পবিপ্রবি’র আবাসিক হলের নাম পরিবর্তন

টুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) থেকে শেখ পরিবারের নামে থাকা সব আবাসিক হলের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি আবাসিক হলের নাম নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং নাম পরিবর্তন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অনুমোদনক্রমে এবং রেজিস্ট্রার (অ.দা.) অধ্যাপক ড. ইকতিয়ার উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

নতুন নামকরণের আওতায় শের-ই-বাংলা হল-১-এর নাম পরিবর্তন করে শহীদ জিয়াউর রহমান হল-১, শের-ই-বাংলা হল-২-এর নাম শহীদ জিয়াউর রহমান হল-২, কবি বেগম সুফিয়া কামাল হলের নাম চাঁদ সুলতানা হল, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম কবি বেগম সুফিয়া কামাল হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম বিজয় ২৪ হল, বরিশাল ক্যাম্পাসের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম জুলাই ৩৬ হল, নির্মাণাধীন নতুন ছাত্র হলের নাম শের-ই-বাংলা হল এবং নতুন ছাত্রী হলের নাম তাপসী রাবেয়া হল রাখা হয়েছে। তবে, এম. কেরামত আলী হলের নাম অপরিবর্তিত থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, এই নামগুলো পরবর্তী রিজেন্ট বোর্ড সভায় আনুষ্ঠানিক অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




৪৭তম বিসিএস প্রিলির সম্ভাব্য সময় জানালেন পিএসসি চেয়ারম্যান




২৭তম বিসিএসে বঞ্চিত ১১৩৭ জনের চাকরি ফেরত দিতে নির্দেশ




থমথমে কুয়েট, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) সংঘর্ষের ঘটনায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কোনো ক্লাস-পরীক্ষা হয়নি কুয়েটে। শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছে কুয়েট মেডিকেল সেন্টারের সামনে। ক্যাম্পাসের গেটে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

বুধবার দুপুর ১টার মধ্যে দাবি পূরণের আল্টিমেটাম দেন তারা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ক্লাস-পরীক্ষা।

কুয়েটের শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার রাতে প্রেস ব্রিফিং করে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি পুরোপুরি নিষিদ্ধ, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের শাস্তি এবং উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ছাত্র কল্যাণ পরিচালকের পদত্যাগসহ ৫ দফা দাবি জানান সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার দুপুর ১২টায় খুলনার শিববাড়ি মোড়ে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি করার কথা রয়েছে। এরপর খুলনা প্রেসক্লাবে ছাত্রদলের জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (নর্থ) মো. নাজমুল হাসান রাজীব বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় গতরাতে ৫ জনকে আটক করা হয়েছিল। তবে এখনও কোনো মামলা হয়নি। ক্যাম্পাসের গেটে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে কুয়েটে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকায় দৌলতপুর থানা যুবদলের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমানকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।

ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি নিয়ে বিরোধের জের ধরে গতকাল মঙ্গলবার কুয়েটে ছাত্রদলের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে শিববাড়ি মোড়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।




পবিপ্রবিতে ছাত্রদলের সদস্য ফরম বিতরণ ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় টিমের উদ্যোগে সদস্য ফরম বিতরণ ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে

সম্মেলনের আয়োজন ও কার্যক্রম

১৬ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (এসটিসি) কনফারেন্স কক্ষে এ কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর নবীন সদস্যদের মাঝে সদস্য ফরম বিতরণ, ফরম পূরণ ও জমাদানের কার্যক্রম শেষ করে আমন্ত্রিত অতিথিদের বক্তব্যের মাধ্যমে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ

কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন

  • বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম দিপু পাটোয়ারী

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন

  • যুগ্ম-সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিংকু
  • যুগ্ম-সম্পাদক তারেক হাসান মামুন

এছাড়াও পবিপ্রবি ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দসহ প্রায় ৩০০ নবীন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্য

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম দিপু পাটোয়ারী বলেন,
“ছাত্রদল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে এবং সকলের মতামতের প্রাধান্য দেয়। দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। আগে কর্মীদের নেতাদের কাছে যেতে হতো, কিন্তু এখন নেতারা কর্মীদের কাছে যাচ্ছেন, কর্মীসভা করছেন। ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে ছাত্রদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করা হচ্ছে। এটি প্রমাণ করে যে ছাত্রদল অন্য ছাত্রসংগঠনগুলোর মতো লেজুড়বৃত্তির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।”

উপস্থিত নেতৃবৃন্দের প্রতিশ্রুতি

অতিথিরা বলেন, ছাত্রদল ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে এবং সংগঠনকে আরও গতিশীল করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের অবস্থান জানাল শিবির

অবশেষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করল ইসলামী ছাত্রশিবির। এর আগে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নিজেদের পরিচয় গোপন রেখেছিল। তবে এবার ৪ ফেব্রুয়ারি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

এদিকে, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের বিপরীতে দুই দিনব্যাপী প্রকাশনা উৎসবের আয়োজন করেছে শিবিরের ববি শাখা। ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবের আয়োজনের বিষয়ে ফেসবুকে পোস্ট করে জানানো হয়, ছাত্রশিবির সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সৎ, দক্ষ এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরির কাজ করে।

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের ফেসবুক পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয় যে, শিবির একটি শিক্ষা-বান্ধব ক্যাম্পাস গঠনে এবং ইতিবাচক ছাত্র রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তিনি বলেন, “আমরা সবাইকে একত্রিত করে নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

এদিকে, গত ১১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে প্রকাশনা উৎসবের আয়োজন করেছে বলে জানা গেছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




তিতুমীর কলেজ ‘শাটডাউন’ ঘোষণা, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সরকারি তিতুমীর কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘শাটডাউন’ ঘোষণা করেছেন স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে আন্দোলনরত কলেজটি শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি রেলপথ ও সড়ক অবরোধে ‌‘বারাসাত ব্যারিকেড টু নর্থ সিটি’ কর্মসূচিও ঘোষণা করেছেন তারা।

এছাড়া সোমবারের মধ্যে দাবি মেনে নেওয়া না হয় তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় কলেজের মূল ফটকের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিতুমীর ঐক্যের উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসান মুক্তার।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আন্দোলন করছি। কিন্তু রাষ্ট্র বারবার আমাদের সঙ্গে দ্বিচারিতা করছে।

সেজন্য আমরা সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য তিতুমীর কলেজ শাটডাউন ঘোষণা করছি। এ সময়ের মধ্যে কোনো ক্লাস-পরীক্ষা কিংবা একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম হবে না।
তিতুমীর কলেজকে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণার পরেই তিতুমীরের গেটের তালা খোলা হবে।
এ সময় তিনি আরো জানান, সোমবার ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মহাখালী রেল ক্রসিংয়ে রেলপথ, আমতলী মোড়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, মহাখালী-গুলশান সড়ক এবং গুলশান লিংক রোডে সর্বাত্মক অবরোধ করবেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার রাতের মধ্যে যদি দাবির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা না হয় কিংবা দাবি মেনে নেওয়া না হয় তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এর আগে রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের বক্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা সেখানে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবস্থান করার পর রাত ৯টার দিকে মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে যান।

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৫টায় ৭ দফা দাবি নিয়ে অনশনে বসেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাতে যোগ দেন আরও দুজন। ২৯ জানুয়ারি দুপুরে গণঅনশন কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাছাড়া ওইদিন দুপুরে গুলশান-মহাখালী সড়কের দুই পাশেই বাঁশ ফেলে অবরোধ করেন।

৩০ জানুয়ারি রাতে শিক্ষার্থীরা ‘বারাসাত ব্যারিকেড টু নর্থ সিটি’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার পর থেকে তাদের এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা গুলশান-১ চত্বরে অবস্থান নিয়ে কয়েক দফা বিক্ষোভ করেন। রোববার দুপুর ১২টা থেকে ফের তিতুমীর কলেজের সামনে গুলশান-মহাখালী সড়ক অবরোধ করেন তারা। পরে সন্ধ্যায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন।




পটুয়াখালী পলিটেকনিকে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ

‘ফুলের মতো ফুটবো মোরা, আলোর ন্যায় ছুটবো, জ্ঞানের আলো সাথে নিয়ে দেশটাকে গড়ব’—এই প্রত্যয় নিয়ে পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (তারিখ) সকাল ১০টায় ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও শিক্ষার উপহার সামগ্রী দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্র কল্যাণ ও সমাজসেবা সম্পাদক হাফেজ ডা. রেজওয়ানুল হক। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু পুঁথিগত বিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভবিষ্যৎ গড়তে হবে।”

প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্র শিবিরের সাবেক কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগরের সাবেক সভাপতি ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ্ আন নাহিয়ান।

সভাপতিত্ব করেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখার সভাপতি সিয়াম হাসান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি রাকিবুল ইসলাম নূর।

এছাড়া বক্তব্য দেন ইনস্টিটিউটের সাবেক সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান, সাবেক ছাত্র আব্দুল কাইয়ুম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলা হয়, তাদের মেধা, দক্ষতা ও সততা দিয়ে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। সুশৃঙ্খল জীবন গঠন ও সঠিক শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।

নবীনবরণে ছাত্র শিবিরের জেলা, উপজেলা ও কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সাত কলেজ নিয়ে ‘জুলাই ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব

রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজকে নিয়ে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য নামও প্রস্তাব করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজের নেতৃত্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটি শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সঙ্গে এক বৈঠকে ‘জুলাই ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়’ নামটি প্রস্তাব করেছে। তবে শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে নামটি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. এস এম এ ফায়েজ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আমরা কয়েকটি নাম নিয়ে আলোচনা করেছি, এর মধ্যে ‘জুলাই ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়’ নামটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। শিক্ষা উপদেষ্টা নামটির প্রশংসা করেছেন। শিক্ষার্থীরা যদি এটি গ্রহণ করে, তাহলে সেটি চূড়ান্ত করা হতে পারে।”

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। তবে কাঙ্ক্ষিত সুবিধা না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে এই অধিভুক্তি বাতিল করে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

সবশেষ গত ২৬ জানুয়ারি রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে শতাধিক শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্য আহত হন। এরপর ২৭ জানুয়ারি ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেন।

অধিভুক্তি বাতিলের পর সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামো ঘোষণার দাবি জানান। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি কাজ শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার জন্য অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের মতামত নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকছে না সাত কলেজ

 চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হবে না। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয় সংলগ্ন সভাকক্ষে ঢাবি প্রশাসনের সঙ্গে ৭ কলেজের অধ্যক্ষদের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন লাউঞ্জে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজ বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় এরইমধ্যে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং ধৈর্যধারণ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। বৈঠক শেষে লিখিত বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ এ কথা জানান।

১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের সম্মানজনক পৃথকীকরণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২. অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এক বছর এগিয়ে এনে এবছর থেকেই অর্থাৎ ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভর্তি না নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

৩. শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য সভায় জোর সুপারিশ করা হয়।

৪. ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী আসন সংখ্যা ও ভর্তি ফি নির্ধারণসহ যাবতীয় বিষয়ে মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

৫. যেসব শিক্ষার্থী বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষা কার্যক্রমের অধীনে রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দায়িত্বশীল থাকবে, যাতে তাদের শিক্ষাজীবন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার জন্য সভা সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।