পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় দখল ও দূষণের কারণে পর্যটন কেন্দ্রটির প্রাকৃতিক পরিবেশ চরম হুমকির মুখে পড়েছে। সরকারি খাস জমি দখল করে প্রভাবশালী মহল ইতোমধ্যেই নির্মাণ করেছেন প্রায় দুই শতাধিক স্থাপনা। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে এ দখল কার্যক্রম শুরু হয়, যা দিন দিন আরও বেড়েই চলছে।
সরকারি পর্যটন হলিডে হোমস থেকে শুরু করে কুয়াকাটা চৌরাস্তা পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশ, চৌরাস্তা থেকে সৈকতের জিরো পয়েন্ট, আবার সেখান থেকে পশ্চিম ও পূর্ব দিকের সড়ক সংলগ্ন জায়গা পর্যন্ত দখল হয়ে গেছে। এমনকি সৈকতের জিরো পয়েন্টের পশ্চিম পাশেও নতুন করে দখল ও স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এসব অবৈধ স্থাপনা শুধু সরকারি জমিই নয়, পর্যটকদের স্বাভাবিক চলাচলও বাধাগ্রস্ত করছে।
এদিকে প্রতিনিয়ত গভীর রাতে সৈকতের জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন একাধিক আবাসিক হোটেলের বর্জ্য ও ময়লা পানি সরাসরি ফেলা হচ্ছে সমুদ্রসৈকতে। ফলে দূষণের মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সৈকতের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে কুয়াকাটার পর্যটন শিল্প মারাত্মক সংকটে পড়বে।
এ বিষয়ে কলাপাড়ার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসিন সাদীক জানান, দখলদারদের চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং অচিরেই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পরিবেশ ও পর্যটন রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
কুয়াকাটাকে রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। স্থানীয়রা সরকারের কাছে দখল উচ্ছেদ ও পরিবেশ সুরক্ষায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।





