বরিশালে দুই দিনের টানা বৃষ্টির কারণে সবজির দাম কমলেও বাজারে ক্রেতা তুলনামূলক কম উপস্থিত হয়েছেন। পাইকারি বাজারে শসার দাম ২৫-৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০ টাকা, বরবটি ২০ টাকা, করল্লা ৩০-৩৫ টাকা এবং পটোল ২৫-৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সবজিও গত সপ্তাহের তুলনায় ১৫-২০ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর খুচরা বাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। শসা বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ১২০ টাকা, বরবটি ৩৫ টাকা, করল্লা ৩৫-৪০ টাকা, পটোল ৩০-৩৫ টাকা করে।
মাছ ও মাংসের বাজারে দাম স্থিতিশীল। রুই মাছ ৩০০-৪৫০ টাকা, টেংরা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা, পাঙাস ১৫০-১৮০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০-৮৫০ টাকা, ইলিশ এখন উচ্চমূল্যে এবং সীমিত মানুষের নাগালের মধ্যে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ক্রেতারা জানিয়েছেন, সবজির দাম কম হলেও মাছের দাম অনেক বেশি, বিশেষ করে ইলিশ। পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে আনার খরচ ও বিদ্যুৎ, ইজারার খরচে কিছুটা মূল্য বৃদ্ধি হলেও বৃষ্টির কারণে ক্রেতা কম।
বরিশালের পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী মো. আমিন শুভ জানিয়েছেন, “বৃষ্টি ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি, পাশাপাশি সবজি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হওয়ায় দাম কমানোর পরও ক্রেতা কম।”
এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫





