কয়েক দিনের ব্যবধানে বরিশালের সবজির বাজারে দামের ক্ষেত্রে স্বস্তি ফিরেছে। পাইকারি বাজারে বেশ কিছু সবজির দাম প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সোমবার (৭ জুলাই) নগরীর সাগরদী, বাংলাবাজার, বহুমুখী সিটি মার্কেটসহ একাধিক বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
পাইকারি বাজারে শসা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৫-৩০ টাকা। কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা থেকে কমে এসেছে ৩০ টাকায়, বরবটি ৪৫ থেকে ৩০ টাকায়, করলা ৬৫ থেকে ৪৫ টাকায় এবং পটল পাওয়া যাচ্ছে ৩০ টাকায়। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, বেগুন প্রকারভেদে ৩০-৪৫ টাকা, ঢেঁড়স ৩৫ টাকা এবং লাউ ৩০-৫০ টাকায়। এছাড়া কাঁচা কলা হালি প্রতি ২০-৩০ টাকা এবং লেবু ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে সবজির দাম কিছুটা বেশি হলেও তা এখনও সাধারণের নাগালের মধ্যেই আছে। খুচরা বিক্রেতারা জানান, লেবার, পরিবহন, ইজারা ও বৃষ্টির কারণে অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় দাম কিছুটা বাড়ে।
মাংসের বাজারে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন না থাকলেও দাম কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি কেজি প্রতি ১৫০-১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৭০-২৮০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস কেজি ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০ টাকা।
মাছের বাজারেও একই ধরনের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৪৫০ টাকা কেজি, টেংরা ৫০০-৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা, পাঙাস ১৫০-১৮০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০-৮৫০ টাকা, পাবদা ২৫০-৪০০ টাকা এবং মাঝারি ভেটকি ৪০০ টাকায়।
বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি বিক্রেতা মো. আমিন শুভ জানান, বর্তমানে সবজির দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে খুচরা বাজারে কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে, যা পরিবহন ও অন্যান্য খরচের কারণে স্বাভাবিক।
এদিকে, বরিশাল বিভাগীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম





