হজ ও উমরা কখন করবেন: ইসলামিক নির্দেশনা

Views: 25

হজ ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম। আল্লাহতায়ালা বলেন, মক্কায় প্রথম ঘর মানুষের কল্যাণের জন্য স্থাপন করা হয়েছে। এটি বরকতময় ও বিশ্বের মানুষের জন্য হেদায়েতবহ। যে ব্যক্তি সামর্থ্যবান, তার জন্য আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ পালন ফরজ। -সূরা আলে ইমরান: ৯৬-৯৭

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বর্ণনা করেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ইসলামের পাঁচ স্তম্ভ হলো:
১. সাক্ষ্য প্রদান যে আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল,
২. নামাজ প্রতিষ্ঠা,
৩. জাকাত প্রদান,
৪. হজ সম্পাদন এবং
৫. রমজানের রোজা পালন। -সহিহ বোখারি: ৮

জীবনে অন্তত একবার হজ করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরজ, যদি তার শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকে। হজ সম্পাদনের জন্য খরচ, সফরের সময় নিজের ও পরিবারের স্বাভাবিক খরচের ব্যবস্থা এবং শারীরিক সক্ষমতা থাকলে হজ ফরজ হয়ে যায়।

হজের মৌসুম: ৮ থেকে ১৩ জিলহজ। এই সময়ে মিনা, আরাফাত, মুজদালিফা ও জামারাতে হজের ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতসমূহ পালন করতে হয়। হজের ইহরামের সময় হলো ১ শাওয়াল থেকে ৯ জিলহজ পর্যন্ত। এছাড়া, বারবার হজ সম্পাদন করা সম্ভব।

যদি কেউ হজ ফরজ হওয়ার পর শারীরিকভাবে সক্ষমতা হারান, তবে তার পক্ষ থেকে অন্য কাউকে দিয়ে বদলি হজ করানো ফরজ। বদলি হজ করার জন্য পূর্বে নিজে হজ করা আবশ্যক নয়, এবং হজের ব্যয়ের অর্থ অন্য কেউ প্রদান করলেও হজ আদায় হয়ে যাবে।

উমরা: সামর্থ্য থাকলে জীবনে অন্তত একবার উমরা পালন করা সুন্নত। হজের সময় ছাড়া বছরের যেকোনো সময় উমরার ইহরামের নিয়ত করা যায়। উমরা করার সময় আরাফাত, মুজদালিফা, মিনা ও জামারাতে যেতে হয় না। উমরা হজের বিকল্প নয়। হজ ফরজ হলে তা অবশ্যই আদায় করতে হবে। রমজান মাসে উমরা করলে তা নবী করিম (সা.)–এর সঙ্গে হজ করার সমান সওয়াবের অধিকারী।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

image_pdfimage_print

Posted on: September 27, 2025 | Author: Chandradip News24