পুষ্টিগুণে ভরা লাউ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  স্বাদে ও পুষ্টিগুণে ভরপুর সবজি হলো লাউ। এটি খেলে পেট ঠান্ডা থাকে। হজমের সমস্যা হয় না। শরীরের জন্য খুবই উপকারী এই সবজি দিয়ে নানা রকম রান্না সহজেই রেঁধে ফেলা যায়।



বাসুদেবপাশা চরে বিশুদ্ধ পানির অভাব, নেই বিদ্যুৎ সুবিধা

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীর মাঝে জেগে ওঠা বাসুদেবপাশা চরে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে; ফলে জীবনযাপন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে । বাসুদেবপাশা গ্রামের এই ছোট্ট চরে অর্ধ শতাধিক পরিবারের বসবাস। অথচ এখানে বিশুদ্ধ পানি উত্তোলনে নেই কোনো আধুনিক সুযোগ সুবিধা। তাই খাবার পানির জন্য হাহাকার, কোন রকম বেঁচে থাকার লড়াই চালাচ্ছেন এখানকার বাসিন্দারা।

তারা জানান, বিশুদ্ধ খাবার পানি আনতে ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিতে হয় ২০ কিলোমিটার নৌপথ।

শুধু তাই নয়, বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাবে ডায়রিয়া, কলেরা’র মতো বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে ভুগছে এ চরের শিশুরা। এদিকে হাতের কাছে ডাক্তার বা হাসপাতাল না থাকায় এখানকার বাসিন্দারা যেন রয়েছেন আরো ঝুঁকিতে। ওষুধের প্রয়োজন হলে নৌপথ পারি দিয়ে যেতে হয় ধুলিয়া ইউনিয়নে।

এমনকি ১৯৭৫ সাল থেকে এই চরে মানুষ বসবাস শুরু করলেও এখন পর্যন্ত পৌঁছায়নি বিদ্যুৎ সুবিধা। নেই কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে একসময় এই চরে কয়েকটি গভীর নলকূপ ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিলো। ২০১৭ সালের দিকে তেতুলিয়া নদীর তীব্র ভাঙনে সেগুলো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী বলেন, ‘বাসুদেবপাশা চরের সাথে আসলে আমাদের মূল ভূখণ্ডের তেমন যোগাযোগ মাধ্যম নেই। সেখানে তীব্র খাবার পানির সংকট ও স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত সমস্যা আছে। আমরা খুব দ্রুত চরের বাসিন্দাদের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’




নাব্যতা সংকটে পটুয়াখালীর তিন নদী

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নকে আকড়ে রেখেছে আন্ধারমানিক, সোনাতলা ও শিববাড়িয়া নদী। স্রোতের গতি বদলে যাবার কারণে নদীগুলোতে গভীরতা কমে অনেক ডুবোচরের সৃষ্টি হয়েছে। নাব্যতা হারিয়ে এখন প্রাণ সংকটে এই নদীগুলো। এছাড়া নদীর উপর নির্ভরশীল জেলেরা বিপাকে পড়েছে। নদীগুলো খননে উদ্যোগ নেবার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।
কলাপাড়া উপজেলার পায়রাবন্দর থেকে মহিপুর – কুয়াকাটা পর্যন্ত ইউনিয়গুলো আন্ধারমানিক, সোনাতলা ও শিববাড়িয়া নদীর তীর ঘেষে।
একসময় নদীগুলো দিয়ে সহজেই নৌযান চলাচল করতো। নদীর দুপাড়ের মানুষ মাছ ধরে স্বচ্ছলভাবে জীবন যাপন করতো।
২৫ বছর আগেও নদীগুলোর সর্বমোট দৈর্ঘ ছিল প্রায় ৬০ কিলোমিটার, প্রস্থ ছিল ১০০ মিটার। বর্তমানে দৈর্ঘ – প্রস্থ ও গভীরতা কমে যাওয়ায় নদীগুলোতে মাছের পরিমাণ কমে যাচ্ছে।

পায়রাবন্দর থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত এলাকার উন্নয়নে নানা অবকাঠামো নির্মাণের ফলে এসকল নদী হুমকির মুখে পড়ছে। প্রকৃতিকে রক্ষার জন্য এ সব নদী সংরক্ষন জরুরি বলে জানালেন বেসরকারি সংগঠন বাংলাদেশ ওয়াটার কিপার্স এর সমন্বয়ক শরীফ জামিল ।

আন্ধারমানিক, সোনাতলা ও শিববাড়িয়া নদী খননের পাশাপাশি অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানালেন পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম।




মিষ্টি কুমড়া চাষে সফলতা বরিশালের

  1. বরিশাল অফিস :: মিষ্টি কুমড়া চাষে সফলতা বরিশালের সুমনের বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার কৃষি উদ্যোক্তা বকর সিদ্দিক সুমন যৌবনে ঘুরেছেন পৃথিবির ৩৭টি দেশ। নানা পেশায় করেছেন কাজ জীবনের প্রায় ৩৭ বছর। শেষ বয়সে নিজ দেশে ফিরে শুরু করেন কৃষি কাজ। ২০২০ সালে প্রায় এক একর যায়গা জুড়ে রোপন করেন উন্নত জাতের পেপে গাছ।

পেপে চাষের পাশাপাশি পরিত্যাক্ত জমিতে এবছর চাষ করেন বøাক স্টোন ও স্মল স্টোন জাতের মিষ্টি কুমড়ার। প্রথম বারেই সফল ৭৪ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তা। মাত্র ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ে কুমড়ার চাষ করে ইতিমধ্যে বিক্রি করেছেন ১ লাখ টাকার বেশি কুমড়া।

 

তবে এবছর বরিশাল জেলায় শীত কালিন সবজি আবাদের যে লক্ষমাত্রা ছিলো তা অর্জন হয়েছে। পাশাপাশি দিন দিন সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল কৃষি অধিদপ্তর।

উদ্যোক্তা সুমন ছোট বেলা থেকেই বাবার সাথে কৃষি কাজ করতেন। এবং কি বিদেশ গিয়েও কাজের ফাঁকে বিভিন্ন কৃষি খামার ঘুরে ঘুরে দেখাম। সেখান থেকেও অনেক অভিগ্যতা অর্জন করেছি। পরে বাংলাদেশে এসে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজে হয়ে গেলাম কৃষি উদ্যোক্তা।

সুমন মনে করেন লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে বিদেশে না গিয়ে, সেই টাকায় নিজ দেশেই কৃষি কাজ শুরু করলে বিদেশের থেকে কম পরিশ্রমে অধিক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। এজন্য শুধু দরকার মনোবল ও ধৃঢ় সংকল্প। কুমড়া চাষ করে সফলতা পাওয়া সুমন শুধু নিজের মুনাফা অর্জনের জন্যই চাষ করেন না। তার লক্ষ্য সমাজের বেকার তরুন শিক্ষিত যুবকদের কৃষি ক্ষেত্রে টেনে এনে, দেশে কৃষিতে একটি অভাবনীয় বিপ্লব ঘটানো। এ জন্য নিজ উদ্যোগেই শুরু করেছেন ট্রেনিং পদ্ধতি, তার কাছে কেউ বীজ সংগ্রহ করতে আসলে প্রথমে বাধ্যতামূলক ভাবে বিনামুল্যে ট্রেনিং করান তিনি।

কুমড়া বাগানে কাজ করা শ্রমিক ও ক্রেতা জানান, কুমড়া চাষে করে এই বাগানের মালিক খুব লাভোমান হচ্ছে। পাশিপাশি আমরাও লাভোমান হচ্ছি। এই বাগান দেখতে প্রতিদিনই দূরদুরান্ত থেকে লোক এসে বাগান মালিকের কাছ থেকে পরামার্শ নিচ্ছে। কৃষি উদ্যোক্তা বকর সিদ্দিক সুমন বলেন, লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে বিদেশে না গিয়ে, সেই টাকায় নিজ দেশেই কৃষি কাজ শুরু করলে বিদেশের থেকে কম পরিশ্রমে অধিক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

আমি কুমড়া চাষ করে এখন একজন সফল্য কৃষি উদ্যোক্তা হয়েছি। বরিশাল কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মুরাদুল হাসান জানান, এবছর আমাদের সবজি আবাদের যে লক্ষ মাত্রা ছিলো তা আর্জন হয়েছে। আমাদের ১১ হাজার ৭১৪ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে।

গতবছরের চেয়ে এবার ফলনও ভালো হয়েছে। বরিশাল জেলায় দিন দিন সবজি আবাদের বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজস্ব খাতে বিজ সার সহ ১৩ শ’ ৪৯ জনকে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সুমন মনে করেন জীবনের শেষ বয়সে এসে তার অভিজ্ঞতা থেকে সমাজ ও দেশের কৃষি ক্ষেত্রে যতটুকু পারেন অবদান রাখবেন।




পটুয়াখালীতে তরমুজ চাষে অজানা রোগ

 

মো:আল-আমিন, পটুয়াখালী : বেশ কিছু দিন ধরে খেতের বেশ কিছু গাছ নিস্তেজ হয়ে মরে যাচ্ছে। কীটনাশক প্রয়োগ করেও গাছ বাঁচানো যাচ্ছে না। মাসুম সিকদার চলতি মৌসুমে তিন হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছেন। বীজ, সার, সেচ ও শ্রমিক খরচ বাবদ মোট খরচ হয়েছে প্রায় ছয় লাখ টাকা। তাঁর খেতে ২০ হাজারের মতো তরমুজের চারা রোপণ করা হয়েছে। গাঢ় সবুজ লতায় মোড়ানো কোনো কোনো গাছে ফল এসেছে। কিন্তু এক সপ্তাহ ধরে খেতের বেশ কিছু গাছ নিস্তেজ হয়ে মরে যাচ্ছে। কীটনাশক প্রয়োগ করেও গাছ বাঁচানো যাচ্ছে না। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন মাসুম সিকদার।

মাসুম সিকদারের বাড়ি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে। তিনি ইউনিয়নের কাউখালী চরে তরমুজের চাষ করেছেন।
মাসুম সিকদার বলেন, তাঁর প্রতি হেক্টর খেত থেকে অন্তত ৩৫ মেট্রিক টন তরমুজের ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার বাজারমূল্য হবে কমপক্ষে এক কোটি টাকা। কিন্তু যেভাবে গাছ মরে যাচ্ছে, তাতে উল্টো লোকসানের শঙ্কায় আছেন তিনি। বিষয়টি তিনি কৃষি কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন।

এদিকে উপজেলার আরেক তরমুজচাষি মনির হাওলাদার কাউখালী চরে সাত হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা। তাঁর খেতে ৩০ হাজারের মতো তরমুজের চারা রোপণ করা হয়েছে। তাঁর খেতেও বেশ কিছু গাছ নিস্তেজ হয়ে মরে যাচ্ছে। কী রোগে গাছ নিস্তেজ হয়ে মরে যাচ্ছে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন এই চাষি। বিষয়টি তিনি কৃষি বিভাগকে জানিয়েছেন। খেতের গাছ রক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা না নিতে পারলে তাঁর মতো কৃষকেরা লোকসানে পড়বেন বলে জানান মনির হাওলাদার।

দক্ষিণাঞ্চলে তরমুজ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান এলাকা পটুয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালী।

সরেজমিনে রাঙ্গাবালীর ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কাউখালী ও চরইমারশন চরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ ফসলি জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। তবে খেতের ফাঁকে ফাঁকে ফল ধরা তরমুজগাছ নিস্তেজ হয়ে পড়ে রয়েছে। চাষিরা কেউ ওষুধ ছিটাচ্ছেন। আবার কেউ মরা গাছ উপড়ে ফেলে দিচ্ছেন।

ইউনুস সিকদার নামের এক তরমুজচাষি বলেন, মরা গাছ থেকে পাশের আরেকটি গাছ রোগে আক্রান্ত হবে—এই ভয়ে আক্রান্ত গাছ খেত থেকে উঠিয়ে ফেলে দিচ্ছেন।

চরইমারশন এলাকার আহোসেন নামে এক চাষি বলেন, ‘তরমুজগাছের শিকড় এবং পাতা শুকিয়ে মরছে। কারণ যে কী বুঝি না। পানি দিচ্ছি, ওষুধ ছিটাই, কোনোটাতেই কোনো কাজ হয় না। ফল ধরেছে, এমন গাছও মরে যাচ্ছে। ধার আইন্যা তরমুজ দিছি। গাছ মইরা গেলে তো আমরা মাঠে মরব।’

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘চাষিদের কাছ থেকে খবর পেয়ে উপজেলার কাউখালী ও চরইমারশন—এই দুটি চরে সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। এই দুটি চরে মোট এক হাজার হেক্টর খেতের মধ্যে আনুমানিক ১০০ হেক্টর খেত ক্ষতির মুখে পড়েছে। সঠিক কারণ নির্ণয় করতে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

গত বছর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৮ হাজার ২৬২ হেক্টর খেতে তরমুজের আবাদ হয়েছিল। উৎপাদন হয়েছিল ২ লাখ ৮৯ হাজার ১৭০ মেট্রিক টন তরমুজ। যা বিক্রি করে কৃষকদের আয় হয় কমপক্ষে ৫৭৮ কোটি টাকা। এলাকার উপযুক্ত মাটি, উৎপাদন খরচ কম ও লাভ বেশি হওয়ায় এই উপজেলার কৃষকেরা তরমুজ চাষে বেশি ঝুঁকছেন।




পটুয়াখালীতে বাড়ছে শসার বাণিজ্যিক চাষ

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীতে বাণিজ্যিকভাবে শসার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উৎপাদন খরচ কম ও অল্প সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় শসা চাষে ঝুঁকছেন উপকূলের কৃষকরা।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, সারা বছর শসার চাহিদা থাকে। অন্য সবজির তুলনায় শসার সরবরাহ বেশি। তাই বাজারে শসার দামও অন্য সবজির থেকে কম।

পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকার শসা চাষি আমানুল্লাহ বলেন, ‘শসার বীজ রোপণের আড়াই মাস পরেই ফলন দিতে শুরু করে। পরিকল্পিতভাবে চাষ ও খেতের পরিচর্যা করায় এ বছর ফলন ভালো হয়েছে। এতে উৎপাদন খরচও কম হয়।’

শ্রমিক আনছার মিয়া বলেন, ‘আগে ধান ওঠার পরে অলস সময় পার করতে হতো। তবে শসা চাষের কারণে বর্তমানে প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়েছে। শসা চাষের কারণে আমার মতো স্থানীয় অনেক নারী-পুরুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’

অপর শ্রমিক নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘জমিতে যদি বারো মাস বিভিন্ন প্রকার শাকসবজি চাষাবাদ করা যায় তাহলে আমিও সারা বছর কাজের মধ্য থাকতে পারব। এতে আমাকে আর বেকার বসে থাকতে হবে না।’

কৃষক আনিস মিয়া বলেন, ‘আমাদের এখানে শসার ভালো ফলন হয়ে থাকে। গলাচিপা উপজেলার আমখোলায় ৫ হেক্টর জমিতে শসা চাষ করেছি। এখন পর্যন্ত ৪০ লাখ টাকার শসা বিক্রি করেছি। জমিতে এখন যে পরিমাণ শসা আছে তাতে আরও ৬০ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারব।’

পটুয়াখালীর নিউ মার্কেটের পাইকারি ব্যবসায়ী সোবাহান মোল্লা বলেন, ‘বাজারে চাহিদার চেয়ে শসার সরবরাহ বেশি রয়েছে। আমরা নিয়মিত শসা সরবরাহ করতে পারছি। তবে শসার দাম কিছুটা কম রয়েছে। শসার যোগান বেশি থাকায় সামনে বাজার দর কিছুটা কম। তবে শসার বাজার দর সামনে বাড়বে।

নিউ মার্কেট এলাকার সবজি বিক্রেতা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সারা বছর শসার চাহিদা রয়েছে। তবে শীতের সময় শসার চাহিদা বেশি থাকে। বর্তমান বাজারে শসার সরবরাহ বেশি তাই দাম কিছুটা কম। সরবরাহ কম থাকলে দাম বেশি থাকে। এতে কৃষক ও বিক্রেতা উভয় লাভবান হয়।’

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘জেলায় দিন দিন শসা চাষ বাড়ছে। কয়েক বছর আগেও জেলায় ১০ হেক্টর জমিতে শসা আবাদ হতো, চলতি বছর জেলায় ১৬৩ হেক্টর জমিতে শসা আবাদ হয়েছে। জেলায় শসার বাম্পার ফলন হওয়ায় ও বাজারে দাম ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা শসা চাষে ঝুঁকছেন। আগামী মৌসুমে শসার আবাদ আরও বাড়বে।




পটুয়াখালীতে গোলের রসে তৈরি হচ্ছে গুড়

এস এল টি তুহিন,বরিশাল;: পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ লোনাজল ভূমিতে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে গোল গাছের বাগান।’গুড়ের তৈরি পায়েস কিংবা মুখরোচক খাবার পছন্দ করেন না এমন মানুষ কমই আছে।

কিন্তু মিষ্টিতে সুগার থাকায় সুস্বাদু বাহারি রকম খাবার খেতে পারেন না অনেকেই।’তবে প্রকৃতির সৃষ্ট গোল গাছের বাগান থেকে আহরিত রস কিংবা গুড়ে সুগার কম থাকায় দিনে দিনে ক্রেতাদের কাছে এর কদর বেড়েছে কয়েকগুন।

 

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় বিস্তীর্ণ এলাকায় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল থাকায় প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নিচ্ছে গোলগাছ। কিন্তু চাহিদা বাড়লেও ক্রমশই ধ্বংস করা হচ্ছে বাগান।’ফলে বাগানের পাশাপাশি কমছে গাছিদের সংখ্যাও।’গোল বাগান বিনষ্টের ফলে গুড় উৎপাদন কমে যাওয়ায় এখন অনেক গাছিরও পেশার পরিবর্তন হয়েছে।

শীতের শুরুতেই বিকালে গাছের ডগা কেটে হাড়ি পাতেন গাছিরা। রাতভর হাড়িতে জমা রস কাকডাকা ভোরে সংগ্রহ করেন তারা। পরে চাতালে জাল দিয়ে কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে তৈরী করা হয় গুড়।’আর এসব গুড় গাছিরা বিক্রি করছেন ১৭০ থেকে দুই’শ টাকা কেজি দরে। বিশেষ করে রোগাক্রান্ত মানুষের কাছে লবনাক্ত এই গুড়ের চাহিদা অনেক।

কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউপির নবীপুর গ্রামের গাছি জীবন হাওলাদার জানান, উপজেলার নীলগঞ্জ, তেগাছিয়া, নবীপুর গ্রামের ২৫ জন কৃষক এই কাজের সাথে সম্পৃক্ত। ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা বাড়িতে গিয়ে অগ্রিম টাকা দিয়ে আসেন গুড়ের জন্য। কিন্তু ক্রমাগত বাগান ধংসের ফলে এখন ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে পারছেন না।

একই গ্রামের রিতা রাণী জানান,৬০ বছর ধরে এই কাজ করছি। শুরুতে প্রতি ১৫ থেকে ২০ কলস রস পেতাম। এখন ৫ থেকে ৬ কলস রস পাই। এর আগে আমার ছেলে মেয়ে ও পুত্রবধুও এই কাজে করতেন তারা এখন পেশার পরিবর্তন করে ভিন্ন পেশায় যোগ দিয়েছেন।

বরিশাল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,’গোলগাছ মানুষের ঘর নির্মাণসহ প্রকৃতি রক্ষায় একটি বড় ভূমিকা পালন করে। গুড় থেকে বিশাল একটা অর্থ আয়ের পাশাপাশি হাজারো মানুষ এর উপর নিভর্রশীল হয়ে জীবীকা নির্বাহ করে।

তিনি বলেন,’গোলবন সংরক্ষনসহ বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় আন্ধারমানিক নদী তীরসহ লোনাজল ভূমিতে গোলচারা রোপন করা হবে।এই গোল গাছ রক্ষা করাসহ সব ধরনের ব্যাবস্থা গ্রহণের আশ্বাস করা হবে।




বরিশালে ২২ শতাংশ জমিতে বোরো আবাদ সম্পন্ন

বরিশাল অফিস :: বরিশাল বিভাগের বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ২১ দশমিক আট শতাংশ জমিতে বোরো আবাদ সম্পন্ন করা হয়েছে।

রবিবার (২১ জানুয়ারি) বিকালে এ তথ্য জানিয়েছেন বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয় থেকে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় এ বছর ২ লাখ ৫ হাজার ৮২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে উফসি জাতের বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৫৫ হেক্টর জমিতে। হাইব্রিড জাত ৭৭ হাজার ৭ হেক্টর ও স্থানীয় জাত ২ হাজার ৪২০ হেক্টরে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

এর মধ্যে রবিবার পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৩ হাজার ২৩৬ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। আবাদ হওয়া জমির মধ্যে ২৩ হাজার ২৪০ হেক্টরে হাইব্রিড, ১৮ হাজার ৪৭৯ হেক্টরে উফসি ও ১ হাজার ৫১৭ হেক্টরে স্থানীয় জাত রয়েছে।

বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৯ ভাগ জমিতে আবাদ হয়েছে পিরোজপুর জেলায়। সর্বনিম্ন তিন দশমিক ৪০৫ ভাগ জমিতে আবাদ হয়েছে পটুয়াখালী জেলায়। এছাড়া ঝালকাঠি জেলায় ৩১ দশমিক ৬ ভাগ, বরিশাল জেলায় ২৫ দশমিক ২৭, বরগুনা জেলায় ৬ দশমিক ৯১৮ ও ভোলা জেলায় ৭ দশমিক ৬৩৫ ভাগ জমিতে আবাদ হয়েছে।

বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বরিশাল জেলায় বেশি বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এ জেলায় ৬৩ হাজার ১৫০ হেক্টরে বোরো আবাদে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ হাজার ৯৫৭ হেক্টরে আবাদ হয়েছে।

এরপরে রয়েছে ভোলা জেলা। এ জেলায় ৬৩ হাজার হেক্টরে বোরো আবাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৮১০ হেক্টরে আবাদ হয়েছে।

পিরোজপুর জেলায় লক্ষ্যমাত্রার ৩৪ হাজার ৭০ হেক্টরের মধ্যে ১৬ হাজার ৬৯৪ হেক্টরে আবাদ হয়েছে। ঝালকাঠিতে ১৩ হাজার ৭৫০ হেক্টরের লক্ষ্যমাত্রার ৪ হাজার ৩৪৫ হেক্টরে আবাদ হয়েছে এবং পটুয়াখালীতে ২০ হাজার ৫৬০ হেক্টরের মধ্যে ৭০০ হেক্টরে আবাদ হয়েছে। এছাড়া বরগুনার ১০ হাজার ৫৫২ হেক্টরের মধ্যে ৭৩০ হেক্টরে আবাদ হয়েছে।

বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিনয় ভুষন মন্ডল বলেন, সাধারণত নভেম্বর মাস থেকে বরিশালে বোরো আবাদ শুরু হয়। ১৫ মার্চ পর্যন্ত আবাদ চলবে।

রবিবার পর্যন্ত যা চাষাবাদ হয়েছে তা সন্তোষজনক মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘শীত, কুয়াশা ও বৃষ্টিতে বোরো চাষিদের ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে। শীতের হাত থেকে বোরো বীজ রক্ষায় পলিথিন কিনতে হচ্ছে। এছাড়া ছত্রাকের হাত থেকে রক্ষায় ওষুধ দেওয়া ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। এতে কৃষকদের বাড়তি ব্যয় গুণতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষকদের বর্তমানে একটু সচেতন থাকতে হবে। আবাদ করা বোরো বীজে ছত্রাকনাশক ওষুধ ছিটিয়ে দিতে হবে। এছাড়াও গোড়া পচন থেকে রক্ষায় ক্ষেতে পানি থাকলে অপসারণ করতে হবে।’




ইউটিউব দেখে বরই চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন বরগুনার রাসেল মিয়া

বরিশাল অফিস :: বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের পশ্চিম অংকুজান পাড়া গ্রামের কৃষক রাসেল মিয়া দুই বছর আগে তার বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত প্রায় ১০০শতাংশ জায়গায় ১০০ টি কুল বরই ও আপেল কুল বরই,বলসুন্দরী তিনটি জাতের বরই চারা রপন করেন। এ বছর তার প্রতিটি গাছে গড়ে ২৫ থেকে ৩০ কেজি করে বরই ধরেছে। তার গাছ থেকে বিক্রেতারা ৬০ টাকা কেজি ধরে বরই কিনে নিয়ে যাচ্ছে।

কৃষক রাসেল জানান, তার বাড়ির ঐ জায়গাটুকু পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। একদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউটিউবে বিভিন্ন সফল মানুষের সফল হয়া দেখে আর ভাবে তিনি তাদের মতো কিভাবে সফল হতে পারেন। আর এই বিষয়টি তাকে খুবই উদ্ধুদ্ধ করে। বরই চাষের উদ্যোগ নিয়ে এই বাগান করেছেন। তিনি আরো বলেন, কৃষিতে সবচেয়ে লাভজনক চাষাবাদ হলো ফল বাগান করা। কিন্তু এই এলাকা তুলনামূলক নিচু হওয়ায় সেভাবে ফল বাগান করা যায় না। তবে এই ব্যাবসায়ী রাসেল মিয়ার বাড়িটি তুলনামূলক বড় হওয়ায় তিনিএই ফল বাগান করার উদ্যোগ নেন। ব্যাবসার পাশাপাশি বরই বিক্রি করে তিনি এখন ভালো অবস্থায় আছেন।

পশ্চিম অংকুজান পাড়া গ্রামের মোঃ হাসিব বলেন, অনেকদিন ধরেই শুনছি এই এলাকাতে বরইয়ের (কুল) চাষ হচ্ছে। ফলনও নাকি খুব ভালো হয়েছে। যে গাছগুলোতে ফল ধরেছে, সেই গাছগুলো নাকি অনেক ছোট। তাই আগ্রহ থেকে দেখতে চলে আসলাম। তবে আসার পর আমি অবাক হয়েছি। বরই (কুল) গাছ অনেক ছোট, কিন্তু বরইয়ের (কুল) ভারে গাছের ডাল মাটিতে নুয়ে পড়েছে। বরইগুলোও (কুল) হয়েছে বেশ বড় বড়। এর আগে এমন গাছ দেখিনি। তা ছাড়া, বরইগুলোও (কুল) খেতে খুব সুস্বাদু।

স্থানীয়রা বলেন, ছোটবেলা থেকে খুবই কর্মঠ ছিলেন। চাষাবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করতেন। যতদূর জানি, তিনি ইউটিউব দেখে রইয়ের বাগান করেছেন। আমার বাড়ির খুব কাছে, তাই এই বাগানের পাশ দিয়ে আমাকে যাতায়াত করতে হয়। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসে তার বাগান দেখতে। বরইর (কুল) জাত ও ফলন ভালো হওয়ায় আশা করা যায় তিনি বেশ লাভবান হবেন।

কৃষক রাসেল মিয়ার বাবা বলেন, আমার ছেলে পরিকল্পনা নিয়েছে বরই গাছ লাগাবেন আমি নিষেধ করেছি আমি এতে রাজি ছিলাম না আমি বলেছিলাম এই ছোট্ট ছোট্ট চারা দিয়ে কি হবে,চারা লাগানোর প্রথম বছরেই সুন্দর বরই হয়েছে এবং অনেক মিষ্টি এলাকার মানুষ বরই খেয়ে অনেক প্রশংসা করেন। আমার ছেলে চারা লাগিয়ে ভালো ফল পেয়েছেন এতে আয় বাণিজ্য ভালো হয় আমি এখন খুশি ।বরই চাষ সুন্দর হয়েছে ছেলে এখন অনেক বড়ো বাগান করেছেন আমার দেখে ভালো লাগছে ব্যাবসার পাশাপাশি বরই চাষ করে লাভবান হয়েছে এখন পর্যন্ত ৫০হাজার টাকার বরই বিক্রি করেছেন এখনো গাছে দের লাখ টাকা বিক্রি করা মতন বরই রয়েছে।

তিনি আরো বলেন,ইউটিউবে ভিডিও দেখে নিজের বুদ্ধি দিয়ে এই বরই বাগান করেন সরকারের কাছ থেকে যদি কোনো ধরনের সহযোগিতা পেতো তাহলে আমার ছেলে আরো ভালো কৃষি চাষ করতে পারতো।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন হাওলাদার বলেন, কৃষক রাসেল মিয়া একজন সফল উদ্যোক্তা। তিনি কোনো পরামর্শের জন্য কৃষি অফিসে আসেনি । তিনি প্রয়োজন মনে করলে স্থানীয় কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।




বরিশালে সরকারি রাস্তার গাছ কেটে উজার

বরিশাল অফিস :: কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সরকারি রাস্তার গাছ কেটে উজার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইউপি সদস্য সহ ও এক যুবলীগ নেতার নির্দেশে গাছ কাটার মহোৎসবে হতবাক এলাকাবাসী। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম শরিফাবাদ গ্রামের।

ওই গ্রামের একাধিক বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, কয়েকদিন পূর্বে মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য জসিম উদ্দিন হাওলাদার ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রাসেল রাঢ়ী খাল খনন প্রকল্পের নামে সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় স্থানীয়দের। অতিদ্রæত গাছ কেটে না নিলে তারা (ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা) গাছ নিয়ে যাবে বলেও হুমকি দেয়। পরে তাদের নির্দেশে গাছ কাটা শুরু করে স্থানীয়রা। অভিযোগ অস্বীকার করে সরকারি রাস্তার পাশের গাছ কেটে নেওয়ার কোন নির্দেশ দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন। তবে এবিষয়ে জানতে যুবলীগ নেতা রাসেল রাঢ়ীর ০১৭৩৩-৬৮৩৮৩২ নাম্বারে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু বলেন, সরকারি রাস্তার গাছ কাটার কথা শুনে গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে প্রাথমিক ভাবে গাছ কাটা বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়াও বিষয়টি বন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।

এবিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ আবু সুফিয়ান সাকিব জানান, বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা নবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ আবু আবদুল্লাহ খান জানান, অনুমতি ব্যতিত সরকারি রাস্তার গাছ কেটে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই।

এবিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।