বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে সৌদি আরবের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত




চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ্বে উপমহাদেশের ফুটবল আকাশে এক ধ্রুবতারা উদিত হয়েছিলেন যার নাম সৈয়দ আবদুস সামাদ। যাঁকে দুনিয়া চেনে ‘ফুটবল জাদুকর’ হিসেবে।
আজ ২ ফেব্রুয়ারি এই মহানায়কের মৃত্যুবার্ষিকী।
এই নিখুঁত মাপজোখ আর আত্মবিশ্বাসই তাঁকে ‘জাদুকর’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলো।সামাদের ক্রীড়াশৈলী দেখে মুগ্ধ স্কটিশ ফুটবলবোদ্ধারা বলেছিলেন, “সামাদ যদি ইউরোপে জন্মাতেন, তবে তিনি হতেন পৃথিবীর সর্বকালের সেরা ফুটবলার।”
এমনকি ইংল্যান্ডের প্রখ্যাত ফুটবলার এলেক হোসি অকপটে স্বীকার করেছিলেন, বিশ্বের যেকোনো প্রথম সারির দলে খেলার যোগ্যতা ছিল সামাদের।
সে সময় জমিদাররা তাকে ‘খেপ’ খেলতে নিয়ে যেতেন। সামাদ আগেভাগে জিজ্ঞেস করতেন, “কয়টা গোল দেব?” আর ঘড়ির কাঁটা ধরে শেষ ১০ মিনিটে ঠিক সেই কটি গোলই উপহার দিতেন দর্শকদের।
১৯৩৬ সালে এক মারাত্মক চোট সামাদের ছন্দময় ক্যারিয়ারে যবনিকা টেনে দেয়। ১৯৬৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এই চিরসবুজ ফুটবলার শিল্পী বিদায় নেন পৃথিবী থেকে। তাঁর অবসরের পর বহু ফুটবলপ্রেমী দুঃখে মাঠে যাওয়াই ছেড়ে দিয়েছিলেন তখন।
আজকের আধুনিক ফুটবলের চাকচিক্যে আমরা কি মনে রেখেছি আমাদের এই ভূমিপুত্রকে? যিনি বুট জুতো ছাড়াই ফুটবলকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি কেবল একজন খেলোয়াড় ছিলেন না, তিনি ছিলেন উপমহাদেশের ফুটবলের আত্মসম্মান ও শৌর্যের প্রতীক। এই ফুটবলের জাদুকরকে এখন আর মনে রাখে না কেউ। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতীয়ভাবে নেই কোনো আয়োজন, নেই কোনো স্মরণসভা। সামাদ যে মাটিতে শুয়ে আছেন, সেই পার্বতীপুরে এক সময় সামাদকে স্মরণকে করা হলেও এখন কোনো আয়োজন চোখে পড়ে না।
এ বিষয়ে মোস্তাকিম সরকার বলেন, তাঁর বসবাসরত বাড়িটিতে বর্তমান রেল বিভাগের কর্মচারীরা থাকেন। এটাকে যেমন সংরক্ষণ করা প্রয়োজন তেমনই সামাদের নামে যে ইনস্টিটিউট রয়েছে তা সংস্কার করে এই জাদুকরের স্মৃতি ধরে রাখতে হবে আমাদের।
জাদুকর সামাদের মাজার রয়েছে পার্বতীপুর শহরের ইসলামপুরে, এটাকেও নিয়মিত তদারক করা ও এখানে দর্শনার্থীদের দেখতে যাওয়ার সুব্যবস্থা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন মোস্তাকিম সরকার।

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স : সংগীত দুনিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড । যার ৬৮তম আসর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল লস অ্যাঞ্জেলেসে । বাংলাদেশ সময় সোমবার ৬টায় ক্রিপ্টো ডট কম অ্যারেনা পরিণত হয়েছিল বিশ্ব তারকাদের মিলনমেলাতে। রেড কার্পেটে হেঁটেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীরা। তবে নগ্ন পোশাকে নজর কেড়েছেন পপ সংগীতশিল্পী চ্যাপেল রোয়ান।

চন্দ্রদ্বীপ ডেক্স : ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে জর্দান তার ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না বলে আশ্বস্ত করেছে জর্দানের শীর্ষ কূটনীতিবিদ
জর্দানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি অনুযায়ী,টেলিফোনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে আলাপকালে জর্দানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি বলেন, ‘কোনো আঞ্চলিক সংঘাতে জর্দান যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হবে না, কিংবা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানের সূচনাস্থল হবে না।’
সাফাদি আরো বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে জর্দান কোনো পক্ষকেই তার আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে বা দেশের নিরাপত্তা ও নাগরিকদের সুরক্ষাকে হুমকির মুখে ফেলতে দেবে না।’

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ: দেশের তাপমাত্রা বিরাজ করছে ১০ ডিগ্রির ঘরে। তবে এই ফেব্রুয়ারিতে আবারও ৮ ডিগ্রির ঘরে নামতে যাচ্ছে তাপমাত্রা। সঙ্গে হানা দিতে পারে বজ্র ও শিলাবৃষ্টিও।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ফেব্রুয়ারি মাসের দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
তবে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে দেশের উত্তর, পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি মৃদু (০৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
পাশাপাশি এ মাসের প্রথমার্ধে দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।
এবং এ মাসের শেষের দিকে অন্তত ২ দিন দেশের কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টি অথবা শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া এ মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:২০২৬ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অংশগ্রহন নিশ্চিত , তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ তারা বয়কট করবে।
আজ রাতে পাকিস্তান সরকারের অফিশিয়াল ‘এক্স’ হ্যান্ডল ও ফেসবুকে একই সঙ্গে দেওয়া পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
পাকিস্তান সরকারের দেওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে ২০২৬ আইসিসি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অনুমোদন দিচ্ছে।
তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না।’ কেন এই সিদ্ধান্ত, তার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ অবশ্য বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।
আইসিসির যেকোনো টুর্নামেন্টে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই টানটান উত্তেজনা আর প্রচুর দর্শকের সমাগম । এই সুযোগ কাজে লাগাতে ২০১২ সাল থেকে আইসিসি প্রতিটি ইভেন্টেই দুই দলকে এক গ্রুপে রেখে আসছে। টুর্নামেন্টের সূচিও এমনভাবে সাজানো হয়, যাতে দুই দলের একাধিকবার মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ থাকে।
তবে এবার পাকিস্তানের এমন সিদ্ধান্তে ২০১০ সালের পর প্রথম কোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ছাড়াই শেষ হবে।
এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহন নিয়ে অবশ্য একটা সময়ে বড় শঙ্কা দেখা দিয়েছিল।ঘটনার সুত্রপাত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে বাংলাদেশ দলের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ দেওয়া কে কেন্দ্র করে ।
বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসারকে বাদ দেওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে জানিয়ে দেয়, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না তারা। আইসিসিকে ভেন্যু বদলের অনুরোধ করে বিসিবি।
কিন্তু ২১ জানুয়ারি এক ভার্চুয়াল বোর্ড সভার পর আইসিসি জানায়, বাংলাদেশকে পূর্বসূচি অনুযায়ী ভারতেই খেলতে হবে। বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার পর গত ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ দলকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় আইসিসি।
পাকিস্তানই একমাত্র দেশ যারা বাংলাদেশের ম্যাচগুলো অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার দাবির পক্ষে জোরালো সমর্থন দিয়েছিল শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে বাদ দিয়েই টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হতে যাচেছ। বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : ২০২৩ সালে থেকে গাজায় নির্বিচারে আগ্রাসন চালিয়ে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজারের মতো ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা মেনে নিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরায়েল।
জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দেশটির বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
এর আগে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত নিহতের সংখ্যার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল ইসরায়েল।
যদিও জাতিসংঘ দীর্ঘদিন ধরেই গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নথিভুক্ত নিহতের সংখ্যা নির্ভরযোগ্য বলে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। তবে ইসরায়েল দাবি করে আসছিল, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাদের দেওয়া তথ্য বিশ্বাসযোগ্য নয়।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতদের নাম ও বয়স প্রকাশ করে থাকে। সর্বশেষ হিসেবে তারা জানিয়েছে, মোট নিহতের সংখ্যা ৭১ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অক্টোবরে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৪৮০ জনের বেশি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যানুযায়ী, আরও বহু মানুষ গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও যোদ্ধাদের আলাদা করে চিহ্নিত করা না হলেও অধিকাংশ নিহত নারী ও শিশু বলে উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ের বরাত দিয়ে ইসরায়েলের ওয়াইনেট নিউজ ওয়েবসাইটসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানায়, সামরিক বাহিনীও প্রায় একই ধরনের একটি হিসাব মেনে নিয়েছে।
ওয়াইনেটকে এক সামরিক কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধে প্রায় ৭০ হাজার গাজাবাসী নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নিখোঁজ ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত নন।”
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, “এই বিষয়ে যেকোনও তথ্য বা প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিক ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ২০০৩ সালে নাইকোর কাছে হস্তান্তর করা হয়। তারা খননকাজ শুরুর পর ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রটিতে দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে গ্যাসক্ষেত্রের মজুত গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের স্থাপনা ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ জন্য নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে পেট্রোবাংলা, তা দিতে অস্বীকৃতি জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
অ্বশেষে এই ক্ষতিপূরণ মামলার চূড়ান্ত রায় আসছে। বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তিসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতের (ইকসিড) রায়ে বাংলাদেশ ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ পেতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রার বর্তমান মূল্যে ৫১২ কোটি টাকার সমপরিমাণ। এ ক্ষতিপূরণ দেবে কানাডার কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেস।
যদিও বাংলাদেশ সরকার ও বাপেক্স টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে গ্যাস পুড়িয়ে ফেলা ও পরিবেশের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে দাবি করেছিল ১০১ কোটি ৪০ লাখ ডলার (১২ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা)।
জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের ছয়জন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আইনজীবীদের মাধ্যমে পাওয়া মামলার রায়ের একটি সংক্ষিপ্তসার থেকে ক্ষতিপূরণের অঙ্কটি জানা গেছে। তবে রায়ের বিস্তারিত প্রকাশিত হয়নি। পুরো রায় পাওয়ার পর আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এবং সরকারের পরামর্শ নিয়ে করণীয় ঠিক করা হবে। কর্মকর্তারা আরও বলছেন, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ অনেক কম। বাংলাদেশের ক্ষতি অনেক বেশি হয়েছে। পাশাপাশি মামলা চালাতেও অনেক খরচ হয়েছে।
ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানও। তিনি বলেন, ক্ষতিপূরণের খবর প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিস্তারিত রায় দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নাইকো ছাতক গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণের ঘটনায় তারা দায়ী নয় মর্মে ঘোষণা চেয়ে ২০১০ সালে ইকসিডে একটি সালিসি মোকদ্দমা দায়ের করে। ২০১৬ সালে বাপেক্স আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের দিয়ে গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে একটি সমীক্ষা পরিচালনা করে। পরে নাইকোর কাছে বাপেক্স ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার এবং বাংলাদেশ সরকার ৮৯ কোটি ৬ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে ইকসিডে নালিশ করে। দুয়ে মিলে ক্ষতিপূরণের দাবি দাঁড়ায় ১০১ কোটি ৪০ লাখ ডলার (বর্তমান মূল্যে ১২ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা)।
ইকসিড ট্রাইব্যুনাল ২০০৫ সালের বিস্ফোরণের জন্য যৌথ উদ্যোগ চুক্তির অধীন শর্ত ভঙ্গের জন্য নাইকোকে দায়ী করে ২৮ ফেব্রুয়ারি (২০২০) রায় প্রদান করেন।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামও মনে করেন, দাবির তুলনায় ক্ষতিপূরণের অঙ্কটি হতাশাজনক। তিনি বলেন, মামলার পুরো রায় পেলে এটি পর্যালোচনা করা হবে। মামলা পরিচালনায় মোট কত খরচ হয়েছে, তা-ও হিসাব করা হচ্ছে।
সরকারি তৎপরতার বাইরে ২০১৬ সালে বাংলাদেশের উচ্চ আদালতে নাইকোর বিরুদ্ধে মামলা করেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম। আদালতের কাছে তিনি দুটি প্রতিকার চান। একটি হলো, নাইকোর সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা ও বিস্ফোরণের কারণে ক্ষতিপূরণ আদায়। আদালত নাইকোর সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন এবং বাংলাদেশের কাছে নাইকোর বিক্রির অর্থ ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার না দিতে সরকারকে নির্দেশ দেন। থেমে যায় নাইকোর গ্যাস বিল দেওয়ার প্রক্রিয়া।
ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বলেন, ক্ষতিপূরণের দাবি পূরণে সক্ষমতার নিশ্চয়ই ঘাটতি ছিল। বিলিয়ন ডলার চেয়ে মিলিয়ন ডলার পেয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার কিছু নেই। প্রকৃত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি ছাতক পূর্ব ও ছাতক পশ্চিম নামে দুটি অংশে বিভক্ত। অগ্নিকাণ্ডে ছাতক পশ্চিম অংশের একটি স্তরের গ্যাস পুড়ে গেলেও অন্যান্য স্তর এবং ছাতক পূর্ব অংশের গ্যাস মজুত অক্ষত রয়েছে। এই গ্যাসক্ষেত্রে সম্ভাব্য মজুত ২ থেকে ৫ ট্রিলিয়ন (লাখ কোটি) ঘনফুট বলে বিবেচনা করা হয়।
ছাতক গ্যাসক্ষেত্রে নতুন কূপ খননের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করা আছে। ইকসিডের চূড়ান্ত রায় পেলে আইনজীবীদের মতামত নিয়ে দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : আজ ২৪ শে জানুয়ারী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী ।
২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি আরাফাত রহমান কোকো মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। তাঁর জন্ম ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বিকেল ৪টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। এতে তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। সকাল সাড়ে ৯টায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা বনানী কবরস্থানে কোকোর কবর জিয়ারত করবেন। পরে নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বিএনপির কেন্দ্রীয়, মহানগর এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন।
রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেও কোকো রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না বরং খেলা ধুলা নিয়ে তিনি ব্যস্ত থাকতেন । তিনি ক্রীড়া সংগঠক ও শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।এ ছাড়া ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান ছিলেন। ছিলেন। বিসিবি ছাড়াও তিনি মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও সিটি ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন কোকো। ২০০৮ সালের ১৮ জুলাই চিকিত্সা নিতে সপরিবারে ব্যাঙ্ককে যান তিনি। পরে মালয়েশিয়ায় চলে যান। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।