শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি কমতে পারে




পবিপ্রবিতে পাওয়ারিং দ্য ফিউচার শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ‘পাওয়ারিং দ্যা ফিউচার’ শিরোনামে ‘ওভারকামিং এনার্জি ক্রাইসিস উইথ সাসটেইনেবল সলিউশন’ বিষয়ক আলোচনাসভা আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়টির কৃষি কনফারেন্স কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করে।

আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও শক্তি উপদেষ্টা (সিএবি) অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, পবিপ্রবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকার, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক আফজাল হোসাইন, অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ইমরানুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক জাকারিয়া আরেফিন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

আরো পড়ুন : দুমকি উপজেলা নির্বাচনে আনারস মার্কার সমর্থনে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী “মেহেদী হাসান মিজান”

অধ্যাপক ড. শামসুল আলম তার আলোচনায় এনার্জেটিক এফিসিয়েন্সি এবং ইকোনমিক এফিসিয়েন্সি নিয়ে কথা বলার সময় বাংলাদেশের এনার্জি সেন্টার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে আলোচনা করেন।

আলোচনায় তিনি শক্তির সাসটেইনেবল সলিউশন নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক এ আলোচনা করার সময় তিনি বলেন, এই সমস্যা সমাধানে এগ্রিকালচার, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স, বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন, আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রয়েছে। ’ডলারের ব্যবহার হ্রাস করার জন্য জোর আহ্বান জানান তিনি।

সভা শেষে প্রশ্নোত্তর সভার আয়োজন করা হয়।




বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি পেল বিড়াল




একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি, চলবে তিন ধাপে




১৮তম নিবন্ধনের প্রিলির ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৭৯৯৮১ জন




১৬ বছর পর্যন্ত কম খরচে পড়ালেখা করানো সরকারের লক্ষ্য’




নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন: ৬৫ শতাংশ লিখিত, ৩৫ কার্যক্রমভিত্তিক

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সামষ্টিক মূল্যায়নের লিখিত অংশের ওয়েটেজ হতে যাচ্ছে ৬৫ শতাংশ। আর কার্যক্রমভিত্তিক অংশের ওয়েটেজ হবে ৩৫ শতাংশ। সম্প্রতি মূল্যায়নের বিষয়ে এ–সংক্রান্ত কমিটি যে সুপারিশ করেছিল, তা থেকে কিছুটা পরিবর্তন এনে লিখিত অংশের ওয়েটেজ বাড়ানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গতকাল সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ নিয়ে আলোচনা ও প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। সভায় মন্ত্রণালয়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী দশম শ্রেণি শেষে যে পাবলিক পরীক্ষা হবে, সেটির নাম এখনকার মতো মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষাই রাখা হচ্ছে। এ পরীক্ষা হবে শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে।

দেশে গত বছর নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হয়। বর্তমানে প্রাথমিকে প্রথম থেকে তৃতীয় এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা নতুন শিক্ষাক্রমে অধ্যয়ন করছে। পর্যায়ক্রমে ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে চালু হবে নতুন শিক্ষাক্রম।




এসএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর নয়টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ।

শিক্ষা বোর্ড সূত্র আরও জানিয়েছে, এবার ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩২ শতাংশ, রাজশাহীতে ৮৯ দশমিক ২৫ শতাংশ, যশোরে ৯২ দশমিক ৩২ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, বরিশালে ৮৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৭৮ দশমিক ৪০ শতাংশ, সিলেটে  ৭৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

এছাড়া মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৩৮।

এবার যশোর বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে বেশি। আর সর্বনিম্ন পাসের হার সিলেট বোর্ডে।

রোববার (১২ মে) সকালে সরকারি বাসভবন গণভবনে একটি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি একটি বোতাম টিপে ফলাফল প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সম্মিলিত ফলাফলের পরিসংখ্যান প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছেন।

www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়েও তারা তাদের ফলাফল জানতে পারবেন।

২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ শিক্ষার্থী তিন হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষা শেষ হয় ১২ মার্চ।




এসএসসির ফল প্রকাশ রোববার, জানবেন যেভাবে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ২০২৪ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামিকাল রোববার (১২ মে) সকাল ১১টায় প্রকাশিত হবে। প্রার্থীরা অনলাইনে বা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে তাদের ফলাফল জানতে পারবেন বলে জানিয়েছেন বোর্ড কর্মকর্তারা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ মে সকাল ১০টায় গণভবনে চলতি বছরের মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল ও পরিসংখ্যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হবে। মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন।

এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাসার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়, ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে।

ওয়েবসাইটে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম, বছর ও শিক্ষা বোর্ড সিলেক্ট করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে ফল জানা যাবে।

অন্যদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট পেতে বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) অ্যান্ট্রি করতে হবে। তাহলে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। উদাহরণ: SSC Dha 123456 2024, লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।

২০২৪ সালের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। গতবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৪৮ হাজার।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়, ১২ মার্চ শেষ হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মার্চ। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিলের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ১৪ মার্চ এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২১ মার্চ শেষ হয়। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও ভোকেশনালের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ১২ এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২১ মার্চ শেষ হয়।




৯৬ হাজার ৭৩৬ শিক্ষক নিয়োগ: যেভাবে আবেদন করবেন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : গত ৩১ মার্চ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯৬ হাজার ৭৩৬টি পদে প্রবেশ পর্যায়ে (এন্ট্রি লেভেল) শিক্ষক নিয়োগের ৫ম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগপ্রত্যাশী সংশ্লিষ্ট পদে নিবন্ধনধারী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। স্কুল অ্যান্ড‌ কলেজে পদ সংখ্যা ৪৩ হাজার ২৮৬। মাদরাসা, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান ৫৩ হাজার ৪৫০টি পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

১৭ এপ্রিল দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগের আবেদন শুরু হয়। আজ বৃহস্পতিবার (৯ মে) আবেদনের শেষ দিন। তবে ১০ মে রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদনের ফি জমা দিতে পারবেন আবেদনকারীরা।

যেভাবে আবেদন করা যাবে
অনলাইনে আবেদন ফি দেওয়া সংক্রান্ত নিয়ম টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে এবং এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।

আবেদন এবং ফি দেওয়ার নিয়মের বিষয়ে ভিডিও টিউটোরিয়াল নমুনা (ডেমো) টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

 

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী আবেদনকারীকে কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে।

প্রার্থীকে আবশ্যিকভাবে কেবল তার শিক্ষক নিবন্ধন সনদে উল্লিখিত বিষয় সংশ্লিষ্ট পদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হবে। আবেদনকারী মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে চূড়ান্ত সুপারিশ বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আবেদনকারীর বয়স
আবেদনকারী প্রার্থীর বয়স ১ জানুয়ারি ২০২৪–এ ৩৫ বছর বা তার কম হতে হবে।

পছন্দক্রমে ৪০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
প্রত্যেক আবেদনকারী নিবন্ধন সনদ অনুযায়ী একই পর্যায়ে (স্কুল/কলেজ) একটি মাত্র আবেদন করতে পারবেন। একজন প্রার্থী শূন্য পদের তালিকা থেকে তার আবেদনে সর্বোচ্চ ৪০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দ দিতে পারবেন। পছন্দ প্রদানের পর কোনো প্রার্থী যদি তার পছন্দবহির্ভূত দেশের যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে ইচ্ছুক হন, তবে তাকে e-Application ফরমে প্রদর্শিত Other Option নামের বক্সে Yes Click করতে হবে। যদি ইচ্ছুক না হন, তবে No Click করতে হবে।

প্রতিষ্ঠান পছন্দের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে এনটিআরসিএ।

যেসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শূন্য পদের বিপরীতে কাম্যসংখ্যক শিক্ষার্থী নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানের এমপিও পরবর্তী সময়/ ভবিষ্যতে বাতিল হতে পারে বিধায় বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত যেসব এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদের বিপরীতে কাম্যসংখ্যক শিক্ষার্থী নেই, সেসব পদে পরবর্তী সময়/ ভবিষ্যতে নিয়োগ সুপারিশ প্রদান করা যাবে না।

কোনো প্রার্থীর যদি স্কুল ও কলেজ উভয় পর্যায়ের সনদ থাকে এবং তিনি যদি উভয় পর্যায়ের পদে আবেদন করেন, তবে প্রথমে তাঁকে কলেজ পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে। কলেজ পর্যায়ে নির্বাচিত না হলে স্কুল পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে। কলেজ পর্যায়ে নির্বাচিত হলে স্কুল পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে না।

আবেদনের ফি
সব আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে নির্ধারিত ১০০০ (এক হাজার) টাকা ফি প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত ফি পরিশোধ না করলে আবেদনটি বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে একবার সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর দেশের কোনো স্কুলে কর্মরতদের (এমপিওভুক্ত/ইনডেক্সধারী) সমপদে আবেদন করার সুযোগ নেই। তবে স্কুল পর্যায়ে যদি কোনো নিবন্ধন সনদধারী (এমপিওভুক্ত/ইনডেক্সধারী) প্রাপ্ত প্রার্থীর কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ থাকে এবং তিনি যদি কলেজ পর্যায়ে এমপিওভুক্ত না হন, তবে তার শিক্ষক নিবন্ধন সনদে উল্লিখিত কলেজ পর্যায়ের পদে ও প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন।

বিপরীতক্রমে কলেজ পর্যায়ে নিবন্ধন সনদধারী এমপিওভুক্ত প্রার্থীর যদি স্কুল পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ থাকে এবং তিনি যদি স্কুল পর্যায়ে এমপিওভুক্ত না হন, তবে তাঁর নিবন্ধন সনদে উল্লিখিত স্কুল পর্যায়ের পদে ও প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন। তবে আবেদন করা প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হলে আগের প্রতিষ্ঠানের সুপারিশ বাতিল বলে গণ্য হবে।