বাউফলে নার্সিং শিক্ষার্থীদের নতুন যাত্রা শুরু

পটুয়াখালীর বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউটে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে নবীনবরণ অনুষ্ঠান। এদিন নতুন করে ভর্তি হওয়া ৩৯ জন শিক্ষার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের শিক্ষাজীবনের যাত্রা শুরু করেন।

শনিবার দুপুর ১২টায় বাউফল উপজেলা নার্সিং ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, এই দিনটি শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। নার্সিং পেশা শুধু একটি চাকরি নয়, এটি মানবসেবার একটি মহান ব্রত। শপথের প্রতিটি বাক্য সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার পাশাপাশি নিজেদের আচরণ ও পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউটের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুর রউফ। তিনি বলেন, দক্ষ ও মানবিক গুণসম্পন্ন নার্স গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা ও বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক আবদুল বারী সরকার, অহিদুজ্জামান সুপন, জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, অতিথি ও শতাধিক নার্সিং শিক্ষার্থী।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে নবীন শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করান বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্সিং ইনচার্জ মিনারা বেগম। শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা মানবসেবার আদর্শে নিজেদের উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করেন।

পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছিল উৎসাহ, উদ্দীপনা ও নতুন স্বপ্নের উচ্ছ্বাস। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে এ ধরনের আয়োজন আরও জোরদার করা হবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপিতে বড় ধাক্কা, দুই উপজেলা কমিটি বিলুপ্ত

পটুয়াখালী-৩ আসনের রাজনীতিতে বড় ধরনের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশ সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটনকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অবিলম্বে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির বিদ্যমান কমিটি বাতিল করে সাংগঠনিক কার্যক্রম নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী না দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে সমর্থন দেওয়ার কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির একাংশ অনাগ্রহ দেখায়। মাঠপর্যায়ে নুরুল হক নুরের পক্ষে প্রত্যাশিত সাংগঠনিক তৎপরতা না থাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ক্ষুব্ধ হয়।

একই আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদ্য বহিষ্কৃত সদস্য হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। স্থানীয়ভাবে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর তার পক্ষে সক্রিয় থাকার বিষয়টিও কেন্দ্রীয় নজরে আসে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এমন ভূমিকা রাখাকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এর আগে বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিনের নেতৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠকে নুরুল হক নুরের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় দল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ যদি ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক অবস্থানের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাহলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া বিকল্প থাকে না। তিনি বলেন, শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে গলাচিপা উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যিনি দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন, তার সঙ্গে অবস্থান নেওয়ায় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। তার দাবি, সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্র কিছুটা দেরি করেছে। তিনি আরও বলেন, অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার সুযোগ নেই এবং তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সঙ্গেই থাকবেন।

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন জানান, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্তির চিঠি তারা হাতে পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে বলে তিনি জানান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনে এই সিদ্ধান্ত বিএনপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় বার্তা দিচ্ছে। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অনড় অবস্থান দেখিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব স্পষ্ট করে দিয়েছে, নির্বাচনি কৌশলে ভিন্নমত বা দ্বিমুখী ভূমিকার সুযোগ নেই।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কুয়াকাটার সৈকতে ফের ভেসে এলো মৃত ডলফিন

পর্যটন নগরী কুয়াকাটার সমুদ্রসৈকতে আবারও একটি মৃত ডলফিন ভেসে আসার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার সকালে সৈকতের পশ্চিম পাশের স্বপ্নরাজ্য পার্ক সংলগ্ন এলাকায় ডলফিনটির মরদেহ দেখতে পান কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির এক সদস্য।

খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃত ডলফিনটি উদ্ধার করেন। পরে পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন উপকূল, কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটি এবং কুয়াকাটা পৌরসভার সমন্বয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় ডলফিনটিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ডলফিনটির শরীরের বিভিন্ন অংশের চামড়া উঠে গিয়েছিল এবং তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। তাদের ধারণা, ডলফিনটি অন্তত একদিন আগেই মারা গেছে এবং সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে ভেসে তীরে এসেছে।

পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন উপকূলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, ডলফিনটির অবস্থা ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। শরীরের অধিকাংশ চামড়া উঠে যাওয়ায় কাছে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। এ ধরনের ঘটনা উপকূলের পরিবেশ ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অশনিসংকেত।

ডলফিন সংরক্ষণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, উপকূলজুড়ে ডলফিন রক্ষায় তারা সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। চলতি বছরে কুয়াকাটায় এটি প্রথম মৃত ডলফিন ভেসে আসার ঘটনা হলেও অতীতের পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক। তিনি বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ডলফিন মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান জরুরি।

এ বিষয়ে বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা একেএম মনিরুজ্জামান জানান, দুর্গন্ধ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়ানোর জন্য দ্রুত ডলফিনটির মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও কুয়াকাটা উপকূলে একাধিকবার মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। ২০২৩ সালে ১৫টি, ২০২৪ সালে ১০টি এবং ২০২৫ সালে ১১টি মৃত ডলফিন উপকূলে পাওয়া যায়। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসেও চর-গঙ্গামতি এলাকার বিভিন্ন স্থানে পরপর দুটি মৃত ডলফিন উদ্ধার করা হয়েছিল।

পরিবেশবিদদের মতে, জাল পেঁচানো, নৌযান চলাচল, শব্দদূষণ কিংবা সমুদ্রের পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণেও ডলফিনের মৃত্যু হতে পারে। তবে নিয়মিত ময়নাতদন্ত বা বৈজ্ঞানিক গবেষণা না হওয়ায় এখনো এসব মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে উপকূলবাসীর মধ্যে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভোটের আগে কাবা ঘরে বাউফলবাসীর জন্য দোয়া ড. মাসুদের

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্যপ্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ভোটের মাঠে নামার আগে পবিত্র ওমরা পালন করেছেন। সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে ওমরা আদায় শেষে তিনি বাউফল উপজেলার মানুষের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন।

শুক্রবার পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ শেষে মহান আল্লাহর দরবারে দাঁড়িয়ে বাউফল উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের জন্য দোয়া করেন ড. মাসুদ। এ সময় তিনি দেশ ও জাতির মঙ্গল, ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্যও প্রার্থনা করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, ওমরা পালনকালে তিনি বিশেষভাবে বাউফলের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, সামাজিক উন্নয়ন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দ্বীনি পরিবেশ সুদৃঢ় করার জন্য দোয়া করেন। পাশাপাশি সামনে যে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেখানে যেন তিনি সত্য ও ন্যায়ের পথে অটল থাকতে পারেন—সে জন্যও আল্লাহর সাহায্য কামনা করেন।

ভোটের আগে একজন ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম প্রার্থীর পবিত্র ওমরা পালনকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বাউফল উপজেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ। তাদের মতে, নেতৃত্বে আল্লাহভীরু ও নৈতিক মানুষ এলে এলাকার সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

বাউফল পৌর এলাকার একাধিক মুসল্লি ও স্থানীয় ব্যবসায়ী জানান, ভোটের আগে ড. মাসুদের ওমরা পালন তাদের মনে আশার সঞ্চার করেছে। তারা মনে করছেন, একজন দ্বীনদার ও শিক্ষিত মানুষ জনপ্রতিনিধি হলে এলাকার উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে।

নাজিরপুর ইউনিয়নের এক মসজিদের খতিব বলেন, কাবা ঘরে দাঁড়িয়ে বাউফলবাসীর জন্য দোয়া করা নিঃসন্দেহে একটি বরকতময় ঘটনা। এতে এলাকার মানুষের জন্য কল্যাণ নেমে আসবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

এদিকে কলাইয়া ইউনিয়নের কয়েকজন তরুণ মুসল্লি বলেন, ড. মাসুদ রাজনীতির পাশাপাশি নৈতিকতা ও দ্বীনের কথা বলেন। ভোটের আগে ওমরা পালন করে তিনি দেখিয়েছেন যে ক্ষমতার চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয়দের আশা, পবিত্র ভূমি থেকে করা এই দোয়া বাউফল উপজেলার মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং সামনের রাজনৈতিক পথচলাতেও এর শুভ ফল দেখা যাবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বরগুনায় সরিষার বেশি ফলনে কৃষক খুশি, লাভে মুখরোচক দৃশ্য

বরগুনা জেলায় সরিষার অধিক ফলনে কৃষকেরা খুশি। কুয়াশাছন্ন শীতের সকালে বরগুনার শিশিরে ভেজা হলুদ সরিষা ক্ষেত এক অপরূপ দৃশ্য উপস্থাপন করছে। বরগুনা সদর, পাথরঘাটা, আমতলী, তালতলী ও বেতাগীর বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা এখন সোনালি সরিষার মধ্যে সোনালি স্বপ্ন বুনছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আমন ধান কেটে পতিত ও একফসলি জমিতে সরিষা চাষ বেড়েছে। কম খরচে স্বল্প সময়ে বেশি ফলন পাওয়ায় এটি কৃষকদের কাছে লাভজনক ফসল হিসেবে জনপ্রিয় হয়েছে। এ বছর জেলায় বারি-১৪, ১৭, ১৮, ১৯ এবং টরি-৭সহ উচ্চফলনশীল জাতের সরিষা চাষ হচ্ছে।

সরিষা তোলার পর একই জমিতে বোরো ধান চাষ করা সম্ভব, যা কৃষককে এক জমিতে দুই ফসলের সুফল দেয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরগুনা সদর উপজেলায় ১৪৫ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫ হেক্টর বেশি। বিশেষ করে নলটোনা ও বুড়িরচর ইউনিয়নে সরিষার আবাদ সবচেয়ে বেশি হয়েছে। উল্লেখযোগ্য জাতগুলো হলো বারি সরিষা-১৭, বিনা সরিষা-৯ এবং বিনা সরিষা-১১।

সরেজমিনে দেখা যায়, বুড়িরচর ইউনিয়নের কৃষক হামেদ মৃধা (৬০) খরচ কম হওয়ায় ৪০ কড়া জমিতে সরিষার আবাদ করে মাত্র ১৪,০০০ টাকা খরচে ৪২,০০০ টাকা আয় করেছেন। ঢলুয়া নলটোনা ইউনিয়নের কৃষক রবিউল (৫৫) ২০ কড়া জমিতে ৭,০০০ টাকা খরচ করে তিন গুণ লাভ করেছেন। বেতাগীর গেন্দু মিয়া (৬২) জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সরিষার ফলন আরও বাড়বে।

বরগুনা শহরের ভ্রাম্যমাণ সরিষা তেল ব্যবসায়ী কাইয়ুম হোসেন (৫২) বলেন, গত তিন বছর ধরে তিনি সরিষার তেলের ব্যবসা করছেন। বরগুনায় সরিষার পর্যাপ্ত চাষ না হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের পাবনা জেলা থেকে সরিষা কিনে এখানে মেশিনে ভেঙে বিক্রি করেন। প্রতি লিটার সরিষার তেল বিক্রি করেন ২৪০ টাকায়, প্রতিমণ সরিষা ক্রয় করে ৫,০০০ টাকায় বিক্রি করেন। প্রতিদিন ৭–৮ হাজার টাকার তেল বিক্রি হয়।

সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, এ বছর কৃষকদের প্রণোদনা ও বীজ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। নলটোনা ইউনিয়নে গাজীমাহমুদ গ্রামের সরিষার ফলন ভালো হয়েছে। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরিষা একটি লাভজনক ফসল। প্রদর্শনী ও উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহী করা হয়েছে। বিনা চাষেও সরিষার আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস জানান, কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর জেলায় সরিষার ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। হলুদ ফুলে ভরা সরিষা ক্ষেত শুধু সৌন্দর্য নয়, বরং কৃষকের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার প্রতীক। সচেতন মহল মনে করছেন, বরগুনার কৃষি বিভাগ উদ্যোগ নিলে জেলায় ১২ মাস সরিষার আবাদ সম্ভব, যা মানুষের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




কুয়াকাটা-কলাপাড়া-পটুয়াখালী সড়ক: ৭০ কিলোমিটারে ১৫ বিপজ্জনক বাঁক, বাড়ছে দুর্ঘটনা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা-কলাপাড়া-পটুয়াখালী ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কে অন্তত ১৫টি বিপজ্জনক বাঁক রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁক পেরিয়ে বাস ও ট্রাক চলাচলে ক্রমশ দুর্ঘটনা বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন কুয়াকাটা পর্যটন এলাকায় আসা পর্যটকবাহী বাসের চালকরা।

বাসচালকরা জানাচ্ছেন, কুয়াকাটা থেকে কলাপাড়ায় যাত্রাপথে বিপজ্জনক বাঁকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কচ্ছপখালী লেক, হলদিবাড়িয়া খালের কালভার্ট, পাখিমারা স্কুল, মাস্টার বাড়ি ইত্যাদি। কলাপাড়া থেকে পটুয়াখালী পর্যন্ত রয়েছে সেকান্দর খালী, বান্দ্রা, কলঙ্ক, খুড়িয়ার খেয়াঘাটের আগে, আমতলী বন্দরের আগে, আমতলী ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন, ঘটখালী, আমরাগাছিয়া, মহিষকাটা, ইটভাটা, শাখারিয়া স্কুলসহ আরও কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ স্পট।

দ্রুতগতির বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন বাঁকগুলো ঘুরতে গিয়ে অহরহ দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। যদিও সড়ক ও জনপথ বিভাগের সতর্কতা সংবলিত নির্দেশনা স্থাপন করা রয়েছে, তারপরও দ্রুতগতিতে আসা যানবাহন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না।

বাসচালক আল আমিন জানান, “পটুয়াখালী-কলাপাড়া-কুয়াকাটা সড়কটির চওড়া কম। ঝুঁকিপূর্ণ মোড় ২০টির মতো। নিয়মিত চলাচল করলেও দুর্ঘটনা ঘটছে। অপরিচিত চালকরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন।”

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, “এই বাঁকগুলো চলাচলের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। দ্রুতগতিতে যানবাহন চালকরা অসতর্ক হলে দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। সড়কটি প্রশস্তকরণের সময় বাঁকগুলো ঠিক করা যেতে পারে।”

সড়ক ও জনপথ বিভাগের পটুয়াখালী নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

স্থানীয়রা আশা করছেন, দ্রুত এই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলো ঠিক করে সড়কটি নিরাপদ করা হবে, যাতে দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা কমানো যায়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




পিরোজপুরে শীতার্তদের মাঝে জেলা প্রশাসনের কম্বল বিতরণ অব্যাহত

পিরোজপুরে শীতার্তদের পাশে দাঁড়াতে জেলা প্রশাসনের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলেছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কদমতলা বাজার ও নূরানী গেট এলাকায় অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের শিক্ষা ও আইসিটি শাখার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) মাহমুদুর রহমান মামুন, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিস তানজিলা কবির ত্রপা, পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুনুর রশীদ এবং সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড আল আমিন

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুনুর রশীদ বলেন, “জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনায় আমরা সমাজের অবহেলিত ও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। তীব্র শীতে কোনো মানুষ যেন কষ্ট না পায়, সেজন্য প্রশাসনের এই তদারকি ও সহায়তা অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও জানান, আজকের কম্বল বিতরণে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ সুবিধা পেয়েছেন। এর আগে শীত শুরু হওয়ার সময় থেকে ইয়াতিমখানা, ছিন্নমূল, আবাসন, হাসপাতালসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রায় দেড় হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ শীতার্তদের মাঝে উষ্ণতা ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্ববোধক উদাহরণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারা হাটে জমেছে প্রাণ, পর্যটক ও বেচাকেনা উভয়েই রঙিন

ঝালকাঠির ভিমরুলী ভাসমান পেয়ারা হাট বর্ষার শুরুতেই হয়ে ওঠে দক্ষিণাঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র। দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটক আকৃষ্ট হচ্ছেন এখানকার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ভাসমান বাজারের প্রাণবন্ত দৃশ্য দেখতে।

ঝালকাঠিতে ৫৬২ হেক্টর জমিতে চাষ করা পেয়ারা বিক্রি হবে ন্যূনতম ১০-১২ কোটি টাকায়, যা স্থানীয় ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। জেলার সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশা, ভিমরুলী, শতদাসকাঠি, খাজুরা, মিরাকাঠি, ডুমুরিয়া, জগদিশপুর, হিমানন্দকাঠি, কাপড়কাঠিসহ ২০টি গ্রামে প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এই ফল চাষ হয়ে আসছে। চাষিরা প্রথাগত সর্জন পদ্ধতিতে কান্দি কেটে পেয়ারা চাষ করে আসছেন, যা মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রধান উৎস।

এ বছর সময়মতো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কিছুটা ফলন কম এবং আকার ছোট হলেও, পেয়ারা দাম বেশি হওয়ায় চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। বর্তমানে প্রতিমণ পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ১,০০০–১,১০০ টাকায়, আর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৪০–৫০ টাকায়।

ভাসমান হাটে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জমে ওঠে চমৎকার বেচাকেনার দৃশ্য। পাইকাররা ছোট-বড় নৌকায় এসে সরাসরি টাটকা পেয়ারা কিনে নিয়ে যান। খালজুড়ে শত শত ডিঙ্গি নৌকা যেন ভ্রাম্যমাণ দোকান, যা এই হাটকে করে তুলেছে দক্ষিণাঞ্চলের এক জীবন্ত পর্যটন কেন্দ্র।

এই হাট কেবল ফল বিক্রির স্থান নয়, বরং এটি এক ধরনের জীবনের উৎসব। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আধুনিক পদ্ধতিতে উৎপাদন বাড়াতে চাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং পেয়ারা থেকে জেলি, জ্যাম উৎপাদনে সহায়তা করা হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল্লা আল মামুন বলেন, উন্নত জাতের পেয়ারা চাষে চাষিদের সহযোগিতা করা হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




বরিশালে চোরকে শাস্তি, শীতের রাতে পুকুরে ২০ বার ডুব

বরিশালে নগরীর সদর রোডের বিবির পুকুরে চোরকে শাস্তি হিসেবে টানা ২০ বার ডুব দেওয়া হয়েছে। ঘটনা একটি অভিনব ও নজিরবিহীন পদ্ধতিতে ঘটেছে, যেখানে কোন মারধর ছাড়াই অপরাধীর শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নগরীর সদর রোড এলাকায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পার্কিং করা মোটরসাইকেলের হেলমেট চুরির ঘটনা এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছিল। ক্ষুব্ধ মোটরসাইকেল চালকরা অবশেষে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে ওই চোরকে হাতেনাতে ধরেন।

আটক ব্যক্তি ইউসুফ হোসেন, নিজেকে উজিরপুর উপজেলার মশাং গ্রামের বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। তিনি বর্তমানে নগরীর সাগরদী এলাকায় বসবাস করেন। শাস্তি দেওয়ার আগে তিনি সবার সামনে নিজের ভুল স্বীকার করে অনুরোধ জানান যেন তাকে মারধর না করা হয়।

এরপর স্থানীয়রা একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেন। ইউসুফ নিজে পুকুরে নেমে কান ধরে একের পর এক ২০ বার ডুব দিতে রাজি হন। প্রতিটি ডুবের সময় তিনি নিজের অপরাধের জন্য ক্ষমা চাইতে থাকেন।

শেষে স্থানীয় কয়েকজন তাকে কাছের দোকান থেকে নতুন প্যান্ট ও টি-শার্ট কিনে দিয়ে ছেড়ে দেন। এভাবে নগরবাসীর উদ্যোগে চোরকে শাস্তি দেওয়ার এই ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।




বরিশালে জাল টাকাসহ চার কিশোর গ্রেফতার, শহরে আতঙ্ক

নগরীর বাজার ও দোকানগুলোতে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া জাল টাকার কারণে সাধারণ মানুষ ও খুচরা ব্যবসায়ীরা চরম সতর্ক হয়ে পড়েছিলেন। তবে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কৌশলগত অভিযান চালিয়ে চার কিশোরকে গ্রেফতার করেছেন, যারা সংঘবদ্ধভাবে জাল নোট তৈরি ও ছড়িয়ে দিতো।

গ্রেফতারকৃত কিশোররা

ডিবি পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার কিশোরকে আটক করা হয়। তাদের নাম হলো:

  • শাওন (১৭), ঝাউতলা তৃতীয় গলি, হাসপাতাল রোড
  • আলভি (১৮), নথুল্লাবাদ এলাকা
  • তানভীর (১৮), ভাটিখানা এলাকা
  • আলিফ (১৬), শহরের বাসিন্দা

তারা সবাই শিক্ষার্থী।

ঘটনার বিবরণ

শাহেদের মতে, শহরের বগুড়া রোডের একটি চায়ের দোকানে শাওন ও আলিফ ১০০ টাকার জাল নোট দিয়ে সিগারেট ক্রয় করতে যায়। দোকানদারের সন্দেহের ফলে স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশকে খবর দেন। এরপর ডিবি অভিযান চালিয়ে তানভীরের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ ১০০ ও ৫০ টাকার জাল নোট, কম্পিউটার ও প্রিন্টার জব্দ করে। পরে নথুল্লাবাদ এলাকা থেকে আলভিও গ্রেফতার হন।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য

ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. ফিরোজ বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা শহরের বিভিন্ন দোকান ও বাজারে জাল নোট ছড়িয়ে দিত। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

বরিশালবাসী এই ঘটনায় সতর্ক হয়ে উঠেছেন। শিশু-কিশোরদের এমন কর্মকাণ্ড সমাজে সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫