শীতের আগমন সঙ্গে আনে কম রোদ, দীর্ঘ রাত ও ঠান্ডা বাতাস। দিন যত ছোট হচ্ছে, শরীরের ইমিউন সিস্টেম ততই পরীক্ষা হচ্ছে। সচেতন না হলে শীত নানা রোগের সুযোগ দেয়। সর্দি, কাশি, ফ্লু এবং শ্বাসকষ্ট শীতকালে সাধারণ সমস্যা।
ঠান্ডা ও রোগ প্রতিরোধ
শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্ত রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য ও হালকা ব্যায়াম অপরিহার্য। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন কমলা, কিউই ও পেয়ারা নিয়মিত খেলে ঠান্ডা ও ভাইরাস থেকে শরীরকে রক্ষা করা যায়।
খাদ্যাভ্যাসে সতর্কতা
শীতকালে ভারি, তেল-মশলাযুক্ত খাবারের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায়। ভাজাভুজি বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার শরীরকে ক্লান্ত ও স্থূল করে। হালকা, গরম ও পুষ্টিকর খাবার যেমন ডাল, হালকা স্যুপ, শাক-সবজি শরীরকে গরম রাখে এবং হজম সহজ হয়। পর্যাপ্ত পানি খাওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যায়াম ও সক্রিয় থাকা
শীতকালে ঘরে বসে সময় কাটানো সাধারণ হলেও শরীরকে সক্রিয় রাখা জরুরি। মাত্র ২০–৩০ মিনিট হাঁটা, যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচিং রক্ত চলাচল ঠিক রাখে এবং শরীর গরম রাখে।
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা
শীতকালে মানসিক চাপও বেড়ে যায়। কম আলো, ঘন কুয়াশা ও দীর্ঘ রাত মানুষকে বিষণ্ণতায় ফেলতে পারে। গান শোনা, বই পড়া বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
সতর্কতা
হঠাৎ ঠান্ডায় বের হলে গরম পোশাক ও মোজা ব্যবহার বাধ্যতামূলক। ঠান্ডার সময় ঠান্ডা পানির বদলে হালকা গরম পানীয় বা স্যুপ বেশি স্বাস্থ্যকর। শীতকালে জীবনধারা ও শরীরের যত্ন নিলে এই ঋতুকে সুন্দরভাবে উপভোগ করা সম্ভব।
মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম





