বরগুনায় অবস্থিত ‘বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘর’ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভেঙে ফেলা হয়েছে। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর বরগুনা পৌর পুরানো গ্রন্থাগারটি ভেঙে নৌকা আদলে নির্মিত হয়েছিল এই জাদুঘর। তবে বিভিন্ন কারণের জন্য চার বছরের মধ্যে এটি ভেঙে ফেলা হলো।
এটি নির্মিত হয়েছিল নৌকা ও বাংলাদেশের উপকূলীয় ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করার উদ্দেশ্যে। নৌকা জাদুঘরের গঠন ছিল ১৬৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থের। ৭৫ ফুট উচ্চতা এবং ২৫ ফুট গলুই বিশিষ্ট এই জাদুঘরটি তৈরি করেছিলেন তৎকালীন বরগুনা জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ।
উদ্বোধনের সময় জাদুঘরের পাশে নৌকা গবেষণাকেন্দ্র, আধুনিক লাইব্রেরি, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, শিশুদের বিনোদনের জন্য রাইড, থিয়েটার, ক্যাফে সহ নানা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে উদ্বোধনের চার বছরেও সেগুলি বাস্তবায়ন হয়নি।
বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজবিউল কবির দাবি করেছেন, “এই জাদুঘরের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এই প্রকল্পে ক্ষুব্ধ হয়ে এটি ভেঙে ফেলেছে।” তিনি আরও বলেন, “এখানে শহীদ জিয়া স্মৃতি পাঠাগার বানানো হোক।”
এ বিষয়ে স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তা আরিফুর রহমান বলেন, “বরগুনা উপকূলীয় জেলা হওয়ায় নৌকা আমাদের ঐতিহ্য, তাই নাম পরিবর্তন করে হলেও নৌকা জাদুঘরটি টিকিয়ে রাখা উচিত ছিল।”
এদিকে, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম





