বের রাজত্ব কায়েম করেই ক্ষান্ত হয়নি সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ, উপরন্তু দেশের আপামর ছাত্রী-নারীর কাছে বিভীষিকাময় মূর্তি নিয়ে হাজির হয়েছে৷ আর এসবের সাথে যুক্ত হয়ে ক্যাম্পাসের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ছাত্রলীগ নেতা আম্মান সিদ্দীককে রক্ষা করার জন্য নির্লজ্জ দালালি করেছেন।

বক্তারা বলেন, অবন্তিকার মৃত্যু আত্মহত্যা নয়, কাঠামোগত হত্যা। বক্তারা অবিলম্বে অবন্তিকার “কাঠামোগত হত্যা” র সাথে জড়িত সকল ব্যক্তিদের তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে একটি মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।




পবিপ্রবিতে বঙ্গবন্ধু’র জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২৪’র দিনব্যাপী কর্মসূচি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৪ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২৪ পালিত হচ্ছে।

রবিবার(১৭ মার্চ) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৯টা ৩০মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্ত্বরে বঙ্গবন্ধু’র আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত ও ট্রেজারার প্রফেসর মোহাম্মদ আলী।

সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে স্বাধীনতা চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একাডেমিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

সকাল ১০টায় কৃষি অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে বঙ্গবন্ধু’র জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২৪ উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রফেসর এ বি এম মাহবুব মোর্শেদ খান’র সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত,বিশেষ অতিথি হিসেবে ট্রেজারার প্রফেসর মোহাম্মদ আলী উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালি নয় পুরো বিশ্বে নেতৃত্বের দৃষ্টান্তে অবধারিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময়ই লড়াই-সংগ্রাম, কারাবরণের মধ্য দিয়ে কাটিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠন করে যেতে পারেননি, কিন্তু তাঁরই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা বিশ্বের কাছে উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

একই সময়ে পবিপ্রবি পরিচালিত সৃজনী বিদ্যানিকেতনে প্রামান্য চিত্র প্রদর্শণী এবং শিশু কিশোরদের জন্য রচনা,উপস্থিত বক্তৃতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও যোহরের নামাজের পর পবিপ্রবির কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া-মোনাজাত এবং দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।

 




অবন্তিকার মৃত্যুর ঘটনায় জবির সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও আম্মান আটক

চন্দ্রদীপ ডেস্ক : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত জবি শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম এবং সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকীকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৬ মার্চ) রাতে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শিক্ষক-সহপাঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ফাইরুজ অবন্তিকা শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা সদরের ঠাকুরপাড়া এলাকায় নিজ বাসায় গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আম্মান সিদ্দিকীকে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সহায়তাকারী ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দ্বীন ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত ও প্রক্টরিয়াল বডি থেকে তাৎক্ষণিক অব্যাহতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হচ্ছে— ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে; অভিযুক্ত শিক্ষক দ্বীন ইসলাম ও শিক্ষার্থী আম্মান সিদ্দিকিকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচারের আওতায় আনা; দ্রুত সিন্ডিকেট ডেকে অভিযুক্তদের স্থায়ী বহিষ্কার; ভিক্টিমের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী নিপীড়ন সেল কার্যকর করতে হবে।