ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আটজনকে বোরহানউদ্দিন ও ভোলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিএনপির এক কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
ঘটনা ঘটে শনিবার সকাল টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। স্থানীয়রা জানান, গণসংযোগের সময় দুই দলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণার যান চকিদার বাড়ির পাশে গেলে বিএনপি কর্মীরা তাদের বাধা দেন। এ সময় লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে জামায়াতের ১০-১২ জন আহত হন। গুরুতর আহতদের মধ্যে ফয়জুল্লাহ, ইমন, আবদুল হালিম, শাহে আলম, রায়হান, শামিম ও তানজিল রয়েছেন। এদের মধ্যে ছয়জন বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং দুইজন ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই ঘটনায় ইউনিয়ন জামায়াত তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ মিছিল করেছে।
পাল্টা অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জানান, জামায়াতের কর্মীরা বিএনপির একটি বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। এতে বিএনপি কর্মীরা প্রতিহত করেন। বিএনপি প্রার্থী মো. হাফিজ ইব্রাহিমের প্রধান সমন্বয়কারী অভিযোগ করেন, জামায়াতের কর্মীরা ইউসুফের ঘরবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে। এ ঘটনায় বিএনপি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, গণসংযোগকালে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জেলা প্রশাসকও বলেন, দুই পক্ষকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানানো হলে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম





