চরমোনাই পীর-মামুনুলের দল জামায়াত জোট থেকে আলাদা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াত ও ইসলামী দলগুলোর মধ্যে জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন এবং মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বেশি আসনের চাহিদার কারণে তারা জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা না করে আলাদা প্ল্যাটফর্মে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

সূত্র জানায়, চরমোনাই পীরের দল শতাধিক আসন ও খেলাফত মজলিসের দল ২৫-৩০ আসনের দাবি করেছে। এই চাহিদা পূরণ করলে জামায়াতের আসন সংখ্যা অনেক কমে যাবে, যা জোটের মধ্যে জটিলতা সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে জামায়াত অন্তত দুইশ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করছে।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও আট দলের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা এখনও চলছে। “জামায়াতের কাছে কোনো আসন নেই, আসন সবার। আট দলের সবাই ছাড় দিবে এবং মিলেই নির্বাচনে যাবে। এনসিপির সঙ্গেও আলোচনা হচ্ছে। আরও কিছু দল আসন চাওয়ার জন্য যোগাযোগ করছে,” তিনি বলেন।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, “যেহেতু কোনো জোট চূড়ান্ত হয়নি, এখানে পাওয়া-না-পাওয়ার বিষয় নেই। আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হচ্ছে কার কোথায় আসন দেওয়া হবে। সব কিছু সমঝোতার ভিত্তিতেই হচ্ছে।”

খেলাফত মজলিসের শীর্ষ নেতা জানান, তারা সম্মানজনক আসন না পেলে বিকল্প প্ল্যাটফর্মে ভোটে অংশ নেবে। তবে সব দলই চায় আসন সমঝোতা ও ঐক্য অটুট রাখার। বর্তমানে দলের কাঙ্খিত আসনের প্রায় ৬০ শতাংশ সমাধান হয়েছে এবং অন্তত ৮০ শতাংশ পূর্ণ হলে তা সম্মানজনক হবে।

জানা গেছে, আগামী ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে আসন সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। যদিও কিছু জটিলতা আছে, তবুও দলগুলো ঐক্য বজায় রাখতে আগ্রহী এবং বৃহত্তর সহযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ঝালকাঠিতে বাজিতে খালে ডুব দেওয়ার ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে এক মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৫ বছর বয়সী কৃষক বাবুল মোল্লা মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি বড়ইয়া মোল্লাবাড়ি এলাকার আনসার মোল্লার ছেলে এবং পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের তথ্যে জানা গেছে, বাবুল মোল্লা সকালে বাড়ি থেকে এক বস্তা চাল মাথায় নিয়ে বড়ইয়া কাঁচারি বাজারে যাচ্ছিলেন। শীতের সকালে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে শরীর গরম হয়ে যাওয়ায় তিনি স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে ৫০০ টাকার বাজি ধরে খালে নেমে ১০০ বার ডুব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

নিহত কৃষক খালি গায়ে খালে নেমে নির্ধারিত ১০০ বার ডুব দেন। খালের দুই পাশে থাকা লোকজনকে ভিডিও ধারণ করতে নিষেধ করেন। ডুব শেষ করে খাল থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বজনরা দ্রুত কম্বল দিয়ে শরীরের তাপ বজায় রাখার চেষ্টা করেন এবং তেল দিয়ে মালিশও করেন। তারপরও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এই ঘটনায় এখনও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




সদরঘাটে ফিরতি নেতাকর্মীদের ঢল

রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বৃহস্পতিবার বেড়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঘরমুখী স্রোত। ১৭ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সরাসরি বরণ করার আনন্দে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঢাকায় আসা নেতাকর্মীরা এখন নিজ নিজ এলাকায় ফেরার পথে উত্তেজনা ও আবেগের মিলন ঘটাচ্ছেন।

বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনা থেকে আগত লঞ্চগুলোতে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল উপচে পড়ার মতো। দিনের কর্মসূচি শেষে ক্লান্ত শরীরে তারা সদরঘাটে পৌঁছে শান্ত মনে ঘরে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের প্রবেশপথ ও পন্টুন সংলগ্ন এলাকায় বিশেষভাবে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্লান্ত নেতাকর্মীদের পানি, শুকনো খাবার এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করছেন। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবকরা লঞ্চ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাতেও দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় বিএনপির নেতা ইশরাক হোসেন জানান, দক্ষিণবঙ্গের তৃণমূল নেতাকর্মীরা দীর্ঘ ১৭ বছর নেতার ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। আজ সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার দিন শেষ হয়েছে। ভোরের তুলনায় সন্ধ্যায় লঞ্চঘাটে ভিড় কিছুটা কমলেও নেতাকর্মীরা সুশৃঙ্খলভাবে ঘরে ফেরার পথে রয়েছেন।

একজন নেতাকর্মী আব্দুল মালেক জানান, “কষ্ট যা হওয়ার হইছে, কিন্তু নেতাকে দেখতে পারলাম। এই ১৭ বছরের অপেক্ষার জন্যই আজকের দিনটা স্মরণীয়।” অন্য একজন বরিশালের ব্যবসায়ী রিয়াজ জানান, “আজকের দিনটি আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। নেতাকে দেখার আনন্দে মনে শান্তি পেয়েছি।”

দেশের প্রধান নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাত ৮টার পর থেকে লঞ্চগুলো ধাপে ধাপে ছাড়তে শুরু করবে। নিরাপত্তা বজায় রাখতে মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




ভোলায় পূর্ববিরোধে ছাত্রদল নেতা খুন, এলাকায় উত্তেজনা

ভোলায় পূর্ববিরোধের জেরে ছাত্রদলের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিহত ছাত্রদল নেতার নাম রেজওয়ান আমিন শিফাত (২৮)। তিনি ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। রেজওয়ান ভোলা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ভোলা থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। রেজওয়ান আমিনও ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বুধবার মাগরিবের নামাজের পর ব্যাগ হাতে বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় বাড়ির সামনেই পূর্ববিরোধের জেরে তাকে ঘিরে ধরে প্রতিপক্ষরা।

নিহতের বাবা আলাউদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে হাসিবসহ কয়েকজন তার ছেলের পথরোধ করে। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজওয়ানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিহত রেজওয়ানের পরিবার ও অভিযুক্তদের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও রাজনৈতিক বিরোধ চলছিল। অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিন হাওলাদার রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন এবং একসময় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের পর তার ছেলে হাসিবসহ জড়িত ব্যক্তিরাও গা ঢাকা দিয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালে তীব্র শীত, মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় স্থবির জনজীবন

বরিশালে হঠাৎ করেই জেঁকে বসেছে কনকনে শীত। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা জনজীবনে চরম ভোগান্তি ডেকে এনেছে। তীব্র শীতের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবীরা।

বরিশাল আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই দিনে বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা আরও কমে গেছে।

আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মাসুদ রানা রুবেল জানান, ডিসেম্বরের শেষভাগ ও জানুয়ারির শুরুতে তাপমাত্রা সাধারণত কম থাকে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে। তবে আপাতত জেলায় কোনো শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের বেলুন মেকার মো. রাফি।

এদিকে তীব্র শীতের প্রভাবে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতাল (শেবাচিম)-এ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, শিশু ওয়ার্ডে মাত্র ৪১টি শয্যা থাকলেও বর্তমানে সেখানে প্রায় ৩০০ জন শিশু রোগী ভর্তি রয়েছে। ফলে শয্যার তুলনায় প্রায় সাত গুণ বেশি রোগী নিয়ে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।

শুধু শিশুরাই নয়, বয়স্কদের মধ্যেও সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্টসহ ঠান্ডাজনিত নানা রোগের প্রকোপ বাড়ছে। সকালে কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা পেতে দেরি হচ্ছে, আর বেলা বাড়লেও কনকনে ঠান্ডা কমছে না।

শীতের কারণে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কমে যাওয়ায় আয়-রোজগারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কাশিপুর এলাকার অটোরিকশাচালক কবির হোসেন বলেন, ‘ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে। যাত্রীও নেই। এভাবে কয়েক দিন চললে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাবে।’

সচেতন মহল মনে করছে, তীব্র শীত মোকাবেলায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে নিম্নআয়ের মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




আগৈলঝাড়ায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ওই নেতাকে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের পশ্চিম সুজনকাঠী গ্রামের মৃত মনোহর করের ছেলে এবং গৈলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা মানস কর (৪৫) কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা সদরের কালীখোলা এলাকায় অবস্থিত একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক হন।

এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাতুল ইসলাম শাহেদের দায়ের করা একটি মামলায় মানস করকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলায় মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে।

গ্রেফতারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয় বলে জানান তিনি। পুলিশ বলছে, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়ভাবে এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




পটুয়াখালীতে এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদারের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-১ (দুমকি–মির্জাগঞ্জ–পটুয়াখালী সদর) আসনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদারের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এই আসনটি ঘিরে নির্বাচনী মাঠে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে পটুয়াখালী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন অফিসার মো. মিজানুর রহমান খানের কাছ থেকে এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদারের পক্ষে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মিরাজুল ইসলাম মিন্টু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির মাহমুদ সেলিম, মাসুদ আল মামুন, দুমকি উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত। তিনি দীর্ঘ সময় জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং দলটির কো-চেয়ারম্যানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় পার্টির অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার প্রভাবে তিনি দলটির মূল রাজনীতি থেকে সরে এসে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট নামে একটি রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার এই অবস্থান পটুয়াখালী-১ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে পারে।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ প্রসঙ্গে এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদার বলেন, তিনি পটুয়াখালী-১ আসন থেকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং সে লক্ষ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করা হয়েছে। তিনি এলাকাবাসী ও সমর্থকদের কাছে দোয়া কামনা করেন।

উল্লেখ্য, এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদার সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পটুয়াখালী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষেও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে একাধিক পরিচিত মুখের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যেতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশালে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হচ্ছে বড়দিন

শান্তি, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে বরিশালে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন গির্জায় যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ প্রার্থনা, ধর্মীয় আচার ও নানাবিধ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

সকাল ৯টায় বরিশাল নগরীর সদর রোডস্থ ক্যাথলিক চার্চ ক্যাথিড্রাল ধর্মপল্লীতে প্রধান প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়াও অক্সফোর্ড মিশন (সেন্ট পিটার্স) চার্চ, ব্যাপ্টিস্ট চার্চসহ নগরীর অন্যান্য গির্জায় একযোগে বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কনকনে শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে গির্জায় উপস্থিত হতে থাকেন।

বড়দিন উপলক্ষে বরিশালের গির্জাগুলোকে বর্ণিল আলোকসজ্জা, ক্রিসমাস ট্রি, ফুল ও রঙিন ব্যানারে সাজানো হয়। গির্জার ভেতর ও বাইরে ছিল উৎসবের আমেজ। ধর্মীয় আয়োজনের মধ্যে বিশেষ প্রার্থনা, কীর্তন, বাইবেল পাঠ এবং যিশু খ্রিস্টের জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনেক গির্জায় শিশুদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গান ও নাট্য পরিবেশনা আয়োজন করা হয়, যা উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

প্রার্থনায় অংশ নেওয়া ভক্তরা জানান, মানবতার মুক্তি, ভালোবাসা ও ত্যাগের যে শিক্ষা যিশু খ্রিস্ট দিয়ে গেছেন, সেই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আগামী বছর যেন শান্তি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বন্ধনে অতিবাহিত হয়—এটাই তাদের প্রধান প্রার্থনা। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়।

বড়দিন ঘিরে নগরীর প্রধান গির্জাগুলোর আশপাশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হচ্ছে। অন্য ধর্মাবলম্বীরাও বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের আনন্দে শরিক হন, যা বরিশালের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে ফুটে ওঠে।

সব মিলিয়ে বরিশালে বড়দিন পরিণত হয়েছে ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি শান্তি ও সহাবস্থানের এক মিলনমেলায়—যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে আনন্দ ও সৌহার্দ্যের বার্তা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




১৭ বছর পর স্বদেশে ফেরা ঢাকায় তারেক রহমান, অপেক্ষায় জনসমুদ্র

দীর্ঘ ১৭ বছরের অপেক্ষা, জল্পনা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে স্বদেশের মাটিতে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তার এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হয় ব্যাপক আগ্রহ ও আবেগঘন পরিবেশ।

এর আগে, সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির পর সকাল ১১টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় ফ্লাইটটি। দীর্ঘ সময় প্রবাসে থাকার পর দেশের আকাশে তার ফিরে আসা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

জানা গেছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে লন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইট। এর আগে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে কিংস্টনের বাসা থেকে সপরিবারে বের হন তারেক রহমান। সফরে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন স্বজন।

ঢাকায় পৌঁছে বিমানবন্দরে নামার পর দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তারেক রহমান। পরে ভিআইপি লাউঞ্জে গেলে সেখানে আবেগঘন এক পারিবারিক মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু গোলাপের মালা পরিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এ সময় পাশে ছিলেন তার স্ত্রী ও কন্যা।

তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই রাজধানীর পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট সড়ক) এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল নামে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা গণসংবর্ধনাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। কেউ হেঁটে, কেউ দলবদ্ধভাবে স্লোগান দিতে দিতে উপস্থিত হন নির্ধারিত স্থানে।

কুড়িল মোড় থেকে শুরু করে ৩০০ ফিট সড়কের সংবর্ধনা মঞ্চের আশপাশ পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে বিভিন্ন রঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সাজানো হয় পুরো এলাকা। ব্যানারগুলোতে লেখা ছিল— ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’, ‘তারেক রহমান, বীরের বেশে, আসছে ফিরে বাংলাদেশে’, ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’—এমন নানা স্লোগান।

গণসংবর্ধনার জন্য কুড়িলের উত্তর পাশে দক্ষিণমুখী করে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে নির্মাণ করা হয় একটি বিশাল মঞ্চ। প্রায় ৪৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩৬ ফুট প্রস্থের এই মঞ্চে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, মঞ্চের সামনের এলাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অবস্থান করছেন।

দলের নেতাকর্মীদের মতে, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি বিএনপির রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে কাছে পাওয়ার আনন্দে নেতাকর্মীদের কণ্ঠে কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে স্লোগান, মুখে মুখে ফিরছে প্রত্যাশার কথা।

সব মিলিয়ে ১৭ বছর পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজধানী ঢাকা পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে—যেখানে আবেগ, প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক উত্তাপ একসঙ্গে মিলেমিশে গেছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




দেশের মাটিতে ফিরেই আবেগে ভাসলেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে স্বদেশের মাটিতে পা রেখেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিমানবন্দরে অবতরণের পর তিনি জুতা খুলে খালি পায়ে দেশের মাটিতে দাঁড়ান এবং একমুঠো মাটি হাতে তুলে নেন। এই মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেশের মাটিতে পা রেখে তারেক রহমান কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল দীর্ঘ অপেক্ষা, কষ্ট ও ভালোবাসার অনুভূতি। দেশের প্রতি গভীর টান এবং স্বদেশে ফেরার অনুভূতি প্রকাশ করতেই তিনি এমন আবেগী প্রতিক্রিয়া দেখান বলে মনে করছেন অনেকে।

এই দৃশ্য উপস্থিত নেতাকর্মীদের মন ছুঁয়ে যায়। অনেককে আবেগ সংবরণ করতে না পেরে চোখ মুছতে দেখা যায়। দীর্ঘ সময় পর দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দেশে ফেরা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত আবেগের বিষয় নয়, বরং বিএনপির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর তার সরাসরি উপস্থিতি দল পুনর্গঠন, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নেতাকর্মীরা বলছেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন আন্দোলন-সংগ্রামে দলকে আরও ঐক্যবদ্ধ করবে। দেশের মাটির প্রতি তার আবেগী ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

দীর্ঘ নির্বাসনের পর স্বদেশে ফেরা এই মুহূর্ত বিএনপির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। অনেকের মতে, এটি আগামী দিনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫